22/09/2026
ফাতেহা-ই-ইয়াজ দাহম:
ফাতেহা-ই-ইয়াজ দাহম ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রচারক ও আধ্যাত্মিক সাধক বড় পীর হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর ওফাত (মৃত্যু) দিবস, যা প্রতি হিজরি (আরবি) সনের রবিউস সানি মাসের ১১ তারিখে পালন করা হয়।
অর্থ ও পরিচিতি: ফার্সি শব্দ ‘ইয়াজদাহম’-এর অর্থ এগারো এবং ‘ফাতেহা’ অর্থ দোয়া বা প্রার্থনা। অর্থাৎ ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ বলতে রবিউস সানি মাসের এগারোতম দিনের ফাতেহা বা দোয়া অনুষ্ঠানকে বোঝায়। ফাতেহা-ই-ইয়াজ দাহম উপলক্ষে কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া, দরুদ, জিকির ও ইসালে সওয়াবের আয়োজন করা হয়।
তাৎপর্য :
১. আল্লাহর স্মরণ, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়াবান হওয়া, নৈতিক চরিত্র গঠন, দান-সদকা এবং জনসেবার প্রতি মানুষকে উৎসাহিত করা।
২. হযরত আব্দুল কাদির (রহ.) এর জীবন ও আদর্শ থেকে সত্যবাদিতা, বিনয়, আল্লাহভীতি ও মানুষের কল্যাণে কাজের শিক্ষা গ্রহণ করা।
৩. তাঁর জন্ম, জীবন, চরিত্র, দাওয়াত, ত্যাগ ও অবদান স্মরণ করা তাঁর প্রতি ভালোবাসাকে জাগ্রত করে। তবে সত্যিকারের ভালোবাসার প্রমাণ কেবল অনুষ্ঠান নয়; বরং নামাজ, সত্যবাদিতা, আমানতদারি, দয়া, ক্ষমা, সুন্নাহ অনুসরণ এবং গুনাহ পরিত্যাগ।
৪. যদি কেউ কুরআন তিলাওয়াত, দরুদ, সীরাত পাঠ, নফল ইবাদত, দোয়া, দান-সদক করে তবে এসবের প্রতিদান পাওয়া যাবে।
জেনে রাখা ভাল, এ দিবস পালন ধর্মীয় ইবাদতের কোনো অংশ তথা ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত বা নফল কোনো বিধান নয়; বরং এটি উপমহাদেশে ইসলাম ধর্মালম্বীদের প্রচলিত একটি স্মরণীয় দিন।