অতুলপ্রসাদ সেনের গানের সঙ্কলনের নাম- ‘কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ’ প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে।
বিসিএস-বাংলা
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক (Bengali language and literature )
অমিয় চক্রবর্তী(১৯০১-১৯৮৬) রচিত কাব্যগ্রন্থ :
খসড়া এক মুঠো মাটির দেয়াল অভিজ্ঞান বসন্ত অনিঃশেষ ইত্যাদি
জসীম উদদীন রচিত একমাত্র উপন্যাসের নাম ‘ বোবা কাহিনী (১৯৬৪)’ ।
কাব্য : রাখালী, বালুচর , ধানক্ষেত, রূপবতী, মাটির কান্না, সূচয়নী ।।
1. The correct spelling is -
A. eczema
B. eczima
C. ecjema
D. ecezima
e. none
জীবনানন্দ দাশের কবিতা ....
পান্ডুলিপি কাছে রেখে ধূসর দীপের কাছে আমি
নিস্তব্ধ ছিলাম ব'সে;
শিশির পড়িতেছিলো ধীরে-ধীরে খ'সে;
নিমের শাখার থেকে একাকীতম কে পাখি নামি
উড়ে গেলো কুয়াশায়, — কুয়াশার থেকে দূর-কুয়াশায় আরো।
তাহারি পাখার হাওয়া প্রদীপ নিভায়ে গেলো বুঝি?
অন্ধকার হাৎড়ায়ে ধীরে-ধীরে দেশলাই খুঁজি;
যখন জ্বালিব আলো কার মুখ দেখা যাবে বলিতে কি পারো?
কার মুখ? —আমলকী শাখার পিছনে
শিঙের মত বাঁকা নীল চাঁদ একদিন দেখেছিলো তাহা;
এ-ধূসর পান্ডুলিপি একদিন দেখেছিলো, আহা,
সে-মুখ ধূসরতম আজ এই পৃথিবীর মনে।
তবু এই পৃথিবীর সব আলো একদিন নিভে গেলে পরে,
পৃথিবীর সব গল্প একদিন ফুরাবে যখন,
মানুষ র'বে না আর, র'বে শুধু মানুষের স্বপ্ন তখনঃ
সেই মুখ আর আমি র'বো সেই স্বপ্নের ভিতরে।
আমি কিরকম ভাবে বেঁচে আছি – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
আমি কীরকম ভাবে বেঁচে আছি তুই এসে দেখে যা নিখিলেশ
এই কী মানুষজন্ম? নাকি শেষ
পরোহিত-কঙ্কালের পাশা খেলা! প্রতি সন্ধ্যেবেলা
আমার বুকের মধ্যে হাওয়া ঘুরে ওঠে, হৃদয়কে অবহেলা
করে রক্ত; আমি মানুষের পায়ের কাছে কুকুর হয়ে বসে
থাকি-তার ভেতরের কুকুরটাকে দেখবো বলে। আমি আক্রোশে
হেসে উঠি না, আমি ছারপোকার পাশে ছারপোকা হয়ে হাঁটি,
মশা হয়ে উড়ি একদল মশার সঙ্গে; খাঁটি
অন্ধকারে স্ত্রীলোকের খুব মধ্যে ডুব দিয়ে দেখেছি দেশলাই জ্বেলে-
(ও-গাঁয়ে আমার কোনো ঘরবাড়ি নেই!)
