31/01/2021
😍Admission😍
👉বিড়াল [ বাংলা গদ্য ]
(☞☞সবার অনুরোধে পোস্টগুলো অাবার শুরু করলামঃ
✔ শেয়ার করে রাখো নতুবা খোঁজে পাবে না!)
আমরা আজকে ইন্টারের বাংলা প্রথম পত্রের বিড়াল গদ্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করব😊। এখানে মূলত #গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলি তুলে ধরা হয়েছে। বিস্তারিত পড়ার জন্য তোমরা বই অথবা গাইড ফলো করবে। এটা মূলত তোমাদের ধারণা এবং পড়ার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করার ছোট্ট প্রচেষ্টা মাত্র😎।
🎯লেখক পরিচিতি🎯
📌নাম : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
📌জন্ম: ২৬ জুন,১৮৩৮
📌জন্মস্থল : পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রাম
📌উপাধি: সাহিত্যের রসবোদ্ধাদের থেকে প্রাপ্ত খেতাব "সাহিত্য সম্রাট"
📌ছদ্মনাম: কমলাকান্ত
📌পেশা: ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট
📌সম্পাদিত পত্রিকা : বঙ্গদর্শন(১৮৭২)
📌প্রথম কাব্য: ললিতা তথা মানস (১৮৫৬)
📌উপন্যাস: ১৪টি
📌গ্রন্থ সংখ্যা: ৩৪টি
📌প্রথম উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী
📌রাজনৈতিক উপন্যাস: মৃণালিনী
📌মনস্তত্ত্ব উপন্যাস: রজনী
📌সামাজিক উপন্যাস: বিষবৃক্ষ,কৃষ্ণকান্তের উইল
📌ঐতিহাসিক উপন্যাস: রাজসিংহ
📌রোমান্সধর্মী উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা
📌সর্বশেষ উপন্যাস: রজনী
📌প্রবন্ধ : সাম্য, বিবিধ প্রবন্ধ, লোকরহস্য, কৃষ্ণচরিত্র,কমলাকান্তের দপ্তর
📌ইংরেজি উপন্যাস: rajmohons wife
📌ত্রয়ী উপন্যাস: আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী, সীতারাম।
📌হিন্দু ধর্মানুরাগীদের থেকে "ঋষি" আখ্যা লাভ করেন।
📌১৮৫৮ সালে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রথম স্নাতক দের একজন
📌বঙ্কিমচন্দ্র কে বাংলার "ওয়াল্টার স্কট" বলা হয়।
📌বাংলা 'উপন্যাসের জনক' এবং প্রথম স্বার্থক 'ঔপন্যাসিক'।
📌জীবনাবসান: ৫৬ বছর বয়সে মারা যান
📌মৃত্যু: ৮ এপ্রিল, ১৮৯৪
🎯গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ🎯
✔️চারপায়- টুল বা চৌকি
✔️নেপোলিয়ন- একজন ফরাসি সম্রাট। ১৮১৫ খ্রিষ্টাব্দে ✔️ওয়াটারলু যুদ্ধে ডিউকের হাতে পরাজিত হয়ে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত হন।
✔️ওয়েলিংটন- একজন বীর যোদ্ধা। তিনি ডিউক অব ওয়েলিংটন নামে পরিচিত।
✔️মার্জার- বিড়াল
✔️প্রকটিত- তীব্রভাবে প্রকাশিত
✔️যষ্টি- লাঠি
✔️ভার্যা: স্ত্রী
✔️ঠেঙ্গালাঠি: প্রহার করার লাঠি
🔥রচনার উৎস🔥
✏️প্রবন্ধটি কমলাকান্তেদর দপ্তর গ্রন্থ থেকে সংকলিত।
