Rajshahi College Science Club

Rajshahi College Science Club Rajshahi College Science Club is one of the co-organizations affiliated to Rajshahi College.

It works to uphold the contribution of Bangladeshi geniuses and encourage the new generation in scientific practices.

A day of new faces, new beginnings and new possibilities✨Today marked a special day for the Rajshahi College Science Clu...
29/09/2026

A day of new faces, new beginnings and new possibilities✨

Today marked a special day for the Rajshahi College Science Club as we welcomed our freshers and witnessed the passing of the club’s legacy to a new Executive Committee. With our respected teachers,

Mohammad Alauddin, Professor,Department of Physics
S M Tajul Islam, Assistant Professor, Department of Zoology
Shamim Roton, Lecturer, Department of Chemistry

alumnus,freshers and former and present EC members coming together, the day was filled with inspiring words, warm interactions, and memorable moments.

From the inspiring speeches of our teachers to the excitement of meeting new faces, the day was a celebration of new beginnings, new responsibilities, and the spirit of RCSC.

🎉𝗙𝗿𝗲𝘀𝗵𝗲𝗿𝘀’ 𝗢𝗿𝗶𝗲𝗻𝘁𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻 𝟮𝟬𝟮𝟲 — 𝗥𝗮𝗷𝘀𝗵𝗮𝗵𝗶 𝗖𝗼𝗹𝗹𝗲𝗴𝗲 𝗦𝗰𝗶𝗲𝗻𝗰𝗲 𝗖𝗹𝘂𝗯 (𝗥𝗖𝗦𝗖)Every great discovery begins with a question. Welcome ...
27/09/2026

🎉𝗙𝗿𝗲𝘀𝗵𝗲𝗿𝘀’ 𝗢𝗿𝗶𝗲𝗻𝘁𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻 𝟮𝟬𝟮𝟲 — 𝗥𝗮𝗷𝘀𝗵𝗮𝗵𝗶 𝗖𝗼𝗹𝗹𝗲𝗴𝗲 𝗦𝗰𝗶𝗲𝗻𝗰𝗲 𝗖𝗹𝘂𝗯 (𝗥𝗖𝗦𝗖)

Every great discovery begins with a question. Welcome to where yours begin! 🔬

The wait is finally over! It’s time to welcome the brilliant young minds of Class 11 (Batch 2026–27) to the Rajshahi College Science Club family. 🧪

🗓️ 𝗗𝗮𝘁𝗲: 29 September, 2026
📍 𝗩𝗲𝗻𝘂𝗲: Physics Gallery, Rajshahi College
🔗 𝗥𝗲𝗴𝗶𝘀𝘁𝗲𝗿 𝗡𝗼𝘄: https://forms.gle/7WP1HeELnBAmYgMh8

Freshers, are you ready to step into a world where curiosity meets creativity, ideas turn into experiments, and friendships become memories? 👀

This is more than just a reception — it’s your first step into a community of science, innovation, exploration, and endless possibilities.

💫 What are you waiting for?

Come, meet your fellow science enthusiasts, experience the RCSC spirit, and begin your journey with us!

𝗪𝗲𝗹𝗰𝗼𝗺𝗲 𝘁𝗼 𝗥𝗖𝗦𝗖, 𝗕𝗮𝘁𝗰𝗵 𝟮𝟬𝟮𝟲–𝟮𝟳!

" Ghost of Light, drifting quietly through the eye " 🌟 স্বচ্ছ আকাশ কিংবা সাদা দেয়ালের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ চোখের সামনে ছোট ক...
24/09/2026