আমি স্বপ্নের মধ্যে বাবুদের বাড়িরে ছেলে
সেজে গেছি রঙ্গালয়ে, পরাগের মতো ফুঁ দিয়ে উড়িয়েছি দৃশ্যলোক
ঘামে ছিল না এমন গন্ধক
যাতে ক্রোধে জ্বলে উঠতে পার। নিখিলেশ, তুই একে
কী বলবি? আমি শোবার ঘরে নিজের দুই হাত পেকেরে
বিঁধে দেখতে চেয়েছিলাম যীশুর কষ্ট খুব বেশি ছিল কিনা;
আমি ফুলের পাশে ফূল হয়ে ফূটে দেখেছি, তাকে ভালোবাসতে পারি না।
আমি ফুলের পাশে ফূল হয়ে ফূটে দেখেছি, তাকে ভালোবাসতে পারি না।
আমি কপাল থেকে ঘামের মতন মুছে নিয়েছি পিতামহের নাম,
আমি শ্মশানে গিয়ে মরে যাবার বদলে, মাইরি, ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
নিখিলেশ, আমি এই-রকমভাবে বেঁচে আছি, তোর সঙ্গে
জীবনবদল করে কোনো লাভ হলো না আমার -একি নদীর তরঙ্গে
ছেলেবেলার মতো ডুব সাঁতার?- অথবা চশমা বদলের মতো
কয়েক মিনিট আলোড়ন? অথবা গভীর রাত্রে সঙ্গমনিরত
দম্পতির পাশে শুয়ে পুনরায় জন্ম ভিক্ষা? কেননা সময় নেই,
আমার ঘরের
দেয়ালের চুন-ভাঙা দাগটিও বড় প্রিয়। মৃত গাছটির পাশে উত্তরের
হাওয়ায় কিছুটা মায়া লেগে ভুল নাম, ভুল স্বপ্ন থেকে বাইরে এসে
দেখি উইপোকায় খেয়ে গেছে চিঠির বান্ডিল, তবুও অক্লেশে
হলুদকে হলুদ বলে ডাকতে পারি। আমি সর্বস্ব বন্ধক দিয়ে একবার
একটি মুহূর্ত চেয়েছিলাম, একটি ….., ব্যক্তিগত জিরো আওয়ার;
ইচ্ছে ছিল না জানাবার
এই বিশেষ কথাটা তোকে। তবু ক্রমশই বেশি করে আসে শীত, রাত্রে
এ-রকম জলতেষ্টা আর কখনও পেতো না, রোজ অন্ধকার হাত্ড়ে
টের পাই তিনটে ইঁদুর না মূষিক? তা হলে কি প্রতীক্ষায়
আছে অদুরেই সংস্কৃত শ্লোক? পাপ ও দুঃখের কথা ছাড়া আর এই অবেলায়
কিছুই মনে পড়ে না। আমার পূজা ও নারী-হত্যার ভিতরে
বেজে ওঠে সাইরেন। নিজের দু’হাত যখন নিজেদের ইচ্ছে মতো কাজ করে
তখন মনে হয় ওরা সত্যিকারের। আজকাল আমার
নিজের চোখ দুটোও মনে হয় একপলক সত্যি চোখ। এরকম সত্য
পৃথিবীতে খুব বেশী নেই আর।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (১৯২২-১৯৭১) জন্মগ্রহণ করেন চট্টগ্রামে।
উপন্যাস : লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো
নাটক : বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ, সুড়ঙ্গ, উজানের মৃত্যু
বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪) জন্মগ্রহণ করেন কুমিল্লা জেলায়।
তাঁর রচিত নাটকগুলো : মায়া-মালঞ্চ (১৯৪৪), তপস্বী ও তরঙ্গিণী (১৯৬৬), কলকাতার ইলেক্ট্রা ও সত্যসন্ধ (১৯৬৮)
‘ব্রাহ্মণ-রোমান ক্যাথলিক সংবাদ’ গ্রন্থটির রচয়িতা দোম আন্তোনিয়ো।
উল্লেখ্য যে- দোম আন্তোনিয়ো তৎকালীন যশোর-ফরিদপুর অঞ্চলের অন্তর্গত ভূষণা রাজ্যের রাজপুত্র ছিলেন।
‘জঙ্গনামা’ ‘আমীর হামজা’- শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ
‘নবীবংশ’- সৈয়দ সুলতান
‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’- মালাধর বসু
‘দস্যু কেনারামের পালা’- চন্দ্রাবতী
১. ‘রোহিনী - কোন উপন্যাসের নায়িকা ?
১. কখনও উপন্যাস লেখেননি-
ক. কাজী নজরুল ইসলাম
খ. জীবনানন্দ দাশ
গ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ঘ. বুদ্ধদেব বসু
উত্তর : গ (২৩তম বিসিএস)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
মতিহার, প্যরিস রোড, রাজশাহী
Rajshahi