Science Tutorial
Hello, Visitors! How are you? Here you are in my Page 'Science Tutorial'. Here you will get useful videos on Science, Chemistry, Math and Engineering subjects.
The page has been designed in such a way for the students who are reading in science level.
পড়ার টেবিল টা আমার আর কাজে লাগতেছেনা। এখনো নতুন হয়ে আছে। পপড়াশোনা শেষ।
সেল করে দিব স্বল্পমূল্যে বাজেট ২০০০ টাকা ফিক্সড।
কেউ নিতে চাইলে ইনবক্সে যোগাযোগ করেন। ��
02/04/2025
আমরা নিজ নিজ কলেজের স্টুডেন্টসদের সচেতন করতে এই লেখাটি নিজ নিজ কলেজে নিচের ছবিসহ প্রচার করি।
শিরোনাম: ডিপ্লোমা সিন্ডিকেটের ফাঁদে প্রকৌশল সেক্টরের ভবিষ্যৎ, রুখে দাঁড়াও মেধাবী এইচএসসি শিক্ষার্থীরা!
প্রিয় এইচএসসি শিক্ষার্থীবৃন্দ,
আশা করি, তোমারা সকলেই ভালো আছো। তোমারা তোমাদের এবং বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছ। কিন্তু তোমাদের অগোচরে তোমাদের সেই স্বপ্ন, তোমাদের সেই ভবিষ্যৎ আজ এক গভীর ষড়যন্ত্রের শিকারে পরিনিত হতে যাচ্ছে । তোমাদের মেধাকে পদদলিত করে, তোমাদের স্বপ্নকে চূর্ণ করে ডিপ্লোমাদের সিন্ডিকেট তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে মরিয়া হয়ে উঠেছ। তাদের কিছু চক্রান্তমুলক পদক্ষেপ নিচে তুলে ধরা হলোঃ
কোটার নামে বৈষম্য:
তোমরা দিনরাত বইয়ের পাতায় মুখ গুঁজে পরিশ্রম করে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির স্বপ্ন দেখছো কিন্তু ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা সকল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল অনুষদ আছে সেখানে ১০% কোটার মাধ্যমে তোমাদের সেই স্বপ্নকে কেড়ে নিতে ষড়যন্ত্রের জাল বুনা শুরু করেছে এবং তোমাদের মতো প্রকৃত মেধাবীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ কেড়ে নেওয়ার মতো দুঃসাহস দেখাচ্ছে। উদাহরন হিসেবে বলি, বর্তমানে বুয়েটে মোট আসন সংখ্যা ১৩০৫ টি আর এর ১০% হলো ১৩১ টি। ডিপ্লোমারা এই ১৩১ টি আসন কোটার মাধ্যমে সংরক্ষন করার জন্য দাবি তুলতেছে। যদি তারা তাদের দাবি আদায় করতে পারে তাহলে তোমাদের জন্য আসন কমে যাবে ১৩১টি। এটি শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বললাম, এভাবে তারা সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোটা ভিত্তিক আসন নেওয়ার দাবি তুলতেছে যা অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন।
তোমাদের সাথে কোনো প্রতিযোগিতাই ছাড়াই, শুধুমাত্র কোটার জোরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে তোমাদের উপর কর্তৃত্ব করার মতো দুঃসাহসিক ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করতেছে ।
মেধার অপমান, পরিশ্রমের অবমূল্যায়ন:
তোমরা নিশ্চয় জানো যে, স্কুলের মেধাবীরা সাধারণত এইচএসসি পড়তে যায়, আর যারা এসএসসি-তে সাইন্স,আর্টস থেকে কোনোভাবে পাশ করে ( কিছু কিছু মেধাবী শিক্ষার্থী ও ভর্তি হয় ), তারা ডিপ্লোমাতে ভর্তি হয়। তোমাদের স্কুলের সেরা শিক্ষার্থীরা আজ এইচএসসিতে, আর তোমাদের থেকে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা ডিপ্লোমা করে আজ তোমাদের উপর ছড়ি ঘোরানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে।
এইচএসসি শিক্ষার্থীরা, তোমারা কঠোর পরিশ্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি হও। অপর দিকে ডিপ্লোমা পাশ করার পর তারা যদি কোটার ভিত্তিতে ভর্তি হয় তাহলে তোমাদের কঠোর পরিশ্রমের কোনো মূল্য তো থাকছেই না, বরং কম যোগ্যতার শিক্ষার্থীরা কোটা সুবিধা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়বে যা প্রকৌশল সেক্টরের উন্নয়নের জন্য বিশেষ হুমকি!!!!!!
