13/12/2025
Bahai Academy
Rahmanian Academy is a Bahai inspired non-profit agency
Mr.Mahmood Rahmanian who has suffered as a child and junior youth due to financial restrains, has always dreamt of doing something for this age group.
13/12/2025
29/11/2025
বাহাই একাডেমি, রাজশাহী
৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি চলছে
একাডেমির বৈশিষ্টসমূহ-
* মানসম্মত একাডেমিক শিক্ষাসহ মানবিক ও নৈতিক শিক্ষাদান
* কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা
* নিরাপত্তা বেষ্ঠিত মনোরম পরিবেশ
* ছাত্র-ছাত্রীদের পৃথক আবাসিক ব্যবস্থা
* স্বল্পখরচে থাকা-খাওয়া ও পরিবহণ সুবিধা।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন-01846-175394, 01745-251617
21/07/2025
https://www.youtube.com/watch?v=wEeJfioxj8Q&list=RDwEeJfioxj8Q&start_radio=1
जीवन को अमर कर लो Jibon ke Omor kar lo. Nobodibosh जीवन को अमर कर लो Jibon ke Omor kar lo. NobodiboshJibon ke Omor kar loMusic and tune: Sayed Shafeekबन जाओ बहाई तुम,जीवन को अमर कर लो।बन जाओ बहाई तुम,जीवन को ...
রাজশাহী বাহাই একাডেমিতে অধ্যায়নরত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের বাংলা নববর্ষ বরণ মুখরিত হয় পানি খেলা ও তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
19/03/2025
বাহাই নববর্ষ নওরোজ এলো রে
কন্ঠ: মোনালিসা
কথা, সুর ও সঙ্গীত: সৈয়দ শফীক
প্রোডাকশন: নবদিবস
গান:
ফাগুনের রঙে রঙে
আনন্দের আলো ঝরে,
এলো রে নওরোজ এলো রে
বাহাই নববর্ষ এলো রে
দখিন হাওয়া গানের মেলা,
ফুলে ফুলে হাসির খেলা,
মনটা নাচে তালে তালে,
সোনার রঙে নতুন সালে
ফাগুনের রঙে রঙে
আনন্দের আলো ঝরে,
এলো রে নওরোজ এলো রে
বাহাই নববর্ষ এলো রে
দোলে দোলে পলাশ বনে,
হলুদ পাখি আপন মনে,
গাইছে গান মিষ্টি সুরে,
এলো নওরোজ এলো রে
আনন্দ ধারা হাওয়াই হাওয়াই
নব জাগরণ দীপ্ত আভায়
নওরোজের শুভেচ্ছা জানাই,
জনে জনে ভালোবাসায়,
এসো এসো, মাতি সবাই,
নওরোজের গান গাই,
এসো এসো, মাতি সবাই,
নববর্ষের রঙে রাঙাই!
ফাগুনের রঙে রঙে
আনন্দের আলো ঝরে,
এলো রে নওরোজ এলো রে
বাহাই নববর্ষ এলো রে
বাহাই নববর্ষ নওরোজ এলো রে,মোনালিসা, নবদিবস Bahai new Year, NowRuz Elore, Monalisha,Nobodibosh বাহাই নববর্ষ নওরোজ এলো রে,মোনালিসা, নবদিবস Bahai new Year, NowRuz Elore, Monalisha, Nobodiboshনববর্ষ এলো রেকন্ঠ: মোনালিসাকথা, সুর ও সঙ্গীত: সৈয়দ শ.....
18/03/2025
সফদার ডাক্তার
কথা: হোসনে আরা
সুর ও সঙ্গীত: সৈয়দ শফীক
প্রোডাকশন: বিমুর্ত
গান
সফদার ডাক্তার মাথাভরা টাক তার
খিদে পেলে পানি খায় চিবিয়ে,
চেয়ারেতে রাতদিন বসে গোণে দুই-তিন
পড়ে বই আলোটারে নিভিয়ে।
ইয়া বড় গোঁফ তার, নাই যার জুড়িদার
শুলে তার ভুঁড়ি ঠেকে আকাশে,
নুন দিয়ে খায় পান, সারাক্ষণ গায় গান
বুদ্ধিতে অতি বড় পাকা সে।
রোগী এলে ঘরে তার, খুশিতে সে চারবার
কষে দেয় ডন আর কুস্তি,
তারপর রোগীটারে গোটা দুই চাঁটি মারে
যেন তার সাথে কত দুস্তি।
ম্যালেরিয় হলে কারো নাহি আর নিস্তার
ধরে তারে কেঁচো দেয় গিলিয়ে,
আমাশয় হলে পরে দুই হাতে কান ধরে
পেটটারে ঠিক করে কিলিয়ে।
কলেরার রোগী এলে, দুপুরের রোদে ফেলে
দেয় তারে কুইনিন খাইয়ে,
তারপর দুই টিন পচা জলে তারপিন
ঢেলে তারে দেয় শুধু নাইয়ে।
ডাক্তার সফদার, নাম ডাক খুব তার
নামে গাঁও থরথরি কম্প,
নাম শুনে রোগী সব করে জোর কলরব
পিঠটান দিয়ে দেয় লম্ফ।
একদিন সককালে ঘটল কি জঞ্জাল
ডাক্তার ধরে এসে পুলিশে,
হাত-কড়া দিয়ে হাতে নিয়ে যায় থানাতে
তারিখটা আষাঢ়ের উনিশে।
সফদার ডাক্তার, বিমুর্ত, Sofder Dakter, Bimurto সফদার ডাক্তার, বিমুর্ত, Sofder Dakter, Bimurtoসফদার ডাক্তারকথা: হোসনে আরাসুর ও সঙ্গীত: সৈয়দ শফীকপ্রোডাকশন: বিমুর্তগানসফদার ডাক...
