BD Jobs Assistant

BD Jobs Assistant

Share

BD Jobs Assistant provide you jobs circular information and how to apply on this jobs

10/11/2025

300 টাকার 3 বছরে সুদে-আসলে 345 হলে বার্ষিক সরল সুদের হার কত?

30/05/2025

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিলো জাপানের সোকা বিশ্ববিদ্যালয়।

13/05/2025


খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এটি।

সম্প্রতি ২৬৭ তম পোপ নির্বাচিত হয়েছেন - পোপ চতুর্দশ লিও (প্রকৃত নাম- রবার্ট ফ্রান্সিস প্রিভোস্ট)

13/05/2025

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে বহুল আলোচিত রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। একইসঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনবল রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগে ন্যস্ত হবে। এই জনবল থেকে প্রয়োজনীয় জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে পদায়ন করা যাবে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত হয়ে তার জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে ন্যস্ত হবে।

13/05/2025

শুধু MCQ দিয়ে ক্যাডার!!

হ্যাঁ, ৪৮তম হবে বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা+স্বাস্থ্য)
MCQ 200 + viva 50 (প্রস্তুত হন)

13/05/2025

ইনশাআল্লাহ এখন থেকে প্রতিদিন পোস্ট করবো।

23/04/2025

থ্রি-জিরো (Three Zeros) তত্ত্ব: ড. মুহাম্মদ ইউনুসের দৃষ্টিভঙ্গি

ড. মুহাম্মদ ইউনুস, নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা, তার উন্নয়ন দর্শনে তিনটি বড় সমস্যা সমাধানের স্বপ্ন দেখান। তিনি যাকে বলেন—থ্রি-জিরো ওয়ার্ল্ড (Three Zeros World), অর্থাৎ এমন এক বিশ্ব যেখানে থাকবে:

১. Zero Poverty (শূন্য দারিদ্র্য)

ড. ইউনুস বিশ্বাস করেন, দারিদ্র্য কোনো মানুষের নিয়তি নয়, বরং এটি একটি মানবসৃষ্ট সমস্যা। সুতরাং এটি মানবই সমাধান করতে পারে। তার মতে, ক্ষুদ্রঋণ, সামাজিক ব্যবসা (Social Business) ও উদ্যোক্তাভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব। এটি কেবল দান নয়, বরং আত্মমর্যাদার ভিত্তিতে আয়-সৃষ্টি ও স্বনির্ভরতার পথ।

২. Zero Unemployment (শূন্য বেকারত্ব)

তিনি মনে করেন, প্রত্যেক মানুষই একজন সম্ভাব্য উদ্যোক্তা। চাকরির পেছনে না ছুটে মানুষ যদি নিজের শক্তি ও সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠে, তবে সমাজে কারো বেকার থাকার কথা নয়। এজন্য তিনি যুব সমাজকে চাকরির পেছনে না ছুটে নিজস্ব উদ্যোগে কিছু করার আহ্বান জানান—"Job-seekers must become job-creators"।

৩. Zero Net Carbon Emission (শূন্য কার্বন নিঃসরণ)

জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সংকট। ড. ইউনুস বিশ্বাস করেন, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে পৃথিবীর কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় আনা সম্ভব। পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি, পরিবেশবান্ধব কৃষি ও সবুজ উদ্যোগ এই লক্ষ্যে কাজ করতে পারে।

---

থ্রি-জিরো তত্ত্বের তাৎপর্য

এই তত্ত্ব শুধুমাত্র একটি উন্নয়ন মডেল নয়, বরং এটি একটি নৈতিক ও মানবিক দর্শন। যেখানে মানুষ কেবল লাভের জন্য কাজ করবে না, বরং সমাজ ও পরিবেশের কল্যাণে কাজ করবে। এটি মূলত "Social Business" ধারণার সম্প্রসারিত রূপ, যেখানে সামাজিক সমস্যা সমাধানই ব্যবসার মূল লক্ষ্য।

---

উপসংহার

ড. ইউনুসের থ্রি-জিরো তত্ত্ব বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থার এক বিকল্প পথ দেখায়। এটি এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি, যেখানে সমাজ, অর্থনীতি ও পরিবেশ—সব মিলিয়ে একটি মানবিক ও টেকসই পৃথিবীর স্বপ্ন দেখা হয়।

