17/10/2018
https://youtu.be/mS0h50Yf8bk
হযরত শাহ জালাল বিমানবন্দর,বাংলাদেশ এর দুর্নীতি/Corruption in Hazrat Shah Jalal Airport,Bangladesh
#এইমাত্র দেখুন বংলাদেশে বিমান বন্দরে ব্যাগ থেকে দামি মালামাল নিয়ে নিচ্ছে বিমান কর্মকর্তারা, জনগনকে কিভাবে ভোগা....
01/10/2018
ডিপ্লোমা পাসের পরে সরকারী ২য় শ্রেনির চাকুরি করা যাবে। বেতন হবে ১০ম গ্রেড এ। সরকারী পরীক্ষা নিবে পিএসসি। আর সায়েত্তশাসিত গুলোর পরীক্ষা নিবে ওই প্রতিষ্টান, তবে উনারা BUET MIST বা DU কে এই দায়িত্ব দিয়ে থাকেন । এই পরীক্ষার বিস্তারিত কয়েক দিন আগে পোস্ট করা হইছিলো, সেখানে দেখুন বিস্তারিত।
বেতন: প্রথম মাসে বেতন আসবে ২৫,৫০০ টাকা। প্রতি বছর ৫% হারে বেতন বাড়বে।
৫ম বছর বেতন হবে ২৮,৮১৫ টাকা।
১০ম বছর এ ৩৬,৩২০ টাকা।
১০ম বছর আপনি ৯ম গ্রেড এ বেতন পাবেন, বেতন হবে ৪৭,৮৪০ টাকা।
১৬তম বছর ৮ম গ্রেড এ বেতন পাবেন বেতন হবে ৬৬,১৬৫ টাকা।
১৯তম বছর পরে হবে ৭৩,৫৩৫ টাকা, এবং বাকী জীবন এই টাকায় মাসে পাবেন।
*প্রতি বছর ৫% হারে বেসিক বাড়বে। এইখানে বেসিক+বাড়ি ভাড়া+চিকিৎসা ভাতা যোগ করে ৫ম, ১০ম, ১৬তম ও ১৯তম বছরের বেতন দেখানো হইছে।
গ্রেড ৮ম হলেও আপনি উপসহকারী ইঞ্জিনিয়ার বা যে পদে জবে ঢুকছেন সেই পদেই থাকবেন। গ্রেড পরিবর্তন মাঝে মাঝে কয়েক জায়গায় দেরি হতে পারে। এই বেতন উপজেলায় বা জেলাতে পোস্টিং হলে হবে। যদি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় হলে কিছু টাকা বেশি পাবেন। দুই ঈদে বেসিক এর সমান বোনাস পাবেন। বাংলা নববর্ষ এ বেসিকের ২৫% বোনাস। ছেলেমেয়ের লেখাপড়ার জন্য ১০০০ টাকা।
অবসর ভাতা:
অবসর নিলে বেসিকের ৯০% ভাতা পাবেন যা প্রায় মাসে ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া এক কালীন প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা পাবেন!!!!!!!
*আগে প্রমোশন পায় ৫ম গ্রেড এ উপ-প্রধান বা সমমান পদ পেলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে একটা প্রমোশন দিয়ে সরকারী ইঞ্জিনিয়ার বা সমমান পদে ৭ম গ্রেড এ বেতন দিলেও গত বেতন স্কেল এ তা বন্ধ হয়ে যায়।
*আপগ্রেড বেতন স্কেল থেকে লেখা।
*গ্রেড পরিবর্তন দেরিতে হতে পারে। সায়েত্তশাসিত অনেক জায়গায় নাও হতে পারে।
Monisha Rahman
10/04/2018
দেশের মোট জনসংখ্যা =১৫,২৫,১৮১৫০ জন।
মুক্তিযোদ্ধা =২ লাখ। কোটা=৩০%
প্রতিবন্ধী =২০লাখ ১৬ হাজার। কোটা =১%
উপজাতি =১৫লাখ ৮৬ হাজার। কোটা =৫%
নারী কোটা =১০%। জেলা কোটা =১০%
----------------------মোট কোটা =৫৬%
৯৭.৩৭% মানুষের জন্য কোটা ৪৪%!
আর মাত্র ২.৬৩% মানুষের জন্য কোটা ৫৬%!
