15/07/2026
লেখাটি নবীনদের জন্য - যারা ২০২৬ এ ডিপার্টমেন্ট এ ভর্তি হয়েছো।
#এগ্রি অনার্স লাইফ এ প্রবেশ..! যেমন হওয়া উচিৎ পরিকল্পনা...!
১ম বর্ষঃ
১. অবশ্যই একাডেমিক পড়াতে জোর দেয়া। কথায় আছে First impression is the last impression. So, first year don't care - এটা কোন ভাবেই ফিল করা যাবে না।
২. এগ্রিকালচার এ পড়ে কি হবে এই চিন্তায় যারা এখনো বুদ, তারা অবশ্যই এরকম মনোভাব মাথা থেকে ঝেরে ফেল, কারন সামনের জার্নিটা হবে প্রকৃতির সাথে, চিরসবুজ এর সাথে। Just feel it—your next five years will be devoted to driving a green revolution. What a truly charming feeling indeed!
৩. পড়াশোনায় তখনি মজা পাওয়া যায় যখন জানা যায় যখন এর মাধ্যমে নতুন কিছু শিখা হয়, তাই নতুন কিছু শিখতে চাইলে অবশ্যই নিজের পড়ার বিষয়কে ভালবাসতে হবে। তার মানে ভালবেসে নিজের একাডেমিক পড়াটাকে ভালবাসার মানুশগুলোর তুল্য করতে হবে। আর পড়ার বিষয় যখন এগ্রিকালচার তখনতো কোন কথাই নাই। নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের অপার সম্ভাবনার ক্ষেত্র হচ্ছে এগ্রিকালচার।
৪. তাই প্রথম বর্ষেই এগ্রিকালচার এর বেসিক টার্মস গুলো যেমন definition, history জানতে হবে। বিশেষ করে এগ্রোনমী, জেনেটিক্স, সয়েল সায়েন্স, এন্টমলোজি, প্যাথলজি এসব বিষয় এর বেসিক টার্মস অবশ্যই জানতে হবে। এসব জানতে গুগল এবং ইউটিউব ই যথেষ্ট। শুধু কষ্ট করে B.Sc.Ag এর যে সিলেবাস হাতে আছে সেগুলো ধরে ধরে সার্চ করতে হবে। ইউটিউব এ দেখে এবং গুগলে বিভিন্ন লিটারেচার এ সহজেই পাওয়া যাবে।
৫. এই বর্ষে যথাসম্ভব কোনভাবেই রাজনীতি তে যুক্ত না হওয়া। রাজনীতির উদ্দেশ্য, এর প্রয়োজনীয়তা, এর প্রভাব সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ করা।
৬. ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস ভালো করে ঘুরতে হবে। ফ্যাকাল্টির সকল বিভাগ, নিজের বিভাগের সকল ল্যাব, কোন ল্যাব এ কি কাজ হয় তার প্রাথমিক ধারণা নেয়া! শুধু কি নিজের ক্যাম্পাস? না, বাংলাদেশের যত এগ্রি ইউনিভার্সিটি আছে সব গুলোতেই ঘুরতে হবে। কিভাবে সম্ভব?
এখন ডিজিটাল era তাই সব এগ্রি ইউনিভার্সিটির ওয়েব সাইট এ গিয়ে ভিজিট করতে হবে। তাহলে জানা যাবে ওইসব ইউনিভার্সিটি তে কি কি কোর্স পড়ানো হয়, কত ক্রেডিট পড়ানো হয়। সিলেবাস কেমন! তাহলে নিজের সিলেবাস এর সাথে তুলনা করে দেখা যাবে তোমার কতটুকু গ্যাপ আছে বা তুমি এগিয়ে আছ। শুধু কি বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটি? না! ওয়ার্ল্ড এর কোন এগ্রি ইউনিভার্সিটি গুলা বেস্ট তাদের জানা, তাদের সিলেবাস কেমন! সাথে র্যাংকিং টাও দেখে নেয়া। যেমন – এখন ওয়ার্ল্ড র্যাংকিং (কিউএস/THE/USNews/Shanghai) এর টপ ১০ এর এগ্রি ইউনিভার্সিটি –
1. Wagneningen University & Research (WUR), Netherlands;
2. UC Davis, USA (University of California, Davis);
3. Swedish University of Agricultural Sciences (SLU), Sweden;
4. China Agricultural University (CAU), Beijing, China;
5. Cornell University, USA;
6. Purdue University, USA;
