Dhumketu Education Aid

Dhumketu Education Aid

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dhumketu Education Aid, Education, Rajshahi.

This is the Official page of " Dhumketu Education Aid".This is a Non-profit organization.We usually work with students of all level of Bangladesh.Help admission seekers by posting our facebook group called"Public University admission(2020-21).

23/12/2021

বিগত বছরের সফলতার ধারাবাহিকতায় এইবারও "ধূমকেতু ইউনিভার্সিটি এডমিশন কোচিং সেন্টার আগামী ০৮-০১-২২ তারিখ থেকে ক্লাস শুরু করবে।

ভর্তি হবার জন্য নিচেই উল্লেখিত নাম্বাগুলাতে যোগাযোগ করুন!ইন শা আল্লাহ্ ১০০% নিশ্চয়তা দিয়েই বলতে পারি-আমাদের থেকেই সেরাটা পেয়ে যাবে!

লোকেশন : স্টেডিয়াম মার্কেট, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

কোচিং এর বৈশিষ্ঠ্য :

১)রাবির শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিচালিত।
২) নিয়মিত পরিক্ষা।
৩) লেকচার সিট প্রদান এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য বিশেষ ক্লাস।
৪) দূর্বলদের জন্য বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা।
৫) সাপ্তাহিক পর্যালোচনার পর পরিক্ষা ও পুরস্কার প্রদান।
৬) কোচিং চলবে রাবির এক্সামের পূর্ব পর্যন্ত।
৭) বিজ্ঞান, ব্যবসা ও মানবিক সব শাখায় ভর্তির সুযোগ।
৮) দূরের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ আবাসন ব্যবস্থা।
৯) যাচাই ক্লাসে ভালো লাগার পর ভর্তি নিজের কাছে।

বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ :
পরিচালক ও ইংরেজি শিক্ষক এ,কে অভি (রাবি)

মোবাইল :
01984412950 (একে অভি ভাই)
01317071660(ইমামুল ভাই!
বি,দ্রঃ গরীব ও মেধাবীদের জন্য বিশেষ ছাড় রয়েছে।

28/05/2021

#ভর্তি_যোদ্ধা_কেউ_বাদ_দিবে_না_প্রত্যেকে_পাঁচ_মিনিট_সময়_নিয়ে_পড়ে_নাও"

#ভর্তি যোদ্ধা-বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেতে ছেলে খেলা নয়,দরকার কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য্যঃ-

ভর্তি যোদ্ধা সোজাসাপটা শুনে নাও-ঘরের কোণায় বসে অনেকেই অনেক রকম কথা বলবে যে আমি অমুক তমুক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১-১০০/১-১০ এর মধ্যে থাকবোই থাকবো।দিনশেষে দেখবে এরাই ব্যর্থ হয়ে গাড়ির চাকার মতো ফনফন করে ঘুরতে থাকবে।কারণ কি জানো এদের এই মুখের ভাষ্য অবধি যথেষ্ট।কাজ-কর্মে কিছুই না।তবে হ্যাঁ যারাই কঠোর পরিশ্রম করবো,ধৈর্য্যের সাথে লেগে থাকবে তারাই সফল হবেই হবে।

এখন কথা হলো-প্রত্যেক ভর্তি যোদ্ধার প্রতি-স্বপ্ন যদি থাকে প্রাচ্যের ক্যামব্রিজ খ্যাত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বার অথবা অন্য যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বার তাহলে স্পষ্টভাবে শুনে নাও- তোমাকে এখন থেকেই লেগে থাকতে হবে ওই বইয়ের পিছনে ঠিক ধৈর্য্যের সাথে।এই আমিই বলে যাচ্ছি ধৈর্য্যের সাথে প্রত্যেকটি টপিক যদি সাজিয়ে-গুছিয়ে নিতে পারো ইনশাআল্লাহ্-ইনশাআল্লাহ্ তুমিই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বারান্দা দিয়ে চলতে পারবে।তাই দেরি না করে লেগে যাও বিজয় সুনিশ্চিত।

ভর্তি যোদ্ধা-আমি বলে বোঝাতে পারবো না পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বার যে কি স্বাদ কি ঘ্রাণ।অনেকেই আমার এই কথা শুনে হয়তো হাঁসছো!তবে হ্যাঁ ঠিক সত্য কথাটাই আমি আবার বলছি-
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে যে ছেলেটা ঠিক মতো হাঁটতে জানতো না,সে একদিন ঠিক মতোই হাটতে শিখে যায়,যে মেয়েটা চুল আচড়াতে জানতো না, সে একদিন ঠিক মতো চুল আচড়াঁনো শিখে যায়।এখানে আমি ছোট্ট করে দুইটি উপমা স্বরুপ উদাহরণ ব্যবহার করেছি।যে বুঝবে এই দুইটা উদাহরণকে পুঁজি করে লেগে যাবে ঠিক ওই বইয়ের সাথে।

তাই লক্ষ্য যদি থাকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আজ থেকে কিংবা এখন থেকেই লেগে যাও বইয়ের পিছে।দেখবে তুমিই তোমার স্বপ্নটাকে বাস্তবায়ন করতে পারছো খুব সহজেই।

দেখা হবে বিজয়ে প্রাচ্যের ক্যামব্রিজের সবুজ চত্বরে।ধৈর্য্যকে সাথে নিয়ে আগিয়ে যাও দেখবে সুমিষ্টি ফল পাবে।

সবার জন্য দোয়া ও শুভ কামনা।ধন্যবাদ সবাইকে।

ইমামুল হোসাইন
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

14/04/2021

ভর্তি যুদ্ধে আগিয়ে থাকার নিঞ্জা কৌশলঃ-

#ভর্তি যুদ্ধে কেউ জয় লাভ করবে আবার কেউ পরাজিত হবে।এটা চিরাচরিত নিয়ম।
তবে ভর্তি যুদ্ধ বা পরীক্ষা এমনই যে এই জায়গাতে যে যত বেশি কৌশল ব্যবহার করতে পারবে সে তত বেশি আগিয়ে থাকতে পারবে এবং যে কৌশল ব্যবহার করতে ব্যর্থ হবে সে কখনোই আগিয়ে থাকতে পারবে না।সুতারাং,ভর্তি যুদ্ধে আগিয়ে থাকতে চাইলে অবশ্যই কিছু কৌশলকে সাথে নিয়ে আগাতে হবেই হবে।

