08/04/2020
ATI Life
Agricultural Training Institute (ATI) is the premier seat of agricultural education and research in the country.Diploma in Agricultural,,,
Agricultural Training Institute (ATI) is the premier seat of agricultural education and research in the country. The main task of the Institute is to tone up the quality and standard of agricultural education and to produce diploma in agriculturists, for shouldering the responsibilities of agricultural development of the country. The missions of Institute have been to develop the art and science of agriculture for the well being of mankind,
08/04/2020
27/10/2018
বন্ধুরা খুব মিস করি তোদের.............
25/08/2018
পূণর্মিলনী-২০১৮
#এসো মিলিত হই প্রাণের সমীরণে
#এ.টি.আই, ঈশ্বরদী,পাবনা
#সেশন- ২০০৬- ২০০৭
01/02/2017
15/08/2016
বন্যা কবলিত এলাকার জন্য আপদকালীন রোপা আমন ধানের চারা উৎপাদন পদ্ধতি
1
বন্যা কবলিত এলাকার জন্য আপদকালীন রোপা আমন ধানের চারা উৎপাদন পদ্ধতি
বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বর্তমানে বন্যা কবলিত। বন্যার কারণে অনেক জায়গায় রোপা আমনের চারা বীজতলায় নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এমনকি অনেক জায়গায় বন্যার পানির কারণে রোপা আমনের বীজতলা তৈরী করা সম্ভব হয় নাই। এখন বন্যার পানি ধীরে ধীরে নেমে যাওয়ার পর চারা তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় সময় হাতে থাকবে না। অন্যদিকে দেরী হয়ে যাওয়ায় এখন দীর্ঘ জীবনকালের স¦ল্প আলোক সংবেদনশীল জাতের চাষ করা সম্ভব নয়। তবে তীব্র আলোক সংবেদনশীল জাত যেমন বিআর২২, বিআর২৩, ব্রি ধান৪৬ এবং স্থানীয় জাত যেমন নাইজারশাইল, গাইঞ্জা ইত্যাদি ধানের আবাদ করা যেতে পারে।
বন্যা কবলিত এলাকায় স্বাভাবিক বীজতলা তৈরীর উপযুক্ত জায়গা পাওয়া কষ্টকর। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিউট নি¤েœাক্ত দু’টি পদ্ধতিতে রোপা আমনের চারা তৈরীর সুপারিশ করছেঃ
১। ভাসমান বীজতলা
২। ডাপোগ বীজতলা
ভাসমান বীজতলাঃ বন্যাকবলিত এলাকায় যদি বীজতলা করার মত জায়গা না থাকে এবং বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর চারা তৈরীর প্রয়োজনীয় সময় না থাকে তবে বন্যার পানি, পুকুর, ডোবা বা খালের পানির উপর বাঁশ এবং বাঁশের চাটাই-এর মাচা অথবা কলাগাছের ভেলা তৈরী করে তার উপর ২-৩ সে.মি. পরিমাণ পুকুরের তলার মাটির পাতলা কাদার প্রলেপ দিয়ে ভেজা বীজতলার মত বীজতলা তৈরী করা যায়। বন্যার পানিতে যেন ভেসে না যায় তার জন্যে এ বীজতলাকে দড়ির সাহায্যে খুটির সাথে বেঁধে রাখা দরকার।
চিত্র-১ঃ ভাসমান বীজতলা
এরপর মাটির আস্তরণের উপর অংকুরিত বীজ ছিটিয়ে দিতে হবে। ভাসমান বীজতলার ক্ষেত্রে অন্য স¦াভাবিক বীজতলার মতই বীজহার (প্রতি বর্গমিটারে ৮০-১০০ গ্রাম) হবে। এক্ষেত্রে একবিঘা জমি রোপনের জন্য ৩৫ বর্গমিটার ভাসমান বীজতলা ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রায় ২৫-৩০ দিনের চারা উঠিয়ে মাঠে রোপন করা যেতে পারে। এভাবে তৈরী চারা অন্যসব স¦াভাবিক চারার মতই রোপন করতে হবে এবং সমস্ত কৃষিতাত্ত্বিক ব্যবস্থাপনা অন্য স¦াভাবিক বীজতলার চারার মতই হবে। গবেষণায় দেখা গেছে এভাবে উৎপাদিত চারা অন্যসব চারার মতই ফলন দেয়। পানিতে ভাসমান থাকার জন্য এ বীজতলায় সাধারণত সেচের দরকার হয় না, তবে প্রয়োজনে ছিটিয়ে পানি দেওয়া যেতে পারে।