" Ghost of Light, drifting quietly through the eye " 🌟

স্বচ্ছ আকাশ কিংবা সাদা দেয়ালের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ চোখের সামনে ছোট কালো বিন্দু, সরু সুতো, জালের মতো রেখা বা ধোঁয়াটে ছায়া ভেসে উঠতে দেখা যায় অনেকেরই। চোখ সরালে তারাও যেন সরে যায়, আবার কিছুক্ষণ পর দৃষ্টির আড়ালে মিলিয়ে যায়। এই ভাসমান আকৃতিগুলোকেই বলা হয় Eye Floaters।
Floaters আসলে চোখের বাইরের কোনো বস্তু নয়; এগুলো তৈরি হয় চোখের ভেতরেই। চোখের লেন্স ও রেটিনার মাঝের বৃহৎ অংশজুড়ে থাকা স্বচ্ছ, জেলির মতো পদার্থটির নাম vitreous humor। এতে পানি ছাড়াও সূক্ষ্ম কোলাজেন তন্তু ও অন্যান্য উপাদান থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় এটি প্রায় স্বচ্ছ থাকায় আলো সহজেই এর মধ্য দিয়ে রেটিনায় পৌঁছাতে পারে।
কিন্তু vitreous-এর ভেতরের সূক্ষ্ম তন্তুগুলো কখনো একত্রিত হয়ে ছোট গুচ্ছ বা তন্তুর মতো গঠন তৈরি করতে পারে। এগুলো আলোকে আংশিকভাবে বাধা দিয়ে রেটিনার ওপর ক্ষুদ্র ছায়া ফেলে। আমাদের মস্তিষ্ক সেই ছায়াকে দৃষ্টির অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করে—ফলে মনে হয়, চোখের সামনে কিছু একটা ভেসে বেড়াচ্ছে। অর্থাৎ, আমরা যে বিন্দু বা রেখাগুলো দেখি, সেগুলো মূলত চোখের ভেতরের ক্ষুদ্র গঠনের রেটিনায় তৈরি ছায়া।
Floaters চোখের নড়াচড়ার সঙ্গে সাধারণত নড়ে এবং সরাসরি তাকাতে গেলে অনেক সময় দৃষ্টির বাইরে সরে যায়। উজ্জ্বল ও একরঙা পটভূমি—যেমন নীল আকাশ বা সাদা কাগজ—এগুলোকে বেশি স্পষ্ট করে তোলে। বয়স বাড়ার সঙ্গে vitreous-এর স্বাভাবিক গঠনে পরিবর্তন আসায় floaters দেখা দেওয়া সাধারণ। বিশেষ করে vitreous ধীরে ধীরে সংকুচিত বা তরল হয়ে তার ভেতরের তন্তুগুলো আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠতে পারে। অতিরিক্ত নিকটদৃষ্টি (myopia), চোখে আঘাত, চোখের ভেতরের প্রদাহ, কিছু চোখের অস্ত্রোপচার এবং অন্যান্য চোখের সমস্যার সঙ্গেও floaters-এর সম্পর্ক থাকতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ floaters ক্ষতিকর নয় এবং সময়ের সঙ্গে মস্তিষ্ক এগুলোকে কম গুরুত্ব দিতে শেখে। তবে হঠাৎ করে অনেক নতুন floater দেখা দেওয়া, আলোর ঝলকানি (flashes) দেখা, অথবা দৃষ্টিক্ষেত্রে কালো পর্দা বা ছায়া নেমে আসার মতো অনুভূতি হওয়া সতর্কতার লক্ষণ। কখনো কখনো এসব উপসর্গ vitreous-এর retina থেকে সরে যাওয়ার সময় retinal tear বা retinal detachment-এর মতো গুরুতর সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
এ ধরনের আকস্মিক পরিবর্তন হলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সাধারণত একটি dilated eye examination-এর মাধ্যমে চিকিৎসক retina ও vitreous পরীক্ষা করে সমস্যার কারণ নির্ণয় করতে পারেন। অধিকাংশ সাধারণ floater-এর আলাদা চিকিৎসা প্রয়োজন হয় না; তবে underlying কোনো সমস্যা থাকলে তার ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
চোখের সামনে ভেসে থাকা একটি ক্ষুদ্র বিন্দু তাই নিছক দৃষ্টির বিভ্রম নয়। এর পেছনে রয়েছে vitreous-এর সূক্ষ্ম গঠন, আলোর গতিপথ, রেটিনার সংবেদনশীলতা এবং মস্তিষ্কের visual processing—সব মিলিয়ে তৈরি হওয়া এক চমৎকার শারীরবৃত্তীয় ঘটনা। আমাদের প্রতিদিনের দৃষ্টির মধ্যেই এমন অসংখ্য সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া নীরবে কাজ করে যায়—যেগুলো আমরা সাধারণত লক্ষ্যই করি না।

দীর্ঘক্ষণ পানিতে থাকার পর হাত দুটোর দিকে তাকালেই মনে হয় আঙুলের মাথাগুলো যেন একদম বয়স্ক মানুষদের মতো কুঁচকে গেছে! সাঁতা...
17/09/2026

দীর্ঘক্ষণ পানিতে থাকার পর হাত দুটোর দিকে তাকালেই মনে হয় আঙুলের মাথাগুলো যেন একদম বয়স্ক মানুষদের মতো কুঁচকে গেছে! সাঁতার কাটা বা দীর্ঘক্ষণ পানিতে কাপড় ধোয়ার পরও এই একই কাণ্ড ঘটে।
ছোটবেলায় আমরা মনে করতাম বেশিক্ষণ পানিতে থাকার কারণে বোধহয় চামড়া পানি শুষে নিয়ে ফুলে-ফেঁপে এমন হয়ে গেছে। আসল বিজ্ঞান কিন্তু তা বলে না! প্রকৃতপক্ষে কুঁচকে যাওয়ার ঘটনা আমাদের শরীরের এক অসাধারণ 'সুপারপাওয়ার'।
চলুন জেনে নেওয়া যাক এর পেছনের আসল বৈজ্ঞানিক কারণ:

১. এটি একটি স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল:

বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, এটি মূলত আমাদের শরীরের স্নায়ুতন্ত্রের (Nervous System) একটি নিয়ন্ত্রিত কাজ। যখন আমাদের হাত বা পা অনেকক্ষণ পানিতে থাকে, তখন মস্তিষ্কের 'অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেম' আঙুলের ত্বকের নিচে থাকা সূক্ষ্ম রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত (shrink) হওয়ার বার্তা পাঠায়। রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে গেলে ভেতরের জায়গা কমে যায়, আর তাই ওপরের চামড়াটি টেনে না থেকে কুঁচকে যায়।

২. ভেজা জায়গায় পিচ্ছিল না হওয়ার কৌশল:
এখন প্রশ্ন আসতে পারে, শরীর কেন ইচ্ছে করে এমনটা করে? উত্তরটা লুকিয়ে আছে আমাদের অভিযোজন বা বিবর্তনের ইতিহাসে।
গাড়ির চাকা খেয়াল করেছেন? শুকনো রাস্তায় সাধারণ চাকা ভালোভাবে চললেও, বৃষ্টির দিনে পিচ্ছিল রাস্তায় গ্রিপ (Grip) পাওয়ার জন্য চাকার গায়ে খাঁজ বা ট্রেড (Tread) থাকে। আমাদের কুঁচকে যাওয়া আঙুলগুলোও ঠিক সেই চাকার খাঁজের মতো কাজ করে!
আঙুল কুঁচকে গেলে ভেজা বা পানির নিচে থাকা যেকোনো বস্তু আমরা খুব শক্তভাবে ধরতে পারি, যেন হাত থেকে পিছলে না যায়। ঠিক তেমনি ভেজা মেঝতে পা না পিছলে হেঁটে যাওয়ার ক্ষেত্রেও এটি সাহায্য করে।

এখন প্রশ্ন হতে পারে-
পানিতে থাকার পর সবচেয়ে বেশি আঙুলের ডগা, তালু এবং পায়ের তলা কুঁচকে যায়?কারণ
এই অঞ্চলগুলোতে ঘন সংবেদনশীল স্নায়ু ও বিশেষ ধরনের ত্বক রয়েছে। তাই পানির সংস্পর্শে এদের কুঁচকে যাওয়ার প্রতিক্রিয়াও বিশেষভাবে দেখা যায়।

প্রকৃতপক্ষে পানির নিচে বা ভেজা পরিবেশে যেন আমাদের হাত-পায়ের গ্রিপ বা ধরার ক্ষমতা কমে না যায়, সেজন্য আমাদের বুদ্ধিমান মস্তিষ্ক নিজেই রক্তনালী সংকুচিত করে চামড়াকে কুঁচকে দেয়।

Why Do Our Fingers Wrinkle After Staying in Water for a Long Time?

Whenever we look at our hands after staying in water for a long time, our fingertips seem to have become wrinkled like those of an elderly person! The same thing happens after swimming or washing clothes for an extended period.

As children, we used to think that our skin absorbed water after being submerged for too long, causing it to swell and wrinkle. But science tells us otherwise! In reality, this wrinkling is an extraordinary “superpower” of our body.

Let's discover the real scientific reason behind it:

1. It Is an Automatic Signal

Scientists have found that this is primarily a controlled response of our nervous system. When our hands or feet remain in water for a long time, the brain's autonomic nervous system sends signals to constrict the tiny blood vessels beneath the skin of our fingers.

When these blood vessels constrict, the space beneath the skin decreases, causing the skin above to fold and wrinkle.

2. A Strategy to Prevent Slipping in Wet Conditions

You might wonder, why does our body deliberately do this? The answer lies in our evolutionary history and adaptation.

Have you ever noticed the tires of a car? Ordinary tires work well on dry roads, but on slippery, rainy roads, the grooves or treads on the tires help provide grip. Our wrinkled fingers work in a similar way, just like the grooves on a tire!

When our fingers wrinkle, they may help us grip wet objects or objects underwater more effectively, preventing them from slipping out of our hands. Similarly, this wrinkling may also help us walk on wet surfaces without slipping.