✏️গ্রন্থটি ১৮৭৫ সালে প্রকাশিত হয়
✏️ভাষা: সাধুরীতি
✏️উত্তম পুরুষের দৃষ্টিকোণে রচিত
✏️রস: রম্যরস
✏️প্রথম অংশ: নিখাদ হাস্য রসাত্মক
✏️দ্বিতীয় অংশ: গূঢ়ার্থে রচিত
✏️প্রধান চরিত্র : কমলাকান্ত, বিড়াল
✏️মূল প্রতিপাদ্য : দরিদ্রের অধিকার প্রাপ্তি
💕প্রবাদ বাক্য : ৩টি
👉"কেহ মরে বিল ছেঁচে,কেহ খায় কই"
👉"পরোপকারই পরম ধর্ম"
👉"তেলা মাথায় তেল দেয়া"
🔷 সংখ্যাবাচক তথ্য 🔷
🖍️প্রবন্ধে ঐতিহাসিক চরিত্র -২টি ( নেপোলিয়ন, ওয়েলিংটন)
🖍️মেও শব্দটি ব্যবহার হয়-১৩ বার
🖍️বিড়াল প্রবন্ধে উল্লেখিত প্রবন্ধের সংখ্যা-৩ টি
🖍️বিড়াল শব্দটি আছে-৯ বার
🖍️হুকা শব্দটি আছে-৫ বার
🖍️মার্জার শব্দটি আছে-১১ বার
🖍️উপবাস করতে বলা হয়েছে- ৩ দিন
🖍️কমলাকান্তের দপ্তর বিভক্ত-৩টি অংশে
💕গদ্যের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য💕
🧨কমলাকান্ত কার কথা ভাবছিল -নেপোলিয়ন
🧨নেপোলিয়ন মারা যান-১৮২১ সালে
🧨ভান্ডারঘরটি-নসীরামবাবুর
🧨আফিম-ইংরপজি শব্দ
🧨বিড়াল মেও মেও করে-প্রাচীরে প্রাচীরে
🧨বিড়াল দূরদর্শী বলেছে-কমলাকান্তকে
🧨সমাজ বিশৃঙ্খলার মূল-মার্জারের কথা
🧨সতরঞ্জ মানে-পাশা খেলা
🧨বিড়াল খেয়েছে-কমলাকান্তের জন্য রাখা দুধ
🧨ওয়াটারলু যুদ্ধ হয়-১৮১৫ সালে
🧨নেপোলিয়ন জন্ম নেয়-১৭৬৯ সালে
🧨সামাজিক ধনবৃদ্ধি মানে ধনীদের ধন বৃদ্ধি
🧨কমলাকান্ত চারপায়ীর উপর বসে ঝিমাচ্ছিল
🧨কমলাকান্ত নিমীলিত লোচনে ওয়াটারলু যুদ্ধের কথা ভাবছিল
🧨কমলাকান্ত ওয়েলিংটন ভেবেছিল মার্জারকে
🧨কমলাকান্তের জন্য প্রসন্ন দুধ রেখেছিল
🧨গাভীর নাম-মঙ্গলা
🧨জলযোগ-হালকা খাবার
🧨কমলাকান্তেরর সহায়-বিড়াল
🧨বিড়াল অভাবী মানুষের প্রতীক
🧨কমলাকান্ত ধনীদের প্রতীক
🧨ক্ষুদ্র আলো জলছিল মিট মিট করে
🧨চোর অপেক্ষা শতগুণে দোষী কৃপন ধনী
🧨নেপোলিয়ন মারা যন সেন্ট হেলেনা দ্বীপে
🧨নেপোলিয়ন আধিপত্য বিস্তার করে ইউরোপে
🧨কমলাকান্ত অনেক অনুসন্ধানে ভগ্ন যষ্ঠি আবিষ্কার করল
🧨বিড়াল নিজেকে বলেছে বিজ্ঞ চতুষ্পদ
🧨পরাস্ত হলে বিজ্ঞ লোক উপদেশ দেয়
🧨মনুষ্যকুলে কমলাকান্ত কুলাঙ্গার হতে চায় না
🧨রচনায় বঙ্কিমের ভাষা শ্লেষাত্মক
🧨তেলা মাথায় তেল দেয়া মনুষ্যজাতির রোগ
🧨পতিত আত্মা বলা হয়- মার্জারকে
🧨বিড়ালের প্রশ্ন বুঝে কমলাকান্ত ভগ্ন যষ্ঠি ত্যাগ করল
🧨কমলাকান্তের মতে মার্জার সুবিচারক ও সুতার্কিক
🧨চিরাগত প্রথা অবমাননা করলে কমলাকান্ত মনুষ্যকুলে কুলাঙ্গার বলে বিবেচিত হবে আর বিড়াল স্বজাতি মন্ডলে কাপুরুষ বলে উপহাস করবে।
🧨ধনীর ধনবৃদ্ধি হলে বিড়ালের ক্ষতি নেই।
🧨কমলাকান্ত বিড়ালকে ধর্মাচরণে মন দিতে বলেন।
🧨কমলাকান্ত বিড়ালকে নিউম্যান ও পার্কের গ্রন্থ পড়তে বলেন।
