22/12/2020
এমদাদুল হক লিমন
সাবেক সাধারণ সম্পাদক,
রাজশাহী সরকারী সিটি কলেজ,ছাত্রদল।
দীর্ঘ ১৪ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জন্য রাজপথে শ্রম দিয়েছেন, ঘাম ঝরিয়েছেন, মামলা খেয়েছেন, হামলার শিকার হয়েছেন, পরিবার পরিজন ছাড়া হয়েছেন। নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এই দলের জন্য নষ্ট করেছেন। গত নির্বাচনের সময় বাসায় পুলিশি রেড পড়ায় ওয়াল টপকে তার চাচার বাসায় আশ্রয় নিয়েছিল, তখন স্ব চোখে দেখেছি প্রায় রাতেই ঘুম থেকে জেগে শরীরের ব্যথায় কান্না করছেন। রিমান্ডের কারণে এই ভয়াবহ অবস্থার তৈরী হয়েছে। যা বয়ে বেড়াতে হবে আমৃত্যু।
তবুও থেমে নেই তাঁর রাজপথে পদচারণা।রাজপথে সক্রিয় থাকায় তার নামে হয়েছে একাধিক মামলা।পুলিশি আতঙ্কে কাটাতে হয়েছে দীর্ঘ রাত বাহিরে।তারপরও ছুটে চলছেন তো চলছেন। শুধু একা চলছেন না, তৈরি করেছেন অসংখ্য কর্মী সমর্থক। এক্ষেত্রে একজন দক্ষ সংগঠকও বলা চলে। এককথায়, দলের জন্য এক পরীক্ষীত ও নিবেদিত প্রাণ এমদাদুল হক লিমন।
আফসোস, আমাদের সংগঠন এমন ত্যাগী, নিবেদিত ও পরীক্ষিত সৈনিক গুলোর সঠিক মূল্যায়ন করতে জানে না। বরং উল্টো থামিয়ে দেয়ার প্রাণান্তকর চেষ্টা করে। পদ পদবীর ক্ষেত্রে, চলার ক্ষেত্রে, রাজপথে সবখানে চলে নোংরামি। ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে চলে থামানোর চেষ্টা। সৃষ্টি নয়, ধ্বংসেই যেন সুখ!
লিমন ভাইয়ের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। পদ পদবীর ক্ষেত্রে অবমূল্যায়ন করে থামানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যখন সেটা সম্ভব হয়নি তখন তাঁর বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে নানাবিধ ষড়যন্ত্র। পরিকল্পিত ভাবে শুরু হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে নোংরামো।
দীর্ঘ ১৪ বছরের বেশি সময় ধরে রাজনীতি করে আসা ছেলেটার নামে যেখানে আজ অবধি কেউ অভিযোগ করতে পারেনি, আজ পদ পদবী পাওয়ার পরে অভিযোগ কেন? শুধু এইটুকু গভীরভাবে চিন্তা করলে আশা রাখি, দায়িত্বশীলরা এর সঠিক উত্তর পাবেন এবং তাঁর চলার পথকে আরও সুগম করে দেবেন। আমার বিশ্বাস, বর্তমান দায়িত্বশীলরা অনেক সচেতন ও প্রজ্ঞাবান, তাঁরা নিশ্চয়ই চাইবে না একটা জ্বলন্ত স্ফুলিঙ্গ এভাবে ষড়যন্ত্রের কাছে হেরে যাক।
আর ষড়যন্ত্রকারীদের বলতে চাই, নিজেরাও এগিয়ে যান, অন্যদেরকেও এগিয়ে যেতে দিন। নিজেদের মধ্যে প্রতিহিংসা নয়, প্রতিযোগিতা করুন। তাতে নিজের জন্যও মঙ্গল, দলের জন্যও মঙ্গল।
আর হ্যাঁ, লিমন ভাই আপনিও মনে রাখবেন, বাঁধা ডিঙ্গিয়েই আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। আমরা আছি, আপনার পাশে ইনশাআল্লাহ।
Copy post : Wahid