চাকরির বাজারে ডিপ্লোমা সিন্ডিকেটের দৌরাত্নঃ
v বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকৃত ইঞ্জিনিয়াররা যখন চার বছর পড়াশোনা শেষে চাকরির বাজারে আসে, তখন তারা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করে। তোমরা যখন অনার্স ১ম / ২য় বর্ষে পড়বে, তখনই ডিপ্লোমাধারীরা সরকারি বা সায়ত্তশাসিত চাকরিতে ১০ম গ্রেডে যোগ দিয়ে উচ্চ বেতন ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে। আরও অবাক করা বিষয় হলো, প্রকৌশল সেক্টরের সকল ১০ম গ্রেডের ১০০% পদই (উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদ) তাদের জন্য সংরক্ষিত! অর্থাৎ, তোমরা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করলেও এসব পদে আবেদন করতেই পারবে না!!!!! ভেবে দেখো তারা কি পরিমান সিন্ডিকেট করে রেখেছ। যেখানে কোটার জন্য সম্প্রতি এত আন্দোলন হইলো শত শত ছাত্র-ছাত্রীসহ আপামর জনসাধারন বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিল সেখানে তারা ১০ম গ্রেডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে ১০০% কোটা ধরে রেখেছে যা জুলাই বিপ্লবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।
v ৯ম গ্রেডে পদসংখ্যা সীমিত এবং ১০ম গ্রেডে আবেদন করতে না পারার কারনে
প্রকৃত মেধাবীরা চার বছর পড়াশোনা শেষ করার পরও ১৩তম গ্রেডে যোগ দিতে বাধ্য হয়, যা ডিপ্লোমাধারীদের চেয়েও নিম্নমানের। যেখানে ডিপ্লোমারা ১০ম গ্রেড সিন্ডিকেট করে নিজেদের সম্পত্তি বানিয়ে সেই পদকে পাকাপোক্ত করে রেখেছে। প্রকৌশল সেক্টরের সকল সরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে তোমরা এই ধরনের বৈষম্যের শিকার হবে যা তোমাদের ভবিষ্যতকে একধরনের হতাশা এবং অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিবে আর তোমাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নকে মাটি চাপা দিয়ে দিবে।
v আবার ডিপ্লোমাদের সংগঠন আইডিইবি (IDEB -- Institution of Diploma Engineers, Bangladesh) সরকারের নিকট অন্যায্য একটি দাবি জানিয়েছে সেটা হলো কোন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারকে যেন বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে প্রবেশ করার সুযোগ না দেওয়া হয়। বুঝতে পারতেছ তোমাদের ভবিষ্যত কর্মক্ষেত্র সংকুচিত করার জন্য তারা কেমন ষড়যন্ত্রের ছক কষতেছে।
· পদোন্নতির নামে প্রহসন:
o তোমরা চার বছরের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি নিয়ে কঠোর প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সরকারি বা সায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ৯ম গ্রেডে সহকারী প্রকৌশলী পদে যোগদান করবে কিন্তু ডিপ্লোমারা নামমাত্র প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইভিনিং বিএসসি করে অভিজ্ঞতার দরুন ৩৩% ~ ৫০% কোটা ভিত্তিক পদোন্নতির মাধ্যমে ১০ম গ্রেড থেকে ৯ম গ্রেডে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির মাধ্যমে তোমাদের সমপর্যায়ে চলে আসবে। এমনকি তোমাদেরকে চার বছরের ইঞ্জিনিয়ারিং করার পর চাকুরীতে প্রবেশ করে ডিপ্লোমাদের অধীনে কাজ করতে হবে অথচ ডিপ্লোমাদের মুলত টেকনিশিয়ান কিংবা সুপারভাইজার হওয়ার কথা ছিলো কিন্তু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পদোন্নতি নিয়ে তারা তোমাদের বস হয়ে যাবে।
o তোমাদের মতো মেধাবীরা যেখানে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে ১৩তম গ্রেডে যোগ দিতে বাধ্য হতে হবে, সেখানে তারা ক্ষমতার জোরে দ্রুত পদোন্নতি পেয়ে যাবে।
এখনই রুখে দাঁড়াও:
এই অন্যায়, এই বৈষম্য আর কতদিন? তোমাদের মেধা, তোমাদের পরিশ্রম কি এভাবে সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে থাকবে?
এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আজ তোমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তোমাদের ন্যায্য অধিকারের জন্য রাজপথে নামতে হবে।
তোমাদের স্বপ্নের প্রকৌশল সেক্টরের ভবিষ্যৎকে রক্ষা করতে হবে।
মনে রেখো, তোমাদের এই আন্দোলন শুধু তোমাদের ভবিষ্যতের জন্য নয়, বরং গোটা দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদ এর স্টুডেন্টসরা, চাকুরী প্রত্যাশীরা, চাকুরীজীবী প্রকৌশলীরা এই সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম (বৈষম্যের শিকার বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার গ্র্যাজুয়েট(Discriminated BSc Eng Grads)) তৈরী করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
চলো বিষয়গুলো উদাহরন দিয়ে বুঝিয়ে দেই ঃ
সরকারী বা সায়ত্তশাসিত চাকুরীতে গ্রেডেশন
১ম – ৯ম গ্রেড ===== ১ম শ্রেনী
১০ম – ১২তম গ্রেড ====২য় শ্রেনী
১৩ম – ১৬তম গ্রেড ====৩য় শ্রেনী
১৭ম – ২০তম গ্রেড ====৪র্থ শ্রেনী
বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারং এর পর চাকুরীতে এন্ট্রি পদ হলো ১ম শ্রেনী আর পদবী হলো সহকারী প্রকৌশলী (Assistant Engineer=AE)
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর পর চাকুরীতে এন্ট্রি পদ হলো ২য় শ্রেনী আর পদবী হলো উপ-সহকারী প্রকৌশলী (Sub-Assistant Engineer=SAE)
ধরো, কোনো সরকারি কোম্পানিতে ৫০০ জন ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন যেখানে সহকারী প্রকৌশলী (AE) ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী (SAE) এর রেশিও ধরি ১:৪। অর্থাৎ, ১০০ জন সহকারী প্রকৌশলীর বিপরীতে ৪০০ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী থাকবে।
এই ১০০ জন-এর মধ্যে ৩৩%, অর্থাৎ ৩৩ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী থেকে প্রমোশন পেয়ে সহকারী প্রকৌশলী হবে। তারমানে সহকারী প্রকৌশলীর জন্য পদ রইলো ৬৭ টি। আবার কোথাও কোথাও তারা গায়ের জোরে ৫০% প্রমোশন নিয়ে নেয়। তাহলে, সরাসরি সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগের জন্য পদ রইলো ৫০ টি। আবার, যারা Diploma শেষ করে BSc ডিগ্রী অর্জন করবে( যেমন DUET বা Evening BSc ) তারা ঐ ৬৭ টি বা ৫০ টি পদের জন্য আবেদন করবে।
যদি ধরো, তোমার best case এ ৫০ জন-এর মধ্যে DUET বা Evening BScথেকে ৫ জন হয়, তাহলে তোমরা General Education থেকে নিয়োগ পাবে মাত্র ৪৫ জন।
শুভংকরে ফাকিটা আসলে এখানেই দেখো,
ধরি, মোট পদ = ৫০০ টি
ডিপ্লোমারা উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে নিবে = ৪০০ টি
ডিপ্লোমারা প্রমোশনের (৫০% কোটা ভিত্তিক) মাধ্যমে নিবে = ৫০টি
ডিপ্লোমারা B.Sc করার পর আবার ৯ম গ্রেডে আবেদনের মাধ্যমে নিবে = ৫ টি
ডিপ্লোমারা মোট পদ দখল করলো = ৪০০ + ৫০ + ৫ = ৪৫৫ টি
তোমাদের মতো সাধারন স্টুডেন্টস যারা সরাসরি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করলে তারা পাচ্ছো = ৫০০-৪৫৫ = ৪৫ টি
তারমানে ৫০০ পদের মধ্য ডিপ্লোমা পাইলো ৪৫৫টি আর সাধারন স্টুডেন্টস যারা সরাসরি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করলো তারা পাইলো ৪৫টি
শতকরা হিসেবে,
ডিপ্লোমারা পাচ্ছে মোট পদের =( ৪৫৫/৫০০) *১০০% = ৯১%
বিএসসি ইঞ্জিনিয়াররা পাচ্ছে মোট পদের = (৪৫/৫০০)*১০০% = ৯%
এখন তোমরা ভেবে দেখো, এই বৈষম্য মেনে নিবে নাকি নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য ডিপ্লোমা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবে।
সাবেক শিক্ষার্থী, বুয়েট
Plz Share this your College, School group...
And mention your friends 😢
এই অন্যায় মেনে নেওয়া যাবে না।এই ফ্যাসিবাদের স্বৈরাচার এর আমলে এই অন্যায় থেকে গেছে।,......
Travel 🥰
tour 🥰Funny
05/01/2024
04/01/2024
English preposition 👍
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Rajshahi
10/05/2025