----
মনে করুন ৩৮তম বিসিএস-এ সরকারীভাবে ২০২৪জন ক্যাডার
নিয়োগ দেয়া হবে। ইন্টারভিউ কল করা হয়েছে। যারা উত্তির্ণ
হবেন তাদের মধ্যে
মুক্তিযোদ্ধা =২ লাখের জন্য =৩০% কোটা
প্রতিবন্ধী =২০লাখ ১৬ হাজারের জন্য =১%
উপজাতি =১৫লাখ ৮৬ হাজারের জন্য =৫%
নারীদের জন্য =১০%
বিশেষ জেলার জন্য =১০%
সর্বমোট ২.৬৩% মানুষের জন্য =৫৬% কোটা=১১৩৪টি বিসিএস
ক্যাডার পদ বরাদ্দ। আর সাধারন ৯৭.৩৭% মানুষের জন্য ৪৪%
কোটা= ৮৯০টি পদ বরাদ্দ।
এর মানে আপনি যত মেধাবীই হোন না কেন, চাকরি পাবেন না।
আপনার চেয়ে কম মেধাবী- তার জন্য কোটা খালি থাকার
কারনে চাকরি পেয়ে যাবে অনায়েশেই।
২.৬৩% লোক ১১৩৪টি পদ পাবে বিনা কন্ট্যাস্টে। আর ৯৭.৩৭%
লোক ৮৯০টি পদের জন্য লড়তে হবে। এরপর ঘোষ, মামা, খালু তো
লাগবেই।
অর্থাৎ আপনি চাকরি পাবেন না। কেন নারী, প্রতিবন্ধী,
উপজাতী, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান হলেন না? আপনার জীবন ও জন্মই
অভিশাপ।
01/10/2017
Result published
Diploma Engg - btebresult
18/09/2017
ওয়ার্ল্ডে ১৩৩ টা মিলিটারি পাওয়ারের মধ্যে
বাংলাদেশের অবস্থান হচ্ছে ৫৭ তম । গ্লোবাল
ফায়ার পাওয়ারের রিপোর্ট অনুযায়ী ১৭ কোটি
জনসংখ্যার দেশে আমাদের সৈন্য সংখ্যা হইলো প্রায়
আড়াই লক্ষ । এর মধ্যে এক্টিভ ফোর্স ১ লক্ষ ৬০
হাজারের মতো । বাকি ৬৫ হাজার হইলো রিজার্ভ
ফোর্স ।
অন্যদিকে ৫ কোটি জনসংখ্যার মিয়ানমারে সৈন্য সংখ্যা
হচ্ছে ৫ লাখ । এক্টিভ ফোর্স হচ্ছে ৪ লাখ ৬ হাজার
। বাকিরা রিজার্ভ ফোর্স ।
১৬৬ টা হালকা এয়ার ক্রাফট নিয়ে আমরা যখন হুঙ্কার
ছাড়ছি তখন মিয়ানমারের টোটাল এয়ার ক্রাফট হচ্ছে
২৪৯ টি । এর মধ্যে ফাইটার জেট ৫৬ টা । এটাক প্লেন
হইলো ৭৭ টা । আমাদের ফাইটার আর এটাক প্লেন
সমান সমান । দুইটাই ৪৫ টা করে আছে ।
আমাদের ল্যান্ড ফোর্সে কমব্যাট ট্যাঙ্ক হচ্ছে
৫৩৪ টা । আর বার্মার হচ্ছে ৫৯২ টা । জিএফপির হিসাব
মতে আর্মড ফাইটিং ভেহিক্যাল আমাদের আছে ৯৪২
টা । আর বার্মার আছে ১৩৫৮ টা ।
নেভালের অবস্থা দেখবেন ?
