Biology academy

Biology academy

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Biology academy, Tutor/Teacher, Rajshahi.

08/11/2018

শর্ট টার্ম মেমরি লস প্রতিরোধের ৬টি
উপায়:

সারারাত পড়ে পরীক্ষার হলে
গিয়ে পড়া ভুলে যাওয়া, এই মাত্র
পরিচিত হওয়া ব্যক্তির নামটি
হাজার চেষ্টা করেও মনে করতে না
পারা অথবা কোন বিশেষ কাজ
করার জন্য মনস্থির করে রুমে গিয়ে
সেই কাজটির কথাই বেমালুম ভুলে
যাওয়া ইত্যাদি আমাদের কাছে
খুবই পরিচিত সমস্যা। এভাবে ভুলে
যাওয়ার সমস্যাকে বলা হয় শর্ট
টার্ম মেমরি লস বা অল্পতেই ভুলে
যাওয়া।

শর্ট টার্ম মেমরি লস কী:



চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে
আমাদের মেমরি তৈরীর প্রক্রিয়া
সাধারণত তিনটি ধাপে হয়ে থাকে:
সেনসরি, শর্ট টার্ম, এবং লং টার্ম।
সেনসরি মেমরি খুবই ক্ষণস্থায়ী।
এটি শুধুমাত্র প্রায় একটি ছবি, শব্দ,
বা অন্যান্য সংবেদন বজায় রাখার
জন্য অনুমতি দেয়। সেনসরি মেমরির
কিছু তথ্য শর্ট টার্ম মেমরি সংরক্ষণ
করে এবং কিছু তথ্য মেমরি থেকে
বিলীন হয়ে যায়। একে আমরা ভুলে
যাওয়া বা ফরগেটিং বলে থাকি।
একে মেমরি লসও বলা যায়।
লং টার্ম মেমরিতে অসংখ্য তথ্য
অনেকদিন পর্যন্ত থাকে। তাই এই
ধাপে মেমরি লস খুব কম হয়ে থাকে।
ঘুরে আসুন: স্মৃতিশক্তিকে বশে
আনার দারুণ ৫টি হাতিয়ার!
শর্ট টার্ম মেমরি মূলত ১৫-৩০
সেকেন্ড মেমরি হিসেবে স্থায়ী
হয়। এরপর তথ্যগুলো কার্যকরী
মেমরিতে (working memory) যায়।
কার্যকরী মেমরি সাধারণত ৮০
মিনিট স্থায়ী হয়।
লংটার্ম মেমরিতে তথ্যগুলোকে
একত্র করতে আমরা যদি আমাদের
মস্তিষ্ককে যথাযথ কারণ না দিতে
পারি তবে তা কার্যকরী মেমরি
হতে মুছে যায়। শর্ট টার্ম মেমরিতে
কোন তথ্যগুলো আমাদের মনে রাখা
প্রয়োজন তা বাছাই করা হয়।
শুধুমাত্র যে তথ্যগুলো আমরা
পুনরাবৃত্তি করব সেগুলোই কার্যকরী
মেমরিতে যায়।
ধরা যাক, আমি একটি ফোন নাম্বার
মনে রাখব। যখন আমি নম্বরটি দেখব
তখন এটি ক্ষণস্থায়ী মেমরি
হিসেবে জমা হয়। যতক্ষণ না আমি
নাম্বারটি কোথাও লিখে রাখব
অথবা এর পুনরাবৃত্তি করব ততক্ষণ
পর্যন্ত এটি শর্ট টার্ম মেমরিতে
থাকবে। এটা খুবই অল্প সময়ের জন্য
স্থায়ী হয়। এরপর এক সময় তা মেমরি
থেকে বিলীন হয়ে যায়, যাকে
আমরা বলি শর্ট টাইম মেমরি লস।
গবেষকদের মতে শর্ট টার্ম মেমরির
স্মৃতিধারণ ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।
এর জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়।
তাহলে জেনে নেয়া যাক সেই
নিয়মগুলো:
১। সঠিক খাদ্যতালিকা
মেনে চলা:
কিছু কিছু খাবার শর্ট টার্ম
মেমরির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে
সাহায্য করে। এরকম কিছু খাবার
হচ্ছে:
চকলেট: সম্প্রতি হার্ভার্ড
মেডিকেলের এক গবেষণায়
প্রমাণিত হয়েছে দুই কাপ পরিমান
হট চকলেট মস্তিষ্কের দ্রুত রক্ত
সঞ্চালনে সাহায্য করে এবং
মেমরির কার্যক্ষমতা ৩০ শতাংশ
পর্যন্ত বৃদ্ধি করে।
ক্যাফেইন: প্রতিদিন এক কাপ কফি
শর্ট টার্ম মেমরি লস অনেকাংশে
কমিয়ে দেয়।
পর্যাপ্ত পরিমান পানি: শর্ট টার্ম
মেমরি লস এর অন্যতম কারণ হল
ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা।
তাই দিনে ৭-৮ গ্লাস পানি পান
করতে হবে।
এছাড়া খাদ্যতালিকায় চিনির
পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে কারণ
চিনি মস্তিষ্কে গ্লুকোজ এর
পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় যা শর্ট
টার্ম মেমরিতে প্রভাব ফেলে।
২। চাই সঠিক নিদ্রা:
ঘুম আমাদের মস্তিষ্কের জন্য
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পরিমাণ
ঘুম না হলে মস্তিষ্কের ধারণক্ষমতা
হ্রাস পায়। ঘুমের সময় মস্তিষ্কে
অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না যা
শর্ট টার্ম মেমরিতে তথ্য বেশি
সময় স্থায়ী রাখতে সাহায্য করে। ৩। নিয়মিত ব্যায়াম
করা:
মস্তিষ্ককে সুস্থ এবং কার্যকর
রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম ও
অনুশীলন করা প্রয়োজন।
ঘুরে আসুন: মনোযোগ বাড়াতে
পারে যে ১০টি অনুশীলন!
৪। মেডিটেশন ও
প্রার্থনা করা:
নিয়মিত প্রার্থনা বা মেডিটেশন
কোন জিনিসের প্রতি ফোকাস বা
দৃষ্টিক্ষমতা বৃদ্ধি করে যার ফলে
মেমরি লস কম হয়।
৫। একই সময়ে একাধিক
কাজ না করা:
একই সময়ে একাধিক কাজ করলে শর্ট
টার্ম মেমরি কোনটি মেমরিতে
রাখবে এবং কোনটি মুছে ফেলবে
তা বুঝতে পারে না। ফলে মেমরি
লস হয়।
৬। Distraction থেকে দূরে
থাকা:
Distraction শর্ট টার্ম মেমরি লস-এর
প্রধান কারণ। যেসব কাজ
মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়
সেগুলোকেই বলা হয় Distraction।
Distraction থেকে দূরে থাকলে শর্ট
টার্ম মেমরি লস অনেকটাই কমবে।
আশা করছি এই ৬টি উপায় মাথায়
রাখলে শর্ট টার্ম মেমোরি লস
থেকে অনেকটাই দূরে থাকতে
পারবে তোমরা!

