RUET তা’লীমুল কুরআন ফাউন্ডেশন

RUET তা’লীমুল কুরআন ফাউন্ডেশন

Share

কম্পিউটারে বসেই *পড়াশোনা *পর্যালোচনা *প্রশ্নোত্তর চলবে ।

কোন কিছুই পরিচর্যা ছাড়া নিজের সৌন্দর্য টিকিয়ে রাখতে পারে না ।সমাজের পারপাশ্বিকতার প্রভাব-নিজেদের কাজ-কর্মের উপর পড়ে । তাই-- *ইসলামের দাওয়াত পৌছে দিয়ে, নিজেরা মুক্তি পেতে ও অন্যদের সচেতন করতে চাই *শুধু নামে মুসলিম নয়-বরং-ইসলামকে জেনে-বুঝে-মেনে মুসলিম হওয়ার আহবান জানায় ।

##ক্লাসের catrgory গুলোঃ-
১.কুরআন তেলাওয়াত শিক্ষা
২.কুরআনের গল্প শিক্ষা
৩.কুরআনের মৌলিক বিষয় শিক্ষা
৪.কুরআন অনুবাদ শিক্ষা
৫.কুরআ

26/12/2016

মুভি-নাটক share করছেন ,
#সাবধান
মুমিন লোকদের মধ্যে #অশ্লীলতার প্রসার ঘটুক
এটা যাঁরা চায়
তাদের জন্য আখেরাতে শাস্তিত রয়েছে
সেই সাথে দুনিয়াতেও শাস্তি দেয়া হবে
তাই নিজে movie দেখছেন তা ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন
তবে অন্যকে movie টি share/supply দিয়ে কেন ,অযথা শাস্তিতে ভাগ বসাবেন
সূরা আন-নূর [19]

04/12/2016

যখন বাসায় প্রবেশ করি
তখন
খুলেন - খুলেন বলে দরজা না বেড়িয়ে ,
কে কে জিজ্ঞাসা করলে- আমি আমি না বলে
বরং
আমি উমুক পরিচয় দিয়ে
"আস সালামু আলাইকুম" বলে সালাম দিলেই
তাদের উপর বরকত ও কল্যাণ বর্ষিত হবে
এটাই সর্বোত্তম অভ্যার্থনা পদ্ধতি

( فَإِذَا دَخَلْتُمْ بُيُوتًا فَسَلِّمُوا عَلَىٰ أَنْفُسِكُمْ تَحِيَّةً مِنْ عِنْدِ اللَّهِ مُبَارَكَةً طَيِّبَةً ۚ َ) [Surat An-Nur 61]

04/12/2016

আস সালামু আলাইকুম
কেমন আছেন ভাইয়া
আজ Life style নিয়ে কিছু কথা share করতে চাই
আমার আয়ু কত দিন এটা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা ছাড়া কারোরই জানা নেই
তবে আমি এই স্বল্প সময়ে কোন জীবন দর্শনকে follow করব , যখন যেটা মন চাইবে সেটা, না অন্য কিছু ।
তবে মানুষের মন যেটা চাই, সব সময় সেটা করার ক্ষমতা তার নাও থাকতে পারে।
আজ মানুষের মন যেটা ভালো মনে করছে, কাল সেটা তার কাছে ভালো নাও লাগতে পারে ।
মানুষের মন এমনই !
তবে কিভাবে Lead করব আমার Life কে, যেন এটা চিরকালই ভালো বলে মনে হয়।
তা কি কালমার্কসের মত, না লেনিনের মতো, না কারুনের মত, না বিল গেটসের মত, না নিজের খেয়াল খুশি মত, না "মন যখন যেটা চাইবে তখন সেটাই করব" ।
ভাইয়া আসুন জানার চেষ্টা করি-"আল্লাহ কি চান, আর রাসূল (সা:) কি শিখিয়েছেন।"
আমি মুসলিম, আমি কি বুঝি মুসলিম অর্থ কি?
আমি মুসলিম, আমি কি কুর'আন বুঝি ?
আমি মুসলিম, আমি কি কুর'আন অধ্যয়ন করি ?
তাহলে আমি কোন Guide Line follow করছি?

