Rajshahi Engineering Science And Technology College, Affiliated with RU.

Rajshahi Engineering Science And Technology College, Affiliated  with  RU.

Share

Rajshahi Engineering Science And Technology College, Affiliated by University of Rajshahi Affiliated with Rajshahi university

Photos from Rajshahi Engineering Science And Technology College, Affiliated  with  RU.'s post 15/02/2020

আপনি কি পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আগ্রহী? রেজাল্টের কারণে কিংবা অন্য কোন জটিলতায় পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া হয়ে উঠে নি?

আপনার পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার স্বপ্ন ধূসর হয়ে যায় নি। রাজশাহীর ভদ্রায় অবস্থিত রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি কলেজ (REST College) দিচ্ছে আপনাকে এই সূবর্ণ সূযোগ। এখানে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়লে আপনি পাবেন দেশের অন্যতম বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সারটিফিকেট। জ্বী হ্যাঁ ঠিক পড়েছেন পাবেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সারটিফিকেট।

৫ম ব্যাচে ভর্তি চলছে। শীঘ্রই যোগাযোগ করুন।

Photos 15/12/2019
Untitled album 29/11/2018
01/10/2018

ব্যাংক ডাকাতির সময় এক ডাকাত সবাইকে বলল, 'কেউ
নড়াচড়া করবেন না, মাটিতে শুয়ে পড়ুন। ব্যাঙ্কের
টাকা আপনার নয়, কিন্তু আপনার জীবন আপনার, যা
বলছি তাই চুপচাপ মেনে নিন'। এইটাকে বলে 'মাইন্ড
চেঞ্জিং কনসেপ্ট'। সাধারণ চিন্তাকে বিপরীত
দিকে ঠেলে দেয়া।
হঠাৎ এক মহিলা টেবিলের উপর শুয়ে পড়ল। ডাকাত
সর্দার বলল, 'এই যে ম্যাডাম এখানে শুটিং হচ্ছে না,
ডাকাতি হচ্ছে। আমার কথামতো মাটিতে শুয়ে পড়ুন,
নইলে গুলি করে দিব'। এটাকে বলে
'প্রফেশনালিজম'। যে জন্য ট্রেইন করা হয়েছে
সেটাতে মনোযোগ দেয়া।
*
ডাকাতির পর বাসায় ফিরে শিক্ষানবিশ ডাকাত বলল, বস
চলেন টাকাটা গুনে ফেলি। সর্দার বলল, 'আরে গাধা
এখানে অনেক টাকা গুনতে সময় লাগবে। রাতের
খবর দেখ তাহলেই বুঝতে পারবি কয় টাকা চুরি
হয়েছে'। এইটাকে বলে 'অভিজ্ঞতা'। বর্তমানে
তাই শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে অভিজ্ঞতার মূল্য
অনেক বেশি।
*
ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর ব্যাংক অফিসার ম্যানেজারকে
বলল, পুলিশকে খবর দেই। ম্যানেজার বলল, ওকে।
যা টাকা আছে সেখান থেকে আমরা আগে পঞ্চাশ
লক্ষ টাকা সরিয়ে নেই। তারপর যে টাকা চুরি
হয়েছে সেটার সাথে এই টাকা যোগ করে
পুলিশকে রিপোর্ট করব। তারা দুজনে পঞ্চাশ লক্ষ
টাকা সরিয়ে রাখল। একে বলে 'স্রোতের সাথে
তাল মেলানো'। প্রতিকূল অবস্থা নিজেদের
অনুকূলে আনা।
*
ম্যানেজার আফসোস করলো, ইশ! প্রতি মাসেই
যদি ডাকাতি হত! এই অবস্থাকে বলে 'হতাশাকে আশায়
রূপ দেয়া'। বাধ্যগত চাকুরীটাকে ব্যক্তিগত সুবিধাতে
পরিণত করা।
*
রাতে নিউজ হলো ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকার
ডাকাতি হয়েছে। দুই ডাকাত বারবার গুনেও দেখে
মাত্র পঞ্চাশ লক্ষ টাকা তারা আনতে পেরেছে।
একজন আরেকজনকে বলল, আমরা নিজেদের
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা ইনকাম
করলাম অথচ ম্যানেজার কোনো কিছু না করেই
পঞ্চাশ লক্ষ টাকা রোজগার করে ফেলল।
তাহলেতো ডাকাতি করার চেয়ে পড়াশোনা করাই
ভালো।
এজন্যই বলে 'শিক্ষা/জ্ঞান স্বর্ণের চয়েও
দামী'।
*
ম্যানেজার মুচকি হেসে মাথা নাড়ল। ডাকাতির কারণে
তাদের যে লস ছিল সেটা রিকভার হয়ে গেসে।
একেই বলে 'ঝোপ বুঝে কোপ মারা'।
*
এখন প্রশ্ন হল বড় চোর কে বা কারা? শিক্ষিত
লোকেরা নাকি অশিক্ষিত লোকেরা? যারা এক দেড়
হাজার টাকা ছিনতাই করে তারা নাকি যারা কলমের খোঁচায়
কিংবা আইনের মারপ্যাঁচে এক দেড় হাজার কোটি টাকা
মেরে দেয়?
*
আমরা সব সময় মসজিদের জুতা চোর, বাসের
পকেট মার ও গ্রামের গরু চোরদের গণধোলাই
দিই। কারণ তারা ছোট। আর বড়চোরদের গায়ে
যাতে ঝড় -বৃষ্টি ও রোদ না লাগে ছাতা ধরে
এগিয়ে দিয়ে আসি......!!!!!

