Shahdowla Sports Academe

roghunathpur final khalay champion trophy soho player,aj kar final khaly joy rampur cricket akadosh matro 66 run a allou...
03/02/2016

roghunathpur final khalay champion trophy soho player,aj kar final khaly joy rampur cricket akadosh matro 66 run a allout hoya jay,67 run er targata bat korta neme 9 wicket a joy pay shahdowla sports academe.man of the match bidhan.congratulation all player shahdowla sports academe.

agami 3 tarik rogunathpur matha shahdowla sports academer final khala apnara sobay ka khala dakhar ogrim dawat roylo.
28/01/2016

agami 3 tarik rogunathpur matha shahdowla sports academer final khala apnara sobay ka khala dakhar ogrim dawat roylo.

ফাইনাল খেলায় ট্রফি নিয়ে ছবি
18/01/2016

ফাইনাল খেলায় ট্রফি নিয়ে ছবি

সৌম্য শান্ত সরকার (জন্ম: ২৫ ফেব্রুয়ারি , ১৯৯৩) সাতক্ষীরা জেলায় জন্মগ্রহণকারীবাংলাদেশের উদীয়মানক্রিকেটার। বাংলাদেশ ক্র...
10/01/2016

সৌম্য শান্ত সরকার (জন্ম: ২৫ ফেব্রুয়ারি , ১৯৯৩) সাতক্ষীরা জেলায় জন্মগ্রহণকারী
বাংলাদেশের উদীয়মান
ক্রিকেটার। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য তিনি। এছাড়াও বাংলাদেশ এ-দল , অনূর্ধ্ব-১৯ দল , ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স, খুলনা বিভাগ ও দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে খেলেছেন। বামহাতি ব্যাটসম্যান সৌম্য ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শী।
প্রারম্ভিক জীবন
৪-৭ অক্টোবর, ২০১০ তারিখে ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে খুলনা বিভাগের বিপক্ষে ঢাকা বিভাগে তার অভিষেক ঘটেছিল। ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স দলের পক্ষে চুক্তিতে আবদ্ধ হন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে খেলেছেন। ক্রিকেটার না হলে তিনি শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিতেন।
খেলোয়াড়ী জীবন
১ ডিসেম্বর, ২০১৪ তারিখে মিরপুরের শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সফরকারী
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের ৫ম ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিকে তার অভিষেক ঘটে। [১] ঐ খেলায় তিনি ১৮ বলে ৪ বাউন্ডারির সাহায্যে ২০ রান সংগ্রহ করেন। একই খেলায় তার সাথে তাইজুল ইসলামেরও অভিষেক হয়। খেলায় বাংলাদেশ দল ৫ উইকেটে জয় পেয়ে ৫-০ ব্যবধানে জিম্বাবুয়ে দলকে
বাংলাওয়াশ করে।
২২ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে তিনি তার প্রথম ওডিআই শতক হাঁকান। [২] মিরপুরের শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সফরকারী
পাকিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ওডিআইয়ে ১১০ বল মোকাবেলা করে
অপরাজিত ১২৭* রান তোলেন। তার এ ইনিংসটিতে ছয়টি ছক্কা ও ১৩টি চারের মার ছিল। উদ্বোধনী জুটিতে
তামিম ইকবালের (৬৪) সাথে জুটি গড়ে মূল্যবান ১৪৫ রান সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে
মুশফিকুর রহিমের (৪৯*) সাথে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ৯৭ রান তোলেন। এরফলে তার দল ১০ ওভারেরও বেশী বল বাকী থাকতে ৮ উইকেটের সহজ জয় পায়। এছাড়াও বাংলাদেশ ৩-০ ব্যবধানে পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো
বাংলাওয়াশ করে। [২] খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের
পুরস্কার লাভ করেন।
২৪ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে মিরপুরের শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত একমাত্র
টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে
মুস্তাফিজুর রহমানের সাথে তারও অভিষেক ঘটে। [৩] কিন্তু মাত্র ৩ বল মোকাবেলা করে শূন্য রানে রান আউটের শিকার হন তিনি। ঐ খেলায় অবশ্য
সাকিব ও সাব্বির রহমানের ক্রীড়ানৈপুণ্যে বাংলাদেশ দল প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭ উইকেটের বিরাট জয় পায়।
ক্রিকেট বিশ্বকাপ
২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ৪ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে
বিসিবি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দলের ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে। [৪] এতে তিনিও দলের অন্যতম সদস্য মনোনীত হন।[৫]
৯ মার্চ, ২০১৫ তারিখে
অ্যাডিলেড ওভালে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের ৫ম খেলায়
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩য় উইকেটে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে (১০৩) সাথে নিয়ে ৮৬ রানের জুটি গড়েন। খেলায় তিনি ৪০ রান সংগ্রহ করেন। এরপর মুশফিকুর রহিমের ঝড়োগতিতে ৭৭ বলে ৮৯ রানের সুবাদে একদিনের আন্তর্জাতিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলগতভাবে সর্বোচ্চ রান তোলে। [৬] পরবর্তীতে রুবেল হোসেনের প্রশংসনীয় বোলিংয়ে (৪/৫৩) বাংলাদেশ ১৫ রানের ব্যবধানে জয়ী হওয়াসহ
কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হয়।

