The Meridian Private Home

The Meridian Private Home

Share

It is an educational institution. It started working for the first time in 2008 and has been working till now. Above all, our main goal is to wish everyone well.

Here all subjects from class 5th to class 12th are taught.

Photos from The Meridian Private Home's post 19/04/2026

এস.এস.সি বিদায় ২০২৬ ইং। সকলের জন্য শুভকামনা রইল। জীবনে অনেক বড় হও, ভালো জায়গায় যাবে এই প্রত্যাশা করি ❤️❤️❤️

21/04/2025

কেউ একজন আমাদের এই ছবি ব্যবহার করে ফেক পেজ খুলেছে। আমার পরিচিত অনেকেই আবার এই পেজে জয়েন করেছেন। যারা যারা জয়েন করেছেন এই পেজ থেকে বের হয়ে যান এবং ব্লক দেন, রিপোর্ট করেন, পেজটা বন্ধ করার জন্য।

28/11/2024

শুভ সন্ধ্যা 🫰!

সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :

প্রিয় অভিভাবক,
কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার সন্তানের পরীক্ষা শুরু হবে। আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে, আপনাদের ছেলে-মেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে।

👉একটা বিষয় মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিতে বসবে, তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে, যার গণিত শেখার কোনো দরকার নেই।

👉একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে, যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই।

👉একজন সংগীতশিল্পী হবে, যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তাঁর ভবিষ্যতে কিছু আসে-যায় না ৷

👉একজন খেলোয়াড় হবে, তাঁর শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।

👉যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায়, সেটা হবে খুবই চমৎকার। কিন্তু যদি না পায়, তাহলে প্লিজ, তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কিংবা সম্মানটুকু কেড়ে নেবেন না।

👉তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়, এটা তো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

👉আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক, আপনি সব সময় তাকে ভালোবাসেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না!

👉প্লিজ, এই কাজটি করুন, যখন এটা করবেন দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে!

👉একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না ৷

👉প্লিজ, আরেকটা কথা মনে রাখবেন যে, এই পৃথিবীতে কেবল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, প্রফেসর বা আইনজীবীরাই একমাত্ৰ সুখী মানুষ নন ৷

❣️❣️❣️❣️❣️

16/09/2024

১০০টি বেলুন ফুলিয়ে, ক্লাসের প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর হাতে ১টি করে দিলেন শিক্ষক। বললেন─ "বেলুনে নিজ-নিজ নাম লিখে, ফেরত দাও।"

নাম সম্বলিত বেলুনগুলো নিয়ে, ক্লাসের মাঝখানে স্তুপ করে রাখলেন তিনি মিশিয়ে। তারপর বললেন─ "এবার এখান থেকে সবাই নিজের নামের বেলুনটি বেছে নাও।"

এতোগুলো বেলুন থেকে নিজের নামের বেলুনটি বেছে নিতে গিয়ে গলদঘর্ম অবস্থা প্রত্যেকেরই। সময় গড়াতে লাগলো, দু'য়েকজন খুঁজে পেলো নিজের বেলুনটি, বাকিরা হাতড়াতে লাগলোই, হতোদ্যম।

শিক্ষক বললেন─ "এক কাজ করো তাহলে; প্রত্যেকেই নিজের ঠিক সামনের বেলুনটি নাও, ওটায় তোমার যে-বন্ধুর নাম লিখা আছে তার হাতে তুলে দাও ওটা।"

এবার দেখা গেলো─ খুব অল্প সময়েই যার বেলুন তার কাছে পৌঁছে গেলো।

বেলুন হাতে বসে থাকা তাঁর সন্তানসম হাস্যোজ্জ্বল ছাত্রছাত্রীদের দিকে তাকালেন শিক্ষক। তাঁর চোখে আনন্দাশ্রু চিকচিক করছে।

─ "বাবারা, পৃথিবীতে সুখ ছড়িয়ে আছে, ঠিক ওই বেলুনগুলোর মতোই। খুঁজে নাও। কিন্তু, নিজের জন্য নয়; অন্যের জন্য খোঁজো সুখ, তাকে তোমার অর্জিত সুখের ভাগ দাও; সেও তোমাকে তার সুখের─ সমস্তটা না-পারলেও─ ভাগটুকু দেবে। মা রে, তোমরা মিলেমিশে বেঁচে থাকো সারাটা জীবন, থইথই সুখের ভাগাভাগিতে।"

