Juicy mangoes of Rajshahi&Chapainawabganj

Juicy mangoes of Rajshahi&Chapainawabganj

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Juicy mangoes of Rajshahi&Chapainawabganj, Tutor/Teacher, Bagmara, Rajshahi.

Photos from Juicy mangoes of Rajshahi&Chapainawabganj's post 05/11/2022

ভারতীয় উপমহাদেশে আম কয়েক হাজার বছর ধরে চাষাবাদ চলছে,[১৩] পূর্ব এশিয়াতে আমের প্রচলন হয় খ্রিস্টপূর্ব ৫ম-৪র্থ শতাব্দী থেকে এবং চাষাবাদ শুরু হয় আরো পরে খ্রিষ্টাব্দ ১০ম শতাব্দী দিকে[১৩]। ভারতীয় উপমহাদেশ এবং পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশের পর পৃথিবীর অন্য যেসব দেশে ভারতীয় উপমহাদেশের মত জলবায়ু রয়েছে, যেমন: ব্রাজিল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা মেক্সিকোতে আরো অনেক পরে আমের প্রচলন ও উৎপাদন শুরু হয়।[১৩] মরোক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৪ শতকে আমের বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেন।[১৪]

বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সমস্ত উষ্ণ প্রধান জলবায়ুর অঞ্চল গুলোতে আমের চাষাবাদ হয়। এর মধ্যে অর্ধেকের কাছাকাছি আম উৎপাদন হয় শুধুমাত্র ভারতেই[১৫][১৬][১৭]। এর পর অন্যান্য যেসব দেশ আম উৎপাদন করে তার মধ্যে আছে চীন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর-দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা, দক্ষিণ-পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকা প্রভৃতি। আম খুব উপকারী ফল।

বাংলাদেশে চাঁপাইনবাবগন্জ জেলা আমের জন্য বিখ্যাত। "কানসাট আম বাজার" বাংলাদেশ তথা এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ আম বাজার হিসেবে পরিচিত। মকিমপুর, চককির্ত্তী, লসিপুর, জালিবাগান, খানাবাগান সহ বিশেষ কিছু জায়গায় অত্যন্ত সুস্বাদু এবং চাহিদা সম্পূর্ণ আম পাওয়া যায়

বিশ্বের যে দেশগুলো বর্তমানে আম উৎপাদনে শীর্ষে আছে তাদের তালিকা দেখে নিন-

04/11/2022

পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহার সীমিতকরণে আরও উদ্যোগ নিয়েছে উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক। ধারাবাহিক এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পিভিসি ব্যানারসহ একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের সব ধরনের প্রচারসামগ্রী ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। এখন থেকে পিভিসি ব্যানারের পরিবর্তে কাপড় বা অন্যান্য পরিবেশবান্ধব উপকরণে তৈরি ব্যানার ব্যবহার করবে তারা।

ব্র্যাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্ স্বাক্ষরিত এক অভ্যন্তরীণ পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (১ নভেম্বর,২০২২) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ উদ্যোগ সংস্থার সব কার্যক্রম পরিবেশবান্ধব করার মাধ্যমে কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমানোর ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। ব্র্যাকের সব কার্যালয় ও কার্যক্রমে কার্বন নিঃসরণ যথাসম্ভব কমাতে ইতিমধ্যে কৌশল ও কাঠামোগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় ও মাঠপর্যায়ে একবার ব্যবহারযোগ্য প্রচারসামগ্রী ও প্লাস্টিকের অন্যান্য উপকরণের ব্যবহার বন্ধ করা হবে।

পিভিসি ব্যানারের পরিবর্তে কাপড় বা অন্যান্য পরিবেশবান্ধব উপকরণে তৈরি ব্যানার ব্যবহার করা হবে। নিজেদের সব অনুষ্ঠানে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বোতল, ব্যাগ, চামচ, স্ট্রসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সব ধরনের প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহার বন্ধ করবে ব্র্যাক। এ ছাড়া পরিবেশসম্মত উপকরণ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় যেকোনো উপকরণের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নিবিড় তদারকি ব্যবস্থাও কার্যকর করা হয়েছে।

ক্ষতিকর প্লাস্টিক পণ্য নিষিদ্ধ করতে ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর প্রথম উদ্যোগ কার্যকর করেছিল ব্র্যাক। এর আওতায় ব্র্যাক কার্যালয়ে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।
____সময় জার্নাল

04/11/2022
04/11/2022

একাত্তর টিভির সবচেয়ে চটুল সাংবাদিক মিথিলাকে আমি বুদ্ধিমান মনে করতাম। কিন্তু সে অধ্যাপক ড. জাকির হোসেনকে জিজ্ঞেস করেছে "আপনারা বিজ্ঞান ভিত্তিক জার্নালে প্রকাশ করলে সেটা পাবলিক হলো কি করে?"