সাব্বির রহমান (জন্ম: ২২ নভেম্বর ,১৯৯১) বাংলাদেশের উদীয়মান ক্রিকেটার।বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য সাব্বির মূলতঃ অল...
01/11/2015

সাব্বির রহমান (জন্ম: ২২ নভেম্বর ,
১৯৯১) বাংলাদেশের উদীয়মান ক্রিকেটার।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য সাব্বির মূলতঃ অল-রাউন্ডার । ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ও লিস্ট এ ক্রিকেটে তিনি রাজশাহী বিভাগের হয়ে খেলে থাকেন। রুমন ডাকনামে পরিচিত সাব্বির ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগব্রেক বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন।[১]
খেলোয়াড়ী জীবন
২০১০ সালের নভেম্বরের শেষদিকে চীনের গুয়াংজুতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসের
ক্রিকেটে ১৩-সদস্যবিশিষ্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। [২] চূড়ান্ত খেলায় আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ পাঁচ উইকেটে জয়লাভ করে। এরফলে বাংলাদেশ দল এশিয়ান গেমসে প্রথম স্বর্ণপদক লাভ করে। [৩]
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ তারিখে
সফরকারী শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের বিপক্ষে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ২য় টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে বাংলাদেশের পক্ষে সাব্বির রহমানের টি২০ আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে। [৪]
২১ নভেম্বর, ২০১৪ তারিখে
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের বিপক্ষে সফরকারী দলের
সলোমন মিরের সাথে তারও
একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। [৫]
নাসির হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে নিজস্ব ২৩তম জন্মদিনে অভিষিক্ত সাব্বির আক্রমণধর্মী ব্যাটিং করে মাত্র ২৫ বলে ৪৪ রান সংগ্রহ করেন। [৬] তার এ ইনিংসে তিনটি বাউন্ডারী ও তিনটি ছক্কার মার ছিল। তার এ অসামান্য ক্রীড়ানৈপুণ্যে বাংলাদেশ দল ৮৭ রানে জয়লাভ করে ও ৫-ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

31/10/2015

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম
স্টেডিয়ামের তথ্যাবলী
অবস্থান চট্টগ্রাম
ধারন ক্ষমতা ২০,০০০
স্বত্ত্বাধিকারী চট্টগ্রাম বিভাগ
পরিচালনায় বিসিবি
অন্যান্য চিটাগাং কিংস
প্রান্ত
ওয়াল্টন এন্ড
সাহারা এন্ড
আন্তর্জাতিক তথ্যাবলী
প্রথম টেস্ট ২৮ ফেব্রুয়ারি- মার্চ ২০০৬:
বাংলাদেশ বনাম
শ্রীলঙ্কা
শেষ টেস্ট ৪-৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪:
বাংলাদেশ বনাম
শ্রীলঙ্কা
১ম ওডিআই ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৬:
বাংলাদেশ বনাম
শ্রীলঙ্কা
শেষ ওডিআই ৬ ডিসেম্বর ২০১১:
বাংলাদেশ বনাম
পাকিস্তান
১ম টি২০ আন্তর্জাতিক
১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪:
বাংলাদেশ বনাম
শ্রীলঙ্কা
শেষ টি২০ আন্তর্জাতিক
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪:
বাংলাদেশ বনাম
শ্রীলঙ্কা
১৪ ফেব্রুযারি ২০১৪ পর্যন্ত
তথ্যসূত্র: ক্রিকইনফো

