Biology Plus by Dr Mehedi

Biology Plus by Dr Mehedi

Share

...স্বপ্ন জয়ের যুদ্ধে আমরা আছি তোমার সাথে ...

18/05/2026

রাজশাহীতে বায়োলজির সেরা প্রস্তুতির জন্য ডা. মেহেদী হাসান ভাইয়ার HSC 28 Advance 1st Year ব্যাচে ভর্তি চলছে! 🩺🧬📚

​ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য আজই যোগাযোগ করো:
📞 01740-238497
📞 01755-935467
​🏢 অফিসের ঠিকানা:
বহুমুখী গার্লস স্কুলের সামনে, হেতেমখা, রাজশাহী। 📍

18/05/2026

এমন একটি পৃথিবীর কথা ভাবুন যেখানে মানুষ পার্কে হাঁটার মতোই সহজে সমুদ্র অন্বেষণ করতে পারবে। গভীর সমুদ্রের বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম ফুলকার মাধ্যমে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করছেন, যা সরাসরি জল থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। এই নতুন প্রযুক্তি ডুবুরিদের ভারী ট্যাঙ্ক বা সীমিত বায়ু সরবরাহ ছাড়াই জলের নিচে থাকতে সাহায্য করতে পারে। সমুদ্রপ্রেমী সাধারণ মানুষের জন্য, এটি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার বলে মনে হচ্ছে যা জলের নিচের অন্বেষণ সম্পর্কে আমাদের চিন্তাভাবনা বদলে দিতে পারে।

প্রচলিত স্কুবা সরঞ্জামগুলো ভারী এবং সময়-সীমিত, কারণ ডুবুরিদের তাদের সমস্ত বাতাস নিজেদের সাথে বহন করতে হয়। এর মানে হলো স্বল্প সময়ের ডুব এবং সতর্ক পরিকল্পনা। কিন্তু কৃত্রিম ফুলকাগুলো মাছের ফুসফুসের মতো কাজ করে, যা আপনার চারপাশের জল থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করে। যদি এটি নিখুঁত করা যায়, তবে এর অর্থ হতে পারে সীমাহীন ডুব দেওয়ার সময়, সরঞ্জাম নিয়ে কম দুশ্চিন্তা এবং জলের নিচের জীবন আবিষ্কারের জন্য আরও বেশি স্বাধীনতা। আমরা যা করতে ভালোবাসি, তা করার জন্য আরও বেশি সময় চাওয়ার অনুভূতিটা বোঝা সহজ। আপনি ছুটিতে স্নোরকেলিং করুন বা জাহাজডুবি দেখে মুগ্ধ হন, দীর্ঘ এবং নিরাপদ ডুব একটি সম্পূর্ণ নতুন জগৎ উন্মোচন করতে পারে।

এই উদ্ভাবনটি কেবল অভিযাত্রীদের জন্যই উত্তেজনাপূর্ণ নয়। এটি বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ সময় ধরে সামুদ্রিক জীবন নিয়ে গবেষণা করতে, ডুবো উদ্ধার অভিযান উন্নত করতে, অথবা সমুদ্রের কাজগুলোকে আরও নিরাপদ করতে সাহায্য করতে পারে। বিশাল আকারের ট্যাঙ্ক ছাড়াই জলের নিচে শ্বাস নেওয়ার ধারণাটি প্রায় কল্পবিজ্ঞানের মতো মনে হলেও, এটি প্রতিদিন বাস্তবতার আরও কাছাকাছি আসছে। গবেষণা চলতে থাকায়, নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত প্রভাব মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে, যাতে এই প্রযুক্তি মানুষ এবং আমরা যে ভঙ্গুর সামুদ্রিক বিশ্বকে রক্ষা করতে চাই, উভয়কেই সাহায্য করে।

যদি কৃত্রিম ফুলকা বাস্তবসম্মত হয়ে ওঠে, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো ফিরে তাকিয়ে অবাক হবে যে আমরা কীভাবে সীমাবদ্ধতার মধ্যে গভীর সমুদ্র অন্বেষণ করেছিলাম।

17/05/2026

“গবেষকরা সম্প্রতি একটি অত্যন্ত বিরল hybrid blood type শনাক্ত করেছেন, যা এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে মাত্র ৩ জন মানুষের শরীরে পাওয়া গেছে।
এই নতুন রক্তের ধরনটি প্রচলিত ABO blood group system-এর বাইরে এক বিরল জিনগত বৈশিষ্ট্যের ইঙ্গিত দেয়।”