12/04/2025

ঘোষণাপত্র ও অঙ্গীকারনামা
March for Gaza | ঢাকা | ২০২৫

বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম
আল্লাহর নামে শুরু করছি
যিনি পরাক্রমশালী, যিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকারী,
যিনি মজলুমের পাশে থাকেন, আর জালেমের পরিণতি নির্ধারণ করেন।

আজ আমরা, বাংলাদেশের জনতা—যারা জুলুমের ইতিহাস জানি, প্রতিবাদের চেতনা ধারণ করি—সমবেত হয়েছি গাজার মৃত্যুভয়হীন জনগণের পাশে দাঁড়াতে। আজকের এই সমাবেশ কেবল প্রতিবাদ নয়, এটি ইতিহাসের সামনে দেওয়া আমাদের জবাব, একটি অঙ্গীকার, একটি শপথ।

এই পদযাত্রা ও গণজমায়েত থেকে আজ আমরা চারটি স্তরে আমাদের দাবিসমূহ উপস্থাপন করব-

আমাদের প্রথম দাবিগুলো জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি।

যেহেতু—জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সকল জাতির অধিকার রক্ষার, দখলদারিত্ব ও গণহত্যা রোধের সংকল্প প্রকাশ করে;
এবং—আমরা দেখেছি, গাযায় প্রতিদিন যে রক্তপাত, যে ধ্বংস চলছে, তা কোনো একক সরকারের ব্যর্থতা নয়—বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক ব্যর্থতার ফল;
এবং—এই ব্যর্থতা শুধু নীরবতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—বরং পশ্চিমা শক্তিবলয়ের অনেক রাষ্ট্র সরাসরি দখলদার ইজরায়েলকে অস্ত্র, অর্থ ও কূটনৈতিক সহায়তা দিয়ে এই গণহত্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে;
এবং—এই বিশ্বব্যবস্থা দখলদার ইজরায়েলকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে বরং রক্ষা করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে;

সেহেতু—আমরা জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোরালো দাবি জানাচ্ছি:

১। জায়নবাদী ইজরায়েলের গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করতে হবে;
২। যুদ্ধবিরতি নয়—গণহত্যা বন্ধে কার্যকর ও সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে;
৩। ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী ভূমি ফিরিয়ে দেয়ার জন্য বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে হবে;
৪। পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে;
৫। ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা, এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত করতে হবে;

কারণ—এই মুহূর্তে বিশ্বব্যবস্থা যে ন্যায়ের মুখোশ পরে আছে,
গাযার ধ্বংসস্তূপে সেই মুখোশ খসে পড়েছে।

আমাদের দ্বিতীয় দাবিগুলো মুসলিম উম্মাহর নেতৃবৃন্দের প্রতি।

যেহেতু—আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিন কেবল একটি ভূখণ্ড নয়—এটি মুসলিম উম্মাহর আত্মপরিচয়ের অংশ;
এবং—গাযা এখন কেবল একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর নয়—এটি আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার বেদনাদায়ক প্রতিচ্ছবি;
এবং—উম্মাহর প্রতিটি সদস্য, প্রতিটি রাষ্ট্র, এবং প্রতিটি নেতৃত্বের উপর অর্পিত সেই আমানত—যা আল্লাহ প্রদত্ত ভ্রাতৃত্ব ও দায়িত্বের সূত্রে আবদ্ধ;
এবং—ইজরায়েল একটি অবৈধ, দখলদার, গণহত্যাকারী রাষ্ট্র—যা মুসলিমদের প্রথম কিবলা ও একটি পুরো জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে;
এবং—ভারতের হিন্দুত্ববাদ আজ এই অঞ্চলে জায়নবাদী প্রকল্পের প্রতিনিধিতে পরিণত হয়েছে—মুসলমানদের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত দমন-নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে;
এবং—ভারতে সম্প্রতি ওয়াকফ সম্পত্তি আইনে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মুসলিমদের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক অধিকার হরণ করা হয়েছে—যা উম্মাহর জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা;

সেহেতু—আমরা মুসলিম বিশ্বের সরকার ও ওআইসি’র মত মুসলিম উম্মাহর প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর নিকট দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানাই:

১। ইজরায়েলের সাথে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সকল সম্পর্ক অবিলম্বে ছিন্ন করতে হবে;
২। জায়নবাদী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে;
৩। গাযার মজলুম জনগণের পাশে চিকিৎসা, খাদ্য, আবাসন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সহ সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়াতে হবে;
৪। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইজরায়েলকে এক ঘরে করতে সক্রিয় কূটনৈতিক অভিযান শুরু করতে হবে;
৫। জায়নবাদের দোসর ভারতের হিন্দুত্ববাদী শাসনের অধীনে মুসলিমদের অধিকার হরণ, বিশেষ করে ওয়াকফ আইনে হস্তক্ষেপের মতো রাষ্ট্রীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ওআইসি ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে দৃঢ় প্রতিবাদ ও কার্যকর কূটনৈতিক অবস্থান নিতে হবে;

