22/04/2026
#প্রাক্তনদের মিলন মেলা, সাথে চলুক 🏏ক্রিকেট খেলা।🏏🏏🏏🏏
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rajabari Hat High School. SSC Batch 2014, School, Rajabari Hat High School, Godagari, Rajshahi.
22/04/2026
#প্রাক্তনদের মিলন মেলা, সাথে চলুক 🏏ক্রিকেট খেলা।🏏🏏🏏🏏
26/10/2024
#বন্ধুর অকাল মৃত্যুতে আমরা এস,এস,সি ব্যাচ ২০১৪ গভীর ভাবে শোকাহত।
আহ্! জীবনটা কতো সংক্ষিপ্ত!!
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন!!
বন্ধু পুলিশ সদস্য 'রায়হান' গতরাতে ঢাকার খিলখেত থানায় ডিউটিরত অবস্থায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।।
অত্যন্ত ভদ্র, ভালো ছেলে ছিলো বন্ধু রায়হান। তাঁর এ মৃত্যু আসলে মেনে নেওয়ার মতো নয়, সহ্য করার মতো নয়!! তাঁর বাবা-মা, স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই।
হে আল্লাহ! তাঁর ভুলগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।।
ভালো ছাত্র বনাম সেরা সন্তান!
□○◇□○◇□○◇□○◇□○◇□○◇
আমি একজন বিধবা মহিলা এবং আমার বয়স এখন ৬০ বছর। আমি স্কুল শিক্ষিকা ছিলাম। আমার স্বামী যখন মারা যায় তখন আমার বয়স ছিল ৪০ বছর, আর আমার একমাত্র সন্তানের বয়স তখন ১৬ বছর। ছেলেকে আমি বড় করেছি, নিজে কষ্ট করেছি এবং কখনো ছেলেকে কোন কিছুর অভাব বুঝতে দেই নাই। ছেলেকে দেশের সব চাইতে ভালো স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়িয়েছি। তারপর ছেলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেল অষ্ট্রেলিয়া এবং স্হায়ীভাবে আছে। আমাকে সবাই সফল মা হিসাবে জানে।
গত সপ্তাহে আমার এক পুরাতন বান্ধবীর সাথে দেখা। ওর ছেলে আমার ছেলে একই স্কুলে পড়েছে। আমরা দু'জন খুব ভালো বন্ধু হলেও আমাদের সন্তানদের মধ্যে ভাল বন্ধুত্ব গড়ে উঠেনি। আমি সব সময় চাইতাম আমার ছেলে ক্লাশের সেরা ছাত্রদের সাথে মিশুক যাতে মনের মধ্যে প্রতিযোগিতাবোধ জাগে।
ওর ছেলে সব ক্লাসে টেনেটুনে পাশ করে যেতো। তবে সব সময়ই স্কুলের খেলাধুলা অন্যান্য কার্যক্রম গুলোতে অংশগ্রহণ করতো। স্কুলের ওয়াল ম্যাগাজিনে ওর লেখা থাকতো, ছবি আঁকতো, এগুলো নিয়েই আমার বান্ধবী খুশি থাকতো। ও ভাবতো, আমার ছেলে তো আর ফেল করে না! আমার ছেলেটা পড়ালেখায় তেমন ভালো না কিন্তু ওর অন্য কাজগুলো কত সুন্দর! আমার কাছে মনে হতো,ছেলের মাথায় তো গোবর আছে। তার চাইতে বেশি গোবর মায়ের মাথায়। বাচ্চারা স্কুল পার হওয়ার পর আর আমাদের দেখা হয় নাই।
হঠাৎ করে গত সপ্তাহে শপিং মলে দেখা। ওর ছেলে আমাকে চিনতে পেরে এগিয়ে এসে সালাম দিল। আমি আসলেই চিনতে পারছিলাম না। ছেলে রীতিমতো ভদ্রলোক। তার পর আমাকে তার মায়ের কাছে নিয়ে যায়।