#ভর্তি যুদ্ধে ভালো করতে চাইলে কি কি কৌশল অবলম্বন করতে হবেঃ--

®প্রথমত, এই ভর্তি যুদ্ধে আগিয়ে থাকতে চাইলে অবশ্যই নিজকে exceptional হিসাবে তৈরি করতে হবে।কারণ, এই সময়ে প্রত্যেকে গতানুগতিক ধারা দিয়েই সামনের দিকে আগানোর চেষ্টা করবে।কিন্তু তুমি যদি এই যুদ্ধে আগিয়ে থাকতে চাও অবশ্য-
ই exceptional হতেই হবে।

#প্রশ্ন আসতে পারে যে ভাইয়া exceptional বিষয়টা কি? শুনে নাও:-
সবাই যা ভাববে, সবাই যা করবে এবং সবাই যে ধারা মেইনটেইন করে পড়ালেখা করবে তুমি সে ধারা মেইনটেইন করে সামনের দিকে আগাবে না।তোমার আগানোর পথটা হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারায় কিংবা ভিন্ন পথে।তাহলে খুব সহজে তুমি তোমার লক্ষ্যে পৌছতে পারবে।

#উদাহরণসরূপ:-ধরে নাও, তোমার কোন বন্ধু ইংরেজিতে adverb পড়ছে কমপিটিটিভ এক্সাম বই থেকে বা অন্য কোন বই থেকে। এবার তুমি যখন adverb পড়তে বসবা তখন তোমার পড়াটা শুধু কমপিটিটিভ এক্সাম বই থেকে নয়।আরো দু-চারটা বই থেকে এই টপিকটা পড়ে নাও
তাহলে ব্যাপারটা হবে তোমার বন্ধু যতটুকু জানতে পারছে তুমি একই টপিক তোমার বন্ধুর থেকে বেশি জানতে পারছো।কারণ ওই যে একটা বইয়ের পাশাপাশি তুমি আরো দুই একটা বই সাথে নিয়েছো।এই যে তুমি একটুখানি বেশি জানছো,এই জানাটাই হলো exceptional মানে তুমি হলে তোমার বন্ধুর থেকে ব্যতিক্রমধর্মী। সুতারাং,প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে এই ব্যবহারটা করে দেখো তুমিই আগিয়ে থাকবে।

®ভর্তি যুদ্ধে নিজকে আগিয়ে রাখতে চাইলে অন্যতম আর একটি কৌশল হলো:-
"টপিক নির্বাচন করা"নিজকে আগিয়ে রাখতে চাইলে অবশ্যই এই কাজটি করতেই হবে।নইলে কাঙ্খিত সপ্ন কখনোই পূরণ হবে না কিন্তু।প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যাল- য়ের পরীক্ষা শেষে যে পাবলিকিয়ান হতে পারলো তার কাছে নিজেই জিজ্ঞাসা করে দেখবা সে কিভাবে চান্স পাইলো।তার চান্স পাওয়ার গল্পটির মধ্যে এই টপিক নির্বাচন অধিক প্রাধান্য দিয়েছিলো।সুতারাং,বিশ্ব-
বিদ্যালয়ে পড়তে চাইলে এই কাজটি অবশ্যই করতে হবে।

#এবার সবার প্রশ্ন আসতে পারে যে ভাইয়া টপিক নির্বাচন বলতে কি বোঝালেন:-
আচ্ছা শোনো,প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন প্যার্টনে নিজস্ব ভঙ্গীমা আছে।মানে প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃপক্ষ ভিন্ন ভিন্ন ধারায় প্রশ্ন করে থাকে।ধরো,তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে প্রশ্ন প্যার্টানে পরীক্ষা দিবে,ওই ধরনের প্রশ্ন প্যার্টন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পাবে না এবং রাবি ক্রস করে যখন চবিতে যাবে তখন রাবির প্রশ্ন প্যার্টনের সাথে মিল থাকবে না।তবে হ্যাঁ মিল থাকতে পারে তবে খুবই কম যা দিয়ে চান্স পাওয়া সম্ভাব নয়।সুতারাং, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন প্যার্টনের নির্দিষ্ট কিছু টপিক আছে সেগুলা যাচাই-
বাছাই করে বের করতে হবে।নইলে অপূর্ণতা থেকেই যাবে আর এই অপূর্ণতা নিয়ে চান্স পাওয়া সম্ভাব নয়।

®এবার আসো, ভর্তি যুদ্ধে আগিয়ে থাকতে চাইলে সিলেক্ট হওয়া টপিকগুলো অত্যান্ত সুক্ষভাবে এবং টেকনিক্যালি পড়তে হবে।তা না হলে কখনোই আগিয়ে থাকা সম্ভাব নয়।সুতারাং যতটুকু সময় পড়বে সেই পড়াটুকু হতে হবে ভেজাল মুক্ত বা ত্রুটিমুক্ত।অর্থাৎ, অর্থ দাড়ালো যে টপিক পড়তে হবে তার এ টু জেড ক্লিয়ার করে নিতে হবে।তাহলে ভর্তি যুদ্ধে ১০০% তুমি আগিয়ে থাকবে। কারণ কি জানো, অধিকাংশ স্টুডেন্ট এই কাজটি করতে ভুল করবে তাতে করে তারা কখনোই আগিয়ে থাকতে পারবে না।এমতঅবস্থায়, এই কাজটা যারাই করবে তারাই আগিয়ে থাকবে।

#অবশেষে,তুমি যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাও তাহলে অবশ্যই উপরে উল্লেখিত কাজগুলা ধাপে ধাপে করে নাও।সময় যা আছে যথেষ্ট আছে।শুধু পরিকল্পনা করে আজ থেকেই লেগে যাও দেখবে ভর্তি যুদ্ধে তুমিই আগিয়ে থাকবেই থাকবে ইন শা আল্লাহ্।

#বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক কারোর কোন কিছু জানার থাকলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানিও এবং পোস্টটি কেমন হলো জানিও।