ডাপোগ বীজতলাঃ বাড়ির উঠান বা যে কোন শুকনো জায়গায় অথবা কাদাময় সমতল জমিতে পলিথিন, কাঠ অথবা কলাগাছের বাকল দিয়ে তৈরী চৌকোনা ঘরের মত করে তার মধ্যে অংকুরিত বীজ ছড়িয়ে দিতে হয়। এ বীজতলায় মাটি থেকে চারাগাছ কোনরূপ খাদ্য বা পানি গ্রহণ করতে পারে না বলে বীজতলায় প্রয়োজনমাফিক পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। মাত্র দু’সপ্তাহ পরেই এ পদ্ধতিতে উৎপাদিত চারা রোপন করা দরকার, অন্যথায় চারাগাছ খাদ্যের অভাবে মরে যাবে। বীজতলায় প্রতি বর্গমিটারে সর্বোচ্চ ৩ কেজি অংকুরিত বীজ দিতে হয়।
চিত্র-২ঃ ডাপোগ বীজতলা
এভাবে প্রস্তুতকৃত ২-৩ বর্গমিটার ডাপোগ বীজতলা থেকে উৎপাদিত চারা এক বিঘা জমি রোপন করার জন্য যথেষ্ট। ডাপোগ বীজতলার প্রস্থ প্রায় ১.৫ মিটার এবং দৈর্ঘ প্রয়োজন মতো নিতে হবে। এভাবে করা বীজতলা থেকে ১৪/১৫ দিন বয়সের চারা জমিতে রোপন করতে হবে। চারার বয়স বাড়ার সাথে সাথে চারার গুনগতমান নষ্ট হতে থাকে। চারার বয়স কম থাকে বলে অনেক সময় চারার মৃত্যুহার কিছুটা বেশী থাকে। সেজন্য চারা রোপনের সময় প্রতি গোছায় ৪-৫ টি চারা দিলে এসমস্যা কাটিয়ে উঠা যায়। ডাপোগের চারার উচ্চতা কম থাকে বলে জমিতে লাগানোর সময় যেন এমন পরিমাণ পানি না থাকে যাতে করে চারা পানির নীচে চলে না যায় । এক্ষেত্রে রোপিত চারার সকল কৃষিতাত্ত্বিক ব্যবস্থাপনা অন্যসব চারার মতই। গবেষণায় দেখা গেছে ডাপোগ পদ্ধতিতে লাগানো চারা পরবর্তীতে অন্যান্য স¦াভাবিক চারার মতই ফলন দেয়।
09/05/2016
বিষমুক্ত চাষ – সেক্স ফেরোমন ফাঁদ
লেখক : Mahmudur Rahman
সবজি চাষে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে দিনাজপুর। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়াই এ জেলায় কৃষকরা বিষমুক্ত বেগুন আবাদ করছেন। পোকা সংক্রমন দমনে সেক্স ফেরোমন ফাঁদের সাহায্যে বেগুন চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।
কৃষক তোফায়েল জানান, সেক্স ফেরোমন পদ্ধতিতে তিন বিঘা জমিতে বেগুন চাষ করে ব্যাপক সাফল্য বয়ে পেয়েছেন। এ পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করায় ক্ষেতে পোকার আক্রমন হয়নি। বরং পেয়েছেন আশাতীত ফলন। আগামীতে আরো জমিতে একই পদ্ধতিতে বেগুন লাগাবেন।
তোফায়েলের সাফল্য দেখে জেলার অনেক কৃষক এ পদ্ধতিতে বেগুনসহ অন্যান্য সবজি চাষে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
সেক্স ফেরোমন ফাঁদের বিস্তারিত তুলে ধরে তোফায়েল জানান, জমির মধ্যে ছোট ছোট খুটি করা হয়েছে। তাতে প্লাস্টিকের বয়াম দু’পাশে কেটে ঝুলিয়ে রেখে তার মধ্যে দেয়া হয়েছে সাবান পানি। বয়ামের এই সাবান পানির গন্ধে স্ত্রী পোকাগুলো পুরুষ পোকাকে প্রজননের জন্য আহ্বান জানান। স্ত্রী-পুরুষ পোকাগুলো সে সময় বয়ামে প্রবেশ করলে মেশানো পানিতে পড়ে মারা যায়। এ কারনে এই বেগুনের ফসলি জমিতে স্প্রে করতে হচ্ছে না কীটনাশক।
জৈবিক বালাই দমনে সেক্স ফেরোমন ফাঁদের সাহায্যে বিষমুক্ত বেগুন চাষে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে কৃষি বিভাগ।
কৃষিবিদ আনোয়ারুল আলম জানিয়েছেন, এক সময়ের অনাবাদি পতিত এসব জমিতে বেগুন চাষ করে যেমন জেলায় সবজি উৎপাদন বাড়ছে। তেমনি উৎপাদিত হচ্ছে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়াই বিষমুক্ত সবজি। এক দিকে যেমন কম খরচে আবাদ করে কৃষকরা হচ্ছেন লাভবান। অন্যদিকে ক্রেতারা পাচ্ছেন বিষমুক্ত সবজি।
সেক্স ফেরোমন ফাঁদ বসিয়ে বিষমুক্ত বেগুন চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। তাই কৃষি বিভাগের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে এবং বেগুনের ন্যায্য মূল্য পেলে এ অঞ্চলে বিষমুক্ত বেগুন চাষ করতে কৃষকরা আরও এগিয়ে আসবেন-এমনটাই প্রত্যাশা করছেন কৃষিবিদরা।
সুত্রঃ পরিবর্তন.কম
11/02/2015
কার্বাইড দিয়ে ফল পাকানো জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