সূত্র: Popular Mechanics, ScienceAlert, Times of India

17/05/2026

কোনটি সঠিক? কমেন্ট-এ জানিয়ে দাও👇

17/05/2026

এডমিশন জার্নি জুনিয়রদের সাথে শেয়ার করার জন্য সেদিন Biology Plus-এ তুলি এসেছিলো

Mahmuda Akter Tuly
60th, Dhaka Medical College

Photos from Biology Plus by Dr Mehedi's post 17/05/2026

১. হাম কি ছোঁয়াচে?

হ্যাঁ, এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। একজন হাম আক্রান্ত ব্যক্তি ১২-১৮ জন সুস্থ ব্যক্তিকে আক্রান্ত করতে পারে

হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা বাতাস এবং ড্রপলেটের মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি থেকে এবং কথা বলার সময় এটি সুস্থ মানুষের দেহে প্রবেশ করে।

এই ভাইরাস বাতাসে বা কোনো বস্তুর ওপর প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথেই লক্ষণ দেখা দেয় না। সাধারণত শরীরে ভাইরাস প্রবেশের ১০-১৪ দিন পর প্রথম লক্ষণ প্রকাশ পায়।

২. প্রাথমিক লক্ষণ কী কী?

আমরা 3C দিয়ে মনে রাখি

1. Cough (তীব্র কাশি)

2. Coryza (সর্দি বা নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়া)

3. Conjunctivitis (চোখ লাল হওয়া বা চোখ ওঠা

এছাড়াও:

- তীব্র জ্বর।

- মুখে বা গলায় অস্বস্তি।

- মুখের ভেতর ফোলা অংশের মতো (লবণের দানার মতো সাদা সাদা) 'কপ্লিক স্পট' দেখা দেওয়া।

- ৩-৪ দিন পর সাধারণত কানের পেছন ও মুখমণ্ডল থেকে র‍্যাশ শুরু হয়ে ধীরে ধীরে নিচের দিকে বুক, পিঠ ও হাত-পায়ে ছড়িয়ে পড়ে।

৩. কারা বেশি ঝুঁকিতে আছে?

৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং গর্ভবতী নারীদের জন্য হাম বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করে।

গর্ভাবস্থায় হাম হলে গর্ভপাত, অকাল প্রসব (Pre-term birth) বা নবজাতকের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম হওয়ার মতো জটিল ঝুঁকি থাকে।

৪. জটিলতা কী কী হতে পারে?

হাম আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৩০ ভাগের গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন :

- নিউমোনিয়া (হামে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ)
- কানে ইনফেকশন
- ডায়রিয়া
- অন্ধত্ব
- মস্তিষ্কে প্রদাহের (Encephalitis) মতো মারাত্মক জটিলতা হতে পারে

হাম হওয়ার অনেক বছর পর (৭-১০ বছর) এটি মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় SSPE বলা হয়।

৫. প্রতিরোধের উপায় কী?

হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ উপায় হলো MR (Measles-Rubella) টিকা নেওয়া। সরকারি রুটিন টিকাদান কর্মসূচিতে এটি বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

বেসরকারিভাবেও দেওয়া যায়। MMR (Measles-Mumps-Rubella) ভ্যাকসিন। চাইলে বড়োরাও এই ভ্যাকসিন নিতে পারে।

৬. টিকা কখন দিতে হয়?

সাধারণত শিশুদের ৯ মাস বয়সে প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দিতে হয়। একটি ডোজও মিস করা যাবে না।

এটি বাংলাদেশ সরকারের EPI শিডিউলের অন্তর্ভুক্ত।

তবে বর্তমানের বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার ৬ মাস বয়সীদেরও এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

এই প্রসঙ্গে কয়েকটি কৌতুহলের জবাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

কেন এই টিকাটি ৯ মাসে গিয়ে দেওয়া হয়? যেখানে আরও বেশ কিছু টিকা আগেই দিয়ে ফেলা হয়?

