Rajshahi University
Rajshahi University is a most Reputed university in Bangladesh, located in Rajshahi City, This is a fan page,not an official.We love The University
সাবধান ! সাবধান !!
ঈদ শপিংয়ে ট্রায়াল রুমের গোপন ক্যামেরা থেকে সাবধান !!!
কিছুদিন পরেই পবিত্র ঈদ। ঈদে নতুন পোশাক কিনতে রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমলগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা বেড়েছে। নিজের পছন্দের পোশাক কিনতে ক্রেতার ছুটছেন নামিদামি সব শপিংমলে।
রেডিমেট পোশাক কিনতে যারা শপিংমলগুলোতে যান তারা সাধারণত ট্রায়াল রুমে ট্রায়াল দিয়ে পোশাক কিনে থাকেন। কারণ শখের যে পোশাক আপনি কিনছেন, সেটি আপনার পরনে ঠিকমত না হলে বিপাকে পরতে হয়।
বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে রেডিমেট পোশাক কেনা ও ট্রায়াল রুমের গোপন ক্যামেরা থেকে সাবধান হতে হবে। কারণ আপনার সামান্য অসাবধনতার কারণে বিপাকে পড়বেন আপনি। তাই ট্রায়াল রুমে গোপন ক্যামেরার বিষয়ে সর্তক থাকুন।
বিভিন্ন ট্রায়াল রুমে আপনার অজান্তেই ক্যামেরা লুকিয়ে রাখার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে অনেকবার। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন নারীরা।
আসুন জেনে নেই কীভাবে বুঝবেন ট্রায়াল রুমে গোপন ক্যামেরা লুকিয়ে রাখা হয়েছে।
আয়না বা গ্লাস পরীক্ষা করুন
কোনও প্রাইভেট প্লেসে গেলে প্রথমেই সেখানকার আয়না কিংবা গ্লাস পরীক্ষা করে দেখুন। দেখবেন আয়নাটি কীভাবে বসানো আছে। আয়নাটি কী দেয়ালে ঝোলানো, নাকি দেয়ালে লাগানো? নাকি দেয়ালের সাথে একেবারে খোদাই করা অবস্থায় আছে? টু ওয়ে মিরর বা একপাশে আয়না ও অন্য পাশে স্বচ্ছ এমন গ্লাসগুলো সাধারণত দেয়ালে একেবারে খোদাই করা অবস্থায় থাকে।
আয়নাতে টোকা দিন
আপনার আঙুলের গিঁট দিয়ে আয়নাতে টোকা দিন। আয়না যেহেতু দেয়ালে বসানো আছে, সুতরাং নরমাল আয়না হলে তা সাধারণ ফ্ল্যাট আওয়াজ করবে। কিন্তু টু ওয়ে মিরর হলে আয়নায় আঘাত করলে ফাঁপা শব্দ করবে।
আয়নার ভেতরে খুব কাছে থেকে তাকান
এটা যদি টু ওয়ে মিরর হয় তাহলে আয়নার কাছে চোখ নিয়ে তাকালে আয়নার অন্য সাইড দেখা যাবে। আপনার মুখ আয়নাতে চেপে ধরুন এবং হাত দিয়ে মুখের সাইডে এমনভাবে ব্লক করুন যাতে কোনো আলো আয়নায় না পড়ে। এটা টু ওয়ে মিরর হলে আয়নার অপর পাশে কী আছে আপনি তা দেখতে পারবেন।
লাইট ব্যবহার করুন
কোনো ফ্লাশ লাইট বা সেলফোনের লাইট বা টর্চলাইটের আলো ফেলুন আয়নার ওপর। আয়নার খুব কাছে থেকে আলোটি ফেলুন। সম্ভব হলে ঘরের অন্য লাইট বন্ধ করে দিন, শুধু আপনার হাতের ওই আলোটি ছাড়া। এটা টু ওয়ে মিরর হলে, অন্য পাশে কী আছে যা দেখা যাবে।
নখ দিয়ে পরীক্ষা করুন
টু ওয়ে মিরর পরীক্ষা করার সবচেয়ে দুর্বল পদ্ধতি হলো নখ দিয়ে পরীক্ষা করা। এর ফলাফল নিখুঁত নাও হতে পারে। তবে এই পদ্ধতিও জেনে রাখা ভালো।
ব্যবহার করুন সেলফোন