আমাদের নেভাল এসেট হইলো ৮৯ টা । এর মধ্যে
৬ টা হইলো ফ্রিগেট । ২৮ টা পেট্রোল ফোর্স
। আর বার্মার টোটাল নেভাল এসেট হইলো ১৫৫ টা
। ফ্রিগেট আমাদের থেকে কম । মাত্র ৫ টা । কিন্তু
পেট্রোলে আমাদের থেকে বেশি । প্রায় ৪০
টা ।
বিশ্বের দশটা সুপার মিলিটারি পাওয়ারের মধ্যে
প্রতিবেশি ভারত আর চীনের নামও আছে ।
স্বাধীনতা যুদ্ধ ভারতেও হয়েছে । আবার আমাদের
এখানেও হয়েছে । ১৯৪৭ সালে হিন্দুস্তান হিসাবে
আত্মপ্রকাশ করার পর আজকের দিনে ভারত প্রতিরক্ষা
খাতে ব্যয় করে ৪৬ মিলিয়ন ডলার । ওয়ার্ল্ড র্যাঙ্কিং এ
ভারতের পজিশন চার নম্বরে । দুই হাজার একশো দুই
টা এয়ার ক্রাফটের বিশাল এয়ার ফোর্স ৬৭৬ টা ফাইটার
প্লেন আর ৮০৯ টা এট্যাক প্লেন নিয়া পৃথিবীর যে
কোন দেশকে নাস্তানাবুদ করার ক্ষমতা রাখে ভারত ।
ল্যান্ড ফোর্সের কথা শুনলে লজ্জা পাবেন । শুধু
জানিয়ে রাখি হিন্দুস্তানের কম্বব্যাট ট্যাংকের সংখ্যাই চার
হাজারের মতো । আর নেভালে তাদের সাবমেরিনই
আছে ১৫ টা ।
৭১ সালে পাকিস্তান কিন্তু যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল ।
চেতনার উপর ভর করে আমরা জিতেছিলাম । সেই
রাজাকার পাকিস্তানের কমব্যাট ট্যাংক হইলো ২৯০০ ।
এয়ার ক্রাফট হইলো ৯৫১ টা । এর মধ্যে ৩০১ টা
হইলো ফাইটার প্লেন । আর ৩৯৪ টা হচ্ছে এটাক
প্লেন । বাকি জায়গাগুলা পুরন করেছে ট্রান্সপোর্ট
প্লেন আর ত্রেনিং প্লেন ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান হয়ে গিয়েছিল একটা
ধ্বংসস্তূপ । সেই ১৯৪৫ সালের কথা এটা । আজকের
১০ টা সুপার মিলিটারি পাওয়ারে জাপানের নাম আছে । এই
ক্ষেত্রে তারা ইসরাইল থেকেও এগিয়ে । আগের
মতো যে কোন ধরনের আগ্রাসী অপারেশনে
যায় না বলে জাপানের নামটা সেইভাবে আসে না ।
কিন্তু তলে তলে জাপান ঠিকই এগিয়েছে । শর্ট
নোটিসে পরমানু বোমা বানানোর ক্যাপাবিলিটি
জাপানের আছে । ৩ লক্ষ আর্মির ছোট একটা
বাহিনী হইলেও তাদের এয়ার ক্রাফট আছে ১৫৯৪ টা ।
এর মাঝে ফাইটার হইলো২৮৮ টা । ৭০০ টা অত্যাধুনিক
কমব্যাট ট্যাংকের সমন্বয় জাপান কে বানিয়েছে একটা
সাইলেন্ট ফ্রাঙ্কেস্টাইন ।
বাঙ্গাল পড়ে আছে চীনের লেড টর্চ লাইট নিয়া ।
chendu j-20 এয়ার ক্রাফটের নাম শুনেছেন ?
চীনের মাথা থেকে আসছে এই জিনিস । সুপার
কমব্যাট ফাইটার প্লেন । পৃথিবীর সেরা দশটা এয়ার
ক্রাফটের মধ্যে একটা । এটা যেমন আকাশ থেকে
আকাশে হামলা করতে পারে একই ভাবে আকাশ
থেকে ভূমিতেও সমান দক্ষতায় আঘাত হানতে পারে
। আমেরিকার তৈরি F-22 র্যাপ্টর থেকেও এই
প্লেইন বেশি ফুয়েল বহন করতে পারে ।
রাশিয়ার সুখই ,আমেরিকার F-15 ঈগল , F-35 , F-22
র্যাপ্টর নিয়ে যখন মেতে আছে তখন আমরা
মেতে থাকি বন্ধু চুলা ,আর সনোফিল্টার নিয়ে ।
আমাদের ড্রোন তখন ১০০ ফিট উপরে উঠে ৯০
ফিট নিচে নেমে যায় । আহারে ... শুধু মুখের
বুলিতে কি একটা দেশের উন্নতি হয় ? সময় তো কম
গেলো না । ৭১ থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের
সত্যিকারের অর্জন টা কি ? দেশের ৩৯ টা পাব্লিক
ভার্সিটির নাম বেচে খাওয়া ছাড়া আমরা কি করতে
পেরেছি ? আমাদের বিনোদোনের মাধ্যম
হইলো রোস্টিং ভিডিও । আমরা সমাজ সেবার নাম
করে ভিক্টিম মেয়েদের টাকা মেরে তরুন
প্রজন্মের আইডল সাজি ।
বিশ্বের সেরা ১০ টা যে ব্যাটেল ট্যাঙ্ক আছে তার
সব গুলা চারটা দেশের দখলে আছে । আমেরিকা ,
রাশিয়া ,তুরস্ক , এবং ফ্রান্স । ব্ল্যাক প্যান্থার সিরিজের
ট্যাঙ্কগুলো ভারত অনেক দিন থেকেই বানানোর
চেষ্টা করছে । এখনো পেরে উঠতে পারে নাই
। তবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ।
আর আমরা কি করছি ?