ফল আমাদের খাদ্য ও পুষ্টির একটি অন্যতম উৎস। কিন্তু দেশের একশ্রেণীর মধ্যসত্ত্বভোগী, মুনাফালোভী ব্যবসায়ী কৃত্রিমভাবে ফল পাকিয়ে ফলের খাদ্যমান বিনষ্ট করছে। হরহামেশা ক্যালসিয়াম কার্বাইডসহ বিভিন্ন প্রকারের বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে আম, কলা, কাঁঠাল, আনারসসহ অন্যান্য আকর্ষণীয় ফল পাকানো হচ্ছে। এতে ক্রেতাসাধারণ ও ভোক্তা প্রতারিত হয়ে আর্থিক এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।
কার্বাইড কী:
ক্যালসিয়াম কার্বাইড এক ধরণের রাসায়নিক পদার্থ। এটি এক ধরণের যৌগ যা বাতাসে বা জলীয় সংস্পর্শে এলেই উৎপন্ন করে এসিটিলিন গ্যাস। যা ফলে প্রয়োগ করলে এসিটিলিন ইথানল নামক বিষাক্ত পদার্থে রূপান্তরিত হয়।
কিভাবে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়:
কেমিক্যাল মিশ্রিত ফল খেলে মানুষ দীর্ঘমেয়াদি নানা রকম রোগে বিশেষ করে বদহজম, পেটেরপীড়া, পাতলা পায়খানা, জন্ডিস, গ্যাস্ট্রিক, শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, লিভার ও কিডনি নষ্ট হওয়াসহ ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। এছাড়া মহিলারা এর প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম দিতে পারে। শিশুরা বিষাক্ত পদার্থের বিষক্রিয়ার ফলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ফলের স্বাদ কেমন হয়:
কার্বাইড বিক্রিয়ায় ফলকে কাঁচা থেকে পাকা অবস্থায় নিয়ে আসে। ফলটি কাঁচা, কিংবা আধাপাকা অবস্থায় থাকুক না কেন কিছু কিছু ফলের বাইরে এবং ভেতরে কেমিক্যালের প্রভাব এতটাই ঘটে যে, ভেতরে বাইরে ফলটির রঙে ও স্বাদে স্বাভাবিকভাবে পাকা ফলের মতো হয়ে যায়। কোনো কোনো ফলের বেলায় কেবল তার বাহ্যিক বর্ণ আকর্ষণীয় হয়ে পড়ে। স্বাভাবিক পাকা ফলের মতো দৃষ্টি নন্দন টকটকে লাল, হলুদ, গোলাপি বর্ণ দেখে মানুষ আগ্রহ করে এসব কৃত্রিমভাবে পাকানো ফল পছন্দ করে কিনে নিয়ে যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তিনি হয়তো জানেন না যে, তিনি টাকা দিয়ে বিষ কিনলেন। এতে একদিকে যেমন ফলের পুষ্টি গুণাগুণ নষ্ট হয় অপরদিকে ফল খেতে বিস্বাদ, পানসা, শক্ত ও তেতো স্বাদযুক্ত মনে হয়।
কৃত্রিমভাবে পাকানো ফল চেনার উপায়:
টমেটো, আম, পেঁপে ইত্যাদি ফলকে কৃত্রিমভাবে পাকানো হলে ফলত্বক সুষম রঙ (uniform) ধারণ করে। কলার ক্ষেত্রে ফলত্বক হলুদ বর্ণের থাকলেও কান্ডের অংশ গাঢ় সবুজ রঙের থাকে।
আমাদের প্রত্যাশা/মতামত:
ভোক্তা অধিকার রক্ষায় ভোক্তা আইন আরও কঠিনভাবে প্রয়োগের নিমিত্তে বিভিন্ন সংবাদপত্র, রেডিও, টিভিতে ব্যাপক প্রচার করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফল, শাকসবজি ও খাদ্যদ্রব্যে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োগ রোধের ব্যবস্থা নিতে হবে। সার্বিকভাবে ভোক্তা, ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সচেতনতার মাধ্যমেই আমরা ভেজালমুক্ত ফলমূল খেতে পারবো এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে।
11/02/2015
অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য উচ্চ ফলনশীল ও হাইব্রিড জাতের চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফসল উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হচ্ছে। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সারে ভেজাল দ্রব্য মিশিয়ে নকল সার বা ভেজাল সার তৈরি ও বিক্রি করছেন। কৃষকভাইয়েরা একটু সতর্ক হলেই আসল সার ও ভেজাল সারের পার্থক্য বুঝতে পারবেন। এখানে কয়েকটি সহজ পরীক্ষার মাধ্যমে আসল বা ভেজাল সার শনাক্ত করার উপায় সম্পর্কে জানানো হলো:
ইউরিয়া সার চেনার উপায়:
আসল ইউরিয়া সারের দানাগুলো সমান হয়। তাই কেনার সময় প্রথমেই দেখে নিতে হবে যে সারের দানাগুলো সমান কিনা। ইউরিয়া সারে কাঁচের গুড়া অথবা লবণ ভেজাল হিসাবে যোগ করা হয়। চা চামচে অল্প পরিমান ইউরিয়া সার নিয়ে তাপ দিলে এক মিনিটের মধ্যে অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝালো গন্ধ তৈরি হয়ে সারটি গলে যাবে। যদি ঝাঁঝালো গন্ধ সহ গলে না যায়, তবে বুঝতে হবে সারটি ভেজাল।
টিএসপি সার চেনার উপায়:
টিএসপি সার পানিতে মিশালে সাথে সাথে গলবে না। আসল টিএসপি সার ৪ থেকে ৫ ঘন্টা পর পানির সাথে মিশবে। কিন্তু ভেজাল টিএসপি সার পানির সাথে মিশালে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই গলে যাবে বা পানির সাথে মিশে যাবে।
ডিএপি সার চেনার উপায়:
ডিএপি সার চেনার জন্য চামচে অল্প পরিমান ডিএপি সার নিয়ে একটু গরম করলে এক মিনিটের মধ্যে অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝালো গন্ধ হয়ে তা গলে যাবে। যদি না গলে তবে বুঝতে হবে সারটি সম্পূর্ণরুপে ভেজাল। আর যদি আংশিকভাবে গলে যায় তবে বুঝতে হবে সারটি আংশিক পরিমান ভেজাল আছে। এছাড়াও কিছু পরিমান ডিএপি সার হাতের মুঠোয় নিয়ে চুন যোগ করে ডলা দিলে অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝালো গন্ধ বের হবে। যদি অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝালো গন্ধ বের না হয় তাহলে বুঝতে হবে সারটি ভেজাল।
এমওপি বা পটাশ সার চেনার উপায়:
পটাশ সারের সাথে ইটের গুড়া ভেজাল হিসাবে মিশিয়ে দেয়া হয়। গ্লাসে পানি নিয়ে তাতে এমওপি বা পটাশ সার মিশালে সার গলে যাবে। তবে ইট বা অন্য কিছু ভেজাল হিসাবে মিশানো থাকলে তা পানিতে গলে না গিয়ে গ্লাসের তলায় পড়ে থাকবে। তলানি দেখে সহজেই বুঝা যাবে সারটি আসল নাকি ভেজাল।
জিংক সালফেট সার চেনার উপায়:
জিংক সালফেট সারে ভেজাল হিসাবে পটাশিয়াম সালফেট মেশানো হয়। জিংক সালফেট সার চেনার জন্য এক চিলতে জিংক সালফেট হাতের তালুতে নিয়ে তার সাথে সমপরিমান পটাশিয়াম সালফেট নিয়ে ঘষলে ঠান্ডা মনে হবে এবং দইয়ের মতো গলে যাবে।
11/07/2014
কেমিক্যালমুক্ত আম চেনার ১০ টিপস
১. প্রথমেই লক্ষ্য করুন, আমের গায়ে মাছি বসছে কি-না। এর কারণ, ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসে না।
২. আম গাছে থাকা অবস্থায় বা গাছপাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।
৩. কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আমগুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।
৪. গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেওয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।
৫. হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।
৬. আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেওয়া আম হলে কোনো গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।
৭. আম মুখে দেওয়ার পর যদি দেখেন যে কোনো সৌরভ নেই কিংবা আমে টক বা মিষ্টি কোনো স্বাদ নেই, বুঝবেন সে আমে ওষুধ দেওয়া।
৮. আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেওয়া আমে এ মিষ্টি গন্ধ হবেই না।
৯. আমের গায়ে সাধারণত এক ধরনের সাদা পাউডারের মতো থাকে। যা পানিতে বা ফরমালিনে চুবালে চলে যায় । এটাও খেয়াল রাখুন।
১০. কেমিক্যালে পাকানো আম হলুদ না হয়ে সাদার মত রং ধারণ করে। অনেক সময় ক্রেতার নজর কাড়তে ও আমের গায়ে থাকা দাগ দূর করতে এক ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। কিছু আম আছে যে পাকলেও চামড়া সবুজ থাকে এরকম আম ক্রেতারা দেখেই কিনতে চায় না। তাই এরকম ক্রেতাদের ভুলের কারণেও কেমিক্যালের ব্যাবহার হয়।
এ ১০টি টিপস মেনে চললে কেমিক্যাল মুক্ত আম কিনতে পারবেন আপনি
11/07/2014
বনসাই..............
