ইউনিট প্রতি ৩.০০ টাকা।দাম কম এটা ঠিক।গ্যাসভিত্তিক ৬ টাকা,ডিজেল ২৫ টাকা।৬০ বছর চলবে।১ টন ইউরেনিয়াম = ২০ লাখ টন কয়লা।
ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম ফুয়েল রড পারমাণবিক চুল্লি থেকে বের করার পর প্রায় ৫-১০ বছর পানিতে ঠান্ডা করতে হয়। হ্যাঁ,এটা সঠিক।এটাকে বলে “Wet Storage”।১০ বছর লাগে কারণ চুল্লি বন্ধ করলেও ফিশন প্রোডাক্টগুলা তেজস্ক্রিয় ক্ষয় হতে থাকে।প্রথম কয়েকদিনে তাপ উৎপাদন ৭% থাকে।পানি না দিলে গলে যাবে।ফুকুশিমায় এটাই হয়েছিল।এটাকে ডিকেই হিট বলে।
বের করার সাথে সাথে একটা ফুয়েল রডের পাশে ১ মিনিট দাঁড়ালেই মানুষ মারা যাবে।১০ বছরে রেডিয়েশন ৯৯% কমে,কিন্তু তাও বিপজ্জনক।এটা হাই রেডিয়েশন স্বল্পায়ু আইসোটোপ Iodine-131, Xenon-133 এর হাফ-লাইফ কয়েকদিন।১০ বছরে এগুলা শেষ হয়।কিন্তু Cesium-137,Strontium-90 এর হাফ-লাইফ ৩০ বছর।রোবট দিয়ে পানির নিচেই টেনে আনে।মানুষ গেলে মরে যাবে।
চুল্লি বিল্ডিংয়ের ভিতর 12 মিটার গভীর পানির পুকুর Spent Fuel Pool থাকে।এটি বোরিক এসিড মিশানো পানি।এটা তাপ শোষে + রেডিয়েশন আটকায়।যা
৫-১০ বছর পর তাপ কমলে “Dry Cask Storage” এ ঢুকায়।কংক্রিট-স্টিলের বিশাল কন্টেইনার।এরপর ৪০-৬০ বছর রাখা যায়।
বাংলাদেশের রূপপুরে রাশিয়ান VVER-1200 চুল্লি যার ফুয়েল ১৮ মাস পরপর ১/৩ অংশ বদলাবে।
রূপপুরে প্রতিটা ইউনিটের জন্য আলাদা Spent Fuel Pool আছে।যা ১০ বছর রাখার ডিজাইন।চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া ব্যবহৃত ফুয়েল ফেরত নিবে। বাংলাদেশে চিরস্থায়ী ডাম্প হবে না।
১টা ফুয়েল পেলেট ১ টন কয়লার সমান।কিন্তু ব্যবহারের পর ১০ বছর পাহারা দিতে হয়। এই জন্যই নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ সস্তা হলেও “ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট” মাথাব্যথা।
একটু ভুল যা ফুকুশিমা বানাতে পারে যার ফলাফল ১,৬৫,০০০ মানুষ ঘরছাড়া।২০,০০০ কোটি ডলার ক্ষতি। আজও ৩ কিমি এলাকা No-Go Zone।
নিউক্লিয়ার টেকনোলজি ক্ষমা করে না।থ্যালাসের রাডার ১ সেকেন্ড ব্লাইন্ড হলে যেমন প্লেন ক্র্যাশ তেমনি রূপপুরে ১টা ভালভ ফেইল করলে ফুকুশিমায় পরিনত হতে পারে।
রাশিয়ানরা ২ বছর ট্রেনিং দিচ্ছে।তবুও নিয়ন্ত্রণ সংস্থার লোকজন যদি ঘুষ খেয়ে চোখ বন্ধ রাখে।মেইনটেনেন্স সঠিক ভাবে না করে অবহেলা করে তাহলে ভালভ জ্যাম,সেন্সর নষ্ট হবে এবং দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।তখন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে আফসোস না করে এখন থেকেই নাগরিক হিসেবে সবাই সচেতন হয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন যে ওখানে নিয়োগপ্রাপ্ত সক্রিয় সবাই যেন সবাই সঠিক ভাবে নিজ দায়িত্ব পালন করেন।
—আবু রায়হান ফেরদৌস
২৯/০৪/২০২৬
Neuron নার্সিং কোচিং রাজশাহী শাখা
(নাসিং শিক্ষা কে সস্প্রসারণ করা আমাদের লক্ষ্য)
ফোন_01764567273
