নীলফামারী জেলা সমিতি, রাজশাহী ।

নীলফামারী জেলা সমিতি, রাজশাহী ।

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from নীলফামারী জেলা সমিতি, রাজশাহী ।, Education, Rajshahi university, Rajshahi.

18/10/2017

অনেক মানুষেই তোমাকে আমাকে কিনতে চাইবে। তুমি আমি নিজেকে বিক্রি করবো কিনা সেই সিদ্ধান্ত নিজেদের, আর এই জায়গাটাতেই বাকি দশ জনের সাথে নিজেদের স্বতন্ত্রতা ।

20/02/2017

Raise your voice against Eve Teasing...
মেয়েটি চেয়েছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হবে। সবেমাত্র ১ম বর্ষ শেষ করার আগেই তাকে বাবার বয়সী শিক্ষকের লালসার শিকার হতে হলো।
ক্যামনে পারলেন, স্যার???
আপনি না শিক্ষাগুরু, আপনি না জ্ঞানের দীপ্তি ছড়ানো দেবতা??
তবে কি মেয়েটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই ভূল করেছে??
বলছি নীলফামারীর মেয়ে হ্যাপীর কথা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা বিভাগের সম্মান ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সে। সেদিন বুধবার বিকেলে তার বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল হালিম যখন ফোন করে তাকে চেম্বারে ডেকে এনেছিলো মেয়েটি তখনও বুঝতে পারেনি তার পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক কি মতলব এঁটে রেখেছেন তার জন্য। কিন্তু, যখন সে শিক্ষকের মতলব বুঝতে পারে তখন নিজেকে বাঁচানোর জন্য এক দৌঁড়ে বের হয়ে আসে। এমন একটি ফাঁদ থেকে নিজেকে সে হয়তোবা বাঁচাতে পেরেছে কিন্তু স্যারের প্রতি তার ভক্তিকে সে বাঁচাতে পারেনি। শিক্ষকের প্রতি এতোদিন যে ধারণা এতোদিন সে পোষণ করতো এখন সেটা হয়তোবা আর থাকবেনা। ড. হালিমদের মতো গুটি কতক মুখোশধারী অমানুষেরা এভাবেই দিনের পর দিন সমাজে জঘন্য কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষকতার সুবাদে ক্লাস পার্সেন্টেজ, নম্বর বাড়িয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে জিম্মি করছে আমাদের বোনদের।
কিন্তু, এভাবে আর কতদিন??
হ্যাপী নামের মেয়েটি আজকে হয়তোবা রক্ষা পেয়েছে। এমন অনেক মেয়ে আছে যারা শেষ রক্ষাটুকুও পায়নি। এমনও অনেকেই আছে যারা ব্লাকমেইলিং এর ভয়ে রাতে ঠিকভাবে ঘুমোতেও পারেনা।
না, এভাবে আর চলতে দেয়া ঠিক হবেনা। আসুন, আমরা এক হই। হ্যাপী নামের যে মেয়েটি আজ এইরকম অস্বাভাবিক পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছে সেটার বিচার হতেই হবে। নইলে সমগ্র শিক্ষক সমাজকে আজীবন এই কলঙ্কের বোঝা বইতে হবে। আসুন আমরা প্রতিবাদ গড়ে তুলি। আসুন আমরা ড. হালিমদের মতো ভদ্রবেশী ক্রিমিনালদের মুখোশ খুলে দেই।
Copy this & share it everywhere......

