24/12/2025
Big thanks to Nafees Ahmed Rana
for all your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!
এইচএসসি সাজেশন - মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয় এডমিশন প্রস্তুতি
24/12/2025
Big thanks to Nafees Ahmed Rana
for all your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!
মেডিকেল ভর্তিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চান্স পাওয়া নাতি-নাতনিরা বাদ পড়বেন
19/01/2025
আজকে মেডিক্যাল এডমিশনের রেজাল্ট দিয়েছে। ৭২/৭৩ মার্কস পেয়েও অনেকের চান্স হয়নি। অপরদিকে নাতি,নাতনি কোটায় ৪৬ পেয়ে মেডিক্যালে চান্স পেয়েছে। এতো বড় আন্দোলনের পরেও কোটা প্রথা এডমিশন প্রক্রিয়া থেকে বাদ হলো না। 🙂✌️✌️
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ
18/01/2025
বুয়েটের কোন বিভাগে কত আসন জেনে নিন
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। যা চলবে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রাথমিক ভর্তি পরীক্ষা হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি। আর চূড়ান্ত পরীক্ষা ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এই শিক্ষাবর্ষে বুয়েটে মোট ১ হাজার ৩০৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন।
বুয়েটের একটি সূত্র জানিয়েছে, কেমিক্যাল এন্ড ম্যাটেরিয়ালস কৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল অনুষদসমূহে ৪ বছর মেয়াদী প্রকৌশল-এ স্নাতক ডিগ্রী, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ৪ বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রী এবং স্থাপত্য বিভাগে ৫ বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রীর জন্য সর্বমোট আসন আসন রয়েছে ১ হাজার ৩০৫টি।
এর মধ্যে কেমিকৌশল বিভাগে ১২০টি, বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগে ৬০টি ন্যানোম্যাটেরিয়ালস এন্ড সিরামিক কৌশল বিভাগে ৩০টি, পুরকৌশল বিভাগে ১৯৫টি, পানি সম্পদ কৌশল বিভাগে ৩০টি, যন্ত্রকৌশল বিভাগে ১৮০টি, নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল বিভাগে ৫৫, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন কৌশল বিভাগে ১২০, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগে ১৯৫, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড কৌশল বিভাগে ১৮০, বায়োমেডিকেল কৌশল বিভাগে ৫০, স্থাপত্য বিভাগে ৬০ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ৩০টি আসন রয়েছে।
ভর্তির জন্য নির্ধারিত মোট ১৩০৫ টি আসনের অতিরিক্ত বাংলাদেশের ক্ষু নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুতকৃত মেধা তালিকা হতে প্রকৌশল বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য মোট ৩টি (কোন বিভাগে ১টি আসনের বেশী নয়) এবং স্থাপত্য বিভাগের জন্য ১টি সহ সর্বমোট ৪ টি আসন সংরক্ষিত থাকবে।
10/01/2025
ভর্তিযুদ্ধে জয়ী হতে ঢাবি ছাত্র সিফাতের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ
দরজায় কড়া নাড়ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা। ইতিমধ্যে ভর্তিচ্ছুদের সকল প্রস্তুতি সমাপ্তির পথে। শেষ সময়ে সবকিছু গুছিয়ে কীভাবে পরীক্ষা শেষ করা যেতে পারে এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ঢাবির রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত ইসলাম।
ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণকালে শিক্ষার্থীদের করা ভুলগুলো নিয়ে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এ সময়ে অনেক বেশি চিন্তা করে এটি তাদের অনেক সময় নষ্ট করে। ফলে তাদের অন্যদের থেকে পিছিয়ে পড়ার একটি সম্ভাবনা থাকে। আমি মনে করি পরীক্ষার আগের এ সময়ে মাথায় কোনো চিন্তা রাখা যাবে না। যতটুকু প্রস্তুতি নিয়েছি এর মধ্যেই ভালো পরীক্ষা দেওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে।’
‘যে টপিকগুলো গুরুত্বপূর্ণ যেগুলো যদি পড়া না থাকে তাহলে একবার করে পড়ে নেওয়া উচিত এবং এই পর্যন্ত যতটুকু পড়া হয়েছে এগুলোই বার বার রিভিশন দেওয়া এই সময়ের জন্য উপযুক্ত হবে বলে আমি মনে করছি।’
‘ওই সময়ে চিন্তা ছিল আমার যত বন্ধু আছে তাদের চাইতে বেশি পড়বো। আমার চেষ্টায় যেন কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে। ঘুম এবং অন্যান্য দৈনন্দিন যে বিষয়গুলো রয়েছে সেগুলো কমিয়ে নিয়ে এসে আমি পড়ায় মনোযোগ দিয়েছি। একটা কথাই বলবো এ সময় চেষ্টার কোনো কমতি রাখা যাবে না।’