7. ETH Zurich, Switzerland;
8. Ghent University, Beljium;
9. UC Berkeley, USA;
10. Norwegian University of Life Sciences
৭. চেষ্টা করতে হবে বিগত সালের শীট দেখে পড়া এভয়েড করার। অনলাইনে এ অনেক ভাল ভাল ইউনিভার্সিটির নোটস পাওয়া যায়। একটু গুগল এ সার্চ করতে হবে টপিক ধরে ধরে। সবচেয়ে ভাল হয় রেফেরেন্স বই থেকে পড়া।
৮. স্যাররা যে লেকচার দিবে সেটার সাথে অনলাইনের নোটস এর কম্বিনেশন করে পড়া। কারন, ইউনিভার্সিটিতে এসে নিজের পড়া নিজে পড়ে বুঝে পড়ার মাঝেই প্রকৃত শিখার মজাটা পাওয়া যায়।
৯. যথাসম্ভব এগ্রিকালচার এর বাংলা বই কালেক্ট করা। যেমন-
১. হাসান আশরাফউজ্জামান এর উদ্ভিদ রোগবিজ্ঞান,শস্যের রোগ, ছত্রাকতত্ত্ব, ব্যবহারিক উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব,
২.জাহানারা বেগম এর কীটতত্ত্ব,
৩. মুস্তাফিজুর রহমান এর কীটতত্ত্ব,
৪. মু. আবুল কাশেম এর সম্প্রসারণ বিজ্ঞান,
৫.শহীদুর রশীদ ভুইয়া এর উদ্ভিদ প্রজনন ও বিবর্তন,
৬. আমাদের হাসান তারিক স্যারের জীবমিতি পরিচিতি ( সম্ভবত বাংলাদেশের কৃষি পরিসংখ্যান এর একমাত্র বাংলা বই) ইত্যাদি।
আরও অনেক বাংলা বই আছে যেগুলো কৃষি শিক্ষার বেসিক গঠনে সাহায্য করবে। কারন প্রথমেই ইংরেজি টার্মস গুলো মাথায় নাও ধরতে পারে, তাই বাংলা বই কালেক্ট করে সেই টার্মস গুলো বিষয়ে আগে ধারনা নিয়ে ইংরেজিতে পড়া। বাংলা বই বিভিন্ন পুরাতন বই লাইব্রেরি তে পাওয়া যাবে। আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর সেমিনারে অনেক বাংলা বই আছে সেখান থেকেও নিতে পার। একটু কষ্ট করে খুজতে হবে।
১০. ছুটিতে বাসায় গেলে অবশ্যই যাদের গ্রামে বাসা তারা পরিবারের ফসলি জমিতে যাবে। নিজে যা শিখছো তা সেখানে মিলিয়ে দেখার ট্রাই করতে হবে যে তুমি কি পড়ছো আর মাঠের কৃষকরা কি করছে! মনে রাখতে হবে কৃষি মানেই কৃষকের মাঠ। এই মাঠের সাথে সবসময় সংযোগ থাকতে হবে। দক্ষ কৃষিবিদ হওয়ার জন্য কৃষকের সাইক্লোজি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ডাক্তারদের প্র্যাক্টিসের জায়গা হচ্ছে হাসপাতাল তেমনি একজন কৃষিবিদের প্র্যাক্টিসের স্থান হল কৃষকের মাঠ আর কৃষক হচ্ছে আমাদের সেবা গ্রহীতা। দেশের কৃষকরাই এই দেশকে টিকিয়ে রেখেছে আর এই কৃষকদের সেবা দেয়ার জন্য আমরা কৃষিবিদ। কৃষি, কৃষক কৃষিবিদরাই মূলত দেশের মেরুদণ্ড। তাই একজন সফল কৃষিবিদ হতে হলে প্রথম বর্ষ থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।
#২য় বর্ষ থেকে ডিগ্রি শেষ পর্যন্ত Skill Development :
১। ১ম বর্ষের রেজাল্ট যাই হোক সেটা নিয়ে তেমন চিন্তা না করে ভাল হলেতো ভাল, আর মোটামুটি হলে বা খারাপ হলেও কোন কিছুই না ভেবে ২য় বর্ষে ভাল রেজাল্ট করার দৃঢ় থেকে এই সময় থেকেই নিজের কোয়ালিটি ডেভেলপ করা শুরু করতে হবে। মনে রাখতে হবে একাডেমিক রেজাল্ট এর পাশাপাশি অবশ্যই নিজেকে ভবিষ্যত এর জন্য তৈরি করতে হবে।
২। আজকের পুরো পৃথিবী চলছে তিনটি দক্ষতার উপর-
-- English Skill (speaking & writing)
-- Computer Skill
-- Communication, Leadership, and Management skill