Why Do Our Fingertips, Palms, and Soles Wrinkle the Most After Staying in Water?

This happens because these areas contain a high density of sensory nerves and specialized skin. As a result, they show a more noticeable wrinkling response when exposed to water.

In reality, to ensure that our grip and ability to hold objects do not decrease in underwater or wet environments, our intelligent brain triggers the constriction of blood vessels, causing the skin on our hands and feet to wrinkle.

একবার ভেবে দেখুন—আপনার মাথার ভেতরে যে অঙ্গটি পুরো শরীরের ব্যথা অনুভব করে, সেই মস্তিষ্ক নিজেই কি ব্যথা অনুভব করতে পারে?উত...
10/09/2026

একবার ভেবে দেখুন—আপনার মাথার ভেতরে যে অঙ্গটি পুরো শরীরের ব্যথা অনুভব করে, সেই মস্তিষ্ক নিজেই কি ব্যথা অনুভব করতে পারে?উত্তরটা অবাক করার মতো:
"মস্তিষ্কের মূল টিস্যুতে ব্যথা অনুভব করার রিসেপ্টর নেই।"
তাহলে মাথাব্যথার সময় আমরা যে যন্ত্রণা অনুভব করি, সেটি আসে কোথা থেকে?
এখানেই লুকিয়ে আছে মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের এক চমৎকার রহস্য।

মস্তিষ্ক নিজে ব্যথা অনুভব করে না কেন?

আমাদের শরীরে এমন বিশেষ স্নায়ুপ্রান্ত রয়েছে, যেগুলো সম্ভাব্য ক্ষতিকর উদ্দীপনা শনাক্ত করে। এগুলোকে বলা হয় nociceptor।কিন্তু মস্তিষ্কের মূল টিস্যুতে এই ধরনের ব্যথা-সংবেদনশীল রিসেপ্টর নেই।তাই মস্তিষ্কের টিস্যুতে সরাসরি অস্ত্রোপচার করা হলেও, মস্তিষ্ক নিজে সাধারণভাবে সেই কাটাছেঁড়াকে ব্যথা হিসেবে অনুভব করে না।

তবে এখানেই আসল রহস্য—
মস্তিষ্ক একা নয়।তার চারপাশে রয়েছে এমন অনেক কাঠামো, যেগুলো ব্যথা অনুভব করে।
মস্তিষ্ককে ঘিরে থাকা meninges বা মস্তিষ্কের আবরণ, কিছু রক্তনালি, মাথার ত্বক, পেশি এবং বিভিন্ন স্নায়ুতে ব্যথা-সংবেদনশীল ব্যবস্থা রয়েছে।এই কাঠামোগুলোর কোনো একটিতে পরিবর্তন বা উদ্দীপনা হলে সেখানকার স্নায়ু সক্রিয় হতে পারে।

তারপর শুরু হয় সংকেতের যাত্রা—
ব্যথা-সংবেদনশীল স্থান → স্নায়ু → মেরুদণ্ড/মস্তিষ্কের স্নায়ুপথ → মস্তিষ্ক

এবং শেষ পর্যন্ত আমরা অনুভব করি—
“আমাদের মাথা ব্যথা করছে।”
“মাথা ব্যথা করছে” মানেই “মস্তিষ্ক ব্যথা করছে”—এটা ঠিক নয়।বরং মাথার চারপাশের বিভিন্ন ব্যথা-সংবেদনশীল কাঠামো থেকে আসা সংকেতের কারণে মাথাব্যথা অনুভূত হতে পারে।

⏳ সময় কি সত্যিই বাস্তব, নাকি আমাদের মস্তিষ্কের তৈরি এক অনুভূতি?একটি ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে চলছে। এক সেকেন্ড, দুই সেকেন্ড, তিন ...
03/09/2026

⏳ সময় কি সত্যিই বাস্তব, নাকি আমাদের মস্তিষ্কের তৈরি এক অনুভূতি?

একটি ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে চলছে। এক সেকেন্ড, দুই সেকেন্ড, তিন সেকেন্ড-আমরা ধরে নিই সময়ও একইভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয়, “সময় আসলে কী?” তখন উত্তর দেওয়া surprisingly কঠিন। আমরা সময়কে দেখতে বা ছুঁতে পারি না; কেবল পরিবর্তনের মাধ্যমে তার অস্তিত্ব অনুভব করি। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, পদার্থবিজ্ঞান ও স্নায়ুবিজ্ঞান সময় সম্পর্কে আমাদের দৈনন্দিন ধারণাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। তাহলে সময় কি মহাবিশ্বের একটি মৌলিক বাস্তবতা, নাকি সময়ের প্রবাহ আসলে আমাদের মস্তিষ্কের তৈরি একটি অনুভূতি?