08/05/2016

"ইলেকট্রিক তারে বসলে পাখি মরে না
কেন "
আমরা সবাই ছোটবেলা থেকে জেনে
আসছি যে ডিম পাড়া প্রাণী কারেন্ট শক
খায়না, তাই পাখি কারেন্টের তারে বসলে
মরে না। কিন্তু আপনি জানেন কি? তথ্যটা
একেবারে ভুল। সত্য কথা হলো পাখিরাও
কারেন্ট শক খায়। আসুন জানাযাক ব্যাপার
টা কি?
কারেন্টের ধর্মঃ
কারেন্ট হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। এটি
ধাতব তারের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। যে
তার কারেন্টের উৎসের সাথে যুক্ত থাকে
তাকে ধনাত্মক লাইন আর যে তার দিয়ে
উৎসে ফিরে যায় তাকে ঋনাত্নক লাইন বা
আর্থিং বলে।
কারেন্ট শক কি?
প্রাণিদেহে যে সকল পেশীকলা আছে
তাদের ধর্ম হলো কারেন্ট শক পেলে
সংকুচিত হওয়া। এই ধর্ম কাজে লাগিয়ে
দেহ পেশীকলা থেকে কাজ আদায় করে নেয়
ফলে দেহ সচল থাকে। কিন্তু দেহ যে
পরিমাণ কারেন্ট উৎপন্ন করে তার বেশি
কারেন্ট দেহে প্রবেশ করলেই দেহ
অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পরে ফলে
পেশীর অতিসংবেদনশীলতার দরূন প্রাণী
কারেন্টের তার থেকে ছিটকে যায় বা
দেহে ঝাকুনি হয় এই ঘটনাকে বলে কারেন্ট
শক।
কারেন্ট শকে প্রাণী মরে কেন?
প্রাণীদের হৃদপিন্ডে যে পেশীকলা থাকে
তা সর্বদা কাজ করে কখনো বিশ্রাম করে
না। এর কারণ হলো কারেন্ট শক। হৃদপিন্ডের
পেসমেকার কারেন্ট তৈরি করে এবং
পারকিন্জে তন্তুুর সাহায্য সারা হৃদপিন্ডে
প্রবাহিত করে ফলে হৃদপিন্ড একসাথে কাজ
করে। পেসমেকার শুধু কারেন্ট উৎপন্নই করে
না সুইচ হিসেবে কাজ করে কারেন্টের
প্রবাহ অন-অফ করে ফলে হৃদপিন্ড ছন্দময়
ভাবে কাজ করতে পারে। যদি বাইরে থেকে
বিদ্যুৎ দেহে প্রবেশের পর বর্তনী পূর্ণ করে
তবে হৃদপিন্ডে কারেন্টের অনবরত প্রবাহ
চলে এবং হৃদপিন্ডের অন-অফ ক্ষমতা নষ্ট
হয়ে যায় ফলে হৃদপিন্ডের কাজ শুরু হয় কিন্তু
শেষ হয়না। একারণে প্রণীর মৃত্যু ঘটে।
পাখি কারেন্ট শক খায়না কেন?
কারেন্ট শক খাওয়ার পূর্বশর্ত হলো ধনাত্মক
ও ঋনাত্নক লাইন একসাথে স্পর্শ করা বা
বর্তনী পূর্ণ করা। কিন্তু পাখি কখনো
একসাথে দুই তারে বসে না। এরা হয় শুধু
ধনাত্মক নয় শুধু ঋনাত্নক তারে বসে ফলে
বর্তনী পূর্ণ হয়না ফলে পাখি মরে না।
পাখির গায়ে পালক থাকে এবং পায়ের
চামরার উপরে যে আবরণ খাকে তা বিদ্যুৎ
অপরিবাহী এই কারনেও পাখিরা কারেন্ট
শক খায়না। তবে পাখির পালক তুলে
ফেললে পাখিরা কারেন্ট শক খাবে। এটা
একদম সত্য। পাখিরা যদি দুই তারে বসে
তবে অবস্যই কারেন্ট শক খাবে।
কিছু বিশেষ তথ্যঃ
মানব দেহের ভেতর দিয়ে ১০ মিলি
এম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হলে মৃত্যু
অবধারিত।
মানব দেহে প্রাকৃতিক ভাবে ২ মেগা ওহম
রেজিট্যান্স আছে ফলে ১০ মিলিএম্পিয়ার
এর নিচে কারেন্ট প্রবেশ করলে কারেন্ট
শক করে না।
একজন ৭০কেজি ভরের মানুষের দেহে ৭৫
