03/01/2026
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৬৫ ব্যাচের কিউট বাচ্চাগুলা।
We all are win our dream in sha Allah
03/01/2026
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৬৫ ব্যাচের কিউট বাচ্চাগুলা।
22/05/2025
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ আন্ত:বর্ষ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫।
ফাইনালে ট্রফি উঠবে কার হাতে অনিন্দ্য-৬৫ ব্যাচের Shajib Khan এর হাতে নাকি কোভিড-৬৪ নাহিদ ভাইয়ের এর হাতে।
দেখতে হলে চলে আসুন ২৪ তারিখ বিকেল তিনটায় জুবেরি মাঠে।
03/09/2024
20/08/2024
ক্যালিগ্রাফি
লোকেশন- কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
ছবি: HM Ahsan Habib
19/08/2024
বাংলাদেশের এক স্বনামধন্য মেডিক্যাল কলেজের গার্লস হোস্টেলের রুমমেট তার ৩ বান্ধবীর অসাবধানতার মুহুর্তের ছবি -যেমন রুমে একজন কাপড় চেঞ্জ করছে, সেই মেয়ে ওটার ছবি তুলে রাখলো, একজনের ঘুমের সময় কাপড় এলোমেলো ছিলো - সেই অবস্থার ছবি তুলে রাখে তাদেরই এক রুমমেট আপু।
ওই আপু একই সাথে দুইটা ভায়ার সাথে প্রেম করতো। একজন লোকাল মাস্তান ও আরেকজন তারই ব্যাচমেট ওই মেডিক্যালের যে কিনা ভালো।
তো ভালো প্রেমিক ভায়াটা যখন টের পাইলো যে তার গার্লফ্রেন্ড আরেকটা মাস্তান দুষ্টু ভায়ার সাথে প্রেম করে তখন সে আপুটির মোবাইল কেড়ে নিলো ঝগড়াঝাঁটির এক পর্যায়ে।
মোবাইল কেড়ে নেয়ার পর IMO চেক করতে গিয়ে দেখে, আপুটি নিজের ন্যুড সহ তার বান্ধবীদের গোপন ছবিগুলো তার ওই মাস্তান প্রেমিককে পাঠিয়েছে।
অত:পর কেসটি আমাদের হাতে আসে। ওই মেডিক্যাল স্টুডেন্ট প্রেমিকই নিজ দায়িত্বে আমাদেরকে জানায়। কারন সে জানে যে এইখানে আরো তিনটা মেয়ের জীবন বিপদাপন্ন।
আমাদের চেয়ারম্যান ইফরীত জাহিন কুঞ্জ আপুর হাতে আসার পর তিনি ব্যক্তিগত ভাবে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের সাথে বসেন। যেহেতু তিনি একজন মেডিক্যাল শিক্ষার্থী, উক্ত কলেজ কর্তৃপক্ষ পর সব প্রমাণ দেখে ও আপুটার প্যারেন্টস কে ডাকিয়ে এনে ওই আপুটাকে প্রিন্সিপাল ও ম্যানেজমেন্ট কমিটির সিদ্ধান্তে ৬ মাসের জন্য সাস্পেন্ড করা হয়। আর মাস্তান ভাইয়াটার নামে জিডি করে রাখেন মেডিক্যাল পড়ুয়া ভাইয়াটা। পরবর্তীতে আপুটার শাস্তির পরিমান আরো বাড়তে পারে। আর যদি তাদের কোনো গোপন মূহুর্তের ছবি প্রকাশ পায় তাহলে আপু ও ওই ছেলে- উভয়ের বিরুদ্ধেই আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে উক্ত এলাকার পুলিশ সুপার আমাদেরকে আশ্বাস দিয়েছেন।
সবথেকে দু:খজনক বিষয় - তার রুমমেটরা জানেও না যে তাদের বান্ধবীকে ক্যান সাস্পেন্ড করা হয়েছে৷ আপাতত আমরা তাদেরকে না জানানোর সিদ্ধান্তে আছি যেহেতু সামনে তাদের প্রফ পরীক্ষা।
মেয়েরা যে মেয়েদের সবথেকে বড় শত্রু তা আরেকবার প্রমান হয়ে গেল।
আর ওই ভাইয়াটিকে আমরা স্যালুট জানাই যার সৎসাহসিকতায় তিনটা নিরীহ মেয়ের জীবন রক্ষা পেয়েছে। এরকম পুরুষমানুষ আমাদের সমাজে যত বাড়বে, নারী পুরুষ বৈষম্য তত কমবে ও মেয়েরা একটা নিরাপদ সমাজ পাবে।
আরেকটি কথা হোস্টেলে নিজের রুম হোক আর বাথরুম হোক, একটু দেখে শুনে সাবধানে থাকুন৷
- মুহাম্মদ দিদার
31/07/2024
আজ রাত ১১:০০ টায় চোখ থাকবে আমাদের বুদ্ধিজীবীর দিকে..
