বিশ্ব পরিচয়

বিশ্ব পরিচয়

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বিশ্ব পরিচয়, Educational consultant, Rajshahi-Dhaka Highway, Motihar, Rajshahi.

26/03/2026
21/03/2026

🔰 একটা বেঞ্চের গল্প — অন্ধভাবে নিয়ম মানার ফল

ক্যান্টনমেন্টে নতুন এক ব্রিগেড কমান্ডার যোগ দিলেন।
যোগ দেওয়ার পরদিন থেকেই তিনি একটা অদ্ভুত বিষয় লক্ষ্য করলেন—মাঠের পাশে একটা বেঞ্চ, আর সেই বেঞ্চের দুই পাশে প্রতিদিন দুইজন সৈনিক দাঁড়িয়ে পাহারা দিচ্ছে।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো—বাকি সব বেঞ্চে কেউ নেই, শুধু এই একটিতেই পাহারা! 🤔

কয়েকদিন পর্যবেক্ষণের পর তিনি সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে জিজ্ঞেস করলেন—
“এই বেঞ্চটা পাহারা দেওয়া হয় কেন?”

উত্তর এলো— “স্যার, এটা নিয়ম। আমি গত ১০ বছর ধরে এমনটাই দেখে আসছি।”

বিষয়টা অদ্ভুত লাগায় তিনি আগের ব্রিগেডিয়ারকে ফোন করলেন। সেখান থেকেও একই উত্তর— “হ্যাঁ, এটা নিয়ম।”

কিন্তু কেন নিয়ম—তার উত্তর কেউ জানে না!

শেষ পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে জানা গেল, প্রায় ২০ বছর আগে এক ব্রিগেডিয়ার এই নিয়ম চালু করেছিলেন।
নতুন কমান্ডার তখন সেই অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ারকে ফোন করলেন—

“স্যার, আপনি কেন বেঞ্চ পাহারা দেওয়ার নিয়ম করেছিলেন?”

বৃদ্ধ অফিসার হেসে বললেন—
“আমি যখন বলেছিলাম, তখন বেঞ্চটা নতুন রঙ করা হয়েছিল। তাই বলেছিলাম, দুইজন সেন্ট্রি দাঁড় করিয়ে দাও, যাতে কেউ বসে প্যান্টে রঙ না লাগায়!”

😄

📌 শিক্ষা:
আমরা অনেক সময় না বুঝেই পুরনো নিয়ম মেনে চলি—
কেন করছি, সেটাই জানি না!

👉 তাই প্রশ্ন করুন, বুঝে কাজ করুন।
অন্ধভাবে অনুসরণ নয়, সচেতন সিদ্ধান্তই সফলতার চাবিকাঠি।
(Collected)

20/03/2026

🌍 হাজার বছরের ইতিহাস লুকিয়ে আছে এখানে।
-মানবনির্মিত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপনা
🌿 প্রকৃতি, ইতিহাস আর প্রযুক্তিতে একেবারে অন্য লেভেল!
📌 Follow করুন প্রতিদিন নতুন তথ্য ও সুন্দর ছবি পেতে

20/03/2026

উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে কিম জং উন ৯৯.৯৩% ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ভোটদানের হার ছিল প্রায় ১০০%
তবে ০.০০৩৭% ভোটার অন্য দেশে বা সমুদ্রে থাকার কারণে ভোট দিতে পারেননি আর ০.০০০০৩% ভোটদানে বিরত ছিলেন।

05/01/2025

প্রাচীন মায়া সভ্যতার অন্তর্গত টেওটিহুয়াকান নামক জায়গায় একটি আর্কিওলজিক্যাল সাইটে খুঁজে পাওয়া গেল একজন নারীর কংঙ্কাল। অবশ্য এমন প্রাচীন কংঙ্কাল তো এই প্রাচীন সাইটগুলিতে কতই খুঁজে পাওয়া গেছে। তবে এর বৈশিষ্ট কী?
আজ থেকে প্রায় এক হাজার সাতশো বছর আগের মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা এই কংঙ্কালটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট খুঁজে পাওয়া গেছে। কংঙ্কালের বেশ কয়েকটি দাঁত এখনও ইন্টাক্ট অবস্থায় রয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হল সেই দাঁতগুলোর মধ্যে একটি আবার বাঁধানো। সেই বাঁধানো দাঁতটি তৈরি হয়েছিল সেই সময়ে মায়া সভ্যতায় পাওয়া যেত এমন একটি মূল্যবান পাথর দিয়ে। মায়ানরা জেড পাথর দিয়ে নানান মূল্যবান সামগ্রী তৈরি করতো। এই নারীর বাঁধানো দাঁতটিও সেই জেড পাথরের তৈরি। সম্ভবত বাঁধানো দাঁতের এই কনসেপ্ট মায়ানদের ক্ষেত্রে প্রাচীনতম। দাঁতটি তার ম্যান্ডিবলের সাথে আশ্চর্য পন্থায় সিমেন্ট বা ফাইবার জাতীয় কোনো এঢিসিভ দিয়ে সংযুক্ত ছিল। কার্বন ডেটিং পরীক্ষার ফল বলছে, এটি ৩৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৪৫০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে কোনো এক সময়ে তৈরি। বর্তমানে মিউজিয়াম অফ আর্টিফেক্টস'এ কংঙ্কালটি সংরক্ষণ করে রাখা আছে...
(Collected)