বনসাই এর পারিভাষিক অর্থ জীবন্ত ভাস্কর্য৷
বনসাই এর ইতিহাস বহু পুরানো ।ধারণা করা হয় প্রায় ২০০০ বৎসর পূর্বে চীনে এর শুরু হয় এবং পরবর্তীতে চীনের অন্যান্য অঞ্চল, জাপান, কোরিয়া ও ভিয়েতনামে বিস্তৃতি লাভ করে । বাংলাদেশেও এখন উন্নত মানের বনসাই কালচার চালু রয়েছে এখন এসব বিদেশেও যায় ৷
বনসাই বলতে বুঝায় বৃক্ষ জাতীয় গাছকে (ফলজ ও বনজ) তার আকৃতি ঠিক রেখে সেগুলোর নিজ নিজ বৈশিষ্ট্যসহ বিভিন্ন প্রকার টবে ধারণ করা৷ বনসাই চাষের মাধ্যমে অল্প পরিসরে প্রকৃতিকে উপলব্ধি করা যায়৷ এর মাধ্যমে আনন্দ খোজাই বনসাই কালচারের উদ্দেশ্য।
বিভিন্ন ধরনের বনসাই রয়েছে৷ ব্রুম, রুটওভার রক, ফরমাল, ইনফরমাল, রুট অ্যাক্সপোজ, ইনফরমাল আব্রাইট, টুইনট্রাংক, টৃপলট্রাংক, মাল্টিট্রাংক, ফরেস্ট, ডেপ্টউড, ল্যান্ডস্ক্যাপ, প্লানটিং, লিটারেটি ইত্যাদি৷
এসবের মধ্যে ব্রুম জাতীয় বনসাইগুলো অনেকটা ছাতার মতো দেখতে৷ রুটওভার রকগুলো সাধারণত টবে রাখা পাথরের ওপর বৃক্ষমূলের সুন্দর প্রকাশ৷ আর রুটগুলো (বৃক্ষমূল) যখন পাথরে আবৃত না হয়ে টবে রাখা মাটির ওপর ছড়িয়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে তখন সেটা হবে রুট অ্যাক্সপোজ জাতীয় বনসাই৷ফরমাল বনসাইয়ের ক্ষেত্রে ডালপালাগুলোর নিয়মিত শয্যাবিন্যাস দেখা যায়৷ যেটা ইনফরমাল বনসাইয়ের ক্ষেত্রে দেখা যায় না৷ ডালপালাগুলো এলোমেলো হয়৷ ইনফরমাল আব্রাইট জাতীয় ইনফরমাল বনসাইয়ের মতো৷ তবে তা হেলানো ঝুলানো অবস্থায় থাকে৷
বৃক্ষের দুটি কাণ্ড বনসাইয়ের সৃষ্টি করলে টুইনট্রাংক, তিনটি কাণ্ড মিলে করলে টৃপলট্রাংক ও তিনের অধিক কাণ্ড হলে মাল্টিট্রাংক জাতীয় বনসাই হবে৷ বিভিন্ন প্রজাতির বনসাইকে মূলত তিনটি শেপ দেয়া হয়৷ এগুলো স্মল শেপ যা ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়, মিডিয়াম শেপ যা ১০ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার এবং লার্জ শেপ ২৫ থেকে ৪৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে৷
বনসাই
এটা একটি জটিল ও দীর্ঘ মেয়াদি প্রক্রিয়া আসুন দেখি কিভাবে বনসাই তৈরী করতে হয়।
চারা তৈরি : সাধারণত বনসাইয়ের চারা নার্সারি থেকে সংগ্রহ করতে হয়। বীজ সংগ্রহ করেও চারা তৈরি করে নিতে পারেন। যেসব প্রজাতির বীজ পাওয়া যায় না, সেসব উদ্ভিদের অঙ্গজ পদ্ধতি অবলম্বন করে চারা তৈরি করতে হয়। বীজ সংগ্রহ করেও চারা তৈরি করে নিতে পারেন। অর্থাৎ কাটিং, ঝড় বিভাজন, তেউড় বিভাজন, দাবা কলম, গুটি কলম, চোখ কলম প্রভৃতি পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়ে চারা তৈরি করে নিতে হয়। টব বাছাই ক্যাসকেটড বা উঁচু বনসাই ছাড়া সবরকম বনসাইয়ের জন্য ছোট বাটির টব উত্তম। টবের আকার হওয়া উচিত গাছের শাখা-প্রশাখাসহ তার বিস্তারের চেয়ে কিছুটা ছোট। আকৃতি দৃষ্টিনন্দন হওয়া চাই। টবের আকৃতি সবসময় বৃত্তাকার হতে হবে এমন নয়, আয়তাকার, বর্গাকার কিংবা ত্রিভুজাকারও হতে পারে।