#সবার জন্য শুভ কামনা ও দোয়া রইল।দেখা হবে বিজয়ে মতিহারের সবুজ চত্বরে।

ইমামুল হোসাইন
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

06/04/2021

#উপসর্গ
পর্ব- ১

আসসালামুআলাইকুম । বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হলো “উপসর্গ”। বোঝার সুবিধার্থে ৪ টি পর্বে ভাগ করে উপসর্গ আলোচনা করে হবে।আশা করি সকল শিক্ষার্থীদের জন্য উক্ত আলোচনা অনেক ফলপ্রসূ হবে।তো শুরু করা যাক আলোচনা।

আজকের ১ম পর্বে ‘উপসর্গের' প্রাথমিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবো।ইন শা আল্লাহ্।

উপসর্গ বাংলা ব্যাকরণের শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।উপসর্গের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটা অন্য শব্দের পূর্বে বসে।

উপসর্গের সংজ্ঞা টা জানলে এটি বুঝতে আরো সুবিধা হবে।নিচে সংজ্ঞা টি দেওয়া হলো।

সংজ্ঞাঃ যেসব অব্যয়সূচক শব্দাংশ অন্য শব্দের ( নামশব্দ বা কৃদন্ত শব্দ) পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে সেগুলোকে উপসর্গ বলে।

উপরোক্ত সংজ্ঞাটি বিশ্লেষণ করলে উপসর্গের কিছু বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়, সেগুলো হলোঃ
★ উপসর্গের নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা নেই।
★ উপসর্গ হচ্ছে অব্যয়সূচক শব্দাংশ
★ বাক্যে স্বাধীনপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়না।
★ অন্য শব্দের আগে বসে।

মজার বিষয় হলো, উপসর্গের কোন অর্থবাচকতা না থাকলেও অন্য শব্দের পূর্বে বসে তাদের নতুন অর্থ তৈরী করে।একটা উদাহরণের মাধ্যমে খুব সহজেই এটা বোঝা সম্ভব।যেমন, ‘সু’ একটি উপসর্গ স্বাভাবিক ভাবেই এর কোন অর্থবাচকতা নেই। কিন্তু যখন ‘খবর’ শব্দটির পূর্বে ‘সু’ উপসর্গটি যুক্ত করা হবে তখন সেটা হবে ‘সুখবর’ যা একটি নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরী করবে। তাই আমরা বলতে পারি উপসর্গের অর্থবাচকতা না থাকলেও অন্য শব্দের পূর্বে বসে তাদের নতুন অর্থ প্রদান করে অর্থাৎ অর্থদ্যোতকতা আছে।

উপসর্গ বেশ কয়েকটি কাজ সম্পন্ন করে থাকে সেগুলো হলোঃ
★ নতুন শব্দ তৈরী করে।
★ শব্দের অর্থের সংকোচন করে।
★ শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ করে।
★ শব্দের অর্থের পরিবর্তন করে।
★ শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধন করে।

বাংলা ভাষায় উপসর্গ ৩ প্রকার।
১. বাংলা উপসর্গ, ২. তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ ৩. বিদেশি উপসর্গ

উপসর্গের প্রকারভেদ গুলো নিয়ে পরবর্তী পর্বগুলোতে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে ইন শা আল্লাহ্।

22/03/2021

#প্রত্যেক ভর্তি পরীক্ষার্থী আজকের এই পোস্টটি একবার হলেও পড়ে ঘুমাতে যাবেঃ-
#সবার প্রশ্নের উত্তর আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আশা করি পেয়ে যাবে।

#বিঃদ্রঃ-পোস্টটি দীর্ঘ হলেও পড়ে নিও মূল্যবান জিনিস পেয়ে যাবে এবং পোস্টটি কেমন হলো সবাই জানাতে ভুল করো না যেনো।☺☺

#প্রথমেই বলে রাখি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাইলে লাগাতার পরিশ্রম করতে হবে মানে পরিশ্রম এর বিকল্প কোন কিছু হবে না।

#চলো এবার মূল প্রসঙ্গে যাই☺- আজকে প্রাচ্যের ক্যামব্রিজ নামে খ্যাত(রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়) এর প্রাথমিক আবেদন এর রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছে ঘন্টা কয়েক আগে।এই প্রাথমিক সিলেকশনের প্রথম ধাপে কেউ সিলেক্টেড হয়েছো আবার কেউ হতে পারো নি। কারণ তোমার জিপিএর মাত্রাটা কতৃপক্ষের কাছে পরিমাপ মতো হয়নি।তবে শোনো-প্রথম ধাপে সিলেক্টেড হতে পারোনি মানে আর তোমাকে সিলেক্ট করা হবে না।
#এমনটা নয় -যাদের আর্টস বা মানবিক গ্রুপ থেকে জিপিএ ৪:০০ অবধি আছে এবং যাদের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৪:৫০ অবধি আছে তারা ভরসা রাখতে পারো আগামী প্রাথমিক সিলেকশনের দ্বিতীয় বা তৃতীয় ধাপে সিলেক্টেড হবা।হওয়া বা না হওয়া পরবর্তী বিষয় নিজের উপর ভরসাটুকু তো করতে পারো না কি??।এই ভরসা নামক শব্দটি তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার ক্ষেত্রে আরো এক ধাপ আগিয়ে রাখবে।

#এবার শোনো-তুমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক আবেদনের প্রথম সিলেকশনে টিকতে পারলে না বিধায় ধরে নিবে যে আমার দিয়ে কিছু হবে না,আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাবো না,এবং আমি আর পড়াশোনায় করবো না।আরে না, এমন চিন্তা মাথায় আসলে মাথা থেকে বের করে ফেলো -কারণ কি জানো তোমার এই চিন্তার ফলে তুমিসহ তোমার গোটা পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই চিন্ত যখনই মাথায় আনবে তখনই তুমি ধরে নাও তোমার গোল পোস্ট থেকে ছিটকে পড়ছো বা যাচ্ছো। সুতারাং,এমন চিন্তা তো করবোই না বরং নিজকে নিজে বলো আমাকে দিয়ে সবব কিছু সম্ভাব আমিই সবকিছু পারবো।