সেরা সার্ভিস দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ Jhautola more ,Laxmipur, Rajshahi
27/04/2026
২০২৫ সালে জীবনে প্রথমবার ধান চাষে যুক্ত হয়েছিলাম এবং টেকনিক্যালি পনেরো হাজার টাকার কিছু বেশী লাভ করেছিলাম ।
গত বছরের শেষে বোরো আবাদ করেছিলাম এবং শেষ হলো কিছুদিন আগে ।
আপনাদের বাস্তবসম্মত একটা রিপোর্ট দিতে চাই । বাজারে চড়া মূল্য ও দেশের নানান অব্যবস্থাপনার কারণে অনেকেই ফ্যান্টাসির কারণে এগ্রো ফিল্ডে নাম লেখাতে চলে আসেন । তারপর কয়েকটা প্রজেক্ট করার পর লাভের মুখ না দেখে হা-হুতাশ শুরু করে দেন ।
আমাদের দেশ নয় বিশ্বজুড়েই কৃষি হল কঠোর পরিশ্রম ও স্বল্প লাভের একটা ব্যবসা । আপনি বিলিয়নিয়ার হিসাবে কোন কৃষক খুঁজে পাবেন না যদি কোম্পানির দিকে না তাকান ।
ফেসবুক খুললেই নানান প্রতিষ্ঠান এগ্রোতে বিনিয়োগের লোভ দেখায় ও অনেক মুনাফার স্বপ্ন দেখায় । বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এখানে কারিগরি জ্ঞান ছাড়া কাজ করতে লোকেরা চলে আসে এবং লস করে ।
আমি যখন ধানের চাষ করি তখন সবাইকে দেয়ার পর পুরো বছরের জন্য যা রেখে দিয়েছিলাম তার বাজার মূল্যই ছিল ১৫ হাজারের কিছু বেশী । তাই বলেছি এই টাকা লাভ হয়েছে । নগদ টাকা হাতে পাইনি ।
কিন্তু এক বিঘার পরিবর্তে যদি ৫-১০ বিঘাতে ধান চাষ করতাম তখন চিত্রটা বদলে যেতো । সরকার থেকে চাষিরা বিশেষ কোন সুবিধা একদমই পায় না । সার ও বীজ ক্রয়ে কিছুটা সুবিধা পাওয়া যায় কিন্তু ডিজেল ও অন্যান্য খরচের দিকে তাকালে হিসাব বরাবর হয়ে যায় ।
আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলি, প্রায় ৮০ ভাগের বেশী কৃষক তাদের বাবা-দাদার হাত ধরেই কৃষিতে আসে এবং এটা ছাড়া অন্য কাজ জানে না বিধায় লস হলেও এই কাজে তারা যুক্ত থাকে । আরো নির্দিষ্ট করে বললে ধান চাষের ক্ষেত্রে এটা বেশী হয় । পড়ালেখা ও টেকনিক্যাল জ্ঞান না থাকায় খুব আহামরি সাফল্য তারা পায় না ।
এতো কিছু কেন বলছি শীঘ্রই বুঝতে পারবেন ।
এখন একটা ট্রেন্ড চলছে এগ্রোতে নাম লেখানোর । আপনি যদি চাষাবাদে আসতে চান তাহলে পারিবারিক কৃষিতে সীমাবদ্ধ থাকুন । আপনার নিজের বাৎসরিক খরচ মিটিয়ে ফেলতে আহামরি জ্ঞান দরকার নাই ।
গ্রামে গিয়ে জমি লিজ নিতে পারেন । স্থানীয় কৃষকদের সাথে চুক্তি করে ধান নিবেন । এতে সারাবছরের চালের খরচটা পকেট থেকে আলাদা করে খরচ হবে না । গড়ে ২০-২৫ হাজার টাকা সেভিংস হবে ।
এরপর পুকুর লিজ নিয়ে মাছের চাষ করতে পারেন । যদি মাছ রান্না করে খাওয়া বাদে প্রজাতি ও চাষ সম্পর্কে জ্ঞান না থাকে তাহলে আপনাকে মাছেই খেয়ে ফেলবে । সঠিক জ্ঞান থাকলে বছরে ৩-৪ বার পর্যন্ত মাছ ধরে ২-৩ লাখ টাকা আয় করা যাবে যদি পুকুর বড় হয় ও দক্ষতা থাকে । অন্যথায় কয়েক বছর পারিবারিক চাষের ভেতর সীমাবদ্ধ থাকা উচিত ।
একই কথা গরু-ছাগল পালনের ক্ষেত্রেও । নিজের জ্ঞান না থাকলে লোকজন নিয়োগ করে ফার্ম বা গোয়ালঘর বাঁচানো অসম্ভব । তাই ফ্যান্টাসী থেকে বেরিয়ে আসা জরুরী ।