সিকিউরিটি ক্যামেরা বা গোপন ক্যামেরা থেকে এক ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি আসে যেটা মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়। যদি কোনো জায়গায় বা রুমে দেখেন আপনার মোবাইল ফোন সার্ভিস দিচ্ছে না এবং আপনার নজরে কোনো ক্যামেরাও পড়ছে না, তাহলে মনে করবেন সেখানে কাছাকাছি কোথাও গোপন ক্যামেরা আছে।
সংগৃহীত
জবি শিক্ষকের ফেসবুক স্ট্যাটাসে শিক্ষার্থীর সংগ্রামী জীবন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বুধবার, ০১ মে ২০১৯ ১২:৫৭
জবি শিক্ষকের ফেসবুক স্ট্যাটাসে শিক্ষার্থীর সংগ্রামী জীবন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শাহ মো. আরিফুল আবেদ গতকাল মঙ্গলবার নিজের ফেসবুকে এক শিক্ষার্থীর সংগ্রামী জীবন নিয়ে স্ট্যাটাস দেন। পরবর্তীতে এ স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
পাঠকদের জন্য সম্পূর্ণ স্ট্যাটাসটি হুবহু প্রকাশ করা হলো
এই আমি পর্যন্ত প্রথম দিকে যখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করি তখন সব সময় ছাত্রদের শাসনে রাখতাম। কাছে ভীড়তে দিতাম না। ভাবতাম, কাছে আসতে দিলেই নানা আবদার জুড়ে দেবে! আর শিক্ষক-ছাত্রের সম্পর্কে একটু দূরত্ব থাকাই সমীচীন । কিন্তু না, আমার এই ভুল ধারণা অচিরেই ভেঙে যায়। দিনে দিনে তাদের সাথে মিশতে থাকি, একাডেমিক হোক বা প্রশাসনের অংশ থেকে হোক আমি তাদের জীবন সংগ্রাম দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি! কত ঘটনার কথা বলব, শত শত জমা আছে গভীরে। শুধু দিন তিনেক আগের একটা ঘটনা শেয়ার করি।
# সম্প্রতি পুলিশের এসআই নিয়োগ পরীক্ষা চলছে।
ছেলেটি কাগজপত্র সত্যায়িত করতে আসে। নিজের রুমে বসে আছি, হাত মুখ ধোয়ে মাত্র দুপুরের খাবারের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এমন সময় সে এসে হাজির। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কাচুমাচু করছিল, ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দিলাম। প্রথম ধাক্কায় মনে হল, ছেলে নেশাসক্ত নয়ত শারীরিকভাবে অসুস্থ। কাগজপত্র এগিয়ে দিল, আমি একে একে স্বাক্ষর করছি আর অল্পস্বল্প তার বিবিধ জিজ্ঞেস করছি। এই আলাপপর্ব আমি প্রায়শ করে থাকি।
-বাবা, তুমি কি নেশাটেশা কর?
-না, স্যার।
-রাত জাগো?
-জ্বী না স্যার।
ছেলেটির লিকলিকে শরীর আর কাগজপত্র, ছবি স্বাক্ষরের সময় যখন একটা একটা কাগজ টেনে নিচ্ছিল তখন খেয়াল করছিলাম ছেলেটির হাত ঈষৎ কাঁপছে। তাই ভণিতা না করে সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছিলাম।
--তাহলে তোমার এই অবস্থা কেন? দেখে তো সুস্থ স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না।
--(সলজ্জভঙ্গিতে উত্তর দিল) মেসে থাকি তো, খাওয়া-ঘুমের ঠিক নেই স্যার।
জিজ্ঞেস করলাম, টিউশনি কর কয়টা?
-- তিনটা । এই মাসে আর একটা নিয়েছি।
--কত পাও সব মিলিয়ে?
-- ছয়-সাত হাজার!
--টাকাগুলো দিয়ে কী কর?
