The Divine Comedy
বিখ্যাত ইপিক এর লেখক
দান্তে আলি গিরি
Basic knowledge
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Basic knowledge, School, Rajshahi.
বিশুদ্ধ ইংরেজিতে কুরআন অনুবাদ করেন -মার্কাডুল পিক থাল
পবিত্র কোরআন বাংলায় প্রথম অনুবাদ করেন(আংশিক) -
আমির উদ্দিন বসুনিয়া
Father of english prose(গদ্য)-জনক
John Wycliff(উইক্লিফ)
Time and tide wait for no man
Geoffrey Chaucer
30/04/2025
হুমায়ুন আহমেদ নাটক এর লিষ্ট -
১.২৪ ক্যারেটম্যান
২.আজ জরির বিয়ে
৩.আবারও তিন জন
৫.অচিন বৃক্ষ
৬.আলাউদ্দিনের ফাঁসি
৭.আমি আজ ভেজাবো চোখ সমুদ্রজলে
৮.আমরা তিন জন(টি মাস্টার)
৯.অংটি
১০.বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল
১১.চৌধুরি কামরুজ্জান এর মিত্যু চিন্তা
১২.নিশিকাব্য
১৩.পুষ্পকথা
১৪.চেরাগের দৈত্য
১৫.পিশাচ মকবুল
১৬.জহির কারিগর
১৭.জলে ভাসা পদ্ম
১৮.জুতার বাক্স
১৯.মিস্ডকল
২০.সংসার
২১.অন্তরার বাবা
২২.বিলাতি জামাই
২৩.বন বাতাসি
২৪.বনুর গল্প
২৫.বৃহন্নলা
২৬.নীমফুল
২৭.বুয়া বিলাস
২৮.চিপাভুত
২৯.চোর
৩০.চরনরেখা
৩১.এই বরষায়
৩২.একা
৩৩.একদিন হঠাৎ
৩৪.একটি অলৌকিক ভ্রমন কাহিনী
৩৫.এনায়েত অালীর ছাগল
৩৬.এসো
৩৭.এভারেস্ট ভয়
৩৮.গন্ধ
৩৯.গুড়ামরিচ পার্টি
৪০.হাবলংগের বাজারে
৪১.হামিদ মিয়ার ইজ্জত
৪২.হিমু
৪৩.এই বৈশাখে
৪৪.নুরুদ্দিন স্বর্নপদক
৪৫.ঘটনা সামান্য
৪৬.অঙ্গিল
৪৭.অগুন মজিদ
৪৮.দ্বিতীয় জন্ম
৪৯.মাটিন পিন্জিরার মাঝে
৫০.তাহারা
৫১.উট্ভট উট
৫২.আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রন
৫৩.জামাই রত্ন
৫৪.ওপেনটি বায়োস্কোপ
৫৫.বৃক্ষ মানব
৫৬.চন্দ্রগ্রহন
৫৭.প্রিয় পদরেখা
৫৮.রুপালী ঘন্টা
৫৯.একজন কৃতদাস
৬০.একি কান্ড
৬১.লীলাবতি
৬২.পিপিলিকা
৬৩.অাজ অামাদের ছুটি
৬৪.করোটি
৬৫.কুসুম
৬৬.অন্য ভুবনের ছেলে
৬৭.রহস্য
৬৮.জাদুকর
৬৯.যমুনার জল দেখতে কালো
৭০.যাত্রা
৭১.জীবন যাপন
৭২.জিন্দাকবর
৭৩.জলতরঙ্গ
৭৪.জনক
৭৫.জননী
৭৬.খোয়াব নগর
৭৭.কনে দেখা
৭৮.মায়াবতি
৭৯.মদিনা.
