BCS Confirm Shaheb Bazar Rajshahi

BCS Confirm Shaheb Bazar Rajshahi

Share

প্রথমবারে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন সত্যি করতে আমরা আছি আপনার পাশে BCS Preliminary, Written & Viva

23/08/2025
10/08/2025

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তাবিত রোডম্যাপ...

10/08/2025

"হানিট্যাপ" (Honeytrap) মূলত একটি প্রতারণার কৌশল, যেখানে কাউকে প্রলুব্ধ করে, বিশেষ করে প্রেম, যৌন সম্পর্ক বা আবেগের ফাঁদে ফেলে, পরে তাকে ব্ল্যাকমেইল, অর্থ হাতিয়ে নেওয়া বা কোনো গোপন তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

সংক্ষেপে:

টার্গেট: সাধারণত ধনী ব্যক্তি, প্রভাবশালী মানুষ বা যাদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যায়।

পদ্ধতি: সুন্দরী নারী (বা পুরুষ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ফোন বা সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করে।

উদ্দেশ্য:

1. ব্ল্যাকমেইল (ছবি/ভিডিও দিয়ে হুমকি)

2. গোপন তথ্য সংগ্রহ

3. অর্থ হাতিয়ে নেওয়া

4. রাজনৈতিক/ব্যবসায়িক ক্ষতি করা

এটা অনেক সময় গোয়েন্দাগিরি বা অপরাধ চক্রেও ব্যবহৃত হয়।

ঠিক আছে, আমি আপনাকে হানিট্যাপের বাস্তব উদাহরণ ও ফাঁদ থেকে বাঁচার উপায় দুইটাই বলছি।

বাস্তব উদাহরণ

1. ভারতের ব্যবসায়ী কেস
এক ব্যবসায়ীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক নারী ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায়। কিছুদিন মেসেজ চালাচালির পর ওই নারী ভিডিও কল করে অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করে রাখে। পরে চক্রটি তাকে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ১৫ লাখ টাকা নেয়।

2. গোয়েন্দা কৌশল
কিছু দেশে বিদেশি গোয়েন্দারা হানিট্যাপ ব্যবহার করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছ থেকে সামরিক বা ব্যবসায়িক গোপন তথ্য সংগ্রহ করে। প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে রোমান্টিক সম্পর্ক—এর মাধ্যমে টার্গেটকে বিশ্বাস করানো হয়।

3. বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ঘটনা
কয়েকটি প্রতারক চক্র ফেসবুক বা ইমো/হোয়াটসঅ্যাপে পরিচয় করে প্রেমের অভিনয় করে, তারপর ভিডিও কল করে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত রেকর্ড করে ব্ল্যাকমেইল করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

ফাঁদ থেকে বাঁচার উপায়

অচেনা প্রোফাইল থেকে হঠাৎ অতিরিক্ত বন্ধুত্ব বা রোমান্সের চেষ্টা সন্দেহজনক ধরুন।

ভিডিও কল, অশ্লীল ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না।

যাদের বাস্তবে চেনেন না, তাদের সাথে হঠাৎ ঘনিষ্ঠ হবেন না—বিশেষ করে অনলাইনে।

প্রতারণার শিকার হলে ভয় না পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ করুন।

05/08/2025

দেশে প্রথমবারের মতো জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস (৫ আগস্ট) পালিত হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে গণঅভ্যুত্থানের সব পক্ষের উপস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

মঙ্গলবার বিকালে ৫টায় রাজধানীর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করার জন্য যোগ দেন। পরে তার ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে বাংলাদেশ টেলিভিশন।

আমার দেশ পাঠকদের জন্য হুবহু ঘোষণাপত্রটি তুলে ধরা হলো-

১। যেহেতু উপনিবেশ বিরোধী লড়াইয়ের সুদীর্ঘকালের ধারাবাহিকতায় এই ভূখণ্ডের মানুষ দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল;