#এবার শোনো-এমন এক লেভেল এর মানসিক রোগী আছে যারা এই প্রাইমারী সিলেকশনের প্রাথমিক ধাপে টিকতে পারে নাই বিধায় কান্না-কাটি এমনকি অত্নহত্যার পথও বেচে নিতে পিছু পা হাটবে না।আরে ভাই এসব করে তো কোন লাভ হবে তোমার? কোন লাভই হবে না বরং তোমার পড়ালেখার ক্ষতি হবে, পরিবারের ক্ষতি হবে। সুতারাং, এগুলা কেউ করবে না কারণ রাবিতে হয় নি মানে আর কোথাও হবে না তা নয়। #আবার এক দল পন্ডিত বলবে ভাইয়া আমার রাবিতে পড়ার ইচ্ছা ছিলো আমি রাবিতে পড়বো আর কোথাও পড়বো না বা পড়তে চায় না।আরে কেন, আমরা সবাই একটা প্রবাদ বাক্য জানি যে (কপালের লিখন যাই না খন্ডন)-মানে সৃষ্টিকর্তার একটা মার্ক আছে যে তোমাকে রাবিতে সুযোগ না করে ঢাবিতে বা চবিতে অথবা অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ করে দিবে। #সুতারাং,এটাও মাথায় রাখতে হবে।শুধু নিজের মতো করে বললাম আর সেটাই হয়ে যাবে তা নয়। বরং, এমন সবব চিন্তা মাথা থেকে বের করে গুছিয়ে এখনই পড়তে বসে যাও।পূর্বেও বলেছি আবারও বলতেছি,এসব চিন্তা দু-পয়সার কাজ তোমাকে দিবে না বরং আরো বেশি হতাশ করে তুলবে।তাই এই ফালতু চিন্তা বাদ দিয়ে পড়ার টেবিলে বসে যাও।তাতে কাজ দিবে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সাম হলে।

#সুতারাং সমস্ত কথার সারসংক্ষেপ হলো এই যে তুমি প্রাথমিক সিলেকশনের প্রথম ধাপে টিকতে পারো নাই মানে আর টিকতে পারবে না ব্যাপারটা তা নয়।মানবিক+ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে যদি জিপিএ ৪:০০ বা ৪:৫০ থাকে তাহলে ধরে নাওও দ্বিতীয় বা তৃতীয় সিলেকশনে তুমি টিকে যাবে এবং আর একটা বিষয় হলো রাবিই একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় নয় এই বাংলায় আরো বিশ্ব-
বিদ্যালয় আছে সেখানেও চেষ্টা করতে হবে + তার জন্য নিজকে তৈরি করতে হবে।

#আজকের আয়োজন এই পর্যন্ত।সবাই ফালতু চিন্তা বাদ দিয়ে পড়ার টেবিলে বসে যাও কাজে আসবে এবং কারোর কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন করতে পারো সময়-সুযোগ হলে ইনশাআল্লাহ্ প্রত্যেকের প্রশ্নের জবাব দিবো।

#আর একটা বিষয় পুরা রমজানের ০১ মাস ধরে আমার তরফ থেকে তোমাদের জন্য থাকছে বিশেষ সাজেশন্স যা থেকে ইনশাআল্লাহ্ প্রশ্ন কমন পাবেই।এমন সব সাজেশন্স বা গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে আমাকে ফলো করতে পারো যাতে করে সঠিক সময়ের পোস্টগুলা তোমার দরজায় পৌছিয়ে যায়।

#ধন্যবাদ সবাইকে। দেখা হবে বিজয়ে মতিহারের সবুজ চত্বরে।

সাথেই আছি, আমিঃ-
মোঃ-ইমামুল হোসাইন
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

07/03/2021

রাবির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আজ দুপুর ১২:০০ টা থেকে।এভাবে ধীরে ধীরে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ হবে এবং পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হবে।এখন পরীক্ষা দিয়ে কেউ চান্স পাবে আবার কেউ চান্স পাবে না।যারা চান্স পাবে তারা সঠিক ভাবেই পড়ালেখা করছে বিধায় চান্স পাবে আর যারা চান্স পাই নাই তারা সঠিকভাবে পড়ালেখা করে নাই তাই চান্স পাই নাই।

#এখন সঠিক প্রিপারেশন নিতে এবং সঠিক ভাবে পড়তে চাইলে আমাদের প্রকাশিত ধূমকেতু এডমিশন এইড অবশ্যই অবশ্যই যারা সংগ্রহ করো নাই দ্রুত সংগ্রহ করে নাও।সংগ্রহ করে নিয়ে নিজের প্রিপারেশন আরো বেশি কঠিন করে নাও।বইটি পড়লে অবশ্যই অবশ্যই কমন পাবে + নতুন তথ্য শিখতে তো পারবেই।সুতারাং, দেরি না করে বইটি সংগ্রহ করে নাও।

#আমাদের ধূমকেতু বইটিতে যা যা পাবেঃ-

®বাংলা+ইংরেজি+জিকে+আইসিটি+ বিসিএস প্রশ্ন+বিগত বছরের প্রশ্ন।বইটি পেতে যোগাযোগ- 01317071660 বা ইনবক্স করতে পারো।

#যেকোন প্রয়োজনে ইনবক্সে নক করতে পারো বা ফোন দিতে পারো।সাথে সাথে আমাকে ফলো করতে পারো সকল আপডেট তথ্য সহ দরকারী তথ্যগুলা পেতে।

মোঃ ইমামুল হোসাইন
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
#লেখকঃধূমকেতু এডমিশন এইড।

20/02/2021

অভিনন্দন 🥰😍
"নাসার ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশী নারী মাহজাবীন"

মাহজাবীন হক নাসায় নিয়োগ পাওয়া একমাত্র বাংলাদেশী নারী। তার পিতা সৈয়দ এনামুল হক পূবালী ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার।
তার গ্রামের বাড়ি গোলাপগঞ্জ জেলার কদমরসুল গ্রামে।

Photos from Dhumketu Education Aid's post 31/01/2021

😍Admission😍
👉বিড়াল [ বাংলা গদ্য ]
(☞☞সবার অনুরোধে পোস্টগুলো অাবার শুরু করলামঃ
✔ শেয়ার করে রাখো নতুবা খোঁজে পাবে না!)