ছেলে মাকে নিয়ে শপিং এ এসেছে। মায়ের জন্য ছেলে পছন্দ করে রংচঙে থ্রী-পিছ কিনছে। আমি অবাক হলাম।
ছেলে আর মা আমাকে দিয়ে পছন্দ করিয়ে একই রংয়ের দুই সেট থ্রীপিস কিনলো। আমরা গল্প করলাম। আরো কিছু টুকিটাকি কেনাকাটা করে ওরা। ওদের কেনাকাটা দেখে মনে হচ্ছিল ওরা কোথাও বেড়াতে যাবে।
আমি খেয়াল করছিলাম ছেলে তার মার সাথে কেমন সহজ স্বাভাবিক ভাবে কথা বলছে। মনে হলো মাকে নয় মেয়েকে নিয়ে বের হয়েছে শপিং করতে। তারপর আমাদের নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে যায়। টুকটাক খাবার অর্ডার করে শেষে বলে - 'আম্মা কফি খাবে নাকি কোন আইসক্রিম।' খেতে খেতে শুনলাম ওরা বেড়াতে যাচ্ছে কক্সবাজারে সেখান থেকে সেন্ট মার্টিন। সাথে মা'কে নিয়ে যাবে। যদিও সেটা অফিসিয়াল ট্যুর। বুঝতে পারলাম ছেলে ভালো দায়িত্বে আছে। আমাদের সাথে বসা অবস্থায় অনেকবার মেইল চেক করলো। আর টুকটাক অফিসিয়াল কল রিসিভ করলো। তার মানে শত ব্যস্ততার মধ্যেও মা'কে শপিং করতে নিয়ে এসেছে।
ইতিমধ্যে জানা হয়ে গেলো বউ-এর কথা। বউ একটা মাল্টি ন্যাশনাল কম্পানিতে আছে। তাদের এক সন্তান সে এখন তার নানি বাড়িতে আছে। শপিং শেষ হলে মেয়েকে তুলে নিবে। আমি একটা বিছানার চাদর আর আমার জন্য টুকটাক বাজার করতে এসেছিলাম। আমি কিছুই কিনি নাই সেদিন। আমার কিছু কিনতে ইচ্ছে হচ্ছে হলো না আর। আমি শুধু দেখছিলাম। ছেলে কি ভাবে মা'কে এত যত্ন করছে। স্যান্ডেলের দোকানে নিজে তার মায়ের পায়ে স্যান্ডেল পরিয়ে দিলো। মা এত দাম দিয়ে স্যান্ডেল কিনবে না। ছেলে বোঝালো মূল্য না দেখে আরাম এর বিষয়টি খেয়াল করতে। ছেলের কত খেয়াল মায়ের জন্য। সবশেষে সানগ্লাস কিনলো মায়ের জন্য। মা সানগ্লাস কিনবে না। ছেলে বলল, 'মা সানগ্লাস কিনতে হবে কারন তুমি যখন সমুদ্রের ধারে হাটবে তখন তোমার চোখে রোদ লাগবে।'
ওদের মা-ছেলেকে দেখে আমার এমন লাগছে কেন? আমি একবার ছেলেকে দেখি, আর একবার মাকে দেখি। আর আমার ভেতরে কেমন হীনমন্যতা ঢুকে যাচ্ছে! বার বার মনে হচ্ছে আমি হেরে গেছি জীবনের কাছে? আমি একজন ব্যর্থ মা? যে তার ছেলেকে সব চাইতে সফল আর বড় বানাতে গিয়ে এত বড় বানিয়ে ফেলেছি যে, সেই ছেলের নাগাল আমি আর কখনো পাবো না! এর মধ্যে কয়েকবার মা আর ছেলে আমার ছেলের কথা জানতে চেয়েছে। ফোন নম্বর চেয়েছে, আমি দেই নাই। বলেছি বাসায় আছে, নোট বইয়ে লেখা। আসলে অনুমতি না নিয়ে ওর নম্বর কাউকে দিলে ও রাগ করবে।
আমাকে বলে - ' মা আমি অনেক বিজি থাকি, যখন তখন কল দিবে না। এতে করে আমার ডিসটার্ব হয়। তুমি এখনো অষ্ট্রেলিয়া আর বাংলাদেশের সময়ে এডজাস্ট করতে পারো না কেন?'