আমাদের বুয়েট পাশ মেধাবী তরুণটি বিদেশে
গিয়ে স্যাটেল হয় । এই দেশের তরুনেরা
ইউটিউবে প্রাঙ্ক ভিডিও বানিয়ে নাম কামায় । রাস্তাঘাটে
মেয়ে মানুষের গায়ে হাত তুলে শিরোনামে
আসে । ফেসবুকে ভারত মাতার অর্ধেক মানুষ
খোলা আকাশের নিচে হাগে -- এই স্ট্যাটাস দিয়ে
হাগার সমান শান্তি লাভ করে । অথচ ভুলে যায় খোলা
আকাশের নিচে দেশের অর্ধেক জনসংখ্যার
ল্যাট্রিন সম্পন্ন করা এই দেশটা পরমানু বোমার
অধিকারী । তাদের আছে ""ব্রহ্ম "" নামের আধুনিক
মিসাইল ব্যাবস্থা । আছে উন্নত আইটি সেক্টর ।
আছে আধুনিক সমরাস্ত্র কারখানা । দিল্লীর মতো
ইউনিভার্সিটি আছে তাদের । আইআইটির মতো শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান আছে তাদের । হরগোবিন্দ খোরানার
মতো নোবেল উইনার সাইন্টিস্ট আছে তাদের ।
পাকিস্তান কে গালি দিয়ে বহুত বড় মুক্তিযোদ্ধা
সাজতে চায় কিছু অতি চেতনাবাদী । কিন্তু সবাই ভুলে
গেছেন তালেবান বিধ্বস্ত এই দেশটা পরমানু বোমার
অধিকারী । শাহীন আর গাজ্জালী নামে ভয়ানক
ক্ষেপণাস্ত্র আছে তাদের । তাদের ইউনিভার্সিটি গুলা
১০০ র্যাঙ্কিং এর মাঝে আছে । ৭১ সালের পর
আপনার উন্নতিটা ঠিক কোথায় ? শিক্ষা ব্যাবস্থায় নাকি
সমরাস্ত্রে ?নাকি মেরুদন্ডবিহীন পররাষ্ট্রনীতিতে
? শুধু জিডিপি দিয়েই কি একটা দেশের সব কিছু
বিবেচনা করা উচিত ? আর কিছু লাগে না ? শুধুই
মুক্তযুদ্ধের ইতিহাস দিয়ে একটা দেশ উন্নতি করতে
পারে ? শুধুই ধর্ম দিয়ে একটা দেশ দাঁড়িয়ে যেতে
পারে ? শুধু মাত্র ক্রিকেটের মতো একটা খেলা
কোন দেশকে সমীহ করার কারন হতে পারে ?
জাপান এগিয়ে গেলো ।
ভারত এগিয়ে গেলো ।
পাকিরা টেক্কা দিলো ।
সর্বংসহা পররাষ্ট্রনীতি মেনে চলতে গিয়ে বন্যার
মৌসুমে আমাদের হজম করতে হয় তিস্তার পানি । ভারত
মাতা সীমান্তে গুলি করে মানুষ মারে । পাকিস্তান
সুযোগ পাইলে বাঁশ দেয় । হজম করতে হয়
মিয়ানমারের রোহিঙ্গা । তার সাথে হজম করতে হয়
রোহিঙ্গাদের আমদানী করা ইয়াবাও । চীন
বাংলাদেশকে বানিয়েছে তাদের থার্ড ক্লাস
জিনিসের ফাস্ট ক্লাস বাজার । তুরস্ক আমাদের জন্য
কান্না করে । আবেগ নিয়ে মেতে থাকি আমরা ।
ওদিকে তুরস্ক হইলো ন্যাটোর মেম্বার । মিলিটারি
পাওয়ারে সিরিয়াল হইলো ৯ নম্বর । আমাদের কি
আছে শুনি ? ৭১ এর যুদ্ধ দিয়ে ঠিক কতোদিন
চলবো আমরা ?
প্রশ্ন রেখে গেলাম ।
24/04/2017
# Humor or # Entertainment
13 reasons why you are বোকাচোদা !
1- One day someone says you are a
বোকাচোদা...
2- You ignored cause you are a বোকাচোদা...
3- Then people started saying that you are a
বোকাচোদা..
4- You started reacting cause you are a
বোকাচোদা..
5-6-7 are the same as 1-2-3
8- You started to find but you couldn't find why you
are a বোকাচোদা...
9- You started believing that you are a
বোকাচোদা...