আমরা আজকে ইন্টারের বাংলা প্রথম পত্রের বিড়াল গদ্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করব😊। এখানে মূলত #গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলি তুলে ধরা হয়েছে। বিস্তারিত পড়ার জন্য তোমরা বই অথবা গাইড ফলো করবে। এটা মূলত তোমাদের ধারণা এবং পড়ার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করার ছোট্ট প্রচেষ্টা মাত্র😎।

🎯লেখক পরিচিতি🎯

📌নাম : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
📌জন্ম: ২৬ জুন,১৮৩৮
📌জন্মস্থল : পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রাম
📌উপাধি: সাহিত্যের রসবোদ্ধাদের থেকে প্রাপ্ত খেতাব "সাহিত্য সম্রাট"
📌ছদ্মনাম: কমলাকান্ত
📌পেশা: ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট
📌সম্পাদিত পত্রিকা : বঙ্গদর্শন(১৮৭২)
📌প্রথম কাব্য: ললিতা তথা মানস (১৮৫৬)
📌উপন্যাস: ১৪টি
📌গ্রন্থ সংখ্যা: ৩৪টি
📌প্রথম উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী
📌রাজনৈতিক উপন্যাস: মৃণালিনী
📌মনস্তত্ত্ব উপন্যাস: রজনী
📌সামাজিক উপন্যাস: বিষবৃক্ষ,কৃষ্ণকান্তের উইল
📌ঐতিহাসিক উপন্যাস: রাজসিংহ
📌রোমান্সধর্মী উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা
📌সর্বশেষ উপন্যাস: রজনী
📌প্রবন্ধ : সাম্য, বিবিধ প্রবন্ধ, লোকরহস্য, কৃষ্ণচরিত্র,কমলাকান্তের দপ্তর
📌ইংরেজি উপন্যাস: rajmohons wife
📌ত্রয়ী উপন্যাস: আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী, সীতারাম।
📌হিন্দু ধর্মানুরাগীদের থেকে "ঋষি" আখ্যা লাভ করেন।
📌১৮৫৮ সালে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রথম স্নাতক দের একজন
📌বঙ্কিমচন্দ্র কে বাংলার "ওয়াল্টার স্কট" বলা হয়।
📌বাংলা 'উপন্যাসের জনক' এবং প্রথম স্বার্থক 'ঔপন্যাসিক'।
📌জীবনাবসান: ৫৬ বছর বয়সে মারা যান
📌মৃত্যু: ৮ এপ্রিল, ১৮৯৪

🎯গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ🎯

✔️চারপায়- টুল বা চৌকি
✔️নেপোলিয়ন- একজন ফরাসি সম্রাট। ১৮১৫ খ্রিষ্টাব্দে ✔️ওয়াটারলু যুদ্ধে ডিউকের হাতে পরাজিত হয়ে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত হন।
✔️ওয়েলিংটন- একজন বীর যোদ্ধা। তিনি ডিউক অব ওয়েলিংটন নামে পরিচিত।
✔️মার্জার- বিড়াল
✔️প্রকটিত- তীব্রভাবে প্রকাশিত
✔️যষ্টি- লাঠি
✔️ভার্যা: স্ত্রী
✔️ঠেঙ্গালাঠি: প্রহার করার লাঠি

🔥রচনার উৎস🔥

✏️প্রবন্ধটি কমলাকান্তেদর দপ্তর গ্রন্থ থেকে সংকলিত।
✏️গ্রন্থটি ১৮৭৫ সালে প্রকাশিত হয়
✏️ভাষা: সাধুরীতি
✏️উত্তম পুরুষের দৃষ্টিকোণে রচিত
✏️রস: রম্যরস
✏️প্রথম অংশ: নিখাদ হাস্য রসাত্মক
✏️দ্বিতীয় অংশ: গূঢ়ার্থে রচিত
✏️প্রধান চরিত্র : কমলাকান্ত, বিড়াল
✏️মূল প্রতিপাদ্য : দরিদ্রের অধিকার প্রাপ্তি

💕প্রবাদ বাক্য : ৩টি

👉"কেহ মরে বিল ছেঁচে,কেহ খায় কই"
👉"পরোপকারই পরম ধর্ম"
👉"তেলা মাথায় তেল দেয়া"

🔷 সংখ্যাবাচক তথ্য 🔷

🖍️প্রবন্ধে ঐতিহাসিক চরিত্র -২টি ( নেপোলিয়ন, ওয়েলিংটন)
🖍️মেও শব্দটি ব্যবহার হয়-১৩ বার
🖍️বিড়াল প্রবন্ধে উল্লেখিত প্রবন্ধের সংখ্যা-৩ টি
🖍️বিড়াল শব্দটি আছে-৯ বার
🖍️হুকা শব্দটি আছে-৫ বার
🖍️মার্জার শব্দটি আছে-১১ বার
🖍️উপবাস করতে বলা হয়েছে- ৩ দিন
🖍️কমলাকান্তের দপ্তর বিভক্ত-৩টি অংশে