প্রথমেই আসা যাক আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার কথায়। আমাদের সাধারণ ধারণায় একটি সেকেন্ড সবার জন্য একই। কিন্তু আপেক্ষিকতার তত্ত্ব দেখায়, সময় সবার জন্য একই গতিতে চলে না। কোনো বস্তু খুব দ্রুত গতিতে চললে অথবা শক্তিশালী মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের কাছে থাকলে তার জন্য সময় অন্য পর্যবেক্ষকের তুলনায় ভিন্ন হারে অতিক্রান্ত হতে পারে। এই ঘটনাকে বলা হয় Time Dilation বা সময় প্রসারণ। এমনকি পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা উপগ্রহের ঘড়ি এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠের ঘড়ির সময়ের গতিতেও ক্ষুদ্র পার্থক্য তৈরি হয়। GPS প্রযুক্তিতে সঠিক অবস্থান নির্ণয়ের জন্য এই আপেক্ষিকতাজনিত পার্থক্য হিসাব করতে হয়। অর্থাৎ সময় কেবল ঘড়ির কাঁটার ব্যাপার নয়; মহাকাশ, গতি ও মহাকর্ষের সঙ্গেও এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

কিন্তু আমরা যে “সময় চলে যাচ্ছে” বলে অনুভব করি, সেটি আরও রহস্যময়। কয়েক ঘণ্টা আনন্দের সঙ্গে কাটালে মনে হয় সময় খুব দ্রুত চলে গেল, অথচ অপেক্ষার কয়েক মিনিটও কখনো অসহ্য রকম দীর্ঘ মনে হয়। ঘড়িতে দুই ক্ষেত্রেই সময় একইভাবে এগিয়েছে, কিন্তু আমাদের মস্তিষ্কের কাছে অভিজ্ঞতাটি এক নয়। স্মৃতি, মনোযোগ, আবেগ এবং আশপাশের পরিবর্তনের পরিমাণ-সবকিছু মিলে মস্তিষ্ক আমাদের সময়ের একটি ব্যক্তিগত অনুভূতি তৈরি করে। ফলে ঘড়ির সময় ও অনুভূত সময় এক বিষয় নয়।

আরেকটি গভীর প্রশ্ন আসে অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে। আমরা অতীতকে মনে রাখতে পারি, কিন্তু ভবিষ্যৎকে মনে করতে পারি না। একটি কাঁচের গ্লাস ভেঙে গেলে তা স্বাভাবিকভাবে আবার জোড়া লাগে না; বরফ গলে পানি হয়, কিন্তু পানি নিজে থেকে বরফে পরিণত হয় না। এই একমুখী পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এনট্রপি;একটি ভৌত রাশি, যা তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রের মাধ্যমে সময়ের “তীর” বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। একটি বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থায় এনট্রপি সাধারণত বৃদ্ধি পায়। তাই আমরা অতীত ও ভবিষ্যতের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য দেখতে পাই।

তবে এখানেই রহস্য শেষ নয়। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের কিছু মৌলিক তত্ত্বে সময়কে আমাদের পরিচিত “অতীত থেকে ভবিষ্যতের দিকে প্রবাহিত” রূপে দেখা যায় না। কিছু গবেষণায় এমন ধারণাও আলোচিত হয়েছে যে, সময় হয়তো প্রকৃতির আরও মৌলিক কোনো কাঠামো থেকে উদ্ভূত একটি বৈশিষ্ট্য। অন্যদিকে, আমাদের মস্তিষ্ক পরিবর্তনশীল ঘটনাগুলোকে ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে একটি “অতীত,বর্তমান,ভবিষ্যৎ” অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

⏱️তাহলে কি সময় মিথ্যা?

না। বরং বলা যায়, সময়ের দুটি ভিন্ন দিক রয়েছে।একটি হলো মহাবিশ্বে সময়কে বর্ণনা করার জন্য ব্যবহৃত ভৌত কাঠামো, আর অন্যটি হলো মানুষের সময় অনুভব করার অভিজ্ঞতা। বিজ্ঞান এখনো নিশ্চিতভাবে জানে না, সময় মহাবিশ্বের মৌলিক উপাদান, নাকি আরও গভীর কোনো বাস্তবতা থেকে উদ্ভূত।

হয়তো সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো আমরা সময়কে থামাতে পারি না, ধরে রাখতে পারি না, এমনকি সরাসরি দেখতেও পারি না। তবু আমাদের সমগ্র জীবন অতীতের স্মৃতি, বর্তমানের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সম্ভবত সময়ের সবচেয়ে বড় রহস্য হলো আমরা সময়কে বুঝতে যত এগোই, ততই বুঝতে পারি যে “সময়” বলতে আমরা আসলে কী বোঝাচ্ছি, সেই প্রশ্নটির উত্তরই এখনো অসম্পূর্ণ।

⏳ Is Time Really Real, or Is It a Feeling Created by Our Brain?

