28/05/2026
আমের বিজনেস যারা করে তারা সবাই স্টেডফাস্ট কুরিয়ার চিনে, চলুন জেনে নেই মালিকের সম্পর্কে!
ডেলিভারিম্যান থেকে কুরিয়ারের মালিক, ভালোবেসে কোটিপতি তারা!
কলেজে পড়ার সময় প্রেম, বিশ্ববিদ্যালয়ে উঠে গড়ায় পরিণয়ে। দুজনেই ছিলেন বেকার। ফলে পরিবার থেকে আসে বাধা। নিজেদের মতো করে স্বাবলম্বী হতে পারলে তবেই মেনে নেওয়া হবে এই সম্পর্ক—এমন শর্ত জুড়ে দেয় পরিবার। দিশাহারা এই তরুণ দম্পতি তাই নেমে পড়েন জীবনসংগ্রামে। শূন্য থেকে শুরু করা সেই যাত্রায় তাঁরা এগিয়েছেন বহুদূর। তাঁদের হাতে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানে এখন কাজ করেন প্রায় চার হাজার মানুষ।
ক্যারিয়ারে সফল এই দম্পতির নাম কে এম রিদওয়ানুল বারী (৩৪) ও জোয়াইরিয়া মোস্তারি (৩১)। তাঁরা দুজনে মিলে গড়ে তুলেছেন স্টেডফাস্ট কুরিয়ার নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে আছেন রিদওয়ানুল আর জোয়াইরিয়া আছেন চেয়ারম্যান পদে।
রিদওয়ানুল বারী প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার গল্পটি জটিল। এইচএসসিতে রংপুরের বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়েছেন তাঁরা। সেখানেই তাঁদের প্রেম হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সাতপাঁচ না ভেবে পরিবারের অগোচরে দুজনে বিয়ে করে ফেলেন। বেকার অবস্থায় কী করবেন, কীভাবে চলবেন—এমন ভাবনায় অনেকটা নির্ঘুম রাত কাটে তাঁদের। অন্যদিকে বিয়ের কথা পরিবারকে না জানানোর বিষয়টি নিয়েও ভাবনায় পড়েন।
রিদওয়ানুল জানান, ২০১১ সালে তিনি ঢাকায় গিয়ে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিষয়ে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। আর স্ত্রী জোয়াইরিয়া ভর্তি হন রংপুর কারমাইকেল কলেজে প্রাণিবিদ্যা বিভাগে। অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন তাঁরা। দুশ্চিন্তায় পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে। বাধ্য হয়েই নিজেদের পরিবারকে তাঁরা বিয়ের কথা জানান। উভয় পরিবার থেকেই আপত্তি আসে। অভিভাবকেরা শর্ত জুড়ে দেন, জীবনে ভালো কিছু করতে পারলে তবেই বিয়ে মেনে নেওয়া হবে। এমন কঠিন শর্তের মুখে তাঁরা বাড়ি ছাড়েন। পরিবার থেকে দেওয়া মাসের খরচও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
শূন্য হাতে রিদওয়ানুল বারী তখন পড়াশোনার ফাঁকে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন। প্রশিক্ষণ নেন ওয়েব ডেভেলপিংয়ের। এরপর ২০১৪ সালে হাটবাজার ডটকম নামে ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করেন। সেখানে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হন। দমে না গিয়ে ২০১৬ সালে ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় শুরু করেন কুরিয়ার সার্ভিসে ‘স্টেডফাস্ট’-এর ব্যবসা। তখন জনবল ছিল মাত্র চারজন। ঢাকা শহরে তিনি নিজের প্রতিষ্ঠানের হয়ে ডেলিভারিম্যানের কাজও করেছেন। গ্রাহকদের কাছে পণ্য পৌঁছে দিয়েছেন। এরপর সময়ের পালাবদলে বাড়তে থাকে ব্যবসার পরিসর।
তথ্য সুত্র: প্রথম আলো
✅আপনারও বিজনেস করার প্রবল ইচ্ছা? লেখাপড়া বা জবের পাশাপাশি এক্সট্রা ইনকামের জন্য বিজনেস আইডিয়া খুঁজছেন? আমাদের পেজ ফলো করুন, আমরা আপনাকে প্রোপার গাইডলাইন দিবো। পেজ লিংক: Mango Mission
আমাদের পেজ ফলো করুন।
28/05/2026
সালামি দেওয়া হবে ৫ জনকে, সালামী পেতে কিছু করতে হবে না। শুধু এই পোস্টে রিয়াক্ট দিয়ে রাখুন, আমরাই মেসেজ দিবো। ঈদ মোবারক
28/05/2026
ফুটপাতে দাড়িয়ে গেঞ্জি বিক্রি করা ছেলেটা আজ সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট!