03/08/2016

" একটি মানবিক আর্তনাদ "
প্রকৃতির ধৃষ্টতা কে বা এড়াতে পারে। তাই
এড়াতে পারেনি উত্তরাঞ্চলের গরিব
মানুষগুলো। তারা আজ পানি বন্দি হয়ে
পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে, ফসল
হারিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে না খেয়ে,
নির্ঘুম রাত জেগে সাপ তাড়িয়ে সীমাহীন
দূর্ভগের মধ্যদিয়ে দিনাতিপাত করছে। এই
গুরুতর সংকটে আমরা তাদের পাশে
দাড়িয়ে মানবতাকে আরোও একবার
জিতাতে চাই। এটা কোন মহত উদ্দ্যোগ নয়
এটা আমাদের সামাজিক দায়। আর এই দায়
মেটাতেই আমারা অনানুষ্ঠানিক ভাবে
কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের এই ক্ষুদ্র
প্রচেষ্টাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে
আগামী কাল 4 আগস্ট, 2016 রোজ
বৃহস্পতিবার বিকাল 5.00 pm এ রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয়
ক্যাফেটেরিয়ায় উপস্থিত হওয়ার জন্য
রাজশাহীতে অবস্থানরত নীলফামারীর
সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা -
কর্মচারীদের বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা
যাচ্ছে।
সাথে বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত বড় ভাই -
বোনদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করা
যাচ্ছে। আপনাদের সামান্য সহযোগিতা
ফিরিয়ে দিতে পারে কয়েকশ পরিবারের
বাঁচার স্বপ্ন।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা
bkash: 01773278307
DBBL: 017732783075

10/06/2016

সুধী,
শুভেচ্ছা জানবেন।
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানানো জাচ্ছে
যে,"নীলফামারী জেলা সমিতি,
রাজশাহী"
আগামী ১৭ জুন ২০১৬ রোজ শুক্রবার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয়
ক্যাফেটেরিয়ায়
বিকাল ৫.০০ ঘটিকার সময় "ইফতার ও দোয়া
মাহফিল ২০১৬"এর আয়োজন করতে যাচ্ছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি ও
সার্বিক সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
নিবেদক,
মোঃ মতিকুল ইসলাম
সহকারী অধ্যাপক, আই.সি.ই বভাগ।
আহবায়ক,
নীলফামারী জেলা সমিতি,রাজশাহী।

31/03/2016

সুধী,
অতি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, পূর্বে
গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাদের জমকালো ""নবীন বরণ-প্রবীণ বিদায় ও কৃতি সংবর্ধনা -2016 "" অনুষ্ঠান টি আগামী 13 এপ্রিল 2016, রোজ বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। স্থান -কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন, রা. বি।কার্যকরী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ছাত্র -ছাত্রীদের নির্ধারিত চাঁদা নিম্নরূপ :
# সেশন 09-10 ও 10-11(বিদায়ী ব্যাচ) এর জন্য 130/-
# সেশন 14-15 ও 15-16(বরণীয় ব্যাচ) এর নিবন্ধন ফি 20/-
# অবশিষ্ট সেশন গুলোর জন্য 50/-
রাজশাহীতে অবস্থানরত নীলফামারীর সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের অবগত করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
নিবেদক,
মশিউর রহমান
প্রচার সম্পাদক, নীজেস।

Photos from নীলফামারী জেলা সমিতি, রাজশাহী ।'s post 15/03/2016

"নবীন বরণ -প্রবীণ বিদায় -2016 "অনুষ্ঠানের
আয়োজন উপলক্ষে আজকের এই আলোচনা
সভা সফল করার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

14/03/2016

Dear Nilphamarian,
We are gladly informing u that
an important meeting will be held on
tomorrow (15/03/2016) in 5:00pm at Central
Cafeteria RU for arranging "" Nobin Baron
Brobin Biday program 2016 "" You are
cordially invited to attend this meeting in
time......
Thanks to all.......
Mashiur Rahman
(Secretary of publicity)

04/11/2015

আমাদের নীলফামারী জেলা থেকে আগত
সকল পরীক্ষার্থী ভাই ও বোনদেরকে
অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি । সেই সাথে বলা যাচ্ছে
আসার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও থাকার
হাল্কা কাথা সঙ্গে রাখার জন্য । রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব পেজ link দেয়া
হল ঃ www.ru.ac.bd/ all updates are
available here. you have to search it regularly
to become a smart candidate and become
informative about admission.