এক বিঘা কৃষি জমি খুব বেশী নয় এবং অধিকাংশ কৃষক এইটুকু জমিতে ৪ মাস ধান চাষের পর সরিষা, আলু, মিষ্টি আলু, পেয়াজ, রসুন, শাক-সবজি চাষ করেই বেঁচে রয়েছে । অন্যথায় ধান চাষ সবচেয়ে লস প্রজেক্ট যা দ্বারা একজন কৃষক খেয়ে বাঁচবে না এই দেশে ।
আপনাদের সাথে এই বছরের একটা চিত্র শেয়ার করি । বিরি-২৮/২৯ জাতের ধান এক বিঘা জমিতে চাষ করতে জমি প্রস্তুত, সেচ, চারা তৈরি ও রোপণ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, ধান কাটা, মাড়াই, পরিবহন, ধান সেদ্ধ করা, চাল তৈরির প্রসেসিং সহ খরচ হয় কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা ।
এক বিঘায় ধান পাওয়া যায় যদি ফলন ভালো হয় গড়ে ১৮-২০ মণ এবং চাল পাওয়া যায় ১৩ মণের মত । যার বাজারমূল্য কম করে ৭০ টাকা কেজি ধরলেও ৩৬৫০০ টাকা প্রায় । এটা খুচরা হিসাব । পাইকারি দাম বললে কাঁদবেন ।
বাড়তি হিসাবে এক বিঘা জমির খড়ের দাম ৫-৬ হাজার টাকা ।
সবমিলিয়ে লাভের অংক ১০-১৫ হাজার টাকার বেশী নয় ।
তাহলে আমাকে বলুন, ৪ মাস হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে ১০ হাজার টাকা লাভ হলে প্রতি মাসে কত টাকা হয় ? রাজবাড়িতে সেটেল হওয়ার পর এই ফালতু ধান চাষ প্রজেক্ট রুট লেভেলে আলোচনা করে কমপক্ষে আমার এলাকার কৃষকদের নিরুৎসাহিত করবো ।
আল্লাহ এদের হৃদয় কি দিয়ে বানাইছে আমার দেখতে ইচ্ছা করে, এরা চাইলেই ভাতের দাম আকাশ ছুঁয়ে ফেলতে পারে পরের মৌসুমেই অথচ সারাজীবন ধরে অবহেলা সহ্য করেও ধান চাষের মায়া ছাড়তে পারে না ।
আপনারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে "হালাল বিনিয়োগ" শুনেই লাফিয়ে পড়বেন না । লাভ হয় খুব সামান্য ও লসের পরিমাণ অনেক বেশী । টাকা মেরে দেয়ার ঘটনা বেশ কমন ।
ছবিঃ গত মৌসুমে আমার উপস্থিতিতে বোরো ধান কাটা হচ্ছিল ।
25/04/2026
নারীরা বাবার নামে পরিচিত হবে।
নাম ছিল শাহানা আক্তার। এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স, মাস্টার্স সব পরীক্ষার সনদেও তার এই নাম। কিন্তু বিয়ের পর শাহানা আক্তার হয়ে যান শাহানা চৌধুরী। স্বামীর চাকরির সুবাদে তাঁকে পাড়ি জমাতে হয় সুদূর কানাডায়। সেখানে তিনি শুধুই মিসেস চৌধুরী নামে পরিচিত। বিয়ের পর স্বামীর পদবি যুক্ত হচ্ছে নারীদের নামের পাশে। ফলে হারিয়ে যাচ্ছে তার নিজস্ব নামটি।
ইসলাম জন্ম পরিচয়ের সূত্র প্রকাশের সময় আপন পিতা ছাড়া অন্যের দিকে নিজের পরিচয়কে সম্পর্কযুক্ত করতে কঠিনভাবে নিষেধ করেছে।
এমনকি ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, ভক্তি-শ্রদ্ধা, সম্মান প্রদর্শনসহ অন্য যে কোনো কারণ দেখিয়েই হোক না কেন, জন্মদাতা ছাড়া পরিচয় দিতে নিষেধ করা হয়েছে।
কোরআন বলছে: তোমরা তাদেরকে তাদের বাবার নামে ডাক। (আল-কুরআন, ৩৩:৫)