পরীক্ষার হলে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত এমন প্রশ্নে সিফাত বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালে কোনোভাবেই প্যানিক (ঘাবড়ে যাওয়া) হওয়া যাবে না। প্রথমে প্রশ্নটা হাতে নিয়ে যে বিষয়ে সবচেয়ে ভালো জানা আছে সেটা উত্তর করতে হবে। এছাড়াও প্রত্যেকটা প্রশ্ন ভালো করে পড়তে হবে। শুধুমাত্র টপিক কমন পড়েছে বলে অর্ধেক পড়েই অনুমান করে উত্তর দিয়ে দিবো এমনটা করা যাবে না। যে প্রশ্নগুলো পড়ে মনে হবে যে এটা একটু ভেবে উত্তর করতে হবে সেটা পরবর্তী সময়ের জন্য রেখে দিয়ে অন্য প্রশ্নে আগাতে হবে। অনেকে প্রশ্ন দেখে মনে করে আমি অনেক কম উত্তর করেছি; আরও বেশি উত্তর করতে হবে তবে এখানে যে বিষয়টি খেয়াল করতে হবে এভাবে ভুল উত্তর করার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ভুল উত্তরগুলোর জন্য কিন্তু সঠিক উত্তর থেকে নম্বর কাটা হয় ফলে চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। পরীক্ষার সময় আমি যতটুকু পারি ততটুকুই উত্তর করবো এরকম একটা চিন্তা নিয়ে আসতে হবে। আন্দাজে দাগানো যাবে না কোনোভাবেই।’
ভর্তিচ্ছুদের মানসিক চাপ সামলানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা জীবনের একটি অংশ এ ছাড়াও আরও অনেক কিছুই রয়েছে। এসময় অনেক হতাশা কাজ করে কিন্তু এটাকেই জীবনের উদ্দেশ্য করা বা জীবনের অর্থ বানানো মোটেও উচিত নয়। মনে রাখতে হবে এটি আমার জীবনের একটি অংশ। চান্স পাইনি বলে যে আমরা জীবনের কোনো অর্থ নেই এটা কোনোভাবেই চিন্তা করা যাবে না। জীবনের অনেক লক্ষ্য থাকে সেটা আমরা একভাবে না হলেও অন্যভাবে ঠিকই পূরণ করতে পারবো।’
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পাওয়াদের উদ্দেশ্যে সিফাত বলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়াকে সমাজ এমনভাবে দেখায় যে মনে হয় এখানে চান্স না পেলে আমার জীবন শেষ। এই চিন্তাটি ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের মধ্যে দেওয়ার ফলে তারা হতাশায় ভোগে। এ হতাশা থেকেই অনেকে আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নেয়। সমাজের মানুষের কাছে আমার একটা আবেদন থাকবে ভর্তি পরীক্ষাকে আপনারা জীবনের একমাত্র অর্থ না দেখিয়ে এটাকে সহজভাবে নিন।’
একাধিক ইউনিটের প্রস্তুতির বিষয়ে রসায়নের এ ছাত্র বলেন, ‘আমি শুধু বিজ্ঞান ইউনিটের প্রিপারেশন নিয়েছিলাম। আমার মতে যার যে ইউনিটে দক্ষতা সবচেয়ে বেশি তার সেখানেই পরীক্ষা দেওয়া উচিত। যারা অসাধারণ রকমের শিক্ষার্থী রয়েছেন এরকম গুটিকয়েকজন নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী চাইলে একাধিক ইউনিটের প্রস্তুতি নিতে পারেন।’
সবশেষ তিনি বলেন, ‘এই সময়ে বলবো তোমাদের যার কাছে যতটুকু সময় আছে এতোদিন যা পড়েছো তা ভালো করে রিভিশন দাও। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে বারবার চোখ বুলিয়ে নাও আশাকরি ভালো একটা ফলাফল করতে পারবে।’
10/01/2025
রাবিতে পোষ্য কোটার জটিলতায় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা স্থগিত ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। তবে কবে নাগাদ এ পরীক্ষা শুরু হতে পারে, তা এখনো জানা যায়নি। পোষ্য কোটা নিয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনড় অবস্থান এবং বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত জটিলতায় এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
গত ৪ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষ স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে আবেদনের বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকাতে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির ১(ক)-এ উল্লিখিত অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন শুরুর কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হলো।
স্থগিতের সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো না হলেও বিজ্ঞপ্তি নিয়ে জটিলতার কথা বলছে কর্তৃপক্ষ। তবে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পোষ্য কোটা বাতিল করায় কর্মচারীদের চলমান আন্দোলন ও শিক্ষকদের সহযোগিতা না পাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে কবে থেকে পরীক্ষা শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
সামিয়া তাসনিম বর্ষা নামের ভর্তিচ্ছু এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘হঠাৎ করে এভাবে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় আমরা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। এটি বাড়তি চাপ তৈরি করছে আমাদের ওপর। আমরা চাই, দ্রুত ভর্তির কার্যক্রম শুরু হোক।’
নবে নাগাদ ভর্তি কার্যক্রম ফের শুরু হবে জানতে চাইলে জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
একই সুরে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দিন খান। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আশা করছি দ্রুতই শুরু হবে।’