15/12/2024
https://www.youtube.com/watch?v=aMHyMbhYK_A
ইয়া বাহাউল আবহা, Ya Bahaul Abha, Nobo dibosh ইয়া বাহাউল আবহা, Ya Bahaul Abha, Nobo diboshNobo Dibosh,Bahai Teaching,Bahai Principle,Bahai Administration,Bahai Literature,Bahai constitution,Ruhi book Sta...
22/11/2024
কি নামে ডাকিলে শোনেন তিনি, বাহাই গান, নবদিবস
Ki name dakile, Sonen tini, Bahai song, Nobodibosh Production
কি নামে ডাকিলে শোনেন তিনি
কথা, সুর ও সঙ্গীত : সৈয়দ শফীক
লেবেলে : নবদিবস
গান:
কি নামে ডাকিলে শোনেন তিনি
হৃদয় মাজারে প্রদ্বীপ জ্বলে
জাতের গর্ব মুছে গেলে
তবেই তাকে চেনা যাবে।
কেউ বা বলে কৃষ্ণ তারে
কেউবা বলে মুহাম্মদ
ঈশা, মুসা, বুদ্ধ নামে
ভিন্ন দেশে ভিন্ন নামে
বাহাউল্লা আছেন মিশে।
বহু জাতি, বহু ভাষার মাঝে
একোতার সুর আছে মিশে
কেউ বলে আল্লাহ, কেউ ভগবান
সব ভাষাতেই তিনি মহান
সম্প্রীতি আর প্রেমের বাণী
বাহাউল্লার পথ মিলবে জানি।
বাহাউল্লার বাণীতে পাই আশার আলো
দূর হয় মনের যতো কালো
বাহাউল্লার নামেতে জাগে প্রাণ
ভাঙে বিভেদ, হয় সবাই সমান।
দুঃখের রাত পেরিয়ে যখন
আসবে নতুন দিন
তাঁর মহিমায় হবে আলোকিত
জগত হবে চিন।
শান্তির বার্তা বহেন
তিনি সবার তরে,
আলো হয়ে ফুটেন আঁধার ঘরে।
কি নামে ডাকিলে শোনেন তিনি,
হৃদয় মাঝে আলো হয়ে।
সত্য আর শান্তির ডাকে তার,
মিলল প্রাণের তান।
বাহাউল্লার নামেতে জেগে ওঠে,
প্রেমের অমৃত গান।
তাঁরই পথে চলি,
তারই নাম গাই,
দুঃখের ঘোর মুছে শান্তি পাই।
কি নামে ডাকিলে শোনেন তিনি,
হৃদয় মাঝে আলো হয়ে।
সত্য আর শান্তির ডাকে
তার মিলল প্রাণের তান
বাহাউল্লার নামেতে জেগে ওঠে
প্রেমের অমৃত গান।
তাঁরই পথে চলি, তারই নাম গাই
দুঃখের ঘোর মুছে শান্তি পাই।
কি নামে ডাকিলে শোনেন তিনি
হৃদয় মাঝে আলো হয়ে ।
কি নামে ডাকিলে শোনেন তিনি, বাহাই গান, নবদিবস, Ki name dakile, Sonen tini Bahai song, Nobodibosh কি নামে ডাকিলে শোনেন তিনি, বাহাই গান, নবদিবস, Ki name dakile, Sonen tini Bahai song, Nobodiboshকি নামে ডাকিলে শোনেন তিনিকথা, সুর ও সঙ্গীত : সৈয়দ শফী...