The hands of a clock are moving forward. One second, two seconds, three seconds—we assume that time is moving forward in the same way. But if we are asked, “What actually is time?” the answer becomes surprisingly difficult. We cannot see or touch time; we can only sense its existence through change. Even more astonishingly, physics and neuroscience have challenged our everyday understanding of time itself. So, is time a fundamental reality of the universe, or is the flow of time actually a feeling created by our brain?

First, let us come to Einstein’s theory of relativity. According to our common understanding, one second is the same for everyone. But the theory of relativity shows that time does not pass at the same rate for everyone. If an object is moving at a very high speed or is near a strong gravitational field, time can pass for it at a different rate compared to another observer. This phenomenon is known as Time Dilation. Even the clocks on satellites orbiting the Earth and clocks on the Earth’s surface experience tiny differences in the rate at which time passes. These relativistic differences have to be taken into account to determine accurate positions using GPS technology. In other words, time is not merely a matter of the hands of a clock; it is also deeply connected with space, motion, and gravity.

But the “passage of time” that we feel is even more mysterious. When we spend several hours happily, it feels as though time passed very quickly, whereas even a few minutes of waiting can sometimes feel unbearably long. The clock has moved forward in exactly the same way in both cases, but the experience is not the same for our brain. Memory, attention, emotions, and the amount of change happening around us—all of these work together to create a personal sense of time in the brain. As a result, clock time and perceived time are not the same thing.

Another profound question arises when we think about the past and the future. We can remember the past, but we cannot remember the future. When a glass breaks, it does not naturally come back together; ice melts into water, but water does not turn into ice on its own. This one-way nature of change is connected to entropy, a physical quantity that plays an important role in understanding the “arrow” of time through the second law of thermodynamics. In an isolated system, entropy generally increases. That is why we can see a clear distinction between the past and the future.

But the mystery does not end there. In some fundamental theories of modern physics, time is not viewed in the familiar way we experience it—as something that “flows from the past toward the future.” Some research has even explored the idea that time may be a feature that emerges from a more fundamental structure of nature. On the other hand, our brain organizes changing events into a continuous sequence, creating an experience of the “past, present, and future.”

⏱️ So, does that mean time is an illusion?

No. Rather, it can be said that time has two different aspects. One is the physical framework used to describe time in the universe, and the other is the human experience of perceiving time. Science still does not know for certain whether time is a fundamental component of the universe or whether it emerges from some deeper reality.

Perhaps the most astonishing thing is that we cannot stop time, hold on to it, or even see it directly. Yet our entire lives are built upon memories of the past, experiences of the present, and expectations of the future. Perhaps the greatest mystery of time is that the more we move forward in our attempt understand it, the more we realize that the answer to the question of what we actually mean when we say “time” is still incomplete.

Schrödinger’s Cat: বাক্সের ভেতর লুকিয়ে থাকা কোয়ান্টাম রহস্যএকটি বন্ধ বাক্স। তার ভেতরে একটি বিড়াল। আর সেই বাক্সের ভেতর...
27/08/2026

Schrödinger’s Cat: বাক্সের ভেতর লুকিয়ে থাকা কোয়ান্টাম রহস্য

একটি বন্ধ বাক্স। তার ভেতরে একটি বিড়াল। আর সেই বাক্সের ভেতরেই এমন এক কাল্পনিক ব্যবস্থা, যেখানে একটি ক্ষুদ্র কোয়ান্টাম ঘটনার ফলাফলের ওপর বিড়ালটির জীবিত বা মৃত থাকার সম্ভাবনা নির্ভর করছে। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও, এটিই বিজ্ঞানের অন্যতম বিখ্যাত চিন্তা-পরীক্ষা “শ্রোডিঙ্গারের বিড়াল” (Schrödinger’s Cat)।

🔬 কেন এই চিন্তা-পরীক্ষা?

