27/07/2015
২২ বছর বয়সে প্রথম ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন লিওনেল মেসি। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ২৩ বছর বয়সে। নেইমারের এখন ২৩ চলছে। কিন্তু বাস্তবতা বোঝেন বলেই ব্রাজিল তারকা বলছেন, আপাতত ব্যালন ডি’অরের স্বপ্ন নিয়ে স্বপ্নবিলাসী হচ্ছে না। মেসি-রোনালদো যুগে তিনি বরং সেরা তিনি থাকতে পারলেই খুশি।
এ বছরের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। তবে এটা মোটামুটি নিশ্চিত, পঞ্চমবারের মতো ফুটবলারদের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত এই পুরস্কার জিততে চলেছেন মেসি। ক্লাবের হয়ে কিছু না জিতলেও ব্যক্তিগত অর্জনে সেরা মৌসুম কাটিয়েছেন রোনালদো। তাঁরও সেরা তিনে থাকা প্রায় নিশ্চিত। গত সাত বছরে ছয়বারই সেরা তিনে ছিলেন এই দুজন। গত সাত বছরে মেসি জিতেছেন চারবার, তিনবার রোনালদো। এই বলে দিচ্ছে ফুটবল বিশ্ব কীভাবে শাসন করছেন এই দুই সম্রাট।
এক-দুইয়ে মেসি-রোনালদো থাকবেন। কিন্তু তিনে? ভোটাররা বেছে নেবেন কাকে? এই জায়গাটি নিয়ে লড়াই হতে পারে। তবে গত মৌসুমে ৫১ ম্যাচে ৩৯ গোল করে বার্সাকে ট্রেবল জেতাতে বড় ভূমিকা রাখা নেইমারই সবচেয়ে বড় দাবিদার। বার্সার ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার বলেছেন, ‘সেরা তিনের একজন হতে পারলেই সেটি হবে আমার জন্য বিরাট এক অর্জন। মেসি আর রোনালদো পাশে থাকতে পারাটাও তো স্বপ্নের মতো। এটা হবে দারুণ এক সম্মানের।’
রোনালদোর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার কমতি নেই। তবে নেইমার আরও একবার জানিয়ে দিলেন, তাঁর ‘হিরো’ একজনই, ‘যখন প্রথম বার্সায় খেলতে এলাম, অনেকেই বলেছে ওর সঙ্গে আমার দ্বন্দ্ব দেখা দেবে, ও আমাকে পাসই দেবে না। কিন্তু ও আমাকে অবিশ্বাস্যভাবে বরণ করে নিয়েছে। আজ পর্যন্ত আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পেয়েছি কার? লিও। লিও আমার বন্ধু, আবার আদর্শও।’
কিন্তু শুধু তিনের মধ্যে থেকেই তো আর বেশি দিন তৃপ্ত থাকতে পারবেন না। মনের গোপন কুঠুরিতে এই ট্রফি জেতার স্বপ্ন সব ফুটবল তারকাই দেখে। নেইমার অবশ্য সুনির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ বেঁধে দেননি। তবে তাঁর এজেন্ট ওয়াগনার রিবেইরোর আশা, আগামী বছরই হয়তো নেইমারের হাতে উঠবে সোনার গোলকটি। ৩১-এ পা দিয়েছেন রোনালদো। ২৯-এ মেসি। আশা তিনি করতেই পারেন, মেসি-রোনালদো যুগ অস্তাচলে ঢলে পড়লে শুরু হবে নেইমার-যুগ!