এই তিন দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমেই বর্তমান আধুনিক মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। তাই ক্যারিয়ার প্লানিং করতে গেলে এই স্কিল গুলো অবশ্যই অর্জন করতে হবে। আজকের এই আলোচনায় এই তিন স্কিলকে ফোকাস করা হবে।
1.English skill:
তোমরা অবশ্য জানোই যে ইংলিশ স্কিল অর্জন একটি দীর্ঘমেয়াদী চর্চার মাধ্যমে করতে হয়। সায়েন্স এর স্টুডেন্ট হিসেবে ইংলিশ অনেকেরই বেসিক জানা থাকেই। সেগুলোই আবার চর্চা করতে হবে। তাই নতুন করে বিশয়গুলো আবার ঝালিয়ে নেয়ার জন্য ইংলিশ ভাল এরকম কোচিং বা প্রাইভেট পড়লে ভাল হবে। প্রথমে ২য় বর্ষে writing course এবং ৩য় বর্ষে spoken course করে নিলে বেসিক টা ঠিক হয়ে যাবে।
এগ্রিকালচার যেহেতু ইংলিশ মিডিয়াম এ পড়ানো হয় তাই এটাও চর্চার একটা মাধ্যম হিসেবে নিতে হবে। যা পড়া হচ্ছে তার অর্থ, সেন্টেন্স প্যাটার্ন, ভোকাবুলারি জেনে নিলে সব দিক থেকেই ভাল কাজে আসবে। ভাল ইংরেজি পারা এখন একটি অন্যতম দক্ষতা যা দিয়ে পৃথিবীর যেকোন সুযোগকে তুমি কাজে লাগাতে পারবে।
2. Computer Skill:
বেসিক কোর্সঃ MS office (Word, Excel, Power Point, Access), Internet, E-mail
অবশ্যই এবং অবশ্যই এই ২য় বর্ষেই কম্পিউটার শিখে নিতে হবে। যারা জানো তারাও এটি করবে। আমাদের ক্যাম্পাসেই স্টেডিয়াম মার্কেটে কারিগরী শিক্ষাবোর্ড এর অধীনে ৬ মাসের এই বেসিক কোর্স করানো হয়। যারা জানো তারাও করবে কারণ এখান থেকে যে সার্টিফিকেট পাবে সেটা যেকোন কাজের ক্ষেত্রেই লাগবে।
Photoshop, Graphic Design
শুধুমাত্র গ্রাফিক ডিজাইন এর জন্য ফটোশপ নয়, এখন এটা বেসিক কম্পিউটের এর মধ্যেই পড়ে। তাই ৩য় বর্ষে এই কোর্সটি করা যেতে পারে। বেসিক কিছু জানা থাকলে অনেক কাজ নিজের জন্য হলেও নিজে নিজে করে ফেলতে পারবে, এর জন্য দোকানে যাওয়া লাগবে না। এটাতো নিজের কাজে বটেই পেশাগত যেকোন কাজে লাগবে। এক্ষেত্রে কোন প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠান এ এবং ইউটিউব এও শিখা যায়। আসলে ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়!!
Research এর জন্য SPSS, Statistix, Sigma Plot
এগ্রিকালচার একটি গবেষণাধর্মী বিষয়। যে যাই কর মাস্টার্স করার সময় ডাটা এনালাইসিস এর জন্য SPSS, Statistix, R, SAS , গ্রাফ মেকিং এর জন্য Sigma plot, Origin pro এই সফটওয়ার গুলো লাগবে। বেসিক হিসেবে Statistix or SPSS এবং Sigma Plot শিখে রাখতে হবে। যারা ভবিষ্যতে পুরোদস্তর গবেষক, ইউনিভার্সিটির শিক্ষক হতে চায় তাদের অবশ্যই জানতে হবে। আমাদের রাবির পরিসংখান বিভাগে SPSS সম্পূর্ণ কোর্সটি করানো হয়। তাই শিখতে চাইলে সেখানে ৪র্থ বর্ষে করা যেতে পারে।
আর ইউটিউবতো আছেই। যখন ইচ্ছা তখনি শিখতে পারবে।
AI (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) এর ব্যবহার
Basic AI হিসেবে Chat GPT এর ব্যবহার করা। Chat GPT দিয়ে ভাল প্রম্পট তৈরি করা যায় যা দিয়ে NotebookLM এ ভাল কোয়ালিটি সম্পন্ন এডুকেশন নিয়ে স্লাইড, ভিডিও এক্সপ্লেইন ইত্যাদি বানানো যায়। যদি প্রথম থেকেই তুমি AI use করে তোমার সাব্জেক্টিভ বিষয়গুলো তৈরি করতে পারো তাহলে এই Ai তোমার সাব্জেক্টিভ নলেজ গুলো বুঝে গ্রাজুয়েশন করার পর কর্মক্ষেত্রে যাওয়া পর্যন্ত ট্রেইনড হয়ে যাবে এবং কর্মক্ষেত্রে তোমার আরেকজন পার্টনার হিসেবে সহযোগিতা করবে।