10- You met someone who said you are not a
বোকাচোদা...
11- You trusted her being বোকাচোদা...
12- One day she broke your trust and made you
বোকাচোদা...
13- And now you realize that 'someone' from point
'1' was right that you are a বোকাচোদা...
if you have read my status seriously trust me i am
the one বোকাচোদা who have been বোকাচোদা
for long years and this are me 13 Reasons Why that
i am a বোকাচোদা!! and intentionally or
unintentionally you have said the word
"বোকাচোদা" for 16 time!
P.S.- Committing su***de is work of বোকাচোদা!!!
also if you are a female then put him on the place
of her... Thank you
11/04/2017
বিদেশে গিয়া বাঙ্গাল রাস্তায় ঘোরে,
বিদেশী লোকজনের সাথে গল্প জমানের
চেষ্টা করে। গল্প জমাইতে জমাইতে পরিচয়
হইল এক ইন্ডিয়ান, এক নাইজেরিয়ান আর এক
আফগানের সাথে।
কথায় কথায় আফগান বললো - আমরা তো যুদ্ধ
কবলিত দেশ। তারপরও আমাদের আইটি মন্ত্রী ২
বিলিয়ন ডলার দিয়া অপটিকাল ফাইবার
বসাইতেছে। শুধু তাই না, আমাদের মন্ত্রণালয়
১,৪০,০০০ চাকরি এক আইটি খাতেই বানাইছে!"
এইটা শুইন্যা নাইজেরিয়ান বললো, "আমরাও খুব
পিছায়া নাই, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আমাদের দেশ
থিকা ডেভেলপার তৈরী করার জন্যই ২৪
মিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করতেছে... বুঝো
অবস্থা!"
ভারতীয় একটু নইড়া চইড়া বসলো। সে বললো,
"আমাদের দেশে গুগল আসছে। মন্ত্রী একটু চাপ
দিতেই তারা ৪০০ রেলস্টেশনে ফ্রি ওয়াই ফাই
বসায়া দিছে! শুধু কি তাই? আমাদের দেশ
থিকা ২ মিলিয়ন ডেভেলপার বানানোর জন্য
কাজ শুরু করছে! এমনকি তারা প্রজেক্ট লুন নাম
দিয়া একটা প্রজেক্টের কাম শুরু করছে
ইন্ডিয়াতে, যেইখানে বেলুন দিয়া প্রত্যন্ত
অঞ্চলগুলাতে ইন্টারনেট চালু করার কাজ শুরু
করছে... আমাদের আইটি মন্ত্রণালয় এইটা
নিয়া খুবই দৌড়াইতেছে!"
যখন বাঙ্গালের পালা আসলো, তখন সে আর
কিছু বলেনা। তারে চুপ থাকতে দেইখা
তিনজনে জিজ্ঞেস করলো, " কি মিয়া!
তোমাদের আইটি টেলিকম মন্ত্রণালয়গুলাত
ো অনেক একটিভ! তোমাদের অবস্থা নিশ্চয়
সেইরকম?"
বাঙ্গাল গলা খাঁকারি দিলো। তারপর বলা শুরু
করলো... "আমরা তো এখন মধ্য আয়ের দেশ, তাই
আমাদের দেশে গুগলের ফ্রি ওয়াইফাই বসানো
লাগেনা, টেলিকম কোম্পানীগুলা ২৬ পয়সায়
ইন্টারনেট কিন্যা ২১৭ টাকায় বেচে... কোন
মন্ত্রণালয় নাই কিচ্ছু করার। আমরা দুই দুইটা
প্রতিমন্ত্রী রাখছি খালি ফেসবুক নিয়া
বিজি থাকার জন্য , তারা যথেষ্ট একটিভ
লাইকার। তাদের একজন ফেসবুকে নিয়মিত
সেলফি পোস্টান এবং আরেকজনে নিয়মিত
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সাথে মিটিং করতে
সিঙ্গাপুর যান"।
এইটুকু শুইন্যা বাকি তিনজনের চোখ ছানাবড়া
হইল, নাইজেরিয়ানটা জিজ্ঞেস কইরা বসলো -
"তাইলে তোমাদের দেশেও ফেসবুকরে ইনভেস্ট
করতে বলছে ? "
বাঙ্গাল হাসতে হাসতে বললো, "আরে না!
আমরা কি অত ছোট বিষয় নিয়া ভাবি?
ফেসবুকরে গিয়া বলছে - আমাদের তিনশ সংসদ
সদস্য আছে - এদের প্রোফাইল ভেরিফাই কইরা
দ্যান! "
02/09/2016
জেনে নিন ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের
সনদের মান কিসের সমমান
গত কয়েক মাস ধরে-আলোচনা সমালোচনার বিষয়-
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের সনদের মান
কিসের সমমান ?