11/10/2015

সরকারি চাকরিতে ‘আবেদনফি’ তুলে দিচ্ছে সরকার"
সরকারি চাকরিতে ‘আবেদন ফি’ তুলে দিচ্ছে সরকার।এর ফলে প্রায় ৬ কোটি বেকারের চাকরিরআবেদন ফি লাগবে না। খুব শিগগিরই এ ব্যাপারেআদেশ জারি হবে। এছাড়া আবেদনকারীদেরঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে মাত্র এক পৃষ্ঠারআবেদনপত্র করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীরকার্যালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতদিয়ে এ খবর জানিয়েছে মানবকণ্ঠ।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দেশের বেকার যুবক-যুবতীদের কাছ থেকে সরকারি চাকরিরআবেদনে কোনো টাকা নেবে না সরকার।খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাকরিতেআবেদন তুলে দেয়ার ব্যাপারে নির্দেশনাদিয়েছেন।তিনি বলেছেন, নানা খাতে সরকারের ব্যয় বৃদ্ধিপেয়েছে। বেকারদের কাছে আবেদন ফি বাবদযে টাকা জমা হয়, তা না হলেও চলবে। এ আদেশজারি হলে লাখ লাখ বেকার যুবককে চাকরিরআবেদনের সঙ্গে পোস্টাল অর্ডার, পে-অর্ডারবা ব্যাংক ড্রাফট সংযুক্ত করতে হবে না।বিসিএস ক্যাডার সার্ভিসের আবেদনপত্রে জন্যমোবাইলে ৫শ’ টাকা নেয়া হচ্ছে, প্রথমশ্রেণীর পদের জন্য ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা,দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর জন্য ১০০থেকে ৫টাকা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদেআবেদন ফি ৫০০-১০০ টাকা ও ব্যাংকের আবেদনে৩০০টি নেয়া হয়। গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশব্যাংক চাকরি প্রত্যাশীদের কাছ থেকে আবেদনফি নিচ্ছে না।প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদবলেন, চাকরির আবেদনে পোস্টাল অর্ডার, পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফট সংযুক্ত করার বিধান রহিত করারবিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।রেলপথসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানাগেছে, ইতিপূর্বে ডাক বিভাগ ও খাদ্য অধিদফতরেপ্রার্থীদের দেয়া টাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরআত্মসাৎ করা নিয়ে মামলাও হয়েছিল। এছাড়া প্রাথমিকশিক্ষা অধিদফতর, ভূমি জরিপ ও রেকর্ড অধিদফতর এবংরেলওয়েতে চাকরি প্রত্যাশীদের তিন লাখআবেদন এখনো বিবেচনা করে পরীক্ষারব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ২০০৪ সাল থেকে এসবআবেদন পড়ে আছে। আর আবেদনপত্রেরসঙ্গে যুক্ত ১০০ টাকার পোস্টাল অর্ডারেরভাগ্যে কী হয়েছে তাও স্পষ্ট নয়। এসব কারণেআবেদন ফি তুলে দেয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনায়নেয়া হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্রজানায়, চাকরির আবেদন ফি সরাসরি ফান্ডে জমা পড়ে।চাকরির জন্য লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষার ব্যয়অন্যফান্ড থেকে মেটানো হয়ে থাকে। অর্থাৎআবেদন ফি থেকেই অর্থ ব্যয় হয় না।