মিলিএ্যাম্পিয়ার ডিসি কারেন্ট এবং
এসির
ক্ষেত্রে ১৫ মিলিএ্যাম্পিয়ার কারেন্ট
প্রবাহিত
হলে বৈদ্যুতিক শক অনুভুত হয়। বৈদ্যুতিক শক
অনুভুতির
মাত্রা নির্ভর করে ভোল্টেজের পরিমাণ,
স্থায়ীত্ব, কারেন্ট প্রবাহের পথ ইত্যাদির
উপর।
উচ্চ ভোল্টেজে (৫০০-১০০০ ভোল্টে) মানুষের
দেহের কোষ পুড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে।
বৈদ্যুতিক শক মানুষের স্নায়ুর উপর প্রভাব
ফেলতে
পারে। যেমনঃ স্নায়ু বিকলাংগ হয়ে যেতে
পারে।
কম ভোল্টেজে (১১০-২২০ ভোল্ট , ৬০হার্জ
এসি)
মাত্র ৬০ ডিসি কারেন্টকারেন্ট প্রবাহিত
হলে
মানুষের হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া (Ventricular
fibrillation)
বন্ধ হয়ে যেতে পারে কয়েক সেকেন্ডের
মধ্যেই।
ডিসি কারেন্টের ক্ষেত্রে এর মান ৩০০-৫০০
মিলিএ্যাম্পিয়ার।

Photos 13/02/2016

ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক আজ বসন্ত ! সবাইকে জানাই বসন্তের শুভেচ্ছা !!

Photos 28/08/2015

জ্ঞান নিয়ে অহংকার নয়

হুট করে রেগে যাওয়া কিংবা কারও সাথে খারাপ ব্যবহার করা কখনোই উচিত নয়। প্রকৃত জ্ঞানী ব্যক্তি
কারও সাথে কখনোই খারাপ ব্যবহার করতে পারে
না। জ্ঞান যতো অর্জিত হয় মানুষ ততো
জ্ঞানের বিশালতায় নিজেকে হারিয়ে ফেলে।
ফলে সে নিজের ক্ষুদ্রতা উপলব্ধি করতে
পারে।
জ্ঞানী ব্যক্তি বিনয়ী হবেন, এটাই স্বাভাবিক।
একজন শিক্ষকের কাছে মানুষ এটাই আশা করে।
ফলে কোনো শিক্ষক খারাপ কাজ করলে সবাই
অবাক হয়। ঠিক তেমনি প্রত্যেকটা মানুষ নিজ নিজ
ক্ষেত্রে জ্ঞানী। ফলে সবারই উচিত ভালো
ব্যবহার করা, অহংকারকে এড়িয়ে চলা।
advertisement
ইসলামি দার্শনিক আবু তাহের মিসবাহ বলেন, ‘গাছের
যে ডালে ফল ধরে সে ডাল ফলের ভারে
ঝুঁকে অবনত থাকে, আর যে ডালে ফল নেই
সে ডাল মাথা উঁচিয়ে থাকে। এটাই প্রকৃতির নিয়ম।
এটাই চিরন্তন সত্য। মানব সমাজেও এ সত্যের
প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই। যিনি যত বড়
জ্ঞানী যত বড় গুণী তিনি তত বেশি বিনয়ী।
পক্ষান্তরে যার জ্ঞানের পরিধি যত সঙ্কুচিত তার
অহংকার তত বেশি স্ফীত।
প্রকৃত জ্ঞান মানুষের অন্তর্চক্ষু খুলে দেয়।
জ্ঞান-সমুদ্রের বিশালতা তাকে হতবাক করে।
নিজের জ্ঞানের ক্ষুদ্রতা তার সামনে প্রকাশিত
হয়। ফলে সে বিনয়ে অবনত হয়। পক্ষান্তরে
যার অন্তর্চক্ষুর সামনে থাকে মূর্খতার আবরণ,
সে জানে না জ্ঞান-সমুদ্রের বিশালতার কথা। তাই
সে অল্পতেই জ্ঞানের বড়াই করে, নিজেকে
মহাজ্ঞানী ভেবে অহংকার করে।’
পৃথিবীর জ্ঞানের খুব অল্পই মানুষ অর্জন করতে
পারে। কোনো মানুষই ‘সবজান্তা’ হয়ে ওঠতে
পারে না। তাই জ্ঞান নিয়ে অহংকার করা ঠিক নয়। জ্ঞান
নিয়ে অহংকার করা হলে সেই জ্ঞান দিয়ে
কোনো ভালো হয় না। আর নিজের সীমিত
জ্ঞান নিয়ে নিরহংকার হলে মানুষের কাছে তাঁর
সম্মান বাড়ে।