এবং

২। যেহেতু, বাংলাদেশের আপামর জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভূখণ্ডে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বিবৃত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে;

এবং

৩। যেহেতু স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রনয়ন পদ্ধতি, এর কাঠামোগত দুর্বলতা ও অপপ্রয়োগের ফলে স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ক্ষুণ্ণ করেছিল;

এবং

৪। যেহেতু স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার মূলমন্ত্র গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিপরীতে বাকশালের নামে সাংবিধানিকভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করে এবং মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে, যার প্রতিক্রিয়ায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশে সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে একদলীয় বাকশাল পদ্ধতির পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র, মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনঃপ্রবর্তনের পথ সুগম হয়,

এবং

৫। যেহেতু আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় বছর ছাত্র-জনতার অবিরাম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ১৯৯১ইং সনে পুনরায় সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

এবং

৬। যেহেতু দেশী-বিদেশী চক্রান্তে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় ১/১১ -এর ষড়যন্ত্রমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার একচ্ছত্র ক্ষমতা, আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের পথ সুগম করা হয়;

এবং

৭। যেহেতু গত দীর্ঘ ষোল বছরের ফ্যাসিবাদী, অগণতান্ত্রিক এবং গণবিরোধী শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে এবং একদলীয় রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অতি উগ্র বাসনা চরিতার্থ করার অভিপ্রায়ে সংবিধানের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পরিবর্তন করা হয় এবং যার ফলে একদলীয় একচ্ছত্র ক্ষমতা ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়;

এবং

৮। যেহেতু শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসন, গুম-খুন, আইন-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং একদলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন ও পরিবর্তন বাংলাদেশের সকল রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে ধ্বংস করে;

এবং

৯। যেহেতু, হাসিনা সরকারের আমলে তারই নেতৃত্বে একটি চরম গণবিরোধী, একনায়কতান্ত্রিক, ও মানবাধিকার হরণকারী শক্তি বাংলাদেশকে একটি ফ্যাসিবাদী, মাফিয়া এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রের রূপ দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে;

এবং

১০। যেহেতু, তথাকথিত উন্নয়নের নামে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী নেতৃত্বে সীমাহীন দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের মধ্য দিয়ে বিগত পতিত দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশ ও এর অমিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিপর্যস্ত করে তোলে এবং এর পরিবেশ, প্রাণবৈচিত্র্য ও জলবায়ুকে বিপন্ন করে;

এবং

১১। যেহেতু শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের জনগণ গত প্রায় ষোল বছর যাবত নিরন্তর গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়;

এবং

১২। যেহেতু বাংলাদেশে বিদেশী রাষ্ট্রের অন্যায় প্রভুত্ব, শোষণ ও খবরদারিত্বের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষের ন্যায়সংগত আন্দোলনকে বহিঃশক্তির তাবেদার আওয়ামী লীগ সরকার নিষ্ঠুর শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করে;

এবং

১৩। যেহেতু অবৈধভাবে ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকার তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন) এদেশের মানুষকে ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করে;

এবং

১৪। যেহেতু, আওয়ামী লীগ আমলে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করা হয় এবং সরকারী চাকুরীতে একচেটিয়া দলীয় নিয়োগ ও কোটাভিত্তিক বৈষম্যের কারণে ছাত্র, চাকুরী প্রত্যাশী ও নাগরিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের জন্ম হয়;

এবং

১৫। যেহেতু বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ওপর চরম নিপীড়নের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জনরোষের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ সকল বৈধ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই চালিয়ে যায়;

এবং

১৬। যেহেতু, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিলোপ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক ব্যাপক দমন-পীড়ন, বর্বর অত্যাচার ও মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, যার ফলে সারা দেশে দল-মত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতার উত্তাল গণবিক্ষোভ গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়;