পোষ্য কোটা নিয়ে জটিলতার কারণে স্থগিত হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে না, বরং পোষ্য কোটা বাতিলের কারণে পত্রিকায় পুনরায় বিজ্ঞাপন দিতে হবে। কারণ পত্রিকা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে যে বিজ্ঞাপন গেছে, সেখানে পোষ্য কোটা ১ শতাংশ লেখা আছে। ফলে ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওয়েবসাইট ও পত্রিকায় সংশোধনী বিজ্ঞাপন দিতে হবে।
জানা গেছে, প্রায় এক মাস ধরে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এতে প্রশাসন ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সন্তানের কোটা বাতিল করে কর্মচারীর সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ রাখে। তবে শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত পোষ্য কোটা পুরোপুরি বাতিল ঘোষণা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব।
এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৮ ও ৯ জানুয়ারি পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেন তারা। তার আগে ৭ জানুয়ারি দুই ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি এবং ৬ জানুয়ারি এক ঘণ্টার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সরকারি মেডিক্যাল কলেজে আসন বাড়ল ১০৩০টি
দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ১ হাজার ৩০টি আসন বাড়িয়েছে সরকার। এ নিয়ে মোট আসন সংখ্যা বেড়ে হয়েছে পাঁচ হাজার ৩৮০টি। ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তিচ্ছুরা বর্ধিত আসনে ভর্তি হতে পারবেন।
রবিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দেশে সরকারি মেডিক্যাল কলেজের আসন সংখ্যা এতদিন ছিল চার হাজার ৩৫০টি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি সরকারি মেডিক্যালে আসন বাড়ছে ২০ থেকে ৬০টি পর্যন্ত। নতুন মেডিক্যাল কলেজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬০টি আসন বাড়ানো হয়েছে গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিক্যাল কলেজে।
এছাড়া মানিকগঞ্জের কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজে ৫০টি, হবিগঞ্জের শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজে ৪৯টি, শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ জামালপুর ও টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ, শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ এবং কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ ৩৫টি করে আসন বাড়ানো হয়েছে।
05/01/2025
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হচ্ছে আজ রবিবার (৫ জানুয়ারি)।
বেলা ১১টা থেকে অনলাইনে আবেদন ও নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করতে পারবেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। এ প্রক্রিয়া চলবে আগামী ২৫ জানুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
এবার ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি এ-১ ইউনিট (বিজ্ঞান) এক হাজার দুইশত পঞ্চাশ টাকা, এ-২ ইউনিট (বিজ্ঞান ও আর্কিটেকচার) এক হাজার চারশত টাকা, বি ইউনিট (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) এক হাজার দুইশত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনের জন্য admission.sust.edu.bd লিংকে প্রবেশ করতে হবে। ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২৩ অথবা ২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে যারা শাবিপ্রবিতে বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তির জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ করবেন, কেবল তারাই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। সে হিসেবে দ্বিতীয়বার ভর্তির সুযোগ থাকছে শাবিপ্রবিতে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০ টায় 'বি' ইউনিট (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ)। একই দিন বিকাল ৩ টায় 'এ' ইউনিটের (বিজ্ঞান বিভাগ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এ বছর, ‘এ’ ইউনিটে (বিজ্ঞান শাখা) মোট আসন ৯৮৫ টি ও ‘বি’ ইউনিটে (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য শাখা) মোট ৫৮১টি আসন রয়েছে। এসব আসন ছাড়াও অতিরিক্ত ১০৫ টি কোটা আসন রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এরমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ২৮, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী/ জাতিসত্ত্বা/ হরিজন-দলিত কোটা ২৮, প্রতিবন্ধী কোটা ১৪, পৌষ্য কোটা ২০, চা শ্রমিক কোটা ৫, বিকেএসপি (খেলোয়াড়) কোটা ১০
04/01/2025