জন্মের সময় শিশু তার মায়ের শরীর থেকে প্লাসেন্টার মাধ্যমে হাম প্রতিরোধের প্রাকৃতিক অ্যান্টিবডি নিয়ে জন্মায়। এই অ্যান্টিবডিগুলো শিশুকে জীবনের প্রথম কয়েক মাস সুরক্ষা দেয়।

আগে দেওয়া হয় কি?

হ্যাঁ, যদি কোনো এলাকায় হামের ব্যাপক আউটব্রেক দেখা দেয়, তবে অনেক সময় চিকিৎসকরা ৬ মাস বয়সেই একটি অতিরিক্ত ডোজ দেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে সেটিকে 'জিরো ডোজ' ধরা হয় এবং নিয়ম অনুযায়ী ৯ মাস পূর্ণ হলে আবার নিয়মিত ডোজ দিতে হয়।

কেন ২ ডোজ?

প্রথম ডোজে প্রায় ৮৫-৯০% সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। বাকি ১০-১৫% ক্ষেত্রে যেন কোনো ঝুঁকি না থাকে, সেজন্য ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ বা বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়।

মনে রাখতে হবে, এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ। এর সঙ্গে অটিজম বা প্রতিবন্ধত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। কন্সপিরেসি থিওরি বা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব এই মুহূর্তে যারা ছড়াবে তাদেরকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখতে হবে ও বর্জন করতে হবে।

টিকা দেবার পরেও কি হাম হতে পারে?

হ্যাঁ, পারে। বলা হয়, হামের টিকা প্রায় ৯০-৯৫% কার্যকর। তবে যেসব শিশু অপুষ্টিতে ভোগে, দীর্ঘমেয়াদি অসুখে ভোগে তাদের ক্ষেত্রে টিকা নেয়া থাকলেও হাম হতে পারে। তবে আশার বিষয় এই যে, টিকা নেয়া থাকলে সাধারণত হামের জটিলতা বেশ কম হয়।

৭. ভিটামিন-এ এর ভূমিকা কী?

ভিটামিন এ মিজেলস প্রতিরোধ করতে পারে না।

তবে মিজেলস হলে পরে ভিটামিন এ দেবার ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ উভয়েই রিকমেন্ড করেছে।

মিজেলস চোখে বড়ো ধরনের ক্ষতি করতে পারে। এমনকি অন্ধত্ব পর্যন্ত। এই চোখের জটিলতা কমাতে ভিটামিন এ-এর ভূমিকা রয়েছে।

WHO recommended dosing :

17/05/2026

একজন শিক্ষার্থীর এসএসসি শেষ করতে ১০ বছরের একদিনও যাতে সময় বেশি না লাগে সেই পরিকল্পনা করছে সরকার:শিক্ষা মন্ত্রী

17/05/2026

📢 হ্যালো, SSC 2026! 👋
​রাজশাহীতে বায়োলজির সেরা প্রস্তুতির জন্য ডা. মেহেদী হাসান ভাইয়ার HSC 28 Advance 1st Year ব্যাচে ভর্তি চলছে! 🩺🧬📚

​ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য আজই যোগাযোগ করো:
📞 01740-238497
📞 01755-935467
​🏢 অফিসের ঠিকানা:
বহুমুখী গার্লস স্কুলের সামনে, হেতেমখা, রাজশাহী। 📍

17/05/2026

প্রতিটি চ্যাপ্টার শেষে Biology Plus এর আয়োজন- Mega Exam 📝

​📢 হ্যালো, SSC 2026! 👋
​রাজশাহীতে বায়োলজির সেরা প্রস্তুতির জন্য ডা. মেহেদী হাসান ভাইয়ার HSC 28 Advance 1st Year ব্যাচে ভর্তি চলছে! 🩺🧬📚

​ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য আজই যোগাযোগ করো:
📞 01740-238497
📞 01755-935467
​🏢 অফিসের ঠিকানা:
বহুমুখী গার্লস স্কুলের সামনে, হেতেমখা, রাজশাহী। 📍

16/05/2026

কুইজের উত্তর দাও, আর প্রতি সপ্তাহে জিতে নাও ১০০৳ মোবাইল রিচার্জ 💸

Photos from Biology Plus by Dr Mehedi's post 16/05/2026

টিউটোরিয়াল ক্লাসে দাগানো বই📝
Biology Plus by Dr Mehedi

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


3rd Floor, BIOLOGY Plus Building, Infront Of Bohumukhi Girls School, Hetem Khan
Rajshahi
6000