এবং

১৭। যেহেতু ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে অদম্য ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দল, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষ যোগদান করে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাহিনী রাজপথে নারী-শিশুসহ প্রায় এক হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে, অগনিত মানুষ পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণ করে এবং আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে সামরিক বাহিনীর সদস্যগণ জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াইকে সমর্থন প্রদান করে;

এবং

১৮। যেহেতু, অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের পতন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জনগণ অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে, পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্ট ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ পরিচালনা করে এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনরত সকল রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা তথা সর্বস্তরের সকল শ্রেণী, পেশার আপামর জনসাধারণের তীব্র আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণভবনমুখী জনতার উত্তাল যাত্রার মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়;

এবং

১৯। যেহেতু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট মোকাবেলায় গণঅভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে ব্যক্ত জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রত্যয় ও প্রয়োগ রাজনৈতিক ও আইনি উভয় দিক থেকে যুক্তিসঙ্গত, বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত;

এবং

২০। যেহেতু জনগণের দাবি অনুযায়ী এরপর অবৈধ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রীম কোর্টের মতামতের আলোকে সাংবিধানিকভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠন করা হয়;

এবং

২১। যেহেতু, বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের ফ্যাসিবাদবিরোধী তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়;

এবং

২২। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ সুশাসন ও সুষ্ঠু নির্বাচন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিদ্যমান সংবিধান ও সকল রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক সংস্কার সাধনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে;

এবং

২৩। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ষোল বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম কালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধ ও সকল ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুণ্ঠনের অপরাধসমূহের দ্রুত উপযুক্ত বিচারের দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে;

এবং

২৪। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গনঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

এবং

২৫। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসঙ্গত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

এবং

২৬। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে একটি পরিবেশ ও জলবায়ু সহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।

এবং

২৭। বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

এবং

২৮। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রনয়ণ করা হলো।

Photos from স্বপ্ন এডুকেয়ার, রাজশাহী's post 01/08/2025
Photos from BCS Confirm Shaheb Bazar Rajshahi's post 08/07/2025

💥 বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC) ৯ম ও ১০ম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ!
📝 লিখিত পরীক্ষার তারিখ: ১ আগস্ট, ২০২৫

06/07/2025

📢 বার্ড, কুমিল্লা'র “সহকারী পরিচালক” নিয়োগের MCQ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ!
➝ মোট উত্তীর্ণ ২৯০ জন।
🎉 উত্তীর্ণদের লিখিত পরীক্ষার জন্য শুভকামনা।

04/07/2025

স্বপ্ন এডু কেয়ার, রাজশাহী ( বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রাইভেট প্রোগ্রাম)।

বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ: ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, জগন্নাথ, খুলনা,ইসলামী, গুচ্ছ,জাতীয় বিশ্বঃ, কৃষি গুচ্ছসহ সকল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতি নেওয়া হয়
♦️ইউনিটসমূহ:
১) ‘ক’ ইউনিট + গুচ্ছ (বিজ্ঞান)
২) ‘খ’-ইউনিট + গুচ্ছ (মানবিক+ বিভাগ পরিবর্তন)
৩) ‘গ’-ইউনিট+ গুচ্ছ (বাণিজ্য)

♦️সপ্তাহে কত দিন ক্লাস হয়-
** বিজ্ঞান/বাণিজ্যে -৭ দিন ক্লাস
** মানবিক/বিভাগ পরিবর্তন -৬ দিন ক্লাস
♦️কোন ইউনিটে কতগুলি ক্লাস হয়-
✅বিজ্ঞান-(৮০-৯০) +ক্লাস হবে
✅মাববিক-(৭০-৭৫)+ ক্লাস হবে
(ইংরেজি ক্লাস সপ্তাহে ৩ দিন, গ্রামার ক্লাস ২ দিন,লিখিত ১ দিন করে)
✅বাণিজ্য-(৭৫-৮৮)+ ক্লাস হবে
♦️বিভিন্ন ইউনিটের যে সকল ক্লাস হবে-
১) বিজ্ঞান: পদার্থ, রসায়ন, গণিত, জীব, ইংরেজি/বাংলা ও ICT
২) মানবিক: বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও ICT
৩) বাণিজ্য: বাংলা, ইংরেজি, হি.বি., ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং/ফিন্যান্স ও ICT (Gk ক্লাস ফ্রি)
৪) বিভাগ পরিবর্তন: বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও ICT
(মৌলিক ক্লাস সহ IQ ক্লাস ফ্রি।
প্রয়োজনীয় তথ্যাদি জানতে যোগাযোগ করুন:
০১৭১৯-০৩৫৩৯০; ০১৭১৬-৪৩৯৪৪৮,