💕গদ্যের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য💕

🧨কমলাকান্ত কার কথা ভাবছিল -নেপোলিয়ন
🧨নেপোলিয়ন মারা যান-১৮২১ সালে
🧨ভান্ডারঘরটি-নসীরামবাবুর
🧨আফিম-ইংরপজি শব্দ
🧨বিড়াল মেও মেও করে-প্রাচীরে প্রাচীরে
🧨বিড়াল দূরদর্শী বলেছে-কমলাকান্তকে
🧨সমাজ বিশৃঙ্খলার মূল-মার্জারের কথা
🧨সতরঞ্জ মানে-পাশা খেলা
🧨বিড়াল খেয়েছে-কমলাকান্তের জন্য রাখা দুধ
🧨ওয়াটারলু যুদ্ধ হয়-১৮১৫ সালে
🧨নেপোলিয়ন জন্ম নেয়-১৭৬৯ সালে
🧨সামাজিক ধনবৃদ্ধি মানে ধনীদের ধন বৃদ্ধি
🧨কমলাকান্ত চারপায়ীর উপর বসে ঝিমাচ্ছিল
🧨কমলাকান্ত নিমীলিত লোচনে ওয়াটারলু যুদ্ধের কথা ভাবছিল
🧨কমলাকান্ত ওয়েলিংটন ভেবেছিল মার্জারকে
🧨কমলাকান্তের জন্য প্রসন্ন দুধ রেখেছিল
🧨গাভীর নাম-মঙ্গলা
🧨জলযোগ-হালকা খাবার
🧨কমলাকান্তেরর সহায়-বিড়াল
🧨বিড়াল অভাবী মানুষের প্রতীক
🧨কমলাকান্ত ধনীদের প্রতীক
🧨ক্ষুদ্র আলো জলছিল মিট মিট করে
🧨চোর অপেক্ষা শতগুণে দোষী কৃপন ধনী
🧨নেপোলিয়ন মারা যন সেন্ট হেলেনা দ্বীপে
🧨নেপোলিয়ন আধিপত্য বিস্তার করে ইউরোপে
🧨কমলাকান্ত অনেক অনুসন্ধানে ভগ্ন যষ্ঠি আবিষ্কার করল
🧨বিড়াল নিজেকে বলেছে বিজ্ঞ চতুষ্পদ
🧨পরাস্ত হলে বিজ্ঞ লোক উপদেশ দেয়
🧨মনুষ্যকুলে কমলাকান্ত কুলাঙ্গার হতে চায় না
🧨রচনায় বঙ্কিমের ভাষা শ্লেষাত্মক
🧨তেলা মাথায় তেল দেয়া মনুষ্যজাতির রোগ
🧨পতিত আত্মা বলা হয়- মার্জারকে
🧨বিড়ালের প্রশ্ন বুঝে কমলাকান্ত ভগ্ন যষ্ঠি ত্যাগ করল
🧨কমলাকান্তের মতে মার্জার সুবিচারক ও সুতার্কিক
🧨চিরাগত প্রথা অবমাননা করলে কমলাকান্ত মনুষ্যকুলে কুলাঙ্গার বলে বিবেচিত হবে আর বিড়াল স্বজাতি মন্ডলে কাপুরুষ বলে উপহাস করবে।
🧨ধনীর ধনবৃদ্ধি হলে বিড়ালের ক্ষতি নেই।
🧨কমলাকান্ত বিড়ালকে ধর্মাচরণে মন দিতে বলেন।
🧨কমলাকান্ত বিড়ালকে নিউম্যান ও পার্কের গ্রন্থ পড়তে বলেন।
🧨আহার হয়নি বলে কমলাকান্ত হুঁকাহাতে নিমীলিতলোচনে ভাবছিল
🧨শিরোমনি বলতে বোঝায় -সমাজপতি
🧨আহারাভাবে বিড়ালের অবস্হা - উদর কৃশ, লাঙ্গুল বিনত,অস্হি পরিদৃশ্যমান, জিহ্বা ঝুলে গেছে।
🧨বিড়াল কিছু খেলে শাস্ত্রানুসারে মারতে হয়
🧨বিড়াল কমলাকান্ত কে প্রহার না করে প্রশংসা করতে বলে।
🧨চোরের দন্ড হলে দন্ড হওয়া উচিত কৃপন ধনীর।
🧨চুরি করার প্রয়োজন নেই বলে সাধুরা চুরি করেন না।
🧨কমলাকান্ত বিড়ালের কথা বুঝতে পারে দিব্যকর্ণ প্রাপ্ত হয়ে।
🧨দুধের উপর কমলাকান্ত ও বিড়াল উভয়ের সমান অধিকার
🧨মানুষ ও বিড়ালে প্রভেদ নেই-ক্ষুৎপিপাসার দিক হতে
🧨বিড়াল পরিতৃপ্ত হওয়ার কারনে অতি মধুর স্বরে মেও বলেছে
🧨বিড়াল কমলাকান্তপর তাড়া খেয়ে হাই তুলে সরে বসল
🧨জলযোগের সময় আসিও উভয়ে ভাগ করিয়া খাব-কমলাকান্ত বিড়ালকে,মানবিকতা প্রকাশ।
🧨অতএব তুমি সেই পরম ফলভোগী- কে ?- কমলাকান্ত
🧨মার্জারী কমলাকান্তকে চিনিত-উক্তিটি প্রাবন্ধিকের
🧨চোরের দন্ড আছে নির্দয়তার কি দন্ড নেই-বিড়াল
🧨অনাহারে মরিবার জন্য কেহ এ পৃথিবীতে আসে নাই-বিড়াল
🧨দেখ হে শয্যাশায়ী মনুষ্য -কে?-কমলাকান্ত
🧨আমি তোমার ধর্ম সঞ্চয়ের মূলীভূত কারণ- বিড়ালের
🧨মারপিট কেন ? -উক্তিটি বিড়ালের
🧨তোমরা এতদিনে কথাটি বুঝিতে পারিয়াছ-কেন কথা-চতুষ্পদের কাছে শিক্ষা লাভ ছাড়া উপায় নেই
🧨পরোপকারই পরম ধর্ম-বিড়ালের
🧨তোমরা আমার কাছে উপদেশ গ্রহন করো-বিড়াল
🧨আর আমাদিহের দশা দেখ-এখানে আমাদিগের দশা হচ্ছে-বঞ্চিত,নিষ্পেষিত,দলিত মানুষের
🧨খাইতে দাও নাহলে চুরি করিব-অন্যায়ের প্রতিবাদ
🧨সামাজিক ধনবৃদ্ধি ব্যতীত সমাজের উন্নতি নাই- কমলাকান্তের
🧨তবে ছোটলোকের দুঃখে কাতর!ছি! কে হইবে- ছোটলোক বলা হয়েছে-দরিদ্রকে
🧨এ পৃথিবীর মৎস-মাংসে আমাদের কিছু অধিকার রয়েছে-মর্মাথ সমর্থনযোগ্য- স্বাধিকার চেতনা
🧨এ সংসারে সকলই তোমরা পাইবে আমরা কিছু পাইব না কেন ? এখানে- ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে।
🧨বিড়াল মানুষের মধ্যে দেখতে পায়- সমবেদনার অভাব
🧨বিড়াল রচনায় বিড়ালের কথা গুলো- সমাজতান্ত্রিক
🧨নেপোলিয়ন নির্বাসিত ছিলেন- ৬ বছর
🧨কমলাকান্ত ঝিমাচ্ছিলো- আফিমের ঘোরে শয়ন গৃহে চারপায়ীর উপর।

🔴মোটামুটি ভাবে বিড়াল গদ্যের #গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি😊। কোন ভুল ত্রুটি হলে জানাবে সংশোধন করে নিবো। পোষ্টটি ভালো লাগলে লাইক/কমেন্ট করে উৎসাহ বৃদ্ধি করবে😍।