বলছি অ্যাডভোকেট মিথুন সাহার কথা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগে লেখাপড়া শেষ করে কর্মজীবনে আছেন।
এক সময় অভাবের তাড়নায় ফুটপাতে ব্যবসা করতেন। এখন তার বিলাসবহুল জীবন।
অনলাইনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি।
নানা ইস্যুতে বারবার ভাইরাল হয়েছেন।
বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাকে দেখা যায়।
আপনিও স্বপ্ন দেখুন। একদিন আপনি আপনার জায়গায় সফল হবেন ইনশাআল্লাহ।
Mango Mission এর পক্ষ থেকে শুভকামনা!
27/05/2026
কিছু আম ব্যবসায়ীরা এভাবে বলে, আমের দাম ১৬০ টাকা কেজি, বাকি সব ফ্রি!
ক্যারেট ফ্রি, ডেলিভারি চার্জ তো আরও ফ্রি। সবকিছু ইনক্লুড করে দাম ধরে, আবার বলে ফ্রি ফ্রি। মনডা চায় এদেরকে...
আবার কিছু আরও আগ বাড়াইয়া বলে, মধ্যবিত্তদের কথা চিন্তা করে আমের দাম মাত্র ৮৫/৯০ টাকা কেজি। অর্ডার করতে গেলে বলবে ডেলিভারি চার্জ আলাদা, ক্রেট চার্জ আলাদা, লেবার চার্জ আলাদা। বুঝছেন কাহিনী? মানে এসব বাবদ আরও মিনিমাম ৩০-৪০ টাকা যোগ হবে।
আর আমরা সব খরচ সহ একটা রেইট দিয়ে থাকি। কিছুই ফ্রি না, সব কিছুর দাম এড করা হয়। এরপর কেজি প্রতি ৫-১৫ টাকা লাভ রাখা হয়। এটা সত্যি।
মূলত আমের দাম তো বেশি না, কিন্তু নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে যে ফরমালিটি মেইনটেইন করতে হয়, সকল প্রসেসিং ঠিকঠাক ভাবে করতে গেলে সব মিলিয়ে আমের দাম বেশি মনে হয়।
-আম
-প্লাস্টিকের বক্স
-পেপার
-সুতা
-বস্তা
-প্যাকেজিং এর লেবার খরচ
-কুরিয়ার অফিসে নেওয়ার ভ্যান ভাড়া
-কুরিয়ার চার্জ
এতোগুলা খরচ বহন করার পরও একটা সুলভ মূল্যে নিরাপদ আম নিশ্চিত করা যায় চেষ্টা করলেই।
Mango Mission সবমিলিয়ে বেস্ট অপশন ইনশাআল্লাহ। ফলো করুন। আপনার পরিবারের ১ম চয়েস হোক ম্যাংগো মিশন।
27/05/2026
'ম্যাংগো মিশন' এর পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক!
আম নিয়ে বিজনেস করেও আমের অধিক দাম নিয়ে কথা বলা প্রতিষ্ঠান দেশে একটিই।
আমাদের স্বপ্ন সব শ্রেণির মানুষের ঘরে রাজশাহীর আমের স্বাদ পৌঁছানো। সিজনাল ফল কখনো এলিট ক্লাসের ভোগপণ্য হতে পারে না।
Mango Mission জনগণের ম্যাংগো ব্র্যান্ড🥭
27/05/2026
দেশের মাটিতে উৎপাদিত আম ১৬০-১৮০ টাকা কেজি কোনো ভাবেই বাস্তবসম্মত দাম না!🙂
Aggressive marketing আর premium ট্যাগ ব্যবহার করে শুরুতে hype তৈরি করা যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব পুরো বাজারেই পড়ে!