21/07/2016

পরীক্ষা দিতে যেতেত
কেউ দেরি করে না
অথচ
মাসজিদে যেতে দেরিত করি বটে,
তবে তাড়াহুড়াত করি না
তাহলে
আমাদের অন্তর মাসজিদের প্রতি কতটা আগ্রহী....

19/07/2016

আপনি স্মরণ করয়ে দিন
[জীবন -মরন,আল্লাহ -রব,ভালো -মন্দ,হালাল-হারাম,ঈমান -কুফর,জান্নাত-জাহান্নাম সমর্পকে]
কেননা এটি মুমিনদের উপকার দিয়ে থাকে

18/07/2016

সত্যি বলতে কি
সুখের খবর শুনলেই আনন্দে মত্ত হয়ে যায়,বুঝে উঠতেও পারি না কি করতে হত
অথচ প্রত্যাশার বাইরে সামান্য কিছু ঘটলেই,মন খারাপ হয়ে যায় ---যেন মনে হয় এটা কেন হইল,না এটা কেন--এর পরে যে ভালো কিছু থাকতে পারে এটা যেন মন থেকে একেবারেই উধাও হয়ে যায়
ফলত শয়তান আমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে দুরে রাখতে চায়,
তবে যে এটা টের পেল, ও আল্লাহ অভিমুখি হইল -সেই মুলত বুদ্ধিমানের কাজটি করল

18/07/2016

মানুষ তখনই আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরন করে
যখনই সে বিপদে পরে
যেমনটা দেখা যায় ভুমিকম্পের সময় মানুষ কিরুপ "আল্লাহ আল্লাহ" বলতে থাকে,
অথচ স্বাভাবিক সময় একবারও আল্লাহ নাম নিতে দেখা যায় না
তাহলে কি স্বাভাবিক সময় আল্লাহর রাজত্ব কর্তিত চলে না,---না ভয় হয় না
আল্লাহ তুমি আমাদের বুঝ দান করো মাবুদ

17/07/2016

সকল কনক্রিট এর মজবুতি যেমন ভালো সিমেন্ট এর উপর নির্ভর করে -
তেমনি মানব মনের বন্ধনের ভিত্তিও গড়ে বিশ্বাস এর ভিত্তিতে

22/04/2016

জুমআর দিন নামাযী মসজিদে এসে যেখানে জায়গা পাবে সেখানে বসে যাবে। দেরী করে এসে (সামনের কাতারে ফাঁক থাকলেও) কাতার চিরে সামনে যাওয়া এবং তাতে অন্যান্য নামাযীদেরকে কষ্ট দেওয়া বৈধ নয়।


হযরত আব্দুল্লাহ বিন বুসর (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন এক জুমআর দিনে এক ব্যক্তি লোকেদের কাতার চিরে (মসজিদের ভিতর) এল। সে সময় নবী (সাঃ) খুতবা দিচ্ছিলেন। তাকে দেখে নবী (সাঃ) বললেন, “বসে যাও, তুমি বেশ কষ্ট দিয়েছ এবং দেরী করেও এসেছ।” (আহমাদ, মুসনাদ, আবূদাঊদ, সুনান, ইবনে খুযাইমাহ্‌, সহীহ, ইবনে হিব্বান, সহীহ, সহিহ তারগিব ৭১৩ নং)

16/04/2016

এক স্বামীর গল্প যিনি তার স্ত্রীর দিকে তাকাতেও লজ্জা পেতেন
[এ গল্পটি বলেছিলেন কার্ডিওভাসকুলার সার্জন প্রফেসর খালিদ আল জুবাইর, তারই এক লেকচারে। ]