বেশির ভাগ লোকই বলছে এইচএসসি
সমমান | অথচ তারা প্রমাণ হিসেবে কিছু চাকরি বিজ্ঞপ্তি
ছাড়া আর কিছুই উপস্থাপন করতে পারছে না | অথচ
বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক
শিক্ষাবোর্ডের সরকারি ওয়েব সাইট ঘুরে দেখা যায়
যে, ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের মান
গ্রেড-১৪ যেখানে এইচএসসি’ র মান গ্রেড-১২ |
এবং অনার্সের মান গ্রেড – ১৬ |
এছাড়া এইচএসসিকে দেখানো হয়েছে মাধ্যমিক
শিক্ষা স্তরে আর ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংকে
দেখানো হয়েছে মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষা স্তরের
মাঝামাঝি স্থানে |
এবার আসি চাকরি ক্ষেত্রেঃ-
একজন এইচএসসি সনদ-ধারী তৃতীয় শ্রেণীর
কর্মচারী হিসেবে চাকরিতে প্রবেশ করেন,
বেতন স্কেল – মূল বেতন ৪৭০০/- সর্বসাকুল্যে
৯৭৪৫/- এবং তাকে সারাজীবন একই পদে চাকরি করে
যেতে হয় অর্থাৎ তার কোন পদোন্নতি হয় না |
আর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা দ্বিতীয় শ্রেনীর
কর্মকর্তা হিসেবে চাকরিতে প্রবেশ করেন |
বেতন স্কেল-মূল বেতন ৮০০০/ -সর্বসাকুল্যে
১৬৫৪০/- তারা ক্রমে ক্রমে পদোন্নতি পেয়ে
প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা হতে পারেন |
যা সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত কাউকে পেতে হলে
অন্ততপক্ষে মাস্টার্স অথবা বিসিএসধারী হতে হয় |
অনেকেই আবার বলছেনঃ-
আমরা যদি ডিপ্লোমা পড়ে আবার বিএসসি করি তবে
জেনারেলদের চেয়ে আমাদেরকে দুই বছর
বেশি সময় ব্যয় করতে হয় |
হ্যাঁ কথা সত্য |তবে এখানে আপনি দুটি ইঞ্জিনিয়ারিং
ডিগ্রী পাচ্ছেন |
১. ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী।
২.বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী।
আর আপনি যদি এতোই লাভ লসের হিসেব
খোঁজেন তবে – কেন এতো প্রতিযোগিতার
ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে, নানান ঝামেলার পাশ কাটিয়ে
ডিপ্লোমা পড়তে এলেন?
তার চেয়ে বরং ১২০/- দিয়ে ভর্তি ফরম উঠিয়ে
যেকোন কলেজে এইচএসসি পড়তে গেলেন
না কেন?
আরে ভাই-ভালো কিছু পেতে হলে সামান্য কিছু
হলেও দিতে হয় |
এবার নিজের দেখা কিছু অভিজ্ঞতার কথা বলি – আমার
গ্রামে প্রায় ২০ জন
আছেন যারা, অনার্স-মাস্টার্স কম্পলিট করেও কপালে
মূলা ঝুলিয়ে টুঁ টুঁ করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন |
নিজের সম্মানটুকু বাচানো যায় – এমন একটা চাকরি
পাচ্ছেন না |
(আমি এটা আক্রমণাত্মক অর্থে বলিনি-জাস্ট এক্সাম্পল)
আর মাত্র এক জনই আছেন যিনি ডিপ্লোমা
পড়েছেন – তিনি পাশ করার দুমাসের মাথায় একটা চাকরি
পেয়ে যান | গ্রামীণ শক্তিতে | চাকরির বয়স প্রায়
সাড়ে তিন বছর | বর্তমানে বেতন পাচ্ছেন বিশ –
বাইশ হাজার টাকা |
