StH বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রাইভেট সেন্টার, ঠাকুরগাঁও

StH বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রাইভেট সেন্টার, ঠাকুরগাঁও

Share

STH একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
STH is a coaching centre/program of the student for the student by the student. STH=SOTISH

24/06/2024

শিক্ষিত হও, তবে মানুষ অবশ্যই হওয়া চাই।

19/03/2018

বাংলা ব্যাকরণ // ৯ম -১০ম শ্রেণীর বোর্ড বই
===
১) ণত্ব ও ষত্ব বিধান আলোচিত হয় – ধ্বনিতত্ত্বে
২) শব্দের ক্ষুদ্রাংশকে বলা হয় – রূপ
৩) রূপ গঠন করে – শব্দ
৪) শব্দতত্ত্বের অপর নাম – রূপতত্ত্ব
৫) বাক্যতত্ত্বের অপর নাম – পদক্রম
৬) বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে – প্রাতিপদিক
৭) সাধিত শব্দ – হাতা, গরমিল। দম্পতি
৮) সাধিত শব্দ – ২ প্রকার
৯) প্রকৃতি – ২ প্রকার ১০) নাম প্রকৃতির উদাহরণ – হাতল, ফুলেল, মুখর
১১) প্রত্যয় – ২ প্রকার
১২) বাংলা ভাষায় উপসর্গ – ৩ প্রকার
১৩) সংস্কৃত উপসর্গ – ২০ টি
১৪) সংস্কৃত উপসর্গ – প্র, পরা, অপ
১৫) বাংলা উপসর্গ – ২১ টি
১৬) বাংলা উপসর্গ – অ, অনা, অঘা, অজ, আ, আব, নি
১৭) বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি সমূহ – ২ প্রকার
১৮) ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বলা হয় – বর্ণ
১৯) বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ – ৫০ টি
২০) স্বরবর্ণ – ১১ টি
২২) ব্যঞ্জন বর্ণ – ৩৯ টি
২৩) বাংলায় – ২ টি যৌগিক স্বরধ্বনি ( ঐ, ঔ)
২৪) স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় – কার
২৫) ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে – ফলা
২৬) ক থেকে ম পর্যন্ত – ২৫ টি স্পর্শধ্বনি
২৭) দন্ত্য বর্ণ – ত, থ,দ, ধ
২৮) ওষ্ঠ বর্ণ – প, ফ, ব,ভ, ম
২৯) মূর্ধণ্য বর্ণ – ট, ঠ, ড,ঢ,ণ
৩০) উচ্চারনের স্থানের নামানুসারে ব্যঞ্জনবর্ণ সমূহ – ৫
ভাগে বিভক্ত
৩১) পরাশ্রয়ী বর্ণ – ৩ টি( ং, ঃ, ঁ)
৩২) নাসিক্য বর্ণ -৫ টি ( ঙ, ঞ, ণ, ন, ম)
৩৩) বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি -২৫ টি
৩৪) স্পর্শ বর্ণ – ২৫ টি ( ক থেকে ম পর্যন্ত)
৩৫) স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি গুলো – ২ ভাগে বিভক্ত ( অঘোষ ও
ঘোষ)
৩৬) অঘোষ ধ্বনি – ক, খ, চ, ছ
৩৭) ঘোষ ধ্বনি – গ, ঘ, জ, ঝ
৩৮) ঘোষ ধ্বনি – ২ প্রকার ( অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ)
৩৯) অল্পপ্রাণ ধ্বনি – ক,গ, চ,জ
৪০) মহাপ্রাণ ধ্বনি – খ,ঘ, ছ,ঝ

15/01/2018

Combined University Admission Test

06/01/2018

A great chance to be a student of Public university....

26/12/2017

# সকল_পাবলিক_বিশ্ববিদ্যালয়ে_
ভর্তি_পরিক্ষায়_জিপিএ_এর_উপর_
নম্বর_বন্টন:

BUET = No marks on GPA

KUET = No marks on GPA

RUET = No marks on GPA

CUET = No marks on GPA

DU = 80 out of 200

JU = 20 out of 100

JNU = 28 out of 100

CU = 20 out of 120

RU = No marks on GPA

KU = No marks on GPA

BU = 80 out of 200

IU = 40 out of 120

Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University = 30
out of
130

BUTex = 100 out of 300

BUP = 40%

CoU = 50 out of 150

BRU, Rangpur = 20 out of 100

University of Science and Technology:

* Shahjalal University of Science and
Technology
(SUST)
= 30 out of 100

* Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman
Science &
Technology University, Gopalganj = 20 out of
100

* Mawlana Bhashani Science and Technology
University
(MBSTU) = 100 out of 200

* Patuakhali Science and Technology
University =
100
out of 200

* Noakhali Science and Technology University
=
100 out
of 200

* Hajee Mohammad Danesh Science and
Technology
University = 50 out of 150

* Pabna University of Science and
Technology = 10
out of
100

* Jessore Science & Technology University =
20
out of
100

Rangamati Science and Technology
University=
100 out of 200

★ MBBS & BDS = 200 out of 300

★ Agricultural Universities:

* Bangladesh Agricultural University = 100
out of
200

* Bangabandhu Shaikh Mujibur Rahman
Agricultural
University, Gazipur = 100 out of 200

* Sylhet Agricultural University = 100 out of
200

* Shere-E-Bangla Agricultural University =
100 out
of 200

* Chittagong Veterinary and Animal Sciences
University =
100 out of 200

07/12/2017

ভার্সিটি জালিয়াতি রিভিউ
২০১৭-২০১৮ *
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - কথিত কোন
এক ছাত্র 'ঘ' ইউনিট এর প্রিপারেশন
নিয়ে 'ক' ইউনিট এ চান্স পেয়েছে -
এক কেমন ইন্টিলিজেন্ট ছাত্র !
ঘ ইউনিট এর পরিক্ষায় জালিয়াতি'র
জন্য ১৪ জন আটক, কিন্তু বাকিরা ধরা
ছোয়ার বাইরে..
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় :- পাবনা
থেকে আসার সময় এক ফার্স্ট টাইমার
এর সাথে পরিচয়, জিজ্ঞেস করলাম
;-কোথাউ চান্স হয়েছে, বললো
জ্বি ভাই জগন্নাথ এ, সিরিয়াল কত?
বললো -আমার বড় ভাই জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয় এর কোন একটা পদে
আছে, তিনিই ব্যবস্থা
করেছেন...তাছাড়া জগন্নাথ সমন্ধে
আপনাদের ভালোই ধারনা আছে
আশা করি! আমি আর কিছু বলতে চাই
না.
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় : ১
শিফটে ১৫ % পার্সেন্ট চান্স পাই,
আর অন্য শিফটে ৮৫ %! শোনা যাই,
শিক্ষক রাই নাকি দূর্নীতি'র
কারিগর.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় :-
পরিক্ষা দেওয়ার মাস খানেক পর
রেসাল্ট দিল.
অযুহাত ১ - ও,এম,আর গগনার মেশিন
নাকি একটা।
(আইনে ১৬ চান্স পাওয়া খলিলুর
রহমান এর কথা আপনারা জানেন
আশা করি.)
রহস্য ; কোন কোন ইউনিট এ সেকেন্ড
টাইমার এর তুলনায় নাকি ফার্স্ট
টাইমার চান্স পাইছে (আমি সিউর
না)
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় :- দূর্নীতি'র
জন্য আটক ছাত্রলীগ নেতাদের কাছ
থেকে ২০০০ টাকা জরিমানা.. অথচ
আদালত চাইলে এমনিতেই ছেড়ে
দিতে পারতো।
কি সুন্দর বিচার!
শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি :
ঢাবিতে ফেল করা কোন এক
ছাত্রী সাস্টের কোন এক ইউনিট এ
১০ এর ভেতরে! কি যাদু আছে ওই
মেয়ের কাছে আল্লায় জানে।
ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় :- একের পর
এক পরিক্ষা বাতিল হচ্ছে!
বিস্তারিত শীগ্রই আসছে।
হাজী দানেশ বি প্রবি ;- শুনেছি
ভিসি'র অনুমিত না নিয়েই নাকি
রেসাল্ট পাবলিশ করা হইছে, এর
থেকে বেশি কিছু জানি না আমি।
বরিশ্বাল বিশ্ববিদ্যালয় :
নেটওয়ার্ক জ্যামার বসাইয়া ও লাভ
হয় নাই, সেখানে প্রশ্ন ফাস!
আবারো ঢাবি'র শিক্ষার্থীরাই
জড়িত!
পাবনা বিজ্ঞান প্রযুক্তি :- ৮ ঢাবি
শিক্ষার্থী আটক, পরে সাজা
দিছিলো নাকি ২০০০ টাকা করে
জরিমানা ধরছিলো সেই খবর পাই
নি।
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় :-
দূর্নীতি'র আতুরঘড় নামে খ্যাত এই
বিশ্ববিদ্যালয় যে দূর্নীতিতে
চ্যাম্পিয়ান কেন, সেটা জানার
জন্য আপনাকে আমার সাথে ইনবক্স
করতে হবে!
বঙবন্ধু বিজ্ঞান প্রযুক্তি :- পরিক্ষার
হলে ডিভাইস পাওয়া সত্ত্বে ও
স্টুডেন্ট কে পরিক্ষার হলে এলাউ
করেছে শিক্ষকরা।
কি মহান এই শিক্ষক।
পোস্ট টা করার উদ্দেশ্য, ভবিষ্যৎ এর
সেকেন্ড টাইমার রা এসবের পর
কিভাবে আত্ববিশ্বাস পাবে?

10/11/2017

চ্যালেঞ্জ নিন, উঠে দাঁড়ান। বিল গেটস
শুন্য থেকে কিভাবে উঠে এসেছে এটা না
জানলে কি আপনি শুন্য থেকে উঠতে
পারবেন না? কোন ছেলেটি
রিক্সাওয়ালার ঘরে জন্ম নিয়েও বিসিএস
ক্যাডার হয়েছেন - এই গল্পটি না জানলে
কি আপনার বিসিএস ক্যাডার হওয়া বন্ধ হয়ে
যাবে? একবার সফল হওয়ার আগে কে কতবার
ব্যর্থ হয়েছেন - আপনার সফলতার জন্য এটা
জানা কি খুব জরুরি? আপনাকে কেন অন্যের
সফলতার গল্প শুনে নিজের টার্গেট ঠিক
করতে হবে?
পেছন থেকে যখন পাগলা কুকুর তাড়া করে,
তখন আপনি এটা ভাবেন না যে, এর আগে
কেউ পাগলা কুকুরের কামড় থেকে বাঁচতে
পেরেছে কি-না। ঐ মুহুর্তে আপনি এটাও
ভাবেন না যে, আপনার মত দুর্বল কেউ এর
আগে দৌঁড়ে পালাতে পেরেছে কি-না!
বস, পাগলা কুকুর যখন পেছন থেকে তাড়া
করবে তখন সব ছেড়ে আপনি এমন এক দৌঁড়
দিবেন, তখন সে দৌঁড়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান
দৌঁড়বিদ উসাইন বোল্ট আপনার আগে যেতে
পারবে কি-না সন্দেহ আছে। জীবনের
প্রত্যেক সফলতার জন্য এমন দৌঁড় চায়। কোনো
একটা কাজ কেউ পারেনি, এর মানে এই নয়
সেটা আপনিও পারবেন না। হ্যালো
মিস্টার, জীবনটা তো আপনারই। কে
পারলো আর কে পারলো না তার হিসেব
বাদ দিয়ে, নিজে কিভাবে পারবেন সে
হিসেব করুন। সোজা কথা, টার্গেট পূরণ করতে
গিয়ে যদি সুনামি বয়ে যায় তো যাক,
টর্নেডো কাঁপিয়ে দিলে দিক, ভুমিকম্প
নাড়িয়ে দেয়ার থাকলে তাই দিক- তবু একচুল
পরিমাণও সরে যাব না টার্গেট পূরণ করার
আগে।
কেউ একজন কম সিজিপিএ নিয়ে, অখ্যাত
কোনো কলেজ থেকে কিংবা কম
ডিমান্ডের সাবজেক্ট নিয়ে পড়েও
বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন দেখে আপনিও
খুশিতে লাফাচ্ছেন। কারণ আপনারও
সিজিপিএ কম, আপনিও গ্রামের কলেজ
থেকে পাশ করেছেন। বস থামেন! কারো
ট্র্যাজেডির সাথে যদি আপনার
ট্র্যাজেডি মিলে যায়, তবে সেটার
কারণে আপনি সফল হবেন না। বরং তার
স্ট্র্যাটেজির সাথে যদি আপনার
স্ট্র্যাটেজি মিলে যায় তবেই সফল হবেন।
ভার্সিটিতে ফেল অনেকেই করেছে কিন্তু
তাদের কেউ-ই বিল গেটস হয়নি। কারণ
তারা শুধু ফেলই করেছে, কিন্তু ফেল করার পর
বিল গেটস যেভাবে টার্ণ নিয়েছিল,
সেভাবে তারা নিতে পারেনি। আমি
সত্যজিৎ বিশ্বাস করি, এটাই সাকসেস
স্ট্র্যাটেজি।
কম সিজিপিএ নিয়ে কেউ একজন বিসিএসে
ফার্স্ট হয়েছিল, অথচ হাজার হাজার কম
সিজিপিএ ধারী তো প্রিলিতেই ফেল
করে বসে আছে। আরে বস! কেন ট্র্যাজেডি
মিলিয়ে নিজেকে সাহসী ভাবেন, বরং
স্ট্র্যাটেজি মিলান। তিনি যতক্ষন শ্রম
দিয়েছেন, ততক্ষন শ্রম আপনি দিয়েছেন কি-
না আগে সে হিসেব করুন। এই এক বিসিএস বা
ব্যাংক জবের জন্য জন্য কত রাত তিনি
বিসর্জন দিয়েছেন, সেটা আগে ভাবুন।
তিনি রাতের ঘুম বিসর্জন দিয়েছেন
বিসিএসের জন্য, আর আপনি ফেসবুকে
রাতের ঘুম বিসর্জন দিচ্ছেন প্রেমিকার মন
অর্জনের জন্য।
জীবনটা তো আপনারই। আপনাকে আপনার
প্রয়োজনেই চাকরিটা পেতে হবে, সেরা
আইডেন্টিটি গড়তে হবে। আপনি যখন খুব
আয়েশ করে ১০টায় ঘুম থেকে উঠে প্ল্যান
করছেন ৩০ হাজার টাকা বেতনের একটা
চাকরির জন্য, তখন অলরেডি দেশের
গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে কয়েকশ কোটি
টাকার কাজ হয়ে যায়। অলসতা ভাঙ্গুন, উঠুন,
দৌঁড়ান। আপনি বিল গেটসের মত ধনী হতে
চাইবেন, অথচ শ্রম দিবেন ঘুম কাতুরে অলস
যুবকের মত, তা তো হবে না। আপনি বিসিএস
ক্যাডারদের মত সফল হতে চাইবেন কিন্তু
তার মত শ্রম দিতে চাইবেন না - এটা মেনে
নেয়া যায় না।
সাঁতারে চ্যাম্পিয়ান হতে হলে আপনাকে
পানিতে ডুবে যাওয়ার ভয় বাদ দিয়ে
সোজা পানিতে নেমে তবেই চ্যাম্পিয়ান
ট্রফি ছিনিয়ে আনতে হবে। পুকুর পাড়ে বসে
থাকলে সেখানে কেউ এসে আপনার হাতে
চ্যাম্পিয়ান এওয়ার্ড তুলে দিয়ে যাবেনা।
নিয়োগকর্তারা কেউ আপনার শত্রু নয়; তারা
আপনাকে নেয়ার জন্যই নিয়োগ দিয়েছেন।
কিন্তু সেই নিয়োগ পরীক্ষায় আপনি যদি
নিজেকে সেরা প্রমাণ করতে না পারেন,
তবে অন্য কেউতো তাকে সেরা প্রমাণ করে
এপয়েন্টমেন্ট লেটারটি ঠিকই ছিনিয়ে
নিবে। সবার সাথে ফাঁকি দেয়া যায়
কিন্তু নিজের সাথে নয়।
আমাকে আমার জন্য সফল হতে হবে। বন্ধুরা
যখন আইডি কার্ড ঝুলিয়ে অফিসে যায়, তখন
লোকে আপনাকে বেকার বলে। এজন্য
আপনাকে একটা চাকরি পেতে হবে। আপনার
মা বাবা আপনার চাকরির আশায় তাকিয়ে
আছে- এজন্য আপনাকে চাকরি পেতে হবে।
আরে বস, সবচেয়ে বড় কথা আপনি এখনো
অন্যের কাছে হাত পেতে চলেন। শুধু এটা বন্ধ
করে একটা সোশ্যাল ভেল্যু তৈরির জন্য
হলেও একটা চাকরি দরকার। জীবনটা তো
আপনারই।
প্রস্তুতি নেয়ার সময় এমনভাবে মাথায় সব
ঢুকান যেন মাথা ভাঙলে মাথা থেকে রক্ত
সব বের হয়ে যাবে কিন্তু পড়াগুলো বের
হবেনা। গাছের নিচে যেমন আগাছা
থাকে, মানুষের স্বপ্নের পেছনেও হতাশা
থাকে। প্রতিদিন এক পৃষ্টা এমন বই পড়ুন, যেটা
আপনার হতাশার আগাছাকে সোজা টেনে
গ্রেনেড মেরে উড়িয়ে দিবে। এমন
লোকের সাথে কথা বলুন, যিনি সাহস
দিতে পারেন- পজিটিভ চিন্তা করতে
পারেন।

07/11/2017

এ পি জে আব্দুল কালামের জীবন থেকে
নেয়া:
“ যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা আমাদের
জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর
পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি
করতেন। এক রাতে তিনি বাবাকে এক প্লেট
সবজি আর একেবারে পুড়ে যাওয়া রুটি
খেতে দিলেন। আমি অপেক্ষা করছিলাম
বাবার প্রতিক্রিয়া কেমন হয় সেটা দেখার
জন্য। কিন্তু বাবা চুপচাপ রুটিটা খেয়ে
নিলেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন
স্কুলে আমার আজকের দিনটা কেমন গেছে।
আমার মনে নেই বাবাকে সেদিন আমি কি
উত্তর দিয়ে ছিলাম কিন্তু এটা মনে আছে
যে, মা পোড়া রুটি খেতে দেয়ার জন্য
বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। এর
উত্তরে বাবা মা’কে যা বলেছিলেন
সেটা আমি কোনদিন ভুলব না। বাবা
বললেন, ‘প্রিয়তমা, পোড়া রুটিই আমার পছন্দ।’
পরবর্তীতে সেদিন রাতে আমি যখন
বাবাকে শুভরাত্রি বলে চুমু খেতে
গিয়েছিলাম তখন আমি তাকে জিজ্ঞাসা
করলাম যে তিনি কি আসলেই পোড়া
রুটিটা পছন্দ করেছিলেন কিনা। বাবা
আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বললেন,
‘তোমার মা আজ সারাদিন অনেক পরিশ্রম
করেছেন এবং তিনি অনেক ক্লান্ত ছিলেন।
তাছাড়া একটা পোড়া রুটি খেয়ে মানুষ
কষ্ট পায় না বরং মানুষ কষ্ট পায় কর্কশ ও নিষ্ঠুর
কথায়। জেনে রেখো, জীবন হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ
জিনিস এবং ত্রুটিপূর্ণ মানুষের সমষ্টি।
আমি কোনক্ষেত্রেই সেরা না বরং খুব কম
ক্ষেত্রেই ভাল বলা যায়। আর সবার মতোই
আমিও জন্মদিন এবং বিভিন্ন বার্ষিকীর
তারিখ ভুলে যাই। এ জীবনে আমি যা
শিখেছি সেটা হচ্ছে, আমাদের একে
অপরের ভুলগুলোকে মেনে নিতে হবে এবং
সম্পর্কগুলোকে উপভোগ করতে হবে।
জীবন খুবই ছোট; প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে
অনুতপ্ত বোধ করার কোন মানেই হয় না। যে
মানুষগুলো তোমাকে যথার্থ মূল্যায়ন করে
তাদের ভালোবাসো আর যারা তোমাকে
মূল্যায়ন করে না তাদের প্রতিও
সহানুভূতিশীল হও।”
তখন ১৯৪১ সাল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে।
আমরা থাকতাম রামেশ্বরম শহরে। এখানে
আমাদের পরিবার বেশ কঠিন বাস্তবতার মধ্য
দিয়ে সময় পার করছিল। আমার বয়স তখন মাত্র
১০ বছর। কলম্বোতে যুদ্ধের দামামা বাজছে,
আমাদের রামেশ্বরমেও এর প্রভাব পড়তে শুরু
করেছে। খাবার থেকে শুরু করে
নিত্যব্যবহার্য পণ্য, সবকিছুরই দারুণ সংকট।
আমাদের সংসারে পাঁচ ভাই, পাঁচ বোন।
তাদের মধ্যে তিনজনের আবার নিজেদেরও
পরিবার আছে, সব মিলিয়ে এক এলাহি
কাণ্ড। আমার দাদি ও মা মিলে সুখে-
দুঃখে এই বিশাল সংসার সামলে রাখতেন।
আমি প্রতিদিন ভোর চারটায় ঘুম থেকে
উঠে অঙ্ক শিক্ষকের কাছে যেতাম। বছরে
মাত্র পাঁচজন ছাত্রকে তিনি বিনা
পারিশ্রমিকে পড়াতেন। আমার মা
আশিয়াম্মা ঘুম থেকে উঠতেন আমারও আগে।
তিনি আমাকে গোসল করিয়ে, তৈরি করে
তারপর পড়তে পাঠাতেন। পড়া শেষে
সাড়ে পাঁচটার দিকে বাড়ি ফিরতাম।
তারপর তিন কিলোমিটার দূরের
রেলস্টেশনে যেতাম খবরের কাগজ আনতে।
যুদ্ধের সময় বলে স্টেশনে ট্রেন থামত না,
চলন্ত ট্রেন থেকে খবরের কাগজের বান্ডিল
ছুড়ে ফেলা হত প্ল্যাটফর্মে। আমার কাজ
ছিল সেই ছুড়ে দেওয়া কাগজের বান্ডিল
সারা শহরে ফেরি করা, সবার আগে
গ্রাহকের হাতে কাগজ পৌঁছে দেওয়া।
কাগজ বিক্রি শেষে সকাল আটটায় ঘরে
ফিরলে মা নাশতা খেতে দিতেন। অন্যদের
চেয়ে একটু বেশিই দিতেন, কারণ আমি একই
সঙ্গে পড়া আর কাজ করতাম। সন্ধ্যাবেলা
স্কুল শেষ করে আবার শহরে যেতাম
লোকজনের কাছ থেকে বকেয়া আদায়
করতে। সেই বয়সে আমার দিন কাটত শহরময়
হেঁটে, দৌড়ে আর পড়াশোনা করে।
একদিন সব ভাইবোন মিলে খাওয়ার সময় মা
আমাকে রুটি তুলে দিচ্ছিলেন, আমিও একটা
একটা করে খেয়ে যাচ্ছিলাম (যদিও ভাত
আমাদের প্রধান খাবার, কিন্তু রেশনে
পাওয়া যেত গমের আটা)। খাওয়া শেষে বড়
ভাই আমাকে আলাদা করে ডেকে বললেন,
‘কালাম, কী হচ্ছে এসব? তুমি খেয়েই
চলছিলে, মাও তোমাকে তুলে দিচ্ছিল।
তার নিজের জন্য রাখা সব কটি রুটিও
তোমাকে তুলে দিয়েছে। এখন অভাবের সময়,
একটু দায়িত্বশীল হতে শেখো। মাকে উপোস
করিয়ে রেখো না।’ শুনে আমার শিরদাঁড়া
পর্যন্ত শিউরে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে মায়ের
কাছে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরলাম।
মাত্র পঞ্চম শ্রেণিতে পড়লেও পরিবারে
ছোট ছেলে হিসেবে আমার একটা বিশেষ
স্থান ছিল। আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল
না। কেরোসিন দিয়ে বাতি জ্বালানো
হতো; তাও শুধু সন্ধ্যা সাতটা থেকে নয়টা
পর্যন্ত। মা আমাকে কেরোসিনের ছোট্ট
একটা বাতি দিয়েছিলেন, যাতে আমি
অন্তত রাত ১১টা পর্যন্ত পড়তে পারি। আমার
চোখে এখনো পূর্ণিমার আলোয় মায়ের মুখ
ভাসে।আমার মা ৯৩ বছর বেঁচে ছিলেন।
ভালোবাসা আর দয়ার এক স্বর্গীয়
প্রতিমূর্তি ছিলেন আমার মা। মা, এখনো
সেদিনের কথা মনে পড়ে,যখন আমার বয়স
মোটে ১০। সব ভাইবোনের ঈর্ষাভরা
চোখের সামনে তোমার কোলে মাথা
রেখে ঘুমাতাম।
সেই রাত ছিল পূর্ণিমার। আমার পৃথিবী শুধু
তোমাকে জানত মা! আমার মা! এখনো
মাঝরাতে ঘুম ভেঙে উঠি। চোখের জল
গড়িয়ে পড়ে। তুমি জানতে ছেলের কষ্ট মা।
তোমার আদরমাখা হাত আমার সব কষ্ট
ভুলিয়ে দিত।
তোমার ভালোবাসা, তোমার স্নেহ,
তোমার বিশ্বাস আমাকে শক্তি দিয়েছিল
মা। সৃষ্টিকর্তার শক্তিতে ভয়কে জয় করতে
শিখিয়েছিল।
[সূত্র: এ পি জে আবদুল কালামের নিজস্ব
ওয়েবসাইট। ইংরেজি থেকে সংক্ষেপিত
অনুবাদ: অঞ্জলি

30/10/2017

বিসিএস পরীক্ষার হাতেখড়ি
-------------------------------
-------------------------------
পিএসসি কী?
---------------
Bangladesh Public Service Commission (BPSC) কে আমরা সংক্ষেপে পিএসসি বলে ডাকি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে বিপিএসসি গঠিত। সংবিধানে যেসব প্রতিষ্ঠান গঠনের কথা বলা আছে সেগুলোকে বলে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সে অনুযায়ী পিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত বক্তিদেরকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম।
বিসিএস পরীক্ষা কী?
------------------------
সাধারণত সার্ভিস দুই প্রকার। এক) সিভিল সার্ভিস, যেমনঃ প্রশাসন, পুলিশ, কাস্টমস, শিক্ষা, কৃষি, মৎস্য ইত্যাদি। দুই) মিলিটারী সার্ভিস, যেমনঃ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ইত্যাদি। বিসিএস এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Civil Service (BCS). পিএসসি Bangladesh Civil Service (Age Qualification and Examination for Direct Recruitment) Rules-2014 এর ভিত্তিতে যে পরীক্ষার মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার বাছাই করে সেই পরীক্ষাই বিসিএস পরীক্ষা।
ক্যাডার কারা?
----------------
ক্যাডার মানে একদল চৌকস কর্মকর্তা। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত ব্যক্তিই ক্যাডার। পিএসসি বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ২৭ ধরণের ক্যাডার নিয়োগ দেয়। এদের মধ্যে কিছু জেনারেল ক্যাডার, কিছু টেকনিক্যাল ক্যাডার। প্রশাসন, পুলিশ, কাস্টমস ইত্যাদি জেনারেল ক্যাডার। শিক্ষা, কৃষি, মৎস্য, বন ইত্যাদি টেকনিক্যাল ক্যাডার।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কখন ও কিভাবে দেয়?
-------------------------------------------
প্রতিবছর পিএসসি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে বিভিন্ন ক্যাডারের শুন্য পদের তালিকা প্রেরণের অনুরোধ করে। শুন্যপদের তালিকা পাওয়ার পর পিএসসি বিভিন্ন ক্যাডারের শুন্য পদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, ফি, পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ, আবেদনের নির্দেশনা ইত্যাদি সম্বলিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট bpsc.gov.bd ও দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ করে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় একমাস আবেদন করার সময় থাকে।
আবেদন করার ন্যুনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?
-----------------------------------------------------
উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর চার বছরের অনার্স পাস হলেও আপনি বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবেন, মাস্টার্স হলে তো কথাই নাই। এমনকি চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেও বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যায়। কেউ যদি তিন বছরের অনার্স বা পাস কোর্সে পড়ে থাকে তাহলে তাকে অবশ্যই মাস্টার্স পাস হতে হবে। শিক্ষা জীবনে একের অধিক তৃতীয় শ্রেণী থাকলে আপনি যত বড় ডিগ্রীধারীই হোন না কেন, আপনি বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের অযোগ্য।
প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় কী কী থাকে?
-------------------------------------------
আবেদন যাচাই বাছাইয়ের পর প্রথমেই আপনাকে ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এই পরীক্ষায় ২০০ টি এমসিকিউ থাকবে। প্রত্যেকটি সঠিক উত্তরের জন্য আপনি ১ মার্ক পাবেন। আর প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য আপনার প্রাপ্ত মার্ক থেকে .৫০ মার্ক কাটা যাবে। যে যে বিষয় থেকে প্রশ্ন থাকবে তা নিম্নরূপ।
# Bengali Language and Literature ---- 35 Mark
# English Language and Literature ---- 35 Mark
# Bangladesh Affairs ---- 30 Mark
# International Affairs ---- 20 Mark
# Geography, Environment and Disaster Management ---- 10 Mark
# General Science ---- 15 Mark
# Computer and Information Technology ---- 15 Mark
# Mathematical Reasoning --- 15 Mark
# Mental Ability ---- 15 Mark
# Ethics, Values and Good governance ---- 10 Mark
এই পরীক্ষায় নির্দিষ্ট কোন পাস মার্ক নেই। পিএসসি তাদের ইচ্ছামত একটা নির্দিষ্ট মার্ককে স্টান্ডার্ড ধরে লিখিত পরীক্ষার প্রার্থী বাছাই করে। যে মার্ককে স্টান্ডার্ড ধরে পিএসসি লিখিত পরীক্ষার প্রার্থী বাছাই করে সেটা আমাদের কাছে কাট মার্ক নামে পরিচিত। মনে রাখবেন, প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় পাস মানে আপনি শুধু লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের টিকিট পেলেন। এই পরীক্ষার মার্ক মেধাতালিকা প্রনয়ণে কোন ভূমিকা রাখে না।
লিখিত পরীক্ষায় কী কী থাকে?
----------------------------------
যারা প্রিলিমিনারী পরীক্ষার উত্তীর্ণ হবেন তারাই লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আবেদন করার সময় আপনি যদি শুধু জেনারেল ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন তাহলে আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। জেনারেল ক্যাডারে যে বিষয়গুলোর উপর পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।
১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান= ১০০ নম্বর
উল্লেখ্য, প্রতিটি ২০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় ৪ ঘণ্টা এবং প্রতিটি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা। প্রতিটি বিষয়ে পাশ নম্বর ৩০% অর্থাৎ আপনাকে ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৬০ নম্বর এবং ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর পেতে হবে। এখন কথা হলো, কেউ যদি কোন বিষয়ে ৩০% এর কম পান তাহলে তিনি কি ফেল করবেন? না, তিনি ফেল করবেন না। যে বিষয়ে তিনি ৩০% এর কম নম্বর পাবেন সেই বিষয়ের কোন নম্বর উনার মোট নম্বরের সাথে যোগ হবে না। মনে করুন, কোন পরীক্ষার্থী সাধারণ বিজ্ঞান পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ২৯ নম্বর পেলেন, তাহলে উনার এই নম্বর বাকি পাঁচটা বিষয়ের মোট নম্বরের সাথে যোগ হবে না। ফলে সাধারণ বিজ্ঞানের এই ২৯ নম্বর বাদেই যদি পরীক্ষার্থী বাকি পাঁচটা বিষয়ে ন্যুনতম ৪৫০ নম্বর পান তাহলে তিনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
আবেদন করার সময় আপনি যদি শুধু টেকনিক্যাল ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন তাহলেও আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। টেকনিক্যাল ক্যাডারে যে বিষয়গুলোর উপর পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।
১। বাংলা প্রথম পত্র= ১০০ নম্বর
২। ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। অনার্সে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর
আবেদন করার সময় আপনি যদি জেনারেল ও টেকনিক্যাল উভয় (Both) ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন তাহলে আপনাকে মোট ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। বোথ ক্যাডারে যে বিষয়গুলোর উপর পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।
১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান= ১০০ নম্বর
৭। অনার্সে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর
এখন কথা হলো, যারা শুধু জেনারেল বা টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্য পরীক্ষা দিবেন, তাঁরা ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দিবেন এবং ৪৫০ নম্বর পেলেই ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। কিন্তু বোথ ক্যাডারদের তো ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে সেক্ষেত্রে তাদের পাস মার্ক কত হবে?
বোথ ক্যাডারের ক্ষেত্রে প্রথমে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ৯০০ নম্বর বিবেচনায় নেয়া হবে। এই ৯০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থী যদি ৪৫০ পান, তাহলে তিনি জেনারেল ক্যাডারের ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান= ১০০ নম্বর
এরপর উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর মধ্যে থেকে বাংলা ২য় পত্র এবং সাধারণ বিজ্ঞানের মোট ২০০ নম্বর বাদ দিন। এর পরিবর্তে অনার্সে পঠিত বিষয়ের ২০০ নম্বর যোগ করুন। এবার নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ৯০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থী যদি ৪৫০ পান, তাহলে তিনি টেকনিক্যাল ক্যাডারের ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
১। বাংলা প্রথম পত্র= ১০০ নম্বর
২। ইংরেজী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলী প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৭। অনার্সে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর
এভাবে তিনি একই সাথে জেনারেল ক্যাডার এবং টেকনিক্যাল ক্যাডারে ভাইভার জন্য নির্বাচিত হোন তখন আমরা বলি তিনি বোথ ক্যাডারে পাস করেছেন।
ভাইভায় কত নম্বর থাকে?
-----------------------------
বিসিএস পরীক্ষার ভাইভায় ২০০ মার্ক থাকে। ৫০% মার্ক মানে ১০০ মার্ক পেলে আপনি পাস। ভাইভা বোর্ড সাধারণত একজন পিএসসি সদস্য, একজন যুগ্মসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও একজন একাডেমিক এক্সপার্ট মোট তিন জন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে। প্রতিদিন এরকম প্রায় ১৪ টা বোর্ড হয়ে থাকে।
----------------------
----------------------
সৈকত তালুকদার
৩৬ তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা)

সিনিয়র অফিসার, বিকেবি

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Stadium Market, Rajshshi University
Rajshahi