দেশের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা সভা করে ভর্তি পরীক্ষার তারিখসহ অন্যান্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেছে।
গত ১ জানুয়ারি ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভা সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকছে না। এই তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত কুমিল্লা, কুষ্টিয়ার ইসলামী, দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাকি ২১টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ার মধ্যেই থাকছেন। তবে এজন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা এবং একাধিকবার মাইগ্রেশন বন্ধের বিষয়ে কঠোর হতে বলা হয়েছে।
গুচ্ছে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, ‘শিক্ষা উপদেষ্টার অনুরোধের কারণে আমরা (কুবি) এবারের মতো গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবো। তবে একাধিকবার মাইগ্রেশন বন্ধ, দ্রুত সময়ের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা শেষ করা এবং একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফি দেওয়া বন্ধ করতে হবে। এটি না হলে আগামীতে যত অনুরোধই করা হোক না কেন আমরা আর গুচ্ছে থাকবো না।’
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির আহবায়ক এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ বলেন, ‘২১ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে সভা করে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ, পরীক্ষা পদ্ধতি এবং অন্যান্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাঘবে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবারের মতো ২০টি সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নানা অজুহাত দেখিয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কঠোর পদক্ষেপের কারণে বেরিয়ে যেতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ইতোমধ্যে ৩টি বিশ্ববিদ্যালয় এ পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে গিয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করছে। আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপের কারণে আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে কর্তৃপক্ষ। ফলে এবার ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
04/01/2025
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন আগামীকাল রোববার (৫ জানুয়ারি) শুরু হচ্ছে।
এবার তিনটি ইউনিটে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই ধাপে এবারের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করতে হবে শিক্ষার্থীদের।
প্রাথমিক আবেদনের সময়সূচী: আগামীকাল ৫ জানুয়ারি বেলা ১২টা থেকে স্নাতক প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শুরু হবে। চলবে ১৫ জানুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। ছবি পরিবর্তন করতে চাইলে ওয়েবসাইটে ‘Student Panel’-এ ‘Update Photo’ -এর মাধ্যমে করতে হবে।
চূড়ান্ত আবেদন চারটি পর্যায়ে গ্রহণ করা হবে। যে কোন পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীকে অবশ্যই সেই পর্যায়ের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। পরবর্তীতে আবেদনের আর কোন সুযোগ থাকবে না।
ভর্তি আবেদনের যোগ্যতা
মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ মোট জিপিএ ৭.০০ পেতে হবে। বাণিজ্য শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ মোট জিপিএ ৭.০০ পেতে হবে।
বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ সহ মোট জিপিএ ৮.০০ পেতে হবে। জিসিই ও-লেভেল পরীক্ষায় ৫টি বিষয়ে এবং এ-লেভেল পরীক্ষায় অন্তঃত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং উভয় লেভেলে মোট ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টি বিষয়ে কমপক্ষে বি-গ্রেড এবং ৩টি বিষয়ে কমপক্ষে সি-গ্রেড পেতে হবে।
ও-লেভেল, এ-লেভেল এবং ইংলিশ ভার্সন (ন্যাশনাল কারিকুলাম) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের প্রশ্ন প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হবে। ইংরেজি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনকালে অনলাইনে থাকা সংশ্লিষ্ট অপশনটি অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
আবেদনকারী যে ইউনিটেই আবেদন করুক না কেন সে যে শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে সে শাখার জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
আবেদন ফি