30/10/2015

মাশরাফি বিন মর্তুজা
ব্যক্তিগত তথ্
পূর্ণ নাম মাশরাফ
ডাকনাম কৌশিক, [ এক্সপ্রেস,
[২]
উচ্চতা ৬ ফুট ৩ ইঞ্চ
ব্যাটিংয়ের ধরণ ডানহাত
বোলিংয়ের ধরণ ডানহাত
ভূমিকা বোলার
আন্তর্জাতিক
জাতীয় পার্শ্ব বাংল
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৯)
৮ নভেম্বর ২০০১ বনা
শেষ টেস্ট ৯ জুলাই ২ ইন্ডিজ
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৫৩)
২৩ নভেম্ব ২০০১ বনা
শেষ ওডিআই ১৮ জুন ২০১
ওডিআই শার্ট নং ২
টি২০আই অভিষেক
(ক্যাপ ৪)
২৮ নভেম্ব ২০০৬ বনা
শেষ টি২০আই ২৪ ২০১৫ বন
ঘরোয়া দলের
বছর দল
২০০২–বর্তমান খুলনা বি
২০০৯ কলকাতা
২০১২-বর্তমান ঢাকা গ্ল্
খেলোয়াড়ী জ পরিসংখ্যা
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওড
ম্যাচ সংখ্যা ৩৬ ১৪৮
রানের সংখ্যা ৭৯৭ ১,৩৭
ব্যাটিং গড় ১২.৮৫ ১৪.৯
১০০/৫০ ০/৩ ০/১
সর্বোচ্চ রান ৭৯ ৫১*
বল করেছে ৫,৯৯০ ৭,৩৮
উইকেট ৭৮ ১৮৯
বোলিং গড় ৪১.৫২ ৩০.৫
ইনিংসে ৫ উইকেট ০ ১
ম্যাচে ১০ উইকেট ০ ০
সেরা বোলিং ৪/৬০ ৬/২৬
ক্যাচ/ স্ট্যাম্পিং ৯/– ৪৫/–
উত্স: ইএসপি
মাশরাফি বিন মর্তুজা (জন্ম: অক্টোবর ৫, ১৯৮৩; নড়াইল
যশোর জেলা) বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্যতম বোলিং স্তম্ভ ও একদিনের আন্তর্জাতিকে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তার ডাক নাম কৌশিক। তিনি একজন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তার বোলিংয়ের ধরণ ডানহাতি পেস বোলার। বাংলাদেশ জাতীয় দল ছাড়াও তিনি এশিয়ান একাদশের একদিনের আন্তর্জাতিক দলে খেলেছেন।
ব্যক্তিগত জীবন
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা নড়াইল-এ মাশরাফির জন্ম। ছোটবেলা থেকেই তিনি বাঁধাধরা পড়াশোনার পরিবর্তে ফুটবল আর ব্যাডমিন্টন খেলতেই বেশি পছন্দ করতেন, আর মাঝে মধ্যে চিত্রা নদীতে সাঁতার কাটা। [৩] তারুণ্যের শুরুতে ক্রিকেটের প্রতি তার আগ্রহ জন্মে, বিশেষত ব্যাটিংয়ে; যদিও এখন বোলার হিসেবেই তিনি বেশি খ্যাত, যেজন্যে তাকে 'নড়াইল এক্সপ্রেস' নামেও অভিহিত করা হয়[৩] ।
বাইক প্রিয় মর্তুজাকে সবাই খুব হাসিখুশি আর উদারচেতা মানুষ হিসেবেই জানে। প্রায়শঃই তিনি বাইক নিয়ে স্থানীয় ব্রিজের এপার-ওপার চক্কর মেরে আসেন। নিজের শহরে তিনি প্রচণ্ড রকমের জনপ্রিয়। এখানে তাকে "প্রিন্স অব হার্টস" বলা হয়। এ শহরেরই সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়ার সময় সুমনা হক সুমির সাথে তার পরিচয় হয়। দু'জনে ২০০৬ সালে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন।[৪]
ক্যারিয়ার
প্রাথমিক ক্যারিয়ার
মর্তুজা বাংলাদেশের সফলতম পেস বোলারদের একজন। আক্রমণাত্মক, গতিময় বোলিং দিয়ে অনূর্ধ-১৯ দলে থাকতেই তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সাবেক ফাস্ট বোলার অ্যান্ডি রবার্টসের নজর কেড়েছিলেন, যিনি কিনা তখন দলটির অস্থায়ী বোলিং কোচের দায়িত্বে ছিলেন। রবার্টসের পরামর্শে মাশরাফিকে বাংলাদেশ এ-দলে নেয়া হয়। [৫]
বাংলাদেশ এ-দলের হয়ে একটিমাত্র ম্যাচ খেলেই মাশরাফি জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান। ৮ নভেম্বর, ২০০১ এ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে
জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটে তার অভিষেক ঘটে। একই ম্যাচে খালেদ মাহমুদেরও অভিষেক হয়। বৃষ্টির বাগড়ায় ম্যাচটি অমীমাংসিত থেকে যায়। মাশরাফি অবশ্য অভিষেকেই তার জাত চিনিয়ে দেন ১০৬ রানে ৪টি উইকেট নিয়ে। গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার ছিলেন তার প্রথম শিকার। [৬] মজার ব্যাপার হল, মাশরাফির প্রথম ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচও ছিল এটি। তিনি এই বিরল ক্তিত্বের অধিকারী ৩১তম খেলোয়াড় এবং ১৮৯৯ সালের পর ত্তীয়। একই বছর ২৩শে নভেম্বর ওয়ানডে ক্রিকেটে মাশরাফির অভিষেক হয় ফাহিম মুনতাসির ও তুষার ইমরানের সাথে। অভিষেক ম্যাচে মোহাম্মদ শরীফের সাথে বোলিং ওপেন করে তিনি ৮ ওভার ২ বলে ২৬ রান দিয়ে বাগিয়ে নেন ২টি উইকেট। [৭]