11/08/2024

Like and Share

04/05/2023

ইতিহাসের পাতা হতে নেওয়া অজানা একটি স্মৃতি বিজড়িত ঘটনা

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ রেল সেতুটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশি থেকে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা পর্যন্ত যুক্তকারী একটি রেলসেতু। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ রেলসেতু হিসেবে পরিচিত।

১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে এই সেতু নির্মাণের সমীক্ষা শুরু হয়। ১৯১০-১১ খ্রিষ্টাব্দে পদ্মার দুই তীরে সেতু রক্ষার বাঁধ নির্মাণ হয়। ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে সেতুটির গাইড ব্যাংক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। পাশাপাশি সেতুর গার্ডার নির্মাণের কাজ শুরু হয়। গার্ডার নির্মাণের জন্য কূপ খনন করা হয়। ২৪ হাজার শ্রমিক দীর্ঘ ৫ বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ। তার নামানুসারে সেতুটির নামকরণ করা হয় হার্ডিঞ্জ ব্রীজ। সেতুটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৫১ লক্ষ ৩২ হাজার ১ শত ৬৪ টাকা। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৫ হাজার ৮ শত ফুট। ব্রিজটিতে ১৫টি স্প্যান আছে। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেতুটিতে বোমা ফেলা হলে ১২ নম্বর স্প্যানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় পদ্মার ওপারের মানুষের সাথে এপারের মানুষের।

রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, তখন এগিয়ে আসে ভারত সরকার। ১৯৭২ সালে ভারতের সহায়তায় টেম্পোরারি সেতু চালু করা হয়, অন্য এলাকা থেকে একটা স্প্যান এনে । সিঙ্গেল লাইন চালু হয়েছিল । পরে ১৯৭৪ সালে ভারত থেকে নতুন ভাবে একটা স্প্যান এনে ভাল ভাবে ডাবল লাইন সেতু চালু করে হয়।

দুর্লভ এই ছবিটা স্বাধীনতার পর পর টেম্পোরারি ভাবে চালু হওয়ার চিত্র, লোকোমোটিভ হিসেবে ছিল ৬১১৪

অজানা বিষয় জানিয়েছেন শ্রদ্ধেয় মোঃ নাজমুল ইসলাম আংকেল।

ছবি- সংগৃহীত

02/05/2023

একবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রসিকতা করে মাইকেল মধূসুদন দত্তকে বললেন - মাইকেল, তুমি কি ইংরেজি বর্ণমালার E কে বর্জন করে একটি পূর্ণ অনুচ্ছেদ লিখতে পারবে?

মধূসুদন সহাস্যে বললেন :

I doubt I can. It’s a major part of many many words. Omitting it is as hard as making muffins without flour. It’s as hard as spitting without saliva, napping without a pillow, driving a train without tracks, sailing to Russia without a boat, washing your hands without soap. And, anyway, what would I gain? An award? A cash bonus? Bragging rights? Why should I strain my brain? It’s not worth doing.

[লক্ষ করুন, কোনো শব্দে E নেই।]

অনুচ্ছেদটির অর্থ :

আমার সন্দেহ আমি পারবো কি না। এটা অনেক শব্দের প্রধান অংশ। এটা ময়দা ছাড়া পিঠা বানানোর মতোই কঠিন। লালা ছাড়া থু থু মারার মতো, বালিশ ছাড়া ঘুমানোর মতো, রেললাইন ছাড়া রেলগাড়ি চালানোর মতো, নৌকা ছাড়া রাশিয়া যাত্রা করার মতো, সাবান ছাড়া হাত ধোয়ার মতো কঠিন। যাইহোক, এটা করতে পারলে আমি কী পাবো? কোনো পুরষ্কার? কোনো টাকা? কোনো অধিকার? তো অযথা কেন আমার মস্তিষ্ককে চাপ দেবো? এটা কোনো কাজের কাজ নয়।

মেধার চর্চা আজকাল নেই,
চারদিকে পরচর্চা!
Collected-----------------

07/02/2017

নদীর জলে আগুন ছিল ।
আগুন ছিল বৃষ্টিতে ।
আগুন ছিল বীরঙ্গনার,উদাস করা দৃষ্টিতে ।
আগুন ছিল গানের সুরে,আগুন ছিল কাব্য ।
মরার চোখে আগুন ছিল,এ কথা কে ভাববে ।
কুকুর বেড়াল থাবা হাঁকায়,ফোসে সাপের ফনা ।
শিং কই মাছ রুখে দাঁড়ায়,জ্বরে বালির কনা ।
আগুন ছিল মুক্তি সেনার,
স্বপ্ন ঢলের বন্যায় ।
প্রতিবাদের প্রবল ঝড়ে,
কাঁপছিল সব অন্যায় ।
এখন এসব স্বপ্নকথা,দূরের শোনা গল্প ।
তখন সত্যি মানুষ ছিলাম,এখন আছি অল্প ।.।.
(আসাদ চৌধুরী)