প্রাথমিক আবেদন ফি ৫৫ টাকা। প্রাথমিক আবেদন শেষে চূড়ান্ত আবেদন শুরু হবে ২১ জানুয়ারি থেকে। প্রাথমিক আবেদনকারীদের মধ্য থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ৯২ হাজার জনসহ বিভিন্ন কোটার আবেদনকারী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। চারটি ধাপে চূড়ান্ত আবেদন সম্পন্ন করা হবে। এই ইউনিটে চূড়ান্ত আবেদন ফি নির্ধারিত করা হয়েছে ১ হাজার ৩২০ টাকা (সার্ভিস চার্জসহ)।প্রতিটি ইউনিটে ৯২ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রাথমিক আবেদন থেকে যাচাই-বাছাই শেষে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত আবেদনের জন্য মনোনীত করা হবে। প্রাথমিক আবেদন থেকে পরীক্ষার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশ মানবিক শাখা হতে এবং ৪৫ শতাংশ মানবিক ব্যতীত অন্যান্য শাখা হতে নির্ধারণ করা হবে। ভর্তিসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে http://admission.ru.ac.bd জানা যাবে।
03/01/2025
রুয়েটের আবেদন শুরু কাল, প্রিলি পরীক্ষা ৮ ফেব্রুয়ারি
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ২০২৪-২৫ সেশনের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হচ্ছে আগামীকাল শনিবার (৪ জানুয়ারি)। এবার ভর্তি পরীক্ষা প্রাক- নির্বাচনী (বহুনির্বাচনি) ও নির্বাচনী (লিখিত) ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।
রুয়েট ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে বি. এস. সি. ইঞ্জিনিয়ারিং, বিইউআরপি ও বিআর্ক কোর্সে ভর্তি হতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের নিকট হতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইনে আবেদনপত্র আহ্বান করা যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পুরকৌশল, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল এবং যন্ত্রকৌশল অনুষদসমূহে বিভিন্ন বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি-ইচ্ছুক বাংলাদেশি নাগরিকেরা আবেদন করতে পারবেন।
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা—
১। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা:
ক) প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে ।
খ) প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে ২০২১ খ্রি. অথবা ২০২২ খ্রি. সালের মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ (চার) অথবা সমতুল্য গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে ।
গ) প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে ২০২৪ খ্রি. সালের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও ইংরেজি এ চার বিষয়ের প্রত্যেকটিতে ন্যূনতম জিপি ৪.০০ (চার) সহ মোট জিপি ১৮.০০ (আঠারো) পেতে হবে ।
ঘ) প্রার্থী GCE ‘O’ লেভেল এবং ‘A’ লেভেল পরীক্ষায় পাশ করে থাকলে তার ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য GCE ‘O’ লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি বিষয়ে ন্যূনতম ‘B’ গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে। GCE ‘A’ লেভেল পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিদ্যা ও রসায়নে পৃথক পৃথকভাবে কমপক্ষে ‘B' গ্রেড পেয়ে পাশ হতে হবে। উল্লেখ্য, প্রার্থীকে ২০২৩ খ্রি. এর নভেম্বর বা তারপরে ‘A’ লেভেল সার্টিফিকেট প্রাপ্ত হতে হবে।
ঙ) কমপক্ষে ১২ শিক্ষাবর্ষ অধ্যয়নকাল থাকা সাপেক্ষে বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২৪ খ্রি এর উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীর ক্ষেত্রে গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ের প্রত্যেকটিতে আলাদাভাবে ৮০% নম্বর বা সমমানের গ্রেড পেতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় গড়ে কমপক্ষে ৭০% নম্বর বা সমমানের গ্রেড পেতে হবে।
আবেদনের নিয়ম—
আবেদন করার নিয়ম ভর্তির নির্দেশিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইটে নির্দেশনা মোতাবেক আবেদন ফরম পূরণ করে তা অনলাইনে Submit করতে হবে।
RUET এর ওয়েবসাইটে বর্ণিত পদ্ধতিতে প্রাথমিক আবেদন ও ভর্তি পরীক্ষা বাবদ প্রদেয় ফি জমা দিতে হবে। অতঃপর আবেদনটি চূড়ান্তভাবে দাখিল (Final Submit) করতে হবে।
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী নির্বাচন-
(ক) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রাপ্ত সকল বৈধ আবেদনপত্রের মধ্য হতে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও ইংরেজী-এ চার বিষয়ে প্রাপ্ত মোট গ্রেড পয়েন্টের ভিত্তিতে একটি মেধা তালিকা তৈরি করা হবে। প্রার্থী সংখ্যা বেশী হলে এ তালিকা থেকে প্রথম ২৪,০০০ (চব্বিশ হাজার) জন প্রার্থীকে প্রাক-নির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে। তবে ২৪,০০০ (চব্বিশ হাজার)-তম প্রার্থী একাধিক হলে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় যথাক্রমে গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও ইংরেজিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ২৪,০০০ (চব্বিশ হাজার)-তম প্রার্থীদের মধ্য হতে ন্যূনতম সংখ্যক প্রার্থীকে প্রাক-নির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে ।