কারণ—গাযার রক্ত প্রবাহে আমরা লজ্জিত হওয়ার আগেই, গাযার পাশে দাঁড়ানোই উম্মাহর জন্য সম্মানের একমাত্র পথ।
এবং—যে নেতৃত্ব আজ নিরব, কাল ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে বাধ্য হবে।

আমাদের তৃতীয় দাবিগুলো বাংলাদেশ সরকারের প্রতি-

যেহেতু—বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র, যার স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তিতেই নিহিত রয়েছে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চেতনা;
এবং—আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিনের প্রশ্নে বাংলাদেশ কেবল মানবতার নয়—ঈমানের পক্ষেও এক ঐতিহাসিক অবস্থানে আছে;
এবং—একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে সরকারের দায়িত্ব, জনগণের ঈমানি ও নৈতিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা রাখা;
এবং—বাংলাদেশের জনগণ গাযার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে, তাই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিরবতা এই জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি অবজ্ঞার শামিল;

সেহেতু—আমরা বাংলাদেশের সরকারের প্রতি দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানাই:

১। বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘Except Israel’ শর্ত পুনর্বহাল করতে হবে এবং ইজরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার অবস্থান আরও সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে;
২। সরকারের ইসরায়েলি কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে যত চুক্তি হয়েছে, তা বাতিল করতে হবে;
৩। রাষ্ট্রীয়ভাবে গাজায় ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে;
৪। সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং আমদানি নীতিতে জায়নবাদী কোম্পানির পণ্য বর্জনের নির্দেশনা দিতে হবে;
৫। জায়নবাদের দোসর ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকারের অধীনে মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবাদ জানাতে হবে, যেহেতু হিন্দুত্ববাদ আজ শুধু একটি স্থানীয় মতবাদ নয়—বরং আন্তর্জাতিক জায়নিস্ট ব্লকের অন্যতম দোসর;
৬। পাঠ্যবই ও শিক্ষা নীতিতে আল-আকসা, ফিলিস্তিন, এবং মুসলিমদের সংগ্রামী ইতিহাসকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে—
যাতে ভবিষ্যৎ মুসলিম প্রজন্ম নিজেদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয় নিয়ে গড়ে ওঠে।

কারণ—রাষ্ট্র কেবল সীমানা নয়, রাষ্ট্র এক আমানত।
আর এই আমানত রক্ষা করতে না পারলে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করে না।

আমাদের সর্বশেষ দাবিগুলো নিজেদের প্রটি যা মূলত একটি অঙ্গীকারনামা

যেহেতু—আমরা বিশ্বাস করি, আল-কুদস কেবল একটি শহর নয়—এটি ঈমানের অংশ;
এবং—আমরা জানি, বাইতুল মাকদিসের মুক্তি অন্য কারো হাতে নয়—আমাদেরই কোন প্রজন্মের হাতে তা লেখা হবে;
এবং—আমরা বুঝি, জায়নবাদের প্রতিষ্ঠা মূলত আমাদের নিজেদের আত্মবিস্মৃতির ফল;
এবং—আজ যদি আমরা প্রস্তুত না হই, তাহলে আল্লাহ না করুন কাল আমাদের সন্তানেরা হয়তো এমন এক বাংলাদেশ পাবে—যেখানে হিন্দুত্ববাদ ও জায়নবাদ একত্রে নতুন গাজা তৈরি করবে;
এবং—গাযা আমাদের জন্য এক আয়না—যেখানে আমরা দেখতে পাই, কীভাবে বিশ্বাসী হওয়া মানে কেবল বেঁচে থাকা নয়, সংগ্রামে দৃঢ় থাকা;
সেহেতু—আমরা এই মাটির মানুষ, এই মুসলিম ভূখণ্ডের নাগরিক, এই কওমের সন্তান এবং সর্বোপরি মুসলিম উম্মাহর সদস্য—একটি অঙ্গীকার করছি:
১। আমরা সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বয়কট করবো—প্রত্যেক সেই পণ্য, কোম্পানি ও শক্তিকে যারা ইজরায়েলের দখলদারিত্বকে টিকিয়ে রাখে;
২। আমরা আমাদের সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রস্তুত করবো—যারা ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর সকল প্রতীক ও নিদর্শনকে সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার করবে, ইন শা আল্লাহ;
৩। আমরা আমাদের সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলবো—যারা নিজেদের আদর্শ ও ভূখণ্ড রক্ষায় জান ও মালের সর্বোচ্চ ত্যাগে প্রস্তুত থাকবে;
৪। আমরা বিভাজিত হবো না—কারণ আমরা জানি, বিভক্ত জনগণকে দখল করতে দেরি হয় না।
আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো, যাতে এই বাংলাদেশ কখনো কোনো হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পের পরবর্তী গাজায় পরিণত না হয়।
আমরা শুরু করবো নিজেদের ঘর থেকে—ভাষা, ইতিহাস, শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, সমাজ—সবখানে এই অঙ্গীকারের ছাপ রেখে।

