পরিক্ষা এক্স টেন এর শুরু হবে! নাকি নিউ টেনের?
Nordash M.L High School - Bagmara, Rajshahi
সবার জন্যই যদি পড়াশোনা ফ্রি হয় তবে তোমরা পড়না কেনো?
চাকরি জন্য নয়, চাকরি দেওয়ার জন্য স্বশিক্ষিত হ
যদি চাকরি পাওয়ার মতন আত্মবিশ্বাস থাকে তবে পড়তেই থাকেন। আর যদি না থাকে তবে পড়ার পাশাপাশি কাজে লেগে পড়েন।
যত সময় নষ্ট করবেন তত লস।
শিক্ষা মানুষের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন করতে পারে।
11/09/2017
আগে যদি জানতাম তবে মন ফিরে চাইতাম(age jodi jantam cover)।cover by Gerry Jacob।Lucky Aakhanda 2017 আগে যদি জানতাম তবে মন ফিরে চাইতাম(age jodi jantam cover)।cover by Gerry Jacob Gomes Published on Dec 7, 2016 "Age Jodi Janitam Tobe Mon Fire Chaitam, created...
ছেলেটার সাথে মেয়েটার প্রথম দেখা হয় মেয়েটার
বাসার ছাদে। অন্ধকার ছিল। প্রচন্ড বাতাস। সেই
বাতাসে তাদের প্রথম কথা হয়। অদ্ভুত এক পরিবেশে।
প্রেমেও হয়ত ছেলেটা সে মুহুর্তেই পড়েছিল। তারপর
দুজনার কথা হয়। ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। হয় ভালোবাসা।
ছেলেটা মেয়েটাকে কবি বলে ডাকত। কারণ মেয়েটার
কবিতা ছেলেটার অনেক পছন্দের ছিল। মেয়েটাকে
আপন করে নেয় ছেলেটার পরিবারও। ছেলেটার মা
মেয়েটাকে খুব পছন্দ করে ফেলেছিল।
বিয়ে ঠিক হবার কথা ছিল ওদের্।
এ পর্যন্ত আইসা আপনারা যদি ঘটনার হ্যপি এন্ডিং আশা
করে থাকেন সরি টু সে আপনি ভুল।
ঘটনা এর পরে হইল মেয়েটা কোন কারণ ছাড়াই ছেলেটার
সাথে ব্রেক আপ করে ফেলে। ব্লক দিয়ে দেয়। যেন
চিনেই না।
সেই ছেলে দুই তিন দিন আগে বীষ খেয়েছে। অবস্থা
খারাপ ছিল ,ওয়াশ করে বাঁচান হয়েছে সে ছেলেকে।
এটা সত্যি ঘটনা ,ছেলেটা আমার ক্লোজ ছোট ভাই।
মেয়েটাও আমার পাঠক। সে মেয়েটা এই পোস্টও হয়ত
পড়ছে।
ছেলেটা মেয়েটার প্রতি ১০০% ডেডিকেটেড ছিল। আমি
লিখে দিতে পারি, ঘটনা যদি এরকম না হয়ে অন্যরকম হত।
তাহলে ওই ছেলে বীষ খেতনা। উল্টা ওই মেয়ে আমাকে
টেক্সট করত ,
ভালোবাসা কি অপরাধ?
ধরেন ছেলেটা মেয়েটার রিলেশান হলো। ছেলে
কয়েকদিন মজা নিল। ওইদিকে ওই ছেলের অন্য অনেক
মেয়ের সাথে রিলেশান।
ওই মেয়ে টা ছেলেটার কাছে শুধুই টাইমপাস।
মেয়েটা এসব জানতে পারল।
ছেলেটা যদি অনেস্ট ডেডিকেটেড না হইয়া এমন হইত,
তাহলে দেখতেন আজকে ওই মেয়েই আমাকে টেক্সট
করত।
ভাইয়া আমার কি অপরাধ?