‘জ্ঞানের তিনটি স্তর আছে; যে ব্যক্তি জ্ঞানের
প্রথম স্তর অর্জন করে তার নাক উঁচু হয়ে যায়, এবং
মনে করে যে সে জ্ঞান অর্জন করে
ফেলেছে।
আর যে ব্যক্তি জ্ঞানের দ্বিতীয় স্তর অর্জন
করে সে নিজেকে ছোট মনে করতে শুরু
করে, এবং বুঝতে পারে যে তার জ্ঞান অর্জিত হয়
নি।
আর তৃতীয় স্তর হলো শুধু আফসোস আর
আফসোস! হায় হায়, জ্ঞান তো কখনোই অর্জন
করা সম্ভব নয়।’

Mobile uploads 22/04/2015

এমন লজ্জায় আগে পড়েনি
পাকিস্তান!

ম্যাচ শুরর আগেই পূর্ব গ্যালারিতে
একটা ব্যানার চোখে পড়ল। বড় হরফে
লেখা, ‘বাংলাওয়াশের অপেক্ষায়’!
গ্যালারির প্রতিটি দর্শকের মনের
কথাই বুঝি লিখে এনেছেন ওই দর্শক।
কেবল মিরপুর শেরেবাংলা
স্টেডিয়ামের গ্যালারি কেন, ১৬
কোটি মানুষের চাওয়া ছিল নিশ্চয়
এটিই।
বাংলাদেশের দর্শকেরা যেমন
মনেপ্রাণে চেয়েছেন পাকিস্তানকে
ধবলধোলাইয়ের লজ্জা দিতে। তেমনি
পাকিস্তানি দর্শকেরাও চেয়েছেন, এ
লজ্জা থেকে রেহাই পাওয়ার! কিন্তু
তা হয়নি। রেকর্ড বইয়ে শেষ অবধি
লেখা হয়েছে পাকিস্তানের লজ্জার
এক অধ্যায়। যখনই ওই অধ্যায়ে চোখ
বোলাবে পাকিস্তানি দর্শকেরা,
নিশ্চয় হতাশা মেশানো দীর্ঘ একটা
শ্বাস বেরিয়ে আসবে বুক চিড়ে। এই
লজ্জা ভুলতে পাকিস্তানিদের কত
দিন, কত বছর লাগে কে জানে!
পাকিস্তান প্রথম ওয়ানডে সিরিজ
খেলেছিল ১৯৭৩ সালের ১১
ফেব্রুয়ারি। সে ম্যাচে হেরেছিল ২২
রানে। ওটা ছিল মাত্র এক ম্যাচের
সিরিজ। তবে আক্ষরিক অর্থে
পাকিস্তান প্রথম ওয়ানডে সিরিজে
ধবলধোলাইয়ের শিকার হয় ওয়েস্ট
ইন্ডিজের বিপক্ষে। ১৯৮০ সালের
নভেম্বর-ডিসেম্বরে পাকিস্তানের
মাটিতেই তাদের ৩-০ ব্যবধানে
ধবলধোলাই করে যায় ক্যারিবীয়রা।
এরপর আরও ১১বার ধবলধোলাইয়ের শিকার
হয়েছে পাকিস্তান। তবে
প্রতিপক্ষের নামগুলো বরাবরই সমীহ
জাগানিয়া। পাকিস্তানকে সবচেয়ে
বেশি ধবলধোলাই করেছে ইংল্যান্ড,
চারবার। তিনবার করেছে
অস্ট্রেলিয়া, দুইবার ওয়েস্ট
ইন্ডিজ। একবার ভারত, শ্রীলঙ্কা ও
নিউজিল্যান্ড।
ধবলধোলাই দূরে থাক, পাকিস্তান এ
সিরিজের আগে বাংলাদেশ তো বটেই,
কখনো জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ডের
কাছে সিরিজই হারেনি। প্রথমবারের
মতো আজ তাদের শিকার হতে হলো এমন
ধবলধোলাই, থুড়ি, বাংলাওয়াশের
মতো তিক্ত অভিজ্ঞতার!
নিউজিল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ আগেই
জেনে গেছে। এবার জেনে গেল
পাকিস্তান। এই বাংলাদেশ অন্য রকম।
এই বাংলাদেশ র্যাঙ্কিংয়ে তাদের
ওপরে থাকা দলকে নিয়েও ছিনিমিনি
খেলতে জানে!
এর আগে চার ওয়ানডে সিরিজের
প্রতিটিতে বাংলাদেশকে ধবলধোলাই
করেছে পাকিস্তান। ২০০২ সালে
বাংলাদেশের মাটিতেই ৩-০ হারিয়ে
গিয়েছিল পাকিস্তান। পরের বছর
পাকিস্তানে গিয়ে ৫-০ ব্যবধানে
পরাজয়ের যাতনায় পুড়েছে
বাংলাদেশে। ২০০৮ সালে পাকিস্তানে
একই ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।
আর সর্বশেষ, ২০১১ সালে ৩-০ ব্যবধানে
হার।
পাকিস্তানের বিপক্ষে এমন কত
পরাজয়ের যন্ত্রণা দীর্ঘ কাল বুকে
বইয়ে বেড়িয়েছেন বাংলাদেশের
দর্শকেরা। এবার পাকিস্তানের
দর্শকদের পালা। বাংলাওয়াশ নামক
এক যন্ত্রণা তাদের যে বইয়ে
বেড়াতে হবে বহুকাল!
যত ধবল ধোলাইয়ের শিকার
পাকিস্তান:
প্রতিপক্ষ মৌসুম সিরিজের ফল
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৮০-৮১ ৩-০
ইংল্যান্ড ১৯৭৮ ২-০
ইংল্যান্ড ১৯৮২ ২-০
ভারত ১৯৮৩/৮৪ ২-০
ইংল্যান্ড ১৯৮৭/৮৮ ৩-০
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৮৭/৮৮ ৫-০
অস্ট্রেলিয়া ১৯৯৮/৯৯ ৩-০
শ্রীলঙ্কা ১৯৯৯/০০ ৩-০
অস্ট্রেলিয়া ২০০৯/১০ ৫-০
ইংল্যান্ড ২০১১/১২ ৪-০
অস্ট্রেলিয়া ২০১৪/১৫ ৩-০
নিউজিল্যান্ড ২০১৪/১৫ ২-০
বাংলাদেশ ২০১৪/১৫ ৩-০