🧨আহার হয়নি বলে কমলাকান্ত হুঁকাহাতে নিমীলিতলোচনে ভাবছিল
🧨শিরোমনি বলতে বোঝায় -সমাজপতি
🧨আহারাভাবে বিড়ালের অবস্হা - উদর কৃশ, লাঙ্গুল বিনত,অস্হি পরিদৃশ্যমান, জিহ্বা ঝুলে গেছে।
🧨বিড়াল কিছু খেলে শাস্ত্রানুসারে মারতে হয়
🧨বিড়াল কমলাকান্ত কে প্রহার না করে প্রশংসা করতে বলে।
🧨চোরের দন্ড হলে দন্ড হওয়া উচিত কৃপন ধনীর।
🧨চুরি করার প্রয়োজন নেই বলে সাধুরা চুরি করেন না।
🧨কমলাকান্ত বিড়ালের কথা বুঝতে পারে দিব্যকর্ণ প্রাপ্ত হয়ে।
🧨দুধের উপর কমলাকান্ত ও বিড়াল উভয়ের সমান অধিকার
🧨মানুষ ও বিড়ালে প্রভেদ নেই-ক্ষুৎপিপাসার দিক হতে
🧨বিড়াল পরিতৃপ্ত হওয়ার কারনে অতি মধুর স্বরে মেও বলেছে
🧨বিড়াল কমলাকান্তপর তাড়া খেয়ে হাই তুলে সরে বসল
🧨জলযোগের সময় আসিও উভয়ে ভাগ করিয়া খাব-কমলাকান্ত বিড়ালকে,মানবিকতা প্রকাশ।
🧨অতএব তুমি সেই পরম ফলভোগী- কে ?- কমলাকান্ত
🧨মার্জারী কমলাকান্তকে চিনিত-উক্তিটি প্রাবন্ধিকের
🧨চোরের দন্ড আছে নির্দয়তার কি দন্ড নেই-বিড়াল
🧨অনাহারে মরিবার জন্য কেহ এ পৃথিবীতে আসে নাই-বিড়াল
🧨দেখ হে শয্যাশায়ী মনুষ্য -কে?-কমলাকান্ত
🧨আমি তোমার ধর্ম সঞ্চয়ের মূলীভূত কারণ- বিড়ালের
🧨মারপিট কেন ? -উক্তিটি বিড়ালের
🧨তোমরা এতদিনে কথাটি বুঝিতে পারিয়াছ-কেন কথা-চতুষ্পদের কাছে শিক্ষা লাভ ছাড়া উপায় নেই
🧨পরোপকারই পরম ধর্ম-বিড়ালের
🧨তোমরা আমার কাছে উপদেশ গ্রহন করো-বিড়াল
🧨আর আমাদিহের দশা দেখ-এখানে আমাদিগের দশা হচ্ছে-বঞ্চিত,নিষ্পেষিত,দলিত মানুষের
🧨খাইতে দাও নাহলে চুরি করিব-অন্যায়ের প্রতিবাদ
🧨সামাজিক ধনবৃদ্ধি ব্যতীত সমাজের উন্নতি নাই- কমলাকান্তের
🧨তবে ছোটলোকের দুঃখে কাতর!ছি! কে হইবে- ছোটলোক বলা হয়েছে-দরিদ্রকে
🧨এ পৃথিবীর মৎস-মাংসে আমাদের কিছু অধিকার রয়েছে-মর্মাথ সমর্থনযোগ্য- স্বাধিকার চেতনা
🧨এ সংসারে সকলই তোমরা পাইবে আমরা কিছু পাইব না কেন ? এখানে- ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে।
🧨বিড়াল মানুষের মধ্যে দেখতে পায়- সমবেদনার অভাব
🧨বিড়াল রচনায় বিড়ালের কথা গুলো- সমাজতান্ত্রিক
🧨নেপোলিয়ন নির্বাসিত ছিলেন- ৬ বছর
🧨কমলাকান্ত ঝিমাচ্ছিলো- আফিমের ঘোরে শয়ন গৃহে চারপায়ীর উপর।
🔴মোটামুটি ভাবে বিড়াল গদ্যের #গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি😊। কোন ভুল ত্রুটি হলে জানাবে সংশোধন করে নিবো। পোষ্টটি ভালো লাগলে লাইক/কমেন্ট করে উৎসাহ বৃদ্ধি করবে😍।
💢আমার সকল পোষ্ট গুলি নিয়মিত পেতে ID Follow করে রাখো😍 এবং পোষ্টটি শেয়ার করে টাইম লাইনে রেখে দাও। কার্টেসি ছাড়া পোষ্টটি কেউ কপি করবে না😡।