তাছাড়া দেখা গেছে, কোনো একটি পদে ৫০জন নেয়ার কথা। এর বিপরীতে ২ হাজার আবেদনজমা পড়ে। লিখিত পরীক্ষায় ৩শ’ থেকে ৫শ’ জনপাস করে। বাকিরা ভাইভার আগে বাদ পড়েন। চাকরিপাওয়ার চূড়ান্ত পর্বে যাওয়ার জন্য তাদের অর্থ ব্যয়করতে হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। এসব বিষয়াদিজেনেছেন প্রধানমন্ত্রী। তার সাফ কথা,বেকারদের এমনিতেই আয়-রোজগার নেই, ওরাটাকা দেবে কোথা থেকে। ওদের টাকা আরনেয়া যাবে না। তবে এক্ষেত্রে ব্যয়মেটানোর আলাদা প্রক্রিয়াটি তাকে অবহিত করতেবলা হয়েছে। এ নিয়ে সরকারের ভেতরে কাজচলছে। খুব শিগগিরই আদেশ জারি হবে।এদিকে সরকার চাকরির আবেদনকারীদের জন্যবড় ধরনের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এখনথেকে চাকরির জন্য নিজ হাতে লিখিত আবেদনকরতে হবে না। আবেদনের সঙ্গে অসংখ্যসনদের ফটোকপি দেয়ারও বিধান বাতিল করাহয়েছে।অনুসন্ধানে জানা গেছে, চাকরির আবেদনেরসঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে কিনা বাআবেদন সঠিকভাবে লেখা হয়েছে কিনা, তাপরীক্ষা নিরীক্ষার নামে বছরের পর বছরআবেদন ফেলে রাখা হয়। বিশেষ করে রেলপথমন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পদের নিয়োগের বিলম্বখুঁজতে গিয়ে এ চিত্র পাওয়া গেছে। এপ্রেক্ষিতে যারা নির্ধারিত ফরমে আবেদন করবেনতারাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন এমন সিদ্ধান্তসরকারের উচ্চপর্যায় থেকে দেয়া হয়েছে।আবেদনের সঙ্গে জন্মসনদ, নাগরিক সনদ,শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, অভিজ্ঞতার সনদ, চারিত্রিকসনদসহ অনেক ধরনের কাগজপত্র সংযুক্ত করারবিধান ছিল। এটা আবেদনকারীদের জন্য অতিরিক্তবিড়ম্বনা। তিনি চাকরি পাবেন কিনা, তার নিশ্চয়তা নেইঅথচ তার আগেই আবেদন করতে গিয়ে তাকেনানা ঘাটে পয়সা গুনতে হয়, না হয় হয়রানিরমুখেপড়তে হচ্ছে। এসব থেকে চাকরিপ্রত্যাশীদেরমুক্তি দিতেই সরকার নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুধু নির্ধারিত ফরমেচাকরিপ্রত্যাশীকে আবেদন করতে হবে। মৌখিকপরীক্ষার সময়ে আবেদনপত্রে উল্লেখ করাশর্তের সপক্ষে প্রমাণপত্র হাজির করতে হবে।তবে আবেদন ফরমে প্রার্থীকে অঙ্গীকারকরতে হবে যে, তার দেয়া তথ্য সঠিক। ভুল তথ্যদিলে প্রার্থী আইনানুগ শাস্তি গ্রহণে বাধ্যথাকবেন।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামালআবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে সবমন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দফতর-অধিদফতরসহ সবপ্রতিষ্ঠানকে সরকারের নির্দেশনা জানিয়ে দেয়াহয়েছে। নির্ধারিত ফরমের ছকও পাঠিয়ে দেয়াহয়েছে। অনলাইন বা ফরম ডাউনলোড করেখামেও আবেদন করা যাবে।এসব পদক্ষেপে চাকরিপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি কমবে..