ইলিয়েন পাঞ্জাবীর ক্ষেত্রেও অনেকটা একই জিনিস দেখা গেছে। শুরুতে premium branding দিয়ে ৪/৫/৬ হাজার টাকার পাঞ্জাবির trend তৈরি করা হয়। এরপর বাজারের অন্য ব্র্যান্ডগুলো, যারা একই মানের পাঞ্জাবি আগে ১৫০০/২০০০/২৫০০ টাকায় বিক্রি করত, তারাও ধীরে ধীরে দাম বাড়িয়ে ২.৫/৩/৩.৫ হাজার রেঞ্জে নিয়ে গেছে।
এখন আমের বাজারেও একই pattern দেখা যাচ্ছে। রাজশাহীর premium quality হিমসাগর পাইকারি পর্যায়ে প্রায় ৭০-৮০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায়। সকল খরচসহ ১২০-১৩০ টাকার মধ্যে গ্রাহক বেস্ট আমটাই পাবার কথা!
সেটাকেই “premium mango” branding দিয়ে ১৬০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ অন্য বিক্রেতাদের আমও একই রাজশাহীর মাটিতেই হয়, একই জায়গা থেকেই পাইকারি কেনা হয়,জান্নাত থেকে special order এ আসে না।
ফলাফল কী হয়? যারা আগে একই মানের আম ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি করত, তারাও দেখে বাজারে একই জিনিস ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তখন তারাও ধীরে ধীরে ১৩০-১৪০-১৫০ টাকায় নিয়ে যায়। এভাবেই পুরো market pricing artificially inflate হয়। এটাকেই মূলত বাজার নষ্ট করা বলে।
এগ্রেসিভ মার্কেটিং করবেন এবং সেই মার্কেটিং এর চার্জ মানুষের পকেট থেকে তুলবেন, সেটা কি করে হয়?
জনবান্ধব দামে জনগণের পাশে থাকুক প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, এটাই প্রত্যাশা। আপনি ক্রেতা হিসেবে সচেতন হওয়াও আপনার নৈতিক দায়িত্ব।
Mango Mission এর পক্ষ থেকে শুভকামনা 🥭
27/05/2026
আমরা গোপালভোগ অনলাইনে সেল করি না লাস্ট ২ বছর ধরে। কুরিয়ারেই গোপালভোগ ৭০% নষ্ট হবার চান্স থাকে।
ঈদের পর পরিপক্ব হিমসাগর পুরোদমে পাঠানো শুরু হবে ৪-৫ জুন। এরপর আসবে আম্রপালি।
৫ জুনের পর আম সংগ্রহ করা সেইফ হবে। আপাতত আম সংগ্রহ বন্ধ রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
ভরসা রাখুন- Mango Mission এর কার্যক্রমে!
26/05/2026
প্রিমিয়াম ট্যাগ লাগানো পেজদের সাবধান করছি🙂
ভাই আমার দেশে আমের ফলন হয়, আম আমদানি করতে হয় না। লোকালে ১ কেজি আম যা ১০০-১২০ টাকাতে পাওয়া যায়। সেই আম আপনারা প্রিমিয়াম ট্যাগ দিয়ে ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা স্রেফ প্রতারণা!