১৯৩৫ সালে অস্ট্রিয়ান পদার্থবিদ এরভিন শ্রোডিঙ্গার এই চিন্তা-পরীক্ষাটি উপস্থাপন করেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল বিড়ালকে নিয়ে কোনো বাস্তব পরীক্ষা চালানো নয়; বরং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কিছু ধারণা, বিশেষ করে সুপারপজিশন, আমাদের দৈনন্দিন জগতের সঙ্গে প্রয়োগ করলে কতটা অদ্ভুত ফলাফল দাঁড়াতে পারে তা তুলে ধরা।

📦 একটি বাক্সের ভেতর কোয়ান্টাম রহস্য

ধরা যাক, একটি বিড়ালকে একটি সম্পূর্ণ বন্ধ বাক্সে রাখা হলো। বাক্সের ভেতরে রয়েছে একটি তেজস্ক্রিয় পরমাণু, একটি বিকিরণ শনাক্তকারী যন্ত্র এবং এমন একটি ব্যবস্থা, যার সঙ্গে বিড়ালটির পরিণতি যুক্ত।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরমাণুটি ক্ষয়প্রাপ্ত হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। ক্ষয়প্রাপ্ত হলে যন্ত্রটি সক্রিয় হবে এবং বিড়ালটি মারা যাবে; ক্ষয় না হলে বিড়ালটি জীবিত থাকবে।
কিন্তু এখানেই আসে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বিস্ময়কর ধারণা-সুপারপজিশন।

⚛️ সুপারপজিশন;একসঙ্গে একাধিক সম্ভাবনা

কোয়ান্টাম মেকানিক্স অনুযায়ী, পর্যবেক্ষণের আগে একটি কোয়ান্টাম সিস্টেমকে একাধিক সম্ভাব্য অবস্থার সুপারপজিশন হিসেবে বর্ণনা করা যায়।
তাই পরমাণুটিকে ক্ষয়প্রাপ্ত এবং অক্ষয়-দুই সম্ভাবনার সমন্বিত অবস্থায় বিবেচনা করা যেতে পারে।
এখন সেই কোয়ান্টাম অবস্থার সঙ্গে বিড়ালের অবস্থাকে যুক্ত করলে তৈরি হয় এক অদ্ভুত পরিস্থিতি:

🐈 বাক্স না খোলা পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাটিকে “বিড়াল জীবিত” এবং “বিড়াল মৃত”-দুই সম্ভাবনার সমন্বয় হিসেবে বর্ণনা করা যায়।

আর এখানেই লুকিয়ে আছে শ্রোডিঙ্গারের আসল প্রশ্ন।

❗ তাহলে কি বিড়াল সত্যিই একই সঙ্গে জীবিত ও মৃত?

না।
শ্রোডিঙ্গার আসলে বলতে চাননি যে বাস্তব জীবনের একটি বিড়াল আক্ষরিক অর্থে একই সঙ্গে জীবিত ও মৃত থাকে।
বরং তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন,
“কোয়ান্টাম জগতের অদ্ভুত নিয়মকে সরাসরি আমাদের পরিচিত বৃহৎ জগতে প্রয়োগ করলে আমরা কি এমনই এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে পৌঁছে যাই না?”
এই চিন্তা-পরীক্ষা তাই শুধু একটি বিড়ালের গল্প নয়। এটি আমাদের সামনে তুলে ধরে পর্যবেক্ষণ, সম্ভাবনা এবং বাস্তবতার প্রকৃতি নিয়ে এক গভীর প্রশ্ন।

একটি বাক্স, একটি বিড়াল এবং অসংখ্য সম্ভাবনা। শ্রোডিঙ্গারের বিড়াল আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম স্তরে বাস্তবতা আমাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার চেয়ে অনেক বেশি রহস্যময়।

24/08/2026

রাজশাহী কলেজ বিজ্ঞান ক্লাবের কোন সদস্য যদি কানাডায় স্কলারশিপ পেতে আগ্রহী হন তাহলেই নিম্নের ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হল।
[email protected]
WhatsApp 01712789817

A glimpse from “Crack the Code: HSC to Admission” 🎓✨An insightful session filled with guidance, learning & inspiration. ...
20/08/2026

A glimpse from “Crack the Code: HSC to Admission” 🎓✨
An insightful session filled with guidance, learning & inspiration. 💙

নিউরোপ্লাস্টিসিটি: আপনার মস্তিষ্ক কি সত্যি নিজেকে বদলাতে পারে?বহু বছর ধরে বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, শৈশব ও কৈশোর পার হওয়ার ...
20/08/2026

নিউরোপ্লাস্টিসিটি: আপনার মস্তিষ্ক কি সত্যি নিজেকে বদলাতে পারে?