বিপক্ষে ব্যক্তিগত তৃতীয় টেস্ট খেলার সময় তিনি হাঁটুতে আঘাত পান। এর ফলে তিনি প্রায় দু'বছর ক্রিকেটের বাইরে থাকতে বাধ্য হন। ইংল্যন্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট খেলায় তিনি সফলতা পান। ৬০ রানে ৪ উইকেট নেয়ার পর আবার তিনি হাঁটুতে আঘাত পান। এযাত্রায় তিনি প্রায় বছরখানেক মাঠের বাইরে থাকতে বাধ্য হন।
২০০৪ সালে ভারতের বিরুদ্ধে খেলার সময় রাহুল দ্রাবিড়কে অফ-স্ট্যাম্পের বাইরের একটি বলে আউট করে তিনি স্বরুপে ফেরার ঘোষনা দেন। সেই সিরিজে তিনি ধারাবাহিকভাবে বোলিং করেন এবং তেন্ডুলকর ও গাঙ্গুলীকে আউট করার সুযোগ তৈরি করেন। তবে ফিল্ডারদের ব্যর্থতায় তিনি উইকেট পাননি। এই সিরিজের একটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে অবিস্মরণীয় জয়ের নায়ক ছিলেন তিনি।
২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তিনি ভালো বল করেন। বাংলাদেশী বোলারদের মধ্যে তার গড় ছিল সবচেয়ে ভাল। কার্ডিফে
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নাটকীয় জয়ে তিনি অবদান রাখেন। তিনি মারকুটে ব্যাটসম্যান অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে শূন্য রানে আউট করেন এবং দশ ওভারে মাত্র ৩৩ রান দেন।
ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশে ভালো পেস বোলারের ঘাটতি ছিল। বাংলাদেশে মোহাম্মদ রফিকের মত আন্তর্জাতিক মানের স্পিনার থাকলেও উল্লেখযোগ্য কোন পেস বোলার ছিল না। মাশরাফি বাংলাদেশের সেই শূন্যস্থান পূরণ করেন।
২০০৬ ক্রিকেট পঞ্জিকাবর্ষে মাশরাফি ছিলেন একদিনের আন্তর্জাতিক খেলায় বিশ্বের সর্বাধিক উইকেট শিকারী। তিনি এসময় ৪৯টি উইকেট নিয়েছেন।
২০০৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে অবিস্মরণীয় জয়ে মর্তুজা ভূমিকা রেখেছেন। তিনি ৩৮ রানে ৪ উইকেট দখল করেন। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি খেলায় নিউজিল্যান্ডের সাথে বিজয়েও মাশরাফির ভূমিকা রয়েছে।
মাশরাফি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ গতির বোলার এবং সমর্থকদের কাছে "নড়াইল এক্সপ্রেস" নামে পরিচিত।
মাশরাফি একজন মারকুটে ব্যাটসম্যান। ভারতের বিপক্ষে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক খেলায় তিনি পরপর চার বলে ছক্কা পেটান। সেই ওভার থেকে তিনি ২৬ রান সংগ্রহ করেন যা কোন বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানের জন্য এক ওভারে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।
১৪ বছরের ক্যারিয়ারে ১১ বার চোটের কারণে দলের বাইরে যেতে হয়েছে মাশরাফিকে। চোটই তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিল ২০১১ সালের দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ। চোটের কারণে অপারেশন টেবিলে তাকে যেতে হয়েছে সাতবার। এরপরও দেশকে ভালোবেসে খেলে যাচ্ছেন ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম নির্ভীক এই ক্রিকেটার।

15/10/2015

শাহদৌলা স্পোর্টস একাডেমীর প্রশিক্ষণরত সকল খেলোয়ারদের বিকাল ৪.০০ মধ্য,মাঠে উপস্থিত হওয়ার জন্য আন্তরিক ভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে

11/10/2015
30/09/2015
প্রেকটিস এর জন্য জার্সি বিতরণের সময় ছাত্রদের সাথে উপস্থিত আমরা সবাই।
28/09/2015

প্রেকটিস এর জন্য জার্সি বিতরণের সময় ছাত্রদের সাথে উপস্থিত আমরা সবাই।

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahdowla Sports Academe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category