যত বেশি ইনফরমেশন তুমি AI কে দিতে পারবে সে তোমাকে তত সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে Disease Diagnosis and Management, Agronomical aspects, Physiological aspects এ AI দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে যদি তাকে সঠিক তথ্য ও প্রম্পট দতে পারো।
তাই Ai এর ব্যবহার করা এবং তাকে ট্রেইনড করা যা তুমি নিজে হতে চাও যাতে করে সে তোমার কাজ গুলো সহজ করে দেয়।
3. Communication, Leadership and Management skill:
Communication, Leadership and Management এই skill গুলো গড়ে উঠে বিভিন্ন এক্সট্রা কারিকুলার কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে। ডিপার্টমেন্ট এর বিভিন্ন প্রোগ্রাম যেমন পিকনিক, বার্ষিক ক্রীড়া, কৃষি দিবস এসবে সুতস্ফুর্ত অংশ গ্রহণ, নিজের উপজেলা সমিতি, জেলা সমিতি, বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান যেমন, বাধন, এসবে অংসগ্রহন। যারা হলে থাক তারা হলের বিভিন্ন প্রোগ্রাম এ অংশগ্রহন, বিভিন্ন ক্লাব যেমন সায়েন্স ক্লাব, হায়ার স্টাডি ক্লাব, এদের বিভিন্ন workshop, Debate competition এ অংশগ্রহণ। এসবের ক্ষেত্রে নিজের ভাল লাগাটা সবার আগে প্রাধান্য দিতে হবে। যেখানে ভাল লাগবে কেবল সেটাই করতে হবে।
৩। Driving Skill:
বিভিন্ন ড্রাইভিং স্কিল যেমন মোটর সাইকেল, প্রাইভেট কার এসব যানবাহন এর চালনা শিখা এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স করিয়ে রাখা। এগুলো মাস্টার্স এ করে ফেলা। এই ব্যাপারে রাবি পরিবহন শাখার সাথে যোগাযোগ করলে তথ্য পাওয়া যাবে। কৃষি সেক্টর এ ড্রাইভিং স্কিল থাকা বাধ্যতামূলক কারন তুমি যেখানেই কাজ করনা (সরকারি এবং প্রাইভেট তে অবশ্যই) কেন ফিল্ড এ তোমাকে মুভ করতে হবে। ড্রাইভিং স্কিল ও সাথে লাইসেন্স থাকলে তুমি জব এর ক্ষেত্রে বিশেষ করে প্রাইভেট জবে আলাদা প্রায়োরিটিও পাবা।
৪। পাসপোর্ট:
সেই সাথে পাসপোর্ট করিয়ে রাখা। ৪র্থ বর্ষে এটা করে ফেলা। অনার্স শেষ করে দেশের বাইরে মাস্টার্স এর জন্য এপ্লাই করার বা দেশের বাইরে ভ্রমণ সবক্ষেত্রেই লাগবে এই পাসপোর্ট। সাধারনত ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট এর জন্য পাসপোর্ট করা সহজ একটি ব্যাপার। অনলাইনে এপ্লাই করে ব্যাংক এ টাকা জমা দিয়ে ডিপার্টমেন্টে এর স্যার এর সত্যায়িত নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিলেই হয়ে যাবে!
ক্যাম্পাসে হাত বাড়ালেই সকিছুই পাওয়া যায়! সবগুলো করাটা খুব কঠিন না। কিন্তু ইচ্ছা থাকতে হবে, তাহলেই হবে। এই বিষয় গুলো যে করে রাখবে সে দেশের অন্য যে কোন এগ্রি ইউনিভার্সিটি গ্রাজুয়েট থেকে কয়েক হাজার পদক্ষেপ এ এগিয়ে থাকবে।
-----------
কৃষিবিদ মো: আশিকুর রহমান
B.Sc.Ag (Hon's),RU ; MS in Agronomy (CAU, Beijing)
একটি কৃষি ভিত্তিক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির নলেজ ট্রান্সফার ডিভিশন এর Team Leader হিসেবে এ কর্মরত।