Mobile uploads 20/04/2015

নিষিদ্ধ দেশ সম্পর্কে জানুন :

সাধারণ
জ্ঞানের
বইয়ে
নিষিদ্ধ
দেশ
তিব্বত
আর
নিষিদ্ধ
নগরী
তিব্বতের
রাজধানী
লাসার
কথা
পড়েনি
এমন কেউ নেই। কী আছে তিব্বতে? যে
ব্যাপারে সবার মনে রয়েছে প্রশ্ন। কোনটি
নিষিদ্ধ দেশ প্রশ্ন করলে এক বাক্যে সবাই
বলবে তিব্বত। কিন্তু এই নিষিদ্ধের পেছনের
রহস্য অনেকেরই অজানা। কেন তিব্বতকে
নিষিদ্ধ দেশ বলা হয়? কী এমন গাঢ় রহস্যের
কুয়াশায় ঢাকা তিব্বতের অবয়ব?
হিমালয়ের উত্তর অংশে শত শত বছর ধরে
দাঁড়িয়ে আছে তিব্বত নামের রহস্যময়
রাজ্যটি।
তিব্বত হিমালয়ের উত্তরে অবস্থিত ছোট
একটি দেশ। ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে ত্রয়োদশ
দালাইলামা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত গণচীনের
একটি স্ব-শাসিত অঞ্চল তিব্বত। মধ্য
এশিয়ায় অবস্থিত এই অঞ্চলটি তিব্বতীয়
জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল।
এই অঞ্চলটি চীনের অংশ হলেও এখানকার
অনেক তিব্বতি এই অঞ্চলকে চীনের অংশ
মানতে নারাজ। ১৯৫৯ সালে গণচীনের
বিরুদ্ধে তিব্বতিরা স্বাধিকার আন্দোলন
করলে সেটি ব্যর্থ হয়। তখন দালাইলামার
নেতৃত্বে অসংখ্য তিব্বতি ভারত সরকারের
আশ্রয় গ্রহণপূর্বক হিমাচল প্রদেশের
ধর্মশালায় বসবাস শুরু করেন। সেখানে
স্বাধীন তিব্বতের নির্বাসিত সরকার
প্রতিষ্ঠিত হয়।
তিব্বতের রহস্যের পেছনে এর প্রকৃতি ও
দুর্গম পরিবেশ অনেক ক্ষেত্রে দায়ী।
রাজধানী লাসা থেকে মাত্র ১০০
কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গোবি মরুভূমি।
মরুভূমির নিষ্ঠুর ও কষ্টদায়ক পরিবেশ এসব
এলাকার মানুষকে কাছে আনতে
নিরুৎসাহিত করে। তিব্বতের বেশিরভাগ ভূ-
ভাগ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৬০০০ ফুটেরও ওপরে
অবস্থিত হওয়ায় সেখানে বসবাস করা
পৃথিবীর অন্যান্য স্থানের চেয়ে একটু বেশি
কষ্টকর।
এই অঞ্চলগুলো এতই উঁচু যে, একে পৃথিবীর
ছাদ বলা হয়ে থাকে। তিব্বতের স্থলভাগ
বছরের প্রায় আট মাস তুষারে ঢেকে থাকে।
সেই প্রাচীনকাল থেকেই তিব্বতকে ঘিরে
প্রচলিত রয়েছে অনেক রহস্য। তিব্বতের
রাজধানী লাসা বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ
নগরী হিসেবে পরিচিত ছিল অনেক আগে
থেকেই। লাসায় বহির্বিশ্বের কোনো
লোকের প্রবেশাধিকার ছিল না।
তিব্বত বা লাসায় বাইরের বিশ্ব থেকে
কারো প্রবেশ করার আইন না থাকায় এই
অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে সবার কাছে একটি
রহস্যময় জগৎ হিসেবে পরিচিত ছিল। কী
আছে লাসায়, সেটা দেখার জন্য উদগ্রীব
হয়ে থাকত সমগ্র বিশ্ব। লাসার জনগোষ্ঠী,
শহর, বন্দর, অট্টালিকা সব কিছুই ছিল সবার
কাছে একটি রহস্যঘেরা বিষয়।