04/11/2024
বাব ও বাহাউল্লাহর যুগল জন্মদিন, বাহাই একাডেমি, রাজশাহী।- নবদিবস। Birthday of Bab and Bahaullah, Bahai Academy Rajshahi. Nobodibosh
Birthday of Bahaullah Bahai Academy, Nobodibosh Birthday of Bahaullah Bahai Academy, Nobodiboshসুপ্রিয় দর্শক ! বাহাই ধর্মের শিক্ষাসমূহ যেমন- একতা, ভালবাসা এবং ঐক্যের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ....
31/10/2024
বাঙালি সংস্কৃতি, ধর্মীয় স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য ও বাহাই উপাসনাগৃহ
বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ। ৯৫% মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী হলেও বাঙ্গালি জাতীসত্তা হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে বেশি গৌরব বোধ করে এই দেশের জনগণ।
বাংলাদেশের বাঙালি সংস্কৃতির সাথে ধর্মীয় স্থাপত্যের নকশা ও টেক্সচার একটি অনন্য সংমিশ্রণ গঠন করেছে। মন্দির, মসজিদ, গীর্জা, বৌদ্ধবিহার সহ অন্যান্য স্থাপত্যশৈলীর মধ্যে একদিকে যেমন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও নান্দনিকতা প্রতিফলিত হয়েছে, তেমনি বাঙালি ঐতিহ্য ও জীবনযাত্রার নানা বৈচিত্র্যও একীভূত হয়েছে। বাঙালি সংস্কৃতির সাথে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপত্যে স্থানীয় উপকরণ, নির্দিষ্ট স্থানের জলবায়ু এবং সাংস্কৃতিক প্রভাবের মিশ্রণ ঘটেছে।
বাংলাদেশে মুসলিম স্থাপত্য নির্মাণের সূচনা ঘটে ১৩শ শতকের শুরুর দিকে, যখন তুর্কি শাসকরা এই অঞ্চলে আসেন এবং ইসলাম প্রচার শুরু করেন। ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের পরই প্রথম মুসলিম স্থাপত্যশৈলীর বিকাশ শুরু হয়। এই সময়ে মূলত মসজিদ, মাদ্রাসা, মাজার, এবং কেল্লা নির্মাণ করা হতো।
প্রথম দিককার উল্লেখযোগ্য স্থাপত্যগুলোর মধ্যে আছে রাজশাহীর গৌড়ের বড় সোনা মসজিদ, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের দারাসবাড়ি মসজিদ। এসময়ে মুসলিম স্থাপত্যে ইট, পাথর এবং প্রাচীন পদ্ধতির খিলান ও গম্বুজের সমন্বয়ে নির্মাণশৈলীর ব্যবহার করা হতো, যা পরবর্তী সময়ে বাংলার নিজস্ব ইসলামী স্থাপত্যের রূপ ধারণ করে।
স্থাপত্যের টেক্সচার ও কারুকাজে বাঙালি ঐতিহ্যের প্রভাব
বাংলাদেশের ধর্মীয় স্থাপনাগুলোতে টেরাকোটা, চুন-সুরকি, কাঠ, ইট এবং স্থানীয় পাথরের ব্যবহার স্থানীয় জীবনধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফুলেল নকশা, বুননশৈলী, এবং বাঙালি জীবনধারার দৃশ্যাবলী যেমন মাছ ধরা, কৃষিকাজ ইত্যাদি অনেক ক্ষেত্রে টেক্সচারে তুলে ধরা হয়েছে।
মসজিদ স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য
বাংলাদেশের মসজিদ স্থাপত্যে চুন-সুরকির ব্যবহারে তৈরি বিশাল খিলান ও গম্বুজগুলোর এক স্বতন্ত্র রূপ দেখা যায়। ষাট গম্বুজ মসজিদ, কুসুম্বা মসজিদ এবং বড় সোনা মসজিদ এই স্থাপত্যের প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলার মসজিদ স্থাপত্যে ইট ও পাথরের সূক্ষ্ম কারুকাজ, ফুলেল নকশা, এবং ক্যালিগ্রাফির অপূর্ব ব্যবহার দেখা যায়, যা বাঙালি শিল্পের প্রতি শ্রদ্ধার প্রতিফলন। একইসাথে, খিলান ও গম্বুজের সাথে স্থানীয় মাটির নিপুণ কাজে তৈরি নকশাগুলি এই স্থাপত্যকে আরও অনন্য করে তোলে।
মন্দির স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য