--বাড়িতে পাঠাই কিছু, গ্রামে বাবা-মা আর ছোট একটা ভাই থাকে। বাকিটা মেস ভাড়া, মিল খরচ আর পড়াশোনার ব্যয় স্যার।
---বুঝলাম, তুমি তোমার খরচ চালিয়েও বাড়িতে টাকা পাঠাচ্ছো। কিন্তু তোমার স্বাস্থ্যের এই ভগ্নদশা কেন? খাওয়া-দাওয়া নিয়মিত কর না?
--করি স্যার। (ছেলেটি এবার কুঁকড়ে যায়) তবে সব-সময় খাওয়া হয় না। সকালে ভার্সিটিতে আসি, ক্লাস শেষ করে টিউশনিতে চলে যাই। মেসে ফিরতে ফিরতে রাত দশটা-এগারটা। টিউশনির বাসায় যে নাস্তা দেয় তাই দিয়ে দুপুরেরটা চালিয়ে নিই; অবশ্য কখনও সখনও দেয়ও না। এভাবেই দিন চলে।
আমি গভীর এক দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। দুই সেট অনেকগুলো কাগজ স্বাক্ষর করতে করতে এক সময় মনে হল, কলম আর চলে না। আমি আর ওর দিকে তাকাতে পারছি না। মাথাটা নিচু করে বললাম-
--মাঝে সাঝে খেতে না পারলে অন্তত মুড়ি খাবে। তবুও খালি পেটে থেকো না। মুড়ি খেয়ে কয়েক গ্লাস পানি খেয়ে নেবে। দেখবে শরীরে অনেক বল পাবে।
ছেলে এবার যা বলল, এর জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। খুব ক্ষীণকণ্ঠে হা করা মুখের দিকে হাতটা নিয়ে তর্জুনি দিয়ে মাড়ির দিকে নির্দেশ করে বলল-
--স্যার, গত কয়েকদিন ধরে মুড়িই খেয়ে আছি। এই মাসের মেস ভাড়া, মিল খরচের টাকা দিতে পারি নি। সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার টাকা আর গত মাসে বাড়িতে গিয়েছিলাম মাকে দেখতে; মা অনেকদিন ধরে পীড়াপীড়ি কান্নাকাটি করছিলো, অনেকদিন বাড়ি যাই না-বাড়ি যেতে অনেক ভাড়া আর খরচের ব্যাপার; ছোট ভাইটা অনেক আবদার করে রাখে; আব্বা অন্যের আমবাগানে কাজ করতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কোমর ভেঙে বেশকিছু দিন শয্যাশায়ী--মা শুধু কাঁদে আমাকে এক নজর দেখবে, তাই গেলাম। অনেক খরচ হয়ে গেল গত মাসে।
আমি বাষ্পরুদ্ধ, নিশ্চুপ হয়ে শুধু শুনছিলাম। গলাটা আমার ধরে আসছিল। এতক্ষণ ওকে আমার বানভণিতাহীন জিজ্ঞাসাকে বড় বাতুলতা মনে হল। স্বাক্ষর সমাপ্তে শুধু একটাই প্রশ্ন করলাম।
--এই যে এসআই পরীক্ষা দিতে খুলনা যাচ্ছো, ভাড়া আছে যাওয়ার?