টবে সার মাটি প্রয়োগ : প্রথমে বিভিন্ন জাতের বনসাইয়ের জন্য আলাদাভাবে মাটি তৈরি করতে হয় ৷ মাটি তৈরির ক্ষেত্রে জৈব সারের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে৷ সব ক্ষেত্রেই দোআশ বা পলি মাটি ব্যবহার করা হয়৷ বনসাই টবের জন্য মাটি তৈরি করা খুব সহজ। প্রধানত দোআঁশ মাটির সঙ্গে জৈবসার মিশিয়ে বনসাইয়ের মাটি তৈরি করা হয় নিম্নোক্তভাবে :
দোআঁশ মাটি :পরিমাণমতো, কম্পোস্ট- ১/২ কেজি হাড় গুঁড়ো ৫০ গ্রাম, খড়ি মাটি গুঁড়ো ৫০ গ্রাম, ইট গুঁড়ো ১৩০ গ্রাম, কাঠের ছাই ৭৫গ্রাম ।
চারা লাগানো- কাটিং গুটি কলম বা বীজের চারা বনসাইয়ে সার-মাটি ভরে যথারীতি লাগাতে হবে। টবে জল নিষ্কাশনের ছিদ্রের ওপর ইটের কুচির পরিবর্তে এক টুকরো তারের জালি রেখে তা কিছু কাঁকর দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। তারপর যথারীতি সার-মাটি ভরে চারা লাগাতে হবে।
বনসাই তৈরির ধাপ : বনসাই তৈরির জন্য কাণ্ড, শেকড়, শাখা-প্রশাখা ও পাতার বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করাই যথেষ্ট নয়। টবের ছোট গাছে প্রকৃতির কোলে বেড়ে ওঠা বয়োবৃদ্ধ গাছের সুঠাম ভঙ্গিমায় আনার চেষ্টা করতে হবে।
ধাপসমূহ : কুঁড়িভাঙা চারাকে অতিমাত্রায় বেঁটে করে রাখতে ও ঝোঁপালো করতে কুঁড়ি বা পত্রমুকুল ভেঙে দিতে হয়। ক্ষুদে বনসাইয়ের বেলায় তা করতে হয় বা নিরস্তর। কারণ, সবসময় বাড়ন্ত ডগা মাত্র দু'টি পাতা রেখে কেটে দিতে হবে। কুঁড়িভাঙার প্রধান উদ্দেশ্য হলো নিচের পাতার কাঙ্ক্ষিতকুলকে বাড়তে বাধ্য করা। কারণ ওগুলো বাড়লে গাছের শাখার সংখ্যা বেড়ে গাছ ঝোঁপালো হবে।
শাখা বাছাই : বনসাইকে যে মডেলের রূপ দেয়া হবে তা স্থির করে শাখা বাছাই করা দরকার। জোড়া পাতার কক্ষ থেকে কান্ডের দু'পাশে দু'টি শাখা গজায়। বাছাই পদ্ধতি অনুসারে এর একটিকে রাখতে হবে। নিচেরটি ডানদিকে রাখলে তার ওপরেরটি বামদিকে রাখতে হবে। আসলে বনসাইয়ের কাণ্ডের রূপ সামনের দিকে কোন শাখা থাকবে না। থাকবে কেবল ডান ও বাম দিকে এবং পেছনে কাণ্ডের মাথার দিকেও শাখা থাকতে হবে।
শাখা ছাঁটাই : প্রায়শই বনসাইয়ের বয়স ৩-৪ বছর হলে তখন প্রুনিংয়ের প্রয়োজন হয়। বাছাই করা মোটা শাখাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাটতে হয়। এর জন্য যে অস্ত্রটি ব্যবহার করা উচিত তার নাম কনকেভ কাটিং প্লায়ারস এর কাটার ধরন পৃথক। কাটার স্থানের চারদিক থেকে ছাল বেড়ে তাড়াতাড়ি তা ঢেকে দেয়। বন সাই পরিচর্যার জন্য স্পেশাল যন্ত্রপাতি পাওয়া যায শুধুমাত্র সেই গুলিই ব্যবহার করুন।