বাংলাদেশের মন্দির স্থাপত্যেও বাঙালির ঐতিহ্যের প্রভাব রয়েছে। বর্গাকৃতির মন্দির, পিরামিডের মত শীর্ষ, এবং টেরাকোটার কাজগুলো বাংলা মন্দির স্থাপত্যের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। প্রাচীন মন্দিরগুলোর গায়ে টেরাকোটায় খোদাই করা দেব-দেবীর কাহিনী, পৌরাণিক কাহিনী, এবং বাঙালি কৃষিজীবী জীবনের প্রতিফলন দেখা যায়। কান্তজীর মন্দির এবং পুঠিয়ার গোবিন্দ মন্দির এই টেরাকোটার কাজে বিশেষভাবে বিখ্যাত।
বৌদ্ধ বিহার ও স্থাপত্য
বাঙালির ধর্মীয় স্থাপত্যে বৌদ্ধ বিহারগুলিও গুরুত্বপূর্ণ। মহাস্থানগড় এবং পাহাড়পুরের সোমপুর বিহারের স্থাপত্যে বৌদ্ধধর্মের শিক্ষা ও বাঙালির শিল্পের সংমিশ্রণ দেখা যায়। এগুলোর নকশা ও টেক্সচারে রয়েছে স্থানীয় কৌশল এবং ইট ও চুনের নির্ভুল কারুকাজ, যা বাঙালি ঐতিহ্যের সাথে বৌদ্ধ ধর্মীয় ঐতিহ্যকে একীভূত করে।
গির্জা ও স্থাপত্য
বাংলাদেশের গির্জাগুলোর স্থাপত্যেও স্থানীয় নকশা ও টেক্সচারের ছাপ দেখা যায়। ঢাকার আর্মেনিয়ান চার্চ ও কুমিল্লার চার্চগুলোতে পশ্চিমা আর্কিটেকচারের সাথে স্থানীয় পরিবেশ অনুযায়ী পরিবর্তন ও বৈচিত্র্যের সমন্বয় ঘটে। স্থানীয় উপাদানের প্রয়োগ ও সংযমী নকশা এই স্থাপনাগুলোকে পরিবেশবান্ধব ও বাঙালি সংস্কৃতির অংশ হিসেবে দৃশ্যমান করে।
বাহাই উপাসনাগৃহ স্থাপত্য
বাহাই উপাসনাগৃহের স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য সাধারণত অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় এবং অনন্য। এর কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য হল:
গোলাকৃতি এবং অনন্য ডিজাইন: বাহাই উপাসনাগৃহের আকৃতি সাধারণত গোলাকৃতির এবং এটি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ডিজাইন দ্বারা নির্মিত হয়। কিছু ক্ষেত্রে এটি ফুলের পাপড়ির মতো আকৃতির হয়ে থাকে।
নয়টি প্রধান প্রবেশদ্বার: বাহাই উপাসনাগৃহে নয়টি প্রবেশদ্বার থাকে, যা সকল ধর্মের মানুষের সমানভাবে প্রবেশের সুযোগ দেয়।
প্রাকৃতিক উপকরণ: নির্মাণে প্রায়ই প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করা হয়, যেমন পাথর, কাঠ এবং কাচ। এতে স্থাপত্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
সুবর্ণ আলো এবং জানালার নকশা: বাহাই উপাসনাগৃহে বড় বড় জানালা থাকে যা আলোকে ভিতরে আসতে দেয়। এসব জানালার ডিজাইন প্রায়ই অত্যন্ত শিল্পসম্মত এবং রঙিন হয়।
বাগান এবং পরিবেশ: বাহাই উপাসনাগৃহের চারপাশে সাধারণত সুন্দর বাগান, জলাধার ও ফোয়ারা থাকে, যা স্থানটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে এবং শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করে।
প্রতীকী অর্থ: অনেক স্থাপত্য উপাদান, যেমন গম্বুজ এবং প্রবেশদ্বার, ধর্মীয় ও প্রতীকী অর্থ বহন করে, যা বাহাই বিশ্বাসের মূলনীতিগুলির প্রতিফলন করে।
বাগান ও সবুজ পরিসর: বাহাই স্থাপত্যে বাগান বা সবুজ পরিসরের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, যা বাহাই বিশ্বাসের সৌন্দর্য ও সৃষ্টির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। বাংলাদেশের বাহাই উপাসনালয়ে ফুল, গাছপালা, স্থানীয় বৃক্ষ এবং সবুজ ঘাসের মিশ্রণে একটি প্রশান্তিময় পরিবেশ তৈরি করে, যা বাহাই প্রার্থনাকেন্দ্রের নান্দনিকতাকে বহুগুন বাড়িয়ে দেয়।
সামগ্রিকভাবে, বাঙালি বাহাইদের ধর্মীয় স্থাপত্যে বাহাই বিশ্বাসের শান্তি ও ঐক্যের মূল আদর্শ এবং বাঙালি ঐতিহ্যের সহজ, প্রকৃতিসংলগ্ন ও সৌন্দর্যপূর্ণ স্থাপত্যের সমন্বয় করে।
স্থাপত্য নকশা প্রনয়নে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশের বাহাই উপাসনাগৃহের জন্য একটি অনন্য স্থাপত্য নকশা তৈরির চেষ্টা করেছি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
New Market, Station Road
Rajshahi
6100