আমাকে আমাদের বাসায় নামিয়ে দেওয়ার সময় আমার হাতে একটা শপিং ব্যাগ দিয়ে বলল ছেলে বললো, ' আন্টি, এটা আপনার জন্য। আপনারা দুই বান্ধবী এক সময় এক রকম জামা পরে বেড়াতে বের হবেন।' আমার চোখে পানি চলে এলো।
আরো বলল, 'আন্টি আমার মোবাইল নং তো সেভ করে দিয়েছি আপনার যখন খুশি কল দিবেন, আমি এসে আপনাকে বাসায় নিয়ে যাবো।'
আরো বলল,'আন্টি আপনি তো একা থাকেন আপনিও চলেন না আমাদের সাথে কক্স বাজার। আম্মা'র একজন সঙ্গী হবে। আম্মার আরো বেশি ভালো লাগবে। আমি মনে মনে কতক্ষন থেকে বলছি - 'আমাকে নিবি তোদের সাথে কক্স বাজার?' আমি সমুদ্র দেখবো না। আমি শুধু দেখবো একটি ছেলে তার মাকে কত আদর যত্ন করে তা।'
মনে হয় আমার কথায় ওরা অবাক হলো। আমি এত সহজে ওদের সাথে যেতে রাজি হবো এটা ওরা ভাবতেও পারে নাই।
আমার হাত জড়িয়ে ধরে থাকলো, তার পর ওরা চলে গেলো। আমি আমার আলোহীন ঘরে ঢুকে, আজ আরো বেশি অন্ধকার দেখতে পেলাম। গত রাতে আমার ছেলের সাথে টেলিফোনে হওয়া কথা গুলো ভাবতে লাগলাম।
ছেলে একা একা বিয়ে করলো অষ্ট্রেলিয়া, নিজে মেয়ে পছন্দ করলো। যেহেতু বউ-এর পরিবার অষ্ট্রেলিয়ায় বহু বছর থেকে আছে, তাই বাংলাদেশে এসে বিয়ের করার প্রশ্নই আসে না। আমি টেলিফোনে ওদের দোয়া করলাম।
তার পর দেশে আসবে বলে আসলো না। তখন বউ-এর পড়ালেখা শেষ হয় নাই এর মধ্যে আসা যাবে না, তারপর নাতি হলো এখন ছেলে ছোট তাই বাংলাদেশের আবহাওয়া বাচ্চা'র সহ্য হবে না তা-ই আসা যাবে না।
এবছর আমাকে অষ্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য সবকাগজ ঠিক করার কথা। গতকাল কল দিয়ে জানালো এবার ছুটিতে ওদের সবাই কে নিয়ে শ্বশুর-শাশুড়ীসহ আমেরিকা যাবে। আমাকে বলল 'মা আমরা সবাই চেষ্টা করবো আগামী বছর দেশে আসার তুমি মন খারাপ করো না।'
না আমি মন খারাপ করি নাই। আমি আজ বুঝতে পেরেছি, শুধু ভালো ছাত্র আর সব সময় ফাস্ট হওয়া ছেলেরাই সেরা সন্তান হয় না। একজন সন্তানকে মানুষ করার ক্ষেত্রে আমি শুধু আমার ছেলেকে সেরাটা দিয়েছি। আর তাকে শিখিয়েছি ফার্স্ট হতে হবে পরীক্ষার খাতায় আর চাকরির বাজারে।
সেরা মানুষ হতে হবে এটা আমি কখনো শেখাই নাই। আমি ওকে কখনো শেখাই নাই তোমার বন্ধুদের সহযোগিতা করবে। আমি শিখিয়েছি শুধু প্রতিযোগিতা।
ওর কিসে ভালো হবে ওকে শিখিয়েছি। কিন্তু সবাইকে নিয়ে ভাবাটা শিখাতে পারি নাই। আমি সব সময় ছেলেকে ভালো জিনিস কিনে দিয়েছি। ওর চাহিদা পূরণ করেছি। কিন্তু আমি কখনো আমার কোন চাহিদা আছে বা থাকতে পারে তা ওকে দেখাই নাই।
আজ আমার পুরানো বান্ধবীর সাথে দেখা হওয়ায় ভালো হলো। এখন থেকে আমি আমার ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে ভাববো। ছেলের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নিবো না। ছেলেকে নিয়ে আমার ভাবনা শেষ। ছেলেকে তার ভালো থাকার জন্য সব করে দিয়েছি। ছেলের আর আমার কাছ থেকে পাওয়ার কিছু নাই।
ছেলে আমাকে তার কাছে অষ্ট্রেলিয়া বেড়াতে নিয়ে যাবে বলে গত দু' বছর থেকে আমার চলার টাকা থেকে একটু একটু করে যথেষ্ট টাকা জমিয়েছি। ওদের জন্য কত কিছু কিনবো তাই। এবার থেকে আমি আমার জীবনের ছোট ছোট চাওয়া গুলো পূরণ করবো।
খুব শখ ছিলো হিমালয় দেখবো আর মিশরের পিরামিড দেখবো! একা একা কি এগুলো দেখা যাবে? তার চাইতে এবার কক্সবাজার আর সেন্ট মার্টিন ঘুরে আসি তারপর একটু নিজেকে নিয়ে ভাববো!