16/07/2024
সাধারণ শিক্ষার্থীদের হামলার সাথে জড়িত থাকায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০ - ২১ সেশনের তুহিন আলি রোল: ২১১০৭০৫২০৬ ডিপার্টমেন্ট থেকে সবার মতামতের ভিত্তিতে বয়কট করা হলো।
30/06/2024
রাবি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের নতুন সভাপতি হলেন প্রফেসর ড. মুন্সী মুনজুরুল হক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন বিভাগের প্রফেসর ড. মুন্সী মুনজুরুল হক। আজ ৩০ জুন বুধবার বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সভায় সদ্যবিদায়ী সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন।
একজন সফল সভাপতি হিসেবে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বিভাগীয় শিক্ষকবৃন্দের পক্ষ থেকে অভিনন্দিত হন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর ড. মুন্সী মুনজুরুল হককে বিভাগীয় শিক্ষকমণ্ডলী তাঁকে বিভাগীয় সভাপতি হিসেবে স্বাগত এবং অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।
বিদায়ী সভাপতি এবং নবনিযুক্ত সভাপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে সাবেক সভাপতিগণের মধ্য থেকে প্রফেসর ড. কাজী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রফেসর ড. সৈয়দা নূরে কাছেদা খাতুন, প্রফেসর ড. মো. আজিজুল হক, প্রফেসর ড. ফজলুল হক বক্তব্য রাখেন। বিভাগীয় শিক্ষকমণ্ডলীর মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. ইমতিয়াজ আহমেদ, প্রফেসর ড. দিলশাদ আরা বুলু, প্রফেসর ড. ছায়িদা আকতার, প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ, প্রফেসর ড. মো. হারুন অর রশীদ, প্রফেসর ড. শাহনাজ সুলতানা সোনিয়া, প্রফেসর ড. মু. খলিলুর রহমান, প্রফেসর ড. আশীয়ারা খাতুন, প্রফেসর ড. মো. আরিফুর রহমান, জনাব মো. রবিউল ইসলাম প্রমুখ। সভায় বক্তাগণ বিদায়ী সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান এর উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং নবনিযুক্ত সভাপতি প্রফেসর ড. মুন্সী মুনজুরুল হক এর কাছে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিভাগীয় ঐতিহ্যকে আরো বেশি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, ইসলামের ইতিহাস সমিতির কোষাধ্যক্ষসহ অন্যান্য সেকটরের দায়িত্বও নতুনভাবে বন্টন করা হয়। সমিতির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ, কম্পিউটার ল্যাব তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে প্রফেসর ড. ইমতিয়াজ আহমেদ, সেমিনার লাইব্রেরির দায়িত্ব প্রফেসর ড. হারুন অর রশীদ,, ছাত্রকল্যাণ তহবিলে প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ এর স্থলে প্রফেসর ড. মো. আমিরুল ইসলাম, ক্রীড়া বিষয়ে মো. রবিউল ইসলামকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্ট সকল সেকশনে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য একাডেমিক কমিটির পক্ষ থেকে বিদায়ীদের অভিনন্দন এবং নবনিযুক্ত শিক্ষকদের স্বাগত জানানো হয়।