জীবনের রূঢ়তায় কতটা অনিশ্চিত এই যাপন। ছেলেটা উত্তর দিল-
-- না, নেই স্যার। যাব কি না মনস্থির করি নাই। দেখি, বন্ধু-বান্ধবদের কাছে ধার চাইব। যাওয়া আসা এক হাজার টাকা হলেই হয়ে যাবে। কিন্তু জানি না ব্যবস্থা হবে কিনা! তবুও কাগজপত্র ঠিক করে রাখলাম।
এতক্ষণ দাঁড় করিয়ে রেখেছিলাম ওকে। বুঝতে পারছিলাম এই অর্ধবেলা পর্যন্ত ছেলেটির পেটে কোন দানাপানি পড়েনি। আমার লাঞ্চবক্সে দুইটা রুটি ছিল। দুজনে ভাগ করে খেলাম। ও খেতে চায়ই নি। এক প্রকার জোর করে বসালাম।
সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র শিক্ষক আমি,মানিব্যাগ সার্চ করে দেখি বেশি টাকা নাই। এক কলিগকে ফোন করে বললাম, এক হাজার টাকা ধার দিতে পারবে কিনা। বলল, পারবে। ছেলেটিকে নিয়ে আসতে পাঠালাম। নিয়ে আসলো । টাকা ওর হাতে দিয়ে বললাম, এই টাকা তোমাকে ধার হিসেবে দিলাম। চাকুরী পেয়ে ফেরত দেবে। প্রথমে নিতে খুবই আপত্তি করল। যখন দেখল আমি সত্যি সত্যি ধার হিসেবে দিচ্ছি তখন আর দ্বিধা করল না।
আজ ফোন দিয়ে জানালো, সে প্রাথমিকভাবে এসআই বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত হয়েছে। আমি আনন্দিত। ওর জন্য সবার দোয়া চাই। মহান সৃষ্টিকর্তা যেন ওর মনে আশা পূরণ করে।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জীবন সংগ্রাম কাছে থেকে না দেখলে বোঝার কোন উপায় নেই। কত টাকা আমরা রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে ওয়েটারকে বখশিশ দিয়ে আসি। অনেক অহেতুক খরচ করি। প্লিজ, একটিবার আপনার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া প্রতিবেশী ছাত্রটির খবর নিন। তাকে সাহায্য নয়, ধার দিন।প্রয়োজনে লিখে রাখুন টাকার অংকটা, একদিন সে বহুগুণ ফেরত দেবে আপনাকে, জাতিকে।
এক ডাক্তারের ছেলের রিপোর্ট কার্ডে তার ছেলের স্কুলের শিক্ষক লিখে দিলো, "অংকে দূর্বল, অমুক কোচিং সেন্টার হতে নিয়মিত কোচিং করাতে হবে।"
তা দেখে ডাক্তারের মেজাজ গেলো চরমে, পরেরদিনই তিনি রিপোর্ট কার্ডসহ স্কুলে চলে আসলেন, সরাসরি জেরা করলেন সেই স্কুল শিক্ষককে,
ডাক্তারঃ আপনি কি শিক্ষক নাকি ব্যবসায়ী? আপনি কিভাবে লিখতে পারলেন, অমুক কোচিং এ আমার ছেলেকে কোচিং করাতে হবে? সেই কোচিং সেন্টার থেকে কি আপনি কমিশন পান?
এবার শিক্ষক মুচকি হেসে বললেন, "কেন, সেদিন আপনি কিভাবে প্রেস্ক্রিপশন পেপারে লিখতে পারলেন, অমুক ডায়াগনিস্ট সেন্টার থেকে টেস্ট করতে হবে? ঐ ডায়াগনিস্ট সেন্টার থেকে কি আপনি কমিশন পান?"
তা শুনে ডাক্তার পুরো শকড
(clctd)
এক চায়ের স্টলে একটা বোর্ডে লেখা আছে-
১) মাস্ত চা ৩০ টাকা
২) স্পেশাল চা- ১৫ টাকা
৩) চা- ৫ টাকা
ভদ্ৰলোক স্টল বয়কে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন-- এই ৫, ১৫, ৩০ টাকার ব্যাপার টা কি ?
বয় বলছে-সব একই, আপনার যেটা পছন্দ খেয়ে নিন I
ভদ্রলোক বললেন-- ঠিক আছে, আমাকে ৫ টাকা দামের এক কাপ চা দিয়ে দে I
চা খেয়ে বেশ ভাল লাগলো I ভদ্রলোক বয়কে ডেকে চায়ের দাম ৫ টাকা আর ১ টাকা বয়কে টিপস দিয়ে বললেন --
তোমার পাঁচ টাকার চা তো বেশ ভালোই লাগলো I তাহলে ত্রিশ টাকা দামের চা না জানি আরো কত ভালো হবে, ওই চা তোমরা কি দিয়ে বানাও ?