এরপরও কি বলবেন ডিপ্লোমা পড়ানো এবং পড়া উচিত
না। এরপর ও কি বলবেন ডিপ্লোমা অনেক নিম্ন।
ডিপ্লোমা নিয়ে তাচ্ছিল্যকর কথা আর ভালো লাগেনা।
তথ্যটি নিজে পড়ুন এবং Share করে সবাইকে জানিয়ে
দিন। —
28/08/2016
রামপাল প্রসঙ্গঃ-
আমি বর্তমানে যে জাহাজটিতে আছি সেটির
দৈর্ঘ্য ১৯০ মিটার,ধারন ক্ষমতা প্রায় ৪৭
হাজার মেট্রিক টন। প্রতি মাসেই আমরা
থাইল্যান্ড থেকে ধারন ক্ষমতার সমপরিমাণ
সিমেন্ট ক্লিঙ্কার নিয়ে বাংলাদেশে আসি।
কর্ণফুলী নদী দিয়ে চট্রগ্রাম বন্দরে ১৯০
মিটার বা তার চেয়ে বড় জাহাজ ঢুকতে পারে
না বলে আমাদেরকে সমুদ্রের ভিতরে নোঙ্গরে
থেকে পুরো কার্গো ডিসচার্জ করতে হয়।
লাইটার জাহাজ(ছোট জাহাজ)এসে কার্গো
ডিসচার্জ করে নিয়ে যায়। ৪৭ হাজার টনের
জাহাজটিকে খালি করতে প্রায় ৪০টি লাইটার
জাহাজের দরকার হয় যে লাইটার জাহাজগুলো
কর্ণফুলী, বুড়িগঙ্গা,পশুর ইত্যাদি নদীতে
চলাচল করে। রামপালে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র
হলে এই লাইটার গুলোই বড় জাহাজ থেকে
কয়লা নামিয়ে সুন্দরবনের ভিতর দিয়েই
রামপালে যাবে।
কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রতি বছর কয়লা লাগবে
৪৭ লক্ষ মেট্রিক টন।অর্থাৎ আমি যে
জাহাজটিতে আছি এরকম ১০০টি জাহাজ
প্রতিবছর কয়লা নিয়ে পশুর নদীর আকরাম
পয়েন্ট/ হিরণ পয়েন্ট এ গিয়ে নোঙ্গর করবে।
সেখান থেকে প্রতি বছর প্রায় ৪০০০(৪০X১০০)
লাইটার জাহাজ কয়লা নামিয়ে রামপালে
নিয়ে ডিসচার্জ দিবে। বুঝা যাচ্ছে যে, ৪৭
লক্ষ টন কয়লা প্রতি বছর ২ বার করে ডিসচার্জ
হবে।একবার আকরাম পয়েন্টে,আরেকবার
রামপালে।
যারা কয়লা লোডিং/ডিসচার্জ দেখেননি
তারা কল্পনাও করতে পারবেন যে এর দ্বারা
কিভাবে পানি আর বায়ু দুষিত হয়! হাজার
হাজার লাইটার জাহাজ থেকে নির্গত
বর্জ্য,ধোঁওয়া,তেল থেকে যেমন হবে পানি আর
বায়ু দূষণ তেমনি হবে শব্দ আর আলো দূষণ।আর
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু হয়ে গেলে তো কথাই
নেই।সুন্দরবনের বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্স
াইড,সালফার-ডাই-অক্সাইড এর মাত্রা বাড়বে
কি বাড়বে না, ফ্লোরা/ফনা ধ্বংস হবে কি
হবে না,নদীর মাছ আর সুন্দরবনের পশুপাখির
ক্ষতি হবে কি হবে না এগুলোর ব্যাখ্যা দেয়ার
দরকার পরে না। এর পরেও অনেকেই বলছেন
যে,রামপালে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে নাকি
সুন্দরবনের একটি পাতারও ক্ষতি হবে না। যদিও
মাননীয় অর্থমন্ত্রী বলেছেন যে, সুন্দরবনের
ক্ষতি হলেও সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা হবে
না। অর্থাৎ যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা
নিজেরাও জানেন যে সুন্দরবনের পরিবেশ
মারাত্তকভাবে খতিগ্রস্ত হবে। তাহলে সব
কিছু জেনে বুঝেও কেন এই আত্তঘাতি
সিদ্ধান্ত!!