তার বাঁধা : কাণ্ড বা শাখাকে সুন্দর, সুঠাম ভঙ্গিমায় আনতে যেসব কৃত্রিম উপায় অবলম্বন করা হয় তার বাঁধা তাদের মধ্যে অন্যতম। সরল শাখায় তার জড়িয়ে আঁকাবাঁকা রূপ দেয়া যায়। কাণ্ডের জন্য মোটা তার ও শাখার জন্য সরু তার প্রয়োজন। সাধারণত এজন্য তামার তার ব্যবহার করা হয়। অনেকে গ্যালভানাইজিংয়ের তারও ব্যবহার করেন। মনে রাখা দরকার, তার জড়ানোর ফলে গাছ বেশ দুর্বল হয়ে পড়ে। তার খোলার পর গাছকে ছায়ায় বা হালকা ছায়ায় অন্তত সপ্তাহখানেক রাখা দরকার। প্রয়োজন বোধে দু'তিনবার তার জড়ানো যেতে পারে; কিন্তু তা অন্তত ছয় মাস অন্তর হওয়া দরকার। বনসাই তৈরির জন্য উপযুক্ত প্রজাতির গাছ যেমন বট, পাকু, হিজল, অশ্বথ, ডুমুর, ডালিম, কদম, বাগানবিলাস, বোতল ব্রাশ, নিম, জামরুল ও তেঁতুল ইত্যাদি।
একটা সাধারণ ধারণা আছে, বনসাই বিশেষ এক ধরনের গাছ৷ এ কথা সত্য, বিশেষ কয়েক ধরনের গাছকে সহজেই বনসাই করা যায়৷ তবে তার মানে এই নয়, বনসাই আলাদা কোনো প্রজাতির গাছ৷ ছোট পাতা-ফুল-ফল হয় এমন যেকোনো ধরনের বৃক্ষকে বনসাইয়ে রূপ দেওয়া যায়৷ যেমন- বট বা পাকুড় গাছের পাতা আকারে খুব বড়ও নয়, ফল হয় ছোট, আবার এ গাছ দীর্ঘায়ু এবং অনেক বড়ও হয়, তাই সহজে একে বনসাই করা যায়৷ কিন্তু রাবার গাছের পাতার আকৃতি অত্যধিক বড় হওয়ায় একে বনসাই করা যায় না৷ মনে রাখতে হবে, ছোট্ট একটি টবে বড় একটি গাছের ক্ষুদ্র সংস্করণই বনসাই৷ আবার এও মনে রাখা দরকার যে টব এবং গাছের সুসমন্বয় না হলে সার্থক বনসাই সৃষ্টি হয় না৷ বনসাই চর্চা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন অনেক নতুন নতুন স্থানীয় গাছ বনসাই হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে৷ আমাদের বাংলাদেশে বট, আমলকী, তেঁতুল, করমচা সার্থক বনসাই হওয়ায় যুগ যুগ ধরে এসব গাছকে বামন করার নানা কৌশল আবিষ্কৃত হয়েছে৷ কখনো গাছের সঙ্গে তার ডাল-পাতাকেও মানানসই করতে ছোট আকৃতি দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে৷ বনসাই এক জীবন্ত ভাস্কর্য৷ ধ্রুপদী জাপানি বনসাইয়ের নির্দিষ্ট কিছু আকৃতি রয়েছে৷ কিন্তু কোনো শিল্পকলাই যেমন নিয়মের কঠোর ঘেরাটোপে বন্দি নয়, তেমনি বনসাইও ধরাবাঁধা ছাদে বন্দি নয়৷ বহু বনসাই আছে, যা নিয়ম অমান্য করেই অপরূপ হয়ে উঠেছে৷ যে বনসাই দেখতে ভালো লাগে, মনকে আনন্দ দেয় তাকেই সার্থক বনসাই বলা যায়৷ তবে আর সব মহত্ সৃষ্টির মতো উঁচু দরের বনসাইয়েরও কিছু নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে৷
বনসাই
ভালো বনসাইয়ের বৈশিষ্ট্য গাছ :
গাছের সামনের চেয়ে পেছনের দিকে প্রচুর পাতা থাকতে হবে৷ এতে করে গাছের গভীরতা বোঝা যাবে৷ বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কাটা ডালপালা দেখা না যাওয়াই ভালো৷