বাগান মালিকদের দাদন দিয়ে বাগান বুকিং করে রাখেন। আপনাদের টাকা বেশি তাই অগ্রীম টাকা দিয়ে বাগান কব্জায় নিয়ে দাম নিয়ন্ত্রণ করেন।
বাগানে আমের কেজি কত তা আমরা জানি, বিজনেস করেন সমস্যা নাই কিন্তু আপনাদের কারনে আম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাহিরে চলে যাচ্ছে।
মনে রাখবেন পাবলিককে সব ফাঁস করে দিলে কিন্ত সম্মান বাঁচানো মুশকিল হয়ে যাবে।
ক্যারেট, বস্তা, কাগজ, সুতা এবং কুরিয়ার চার্জ ব্যতীত কেজি প্রতি ৫-১০ টাকা লাভ করলেই ইনাফ! আমাদের মূলনীতি অধিক সেল। হাতে গোনা দুই-চারশো প্রিমিয়াম কাস্টমার টার্গেট করার ইচ্ছা আমাদের শুরু থেকেই নাই।
Mango Mission মিশনে একবার অভিজ্ঞতা নিন, প্রত্যাশার চেয়েও ভালো কোয়ালিটি পাবেন ইনশাআল্লাহ!
26/05/2026
যারা অনলাইনে আম সেল করে তাদের আমের দাম কেনো বেশি??
ভ্রাম্যমান ভ্যানে, বাজারে আম বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, আর অনলাইন সেলাররা বিক্রি করে ১০০+
এই নিয়ে কাস্টমারদের কত অভিযোগ?
২টা কারন মনে রাখবেন!
১. প্রথমত বাগানি কামলা খরচ কমাতে, একদিনে গাড়ীতে ভর্তি করে প্রায় সব পরিপক্ক এবং অপরিপক্ক আম আড়তে নিয়ে যায়। সব আম বেচে দেয়। এরপর ব্যবসায়ীরা ফরমালিন দিয়ে পাকিয়ে দীর্ঘদিন রেখে বিক্রি করলেও আম নষ্ট হয়না।
২. আড়তদার স্হানীয় বাজার থেকে আম ট্রাকে করে সরাসরি নিয়ে আসে বেশি পরিমানে। লজিস্টিকস খরচ অনেক কমে আসে ।
অনলাইন আম সেলারগন বেছে বেছে আম পাড়েন,আর বেছে আম না পারলেও কাস্টমারকে দেওয়ার আগে আম বাঁছাই করা হয়।
কাস্টমারকে সেরা আম দেয়ার চেষ্টা করেন । আর যখন সেরা কোয়ালিটির আম নেওয়া হয়। তখন বাজারের রেট থেকেও বাছাই করা আমের দাম বেড়ে যায় কেননা বাজারে বিক্রি করা হয় মিক্সড আম আর এখানে বাছাই করা শুধু ভালো কোয়ালিটির আম।সুতরাং দাম তো একটু বাড়বেই । এর সাথে আরোও রয়েছে ক্যারেট এর দাম একটা ক্যারেটের দাম ১৫০ থেকে ২৫০ অব্দি হয়ে থাকে কোয়ালিটি অনুযায়ী।
এর সাথে আবার রয়েছে প্যাকিং, পেপার, সুতা, লেবার,বুকিং খরচসহ আরোও কত কি?
প্যাকিং করার পর প্রতিটা ক্যারেট বস্তা দিয়ে সেলাই করে দিতে হয় যেন আম কোনোভাবে রের না হয় বা নষ্ট না হয় যার জন্য আলাদা করে আবার ক্যারেট প্রতি লেবারকে টাকা দিতে হয়। ছোটো ক্যারেট ২০ টাকা বড় ক্যারেট ৩০ থেকে ৪০ টাকা,, প্রতিটা ক্যারেট আবার আবার এর সাথে যোগ হয় কুরিয়ার চার্জ কেজি প্রতি ১৩ থেকে ১৮ টাকা আবার হোম ডেলিভারি চার্জ আরোও বেশি কেজি প্রতি ২২ টাকা। এরপর প্যাকেজিং শেষে বাগান থেকে কুরিয়ার অফিস পর্যন্ত নিতে গাড়িভাড়া দিতে হয়। বাগানে যাওয়া রাস্তাগুলো হয়ে থাকে কাচা। গাড়ি চলাচলের কারনে হাঁড়িভাঙ্গাখ্যাত লালমাটি বৃষ্টির সময় যে কি অবস্থা হয় সেটা নিজের চেখে না দেখা পর্যন্ত বুঝতে পারবেন না।