আমি বুঝলাম না সায়েন্টিফিক জার্নাল কি পর্ণহাব যে বাংলাদেশ থেকে দেখা যায়না তাই পাব্লিক জানতে পারবেনা?
এদিকে একাত্তর টিভি একজন বিজ্ঞানীর সাথে কথা বলতে তিনজন জার্নালিস্ট কিসের জন্য আনসে? ওরা কি ভাবসে জার্নালে পাবলিশ হওয়া পেপার মানেই জার্নালিস্টের আলাপের বিষয়?
অন্যদিকে মাসুদা ভাট্টি জিজ্ঞেস করসে- "আপনি বেগুন ক্ষেতের পাশে তো ঝিঙা ক্ষেতও ছিলো, বেগুন নিয়েই কেনো গবেষণা করেছেন ঝিঙা নিয়ে কেনো নয়?

কতটা নির্বোধ মাথা হলে এ কথা বলা যায়
__সংগ্রহীত

04/11/2022

বেগুন থেকে ক্যান্সার হয় - এই বিষয়ে একাত্তর টিভির টকশোটি দেখলাম। বাকৃবির শিক্ষক ডক্টর জাকির হোসেনের গবেষণাটি ভ্যালিড, এবং এটা অবশ্যই চিন্তার একটি বিষয়। এবং উনার প্রতি যেভাবে অসম্মান এবং আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে কথা বলেছেন একাত্তর টিভির সাংবাদিকেরা, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই পুরো ঘটনায় আসলে সমস্যা রয়েছে তিনটা।
প্রথম সমস্যা হইলো সংবাদপত্রে যে নিউজটা হইছে, তাতে গবেষণাকে মিসকোট করা হইছে। জাকির হোসেন প্রথমেই বললেন, উনারা হেভি মেটালের অস্তিত্ত্ব পেয়েছেন। হেভি মেটাল ক্যান্সার সৃষ্টি করে। এটাকে নিউজে যেভাবে কন্সডেন্স করা হইছে একটা চটকদার হেডলাইনের জন্য, তা উদ্বেগজনক।
দ্বিতীয় সমস্যা হইল, বিজ্ঞান সম্পর্কে মূর্খ তিনজন ব্যক্তির বিশেষজ্ঞের উপর চড়াও হওয়া। আপনারা যখন স্বীকারই করলেন আপনারা বুঝতেছেন না কিছু, তাহলে যে বুঝে তাকে আক্রমণ কেন? ম্যানার্স কোথায়? তারা তো আর ইন্সট্যান্ট কন্টেন্টটা দেখতেছেনা। তারা জানে কী নিয়ে কথা হবে, তাহলে মূর্খ হয়ে কেন এই টপিকে নাক গলানো? স্পেশালি মাসুদা ভাট্টির বিজ্ঞান সম্পর্কে জ্ঞান আমার মত কলেজ পর্যন্ত সায়েন্স পড়া মানুশের চেয়েও কম, এটা বোঝা যাচ্ছিল স্পষ্টতই।
এবার আসি তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যায়।
এইটা আসলে টকশো ছিল না। এইটা ছিল জাকির হোসেনের ওপর তিনজন মিলে চড়াও হয়ে তাকে হিউমিলিয়েট করা, তাকে শূলে চড়ানোর আয়োজন। যেকোনো মূল্যে তার গবেষণাকে খারিজ করার চেষ্টা। এর কারণ হইল, জাকির সাহেবকে কথা বলতে দেয়া হচ্ছিল না ঠিকমত। তাকে বাধা দেয়া হচ্ছিল। তাকে করা প্রশ্নগুলো ছিল আক্রমণাত্মক, এবং তাকে রীতিমত বাক্যবাণে জর্জরিত করা হচ্ছিল। বাংলাদেশের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা না থাকার এইটা একটা বড় সাইড ইফেক্ট। এখানে সবাই মনে করে তারা বিশাল হনু, স্পেশালি যদি তারা সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট হয়। একটা সভ্য আলোচনায় দুইপক্ষের সমান স্পেস থাকবে। অপরকে রেস্পেক্ট করা হবে। কিন্তু এখানে আমরা যা দেখলাম, তা হইছে প্লেইন অ্যান্ড সিম্পল আক্রমণ।
একাত্তর টিভির কাছ থেকে এরকমটাই আশা করেছিলাম, তারা হতাশ করেনাই।