01/10/2018

বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো!
এই ৪০ কোটি শুক্রাণু, মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু।
আর বাকিরা ? এই ছুটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু, যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে। তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে, অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি, অথবা আমরা সবাই।
কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?
১। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন" তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।
২। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন"তখন আপনার ছিলোনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।
৩। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি জিতেছিলেন।
৪। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।
- এর পর, বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় । কিন্তু আপনি মারা যান নি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায়। আপনি এখনো বেঁচে আছেন ।
- অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায়। আপনার কিছুই হয় নি ।
- বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে, আপনি এখনো আছেন ।
আর আজ......
আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেনো ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন ? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন ? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে, ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।
কেনো একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে,
সেটা মেনে নিতে পারেন না?
কেনো আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন??
কেনো বলেন আমি আর বাচতে চাইনা?
কেনো বলেন আমি হেরে গিয়েছি?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেনো হতাশ হয়ে পড়েন?
আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন কি প্রতিভা আছে আপনার। মনের চাওয়া কে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় ঈশ্বর কে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন,
শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন- আপনি জিতবেনই

25/08/2018

★একটি জরুরী অপারেশন - শিক্ষনীয় গল্প
# একটি জরুরী অপারেশনে তাড়াহুড়ো করে এক ডাক্তারকে হাসপাতালে ডেকে পাঠানো হল... সে তড়িৎ গতিতে হাসপাতালে পৌঁছে গেলো... হাসপাতাল ঢুকেই সে নিজেকে দ্রুত প্রস্তুত করে নিল সার্জারির জন্য..
এরপর সার্জারির ব্লক এ গিয়ে সে দেখল রোগীর(একটিছোট্ট ছেলে) বাবা ওখানে পায়চারি করছে ডাক্তারের অপেক্ষায় , ডাক্তারকে দেখামাত্র লোকটি চেঁচিয়ে উঠল-
আপনার আসতে এত দেরি লাগে? দায়িত্ববোধ বলতে কিছু আছে আপনার? আপনি জানেন আমার ছেলে এখানে কতটা শোচনীয় অবস্থায় আছে ?
ডাক্তার ছোট্ট একটা মুচকি হাসি হেসে বলল- " আমি দুঃখিত, আমি হাসপাতাল এ ছিলাম না, বাসা থেকে তাড়াহুড়ো করে এলাম, তাই খানিক দেরি হল, এখন আপনি যদি একটু শান্ত হন আর ধৈর্য্য ধারন করেন তবে আমি আমার কাজটা শুরু করি?