লাসা নগরীতে ছিল বিখ্যাত পোতালা
নামক একটি প্রাসাদ। এই প্রাসাদটি
প্রথমবারের মতো বহির্বিশ্বের মানুষেরা
দেখতে পায় ১৯০৪ সালে। আমেরিকার
বিখ্যাত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকায়
এই বিখ্যাত অট্টালিকার ছবি ছাপা হয়।
তিব্বতের চতুর্দিকে বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে
ছিটিয়ে আছে অসংখ্য পাহাড় ও গুহা। সেই
পাহাড়ি গুহাগুলোতে বাস করে বৌদ্ধ
পুরোহিত লামারা।
তিব্বতিরা অত্যান্ত ধর্মভীরু হওয়ায় ধর্ম
একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
তাদের প্রধান ধর্মগুরুর নাম দালাইলামা।
বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা তিব্বতে লামা নামে
পরিচিত। লামা শব্দের অর্থ সর্বপ্রধান, আর
দালাই শব্দের অর্থ জ্ঞান সমুদ্র। অর্থাৎ
দালাইলামা শব্দের অর্থ হচ্ছে জ্ঞান
সমুদ্রের সর্বপ্রধান। ধর্মগুরু বা দালাইলামা
বাস করে সোনার চূড়া দেয়া পোতালা
প্রাসাদে।
১৩৯১ সালে প্রথম দালাইলামার আবির্ভাব
ঘটে। দালাইলামাকে তিব্বতিরা বুদ্ধের
অবতার মনে করে থাকে। তিব্বতিদের
বিশ্বাস, যখনই কেউ দালাইলামার পদে
অভিষিক্ত হয় তখনই ভগবান বুদ্ধের আত্মা
তার মধ্যে আবির্ভূত হয়। দালাইলামা
নির্বাচনের পদ্ধতিটাও বেশ রহস্যময় এবং
রোমাঞ্চকর।
তিব্বতিদের দালাইলামা বা নেতা
নির্বাচনের পদ্ধতিটি খুবই বিচিত্র।
তিব্বতি প্রথা মতে কারো মৃত্যুর সঙ্গে
সঙ্গেই তার মরদেহের সৎকার করা হয় না।
তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, মৃত্যুর পরও আত্মা
জাগতিক পরিমণ্ডলে বিচরণ করে। আর
যতক্ষণ পর্যন্ত আত্মা জাগতিক পরিমণ্ডল
ত্যাগ না করে ততক্ষণ পর্যন্ত তারা
মরদেহটি তাদের বাড়িতে রেখে দেয়।
কোনো লামার মৃত্যু হলে লাসার পূর্বে
লহামপূর্ণ সরোবরের তীরে লামারা ধ্যান
করতে বসে। ধ্যানযোগে লামারা দেখতে
পায় সেই সরোবরে স্বচ্ছ পানির ওপর ভেসে
উঠছে একটি গুহার প্রতিবিম্ব। যে গুহার
পাশে আছে একটি ছোট্ট বাড়ি। প্রধান
লামা তার সেই অলৌকিক অভিজ্ঞতার
মাধ্যমে এঁকে দেবে নতুন দালাইলামার
ছবি।
তারপর কয়েকজন লামা ছোট ছোট দলে
বিভক্ত হয়ে তিব্বতের বিভিন্ন স্থানে যায়
শিশু অবতারের খোঁজে। তারা তিব্বতের
ঘরে ঘরে গিয়ে সেই ছবির হুবহু শিশুটি খুঁজে
বের করার চেষ্টা করে। আর এভাবেই তারা
খুঁজে বের করে তাদের নতুন
দালাইলামাকে।
তিব্বতের লামারাসহ সাধারণ মানুষেরাও
প্রেতাত্মাকে খুবই ভয় পায়। অধিকাংশ
তিব্বতির ধারণা, মানুষের মৃত্যুর পর দেহের
ভেতর থেকে প্রেতাত্মারা মুক্ত হয়ে
বাইরে বেরিয়ে আসে। ওই প্রেতাত্মার
লাশ সৎকার হওয়ার আগ পর্যন্ত সে মানুষের
ক্ষতি করার জন্য ঘুরে বেড়ায়। তারা কখনও
মানুষের ওপর ভর করে, কখনও পশু-পাখি