09/10/2015

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক
নিয়োগে পরিচালনা কমিটির পরিবর্তে
জেলা শিক্ষক নিয়োগ কমিটি অথবা
কমিশন গঠনে অনুশাসন দিয়েছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটা চূড়ান্ত
হলে শিক্ষক নিয়োগে দেশের ৩০
হাজারেরও বেশি বেসরকারি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির
ক্ষমতা খর্ব হবে।
গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এ চিঠি দেওয়া হয়।
পাশাপাশি এর অনুলিপি দেশের সব
বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের
কাছে পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠিতে এ
বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে তা মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগকে জানানোর জন্য শিক্ষা
মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে।
দেশে এখন এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল,
কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে প্রায় ৩০ হাজার।
তবে মন্ত্রিপরিষদের চিঠিতে শুধু
বিদ্যালয় ও উচ্চবিদ্যালয়ের কথা উল্লেখ
করা হয়েছে। যদিও সমমানের মাদ্রাসা ও
কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
ব্যবস্থাপনা কমিটির ধরনও প্রায় একই
রকম।
এখন দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজে
শিক্ষক নিয়োগ দেয় পরিচালনা কমিটি।
এর মধ্যে কলেজের কমিটিকে বলা হয়
গভর্নিং বডি ও বিদ্যালয়ের কমিটিকে
বলা হয় ব্যবস্থাপনা কমিটি। এই কমিটির
মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে দেশজুড়ে
অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগে
‘ডোনেশন’-এর নামে ঘুষ নেওয়ার
বিষয়টি সমালোচিত ও নিন্দিত হলেও
তা বন্ধ করতে পারছে না শিক্ষা
প্রশাসন। সাধারণত পরিচালনা
কমিটিগুলোতে স্থানীয় সাংসদ
কিংবা তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরাই সভাপতি
হয়ে থাকেন। একজন সাংসদ তাঁর
নির্বাচনী এলাকার সর্বোচ্চ চারটি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতি হওয়ার
সুযোগ পান।
বেসরকারি শিক্ষক সংগঠনগুলোর
নেতারা বলছেন, পরিচালনা কমিটির
পরিবর্তে নিয়োগের বিষয়টি জেলা
কমিটির কাছে গেলে তাতে পরিস্থিতির
খুব একটা উন্নতি হবে না। তাঁরা কয়েক
বছর ধরে সরকারি কর্মকমিশনের আদলে
শিক্ষক নিয়োগ কমিশন গঠনের দাবি
জানিয়ে আসছেন।
গত ২৮ জুলাই জেলা প্রশাসক সম্মেলনে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃত্বে শিক্ষক
নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি
নিয়ে আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসক
সম্মেলনের ওই প্রস্তাবের আলোকে
লেখা মন্ত্রিপরিষদের চিঠিতে বলা হয়,
দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তর খুবই
গুরুত্বপূর্ণ। দেশে এ ধরনের অধিকাংশ
প্রতিষ্ঠানই বেসরকারি। বিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা কমিটি শিক্ষক নিয়োগসহ
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা
বাস্তবায়ন করে থাকে। চিঠিতে আরও
বলা হয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা
কমিটির মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ
করা সম্ভব হয় না। চিঠিতে সই করেন
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব
মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী।
এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম
নাহিদ বলেন, মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এ
বিষয়ে কাজ শুরু করেছে এবং এ কাজের
বেশ খানিকটা অগ্রগতি আছে।
বর্তমানে জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন
কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পরীক্ষায়
উত্তীর্ণ প্রার্থীরা কেবল বেসরকারি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ
পরীক্ষায় আবেদন করতে পারেন।
মন্ত্রণালয় চাইছে, এনটিআরসিএকে
শক্তিশালী করে এর মাধ্যমে
কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা নিয়ে উপজেলা,
জেলা কিংবা জাতীয়ভাবে একটি
চূড়ান্ত মেধাতালিকা করা হবে। এরপর
মেধাতালিকার ক্রম অনুসারে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদে
নিয়োগ দেওয়া হবে। এর আগেই প্রতিবছর
প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করা
হবে। এ জন্য এনটিআরসিএ আইন
সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে।
তবে বেসরকারি শিক্ষক সংগঠনগুলো
পাবলিক সার্ভিস কমিশনের আদলে
শিক্ষক নিয়োগ কমিশন গঠনের পক্ষে মত
দিয়ে আসছে। তাঁদের মতে, শিক্ষক
নিয়োগে চলমান দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি
বন্ধে এই কমিশন গঠনের বিকল্প নেই।
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি
এম এ আউয়াল সিদ্দিকী বলেন, শিক্ষক
নিয়োগে জেলা কমিটি হলে বেপরোয়া
দুর্নীতি বা টাকাপয়সার লেনদেন হয়তো
কিছুটা কমবে, কিন্তু স্বজনপ্রীতি বা
প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পছন্দ-অপছন্দ
থেকেই যাবে। তাঁর মতে, জেলা কমিটি
হলেও শিক্ষক নিয়োগে সাংসদ, জেলা
প্রশাসক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ
সরকারি দলের নেতাদের প্রভাব থেকে
যাবে।