অনেকেই ভাবছেন যে, জেনে শুনে সুন্দরবনের
পরিবেশ হুমকির মুখে ঠেলে দিয়ে যে চুক্তি
বাস্তবায়ন করা হচ্ছে সেখান থেকে মনে হয়
বাংলাদেশ অনেক বেশি লাভবান হবে। তাই
সুন্দরবনের পরিবেশকে ছাড় দেয়া হচ্ছে। যদি
আপনিও এমনটি ভেবে থাকেন তাহলে চুক্তিটা
সম্পর্কে একবার হলেও আপনার জানা দরকার।
যদি আপনার বিবেক বিক্রি হয়ে গিয়ে
থাকে,যদি আপনি দল আর মতের কাছে অন্ধত্ব
বরণ করে থাকেন তাহলে অনুরোধ করব অন্তত
কিছু সময়ের জন্য হলেও বিবেক নিজের কাছে
ফিরিয়ে এনে সুস্থ মাথায় চিন্তা করতে যে-
আপনার বাড়ির বিদ্যুতের সমস্যা নিরসনের
জন্য বড়লোক প্রতিবেশীর সাথে চুক্তিবদ্ধ
হয়েছেন। চুক্তি অনুযায়ি আপনার বাড়ির
উঠোনে ঠিক বাগানটার পাশেই কয়লা দিয়ে
চালিত একটা বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে।
প্রতিবেশীরও বিদ্যুতের দরকার আছে কিন্তু
নিজের বাড়ির পরিবেশের কথা চিন্তা করে
তারা আপনার বাড়িতেই কেন্দ্রটি করার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু করতে
খরচ হবে ১০০ টাকা। ১৫ টাকা দিবেন আপনি, ১৫
টাকা আপনার প্রতিবেশী আর ৭০ টাকা
আপনাকে সুদে ধার নিতে হবে প্রতিবেশি
থেকে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু করতে যত কয়লা
লাগবে তার সবটুকুই আপনার প্রতিবেশি
থেকেই কিনতে হবে যদিও আপনার প্রতিবেশি
নিজেরাই কয়লা অন্য দেশ থেকে আমদানি
করে। আমি নিজে অনেকবার ইন্দোনেশিয়া
থেকে কয়লা নিয়ে গিয়েছি আপনার
প্রতিবেশির বাড়িতে। তাহলে বুঝতেই
পারছেন যে,যারা নিজেরাই কিনে আনে
তারা আপনার কাছে লাভ ছাড়া নিশ্চয়ই
বিক্রি করবে না। অথচ আপনি নিজেই এই কয়লা
কিনে আনতে পারতেন। ব্যাপারটা অনেকটা
এরকম যে,আপনার বাসা ঢাকার
কাউরানবাজারে আর বাংলা মোটরেই কয়লা
বিক্রি হয়। আপনি কয়লা বাংলামোটর থেকে
না কিনে কিনছেন আপনার প্রতিবেশির বাড়ি
ফার্মগেট থেকে যারা নিজেরাই কয়লা
বাংলামোটর থেকে কিনে আনে। যাই হোক।
এই কয়লা কিন্তু আপনার উঠোনের বাগান
দিয়েই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নেয়া হবে। এতসব কিছুর
পরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু হলে যে লাভ হবে
তার ৫০ ভাগ আপনি পাবেন আর ৫০ ভাগই নিয়ে
যাবে আপনার বড়লোক প্রতিবেশি!! যদি
আপনি আপনার প্রতিবেশির ভাগ থেকে
কিনতে চান তাহলে চড়া দাম দিয়েই কিনে
নিতে হবে। এখানেই শেষ নয়। পুরো প্রকল্পটি
বাস্তবায়নে সব ধরনের ঝুঁকি আর ক্ষতির ভার
আপনাকেই বহন করতে হবে। এবার ভেবে বলুন
তো যে, আপনার বিবেক কি এই ধরনের
চুক্তিকেও অন্ধভাবে সমর্থন দেয় !! আপনার
বিবেক বুঝি এভাবেই বিক্রি হয়ে গিয়েছে !!
এর পরেও যদি মনে করেন যে, আমি এর
প্রতিবাদ করতে পারব না তাহলে অন্তত নিরব
থাকুন। মানুষকে ভুল বুঝাবেন না।খোঁড়া যুক্তি
দেখাবেন না। আপনাদের খোঁড়া যুক্তি দেখলে
ভয় হয় যে,অন্ধত্ব কিভাবে মানুষকে আচ্ছন্ন
করে রাখে,গোলামীর নেশা কিভাবে মানুষের
রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে, আড়ষ্টতা কিভাবে
মানুষকে বাকরুদ্ধ করে আর গোয়ার্তমির নেশা
কিভাবে মানুষকে বিবেকহীন করে !!
অলাভজনক চুক্তির যেসব কাঁটা মধ্যবিত্তের এই
বাংলাদেশের গলায় একের পর এক বিদ্ধ হচ্ছে
এগুলো একসময় অনেক বেশি ব্যথার কারন হয়ে
দাঁড়াবে, এর থেকে মুক্তি পেতে এক সময়
বাংলাদেশ ছটফট করবে। আফসোস, এতে শুধু
ব্যথাই বাড়বে কিন্তু মুক্তি এত সহজে মিলবে
না। এটা আমি হলফ করেই বলে দিতে পারি।
আপনি লিখে রাখতে পারেন। (collected)