এই আয়াতটি পালকপুত্রদেরকে তাদের প্রকৃত পিতার নামে ডাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেননা যারা বর্তমানে তাদের লালন-পালন করছেন বা ভরণ-পোষণ যোগান দিচ্ছেন, প্রকৃতপক্ষে তারা তাদের পিতা নন। বরং যারা তাদেরকে জন্ম দিয়েছেন তারাই তাদের আসল পিতা। অনুরূপভাবে মেয়েরাও তাদের পিতার পরিচয়ে পরিচিত হবেন স্বামীর পরিচয়ে নন। এখানে পালক পুত্রকে প্রকৃত পিতার নামে ডাকার নির্দেশ প্রমাণ করে যে, স্ত্রীদেরকেও তাদের পিতার নামে ডাকতে হবে।
সাঈদ ইবনে যুবায়ের হযরত ইবনে আব্বাসকে (রা) বলতে শুনেছেন যে, রসূল (ছাঃ) বলেছেন: যে কেউ নিজেকে বাবার নাম ছাড়া অন্য নামে ডাকবে তার উপর আল্লাহ, ফিরিশতা ও সমগ্র মানুষের লানত বর্ষিত হবে। (মুসনাদে আহমাদ) ইমাম বুখারীও (র) এই হাদীসটি হযরত সাদ (রা) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
সাদ ও আবু বাকরা (রা) হতে বর্ণিত, তাঁরা প্রত্যেকে বলেছেন: আমার দু' কান শুনেছে এবং আমার অন্তর মুহাম্মদ (ছাঃ) এর এ কথা সংরক্ষণ করেছে যে, নবী মুহাম্মদ (ছাঃ) বলেছেন: যে ব্যক্তি জেনেশুনে নিজেকে নিজের পিতা ছাড়া অন্যের সাথে সংযুক্ত করে তার জন্য জান্নাত হারাম হয়ে যাবে। (ইবনে মাজাহ)
আবার আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী মুহাম্মদ (ছাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (ছাঃ) বলেছেন: যে কেউ নিজের বাবা ব্যতীত অন্যের পরিচয়ে পরিচয় দেয় সে জান্নাতের গন্ধও পাবে না, যদিও জান্নাতের সুঘ্রাণ সত্তর বছর হাঁটার রাস্তার দূরত্ব থেকেও পাওয়া যাবে। (মুসনাদে আহমাদ)
সকল বোনদের বলি!
বাবার নামে পরিচিত হোন।
১. স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে কোন রক্ত সম্পর্ক থাকে না কিন্তু বাবা-মেয়ের রক্ত সম্পর্ক চিরদিনের।
২. স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সাথে মনোমালিন্য হলে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটতে পারে তখন এই নাম থাকে না।
৩. স্বামী মারা গেলে স্ত্রী অন্য পুরুষকে বিয়ে করতে পারে, তখন এই নামের কী দশা হবে তা সহজেই অনুমেয়।
৪. স্বামী তো বিয়ের পর নিজের নাম পরিবর্তন করে না, তাহলে আপনি কেন করবেন? এটা কি আপনার অধিকারের লংঘন নয়?
:
#হাদিস
25/04/2026
খবরে দেখলাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন!
যুক্তরাষ্ট্রে এরকম হতাহতের ঘটনা খুবই কমন। প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ সেখানে নিহত হয়। এক পরিসংখ্যানে দেখলাম ২০২৩ সালে প্রায় ৪৬ হাজার হ*ত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে শুধু আ*গ্নেয়াস্ত্রের মাধ্যমে!
ছবির লোকটার নাম ফাহিম সালেহ। পাঠাও এর প্রতিষ্ঠাতা এই তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ছিল বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। খুব অল্প বয়সে অনেক অর্থের মালিক হয়েছিলেন পাঠাও তৈরির মাধ্যমে।
ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, ২০২০ সালে নির্মমভাবে নিহত হন তাঁরই এক কর্মচারীর হাতে! মেরে প্রতিটা অঙ্গ আলাদা করে স্বয়ংক্রিয় করাত দিয়ে! অল্প বয়সে শেষ হয়ে যায় এক দারুণ সম্ভাবনাময় জীবনের!