বহু বছর ধরে বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, শৈশব ও কৈশোর পার হওয়ার পর মানুষের মস্তিষ্কের গঠন স্থির হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে নতুন কোনো কোষ বা সংযোগ তৈরি হয় না। কিন্তু আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞান (Neuroscience) এই পুরনো ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত করেছে। মস্তিষ্কের নিজের গঠন ও কর্মপদ্ধতি পরিবর্তন করার এই আশ্চর্যজনক ক্ষমতার নামই নিউরোপ্লাস্টিসিটি (Neuroplasticity)।

নিউরোপ্লাস্টিসিটি কী?

"Neuro" অর্থ নিউরন (মস্তিষ্কের কোষ) এবং "Plasticity" অর্থ নমনীয়তা বা পরিবর্তনশীলতা। অর্থাৎ, যেকোনো অভিজ্ঞতা, শিখন বা অনুশীলনের মাধ্যমে মস্তিষ্ক যখন তার নিউরাল নেটওয়ার্ককে পুনর্বিন্যাস করে নতুন সংযোগ তৈরি করে, তাকে নিউরোপ্লাস্টিসিটি বলে। সহজ কথায়, এটি মস্তিষ্কের নিজেকে রি-ওয়্যার (rewire) বা পুনর্গঠন করার ক্ষমতা।

মস্তিষ্ক কীভাবে পরিবর্তিত হয়?
1.নতুন সংযোগ তৈরি (Synaptogenesis): যখনই আপনি নতুন কিছু শেখেন—যেমন কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজানো, প্রোগ্রামিং বা নতুন ভাষা—মস্তিষ্কের নিউরনগুলোর মধ্যে নতুন রাসায়নিক ও বৈদ্যুতিক সংযোগ তৈরি হয়।

2.অব্যবহৃত পথ দুর্বল হওয়া (Long-Term Depression): যে তথ্য বা দক্ষতা আমরা দীর্ঘদিন চর্চা করি না, মস্তিষ্ক সে সম্পর্কিত সংযোগগুলো দুর্বল করে দেয়, যাতে নতুন তথ্যের জন্য জায়গা তৈরি হতে পারে।

3.আঘাত কাটিয়ে ওঠা: মস্তিষ্কের কোনো অংশ দুর্ঘটনাবশত বা স্ট্রোকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে, নিউরোপ্লাস্টিসিটির মাধ্যমে সুস্থ অংশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত অংশের কাজগুলো নিজেদের কাঁধে তুলে নিতে পারে।

বাস্তব জীবনের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ
২০০০ সালে ডঃ এলিনোর ম্যাগুইয়ারের একটি গবেষণায় দেখা যায়, লন্ডনের ট্যাক্সি ড্রাইভারদের মস্তিষ্কের 'হিপোক্যাম্পাস' (যা স্মৃতি ও দিকনির্ণয়ের জন্য দায়ী) সাধারণ মানুষের চেয়ে আকারে বেশ বড়। পুরো শহরের জটিল রাস্তার ম্যাপ নিখুঁতভাবে মুখস্থ করার প্রক্রিয়ায় তাদের মস্তিষ্কের গঠন শারীরিকভাবে বদলে গিয়েছিল।

নিউরোপ্লাস্টিসিটি বাড়াতে আপনি যা করতে পারেন
1.নতুন দক্ষতা অর্জন: নতুন খেলা, ধাঁধা সমাধান বা নতুন ভাষা শিখলে মস্তিষ্ক উদ্দীপিত হয়।

2.শারীরিক ব্যায়াম: নিয়মিত ব্যায়াম মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়ায় এবং নতুন নিউরন সৃষ্টিতে সাহায্য করে।

3.পর্যাপ্ত ঘুম: ঘুমের সময় মস্তিষ্ক সারাদিনের নতুন সংযোগগুলোকে স্থায়ী করে।

বিজ্ঞানের এই আবিষ্কার আমাদের শেখায় যে মানুষের শেখার বা নিজেকে বদলানোর কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। সঠিক চর্চা ও ইতিবাচক অভ্যাসের মাধ্যমে আমরা যেকোনো বয়সেই নিজেদের মেধা ও দক্ষতাকে নতুন রূপ দিতে পারি।

Address

Shaheb Bazar Road
Rajshahi

Opening Hours

Monday 09:00 - 14:00
Tuesday 09:00 - 14:00
Wednesday 09:00 - 14:00
Thursday 09:00 - 14:00
Saturday 09:00 - 14:00
Sunday 09:00 - 14:00

Telephone

+8801927569622

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajshahi College Science Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Rajshahi College Science Club:

Shortcuts

Share

Category