07/10/2015

প্রথমবার ৩৩তম বাংলাদেশ সিভিল
সার্ভিসের (বিসিএস) প্রিলিমিনারি
পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ মোঃ ওয়ালিদ বিন
কাশেমের ৩৪তম বিসিএসের মেধা
তালিকায় প্রথম হওয়া নিয়ে সন্দেহ
তৈরি হয়েছে।
ওয়ালিদের পাশের আসনে বসে বিসিএস
পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে এমন একজন
পরীক্ষার্থীর দাবি, “গনিত পরীক্ষায়
মুটামুটি সহজ একটা অঙ্কসহ বিজ্ঞান
পরীক্ষায় পুরো ১৫ নম্বর ওয়ালিদকে
দেখাতে হয়েছে তার।”
ওয়ালিদের প্রথম হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে
যখন এমন আলোচনা হচ্ছে, তখন ফেসবুকে
ওয়ালিদের একটি বিবৃতি (স্ট্যাটাস)
ঘিরে সন্দেহ জোরালো হয়েছে।
এতে ওয়ালিদ জানিয়েছেন, পাবলিক
সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) দুজন
সদস্যের সাথে তার আগে থেকেই
যোগাযোগ ছিল। এর মধ্যে একজন সদস্য
আবার তার বন্ধুর বাবা।
ওয়ালিদের মেধা নিয়ে সন্দেহ
পোষণকারীদের দাবি, বিসিএস পরীক্ষায়
৯০০ নম্বরের লিখিত ও ২০০ নম্বরের
মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) হয়। মেধা
তালিকার প্রথম দিকে থাকা
শিক্ষার্থীদের প্রায় সবার লিখিত
পরীক্ষার নম্বর কাছাকাছি থাকলেও
ভাইভার ২০০ নম্বর দেয়ার ক্ষেত্রে
অতিমূল্যায়ন হলে পেছনের প্রার্থীও
সামনে চলে আসতে পারে।
মোঃ ওয়ালিদ বিন কাশেম ফেনীর
সোনাগাজী উপজেলার দক্ষিণ চরদরবেশ
গ্রামের মোঃ আবুল কাশেমের ছেলে।
অবসর জীবন যাপনকারী আবুল কাশেম
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব
ছিলেন।
মতিঝিল সরকারি বয়েজ হাই স্কুল থেকে
২০০৩ এ এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে
উত্তীর্ণ হন ওয়ালিদ। ২০০৫ সালে ঢাকার
নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসিতে
জিপিএ-৪.৭০ পান তিনি।
এইচএসসির দুর্বল ফলাফলের কারণে
দেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তির সুযোগ পাননি ওয়ালিদ। পরে
বেসরকারি আহসানউল্যাহ বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল
অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে
ভর্তি হন তিনি।
এর মধ্যে ২০১২ সালে বিয়ে করেন তিনি।
সাবিরা বিনতে ওয়ালিদ নামে ২ মাস
কম দুই বছর বয়সী একটি মেয়েও আছে তার।
ওয়ালিদ অনার্স শেষ করে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব
রিনিউয়েবল এনার্জি বিভাগে
মাস্টার্সে ভর্তি হন। এর মধ্যে ৩৩তম
বিএসিএস পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে
প্রিলিমিনারিতে অকৃতকার্য হয়ে বাদ
পড়েন তিনি।
কিন্তু ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ
নিয়ে প্রথম হয়ে বিষ্ময়ের জন্ম দেন
তিনি।
ওয়ালিদ বর্তমানে জাপানে উচ্চতর
পড়াশোনা করছেন।
উৎসঃ অনলাইন বাংলা

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Rajshahi University
Rajshahi
5100