💢আমার সকল পোষ্ট গুলি নিয়মিত পেতে ID Follow করে রাখো😍 এবং পোষ্টটি শেয়ার করে টাইম লাইনে রেখে দাও। কার্টেসি ছাড়া পোষ্টটি কেউ কপি করবে না😡।

30/01/2021

♻️♻️কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স জানুয়ারি ২০২১ সাম্প্রতিক♻️♻️


💢💢বাংলাদেশ💢💢


প্রশ্ন :৬ ডিসেম্বর ২০২০ বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে প্রথম দ্বিপক্ষীয় অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) স্বাক্ষর করে?
উত্তর : ভুটান।

প্রশ্ন : কোন নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘােষণা করা হয়েছে?
উত্তর : হালদা নদী।

প্রশ্ন :১৭ ডিসেম্বর ২০২০ কোন দেশের রাজধানীতে বঙ্গবন্ধুর নামে সড়কের নামকরণ করা হয়?
উত্তর : মরিশাসের রাজধানী পাের্ট লুইস-এ; সড়কের নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্ট্রিট’।

প্রশ্ন : বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রাস (Truss) ও গভীরতম পাইলের সেতু কোনটি?
উত্তর : পদ্মা সেতু।

প্রশ্ন :ভাসানচর কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : নােয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নে অবস্থিত।

প্রশ্ন :ধ্রুবতারা, আকাশতরী, শ্বেতবলাকা ও হংসমিথুন কীসের নাম?
উত্তর :বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৪টি নতুন উড়ােজাহাজের নাম।

প্রশ্ন :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কবে?
উত্তর : ২৯ নভেম্বর ২০২০; দৈর্ঘ্য-৪.৮ কিমি।

প্রশ্ন :দীর্ঘ ৫৫ বছর পর নীলফামারীর চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ির মধ্যে ট্রেন চালু হয় কবে?
উত্তর :১৭ ডিসেম্বর ২০২০।

প্রশ্ন :২০১৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র কোনটি?
উত্তর :ন, ডরাই’ ও ‘ফাগুন হাওয়া (যৌথভাবে)।

প্রশ্ন :৯ ডিসেম্বর ২০২০ বেগম রােকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু দিবসে রংপুরে উন্মােচিত ভাস্কর্যের নাম কী?
উত্তর :আলােকবর্তিকা ।

প্রশ্ন : দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপিত হবে কোথায়?
উত্তর :কক্সবাজারে।

প্রশ্ন :তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বাংলাদেশ কোন ক্যাবলে যুক্ত হবে?
উত্তর : SEA-ME-WE-6 ।

প্রশ্ন :২০২০ সালে কুমিল্লায় পাওয়া নতুন প্রজাতির ‘হলুদ পদ্ম ফুলের নামকরণ করা হয় কী?
উত্তর : গােমতী।

প্রশ্ন :গােমতী – বা হলুদ পদ্মের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর : Nelumbo nucifera gomoti, Bangladesh I

প্রশ্ন : কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২০ সালে প্রবর্তিত পুরস্কারের নাম কী?
উত্তর :বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স।

প্রশ্ন :বাংলাদেশে চাষ করা ‘অমৃত নামক আমের জাত কোন দেশের?
উত্তর : ভিয়েতনাম

প্রশ্ন : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের (TSC) নকশাকরেছিলেন কে?
উত্তর : গ্রিক স্থপতি কনস্ট্যান্টিনস এ. ডক্সিয়াডিস (Constantinos A. Doxiadis) I

প্রশ্ন :২০২০ সালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপােরেশন কতটি চিনিকল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়?
উত্তর : ৬টি কুষ্টিয়া, পাবনা, পঞ্চগড়, শ্যামপুর (রংপুর), রংপুর (গাইবান্ধা) ও সেতাবগঞ্জ (দিনাজপুর) চিনিকল। এসব – * চিনিকলে ২০২০-২১ অর্থবছরের আখমাড়াই বন্ধ করা হয়।

প্রশ্ন :১৩ ডিসেম্বর ২০২০ দেশের প্রথম ‘থ্রিডি মিউজিক্যাল ফোয়ারা উদ্বোধন করা হয় কোথায়?
উত্তর : বরগুনা।

প্রশ্ন : মৃত্যুঞ্জয়ী মিত্র ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ ধাম মন্দির এলাকায়।

💢💢আন্তর্জাতিক💢💢

প্রশ্ন :১ ডিসেম্বর, ২০২০ চাদে সফলভাবে অবতরণ করা চীনের মহাকাশযানের নাম কী?
উত্তর :Changee-5।

প্রশ্ন :৫ ডিসেম্বর ২০২০ প্রথমবার কোনাে গ্রহাণু থেকে মাটি নিয়ে পৃথিবীতে ফেরা জাপানি মহাকাশযানের নাম কী?
উত্তর : Hayabusa-2

প্রশ্ন : যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে?
উত্তর :গ্যাল নরটন; সময়কাল ৩১ জানুয়ারি ২০০১-৩১ মার্চ ২০০৬।

প্রশ্ন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আদিবাসী নারী মন্ত্রী কে?
উত্তর : ডেব হাল্যান্ড।

প্রশ্ন : ২০২০ সালে কোন দেশের পার্লামেন্টে তিনটি কৃষি আইন পাশ হলে কৃষকরা ব্যাপক আন্দোলন শুরু করে?
উত্তর : ভারত।

প্রশ্ন : ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ কোন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদের কালাে তালিকা থেকে মুক্ত হয়?
উত্তর :সুদান।

প্রশ্ন : যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় কবে?
উত্তর : ২২ নভেম্বর ২০২০।

প্রশ্ন : প্রকাশিতব্য The Presidential Years নামক আত্মজীবনীর লেখক কে?
উত্তর : ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি।

মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২০
প্রশ্ন : বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত?
উত্তর : ৪,৯৭৬ মার্কিন ডলার।

প্রশ্ন :বাংলাদেশের গড় আয়ু কত?
উত্তর : ৭২,৬ বছর।

প্রশ্ন :সার্কভুক্ত দেশের গড় আয়ুতে শীর্ষ দেশ কোনটি?
উত্তর : মালদ্বীপ (৭৮.৯ বছর)।

প্রশ্ন :সার্কভুক্ত দেশের গড় আয়ুতে সর্বনিম্ন দেশ কোনটি?
উত্তর : আফগানিস্তান (৬৪.৮ বছর)।