কোথাও কারো নিরাপত্তা নেই! 😢
উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে...
২৯শে এপ্রিল থেকে ১২ই মে পর্যন্ত, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত, কোনো ব্যক্তি যেন বাইরে (খোলা আকাশের নিচে) না যান, কারণ আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে যে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। তাই যদি কোনো ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট হয় বা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, ঘরের ভেতরের দরজা খোলা রাখুন যাতে বায়ু চলাচল করতে পারে, মোবাইলের ব্যবহার কমিয়ে দিন, মোবাইল ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, দয়া করে সতর্ক থাকুন এবং অন্যদের জানান, যতটা সম্ভব দই, ঘোল, বেলের রস ইত্যাদির মতো ঠান্ডা পানীয় ব্যবহার করুন।
অত্যন্ত জরুরি তথ্য
বেসামরিক প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিম্নলিখিত বিষয়ে সতর্ক করছে।
আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা ৪৭ থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বৃদ্ধি এবং কিউমুলাস মেঘের উপস্থিতির কারণে বেশিরভাগ এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের জন্য, এখানে কিছু সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বনের কথা বলা হলো।
গাড়ি থেকে এই জিনিসগুলি সরিয়ে ফেলা উচিত
১. গ্যাসের সামগ্রী ২. লাইটার ৩. কার্বনেটেড পানীয় ৪. সাধারণত পারফিউম এবং অ্যাপ্লায়েন্সের ব্যাটারি ৫. গাড়ির জানালা সামান্য খোলা রাখা উচিত (বাতাস চলাচলের জন্য) ৬. গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্ক পুরোপুরি ভর্তি করবেন না ৭. সন্ধ্যায় গাড়িতে জ্বালানি ভরুন ৮. সকালে গাড়িতে ভ্রমণ করা এড়িয়ে চলুন ৯. গাড়ির টায়ারে অতিরিক্ত হাওয়া দেবেন না, বিশেষ করে ভ্রমণের সময়।
বিছা এবং সাপ থেকে সাবধান থাকুন কারণ তারা তাদের গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারে এবং শীতল জায়গার সন্ধানে পার্ক ও বাড়িতে প্রবেশ করতে পারে।
প্রচুর পরিমাণে জল ও তরল পান করুন, গ্যাস সিলিন্ডার রোদে রাখবেন না, বিদ্যুৎ মিটারে অতিরিক্ত চাপ দেবেন না এবং এয়ার কন্ডিশনার শুধুমাত্র বাড়ির ব্যবহৃত জায়গাগুলিতে ব্যবহার করুন, বিশেষ করে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের সময়। এবং প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর ৩০ মিনিটের বিশ্রাম নিন। বাইরের তাপমাত্রা ৪৫-৪৭° হলে, বাড়িতে এসি ২৪-২৫° তে রাখুন, এতে আপনার স্বাস্থ্য ও সুস্থতা ভালো থাকবে। সরাসরি সূর্যের আলোতে আসা পরিহার করুন, বিশেষ করে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টার মধ্যে।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর।
19/04/2026
নার্সের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক, বিয়ের দাবিতে অনশনের পর উধাও হাসপতাল মালিকের ছেলে (প্রেমিক) সহ পুরো পরিবার
কল্পনা করুন মদীনার এক নিঝুম রাত। চারদিকে পিনপতন নীরবতা। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) যাকাতের খেজুর পাহারা দিচ্ছেন। হঠাৎ অন্ধকার ফুঁড়ে এক অবয়ব বেরিয়ে এলো এবং দ্রুত হাতে খেজুর চুরি করতে শুরু করলো!
আবু হুরায়রা (রাঃ) তাকে হাতেনাতে ধরে ফেললেন। চোরটি তখন কান্নায় ভেঙে পড়ে জানালো—সে খুব অভাবী, তার বাচ্চারা ক্ষুধার্ত। দয়াপরবশ হয়ে তিনি তাকে ছেড়ে দিলেন। কিন্তু পরদিন রাতেও একই ঘটনা! এভাবে টানা তিন রাত ধরা পড়ার পর আবু হুরায়রা (রাঃ) যখন তাকে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-এর দরবারে নিয়ে যাওয়ার জেদ ধরলেন, তখন চোরটি প্রাণ বাঁচাতে এক অবিশ্বাস্য গোপন রহস্য ফাঁস করে দিল!
সেই রহস্যটি কী ছিল?