আমরা মনে রাখবো:
গাযার শহীদরা কেবল আমাদের দো‘আ চান না—তাঁরা আমাদের প্রস্তুতি চান।

শেষকথাঃ

শান্তি বর্ষিত হোক গাযার সম্মানিত অধিবাসীদের উপর—তাঁদের উপর,
যাঁরা নজিরবিহীন সবর করেছেন, যাঁরা অবিচল ঈমানের প্রমাণ দিয়েছেন।
যাঁরা ধ্বংসস্তূপের মাঝেও প্রতিরোধের আগুন জ্বেলেছেন
বিশ্বের নীরবতা ও উদাসীনতার যন্ত্রণা হাসিমুখে বুকের মাঝে ধারণ করেছেন।
শান্তি বর্ষিত হোক তাদের উপর, যাঁরা নাম রেখে গেছেন ইজ্জতের খতিয়ানে—

শান্তি বর্ষিত হোক হিন্দ রজব, রীম এবং ফাদি আবু সালেহ সহ সকল শহীদেরর উপর, যাঁদের রক্ত দ্বারা গাজার পবিত্রভূমি আরো পবিত্র হয়েছে, যাঁদের চোখে ছিল প্রতিরোধের অগ্নিশিখা।
শান্তি বর্ষিত হোক বাইতুল মাকদিসের গর্বিত অধিবাসীদের উপর, যাঁদের হৃদয়ে এখনো ধ্বনিত হয় ‘আল-কুদস লানা’, আল কুদস আমাদের!

গাজার জনগণকে অভিনন্দন—

আপনারা ঈমান, সবর আর কুরবানীর মহাকাব্য রচনা করেছেন।
দুনিয়াকে দেখিয়েছেন—ঈমান আর তাওয়াক্কুলের শক্তি
আমরা, বাংলাদেশের মানুষ—শাহ জালাল আর শরীয়াতুল্লাহর ভূমি থেকে দাঁড়িয়ে, আপনাদের সালাম জানাই,
আপনাদের শহীদদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানাই,
আর আমাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এই দো‘আ—
হে আল্লাহ, গাজার এই সাহসী জনপদকে তুমি সেই পাথর বানিয়ে দাও,
যার উপর গিয়ে ভেঙে পড়বে জায়োনিস্টদের সব ষড়যন্ত্র।

বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষে,
প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট, বাংলাদেশ।

08/04/2025

এক হও #এক হও

07/04/2025

গাজায় মুসলিমদের হত্যার পেছনে কি শুধুই ইসরাইল দায়ী? আমি মোটেই তেমনটি মনে করিনা।

মিশরের যে পরিমান সামরিক শক্তি রয়েছে তাতে মিশর চাইলে ভিন্ন কোনো দেশের সাহায্য ছাড়া একাই ইসরাইলকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে পারে। এই মিশর নামক দেশটির বর্তমান শাসক সিসি, যিনি ক্ষমতায় আসার পর রাফা ক্রসিংয়ে পরিখা খনন করে ১৫০০ টানেল ধ্বংস করেছেন যেগুলোর মাধ্যমে মিশর থেকে গাজায় খাদ্য ও অন্যান্য সামগ্রী গোপনে নিয়ে যেত হামাস। গাজা যখন ইসরাইলের বোমায় ক্ষতবিক্ষত তখন সারা দুনিয়ার অনুরোধের সত্তেও রাফা ক্রসিং উন্মুক্ত করেনি এই মিশর। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে টু শব্দটি না করা, মেরুদন্ডহীন মিশরীয় সেনাবাহিনী শুধু নিজের দেশের তৌহিদি জনতাকেই পাখির মত গুলি করে মারতে শিখেছে। গাজার গনহত্যায় প্রতিটি জীবন ঝরে যাওয়ার পিছনে মিশর নামক রাষ্ট্রটিরও বিশাল অবদান রয়েছে।