কিন্তু না ,ছেলেটা আসলে অপরাধ করেছে। ছেলেটার
অপরাধ ছেলেটা মেয়েটাকে পূর্ণভাবে
ভালোবেসেছিল। ছেলেটার অপরাধ ,ছেলেটা
মেয়েটাকে নিজের স্বপ্নের সাথে মিশিয়ে ছিল।
ছেলেটার অপরাধ , ছেলেটা ১০০% ভালোবেসেছিল।
এ দুনিয়াতে আসলে ১০০% ভালোবাসার কোন দাম নাই।
১০% পার্সেন্ট খাদ রাখতে হয়।
১০০% পার্সেন্ট ভালোবাসা দেখালে অপরপক্ষ মাথায়
উইঠা যায়। উইঠা যাইয়া ডিগবাজি খায়।
১০% ডিজঅনেস্টি ঢুকাইবেন দেখবেন গুরু কেমনে নাচে।
ডান্স ইন্ডিয়া ডান্স।
এরকম বহু গল্প আছে। চরিত্র আলাদা ঘটনা সেম।
ছেলেটা মেয়েটাকে সব দিয়ে ভালোবাসল। মেয়েটা
যাইয়া বাইকে ঘুরে আরেক প্লে বয়ের্। ১০০% ভালোবাসা
ভালোনা। এলার্জি। বাবু তোমার বাইক টা হেভভি হট।
১০০% ভালোবাসা নিরামিষ।
কিংবা মেয়েটা ছেলেটাকে ভালোবাসে। ওইদিকে
ছেলে যাইয়া আরেক মেয়ের কোমড়ে হাত দিয়া কোকের
বোতল মাপে। ঘটনা সেম।
তবে আমার দয়া হয় সেসব ছেলে মেয়ের প্রতি যারা এই
পূর্ণ ভালোবাসাকে দুরে ঠেলে দিয়ে বেইমানি করে।
এরা জানেনা , যে ভালোবাসা কে ফেলে দিল এরা সেই
ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কত মানুষ হাহাকার করে।
এরা বুঝেনা , ভালোবাসতে পারা হলো দুনিয়ার
শ্রেষ্ঠতম ক্ষমতা। এই ক্ষমতা যার নাই ,সেই সত্যিকারের
নপুংসক।
ভালোবাসার শহরে তাই হিসেব মেলেনা। ভালোবাসা
কেন আপন চেনেনা।
যদি আপনি ক্ষমা না করতে শেখেন
তবে আপনি মানুষ হতে পারলেন না।
সৃষ্টিকর্তা তো মানুষকেই এই ক্ষমতা
দিয়েছেন।
পশুদের দ্যাখেন, ওরা সভাবতই
প্রতিশোধ নেয়।ক্ষমা তো ওরা
বোঝেই না।
আশরাফুল মাখলুকাত বলেই মানুষ ক্ষমা
কি জিনিস সেটি বোঝে।
কিন্তু যদি কোনো ব্যক্তি তা না
পাের তবে তাকে তো মানুষের
রূপধরা পশু বলা যায়, চিন্তা করে দেখুন?
আবার যদি আপনি ক্ষমা করতেই
থাকেন তবে অপরাধী নিজের দ্বারা
অন্যায় টা বুঝতেই পারবে না।
তবে এখন আপনি কি করবেন? অবশ্যই
ভাবছেন প্রতিশোধ নেবেন!
আমি বলছি নেবেন, তবে সেটা
প্রতিশোধ নয়,অন্যায় বিরুদ্ধে
ন্যায়বিচার। অর্থাৎ শাস্তি।
প্রতিশোধ ব্যাপারটা হিংশুটে
দ্যাখায়।কিন্তু শাস্তি? এটা আসলে
ন্যায়বিচার ।
,
যদি আপনি দান করেন তবে আপনার
বাস্তবে কোনো কিছুরই অভাব নেই।
কারন আপনার মন প্রাচুর্যে ভরপুর।হৃদয়
শীতল, কোমল।অবশ্যই আপনি ভালো
মানুষ।
হিন্দুধর্মে দানই ধর্ম।
যদি আপনার অল্প সময়ের কিছু ভাল কথা
কোনো মানুষের কাজে লাগে তবে
আপনার ঐ কথা গুলোর মূল্য আছে,
বাকিগুলো মূল্যহীন।
জীবনে বড় হতে হলে, কিছু ভাল
মানুষের সাথে মিশতে হয়,তাদের
সাথে কথা বলতে হয়, তাদের সাথে
চলতে হয়,তাদের কথাগুলো শুনতে হয়।
আসলে এইমানুষগুলো জীবন সম্পর্কের
ধারনায় পরিপূর্ণ।
ভালো থাকুন,
ভালো মানুষের সাথে চলুন, কথা বলুন
ভালবাসা অবিরাম।
►কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে
২৮,০০০
গুণ বেশি ।,
:
▬►প্রাণীদের মধ্যে বিড়ালই সবচেয়ে
বেশি
ঘুমায় (দৈনিক ১৮ঘন্টা) ।
:
▬►একমাত্র স্ত্রী মশাই মানুষের রক্ত
খায়।
:
▬►মাছি মিনিটে ৮ কিলোমিটার
উড়তে
পারে ।
:
▬►পুরুষ ব্যাঙই বর্ষকালে ডাকে,আর তা
শুনে
কাছে আসে স্ত্রী ব্যাঙ ।
:
▬►হামিং বার্ড পাখি পিছনের দিকে
উড়তে পারে ।
:
▬►গিরগিটি একই সময়ে তার চোখ দুটি দুই
দিকেই নাড়তে পারে ।
:
▬►টিকটিকি এক সঙ্গে ৩০টি ডিম
পাড়ে ।
:
▬►মাছ চোখ খোলা রেখে ঘুমায় ।
:
▬►একমাএ পিঁপড়েই কোনদিন ঘুমায় না
:
▬► সিডকা পোকা একটানা ১৭ বছর
মাটির
নিচে ঘুমায় । তারপর মাটি থেকে
বেড়িয়ে
এসে চিতকার করতে করতে ৩ দিনের
মাথায়
মারা যায় ।
:
▬►সিংহের গর্জন ৫ মাইল দূর থেকেও
শোনা
যায়।
:
▬►অনেকের ধারণা হাঙ্গর মানুষকে
হাতের
কাছে পেলে মেরে ফেলে। কিন্তু
মানুষের
হাতেই বেশী হাংগর মারা পড়েছে।
:
▬►কাচ আসলে বালু থেকে তৈরী।
:
▬►আপনি প্রতিদিন কথা বলতে গড়ে
৪৮০০টি
শব্দ ব্যবহার করেন। বিশ্বাস না হলে
পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
:
▬►আপনি ৮ বছর ৭ মাস ৬ দিন একটানা
চিৎকার করলে যে পরিমান শক্তি খরচ
হবে
তা দিয়ে এক কাপ কফি অনায়েসে
বানানো
যাবে।
:
▬►একটি রক্ত কনিকা আমাদের পুরো
দেহ
ঘুরে আসতে সময় নেয় ২২ সেকেন্ড।
:
▬►আপনার যদি একটা তারকা গুনতে ১
সেকেন্ড সময় লাগে তাহলে একটি
গ্যালাক্সির সব তারকা গুনতে সময়
লাগবে
প্রায় ৩ হাজার বছর।
:
▬►অনেকের ধারণা শামুকের দাঁত নেই।
অথচ
শামুকের ২৫ হাজার দাঁত আছে।
▬►চোখ খুলে হাঁচি দেয়া সম্ভব না।
:
▬►বিড়াল ১০০ রকম শব্দ করতে পারে অথচ
কুকুর পারে ১০ রকম।
:
▬►পৃথিবীর প্রাণীদের মধ্যে ৮০ ভাগই
পোকামাকড়।
:
▬►একটি তেলাপোকা তার মাথা
ছাড়া ৯
দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এরপর
তারা সাধারণত খাদ্যাভাবে মারা
যায়|
ভালো লাগলে শুধু একটা tnx
কারো সাথে মারামারি করে মার
খেয়ে বাসায় ফেরার পর | ববা
বলবেঃ ঐ ছেলের সাথে আর মিশবি
না | মাঃ আরে আমার ছেলেটার
যে এভাবে মারছে আল্লাহ যেনো
তার বিচের করে | বোনঃ ভাইয়া তুই
কিছু করতে পারলিনা ঐ ছেলেটার ?
গার্লফ্রেন্ডঃ ছিঃ মার খেয়ে
আবার আমার সামনে আসতে তোমার
লজ্জা করলো না | আর ফ্রেন্ড
বলবেঃ ঐ বাইক টা বের কর কোন
সালার এতো বড় সাহস ? যে আমার
বন্ধুরে মারে | ঠিকানা বল ঐ
হারামির হাত ভেঙ্গে গলায়
ঝুলিয়ে দিয়ে আসবো | কি বুঝলেন ?
বন্ধু ছাড়া Life Impossible
পুনর্মিলনেরর আয়োজন করলে অনেক ভালো লাগতো।বড় ভাই ছোট ভাই সবাই কোনো একটা সময় এক হওয়া যেতো।
15/01/2017
মন বার, বার ফিরে যেতে চাই আমার মাধ্যমিক #স্কুল # জীবনে। বাগমারার #খ্যাতনামা # বিদ্যালয় আমার নরদাশ বহুুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।মনে পড়ে যাচ্ছে সেই সব বিগত দিনের কথা যখন সবাই মিলে খুব হই , হুুল্লোড় করতাম, কড়া রোদের মধ্যে #ফুটবল # খেলতে নেমে যেতাম। যদি আর একবার ফিরে পেতাম সেইসব স্মৃতিময় দিনগুলো?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Rajshahi