কিংবা কোনো গাছ অথবা পাথরের ওপরও
ভর করে। প্রেতাত্মাদের হাত থেকে
বাঁচতে ও প্রেতাত্মাদের খুশি রাখতে
তিব্বতিরা পূজা করে থাকে।
তিব্বতে সরকারি ভাষা হিসেবে চীনা
ভাষার প্রচলন থাকলেও তিব্বতিদের
ভাষার রয়েছে সুপ্রাচীন ইতিহাস। তাই
চীনের বেশ কিছু প্রদেশ এবং ভারত,
পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানে তিব্বতি
ভাষাভাষী মানুষ রয়েছে।
তিব্বতিদের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী আচার
হলো মৃতদেহের সৎকার। এদের মৃতদেহ সৎকার
পদ্ধতি খুবই অদ্ভুত। কোনো তিব্বতি যদি
মারা যায়, তবে ওই মৃতদেহ কাউকে ছুঁতে
দেয়া হয় না। ঘরের কোণায় মৃতদেহটি
বসিয়ে চাদর অথবা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে
ঢেকে রাখা হয়। মৃতদেহের ঠিক পাশেই
জ্বালিয়ে রাখা হয় পাঁচটি প্রদীপ।
তারপর পুরোহিত পোবো লামাকে ডাকা
হয়। পোবো লামা একাই ঘরে ঢোকে এবং
ঘরের দরজা-জানালা সব বন্ধ করে দেয়।
এরপর পোবো মন্ত্র পড়ে শরীর থেকে
আত্মাকে বের করার চেষ্টা করে। প্রথমে
মৃতদেহের মাথা থেকে তিন-চার গোছা চুল
টেনে ওপরে আনে। তারপর পাথরের ছুরি
দিয়ে মৃতদেহের কপালের খানিকটা কেটে
প্রেতাত্মা বের করার রাস্তা করে দেয়া
হয়।
মৃতদেহকে নিয়ে রাখে একটা বড় পাথরের
টুকরোর ওপর। ঘাতক একটি মন্ত্র পড়তে পড়তে
মৃতদেহের শরীরে বেশ কয়েকটি দাগ কাটে।
দাগ কাটার পর একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে
সেই দাগ ধরে ধরে মৃতদেহকে টুকরো টুকরো
করে কেটে ফেলা হয়। তারপর পশুপাখি
দিয়ে খাওয়ানো হয়।
তিব্বতের সামাজিক অবস্থার কথা বলতে
গেলে বলতে হয় এমন এক সমাজের কথা, যা
গড়ে উঠেছিল আজ থেকে প্রায় ছয় হাজার
বছর আগে। তখন পীত নদীর উপত্যকায়
চীনারা জোয়ার ফলাতে শুরু করে।
অন্যদিকে আরেকটি দল রয়ে যায় যাযাবর।
তাদের মধ্য থেকেই তিব্বতি ও বর্মী
সমাজের সূচনা হয়।
তাদের খাবার- দাবারে ও রয়েছে ভিন্ন।
শুনলে অবাক হবেন উকুন তিব্বতিদের অতি
প্রিয় খাবার। ঐতিহ্যগত তিব্বতি সমাজের
এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ যাযাবর বা রাখাল
জীবনযাপন। ভেড়া, ছাগল ও ঘোড়া পালন
তাদের প্রধান জীবিকা। শুধু চীনের তিব্বত
স্বশাসিত অঞ্চলের মোট জনসংখ্যার ২৪
শতাংশ এই যাযাবর রাখাল সম্প্রদায়।
এরা কখনও চাষাবাদের কাজ করে না। মোট
ভূমির ৬৯ শতাংশ এলাকা চারণ বা তৃণভূমি।
চীনা ঐতিহ্যের সঙ্গে মিল রেখে
তিব্বতিরাও ভীষণ চা প্রিয়। তাদের
বিশেষ চায়ে মেশানো হয় মাখন এবং লবণ।
তবে তিব্বতিদের প্রধান খাবার হলো
চমবা। গম এবং যবকে ভেজে পিষে চমবা
তৈরি করা হয়। আধুনিক বিশ্ব দিন দিন
আধুনিক হলেও আজও তিব্বত বিশ্বে রহস্যময়
একটি জায়গা নামে খ্যাত।