30/08/2024

"আমি আমার জীবনে অনেক বই পড়েছি, কিন্তু সেগুলো থেকে অর্জিত বেশীরভাগ তথ্যই আমার এখন মনে নেই। তাহলে এত বই পড়ে আসলে আমার কি লাভ হচ্ছে?" একজন ছাত্র তার শিক্ষককে ঠিক এই প্রশ্নটি একদিন জিজ্ঞেস করেছিল।
শিক্ষক এই ব্যাপারে মৌন ছিলেন, তিনি প্রথম দিন কোন উত্তর দিলেন না।
কিছুদিন পর নদীর ধারে সেই ছাত্র এবং শিক্ষকের মধ্যে একদিন দেখা হয়, শিক্ষক ছাত্রকে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্র দেখিয়ে বললো - "যাও, নদীর ধার থেকে পাত্রটি নিয়ে আমার জন্যে এক পাত্র পানি নিয়ে আসো", পাত্রটি সেখানে ময়লার মধ্যে মাটিতে পড়েছিল।
ছাত্রটি কিছুটা বিভ্রান্তিবোধ করলো, এটা অযৌক্তিক উপদেশ, একটা ছিদ্রযুক্ত পাত্র দিয়ে পানি নিয়ে আসা সম্ভব নয়, কিন্তু শিক্ষকের উপদেশ অমান্য করা যাবে না, তাই সে মাটি থেকে পাত্রটি তুলে নিয়ে নদীর ধারে ছুটে গেল পানি নিয়ে আসার জন্যে।
পাত্র ভর্তি করে সে পানি নিয়ে উপরে উঠে এলো, কিন্তু বেশি দূর যেতে পারলো না, কয়েকটা কদম দেওয়ার সাথে সাথেই পানিগুলো সব ছিদ্র দিয়ে নিছে পড়ে গেল।
সে আরও কয়েকবার চেষ্টা করলো, কিন্তু সে ব্যার্থ হলো এবং হতাশাবোধ করলো।
এভাবে আরও কয়েকবার চেষ্টা করার পরেও সে পানি নিয়ে পৌঁছাতে পারলো না, সে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ল।
তারপর সে শিক্ষকের নিকট ফিরে গিয়ে বললো - "আমি ব্যর্থ হয়েছি, আমি এই পাত্রটিতে পানি নিয়ে আসতে পারবো না, এটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাকে ক্ষমা করুন।"
ছাত্রের কথা শুনে শিক্ষক কোমল একটি হাসি দিলেন এবং ছাত্রকে উদ্দ্যেশ্য করে তিনি বললেন - "না, তুমি ব্যর্থ হওনি। পাত্রটির দিকে তাকিয়ে দেখ, এটি এখন পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, একদম নতুন একটি পাত্রের মত দেখাচ্ছে। ছিদ্রগুলো দিয়ে যতবারই পানি পড়েছে ততবারই পাত্রটির মধ্যে থাকা ময়লাগুলো পরিষ্কার হয়ে বের হয়ে গিয়েছে। যখন তুমি কোন বই পড় তখন তোমার সাথে একই ব্যাপার ঘটে, তোমার ব্রেইন হচ্ছে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্রের মত, আর বইয়ের মধ্যে থাকা তথ্যগুলো হচ্ছে পানির মত। তাই যখন তুমি কোন বই পড় এর সব কিছু মনে রাখতে পারো না। কিন্তু তুমি একটা বই পড়ে এর সবগুলো তথ্য মনে রাখতে পারলে কিনা সেটা তেমন গুরুত্বপূর্ন কোন বিষয় না। কারণ বই পড়ে তুমি যেসব ধারণা, জ্ঞান, আবেগ, অনুভূতি, উপলব্দি এবং সত্য খুঁজে পাও সেগুলো তোমার মনকে পরিষ্কার করে, যতবার তুমি একটি বই পড়ে শেষ কর ততবার তোমার আধ্যাত্মিক রূপান্তর ঘটে, প্রতিবার তোমার পুনর্জন্ম হয়, ফলে তুমি আরও বিশুদ্ধ একজন মানুষে পরিণত হও। এটাই হচ্ছে বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য।"
হ্যাপি রিডিং...।♥️❤️

~সংগৃহিত

Photos from The Meridian Private Home's post 27/06/2024

এইচএসসি বিদায় ২০২৪...আগামী দিনের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইল। ভালো থেকো সবাই ❤️❤️❤️

Photos from The Meridian Private Home's post 11/02/2024
11/02/2024

এস.এস.সি বিদায় ২০২৪। সবার জন্য শুভকামনা রইল ১১/০২/২০২৪ইং

Photos from The Meridian Private Home's post 11/02/2024

এস.এস.সি বিদায় ২০২৪। সবার জন্য শুভকামনা রইল ১১/০২/২০২৪ইং

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Nawhata Biman Bondor Road, Sopura
Rajshahi
6203