বয় বলছে-- ত্রিশ টাকা দামের চায়ে আমরা খাঁটি দুধ, দামি চায়ের পাতা আর মোটা দানার চিনি ব্যবহার করি I পনেরো টাকা দামের চায়ে ত্রিশ টাকা দামের চা থেকে বেঁচে যাওয়া চা পাতা , জল মেশানো দুধ আর কম দামি চিনি ব্যবহার করি I
ভদ্রলোক জিজ্ঞেস করলেন-- তাহলে পাঁচ টাকা দামের চা কি দিয়ে তৈরী কর I
বয় বলছে-- ব্যাপারটা কি জানেন, ত্রিশ বা পনেরো টাকা দামের চা শুধু স্ট্যান্ডার্ড লোকেরাই পান করে I এবং এরা ফ্যাশন করে পুরো চা টা খায় না, কাপের নিচে একটু রেখে দেয় I
আমরা সে উচ্ছৃষ্ট চা একটা ফ্ল্যাক্সে জমিয়ে রাখি এবং সেটাই গরম করে পাঁচ টাকা দরে বিক্রি করে দেই ....।😜😜
কপি
World's 26 richest people own as much as poorest 50%
19/01/2019
একগুঁয়ে ও জেদী নারীরাই দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ, তারা নিকটাত্মীয়দের সাথেও সুসস্পর্ক গড়তে ব্যর্থ হয়৷ যে নারী সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে আবেগ-ভালোবাসা আর নমনীয়তার বিচক্ষণতা হারিয়ে নিজের মত ও জিদকে প্রাধান্য দিয়েছে, সেই দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু কেন?
(১) কেননা তখন সে স্বামীর সাথে টানাটানি ও ঠেলাঠেলিতে প্রবেশ করবে। বিজয়ের জন্য নিজের আমিত্বকে জাহির করতে চাইবে। আর তখনই সে স্বামীর জিদের সামনে পরাজিত হবে। এমনকি তার বিরুদ্ধে নিকটস্থ ব্যক্তিরাও জেদী হয়ে উঠবে। কেননা পুরুষরা জেদী স্ত্রী বা একগুঁয়ে বোনের সামনে আরো বেশী কঠোর ও জেদপ্রবণ হয়ে উঠে। কিন্তু নমনীয় নারীর সামনে তারা হয় কোমল।
(২) জেদী নারী ধারণা করে, সে যদি নিজের মতামতের উপর দৃঢ় এবং দ্বন্দ্বের ঝড়ে অটল থাকতে পারে, তবে সে বিজয়ী হবে। কিন্তু একথা ভুলে যায় যে, নিজের মতের ক্ষেত্রে জিদ করে যদি একটা বিজয় পেয়েও যায় কিন্তু বিপরীত দিকে সে এমন একটি হৃদয় হারাবে যে তাকে ভালোবাসতো।
(৩) অধিকাংশ ঘটনায় পণ্ডিতগণ সহজ-সরল নম্র ও আবেগপ্রবণ স্বামীভক্ত নারীদের প্রশংসা করেছেন। যে নারী নম্রতার সাথে স্বামীকে সঙ্গ দেয় ও তার ভালোবাসা আদায় করার কৌশল বোঝে, তাকেই স্বামী অধিক ভালোবাসে ও আকড়ে রাখে।
(৪) ঝড় উঠলে তা চলে যাওয়ার জন্য যে নারী মাথা নামিয়ে নুয়ে পড়ে, সেই বুদ্ধিমতি ও জ্ঞানী, তার পক্ষেই সংসারকে চিরকাল আঁকড়ে রাখা সম্ভব। কিন্তু যে নারী শুকনো গাছের মত মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে, সে মচকে যায় বা এমনভাবে ভেঙ্গে যায়- যা আর জোড়া লাগে না।
(৫) নিজের মতের উপর অটল জেদী নারীর বিশ্বাস হচ্ছে, আমিই বিজয়ী হব, তুমি পরাজিত হবে। এ নারী মূলত: অন্যকে ধ্বংস করার পূর্বে নিজেকেই ধ্বংস করে। সর্বদা আফসোসের জীবন অতিবাহিত করে। যার তিক্ততা সে ভোগ করে দুনিয়া ও আখেরাতে।