চোরটি বললো, "আপনি যদি রাতে ঘুমানোর আগে 'আয়াতুল কুরসি' পাঠ করেন, তবে সারারাত আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা আপনাকে পাহারা দেবে এবং শয়তান আপনার ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারবে না।" আল্লাহর রাসূল (সাঃ) ঘটনাটি শুনে মুচকি হেসে বললেন, "সে চরম মিথ্যাবাদী হলেও, এই কথাটি তোমাকে সে সত্য বলেছে। আর আবু হুরায়রা, তুমি কি জানো সেই চোরটি কে ছিল? সে ছিল স্বয়ং শয়তান!"
কেন আয়াতুল কুরসি এতোটা শক্তিশালী?
১. জান্নাতের রাজপথ: আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজের পর এটি পাঠ করবে, তার জান্নাতে যাওয়ার পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না!
২. ইসমে আজম: এই আয়াতের ভেতরেই লুকিয়ে আছে আল্লাহর সেই বিশেষ নাম (আল-হাইয়্যু, আল-কাইয়্যুম), যা দিয়ে দোয়া করলে আল্লাহ কখনো ফিরিয়ে দেন না।
৩. নিরাপত্তার দেওয়াল: ইমাম গাজালী (রহঃ) এক বুজুর্গের কাহিনী বর্ণনা করেছেন, যিনি আয়াতুল কুরসি পড়ে নিজের চারপাশে একটি বৃত্ত টেনেছিলেন। সারারাত বনের হিংস্র পশুরা সেই বৃত্তের বাইরে ঘুরঘুর করলেও ভেতরে ঢোকার ক্ষমতা পায়নি!
আমাদের জন্য শিক্ষা:
আজকের ব্যস্ত জীবনে আমরা যখন দুশ্চিন্তা, ভয় আর ডিপ্রেশনে ভুগছি, তখন 'আয়াতুল কুরসি' হতে পারে আমাদের মানসিক শান্তির সবচেয়ে বড় অস্ত্র। এটি পড়ার সময় একবার ভাবুন—যিনি আসমান-জমিনের মালিক, তিনি নিজে আপনাকে পাহারা দিচ্ছেন!
চলুন একটি চ্যালেঞ্জ নিই!
আগামী ৭ দিন প্রতি ফরজ নামাজের পর এবং ঘুমানোর আগে মন থেকে আয়াতুল কুরসি পাঠ করি। দেখুন আপনার জীবন কতটা শান্তিময় হয়ে ওঠে।
ভালো লাগলে পোস্টটি শেয়ার করুন এবং আপনার প্রিয়জনদের আল্লাহর হেফাজতে রাখার উসিলা হোন। জাজাকাল্লাহ খায়ের!
17/04/2026
এসএসসিতে থাকছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’
সূত্র: TDC
১লা বৈশাখ আল্লাহ চাইলে জীবনে অনেক আসবে কিন্তু হামের প্রকোপ থাকায় শিশুদের মায়েদের কাছে অনুরোধ এই বৈশাখে দয়া করে শিশুদের নিয়ে বাড়িতেই থাকুন।
না, শুধু তীন (ডুমুর) খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে—এটা ঠিক না।
🟡 তীন ফলের উপকারিতা
তীন ফল (ডুমুর) কিছু ভালো দিক আছে:
এতে ফাইবার বেশি → রক্তে শর্করা ধীরে বাড়ায়
প্রাকৃতিক মিষ্টি হলেও কিছু ভিটামিন ও মিনারেল দেয়
হজমে সাহায্য করে
🔴 কিন্তু সমস্যা কোথায়?
তীনে প্রাকৃতিক চিনি (natural sugar) থাকে
বেশি খেলে রক্তে শর্করা উল্টো বেড়ে যেতে পারে
শুকনো তীন (dry fig) হলে চিনি আরও বেশি থাকে
✅ তাহলে কীভাবে খাবেন?
দিনে ১–২টা তাজা তীন খেতে পারেন
খালি পেটে না খেয়ে, খাবারের সাথে বা পরে খান
শুকনো তীন কম খান
📌 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের আসল উপায়
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে:
নিয়মিত হাঁটা/ব্যায়াম
কম চিনি ও কম কার্ব ডায়েট
সময়মতো ওষুধ বা ইনসুলিন
নিয়মিত ব্লাড সুগার চেক
👉 সংক্ষেপে:
তীন সহায়ক হতে পারে, কিন্তু একা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Jhautola More Laxmipure Rajshahi
Rajshahi
600