প্রয়োজনীয় তথ্যাদি জানতে যোগাযোগ করুন: স্বপ্ন এডুকেয়ার -২য় তলা(ডার্চ বংলা ATM বুথ এর সামনে),সোনাদীঘির উত্তর মোড়, মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির পশ্চিমে, রাজশাহী।
০১৭১৯-০৩৫৩৯০(whatsapp); ০১৭১৬-৪৩৯৪৪৮
আর কিছু জানার থাকলে এই নম্বর ০১৭১৬৪৩৯৪৪৮ ফোন করতে পারেন
(জিলানী)

02/07/2025

স্বপ্ন এডু কেয়ার, রাজশাহী ( বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রাইভেট প্রোগ্রাম)।

বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ: ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, জগন্নাথ, খুলনা,ইসলামী, গুচ্ছ,জাতীয় বিশ্বঃ, কৃষি গুচ্ছসহ সকল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতি নেওয়া হয়
♦️ইউনিটসমূহ:
১) ‘ক’ ইউনিট + গুচ্ছ (বিজ্ঞান)
২) ‘খ’-ইউনিট + গুচ্ছ (মানবিক+ বিভাগ পরিবর্তন)
৩) ‘গ’-ইউনিট+ গুচ্ছ (বাণিজ্য)

♦️সপ্তাহে কত দিন ক্লাস হয়-
** বিজ্ঞান/বাণিজ্যে -৭ দিন ক্লাস
** মানবিক/বিভাগ পরিবর্তন -৬ দিন ক্লাস
♦️কোন ইউনিটে কতগুলি ক্লাস হয়-
✅বিজ্ঞান-(৮০-৯০) +ক্লাস হবে
✅মাববিক-(৭০-৭৫)+ ক্লাস হবে
(ইংরেজি ক্লাস সপ্তাহে ৩ দিন, গ্রামার ক্লাস ২ দিন,লিখিত ১ দিন করে)
✅বাণিজ্য-(৭৫-৮৮)+ ক্লাস হবে
♦️বিভিন্ন ইউনিটের যে সকল ক্লাস হবে-
১) বিজ্ঞান: পদার্থ, রসায়ন, গণিত, জীব, ইংরেজি/বাংলা ও ICT
২) মানবিক: বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও ICT
৩) বাণিজ্য: বাংলা, ইংরেজি, হি.বি., ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং/ফিন্যান্স ও ICT (Gk ক্লাস ফ্রি)
৪) বিভাগ পরিবর্তন: বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও ICT
(মৌলিক ক্লাস সহ IQ ক্লাস ফ্রি।
প্রয়োজনীয় তথ্যাদি জানতে যোগাযোগ করুন:
০১৭১৯-০৩৫৩৯০; ০১৭১৬-৪৩৯৪৪৮,

প্রয়োজনীয় তথ্যাদি জানতে যোগাযোগ করুন:
সোনাদীঘির উত্তর মোড়, মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির পশ্চিমে, রাজশাহী।
০১৭১৯-০৩৫৩৯০; ০১৭১৬-৪৩৯৪৪৮,(জিলানী)
আর কিছু জানার থাকলে এই নম্বর ০১৭১৬৪৩৯৪৪৮ ফোন করতে পারেন
(জিলানী)

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Malopara
Rajshahi
6100