যেখানে একজন আড়তদারের লজিস্টিক কস্ট প্রতি কেজিতে ৩ থেকে ৭টাকার মধ্যে হয়ে যায় সেখানে একজন অনলাইন সেলারের লজিস্টিক কস্ট ২৫ থেকে ৩৫ টাকা পড়ে যায়।
আবার যদি কুরিয়ারের বিড়ম্বনা বা কোনো করনে যদি আম নষ্ট হয় তবে আবার পাঠাতে হয় কাস্টমারকে, এরকম কত হাইড কস্ট রয়েছে।
আড়তে আম বিক্রি করার পর তাদের কোনো দায় থাকেনা ।
অনলাইন সেলারগনের দায় আছে, খারাপ রিভিউ পেলে পরের বছর আর ব্যবসা হবে না । তাই তারা তাদের জায়গায় থেকে সর্বোচ্চ কোয়ালিটির আম দিতে চেষ্টা করেন।
সবচেয়ে বড় কথা হলো ফরমালিন মুক্ত বাগানের ফ্রেশ আম পাচ্ছেন, যা আপনি বাজারে পাবেন না। কিছু কম টাকায় আম খেতে গিয়ে শরীরের বারোটা বাজাচ্ছেন।
কখনো কি ভেবে দেখেছেন এভাবে!?
আসলে আমরা দাম বেশি করতে চাইনা আর চেষ্টা করি আপনারা সাশ্রয়ী দামে সেরা কোয়ালিটির নিরাপদ আমটি আপনাদেরকে খাওয়ানোর।
🥭তবুও কি বলবেন এতো দাম কেনো?
আমের সিজনে নিরাপদ আম অর্ডার করতে যোগাযোগ করুন Mango Mission পেজে। কখনো অনলাইন থেকে আম সংগ্রহের ইচ্ছা থাকলে পেজটা ফলো করে রাখুন।
সব খরচ সহ ১২০-১৪০ টাকায় রাজশাহীর আম আপনার ঠিকানায় পৌঁছানো সম্ভব, সেটা যতই প্রিমিয়াম হোক বা রেপুটেড প্রতিষ্ঠান হোক।
26/05/2026
দেশের অন্যতম সফল কৃষি উদ্যোক্তা বিসমিল্লাহ এগ্রোর সাইফ🔥🔥
বেকারত্বের দোলাচলে আটকে থাকা তরুণদের জন্য আইকন হয়ে উঠেছে উদ্যোক্তা সাইফের বিসমিল্লাহ এগ্রো।
চাকরির পেছনে না ছুটে কঠোর পরিশ্রম ও সততায় স্বনির্ভরতার প্রতীক কৃষি নির্ভর জীবনমুখী এই খামার। কৃষি, অর্থনীতি ও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে তরুণদের কৃষি ভিত্তিক উদ্যোক্তা মনোভাব গড়ে তুলছে ফরিদপুরের বিসমিল্লাহ এগ্রো।
বাংলাদেশের মৌলিক সমস্যাগুলোর মধ্যে “বেকারত্ব” সবচেয়ে প্রকট। প্রতিনিয়ত বাড়ছে বেকারের সংখ্যা। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষে দেশের বেকারের সংখ্যা ২ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজারে পৌঁছেছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ২ লাখ ৬০ হাজার বেশি।
দিনদিন বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও তরুণদের মধ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থী মনোভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে পড়াশোনা শেষ করার পর অনেকেই ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তার আশায় সরকারি চাকরির অপেক্ষায় থাকেন, যেখানে প্রতিযোগিতা তীব্র এবং চাকরির সংখ্যা প্রতিযোগীর তুলনায় অনেক বেশি।
চাকরির বাজারের এমন পরিস্থিতিতে ফরিদপুরের তরুণ উদ্যোক্তা সাইফুল ইসলামের উদ্ভাবনী খামার “বিসমিল্লাহ এগ্রো” একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উদ্যোক্তা সাইফের খামারটি ধান,গম ও অন্যান্য কৃষিজ ফসল চাষ, গরু-ছাগল পালন, মাছ চাষ, কোয়েল পাখি পালন, দুধ, ঘি ও ছানা উৎপাদনসহ বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সাইফের কাজ শুধু ব্যক্তিগত জীবিকা নয়, এটি স্থানীয় অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অবদান রাখছে। তার উদ্ভাবনী ও বাস্তবমুখী মানসিকতা তরুণদের চাকরির বাইরে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেও সফল হওয়ার পথ দেখিয়ে যাচ্ছে।