(খ) উপরে উল্লিখিত শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে প্রাক-নির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের সর্বোচ্চ তিন শিফটে বিভক্ত করে প্রাক-নির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষা নেয়া হবে। পরিসংখ্যান ভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রতিটি শিফটে উপস্থিত প্রার্থীদের মেধার বিন্যাসের সমতুল্যতা নিশ্চিত করা হবে।
(গ) নির্বাচনী পরীক্ষা (লিখিত)-তে অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বিবেচিত আবেদনকারীদের তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
রুয়েটে আবেদনের গুরুত্বপূর্ণ তারিখ—
আবেদনপত্র গ্রহণ, প্রাক- নির্বাচনী পরীক্ষা, মূল ভর্তি পরীক্ষা ইত্যাদির তারিখ ও সময়সূচি হলো—
১. অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ ও জমা শুরু: ০৪ জানুয়ারি ২০২৫, সকাল ১০টা।
২. অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ ও জমা শেষ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৫, রাত ১১:৫৯।
৩. মোবাইল/অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদান শেষ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, বিকাল ৫টা।
৪. প্রাক-নির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য আবেদনকারীদের নামের তালিকা প্রকাশের সর্বশেষ তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, রাত ১১:৫৯।
৫. প্রাক-নির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু ২৫ জানুয়ারি ২০২৫।
৬. প্রাক- নির্বাচনী পরীক্ষা: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ (পরীক্ষার শিফট ও সময় পরবর্তী সময়ে রুয়েটের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।)
৭. লিখিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
৮. নির্বাচনী (লিখিত) পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
৯. নির্বাচনী(লিখিত) ভর্তি পরীক্ষা: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
(মডিউল B: ‘খ’ গ্রুপ মুক্তহস্ত অঙ্কন (Freehand Drawing) এবং দৃষ্টিগত ও স্থানিক ধীশক্তি (Visual Spatial Intelligence) বেলা ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট।)
৯. ভর্তির জন্য নির্বাচিত ও অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ: ৮ মার্চ ২০২৫।
পরীক্ষার নম্বর—
প্রাক-নির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষার বিষয়সমূহ, প্রশ্ন পত্রের ধরণ ও নম্বরের বিন্যাস: বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের জন্য ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপের আওতায় এক দিনে সর্বোচ্চ তিন শিফটে প্রাক-নির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাক-নির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষায় ‘ক’ ও ‘খ’ উভয় গ্রুপের জন্য সর্বমোট ১০০ নম্বরের MCQ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতি ভুল উত্তরের জন্য শতকরা ২৫ শতাংশ নম্বর কর্তন হবে। গণিত, পদার্থ, রসায়ন প্রতিটি বিষয়ে ৩০ টি প্রশ্ন ও ইংরেজি বিষয়ে ১০ টি প্রশ্ন থাকবে। প্রাক-নির্বাচনীর জন্য সময় ১ ঘণ্টা।
নির্বাচনী পরীক্ষা (লিখিত)-এর বিষয়সমূহ, প্রশ্নপত্রের ধরণ ও নম্বরের বিন্যাস: নির্বাচনী পরীক্ষা (লিখিত)-তে ‘ক’ ও ‘খ’ উভয় গ্রুপের জন্য সর্বমোট ৩৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং ‘খ’ গ্রুপের ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদেরকে অতিরিক্ত ১০০ নম্বরের মুক্তহস্ত অঙ্কন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। মুক্তহস্ত অঙ্কনের জন্য ৪ টি প্রশ্ন দেওয়া হবে, সময় থাকবে ১ ঘণ্টা। লিখিত পরীক্ষায় গণিত,পদার্থ, রসায়ন থেকে প্রতিটি ১০০ নম্বর ও প্রতিটি বিষয়ে ১০ টি করে প্রশ্ন থাকবে। ইংরেজি বিষয়ে ৫ টি প্রশ্নে, ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। লিখিত পরীক্ষার জন্য সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
মোট আসনসংখ্যা কত—
সংরক্ষিত আসনসহ মোট আসন ১২৩৫টি। সংরক্ষিত আসন (বান্দরবান জেলার অধিবাসী : ০১ টি, পার্বত্য জেলাসমূহ ও অন্যান্য এলাকার উপজাতি/ক্ষুদ্র জাতিসত্তা/নৃ-গোষ্ঠী = ০৪ টি)
আবেদন ফি—
গ্রুপ ‘ক’: প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের আবেদন ফি ১২৫০ টাকা।
গ্রুপ ‘খ’: প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের আবেদন ফি ১৪৫০ টাকা।