জর্ডান, ফিলিস্তিনের প্রতিবেশী। ইরান যখন মিসাইল বৃষ্টি নিক্ষেপ করেছিল ইসরায়েলের বিরুদ্ধে, এই দেশটি তখন নিজস্ব এয়ার ডিফেন্স দিয়ে ইরানের মিসাইলগুলো ভূপাতিত করে যাতে সেগুলো ইসরাইলে আঘাত না করে। এরা নিজেদের সীমান্ত দিয়ে এক টুকরা রুটিও গাজায় ছুঁড়ে মারেনা অথচ বাসমতি চালের বিরিয়ানির সাথে উটের গ্রিল খাওয়ার রিলস ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঠিকই আপলোড করে। ধিক জর্ডানের ক্ষমতালোভী মুনাফেক শাসকের প্রতি!

গাজার গনহত্যায় সহযোগিতাকারী হিসেবে যে দেশকে কিয়ামতে আল্লাহর কাঠগড়ায় সবার আগে দাঁড়াতে হবে সেটা হলো সৌদি আরব। এই সৌদির তেল নিয়েই আমেরিকা আর ইসরায়েলের বিমানগুলো আকাশে উড়ে, ওদের ট্যাংক চলে৷ শুধু সৌদি নয় বরং আরব আমিরাত, বাহরাইন, ওমান, কুয়েতও এই তালিকায় যুক্ত। এই দেশগুলো OPEC (Organization of Petroleum Exporting Countries) নামক বিশ্বের অন্যতম একটি শক্তিশালী জোটের প্রধান শক্তি। এরা চাইলেই পশ্চিমা বিশ্ব এবং ইসরায়েলের উপর তেল অবরোধ আরোপ করতে পারে যেভাবে ১৯৭৩ সালে করেছিল। এটা করলে আমেরিকাসহ পশ্চিমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা, কল-কারখানা, অর্থনীতি সবকিছুতে লালবাতি জ্বলে যেত। ওরা বাপ বাপ করে এসে মুসলিমদের পায়ের কাছে পড়ে থাকতো। ইসরায়েল নামক রাষ্ট্রটি হামলা করা তো দূরের কথা, তেলের অভাবে ওদের ঘরের বাতিটিও জ্বলতোনা। অথচ এরা দেদারসে তেল বিক্রি করে যাচ্ছে। এদের কাজ একটাই, তেল বিক্রির টাকা দিয়ে ভালো ভালো খেয়ে নিজেদের ভুড়ি বাড়ানো আর সামান্য একটু ইসরায়েলের নিন্দা করা ব্যাস!!!

গাজায় গণহত্যার পিছনে প্রতিটা মুসলিম দেশের শাসকরাও দায়ী, যারা ঐক্যবদ্ধভাবে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করে মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে৷
প্রতিটা মুসলিম দেশের সেসব মুসলিমরাও দায়ী যারা নিজেদের শাসককে চাপ দিয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করেনা। সেসব মুসলিমরাও দায়ী যারা ইসরায়েলি কম্পানিগুলোর পণ্য কিনে ইসরায়েলকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করে।

গাজায় হামলার জন্য যদি আল্লাহ গজব পাঠান তবে সেটা ইহুদিদের আগে এইসমস্ত নামধারী মুনাফেক মুসলিমদের উপরেই আগে আসবে যার ভবিষ্যত বাণী করে গিয়েছেন তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধেয় নাজিমুদ্দিন এরবাকান।

- নোমান বিন নজরুল
কপি পোস্ট...

28/03/2025

যেসব দল ''জনগণ ভোটাধিকার চায়' বলে গলা ফাটাচ্ছেন তাদের বলছি তারা আমাকে ওই জনগণের লিস্ট থেকে বাদ দেন। দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে আমি অন্তত আরো ৫ বছর ভোট চাই না!! ডক্টর ইউনূসকে এভাবেই দেশ সংস্করণে দেখতে চাই।

28/03/2025

একটি সংলাপ ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল। তা হলো- ‘ক্ষমা চাইতে অনেক সাহস লাগে। অনেক ক্ষমতাশালীর পতন হইছে ক্ষমা চায় নাই বইলা!’

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka
Rajshahi
5460