Mobile uploads 17/04/2015
Mobile uploads 19/03/2015

আম্পায়ারের
বাজে সিদ্ধান্তের
শিকার টাইগাররা

বাংলাদেশকে আম্পায়ার ইয়ান
গৌল্ড পিছিয়ে দিলেন। তার একটা
বাজে সিদ্ধান্তের মূল্য দিতে
হয়েছে টাইগারদের। দারুণ বোলিং
করছিল টাইগার বোলাররা। রুবেল
ছিলেন তার মতো উজ্জ্বল আর উচ্ছ্ল।
সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়ে
দাঁড়িয়েছিলেন রোহিত শর্মা। তার
আউট বাংলাদেশের জন্য ঘুরিয়ে
দিতে পারতো ম্যাচের মোড়। কিন্তু
কি হলো! আম্পায়ার গৌল্ডের নো
ডাকার শিকার হলেন রুবেল। বেঁচে
গেলেন রোহিত। সেঞ্চুরি করলেন।
আরো ৩৭ রান করলেন। ১৩৭ রানে
তার ৪৭ রানই বাড়তি ভারতের
ইনিংসে। আম্পায়ারের সৌজন্যে
ওটা ভারতের ও রোহিতের বোনাস
রান!
ভারতের সাবেক এক ব্যাটসম্যান
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
লিখেছেন, আউট ছিলেন রোহিত।
নতুন জীবন পেয়েছেন। বলটা
কোমরের ওপরে ছিল না।
অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি সাবেক
বোলার শেন ওয়ার্ন বলেছেন, আউট
ছিলেন রোহিত। বলটা নো ছিল না।
ঘটনাটা তখনকার যখন স্রোতের
প্রতিকূলে ব্যাট করে চলে ৯০ রান
তুলে ফেলেছেন রোহিত। রুবেলের
বলে তুলে মারলেন। ডিপ মিড
উইকেটে চমৎকার ক্যাচটা নিলেন
ইমরুল। গ্যালারিতে বাংলাদেশের
সমর্থকদের উল্লাস শুরু হয়েই শেষ
হলো। কারণ কোমরের দিকটা
দেখিয়ে গৌল্ড এক হাত প্রসারিত
করে জানাচ্ছেন নো এর সিগন্যাল।
রিভিউটা শেষ হয়ে গেছে আগে।
তাই বিষয়টা পরখ করে দেখতে
পারেনি বাংলাদেশ। কিন্তু
ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা
আইসিসির এলিট আম্পায়ার
গৌল্ডের জন্য বিষযটি হয়ে রইলো
লজ্জার। কারণ টিভি রিপ্লেতে
যতবার দেখানো হয়েছে
প্রত্যেকবারই সবাই বুঝেছে ওটা
কোনোভাবেই নো ছিল না। রোহিত
একটু সামনে গিয়ে খেলেছিলেন।
বলটা তার কোমরের নিচের উচ্চতায়
ছিল। এমন সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ
বঞ্চিত হলো দারুণ এক মোড় থেকে।
আম্পায়ারের ভুলে যেখানে আনন্দে
মাতার কথা ছিল বাংলাদেশের
সেখানে ভারতীয়রা করলো উল্লাস।
আর ম্যাচে তার প্রভাব রেখে গেল
একটি নো। যেটা কোনোভাবেই নো
ছিল না।

19/03/2015

আম্পায়ারিংয়ের সমালোচনা
করলেন অর্জুন রামপালও!
অনলাইন ডেস্ক
মেলবোর্নে বাংলাদেশের বিপক্ষে বাজে
সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ দেশ ছড়ে চলে গেছে
দেশের
বাইরেও। আর প্রতিবাদটা হচ্ছে স্বয়ং
ভারতেও।
ভিভিএস লক্ষণ, হার্শা ভোগলের পর এবার
মুখ
খুললেন বলিউড চিত্রতারকা অর্জুন
রামপালও।
নিজের অফিসিয়াল
টুইটার অ্যাকাউন্টে
তিনি বলেন, ‘৩০২ রান
অনেক ভালো স্কোর। তবুও,
বাংলাদেশকে হালকা
ভাবে নেয়ার কোন কারণ
নেই। আম্পায়ারদের দুটো
সিদ্ধান্ত তাদের
বিপক্ষে

16/03/2015

সাহসী মানে সবসময় গর্জে উঠা নয়। অনেক সময় প্রকৃত সাহসী তারাই যারা ক্লান্ত দিনের শেষে শান্ত গলায় বলে আমি আগামীকাল আবার চেষ্টা করবো.....

Untitled album 16/03/2015
Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Rajshahi