--সাদিক মাহবুব ইসলাম

03/11/2022

আম ফল সারা পৃথিবীতে জনপ্রিয় এত পছন্দনীয় ফল পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। এমন কোন জাতি নেই যারা আম পছন্দ করেনা। তাই একে সন্মান দিয়ে ʼফলের রাজাʼ বলা হয়।

আমের জন্মস্থান নিয়ে রয়েছে নানা তর্ক-বিতর্ক। বৈজ্ঞানিক ‘ম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা’ নামের এ ফল ভারতীয় অঞ্চলের কোথায় প্রথম দেখা গেছে, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও আমাদের এ জনপদেই যে আমের আদিবাস— এ সম্পর্কে আম বিজ্ঞানীরা একমত। ইতিহাস থেকে জানা যায়, খ্রিস্টপূর্ব ৩২৭-এ আলেকজান্ডার সিন্ধু উপত্যকায় আম দেখে ও খেয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন। এ সময়ই আম ছড়িয়ে পড়ে মালয় উপদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জ ও মাদাগাস্কারে।চীন পর্যটক হিউয়েন সাং ৬৩২ থেকে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এ অঞ্চলে ভ্রমণে এসে বাংলাদেশের আমকে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত করেন। ১৩৩১ খ্রিস্টাব্দ থেকে আফ্রিকায় আম চাষ শুরু হয়। এরপর ১৬ শতাব্দীতে পারস্য উপসাগরে, ১৬৯০ সালে ইংল্যান্ডের কাচের ঘরে, ১৭ শতাব্দীতে ইয়েমেনে, ঊনবিংশ শতাব্দীতে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে, ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে ইতালিতে আম চাষের খবর জানা যায়। ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের মাটিতে প্রথম আমের আঁটি থেকে গাছ হয়। এভাবেই আম ফলটি বিশ্ববাসীর দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়।
জানা যায়, মোগল সম্রাট আকবর ভারতের শাহবাগের দাঁড়ভাঙায় এক লাখ আমের চারা রোপণ করে উপমহাদেশে প্রথম একটি উন্নত জাতের আম বাগান সৃষ্টি করেন। আমের আছে বাহারি নাম বর্ণ, গন্ধ ও স্বাদ। ফজলি, আশ্বিনা, ল্যাংড়া, ক্ষীরশাপাতি, গোপালভোগ, মোহনভোগ, জিলাপিভোগ, লক্ষণভোগ, মিছরিভোগ, বোম্বাই ক্ষীরভোগ, বৃন্দাবনী, চন্দনী, হাজিডাঙ্গ, সিঁদুরা, গিরিয়াধারী, বউভুলানী, জামাইপছন্দ, বাদশভোগ, রানীভোগ, দুধসর, মিছরিকান্ত, বাতাসা, মধুচুসকি, রাজভোগ, মেহেরসাগর, কালীভোগ, সুন্দরী, গোলাপবাস, পানবোঁটা, দেলসাদ, কালপাহাড়সহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাওয়া যায় প্রায় ৩০০ জাতের আম। তবে অনেকগুলো এখন বিলুপ্তপ্রায়।

পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ প্রজাতির আম আছে। আমের প্রায় কয়েকশ জাত রয়েছে।[৬] যেমনঃ ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসাপাত, অরুনা, আম্রপালি, মল্লিকা, সুবর্নরেখা, মিশ্রিদানা, নিলাম্বরী, কালীভোগ, কাঁচামিঠা, আলফানসো, বারোমাসি, তোতাপুরী, কারাবাউ, কেঊই সাউই, গোপাল খাস, কেন্ট, সূর্যপূরী, পাহুতান, ত্রিফলা, হাড়িভাঙ্গা, ছাতাপরা, গুঠলি, লখনা, আদাইরা, কলাবতী আম রূপালি ইত্যাদি।

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Bagmara
Rajshahi