৮০.মৃত্যুর ওপারে
৮১. নাট্যকার হামিদ সাহেবের একদিন
৮২.নীল বোতাম
৮৩.নীলচুড়ি
৮৪.নিষাদ
৮৫.অনিশ্চত মেঘের যাত্রা
৮৬.অপরাহ্ন
৮৭.পাপ
৮৮.প্যাকেজ সংবাদ
৮৯.পক্ষিরাজ
৯০.প্রজেক্ট হিমালয়
৯১.রুপা
৯২.রুপকথা
৯৩.সমুদ্র বিলাস
৯৪.সম্পর্ক
৯৫.সপ্ন সঙ্গিনী
৯৬.জুতাবাবা
৯৭.তিন প্রহর
৯৮.তিথীর নীল তোয়ালে
৯৯.তৃতীয় নয়ন
১০০.তুরুপের তাস
১০১.ভালবাসা
১০২. হাবিবের সংসার
১০৩. মফিজ মিয়ার চরিত্র ফুলের মত পবিত্র
১০৪.পাথর
১০৫.অনুসন্ধান
১০৬.চাদের অালোয় কয়েকজন যুবক
১০৭.চার দুকোনে চার
১০৮.ছেলেদেখা
১০৯.ফুসকা বিলাস
১১০.ইবলিশ
১১২.মিরার দিনরাত্রি
১১৩.মন্ত্রী
১১৪.নাট্যমঙ্গল
১১৫.সবাই গেছে বনে
১১৬.ভাইরাস
১১৭.অাজ রবিবার
১১৮.অয়োময়
১১৯.বহুব্রীহি
১২০.কালা কইতর
১২১.কোথাও কেউ নেই
১২২.নক্ষত্রের রাত
১২৩.অচিন রাগিনী
১২৪.সেদিন চৈত্রমাস
১২৫.সেইসব দিনরাত্রি
১২৬.সবুজ ছায়া
১২৭. যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন,
১২৮.ওয়াং পি
১২৯.বাদল দিনের দ্বিতীয় কদম ফুল,
১৩০.অন্যভু
অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।
এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে।
সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।
জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার
জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে
বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।
উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।
জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।
পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।
তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।
এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।
জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।
ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।
হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।
আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।
ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।
আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।
ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।
জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।
দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।
বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :
১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমা
কমলা/মাল্টার মিষ্টতা বৃদ্ধির উপায়:
জানবো
♦️১. সূর্যের আলো:
কমপক্ষে ৮ঘন্টা সূর্যের আলো পায় এমন স্থানে গাছ রোপন করতে হবে/বাগান স্থাপন করতে হবে। কমপক্ষে ৮ঘন্টা সূর্যের আলো না পেলে ফুল ও ফল ধারনে সমস্যা সৃষ্টি হয় এবং ফলের মিষ্টতা কমে যায়৷
♦️২. জৈব পদার্থ:
মাটিতে পর্যাপ্ত জৈব পদার্থ না থাকলে মাল্টা গাছে পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা যায়। ফলে মিষ্টতা কমে যায়। এজন্য মাল্টা/কমলা গাছে বা বাগানে প্রচুর জৈব সার ব্যবহার করতে হয়৷
♦️৩. সেচ সরবরাহ:
মাল্টা গাছে প্রতি সপ্তাহে সেচ দিতে হয়৷ ফুল ও ফল ধারন এর সময় সেচের পরিমাণ বাড়াতে হবে৷ এতে মাল্টা রসালো ও আকারে বড় হবে।
♦️৪. সার ব্যবস্থাপনা:
মাল্টা/কমলা গাছে বয়স অনুযায়ী সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণে সার প্রয়োগ করতে হবে। এরপরেও মিষ্টি কম হলে ফল ধরার শুরুতে গাছে পটাশ ও ম্যাগনেশিয়াম সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছ প্রতি ৪০-৫০ গ্রাম পটাশ সার গাছের গোড়ার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে৷
♦️বিশেষ পুষ্টির চাহিদা:
পুষ্টি উপাদানের উপস্থিতির উপর ফলের মিষ্টতা নির্ভর করে। ফসফরাস, পটাশিয়াম ও বোরন গাছে সুগার উৎপাদন করে। এই তিনটি সার সঠিকভাবে সমন্বয় করে প্রয়োগ করলে ফলের মিষ্টতা বাড়ে।
♦️মাটির পিএইচ:
মাল্টা/কমলা গাছ রোপনের আগে গর্তে ২৫০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করলে মাটি শোধন হয়। মাল্টা/কমলা গাছ হালকা অম্লীয়-নিরপেক্ষ মাটি পছন্দ করে৷ বিশেষ করে পিএইচ ৬এর উপরে রাখতে হবে৷ এজন্য প্রচুর জৈব সার ব্যবহার করা ভালো।
♦️সরিষার খৈল:
সরিষার খৈল যে কোনো ফলের মিষ্টতা বৃদ্ধি করে বলে অভিজ্ঞ বাগানীরা বলে থাকেন। সরিষার খৈলে নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম পাওয়া যায়। NPK - 4:1:1. সরিষার খৈল ভালভাবে পচিয়ে ২০দিন পরপর গাছে দেওয়া যায়।।
♦️সঠিক সময়ে ফল সংগ্রহ:
নির্দিষ্ট সময়ের আগে কিংবা পরে ফলের মিষ্টতা ও রস কাঙ্ক্ষিত অবস্থায় থাকেনা। তাই নির্দিষ্ট সময়েই ফল সংগ্রহ করতে হবে। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ফল সংগ্রহের সঠিক সময় বলে ধরা হয়।
♦️♦️♦️বাংলাদেশে কমলা/মাল্টার ব্রিক্স% (মিষ্টতা) সাধারণত ৭ থেকে ১৩ পর্যন্ত পাওয়া যায়। তবে কেউ কেউ ১৪ পর্যন্ত পেয়েছেন বলে দাবি করে থাকেন।
© Hello Farmer
বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২ তম দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ২৮ এপ্রিল যুক্ত হয়
১৯৪৯ সালের ২৮ এপ্রিল লন্ডন ঘোষনার মধ্য দিয়ে কমনওয়েলথ এর যাত্রা শুরু হয়
১৯৫৮ সালের ১৭ জানুয়ারি রোম চুক্তির মাধ্যমে ই ইউ গঠিত হয়
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Rajshahi