লোকটি এবার যেন আরও রেগে গেলো, ঝাঁঝাঁলো স্বরে বলল- " ঠাণ্ডা হব?
আপনার সন্তান যদি আজ এখানে থাকতো? আপনার সন্তান যদি জীবন মৃত্যুর মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতো, তবে আপনি কি করতেন? শান্ত হয়ে বসে থাকতেন??
ডাক্তার আবার হাসলেন আর বললেন "আমি বলব পবিত্র গ্রন্থে বলা হয়েছে মাটি থেকেই আমাদের সৃষ্টি আর মাটিতেই আমরা মিসে যাব! ডাক্তার কাউকে দীর্ঘ জীবন দান করতে পারেন না... আপনি আপনার সন্তান এর জন্য প্রার্থনা করতে থাকুন আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব...
লোকটি পুনরায় রাগত স্বরে বলল- অন্যকে উপদেশ দেয়া খুবই সহজ... আপনার এমন পরিস্থিতি হলে বুঝতেন...
এরপর ডাক্তার সার্জারির রুম এ চলে গেলো, ২ ঘণ্টার মত সময় লাগলো , সব শেষে হাসি মুখে ডাক্তার বের হয়ে এসে আবার হাসি মুখে বের হয়ে রোগীর বাবার কাছে এলেন, আর বললেন "আলহামদুলিল্লাহ অপারেশন সফল হয়েছে "
এরপর উত্তরের অপেক্ষা না করেই ডাক্তার আবার বলে উঠলেন- আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে নার্স কে জিজ্ঞেস করুন, এই কথা বলেই হাসি মুখে সালাম জানিয়ে তিনি চলে গেলেন...
এরপর লোকটি নার্সকে বললেন- এই ডাক্তার এত নিষ্টুর কেন? তিনি কি আর কিছুক্ষণ এখানে থাকতে পারতেন না...? আমি ওনাকে আমার সন্তান এর ব্যাপারে আরো কিছু জিজ্ঞেস করতাম...!
তখন নার্স জানালেন- ডাক্তার সাহেবের এর ছেলে আজ সকালে মারা গেছেন রোড এক্সিডেন্ট এ, তিনি আপনার ফোন পেয়ে ওনার ছেলের জানাজা থেকে উঠে এসেছেন , এখন আবার দৌড়ে চলে গেলেন-কবর দিতে..!
•••একজন মানুষ কে কখনও তার বাইরের আচরন দেখে যাচাই করবেন না, কারন আপনি কখনই জানেন না তিনি কিসের মাঝে আছেন! সমালোচনা আর সন্দেহ না জেনে তাই আমাদের করা উচিত নয় বিপদের মাঝেই ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হয়.......

22/08/2018

রাজশাহী প্রকৌশল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের প্রিয় সকল শিক্ষার্থী, সম্মানিত পরিচালক ও শিক্ষক মন্ডলী সহ সকল কে জানাই ঈদ উল আযহার অনেক অনেক শুভেচ্ছা... ঈদ মোবারক ।

15/08/2018

শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে ব্লাকবোর্ডে একটা
লম্বা দাগ টানলেন। এবার সবাইকে উদ্দেশ্য
করে জানতে চাইলেন: -আচ্ছা তোমাদের
মধ্যে কে আছো?যে এই দাগটিকে ছোট
করতে পারবে? কিন্তু শর্ত হচ্ছে তোমরা
একে মুছতে পারবে না!! না মুছেই ছোট
করতে হবে! তারপর, ছাত্ররা সবাই
অপারগতা প্রকাশ করলো। কারণ, মোছা
ছাড়া দাগটিকে ছোট করার আর কোনো
পদ্ধতি তাদের মাথায় আসছে না!!এবার
শিক্ষক দাগটির নীচে আরেকটি দাগ
টানলেন, যা আগেরটির চেয়ে একটু বড়। ব্যস,
আগের দাগটি মোছা ছাড়াই ছোট হয়ে
গেলো!শিক্ষক বুঝতে পারলে তোমরা?
কাউকে ছোট করতে বা হারাতে হলে তাকে
স্পর্শ না করেও পারা যায়! নিজেকে বড়
করো, গড়ে তুলো, তাহলে অন্যের
সমালোচনা/ দুর্নাম করে তাকে ছোট করতে
হবে না, তুমি বড় হলে এমনিতেই সে ছোট
হয়ে যাবে!!

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


221/1 (Bismillah Ha Mim Tower), Uporvodra
Rajshahi
6204