.. একবার আমি আড়াই বছরের এক বাচ্চার চিকিৎসা করি। এটা ছিল এক মঙ্গলবার এবং বুধবারে বাচ্চাটির স্বাস্থ্য বেশ ভালই ছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ১১.১৫ এর দিকে ... আমি কখনই ঐ সময়টার কথা ভুলতে পারবো না তখনকার প্রচন্ড আলোড়নের কারনে। এক নার্স আমাকে এসে জানালো যে একটি বাচ্চার হৃদযন্ত্র এবং শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে। আমি তাড়াতাড়ি বাচ্চাটির কাছে গেলাম এবং প্রায় ৪৫ মিনিটের মত কার্ডিয়াক মাসাজ করলাম। এই পুরো সময়টা জুড়ে হৃদপিন্ড কাজ করে নি।

তারপর, আল্লাহর ইচ্ছায় পুনরায় হৃদপিন্ড তার স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ শুরু করলো এবং আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলাম। আমি শিশুটির পরিবারকে তার অবস্থা সম্পর্কে জানাতে গেলাম। আপনারা হয়ত জানেন যে, রোগীর পরিবারকে তার খারাপ অবস্থা সম্পর্কে জানানোর বিষয়টা কতটা বিব্রতকর। একজন চিকিৎসকের জন্য এটা সবচাইতে কষ্টসাধ্য কাজগুলোর একটি যদিও এর দরকার আছে। তাই আমি বাচ্চার বাবাকে খুজতে লাগলাম কিন্তু পাচ্ছিলাম না। তখন আমি বাচ্চাটির মাকে দেখতে পেলাম। আমি তাকে জানালাম যে রোগীর গলায় প্রচুর রক্তক্ষরন হৃদপিন্ডের এই হঠাৎ অচলাবস্থার কারন; আমরা রক্তক্ষরনের সঠিক কারন বলতে পারছি না এবং আশংকা করছি তার মস্তিষ্ক মরে গেছে। ... আপনাদের কি মনে হয়? এ কথা শুনে বাচ্চাটির মায়ের প্রতিক্রিয়া কি ছিল? সে কি কান্না শুরু করেছিল? আমাকে দোষারোপ করছিলো? না। এমন কিছুই হয় নি। বরং তিনি বললেন, “আলহামদুলিল্লাহ! (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহতা’আলার)” এবং চলে গেলেন।

প্রায় ১০ দিন পর, বাচ্চাটি নড়তে শুরু করলো। আমরা আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করলাম এবং খুব আনন্দিত হলাম এ কারনে যে তার মস্তিষ্কের অবস্থা বেশ ভালই ছিল। ১২ দিন পর বাচ্চাটির হৃদযন্ত্র আবার বন্ধ হয়ে গেল সেই একই জায়গায় রক্তক্ষরনের ফলে। আমরা ৪৫ মিনিটের মত আরেকটা কার্ডিয়াক মাসাজ করলাম কিন্তু এবারে আর কাজ হল না, হৃদপিন্ড চালু হলো না। আমি বাচ্চার মাকে জানালাম যে, আর কোন আশা নেই। তখন সে বলল, “আলহামদুলিল্লাহ! হে আল্লাহ, যদি ওর সুস্থতায় কোন মঙ্গল থেকে থাকে তবে ওকে সুস্থ করে দাও, হে আমার প্রভু!”

আল্লাহর অশেষ রহমতে একটু পরে বাচ্চার হৃদপিন্ড আবার সচল হলো। একজন অভিজ্ঞ ট্রাকিয়া বিশেষজ্ঞ রক্তক্ষরন বন্ধ করতে সক্ষম হওয়ার পর হৃদপিন্ডের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা পর্যন্ত এই ছেলেটি আরো ৬ বার এরকম হৃদপিন্ডের অচলাবস্থার স্বীকার হয়েছিল। ইতোমধ্যে সাড়ে তিন মাসের মত হয়ে গেছে এবং বাচ্চাটি সুস্থ হচ্ছিল বটে কিন্তু চলাফেরা করতে পারছিল না। তারপর যখনই সে একটু করে চলতে আরম্ভ করলো, এর চাইতেও অদ্ভুত এবং বিরাট আরেক মস্তিষ্কের সমস্যা দেখা দিল তার, যা আমি কখনও এর আগে দেখি নি। আমি তার মাকে এই মারাত্নক ঝামেলার কথা জানালাম এবং তিনি কেবল বললেন, “আলহামদুলিল্লাহ!” এবং চলে গেলেন।

আমরা অনতিবিলম্বে বাচ্চাটিকে অন্য একটি সার্জিকাল ইউনিটের হাতে তুলে দিলাম যারা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র নিয়ে কাজ করে এবং তারা বাচ্চাটির চিকিৎসা চালিয়ে যেতে লাগলো। তিন সপ্তাহ পর বাচ্চাটি মস্তিষ্কের জটিলতা কাটিয়ে উঠলেও নড়াচড়া করতে পারছিল না। আরো দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেল এবং এখন অদ্ভুত এক রক্তদুষনের স্বীকার হলো এবং শরীরের তাপমাত্রা প্রায় ৪১.২ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে (১০৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট) উঠলো। আমি পুনরায় বাচ্চার মাকে এই ভীষন নাজুক পরিস্থিতির বিষয়ে অবহিত করলাম এবং তিনি বরাবরে মতনই ধৈর্য্য ও দৃঢতার সাথে বললেন, “আলহামদুলিল্লাহ! হে আল্লাহ, যদি ওর সুস্থতায় কোন মঙ্গল থেকে থাকে, তবে ওকে সুস্থ করে দাও।”


৫ নং বেডের বাচ্চার পাশে বসে থাকা এই মায়ের সাথে কথা শেষে আমি গেলাম ৬ নং বেডের আরেক শিশুর কাছে। এই শিশুটির মা কাঁদছিল এবং চিৎকার করছিল, “ডাক্তার! ডাক্তার! কিছু একটা করেন। আমার ছেলের শরীরের তাপমাত্রা ৩৭.৬ ডিগ্রী সেঃ (৯৯.৬৮ ডিগ্রী ফাঃ) সে মারা যাচ্ছে! সে মারা যাচ্ছে!” আমি অবাক হয়ে বললাম, “ঐ ৫ নম্বর বেডের মায়ের দিকে তাকান। তার সন্তানের ৪১ ডিগ্রী সেঃ (১০৬ ডিগ্রী ফাঃ) এর ওপরে জ্বর। এরপরেও উনি শান্ত রয়েছেন এবং আল্লাহর প্রশংসা করছেন।” সে বললো, “ঐ মহিলার কোন বোধশক্তি নেই এবং কি হচ্ছে সে বিষয়ে কোন জ্ঞান নেই।” ঠিক এই মুহুর্তে আমার মনে পড়ে গেল রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর একটা হাদিসের কথা ... “আগন্তুকদের জন্য সুসংবাদ!” কেবল দুইটি শব্দ ... কিন্তু এই শব্দ দুটো নিঃসন্দেহে একটা পুরো জাতিকে আলোড়িত করবার ক্ষমতা রাখে। আমার দীর্ঘ ২৩ বছরের চিকিৎসা জগতের জীবনে এই বোনটির মত ধৈর্য্যশীল আর কাউকে দেখি নি।

আমরা বাচ্চাটির যত্ন চালিয়ে যেতে লাগলাম এবং ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ছয় মাস কেটে গেছে এবং বাচ্চাটি অবশেষে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে বেরিয়েছে রিকভারি ইউনিট থেকে। হাটতে পারে না, দেখতে পায় না, শুনতে পাচ্ছে না, নড়তে পারছে না, হাসছে না ... এবং এমন নগ্ন বুক নিয়ে বেরিয়ে এসেছে যেন হৃদপিন্ডের স্পন্দনগুলো পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। শিশুটির মা নিয়মিত পোশাক পরিবর্তন করানো ইত্যাদি চালিয়ে যাচ্ছিলেন এবং ধৈর্য্যশীল থাকলেন আর ছিলেন আশাবাদী। আপনারা কি জানেন পরবর্তীতে এর কি হয়েছিল? আপনাদেরকে সে বিষয়ে বলবার আগে বলুন, এই শিশুটির সম্পর্কে আপনারা কি ধারনা করেন যে কিনা এত এত কঠিন রোগ-শোক, বিপদের মুখোমুখি হয়ে এসেছে? এবং এই মৃত্যুপথযাত্রী শিশুর সহনশীল মায়ের কাছে আপনারা কি আশা করেন যার কেবল মাত্রা আল্লাহতা’আলার কাছে দু’আ আর সাহা্য্যের প্রত্যাশা করা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না? আপনারা জানেন আড়াই বছর পর কি হয়েছিল? এই শিশুটি সম্পূর্ণরূপে আরোগ্য লাভ করে ছিল আল্লাহতা’আলার অশেষ রহমত এবং এই পরহেযগার মায়ের পুরষ্কার হিসেবে। সে এখন তার মায়ের সাথে দৌড়ে বেড়ায় যেন কোন দিনই তার কিছুই হয় নি এবং সে সুঠাম স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠেছে যেমনটি আগেও ছিল।

গল্প এখানেই শেষ নয়। এটা সে জিনিস নয় যা আমাকে আলোড়িত করেছিল এবং আমার চোখে পানি নিয়ে এসেছিল। যে জিনিসটি আমায় কাদিয়েছিল তা হচ্ছে,

বাচ্চাটি হাসপাতাল থেকে বের হবার প্রায় বছর দেড়েক পর অপারেশন ইউনিটের একজন আমাকে জানালো যে একলোক, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ আমার সাথে দেখা করতে চায়। আমি তাদের পরিচয় জানতে চাইলে সে বলল সে চেনে না। তো আমি তাদের দেখার জন্য গেলাম এবং দেখলাম এরা সেই ছেলেটির মা-বাবা আমি যার চিকিৎসা করেছিলাম। ছেলেটির তখন পাঁচ বছর এবং একটি ফুটফুটে ফুলের মতন স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠেছে এরই মাঝে যেন তার কখনই কিছু হয় নি। তাদের কোলে চার মাস বয়সী আরেকটি ছোট বাচ্চা ছিল সেদিন। আমি তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালাম এবং কৌতুক করে বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম এই কোলের বাচ্চাটি কি তাদের ১৩ তম নাকি ১৪ তম সন্তান। তিনি আমার দিকে চমৎকার এক হাসির সাথে তাকালেন যেন আমার জন্য তার করুণা হচ্ছে। তিনি বললেন, “সদ্য ভূমিষ্ট এই শিশুটি আমাদের দ্বিতীয় সন্তান, আর আপনি যার চিকিৎসা করেছিলেন সে ছিল আমাদের প্রথম সন্তান যাকে আমরা পেয়েছিলাম ১৭ বছরের অনুর্বরতার পর। এই শিশুটিকে পাবার পর, সে এমন সব বিপদের সম্মুখীন হয়েছে যা আপনি নিজেই দেখেছেন।“


একথা শুনে, আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলাম না এবং এরই মাঝে আমার চোখ দুটো কান্নায় ভিজে উঠেছে। আমি তারপর হালকাভাবে লোকটির হাত ধরে টেনে আমার রুমে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম তার স্ত্রীর সম্পর্কে। “কে আপনার এই স্ত্রী যিনি ১৭ বছরের বন্ধাত্বের পর পাওয়া পুত্রের এত মারাত্নক সব বিপর্যয়ের মূহুর্তগুলোতেও প্রচন্ড ধৈর্য্যের সাথে মোকাবিলা করেছেন? তার অন্তর বন্ধা হতে পারে না। অবশ্যই সেটা বিশাল ইমানের দ্বারা উর্বর।” আপনারা জানেন তিনি কি উত্তর করেছিলেন? ভালো করে শুনে রাখুন হে আমার প্রানপ্রিয় ভাই ও বোনেরা। তিনি বলেছিলেন, “আমার সাথে এই মহিলার বিয়ে হয়েছিল ১৯ বছর ধরে এবং এই দীর্ঘ সময়ে আমি কখনও তাকে কোন সংগত কারন ছাড়া তাহাজ্জুদ সালাত ছেড়ে দিতে দেখি নি। আমি দেখিনি তাকে কখনও পরনিন্দা করতে, অযথা গল্প-গুজবে মত্ত হতে কিংবা মিথ্যা বলতে। যখনই আমি বাড়ি থেকে বের হয় বা ফিরে আসি সে নিজে দরজা খুলে দেয়, আমার জন্য দু’আ কর এবং আমাকে আপ্যায়ন করে। এবং সে যা কিছু করে সে সর্বোচ্চ ভালবাসা, যত্ন, সৌজন্য এবং মমত্বের পরিচয় রাখে।” লোকটি শেষ করলো এভাবে, “নিশ্চয়ই, ডাক্তার সাহেব, সে যে সমস্ত আদর্শ আচরন ও মমত্ববোধের সাথে আমার সাথে আচরন করে, আমি এমনকি তাঁর দিকে চোখ তুলে তাকাতেও লজ্জাবোধ করি।” তাই আমি তাকে বললাম, “সত্যিই। ঠিক এমনটিই সে আপনার কাছ থেকে প্রাপ্য।”

এখানেই শেষ।

আল্লাহ বলেন,
“এবং অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।।“ (সুরা আল বাকারাহ ১৫৫-১৫৬)

15/03/2016

"যখন আমরা কারো প্রেমে পড়ি,তখন সারাক্ষণই তাকে নিয়ে চিন্তা করি।আমরা সকলেই দাবী করি যে,আমরা আল্লাহকে ভালোবাসি,কিন্তু তাঁকে আমরা কতটুকু স্মরণ করি?"
-ড. বিলাল ফিলিপস

কুরআন পড়ুন,স্রস্টাকে চিনুন।

11/03/2016

আলহামদুলিল্লাহ ... আরেকটি জুম্মা - সকল দিনের শ্রেষ্ঠ দিনটি আবার ঘুরে এসছে । আপনি কি এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলেন না ?

এই দিনটিকে বৃথা নষ্ট হতে দেবেন না কারণ বহু বরকত ও ফজিলত নিহিত রয়েছে আজকের দিনটিতে

নিম্নলিখিতি সুন্নাত গুলো আদায় করতে সচেষ্ট হন : !!►►
১) ফজরের সালাত জামাতে আদায় করুন (আল-বায়হাকী , সহী আল-আলবানি, ১১১৯)
২) সালাত আল-জুম্মার পূর্বের এবং পরের করণীয়ঃ
➲ জুম্মার দিন গোসল করা (বুখারী এবং মুসলিম : # ১৯৫১ এবং # ৯৭৭)
➲ জুম্মার সালাতে শীঘ্র উপস্থিত হওয়া (বুখারী এবং মুসলিম : # ৯২৯ এবং ১৯৬৪)
➲ পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন করা (আল-তিরমিজি, ৪৯৬)
➲ মনোযোগ সহকারে জুম্মার খুৎবা শোনা (আল-বুখারী ৯৩৪ এবং মুসলিম ৮৫১)
৩) জুম্মার দিন আপনার দুয়া কবুল হবার সেই মুহূর্তটির অনুসন্ধান করুন (বুখারী এবং মুসলিম : # ৯৩৫ এবং # ১৯৬৯)
৪) সূরা কাহাফ তিলাওয়াত (আল-হাকিম, ২/৩৯৯; আল-বায়হাকী, ৩/২৪৯)
৫) আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপর দুরদ পাঠ (ইবনে মাজাহ # ১০৮৫ , আবু দাউদ , # ১০৪৭)

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Rajshahi University Of Engineering & Technology
Rajshahi
RAJSHAHIUNIVERSITYOFENGINEERING&TECHNOLOGY