(৬) পারিবারিক কনসালটেন্সি বিভাগে কাজ করে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে:
একগুঁয়ে ও জেদী নারীদের পরিণাম শেষ হয় তালাকের মাধ্যমে। ফলে তারা পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে হয় ব্যর্থ।
(৭) এক বেদুঈন নারী তার কন্যার বিদায়ের দিন যে উপদেশ দিয়েছিল তা অত্যন্ত চমৎকার প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা এবং পরীক্ষিত সত্য। সফল স্ত্রীরা এর বাস্তবতাকে প্রমাণ করেছেন। উপদেশটি হচ্ছে:
“তুমি স্বামীর সামনে নিজেকে একজন দাসীতে পরিণত কর। দেখতে পাবে অচিরেই সে তোমার দাসে পরিণত হয়ে যাবে।"
ভালো পুরুষরা ধৈর্যশীল ও উদার হয়ে থাকে, কিন্তু নির্বোধ ও একগুঁয়ে-জেদী নারীরা তাদেরকে শত্রুতে পরিণত করে।
লেখক: হাবিবুর রহমান
মহারাজ গোপালকে বললেন– তুমি সারা রাজ্য খুঁজে আমাকে ৫ জন মূর্খ এনে দাও।
এক মাস পর গোপাল মাত্র দু’জনকে সঙ্গে নিয়ে রাজসভায় ফিরে এলেন।
মহারাজ বললেন — আমি তো তোমাকে ৫ জন আনতে বলেছিলাম।
গোপাল বললেন– এনেছি মহারাজ, দয়া করে একে একে সবাইকে হাজির করার সুযোগ দিন।
একজনকে হাজির করে গোপাল বললেন–
মহারাজ এ হলো প্রথম মূর্খ। এ একটা গরুর গাড়িতে ভারী একটা পোটলা নিজের মাথায় রেখে বসেছিল। জিজ্ঞেস করে উত্তর পেলাম, গরুর উপর বেশি চাপ পড়ে যাবে বলে সে নিজের ভারী পোটলা মাথায় নিয়ে বসে আছে।
গোপাল আরেক জনকে নির্দেশ করে বললেন–
মহারাজ ইনি হলেন দ্বিতীয় মূর্খ।
ইনি নিজের চালে গজিয়ে উঠা ঘাস গরুকে খাওয়াবার জন্য মই দিয়ে গরুকে চালে উঠাবার চেষ্টা করছিলেন।
তারপর গোপাল বললেন–
মহারাজ, রাজ্যে রয়েছে দুনিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এই বিশাল কাজ-কর্মের অনেকটাই আমাকে সামলাতে হয়। তবু দেখুন, আমি মূর্খ খোঁজার অজুহাতে একটা মাস নষ্ট করে দিলাম। এজন্য মহারাজ, এই রাজ্যের তৃতীয় মূর্খ হলাম আমি নিজে।
গোপাল বলে চলেছেন–
মহারাজ, এই রাজ্যের পুরো দায়িত্ব কিন্তু আপনার উপর। আর বিদ্যা-বুদ্ধি সম্পন্ন লোক দিয়েই কিন্তু রাজ্যের কাজ সম্পন্ন হয়, মূর্খ আর নির্বুদ্ধিদের দিয়ে কোন কাজই হয় না। তবু
আপনি মূর্খ খোঁজার মত একটা নিরর্থক কাজে আমাকে নিযুক্ত করেছেন, সেই হিসেবে চতুর্থ মূর্খ হচ্ছেন মহারাজ আপনি নিজে।
আর, দুনিয়ার সব কাম-ধাম ফেলে, লেখা-পড়া ছেড়ে ফেইসবুকে নিমগ্ন হয়ে পাঁচ নম্বর
মূর্খ কে - সেটা জানার জন্য যে এই পোস্টটা পড়ছে, আমার হিসেবে সে-ই পঞ্চম মূর্খ।
মহারাজ, আপনার কি মনে হয় ?
মহারাজ বললেন– এটাকে সব পেজে পোস্ট করে দাও, অনেক মূর্খ অপেক্ষা করছে!
(সংগৃহীত)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Rajshahi
6205