[একটি সত্য ঘটনা। সবার নাম কেটে দিয়েছি। লেখাটি অনেক বড় ছিল। সময় বাচাঁতে সংক্ষিপ্ত করে দিয়েছি। ]
Collected.
18/05/2021
𝗜 𝗮𝗺 𝗳𝗿𝗼𝗺 𝗕𝗮𝗻𝗴𝗹𝗮𝗱𝗲𝘀𝗵 𝗮𝗻𝗱 I 𝘀𝘂𝗽𝗽𝗼𝗿𝘁 𝗣𝗮𝗹𝗲𝘀𝘁𝗶𝗻𝗲 🇵🇸 🇵🇸 🇵🇸
13/05/2021
বদলাবে বই, কমবে পরীক্ষা।
# সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন।
# ক্লাস টেন কোনো পাবলিক পরীক্ষা নেই।
# ক্লাস 3 এর আগে কোনো পরীক্ষাই নেই।
# এসএসসি তে মাত্র ৫ বিষয়ের পরীক্ষা। বাংলা, ইংলিশ, ম্যাথ, সায়েন্স ও সোশ্যাল সায়েন্স। কোনো পত্র নেই। মাত্র ৫ দিনেই শেষ।
# সায়েন্স, আর্টস, কমার্স গ্রুপিং হবে ইন্টারমিডিয়েটে।
হাইস্কুল লেভেলে বিষয় থাকবে ১০ টি :
- বাংলা,
- ইংরেজি,
- গণিত,
- জীবন ও জীবিকা,
- বিজ্ঞান,
- সামাজিক বিজ্ঞান,
- ডিজিটাল প্রযুক্তি,
- ধর্মশিক্ষা,
- ভালো থাকা,
- শিল্প ও সংস্কৃতি।
# ২০২৬ এর ইন্টারমিডিয়েট,
# ২০২৪ এর ক্লাস নাইন,
# ২০২৩ এর ক্লাস এইট ও ২০২২ এ নিচের অন্যান্য ক্লাসগুলো নতুন বই পাবে।
ইন্টারমিডিয়েটে সাবজেক্ট ৬টা, প্রত্যেকটার পত্র ৩ টা করে।
ফার্স্ট ইয়ারে সবগুলোর প্রথম পত্রের পাবলিক এক্সাম সেকেন্ড ইয়ারে সেকেন্ড ও থার্ড পার্ট। তারপর ২ এক্সাম মিলিয়ে চূড়ান্ত এইচএসসির রেজাল্ট।
14/11/2020
Amader friend Rajabari hat high school ssc Batch 2014 er Meya Urmi akter.
রাজশাহী থেকে হেলিকপ্টারে বউ নিয়ে গেলেন রূপপুরের প্রকৌশলী নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় হেলিকপ্টার নিয়ে বিয়ে করে ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রকৌশলী হারুন অর রশীদ বাদশা। শ.....
14/11/2020
আজকে আমাদের এসএসসি 2014 ব্যাচের মোসাঃ উর্মি আক্তার (এমি) এর বিয়ে শুভ বিবাহ সম্পন্ন হইল, তাদের দাম্পত্য জীবন যেন সুখের হয় সবাই দোয়া করবেন??
আমরা তাকে আকাশে উড়িয়ে শশুর বিদায় দিলাম।।
04/09/2020
বন্ধু আমাদের না জানিয়ে ফরজ কাজটা করেই ফেলল🥰
তোমাদের বিবাহিত জীবন সুখের হোক এই শুভকামনা রইল🙂