বিসমিল্লাহ এগ্রো খামারটি আনুষ্ঠানিকভাবে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছে। যদিও খামারটি ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে ভিডিও প্রকাশ করা শুরু করে ২০২২ সাল থেকে, তবে সাইফ এর আগেই ব্যক্তিগতভাবে খামারের সব কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত ভিডিও আপলোডের কিছুদিনের মধ্যেই বিসমিল্লাহ এগ্রো তরুণদের নিকট ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজ “Bismillah Agro” তে খামারের কার্যক্রমের নতুন নতুন ভিডিও প্রকাশ করেন
♦️আপনারও বিজনেস করার প্রবল ইচ্ছা? কিংবা চাকরির পাশাপাশি টুকটাক কিছু শুরু করার ইচ্ছা? আমাদের পেজে ফলো দিয়ে কানেক্ট থাকুন, আমরা বিভিন্ন বিজনেস নিয়ে নিয়মিত কথা বলবো, পরামর্শ দিবো।
Our page : Mango Mission
26/05/2026
গতকাল ঘরের বাজারের আমের দাম নিয়ে কথা বলায় অনেকেই নানা নেগেটিভ কথা বলেছেন।
দাম বেশি রাখে এমন দুটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘরের বাজার এবং প্রিমিয়াম ফ্রুটস এর নাম অনেকেই বলেছেন কমেন্ট বক্স এবং ইনবক্সে।
আসলেই তারা বেশি রাখে। দুইটা লজিক আমাকে বলেন তো:
১. তারা কি ভিনদেশের আম সেল করে?
উত্তর টা অবশ্যই না। অন্য দশ জনের মতো রাজশাহীর আম। সেইম লোকেশন, সেইম গাছের আম।
২. অনেকেই বলেছেন তাদের বুস্টিং, ব্র্যান্ডিং খরচ বেশি। আচ্ছা মানলাম। কিন্তু এর দায় জনগন নিবে কেনো?
অসংখ্য ছোট খাটো পেজ আছে যারা এতো বড় পরিসরে বুস্টিং করে না, মার্কেটিং করে না। ফলে তারা কম দামেই অথেন্টিক আম দিতে পারে।
কিন্তু ঘরের বাজার, প্রিমিয়াম ফ্রুটস দাম বেশি রাখার ফলে ছোট পেজগুলোও ব্যালেন্স রাখার জন্য দাম বাড়িয়ে সেল করে। ফলে জনগন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
'দাম বাড়ালেই ব্র্যান্ডের আম খাচ্ছেন' ব্যাপারটা থেকে বের হয়ে আসুন। একই আম শুধু আপনার মানসিকতার জন্যই কাস্টমার ভেরিয়েশন তৈরি করে এলিট ক্লাসের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে বেশি দামে।
ব্র্যান্ডের জুতা, জামা-কাপড়ের সাথে আমের তুলনা করিয়েন না প্লিজ। আবারও বলছি সেইম লোকেশনের, সেইম মালিকের, সেইম গাছের আম। এরপরও না বুঝলে কিছুই বলার নাই।
Mango Mission রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠান। আমরা নিম্নবিত্ত পর্যন্ত রিচ করতে চাই।
গ্রামের শিক্ষক, দোকানদার সাহেবের বাড়িতেও একটা আমের ক্যারেট পৌঁছাতে চাই ইনশা-আল্লাহ। কখনো আম সংগ্রহের ইচ্ছা থাকলে পেজটা ফলো করে রাখুন।
সিজনাল ফল নিয়ে এলিট ক্লাস ভাব বন্ধ হোক!