Photos from Dhumketu Education Aid's post 22/01/2021

MIST ২০২০-২০২১ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য নোটিস প্রকাশিত হয়েছে । সম্ভাব্য পরীক্ষার তারিখঃ ফেব্রুয়ারির ২য় সপ্তাহ , ২০২১ ( নির্দিষ্ট তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে )
#সেকেন্ড টাইম রয়েছে। ( বিস্তারিত নোটিসে )
# এমসিকিউ থাকবে না , রিটেন পরীক্ষা হবে।
#ভর্তি পরীক্ষা ২ঘন্টা ব্যাপী হবে।
#১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা হবে , যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪০নম্বর থাকবে উচ্চতর গণিত থেকে ।
#পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই বছর ঢাকার বাইরেও নির্দিষ্ট কিছু সেন্টারে ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস হবে (বিস্তারিত নোটিসে )

15/01/2021





আসসালামুআলাইকুম। Transformation এর ধারাবাহিক আলোচনায় আজকে আমরা আলোচনা করবো কিভাবে Exclamatory sentence কে Assertive sentence এ রূপান্তর করতে হয়।
তাহলে চলো শুরু করা যাক।
: যদি কোন Sentence মনের আকস্মিক ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে তবে তাকে Exclamatory sentence বলে।
যেমনঃ What a pretty girl!
আবার,
: যদি কোন Sentence দ্বারা কিছুর বর্ণনা বা বিবৃতি করা বুঝায় তাকে Assertive sentence বলে।
যেমনঃ Rajshahi is a beautiful city.
এবার জানা যাক কিভাবে Exclamatory থেকে Assertive sentence এ রূপান্তর করা হয়।
: Exclamatory থেকে Assertive এ পরিবর্তন করার সময় Subject ও Verb অপরিবর্তিত থাকে, তবে subject বা কর্তা sentence এর প্রথমে বসে।
যেমনঃ
Exclamatory: What a fool you are!
Assertive: You are a great fool.

: How এবং what এর পরিবর্তে Adjective এর পূর্বে very /most এবং noun এর পূর্বে great বসে।এছাড়া Adjective ও Article অপরিবর্তিত থাকে এবং সবশেষে Exclamatory mark উঠিয়ে Full stop দিতে হয়।যেমনঃ
Exclamatory: What a nice scenery it is!
Assertive: It is a very nice scenery.

: Exclamatory sentence যদি If, would, that, had, could, were ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়, তাহলে Assertive Sentence -এর প্রথমে ঐ Word- গুলোর পরিবর্তে I wish ব্যবহৃত হয়।তারপর subject + verb + বাকি অংশ + শেষে Note of exclamation mark – এর বদলে Full stop ব্যবহৃত হয়।
যেমনঃ
Exclamatory: Had I the wings of a bird!
Assertive: I wish I had the wings of a bird.

: Exclamatory sentence এ Hurrah থাকলে It is a matter of joy that এবং Alas থাকলে It is a matter of sorrow that ব্যবহৃত হয়।
যেমনঃ
Exclamatory: Hurrah! We have won the game.
Assertive: It is a matter of joy that we have won the game.

এই ছিলো Exclamatory থেকে Assertive sentence এ রূপান্তর করার নিয়ম।পরবর্তী পোস্টে Transformation এর অন্য একটি অংশ নিয়ে আলোচনা করবো ইন শা আল্লাহ্।
পোস্ট টি শেয়ার করে টাইমলাইনে রাখতে পারো।ধন্যবাদ।

মোঃ তুষার আলী
শিক্ষার্থীঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

11/01/2021







আসসালামুআলাইকুম। Transformation of sentence এর ধারাবাহিক আলোচনায় আজ আমরা আলোচনা করবো Assertive to Interrogative সম্পর্কে।

★যে sentence বা বাক্য দ্বারা কোন বক্তব্য বা বিবৃতি প্রকাশ পায় তাকে Assertive sentence বলে।

★যে sentence দ্বারা সাধারণত প্রশ্ন করা বোঝায় তাকে Interrogative sentence বলে।

এখন আমরা জানবো কিভাবে Assertive sentence থেকে Interrogative sentence এ রূপান্তরিত করতে হয়।

: Assertive Sentence এ যদি Be verb, Have verb, এবং Modal verb ব্যতীত অন্য কোন verb থাকে তবে subject এর পূর্বে বাক্যটির Tense অনুযায়ী Auxilary verb আনতে হয় এবং তার সাথে Not যুক্ত হয়।

যেমনঃ
Assertive: She cooks rice.
Interrogative: Does she not cook rice?

: Assertive sentence এ যদি verb to be, verb to have অথবা Modal verb থাকে তাহলে ঐগুলো দিয়ে Interrogative করতে হবে।

★ Interrogative sentence এর Negative form এ Noun এর পূর্বে এবং Pronoun এর পরে not বসে।কিন্তু সংক্ষিপ্ত রূপ

যেমন- Don't, Doesn't, Didn't, Isn't Hasn't etc. হলে তা Noun এবং Pronoun উভয়ের পূর্বেই বসে এবং সকল প্রকার Interrogative বাক্যের শেষে প্রশ্নোবোধক চিহ্ন (?) ব্যবহার করতে হয়।

যেমন-
Assertive: He is a teacher.
Interrogative: Isn't he a teacher?

: Assertive sentence এ যদি All/Everyone/Everybody + verb থাকে তাহলে Interrogative করার সময় Who + tense অনুযায়ী Auxiliary verb+ not+ verb ব্যবহার করতে হয়।

যেমনঃ
Assertive: Everybody knows this.
Interrogative: Who does not know this?

: Assertive sentence এ যদি no one /nobody/none থাকে তাহলে Interrogative করার সময় বাক্যের প্রথমে ঐ word গুলোর পরিবর্তে শুধু Who ব্যবহার করলেই হয়।

যেমনঃ
Assertive: Nobody wishes to be unhappy.
Interrogative: Who wishes to be unhappy?

এই ছিলো আজকের আলোচনা।পরবর্তী পোস্টে Exclamatory to Assertive নিয়ে আলোচনা করবো ইন শা আল্লাহ্। ধন্যবাদ।

মোঃ তুষার আলী
শিক্ষার্থীঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Rajshahi