28/12/2016

রাবির হলে ল্যাপটপ চুরির হিড়িক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক
হলগুলোতে প্রতিনিয়ত চলছে ল্যাপটপ
চুরির ঘটনা। কক্ষের তালা খুলে চুরির
হিড়িক পড়ায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের
মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। একই কায়দায়
সবগুলো চুরির ঘটনা ঘটায়
শিক্ষার্থীরা বলছেন, এটা কোন
সক্রিয় সিন্ডিকেটের কাজ।
হল সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে
মাদার বখ্শ, শহীদ জিয়াউর রহমান ও
শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী হল থেকে ৯টি
ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে
মাদার বখ্শ হল থেকেই পাঁচটি ল্যাপটপ ও
দামি জিনিস-পত্র চুরি হয়েছে।
মাদার বখ্শ হলের ২২৯ নম্বর কক্ষে থাকেন
মো. জাকারিয়া ও অর্ণব চক্রবর্তী।
দ্ইুজনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে
সম্পৃক্ত। এর মধ্যে জাকারিয়া মাদার বখ্শ
হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক
সম্পাদক। গত পরশু তাদের কক্ষের তালা
খুলে চুরি হয়েছে মোবাইল, ল্যাপটপ ও
ঘড়ি।
জানতে চাইলে জাকারিয়া বলেন,
বিকেলে আমরা দুজন রুম থেকে বের হয়ে
যায়। সন্ধ্যায় ফিরে দেখি রুমের তালা
খোলা। ভেতরে গিয়ে দেখি
টেবিলের উপর মাইক্রোফোন সেটটি
নেই। ড্রয়ার থেকে চাবি বের করে
অর্ণবের লকার খুলে ল্যাপটপ নিয়েছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে অর্ণব বলেন, হলের
ভেতর কক্ষ তালা মেরে রেখেও যদি
নিরাপত্তা না থকে তাহলে আমরা
কোথায় নিরাপদ? আমার ৭২ হাজার
টাকার ল্যাপটপ গেছে। তার থেকে
খারাপ লাগছে দীর্ঘদিনের জোগাড়
করা ডকুমেন্ট, থিসিস পেপার রয়েছে
ল্যাপটপে। ভাবতেই পারছি না এগুলো
আর পাবো না।’
মাদার বখ্শ হল শাখা ছাত্রলীগের
সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা বলেন, ‘গত
এক মাসে আমাদের হল থেকে পাঁচটি
ল্যাপটপ চুরি হয়েছে। একই ভাবে চুরির
ঘটনাগুলো ঘটায় মনে হচ্ছে কোন
সক্রিয় সিন্ডিকেট কাজ করছে। চুরির
ঘটনা ঠেকাতে হল প্রাধ্যক্ষকে ভূমিকা
রাখতে হবে। হলে সিসি ক্যামেরা
লাগালে ও হলে অবস্থানরত বহিরাগত
শিক্ষার্থীদের বের করতে পারলে
সমস্যা সমাধান হতে পারে।’
সোহ্রাওয়ার্দী হলের ভুক্তভুগি
শিক্ষার্থী রবিন বলেন, কক্ষের তালা
খুলে আমার ল্যাপটপ নিয়ে গেছে।
এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে আমরা
কোথায় যাবো। জিয়াউর রহমান হলের
৩৫৭ নম্বর কক্ষে থাকেন মার্কেটিং
চতুর্থ বর্ষের জুবায়ের হোসেন। এক সপ্তাহ
আগে তার কক্ষের তালা খুলে ল্যাপটপ সহ
প্রায় ৫০হাজার টাকার জিনিস-পত্র
চুরি হয়েছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,
‘সেদিন সন্ধ্যায় তালা মেরে
ক্যাম্পাসে যায়। রাত ১০টার দিকে
কক্ষে ফিরে দেখি তালা খুলে সব তছনছ।
ল্যাপটপ, মানিব্যাগ, বই, ব্যাগ, ঘড়ি
কিচ্ছু নেই। একই ভাবে হলের আরো
দুজনের ল্যাপটপ চুরি হয়েছে। বিষয়টি হল
প্রাধ্যক্ষকে জানালে উল্টো রাগ
দেখিয়ে বলেছে, এতো রাতে হলের
বাইরে থাকার কী দরকার? বাইরে
যাওয়ার সময় ল্যাপটপ সঙ্গে করে নিয়ে
যেতে পারো না।’
কথা হয় মাদার বখ্শ হলের প্রাধ্যক্ষ
অধ্যাপক তাজুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি
বলেন, কক্ষের তালা খুলে চুরি হচ্ছে,
বিষয়টিতে আমরাও আতঙ্কিত। ভুক্তভুগি
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা হয়েছে।
আগামীকাল প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভা
আছে, সেখানে বিষয়টি নিয়ে
আলোচনা করা হবে। যেকোন একটা
সমাধান বের করার চেষ্টা করবো।

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Rajshahi-Dhaka Highway, Motihar
Rajshahi
6205