শেকড় : প্রকৃতিতে যেমন গাছের শেকড় মাটির উপরে কিছুটা থাকে, বনসাইয়ের ক্ষেত্রেও তা থাকা দরকার৷ ধীরে ধীরে উপরের দিকে যত উঠবে তত চিকন হবে৷ মূল কান্ডটি সবচেয়ে মোটা হবে৷ দুই-তৃতীয়াংশ সামনে থেকে দেখা যাবে৷
শাখা-প্রশাখা : গাছের উচ্চতা থেকে অর্ধেক বা দুই-তৃতীয়াংশ জুড়ে ডালপালা থাকবে৷ নিচ থেকে প্রথম ডালটি সবচেয়ে মোটা হবে৷ এভাবে উপরের দিকে ডাল ক্রমান্বয়ে চিকন হবে৷
গাছের বহিরাকৃতি : গাছের বহিরাকৃতি অনেকটা ত্রিভুজাকার হবে৷ ক্ষেত্রবিশেষে গোলাকারও হতে পারে৷
ফুল, ফল ও পাতা : মৃত ও অসুস্থ পাতা থাকবে না৷ সব পাতার একই আকার হবে৷ পোকামাকড় থাকবে না৷ ফুল-ফলে কোনো বিকৃতি থাকবে না৷
পাত্র : বনসাইয়ের টব বা পাত্র পরিষ্কার ও নিখুঁত হবে৷ টবের রঙ গাছের রঙ কিংবা ফুল, ফল ও পাতার রঙের সঙ্গে মানানসই হতে হবে৷ বনসাইয়ের পাত্র অপরিচ্ছন্ন থাকলে মশাসহ অন্যান্য পোকার আক্রমণ হতে পারে৷
বনসাইয়ের স্টাইল নানা ধরনের হয়৷ তবে মূলত পাঁচটি স্টাইল৷
১. ফরমাল আপ রাইট : এই রীতির গাছগুলো চারদিকে সমানভাবে ডালপালা ছড়িয়ে উপরে ওঠে৷
২. ইনফরমাল আপ রাইট : এ রীতির গাছও উপরে ওঠে তবে ডালপালা সাধারণের মতো অত বিন্যস্ত নয়, একটু এলোমেলো৷
৩. কাসকেড : কাসকেড রীতির গাছগুলো টবের সীমানা ছাড়িয়ে ঝরনার মতো নিচের দিকে গড়িয়ে নামে৷ সেমিকাসডেক বা অর্ধকাসকেড রীতির গাছ টবের প্রান্তসীমায় এসে আটকে যায়৷ একমাত্র কাসকেড ও সেমিকাসকেড বনসাইতে উঁচু পট/টব ব্যবহার করা হয়৷
৪. স্পান্টিং : যে রীতির বনসাইয়ে গাছটি একদিকে হেলে থাকে তাকে স্পান্টিং বলে৷
৫. রুট ওভার রক : পাথরের ওপর যে বনসাই লাগানো হয় তাকে বলে রুট ওভার রক৷ এ ছাড়াও লিটার্চিক, টুইন ট্রাঙ্ক, মাল্টি ট্রাঙ্ক, রাফট ইত্যাদি নানা স্টাইলের বনসাই হয়ে থাকে৷ চিনে নিন খাঁটি বনসাই৷ কিছু দিন আগেও বাংলাদেশে বনসাই দুর্লভ ছিল৷ এখন অনেকেই বনসাই করছেন৷ ঢাকার বেশ কয়েকটি অভিজাত দোকান থেকে আপনি বনসাই কিনতে পারবেন৷ কিছু কিছু নার্সারিতেও বনসাই কিংবা বনসাই করার উপযুক্ত গাছ পাওয়া যায়৷ দুই-তিনশ টাকা থেকে কয়েক হাজার টাকা দামের বনসাই দোকানে বা নার্সারিতে কিনতে পাবেন৷ গত বৃক্ষমেলায় লাখ টাকার উপরে একাধিক বনসাই উঠেছিল৷ তবে বনসাই শুধু কিনলেই হবে না, তাকে চিনতে এবং রক্ষণাবেক্ষনও করতে হবে৷ মনে রাখতে হবে, গাছের বৃদ্ধি কখনো থেমে থাকে না, কাজেই যে অবস্থায় আপনি বনসাইটি কিনলেন তা কোনো স্থায়ী অবস্থা নয়৷ প্রতি বছরই গাছে নতুন ডালপালা আসবে, শেকড় বাড়বে এবং আপনার বনসাইয়ের চেহারা পাল্টাবে৷ কাজেই বনসাই কিনতে হলে এর সম্পর্কে একটু জেনেশুনে কেনা ভালো৷
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Rajshahi
6600
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |