Kaluhati High School

১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে স্থাপিত ঐতিহ্যবাহ?

Operating as usual

28/11/2022

INST: 126515 - KALUHATI HIGH SCHOOL
Examinee: 42, Passed: 38
Percentage of pass 90.48%
GPA-5: 6
HUMANITIES: PASSED=31; NOT PASSED=4; GPA5=1;
SCIENCE: PASSED=7; GPA5=5

(Developed & Maintained by Nixtec Systems
Ministry of Education)
Result Link: 103.230.104.203

19/10/2022

আগামীকাল ২০/১০/২০২২ ইং রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় কালুহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের নব নির্মিত দ্বিতল একাডেমিক ভবনের শুভ উদ্বোধন করবেন: মাননীয় পররাষ্ট্র-প্রতিমন্ত্রি আলহাজ্ব শাহরিয়ার আলম(এমপি)।
Kaluhati High School এর শিক্ষক,কর্মচারী, প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রী, গ্রামবাসী সহ সকলের আমন্ত্রণ।

Photos from Kaluhati High School's post 15/09/2022

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) শুরু হচ্ছে এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।
কালুহাটী উচ্চ বিদ‍্যালয় সহ সারা বাংলাদেশের পরীক্ষার্থীদের জন‍্য শুভকামনা ও দোয়া।
ছবিটি কালুহাটী উচ্চ বিদ‍্যালয়ের SSS-2022 ব‍্যাচের বিদায় অনুষ্ঠানে তোলা।

Photos from Kaluhati High School's post 15/08/2022

আজ ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কালুহাটী উচ্চ বিদ‍্যালয়ে পতাকা উত্তোলন,আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

14/06/2022

একদিন গাধা বললো "ঘাসের রং নীল", অন্যদিকে বাঘ বললো "ঘাসের রং সবুজ "।

দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি লেগে গেল। শেষে বিতর্ক নিষ্পত্তির জন্য তারা দুজনেই গেল বনের রাজা সিংহের কাছে।

গিয়েই গাধা চিৎকার করে শুরু করলো। বাঘকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে গাধা বললো "মহারাজা, ঘাসের রং নীল, তাই নয় কী?"

সিংহ বললো, "হ্যাঁ, অবশ্যই ঘাসের রং নীল।"

গাধা বললো, "এই সত্যটা বাঘ মানতে নারাজ, ওকে উচিত শাস্তি দিন"।

রাজা ঘোষণা করলো, "বাঘকে এক বছরের জেল দেওয়া হোক"।

গাধা মহা আনন্দে চলে গেল এবং বনে বলে বেড়াতে লাগলো তার কারণে বাঘের জেল হয়েছে। ওদিকে বাঘ সিংহকে প্রশ্ন করলো, "মহারাজা, ঘাসের রং তো সবুজ, তাই নয় কী"?

রাজা বললো, "হ্যাঁ, ঘাসের রং সবুজ "। তখন বাঘ বললো, "তবে যে আপনি আমাকে এক বছরের জেল দিলেন!"

সিংহের জবাব, "দেখো, ঘাসের রং নীল না সবুজ সেটা বলার জন্য সাজা হয়নি, তোমার সাজা হয়েছে, গাধার সাথে অযথা তর্কা করার জন্য। সত্য তো সত্যই। তোমার মতো বুদ্ধিমান প্রাণী এমন কাজ করলে বাঁকিরা কী শিখবে?"

গল্পের নীতিকথা: কোন নীচ/মূর্খের সাথে অযথা তর্ক না করে তাদের এড়িয়ে চলা উত্তম।

03/01/2022

এসএসসি ২০১১ ব্যাচের একাংশ। এই ব্যাচ থেকে এসএসসিতে ট্যালেন্টপুলে বোর্ডবৃত্তিসহ জিপিএ ৫.০০ প্রাপ্ত এবং দেশের তিনটি স্বনামধন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থী রয়েছে। স্মৃতি অমলিন!

02/01/2022

ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এসএসসি শিক্ষাবৃত্তি ২০২১ এর বিস্তারিত তথ্য :
ডাচ্-বাংলা ব্যাংক তার শিক্ষা
বৃত্তির কর্মসূচীর আওতায় দেশের
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচ্চ
মাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর
পর্যায়ে অধ্যয়নরত মেধাবী ও
আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছাত্র-
ছাত্রীদেরকে বৃত্তি প্রদান করে
আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২১
সালের এসএসসি/ সমমান পরীক্ষায়
উত্তীর্ণ মেধাবি ও শিক্ষাক্ষেত্রে
আর্থিক সহায়তা প্রত্যাশী
শিক্ষার্থীদেরকে বৃত্তি প্রদান
করবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।
বৃত্তির পরিমাণ ও
সময়কালঃ
শিক্ষার স্তরঃ এইচ.এস.সি.
সময়কালঃ ২ বছর
মাসিক বৃত্তিঃ ২,০০০ টাকা
বার্ষিক অনুদানঃ পাঠ্য উপকরণের
জন্য এককালীন ২৫০০ টাকা ও
পোশাক পরিচ্ছদের জন্য ১,০০০ টাকা
বৃত্তির জন্যে আবেদনের
যোগ্যতাঃ
সিটি কর্পোরেশন এলাকার
অন্তর্গত স্কুল/শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের জন্যঃ ন্যূনতম
জিপিএ ৫.০০ (চতুর্থ বিষয় ব্যতিত,
সকল গ্রুপের জন্য)
জেলা শহর এলাকার অন্তর্গত
স্কুল/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যঃ
ন্যূনতম জিপিএ ৫.০০ (চতুর্থ বিষয়
ব্যতিত, সকল গ্রুপের জন্য)
গ্রামীণ অনগ্রসর অঞ্চলের স্কুল/
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যঃ
ন্যূনতম জিপিএ ৪.৮৩ (চতুর্থ বিষয়
ব্যতিত, সকল গ্রুপের জন্য)
আবেদনের নিয়ম ও
শর্তাবলীঃ
ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এর শিক্ষা
বৃত্তি এর আবেদন এর প্রক্রিয়া
গতবারের মত এবারো অনলাইনে করা
হয়েছে। ফলে সরাসরি কোন আবেদন
গ্রহনযোগ্য হবে না। চলুন জেনে
নেওয়া যাক অনলাইনে আবেদন
প্রক্রিয়াঃ
http://app.dutchbanglabank.com/DBBLScholarship এই ঠিকানায় গিয়ে
অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে
হবে। আবেদন ফরম এর সাথে যা যা
সংযুক্ত করতে হবে সেগুলো হলোঃ
আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের
রঙিন ছবির স্ক্যান কপি।
আবেদনকারীর পিতা মাতার
পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবির
স্ক্যান কপি।
এসএসসি/সমমান পরীক্ষার নম্বর
পত্র ও প্রশংসা পত্রের স্ক্যান
কপি।
বৃত্তির অন্যান্য
নীতিমালাঃ
যে সকল ছাত্র-ছাত্রী অন্য কোন
উৎস থেকে বৃত্তি পাচ্ছেন, তাঁরা
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বৃত্তির
জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন
না।
গ্রামীণ অনগ্রসর অঞ্চলে অবস্থিত
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণ
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে বৃত্তির
শতকরা ৯০ ভাগ নির্ধারিত থাকবে
এবং মোট বৃত্তির শতকরা ৫০ ভাগ
ছাত্রীদের প্রদান করা হবে।
বৃত্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ
তারিখঃ
আবেদন শুরুর তারিখঃ ০৩ জানুয়ারি ২০২২।
আবেদনের শেষ তারিখঃ ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে
প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃতদের
তালিকা প্রকাশঃ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃতদের সকল
কাগজপত্রের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য
ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এর যে কোন
শাখা অথবা মোবাইল ব্যাংকিং
অফিসে উপস্থিত হওয়ার তারিখঃ
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ – ১৪ মার্চ ২০২২।

Photos from Kaluhati High School's post 30/12/2021

সারা বাংলাদেশে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ:
আমাদের কালুহাটী উচ্চ বিদ‍্যালয়ের ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৫৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন।
পাশের হার: ৯৬.৬৭%
বিজ্ঞান বিভাগ যারা জিপিএ-৫ পেয়েছে:
১. খন্দকার লামিয়া
২. রিয়া খাতুন
৩. রুবাইয়া(রিমি)
৪. ভাবনা খাতুন
৫. লিমন আহম্মেদ
৬. তারিকুল ইসলাম
৭. আব্দুল্লাহ আল নবীন
৮. সাদিয়া খাতুন
৯. শিমলা খাতুন
১০. সুমাইয়া আক্তার সাথী
মানবিক বিভাগ থেকে যারা জিপিএ-৫ পেয়েছে:
১১.ইমিতায়াজ (রুপম)
১২. রিদয়
১৩. জুঁই
বিদ‍্যালয়ের এ সাফল্যে খুশি শিক্ষকবৃন্দ,শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বৃন্দরা।
সবাইকে অভিনন্দন ও ভবিষ‍্যৎের জন‍্য শুভকামনা জানিয়েছে বিদ‍্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মস্তফা স‍্যার।

29/12/2021

২০১০ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের ব্যানার। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলো ২০১১ ব্যাচ! স্মৃতি অম্লান।

Photos from Kaluhati High School's post 16/12/2021

এই দেশেতেই জন্ম আমার এই দেশেতেই শেষ। তুমিই আমার ভালোবাসা আর স্বপ্ন দেখার বাংলাদেশ।
কালুহাটী উচ্চ বিদ‍্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী,ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিজয়ের ৫০ তম বছর উজ্জাপন।

28/07/2021
25/07/2021

কালুহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২১সালের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট আগামী ৫/৮/২০২১ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ঘটিকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস কক্ষে জমা প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো।
মোঃগোলাম মোস্তফা
প্রধান শিক্ষক (ভারঃ)
কালুহাটী উচ্চ বিদ্যালয়
চারঘাট -রাজশাহী

পড়ার সময় পড়া খেলার সময় খেলা 09/07/2021

পড়ার সময় পড়া খেলার সময় খেলা জানালা দিয়ে তাকিয়ে আকাশ দেখো। দূরের গাছটা দেখো। নীল আকাশে সাদা মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে। কত রকমের আকার নিচ্ছে। সবুজ মাঠ.....

01/07/2021

চলমান লকডাউনের কারণে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
-স্কুল কতৃপক্ষ

Photos from Kaluhati High School's post 01/06/2021

৪নং নিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোঃমনিরুজ্জামান সাহেব কালুুহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম মোস্তফা নিকট ৬ জোড়া বেঞ্চ প্রদান করেন।
কালুহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান সাহেব কে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
👉তথ্যটি গোলাম মস্তফা স্যারের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে নেয়া।

24/04/2021

স্কুল জীবনে টিচারদের কাছ থেকে প্রচুর শাস্তি পেতাম। আর এখন মনে হয় শিক্ষাজীবনের এগুলোই সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি। ❤

স্কুল জীবনে আপনাদের সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতি কোনটি? 😊

24/04/2021

সারাদিন এই-সেই বিজ্ঞাপনের মেসেজে যারা বিরক্ত তাদের জন্য খুবই উপকারী একটি বিষয়।

মোবাইলে প্রমোশনাল/বিজ্ঞাপনের এসএমএস না পেতে চাইলে টাইপ করুনঃ

গ্রামীনফোনঃ *১২১*১১০১ #

বাংলালিংকঃ *১২১*৮*৬ #

রবি ও এয়ারটেলঃ
*৭ #

জনস্বার্থে - বিটিআরসি (বিটিআরসির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া)

Photos from Kaluhati High School's post 06/03/2021

চলছে কালুহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মানাধীন ভবনের কাজ।
ছবি তোলার তারিখ: ২৪/১২/২০২০ ইং

31/01/2021

অল্প একটু গণিত: ফাইজারের করোনা ভ্যাক্সিন 95% কাজ করে- এর অর্থ কী?

Vaccine Efficacy হলো ঝুঁকির পার্থক্য। সহজ কথায় 95% Efficacy মানে হলো, যারা ভ্যাক্সিন নেয়নি তাদের থেকে যারা নিয়েছে তাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি 95% কম (নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষণ পরিবেশে)।

Pfizer এর আসল হিসাবটাই বলতে পারি। 21830 কে ভুয়া ভ্যাক্সিন দিয়েছে (placebo)। 21830 জনকে আসল ভ্যাক্সিন দিয়েছে। যারা ভুয়া ভ্যাক্সিন নিয়েছে তাদের ভেতর আক্রান্ত হয়েছে 162 জন। যারা আসল ভ্যাক্সিন নিয়েছে তাদের ভেতর আক্রান্ত হয়েছে 8 (আট) জন।
ভুয়া ভ্যাক্সিন নিলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি 162/21830=0.0074 = 0.74%
আসল ভ্যাক্সিন নিলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি 8/21830=0.0004 = 0.04 %
আসল ভ্যাক্সিন নিলে ভুয়া ভ্যাক্সিনের তুলনায় ঝুঁকি কমবে = (0.74 – 0.04) / 0.74 = 0.946 = 94.6 % ≈ 95 %

সূত্র: What Does 95% Effective Mean? Teaching the Math of Vaccine Efficacy, New York Times, Dashiell Young-Saver, Dec 13, 2020.

সংযুক্তি:
১) ভুয়া ভ্যাকসিন কেন দেয়? ভুয়া ঔষধ বা ভুয়া ভ্যাকসিন (placebo) কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজ করে। এটাকে Placebo effect বলে। কেন কাজ করে, সেটা এখনও বিজ্ঞানীরা পুরোপুরি জানেন না। তো, নতুন ভ্যাক্সিন বা নতুন ঔষধ কতটুকু কাজ করে সেটা পরীক্ষা করা জন্য সবসময় দেখা হয়, ঔষধ বা ভ্যাক্সিনটা কী আসলেই তার উপাদানের জন্য কাজ করছে নাকি Placebo Effect এর কারণে এমনি এমনি কাজ করছে। তাই একটা দলকে ভুয়া ঔষধ/ভ্যাকসিন দেয়, আর আরেকটা দলকে দেয় আসলটা। তারপর এদের ভেতর তুলনা করে দেখা হয় ভুয়াটার তুলনায় আসলটা কতখানি কার্যকরী।

২) যাদেরকে ভুয়া ভ্যাকসিন দেয়া হয় তারা কি জানে? উঁহু, নাহ! যারা পাচ্ছে তারা তো জানেই না, যারা দিচ্ছে তারাও জানে না। শুধু একটা কম্পিউটার র‍্যান্ডমভাবে ঠিক করে দেয় কে কোনটা পাচ্ছে। একটা কোড তৈরি করে দেয় সে। সেই কোড অনুসারে মানুষকে ঔষধ নির্ধারণ করে দেয়া হয়। পরে গিয়ে ঐ কোড দেখে বুঝে নেয়া হয়, কে কোনটা পেলো। আগ্রহীরা Double Blind, Randomized, Placebo-Controlled Trial নিয়ে পড়তে পারেন।

লিখেছেনঃ চমক হাসান (Chamok Hasan) ভাইয়া

18/01/2021

নটরডেম কলেজে পড়ার সময় আমাদের এক সহপাঠী ছিল যাকে শিক্ষকগণ খুব কেয়ার করতেন । সব শিক্ষকবৃন্দ তাকে একটু বেশী আদর করতেন । প্রথমে বুঝতাম না কারনটা । পরে একদিন জানলাম ঐ সহপাঠী এস এস সি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডের মেধা তালিকায় ৫ম স্থান অধিকার করে কলেজে ভর্তি হয়েছে ।

কিন্তু সবাই এত আদর করার কারন ছিল ভিন্ন । তাহল , শিক্ষকগণ যা পড়ান তার সবই সে আগে থেকেই পারে । এমন কি ক্লাশে সে নতুন কিছু পড়াতেও জানে । কথা কম বলে । সবার সাথে সে মিশতেও পছন্দ করে না । HSC পরীক্ষায় সেই ছেলেটি ঢাকা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছিল । ক্লাশে সবার আগে সব কিছু বুঝে ফেলত সে । আমরা অবাক হতাম । কি করে তা সম্ভব !

আমার চাচাত বোন সুমীর একটি মাত্র ছেলে । তার নাম সোয়াদ । বয়স ৯ বছর । কানাডার টরেন্টো শহরে তার জন্ম । তার বাবা মা দু’জনই সেখানে চাকুরী করে । সুন্দর একটি বাড়ি কিনে সেখানেই বসবাস করে তারা । সোয়াদ যে স্কুলটিতে পড়ে সেটা নিজ চোখে দেখার সুযোগ হয়েছিল আমার গত বছর ।

সোয়াদের স্কুলের শিক্ষকগণ তাকে বিশেষভাবে কেয়ার করে । কারন সে একজন Gifted child . Gifted child হল তারা , যাদের মেধা বা IQ সমবয়সী শিশুদের চেয়ে অনেক বেশী । যেমন : শিশুটি যদি তৃতীয় শ্রেনীতে পড়ে তবে তার মেধা ৫ম শ্রেনীতে পড়া শিশু থেকেও বেশী হবে । gifted child দের ও আবার শ্রেনী বিন্যাস আছে কানাডা বা উন্নত দেশে । IQ test এর score দেখুন :

IQ score 115-129 = mildly gifted child .
IQ score 130-144= moderately gifted child .
IQ score 145-159 = highly gifted child .
IQ score 160-179 = exceptionally gifted child .
IQ score 180 = profoundly gifted child .

এই সব gifted children দের কিছু বিশিষ্ট্য শৈশব থেকে লক্ষনীয় । যেমন :
• Unusual alertness , even in infancy .
• Rapid learner ; puts thoughts together quickly .
• Excellent Memory .
• Unusually large vocabulary and complex
sentence structure for age .
• Advance comprehension of word nuances ,
metaphors and abstract ideas .
• Enjoys solving problems , specially with numbers
And puzzles .

তার মানে হল এসব gifted children সব সময় অত্যন্ত মেধাবী হয় । উন্নত বিশ্বে তাদের identify করে আলাদা ভাবে বিশেষ স্কুলে নিয়ে special teacher দিয়ে special care নেয়া হয় । কারন তারা ভবিষ্যতে এমন রাষ্ট্রীয় সম্পদ হবে যা কিনা সাধারন মানুষরা হবে না । কেই হবে শ্রেষ্ট বিজ্ঞানী , আবার কেউ বা হবে বড় ডাক্তার কিংবা সেরা আইনজীবি বা প্রকৌশলী । যে পেশায়ই যাবে সেখানেই তারা সংস্কার করবে মানব জাতির উন্নয়নের জন্য।

Gifted child এর বাবা মায়ের দামও অনেক সেখানে । শিক্ষকগণ বাবা মাকে বলে দেন কি করে তাঁদের মেধাবী শিশুটির বিশেষ যত্ন নিতে হবে । তা নাহলে সেই সম্পদ অকালে নষ্ট হয়ে যেতে পারে অজ্ঞতার কারনে ।

আমার দেশের শিক্ষকগণ কি তা জানেন ? তাঁদেরকে কি কেউ বিষয়টি জানিয়েছেন ? আমরা তো কেবল নিজেদের পদোন্নতি নিয়ে ব্যস্ত কিংবা অন্যের টাকায় বিদেশ যাত্রা নিয়ে ব্যস্ত ।

আমার চাচাত বোনের ছেলে সোয়াদ gifted child . তার IQ score 180 . একদিন সে কানাডার সম্পদ হবে । তাই তার স্কুলের সকল শিক্ষকগণ তাকে যত্ন করা নিয়ে ব্যস্ত থাকে । সোয়াদের বাবা ফয়সাল এবং সুমী special care নেয় সোয়াদের জন্য ।

আপনার সন্তানও হয়ত বা gifted child . আপনি খেয়াল করুন ভাল করে । তাই যদি হয় তবে special care নিন ।

কার্টিসিঃ Bazlul Kabir Bhuiyan স্যার!

22/11/2020

মানুষের দাঁত পরিষ্কার রাখতে প্রতিদিন নিয়ম করে ব্রাশ করতে হয়। ব্রাশ করলে দাঁত পরিষ্কার থাকার পাশাপাশি মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়, দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়। কিন্তু পৃথিবীতে মানুষ বাদে অন্যান্য প্রানীদের দাঁত মাজার প্রয়োজন হয়না। এর কারণ হচ্ছেঃ

▪️মানুষ যেসব খাবার খায় তা কৃত্রিমভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয় এবং এগুলোতে পরিশোধিত চিনিও থাকে। চিনি দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করে, তাই নিয়মিত দাঁত না মাজলে মানুষের দাঁত ক্ষয় হয়ে যায়। কিন্তু বন্য প্রানীরা প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া কাঁচা খাবার ও ফলমূল খায়। এই ধরনের খাদ্যাভ্যাসের জন্য তাদের দাঁত মাজার প্রয়োজন হয়না।

▪️কিছু প্রানীদের জীবদ্দশায় বহুবার দাঁত পড়ে গিয়ে নতুন দাঁত উঠে। যেমন: হাঙ্গর। হাঙ্গরের দাঁত বারবার পড়ে যাওয়ার কারণ হচ্ছে এরা প্রতিনিয়ত হাড়ের মতো শক্ত খাবার চিবিয়ে খায়। Carcharhiniformes নামক এক ধরনের বড় প্রজাতির হাঙ্গর আছে যাদের জীবনকালে প্রায় ৩৫,০০০ বার দাঁত পড়ে। এদের দাঁত ক্ষয় হওয়ার আগেই পড়ে যায় তাই দাঁত মাজার প্রয়োজন পড়েনা।

▪️বেশিরভাগ প্রাণীদেরই মানুষের তুলনায় আয়ু কম। নানা পরিস্থিতিতে কিছু প্রানীদের গড় আয়ুর তালিকাঃ
• কুকুর : ১০-১৩ বছর,
• বিড়াল : ২-১৬ বছর,
• বাঘ-সিংহ : ১০-২৫ বছর,
• ঘোড়া : ২৫-৩০ বছর,
• নীল তিমি : ৮০-৯০ বছর,
• শিম্পাঞ্জি : সর্বোচ্চ ৬০ বছর।
সাধারণত দাঁতের এনামেল ক্ষয় হতে অনেক বছর সময় লাগে। তাই এইসব প্রাণীর দাঁত নষ্ট হওয়ার আগেই তারা মারা যায়।

▪️কুকুর, সিংহ, বাঘ, নেকড়ের মতো ক্যানাইন বা শ্বাদন্তদের লালার pH মান অনেক বেশি থাকে। যেমন: কুকুরের লালার pH মান প্রায় ৮.৫। অন্যদিকে মানুষের লালার pH মান ৭.৫ এর মতো। লালার ক্ষারত্ব বেশি হওয়ার তা দাঁতের এনামেল ক্ষয়কারী এসিডকে ভেঙে ফেলে। তাছাড়া কুকুরের লালা তাদের দাঁতকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকেও রক্ষা করে।

▪️কিছু প্রাণীরা নিজেই দাঁত ব্রাশ করে। যেমন: গরু, সিংহ, বাঘ, হাতি। আমরা জানি, গরু বেশিরভাগ সময়ই ঘাস চিবিয়ে চিবিয়ে খায়। এর ফলে ঘাসগুলো ব্রাশের মতো মুখ ও দাঁতের সব জায়গায় যায় এবং দাঁত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে৷ আবার বাঘ-সিংহের মতো প্রাণীরা শিকার ভোজন করার সময় তাদের হাড় ও দেহের লোম খেয়ে ফেলে৷ হাড় ও দেহের লোম অনেকটা ব্রাশের মতো কাজ করে।

▪️কুমির তার দাঁত পাখিদের থেকে পরিষ্কার করিয়ে নেয়৷ কুমির ভোজন শেষ করার পর তার পাখি এসে মুখের ভিতর বসে দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে লেগে থাকা খাবারগুলো তুলে তুলে খায়। এমন এক প্রজাতির পাখি হচ্ছে Egyptian Plover। এর ফলে পাখিগুলোরও প্রোটিনের জোগান হয়, অন্যদিকে কুমিরেরও দাঁত পরিষ্কার থাকে।

বন্য প্রাণীদের দাঁত মাজার প্রয়োজন না হলেও পোষা প্রাণীদের কিন্তু দাঁত মাজতে হয়। যেমন: কুকুর, বিড়াল, ঘোড়া ইত্যাদি পোষা প্রাণী।

©Science Bee

13/11/2020

এক বিয়ের অনুষ্ঠানে জনৈক যুবক তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে দেখতে পেলেন। বহুদিন পর ছোটবেলার শিক্ষককে দেখে যুবক তাঁর কাছে ছুটে গেলেন এবং বললেন, "স্যার, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন ?

শিক্ষক বললেন, ''না, আমি খুব দুঃখিত, তোমাকে চিনতে পারছি না।

যুবক তখন বললেন, "স্যার, আমি আপনার ছাত্র, আপনার মনে থাকার কথা, থ্রিতে পড়ার সময় আমাদের এক সহপাঠীর দামি একটি কলম চুরি হয়েছিল। সেই সহপাঠী কাঁদতে কাঁদতে আপনাকে নালিশ করল। আর আপনি সব ছাত্রকে চোখ বন্ধ করে দেয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়াতে বললেন। তারপর একজন একজন করে চেক করতে শুরু করলেন । আমি ভয়ে কাঁপতে লাগলাম। কারণ কলমটি ছিল আমার পকেটে।

আমি যে কলমটি চুরি করেছি তা আবিষ্কার হওয়ার পর আমি যে লজ্জার মুখোমুখি হব, আমার শিক্ষকরা আমার সম্পর্কে যে ধারণা পাবেন, স্কুলে সবাই আমাকে 'চোর' বলে ডাকবে এবং এটি জানার পর আমার মা-বাবার কী প্রতিক্রিয়া হবে- এই সমস্ত ভাবতে ভাবতে আমার মরে যেতে ইচ্ছে হল।

একসময় আমার পালা এল। আমি অনুভব করলাম আমার পকেট থেকে আপনি কলমটি বের করছেন। কিন্তু আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম আপনি কিছু বলছেন না এবং আপনি বাকী শিক্ষার্থীদের পকেট অনুসন্ধান করে চলেছেন।

তারপর যখন অনুসন্ধান শেষ হল, আপনি আমাদের চোখ খুলতে বললেন এবং আমাদের সবাইকে বসতে বললেন। ভয়ে আমি বসতে পারছিলাম না, কারণ আমার মনে হচ্ছিল একটু পরেই আপনি আমাকে ডাকবেন। না, আপনি তা না করে কলমটি সবাইকে দেখালেন এবং মালিককে ফেরৎ দিলেন।

কলমটি যে চুরি করেছে তার নাম আপনি আর কখনও কাউকে বলেননি। আপনি আমাকে একটি কথাও বলেননি, এবং আপনি কখনও কারও কাছে গল্পটির উল্লেখও করেননি।

স্যার , আপনি সেদিন আমার মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন।
এই ঘটনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম জীবনে আর অন্যের জিনিস ছুঁয়েও দেখব না। "

"স্যার, এখন গল্পটি মনে পড়েছে কি? গল্পটি আপনার ভোলার কথা না !!

শিক্ষক জবাব দিলেন, " হ্যাঁ! গল্পটি খুব ভালভাবেই মনে আছে আমার। তবে কার পকেটে কলমটি পাওয়া গিয়েছিল তা কখনো জানতে পারিনি। কারণ যখন আমি সবার পকেট চেক করছিলাম তখন আমি ইচ্ছে করেই তোমাদের মত নিজের চোখও বন্ধ করে রেখেছিলাম।

এভাবেই শিক্ষকরা আত্মমর্যাদা বোধসম্পন্ন জাতি গঠনে কাজ করে চলেন নিরন্তর। আমার সকল শিক্ষকদের সালাম জানাই, শ্রদ্ধা জানাই।

07/11/2020

কালুহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ট থেকে নবম শ্রেণীর সকল শিক্ষার্থীদের জানানো যাইতেছে যে, আগামীকাল ০৮/১১/২০২০ ইং রোজ রবিবার সকাল ১০ ঘটিকায় স্বাস্থবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করে সকলকে বাধ্যতামূলক উপস্থিত থাকতে হবে।

---আদেশক্রমে
প্রধান শিক্ষক
কালুহাটী উচ্চ বিদ্যালয়

কেনেডি-লুগার ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড স্টাডি (YES) প্রোগ্রামে আবেদন করুন এখনই! | বাংলাদেশে যুক্তরা 23/10/2020

কেনেডি-লুগার ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড স্টাডি (YES) প্রোগ্রামে আবেদন করুন এখনই! | বাংলাদেশে যুক্তরা নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে আমেরিকান পরিবারের আতিথেয়তায় এক শিক্ষাবর্ষকাল অবস্থান করবেন এবং আমেরিকা....

22/10/2020

ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে ইফতার পার্টির রেওয়াজ বহুকাল ধরে চলে আসছে। সেই সঙ্গে সেখানে কাকে দেখা গেল, কাকে গেল না, কাকে দাওয়াত দেওয়া হলো, কাকে দেওয়া হলো না, সেদিকে মিডিয়ার সজাগ দৃষ্টি রাখা- এসব অনেকেরই জানা। কিন্তু একটা ছন্দপতন ঘটিয়েছিলেন ড. এ পি জে আবদুল কালাম। তাঁর আমলটি ছিল ইফতার পার্টিমুক্ত। ভারতের সাবেক এই বিদ্বান রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত জীবনের অনেক চমকপ্রদ তথ্য ইতোমধ্যে বেরিয়েছে, কিন্তু এবারে এমন কিছু নজরে এলো- যা প্রত্যেককে সুগভীরভাবে স্পর্শ করার উপাদানে ভরপুর।

পি মাধভান নায়ারের লেখা ‘দ্য কালাম এফেক্ট, মাই ইয়ার্স উইথ দ্য প্রেসিডেন্ট’ প্রকাশিত হয়েছিল ২০০২ সালে। ১৯৬৭ ব্যাচের নায়ারকে আবদুল কালাম নিজেই বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর সচিব হতে সরকারের দেওয়া প্যানেলের সব নাম তিনি নাকচ করেছিলেন।
ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি আবদুল কালামকে নিয়ে তাঁর সাবেক সচিব অবসরপ্রাপ্ত আইএস কর্মকর্তা পি এম নায়ারের একটি সাক্ষাৎকার দূরদর্শনের তামিলভাষী আঞ্চলিক চ্যানেল ডিডিপোধিগাই প্রচার করেছিল। এর অনুবাদ নিচে তুলে ধরা হলো :

১. ড. এ পি জে আবদুল কালাম যখনই বিদেশ যেতেন, তখনই দামি উপঢৌকন নিতে তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। কারণ এটাই রাষ্ট্রাচার। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশ ও জাতিরাষ্ট্রের কাছ থেকে সফররত বিদেশি রাষ্ট্র বা সরকার-প্রধানদের এ ধরনের উপঢৌকন নেওয়া একটি বৈশ্বিক প্রথা হিসেবে প্রচলিত রয়েছে। এই উপঢৌকন প্রত্যাখ্যান করা হলে তা কোনো জাতির প্রতি একটা উপহাস এবং ভারতের জন্য তা বিব্রতকর। সুতরাং তিনি বিনা বাক্য ব্যয়ে এসব উপঢৌকন নিতেন। কিন্তু তিনি ফিরে আসার পরে তাঁর নির্দেশ থাকত- সব উপহারসামগ্রীর আলোকচিত্র তুলতে হবে। এর ক্যাটালগ করতে হবে। এরপর তা মহাফেজখানায় দিয়ে দিতে হবে। এরপরে তাঁকে আর কখনো উপহারসামগ্রীর দিকে ফিরে তাকাতেও দেখা যায়নি। তিনি যখন রাষ্ট্রপতি ভবন ত্যাগ করেছিলেন, তাঁকে এমনকি একটি পেনসিলও নিয়ে যেতে দেখা যায়নি।

২. ২০০২ সালে ড. আবদুল কালাম যখন রাষ্ট্রপতির পদ নিয়েছিলেন, তখন রমজান এসেছিল জুলাই-আগস্টে। ভারতীয় রাষ্ট্রপতির জন্য এটা একটা নিয়মিত রেওয়াজ যে তিনি একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করবেন। একদিন ড. কালাম তাঁর সচিব মি. নায়রাকে বললেন, কেন তিনি একটি পার্টির আয়োজন করবেন? যেখানে এমন পার্টির অতিথিরা সর্বদাই ভালো খাবার খেয়ে অভ্যস্ত। তিনি মি. নায়ারের কাছে জানতে চাইলেন, একটি ইফতার পার্টির আয়োজনে কত খরচ পড়ে? মি. নায়ার তাঁকে জানালেন, প্রায় ২২ লাখ রুপি। ড. কালাম তাঁকে নির্দেশ দিলেন, কতিপয় নির্দিষ্ট এতিমখানায় এই অর্থ, খাদ্য, পোশাক ও কম্বল কিনে দান করতে হবে। রাষ্ট্রপতি ভবনের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম এতিমখানা বাছাইয়ের দায়িত্ব পেয়েছিল। ড. কালাম এক্ষেত্রে কোনো প্রভাব বিস্তার করেননি। এতিমখানা বাছাইয়ের পরে ড. কালাম মি. নায়ারকে তাঁর কক্ষে ডাকলেন এবং এক লাখ রুপির একটি চেক দিলেন। তিনি বললেন, তিনি তাঁর ব্যক্তিগত সঞ্চয় থেকে কিছু অর্থ দান করছেন। কিন্তু এ তথ্য কারো কাছে প্রকাশ করা যাবে না। মি. নায়ার হতভম্ব হয়ে বললেন, ‘স্যার, আমি এখনই বাইরে গিয়ে সবাইকে বলব। কারণ মানুষের জানা উচিত, এখানে এমন একজন মানুষ রয়েছেন- যে অর্থ তাঁর খরচ করা উচিত, শুধু সেটাই তিনি দান করেননি, তিনি সেই সঙ্গে নিজের অর্থও বিলিয়েছেন।’ ড. কালাম রাষ্ট্রপতি ভবনে থাকার বছরগুলোতে কখনো কোনো ইফতার পার্টি দেননি।

৩. ড. কালাম ‘ইয়েস স্যার’ ধরনের লোক পছন্দ করতেন না। একবার যখন ভারতের প্রধান বিচারপতি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতে এলেন এবং কোনো একটি পর্যায়ে ড. কালাম তাঁর সচিবের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আপনি কি আমার এ কথার সঙ্গে একমত?’ মি. নায়ার ভাবলেশহীনভাবে বললেন, ‘না স্যার, আমি আপনার সঙ্গে একমত নই।’ অবাক হয়ে গেলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। একজন সিভিল সার্ভেন্টের পক্ষে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দ্বিমত করা এবং এতটা প্রকাশ্যে করা, তা ভাবাও যায়নি। মি. নায়ার প্রধান বিচারপতিকে বলেন, রাষ্ট্রপতি পরে তাঁকে প্রশ্ন করবেন, জানতে চাইবেন, কেন তিনি তাঁর সঙ্গে একমত হতে পারেননি। এবং যদি মি. নায়ারের যুক্তি ৯৯% সংগত হয়, তাহলে তিনি তাঁর মন পরিবর্তন করবেন।

৪. ড. কালাম তাঁর আত্মীয়দের একবার দিল্লিতে আমন্ত্রণ জানালেন। তাঁরা সবাই রাষ্ট্রপতি ভবনে অবস্থান নিলেন। তাঁদের নগর পরিদর্শন করাতে তিনি একটি বাস ভাড়া করলেন এবং সে অর্থ তিনি পরিশোধ করেন। কোনো সরকারি গাড়ি তাঁর আত্মীয়দের জন্য ব্যবহৃত হয়নি। ড. কালামের নির্দেশনা অনুসারে, তাঁদের থাকা-খাওয়ার খরচ হিসাব করা হলো। বিল দাঁড়াল দুই লাখ রুপি- যা তিনি পরিশোধ করেছেন। ভারতীয় ইতিহাসে এটা আর কেউ করেননি।
এখানেই শেষ নয়, এবার বরং আরো নাটকীয়তার জন্য অপেক্ষা করুন। ড. কালাম একবার চাইলেন তাঁর সঙ্গে তাঁর বড় ভাই পুরো এক সপ্তাহ যাতে সময় কাটান। তা-ই হলো। কিন্তু তিনি চলে যাওয়ার পরে তাঁর রুমভাড়া বাবদ তিনি অর্থ পরিশোধ করতে চাইলেন। কল্পনা করুন, একটি দেশের রাষ্ট্রপতি এমন একটি কক্ষের জন্য ভাড়া পরিশোধ করতে চাইছেন, যা তাঁর নিজের জন্যই বরাদ্দ। এবারে রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা পূরণ হলো না। কারণ তাঁর ব্যক্তিগত স্টাফরা ভেবেছিলেন, এতখানি সততা অনুসরণ তাঁদের পক্ষে বিদ্যমান বিধির আওতায় সামাল দেওয়া কঠিন।

৫. মেয়াদ শেষ হয়ে এলে তিনি রাষ্ট্রপতি ভবন ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁর সঙ্গে দেখা করে বিদায়ী শ্রদ্ধা জানান। মি. নায়ার এভাবেই শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতির কাছে একা গিয়েছিলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটা হয়ে ওঠেনি। কারণ স্ত্রীর পা ভেঙে গিয়েছিল বলে তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। ড. কালাম জানতে চাইলেন, তিনি কেন তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে আসেননি। তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, দুর্ঘটনাকবলিত হওয়ার কারণে তিনি শয্যাশায়ী।
পরদিন মি. নায়ার শশব্যস্ত হয়ে এদিক-ওদিক তাকালেন। কারণ তিনি হঠাৎ দেখলেন, তাঁর ঘরের চারপাশে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী ছেয়ে ফেলেছে। নিরাপত্তারক্ষীরা জানালেন, ভারতের রাষ্ট্রপতি তাঁর ঘরে আসছেন। রাষ্ট্রপতি গৃহে প্রবেশ করলেন। মিসেস নায়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এবং কিছুক্ষণ গল্পের পরে চলে গেলেন। মি. নায়ার তাঁর ওই সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘কোনো দেশের প্রেসিডেন্ট একজন সিভিল সার্ভেন্টের ঘরে এভাবে যাবেন না। তাও এমন এক ঠুনকো অজুহাতে।’

এ পি জে আবদুল কালামের ছোট ভাই একটি ছাতা মেরামতের দোকান চালান। মি. নায়ার তাঁর দেখা পেয়েছিলেন আবদুল কালামের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায়। তখন রাষ্ট্রপতির ভাই মি. নায়ারের কদমবুসি করলেন, যা ছিল তাঁর তরফে মি. নায়ার এবং তাঁর প্রয়াত ভাই ড. আবদুল কালামের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন!

‘দ্য কালাম এফেক্ট, মাই ইয়ার্স উইথ দ্য প্রেসিডেন্ট’

(সংগৃহীত)

20/10/2020

দীর্ঘ প্রায় ত্রিশ বছর পর হোটেল লবিতে পুরোনো বন্ধুর সাথে দেখা। শৈশবের অতি সাধারণ শান্ত, শিষ্ট , ভদ্র, বিনয়ী বন্ধুটি দেখতে এখনো সেই আগের মতো। চলাফেরা একেবারেই সাধারণ। কুশলাদি বিনিময়ের পর বললাম- আমি ওকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে পারি। ওকে যতনা বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার আগ্রহ তার চেয়ে গোপন আগ্রহ আমার দামী মার্সিডিজ গাড়িটি দেখানো।
ও ধন্যবাদ জানিয়ে বললো- ও নিজের গাড়িতেই যেতে পারবে। পার্কিং লটে দুজনে পাশাপাশি হেঁটে হেঁটে আসলাম। সাধারণ একটা গাড়ি চালিয়ে ও ফিরে গেলো।

পরের সপ্তাহে ওকে ডিনারে আমন্ত্রণ জানালাম। ফ্যামিলি নিয়ে আসলো। মার্জিত একটা পরিবার। একেবারেই আড়ম্বরহীন। তবে, মনে হলো- বেশ সুখী।
আমার মনের কোনো একটা জায়গা থেকে বারবার ওকে দেখাতে চাচ্ছিলাম— দেখো আমার কী সুন্দর অভিজাত বাড়ী। দামী বাড়ির সব আসবাবপত্র। নানা রকমের লাক্সারিয়াস সংগ্রহ। গল্পের ফাঁকে ফাঁকে বুঝাচ্ছিলাম- অফিস ট্যুরে কত দেশে দেশে ঘুরতে হয়। ইশারা ইঙ্গিতে এও বুঝাচ্ছিলাম- ও চাইলে বিজন্যাসে আসতে পারে। কত ধনী মানুষের সাথে আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগ আছে। বড় একটা বিজনেস লোন ম্যানেজ করে দেয়া কোনো ব্যাপারই না।

এসব নিয়ে ওর তেমন আগ্রহ আছে বলে মনে হলোনা। বিশ্বের নানা দর্শনীয় স্থান, বিখ্যাত যাদুঘর প্রদর্শনের ছবি দেখিয়ে বুঝাবার চেষ্টা করলাম- জীবন আমাদের কত মোহনীয়। কত কিছু দেখেছি। আর্ট গ্যালারিতে পরবর্তী প্রদশর্নীর সংবাদ ওকে জানিয়ে বুঝালাম শুধু দামী বাড়ি আর গাড়ি না। একটা সুন্দর শৈল্পিক মনও আমাদের রয়েছে। এ্যালবামের ছবিগুলো ওরা খুব আগ্রহের সাথে দেখলো। আমাদের সবকিছুর প্রশংসা করলো। বুঝা গেলো আমার জীবন সাফল্যে ‘ও আসলেই খুব মুগ্ধ।
তারপর বললো- এসব দেখার পাশাপাশি সুযোগ পেলে শৈশবের পুরোনো বন্ধু, বয়স হয়ে যাওয়া স্যার, নিজের আত্মীয় স্বজনদের দেখো। দেখতে না পারলে অন্তত একটু সময় বের করে খোঁজ খবর নিও। বিজন্যাস আলাপ তেমন গুরুত্ব পেলোনা। শুরু হলো শৈশবের নানা গল্প। স্যাররা সবাই কেমন আছেন। কোন কোন স্যারের সাথে এখনো যোগাযোগ আছে ইত্যাদি। জীবনের ঋণ পরিশোধের আগেই বেশ কয়েকজন স্যার জান্নাতবাসী হয়েছেন-শুনে হৃদয়ে ক্ষরণ হলো। কয়েকজন বন্ধুর চির বিদায়ের খবর জেনে দুজনের মনটাও বেশ আদ্র হলো।

আমার বউয়ের এসব গল্প তেমন পছন্দ হলোনা। স্পষ্টভাষী বউ পাশ থেকে বললো- শুধু শৈশব আর শৈশব আর নানা নীতিশাস্ত্র নিয়ে পড়ে থাকলে জীবনে আগানো যায়না। সবারই শৈশব আছে। এটা এমন আহামরি কিছুনা।

আমি একটু আড়ষ্ট হলাম। এরপর আর তেমন গল্প জমলো না। একসময় ওরা বিদায় নিলো।

কয়েক সপ্তাহ পর- ওর কাছ থেকে ফোন আসলো। বাড়ির ঠিকানা দিয়ে বললো- দুপুরে একসাথে খেতে। আমার বউয়ের তেমন আগ্রহ আছে বলে মনে হলোনা। তারপরও আমার জোড়াজুড়িতে রাজী হলো।
বন্ধুর বাড়ী এসে দেখলাম- দামী না হলেও বেশ সুন্দর পরিপাটি করে সাজানো গোছানো একটা বাড়ি। আভিজাত্যের কোনো চমক নেই কিন্তু বেশ একটা শান্ত আর স্নিগ্ধতার পরশ আছে।

বসার ঘরে টেবিলের ওপর দেখলাম- আমি যে কোম্পানিতে চাকুরি করি সেই কোম্পানি থেকে পাঠানো সুন্দর একটা গিফট বক্স।
আমার কৌতুহল বাড়লো- বললাম- আমিতো এই কোম্পানিতেই চাকুরী করি। তুমি কি এখানে কাউকে চিনো নাকি?
ও বললো- ডেভিড পাঠিয়েছে?
ডেভিড মানে কোন ডেভিড?
ডেভিড থমসন।
কি বলো - মিঃ ডেভিড থমসন !! আমাদের কোম্পানীর এমডি? তুমি ওনাকে চিনো? কীভাবে, কেমন করে- আমার নানা প্রশ্ন।
আমি জানতাম আমাদের কোম্পানীর ৩০% মালিক ডেভিড। আর বাকি ৭০% মালিক ডেভিডের কোনো এক বন্ধু। শুধু তাইনা বিশাল বড় এই কোম্পানীর পুরো ভূ-সম্পত্তির মালিকও নাকি সেই বন্ধু। এক সেকেন্ড আগেও কি কল্পনা করেছিলাম- কত বড় বিস্ময় আমার জন্য অপেক্ষা করছে।

মনের যে সব জায়গা থেকে ওকে বারবার আমার দামী মার্সিডিজ, দামী গৃহ, দামী আসবাবপত্র ইত্যাদি দেখিয়ে আভিজাত্য আর জৌলুসের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছিলাম- সেই জায়গা থেকে কখন ওকে স্যার ডাকা শুরু করেছি- বুঝতে পারছিনা। এক মন বলছে- বন্ধুকে স্যার ডাকতে নেই। আরেক মন বলছে-যে আমার এমডি স্যারের বন্ধু আর যে নিজেই কোম্পানীর ৭০% মালিক সহ পুরো ভূ-সম্পদের মালিক ওকে স্যার না ডেকে এখন আমি কি ডাকবো।

দম্ভ, অহংকার আর আভিজাত্য প্রদর্শনের বেলুন মনে হলো এক মুহুর্তেই চুপসে গেলো। একসাথে লান্চ শেষ করে ঘরে ফিরছি। গাড়িতে বসে আছি চুপচাপ। আমার স্ত্রী আমার চেয়ে আরো বেশি শান্ত আর নীরব। স্পষ্টই বুঝতে পারছি- তার মনের গভীরে এখন কি চলছে?
আমাদের দম্ভ, গরীমা আর অহঙ্কার যত বেশী - যার কাছ থেকে আমার বেতনের টাকা আসে তার এসব তত কম। সে কত অনাড়ম্বর, কত বিনয়ী আর কত সাধারণ তার জীবন যাপন।

শৈশবে স্যারের বলা একটা কথা বারবার মনে পড়ছে - "যে নদী যত গভীর তার বয়ে যাওয়ার শব্দ ততই কম।"।
Indeed Deeper Rivers Flow In Majestic Silence!
কথাগুলো কত সত্য!! কত সত্য !!!!

আমি কারুকার্যে খচিত এক ঘটের মাঝে তোলা পানি আজ এক গভীর নদী দেখে ঘরে ফিরলাম।

(একটি ইংরেজী গল্পের ভাবানুবাদ) copy.
Nasim Talukder

11/10/2020

আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন বিকালে খেলতে বের হলে সন্ধ্যায় ঘরে ফিরতে ইচ্ছা করতো না। কিন্তু, আজকের শিশুরা ঘরে বসে মোবাইল চালানো শুরু করলে আর বাহিরে যেতে চায় না! সময়ের সাথে সাথে নতুন প্রজন্মের জীবন পদ্ধতি বদলে যাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু, সেই নতুন প্রজন্ম যদি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন যেনো আমাদের হাত থেকে পুরো পৃথিবীই হারিয়ে যাবে। কারন, এই নতুন প্রজন্মই তো ভবিষ্যৎ পৃথিবী।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা যেনো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের এক হাত ধরে রেখে আরেক হাতের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছি। সন্তানের ইন্টারনেট জীবনের ওপর বাবা- মায়ের কোন হস্তক্ষেপই যেনো নেই। সন্তান ফেসবুকে একাউন্ট খুলে আজেবাজে post করে যাচ্ছে, ইউটিউবে prank ভিডিওর নামে মানুষকে বিরক্ত করে যাচ্ছে কিন্তু, বাবা- মা কিছুই জানেন না। সন্তান ফেসবুকে এসে live ভিডিওতে আত্মহত্যা করছে অথচ, বাবা- মা রক্ষা করতে পারছেন না। এর কারন কি? কারন হচ্ছে- সন্তান যতোই ইন্টারনেটে ডুবে যাচ্ছে, ততোই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে বাবা- মা এই বিচ্ছিন্নতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। এরপর যখন সে তার পরিবার থেকে একদমই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে তখন হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় কেউ কেউ অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে আর, কেউ করে আত্মহত্যা!

এখানে ভেবে দেখার বিষয়- ছোট শিশুকে আমরা হাঁটতে শেখাই, তারপর রাস্তায় যেতে দেই। কিন্তু, সেই একই শিশুকে ইন্টারনেটের পথে হাঁটতে না শিখিয়েই ইন্টারনেটের রাস্তায় ছেড়ে দিচ্ছি। এরপর অন্য কেউ এসে তাকে ইচ্ছামতো পথে হাঁটিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে।

কচি বয়সের শিশুরা ইন্টারনেটে অশ্লীল ছবি, দলীয় কোন্দল থেকে শুরু করে অযাচিত অনেক কিছুই নিয়মিত দেখছে। কিন্তু, এসব দেখার পর আপনি যেই জ্ঞান দিয়ে বিচার করতে পারেন, আপনার শিশুর সেই জ্ঞান নেই। ফলে এসব আপনার শিশুর চিন্তাচেতনায় বাজে প্রভাব ফেলছে।

একটি বড় সমস্যা হচ্ছে, অনেকেই নতুন প্রযুক্তিকে 'বাজে' বলেন। সন্তানকে মোবাইল চালাতে দেখলে বলেন, "এই মোবাইলটাই তোমার জীবন শেষ করবে"! কিন্তু, ইন্টারনেট কিভাবে তার জীবনটা শেষ করবে? আপনি তাকে সমাধান দিন! পথ দেখিয়ে দিন! স্কুলের ক্লাস পর্যন্ত অনলাইনে হচ্ছে; আপনার সন্তান তো ইন্টারনেট চালাতে বাধ্য! প্রযুক্তিতে উন্নত দেশ আমেরিকা, চীন, রাশিয়াকে তো ঠিকই 'উন্নত দেশ' বলে যাচ্ছেন! প্রযুক্তির ব্যাবহার করায় ভিনদেশীরা উন্নত অথচ, সেই একই প্রযুক্তি ব্যাবহার করলে আপনার ছেলে 'নষ্ট'! এটা কেমন একটা হয়ে গেলো না?

অভিভাবকদের উচিত- সন্তানকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে সঠিক পথে রাখা। আজকে আমাদের জীবনটাই ইন্টারনেট নির্ভর। সেই ইন্টারনেটকে কিভাবে স্বচ্ছ ও সামাজিক রাখা যায়, সেই বিষয়ে ভাবতে হবে সবাইকেই।

জ্ঞানের বিশ্বায়ন
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন

সব দান করে দারিদ্র্যবরণ 22/09/2020

সব দান করে দারিদ্র্যবরণ একজন মানুষের কতটুকু জমি দরকার? সেই প্রশ্ন রেখেছিলেন রুশ সাহিত্যিক লেভ তলস্তয়। একই নামের তার সেই গল্পে এর উত্তরও দ....

দ্বাদশে ৯৮.২ নম্বর পাওয়া কৃষকের ছেলের স্বপ্নপূরণ কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে 17/09/2020

দ্বাদশে ৯৮.২ নম্বর পাওয়া কৃষকের ছেলের স্বপ্নপূরণ কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুরাগ তিওয়ারি। উত্তর প্রদেশের এক কৃষকের ঘরে জন্ম। সংসারের ব্যয়ভার মেটাতে বাবা মাঝেমধ্যে রাজমিস্ত্রির কাজও করে...

ট্রান্সফ্যাট হৃদরোগ: বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ এক পরিস্থিতি - BBC News বাংলা 11/09/2020

ভাজা-পোড়া খাবার এমনকি বিস্কুট, চানাচার খাওয়া বাদ দেওয়াটাই আপাতত সমাধান :-(

ট্রান্সফ্যাট হৃদরোগ: বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ এক পরিস্থিতি - BBC News বাংলা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বুধবারে প্রকাশ করা এক প্রতিবেদনে বলেছে, বিশ্বে ট্রান্সফ্যাট গ্রহণের কারণে হৃদরোগে আক্রা...

অগ্নিদগ্ধ হলে সাথে সাথে যে পাঁচটি কাজ করা জরুরি - BBC News বাংলা 07/09/2020

খুব জরুরি কিছু তথ্য। জেনে রাখতে পারেন। পুড়ে গেলে পানি ঢালতে হবে, বরফ বা বরফযুক্ত পানি দেয়া যাবে না। টুথপেস্ট, ডিম এসবও দেয়া যাবে না। শুধুই পানি এবং দ্রুততম সময়ে হাসপাতালে নিতে হবে।

অগ্নিদগ্ধ হলে সাথে সাথে যে পাঁচটি কাজ করা জরুরি - BBC News বাংলা বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাব মতে, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন.....

03/09/2020

'প্রিয় বঙ্গবন্ধু ২০২০' এর ফলাফল

গ্রুপ: সিনিয়র
নাম: জুবায়ের ইবনে কামাল
স্থান: ১ম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ কর্তৃক আয়োজিত বঙ্গবন্ধুকে চিঠি লেখার প্রতিযোগিতা 'প্রিয় বঙ্গবন্ধু ২০২০' এ অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অর্জন করার জন্য আপনাকে অভিনন্দন।

30/08/2020

বাংলাদেশের নাম কীভাবে 'বাংলাদেশ' হল?
এই দেশের নাম বাংলাদেশ রাখার পেছনে রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস। কীভাবে এই দেশের নাম বাংলাদেশ রাখা হল - এ বিষয়টিকে ইতিহাসের কয়েকটি পরিক্রমায় ভাগ করে বিশ্লেষণ করেন ইতিহাসবিদরা।

বিবিসি বাংলার সাথে আলাপকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেনও "বাংলাদেশ" শব্দের উৎপত্তিগত ব্যাখ্যা দেন।

যেখানে "বাংলা" শব্দের উৎপত্তি হয়েছে সংস্কৃত শব্দ "বঙ্গ" থেকে। আর্যরা "বঙ্গ" বলে এই অঞ্চলকে অভিহিত করতো বলে ইতিহাস থেকে জানা যায়।

তবে বঙ্গে বসবাসকারী মুসলমানরা এই "বঙ্গ" শব্দটির সঙ্গে ফার্সি "আল" প্রত্যয় যোগ করে। এতে নাম দাঁড়ায় "বাঙাল" বা "বাঙ্গালাহ্"।

"আল" বলতে জমির বিভক্তি বা নদীর ওপর বাঁধ দেয়াকে বোঝাতো।

ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের উদ্ধৃতি দিয়ে সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, "মুসলমান শাসনামলে বিশেষ করে ১৩৩৬ থেকে ১৫৭৬ সাল পর্যন্ত সুলতানি আমলে এবং ১৫৭৬ সালে মোঘলরা বাংলা দখল করার পরে এই অঞ্চলটি বাঙাল বা বাঙালাহ নামেই পরিচিতি পায়।"

তবে বাংলা, বাঙাল বা দেশ - এই তিনটি শব্দই ফার্সি ভাষা থেকে এসেছে। কোনটিই বাংলা শব্দ নয়।

এরপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজারা দখলদারিত্বের সময় এই বাংলাকে বিভিন্ন নাম দেন।

শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজুদ্দৌলাও বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, আসামের মতো কয়েকটি প্রেসিডেন্সি নিয়ে নাম দিয়েছিলেন "বঙ্গ"।

ব্রিটিশ শাসনামলে এই অঞ্চলের নাম হয় বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি।

এরপর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় গোটা বাংলায় একটা প্রশাসনিক বিভাজন হয়। বাংলার পশ্চিম অংশ হয়ে যায় পশ্চিম বঙ্গ এবং পূর্ব অংশ হয়ে যায় পূর্ব বাংলা।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন অবসানের পর ১৯৪৭ সালে বঙ্গ-প্রদেশ ভারত ও পাকিস্তানে বিভক্ত হল। সে সময় পাকিস্তানিরা পূর্ব বাংলার নাম দিতে চাইলো পূর্ব পাকিস্তান।

কিন্তু এ নিয়ে সেই সময় থেকেই বিতর্ক শুরু হয়। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানের মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায় বাংলা।

এরপর ১৯৫৭ সালে করাচীতে পাকিস্তানের গণপরিষদের তরুণ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান বক্তৃতা দেয়ার সময় "পূর্ব পাকিস্তান" নামটির প্রতিবাদ করে বলেন যে, পূর্ব বাংলা নামের একটি ইতিহাস ও ঐতিহ্য আছে।

"আর যদি পূর্ব পাকিস্তান নাম রাখতেই হয়, তাহলে বাংলার মানুষের জনমত যাচাই করতে হবে। তারা নামের এই পরিবর্তন মেনে নিবে কিনা - সেজন্য গণভোট নিতে হবে।"

তারপর ১৯৬২ সালে সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে নিউক্লিয়াস নামে ছাত্রলীগের একটি গোপন সংগঠন প্রতিষ্ঠা পায়। যারা স্বাধীনতার পক্ষে চিন্তাভাবনা করতো। তারা এই অঞ্চলকে বলতেন স্বাধীন পূর্ব বাংলা।

এরপর আসে ১৯৬৯ সাল। শুরু হয় আইয়ূব পতন আন্দোলন। সেসময় গণঅভ্যুত্থানে স্লোগান দেয়া হয় "বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।"

ইতিহাস অনুযায়ী, ওই প্রথম পূর্ব বাংলাকে "বাংলাদেশ" নামে অভিহিত করা হয়।

পরে ১৯৬৯ সালের ৫ই ডিসেম্বর গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দির ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেন, "আমাদের স্বাধীন দেশটির নাম হবে বাংলাদেশ"।

ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগের নেতারা বিভিন্ন নাম প্রস্তাব করেন। পরে শেখ মুজিবুর রহমান "বাংলাদেশ" নামটি প্রস্তাব করলে তাতে সবাই একবাক্যে সায় দেন।

এই নাম দেয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন, ১৯৫২ সালে সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত বাংলা ভাষা থেকে "বাংলা", এরপর স্বাধীন দেশের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে দেশ। এই দুটো ইতিহাস ও সংগ্রামকে এক করে "বাংলাদেশ" নামকরণ করা হয়।

এরপরও নথিপত্র-গুলোয় পূর্ব পাকিস্তান লিখতে হলেও কেউ মুখে পূর্ব পাকিস্তান উচ্চারণ করতেন না। সবাই বলতেন বাংলাদেশ।

সেই থেকে এই দেশকে আর কেউ পূর্ব পাকিস্তান বলেনি। সবাই বাংলাদেশ হিসেবেই মনে-প্রাণে স্বীকৃতি দিয়েছিল বলে জানান ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।

তারপর মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার যে ঘোষণা প্রচার করে - তাতেও বলা হয় এই দেশটির নাম হল "বাংলাদেশ"।

এরপর ১৯৭২ এর চৌঠা নভেম্বর যখন প্রথম সংবিধান প্রণীত ও গৃহীত হয় সেই সময়ও দেশটির সাংবিধানিক নাম দেয়া হয় "বাংলাদেশ"।

এছাড়া উনিশ শতকের সাহিত্যে অবিভক্ত বাংলাকে "বঙ্গদেশ" বা "বাংলাদেশ" বলা হতো।

বঙ্কিমচন্দ্রের সাহিত্যে "বঙ্গদেশ" শব্দের উল্লেখ আছে। কাজী নজরুল ইসলাম তিরিশের দশকে তার কবিতায় "বাংলাদেশ" নামটি ব্যবহার করেছেন। আবার সত্যজিতের চলচ্চিত্রেও উচ্চরিত হয়েছে "বাংলাদেশ" নামটি।

অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাকে আখ্যায়িত করেছেন "সোনার বাংলা" বলে আর জীবনানন্দ দাস বলেছেন "রূপসী বাংলা"।

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

Location

Category

Website

Address


Kaluhati, Charghat
Rajshahi
6280
Other Schools in Rajshahi (show all)
Rajshahi B. B. Hindu Academy Rajshahi B. B. Hindu Academy
Sagorpara, Ghoramara
Rajshahi, 6100

One of the best school in this subcontinent since 1898.

Suffix Pre-Cadet and Kinder Garden- বাগমারা, রাজশাহী Suffix Pre-Cadet and Kinder Garden- বাগমারা, রাজশাহী
Madarigonj Bagmara
Rajshahi, 6440

Suffix Pre-Cadet and Kinder Garden- বাগমারা, রাজশাহী Primary and High School

Ranihati ML High School Ranihati ML High School
Ranihati, Rajshahi, Rajshahi
Rajshahi, 6300

Ranihati ML High School, Shibganj, Chapainawabganj

Arabic Learning Centre BD Arabic Learning Centre BD
Kajla
Rajshahi, 6500

Many people of Bangladesh want to learn Arabic Language but they don't get any suitable platform. Th

Konabaria High School, Konabaria, Bagmara, Rajshahi Konabaria High School, Konabaria, Bagmara, Rajshahi
Konabaria, Bagmara
Rajshahi, 6251

Konabaria High School, Bagmara, Rajshahi

Nourish Kindergarten Nourish Kindergarten
Kazihata, Rajpara
Rajshahi, 6000

A kindergarten school for children

English With Konaa English With Konaa
Rajshahi

English Learning Platform.

জামিয়া কওমিয়া মহিলা মাদরাসা রাজশাহী জামিয়া কওমিয়া মহিলা মাদরাসা রাজশাহী
Jamalpur, Padma Abashik, Boalia
Rajshahi, 6000,6100,6203

জামিয়া ক্বওমিয়া মহিলা মাদ্রাসা রাজশা

Godagari River View Semi-English Medium School Godagari River View Semi-English Medium School
Godagari Thana More
Rajshahi, 6290

নওহাটা ছালেহিয়া দারুচ্ছুন্নাত ফাজিল মাদরাসা নওহাটা ছালেহিয়া দারুচ্ছুন্নাত ফাজিল মাদরাসা
Rajshahi
Rajshahi, 6213

ইলম ও আমলের অনুশীলনে নির্ভরযোগ্য আদর?

Shishu Niketan & Sadar Junior High School Shishu Niketan & Sadar Junior High School
Khetlal 5920, Joypurhat
Rajshahi

Fountain Musical Arts Center Fountain Musical Arts Center
Padma Residential Area, House No : 156, Holding No : 83 , Road No : 05 , Post Co
Rajshahi, 6000

Located in Rajshahi, Bangladesh, this school provides an opportunity for Bengalis to learn Western m