নিজের অবস্থান নিয়ে কখনও হতাশ হতে নেই, এমনও হাজারো মানুষ আছে যারা তোমার অবস্থায় উপনীত হতে বহুদিন থেকে সপ্ন দেখ আসছে। অথচ সেই মানুষ গুলোর সপ্নের জায়গায় থেকেও তুমি হতাশ, তাই বলা যায় এটা তোমার একপ্রকার বড় অকৃতজ্ঞতা।
BCS Aspirants
Tuhin Hossain
Tuhin Hossain
(Hons.) University of Rajshahi Unpublished Diary
HSC/Admission/Primary/BCS Preliminary Guidelines related post পেতে পেইজটি ফলো করতে পারেন।ধন্যবাদ❤️
Mentor- @HSC & Admission Preparation
and BCS Aspirants
Tuhin Hossain
B.S.S.
অনার্স লেভেলে পড়লে এই স্কিল গুলো আপনার থাকা উচিত -
১. Communication Skill — পরিষ্কারভাবে কথা বলা ও নিজের ভাব প্রকাশ করা।
২. Public Speaking — মানুষের সামনে আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলা।
৩. Time Management — সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করা।
৪. Critical Thinking — যেকোনো বিষয় গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা।
৫. Problem Solving — সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধান বের করা।
৬. Emotional Intelligence — নিজের ও অন্যের আবেগ বুঝে আচরণ করা।
৭. Negotiation Skill — দর কষাকষি ও সমঝোতার দক্ষতা।
৮. Leadership — মানুষকে পরিচালনা ও অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা।
৯. Networking — ভালো সম্পর্ক তৈরি ও বজায় রাখা।
১০. Financial Management — টাকা আয়, সঞ্চয় ও বিনিয়োগের জ্ঞান।
১১. Digital Literacy — প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট দক্ষভাবে ব্যবহার করা।
১২. Content Writing — ভালোভাবে লেখা ও কনটেন্ট তৈরি করা।
১৩. Sales Skill — নিজের আইডিয়া বা পণ্য মানুষের কাছে উপস্থাপন করা।
১৪. Marketing Skill — মানুষকে আকৃষ্ট করার কৌশল জানা।
১৫. Decision Making — সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া।
১৬. Adaptability — নতুন পরিবেশ ও পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেওয়া।
১৭. Self Discipline — নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা ও নিয়ম মেনে চলা।
১৮. Listening Skill — মনোযোগ দিয়ে অন্যের কথা শোনা।
১৯. Basic AI & Tech Skill — AI, ChatGPT ও আধুনিক টুল ব্যবহার শেখা।
২০. Stress Management — চাপের মধ্যেও শান্ত থেকে কাজ করার ক্ষমতা।
আপনার কয়টা স্কিল জানা আছে? _______ 😊
এগুলোর মধ্যে ৫–৬টি স্কিল ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারলে ব্যক্তিগত জীবন, ক্যারিয়ার ও সম্পর্ক - সব জায়গায় বড় পরিবর্তন দেখা যাবে।
-Nabeen ARIF
BCS Aspirants
Tuhin Hossain
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
পড়ার টেবিলে দীর্ঘ সময় কাটানোর জাদুকরী কিছু কৌশলঃ
পড়ার টেবিলে যাওয়ার আগে আগের দিন ঠিক করে রাখুন আপনি কি পড়বেন। প্লান করুন, কাজে নেমে পড়ুন। কথায় আছে, ❝A better plan half the done❞
১। ভালো মানের সব বই থাকবে আপনার টেবিলে। যে বইগুলো দেখলেই আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। আর রুটিনটা চোখের সামনে থাকে যেন।। পড়ার রুটিন তাদের জন্য জরুরি যারা পড়ায় নিজেই নিজেকে ফাঁকি দেয়া।
২। টেবিলের ওপর দেয়ালে বিশ্বের/ বাংলাদেশের মানচিত্র টাঙ্গাবেন। আর টেবিলের ওপর বিশ্বের/ বাংলাদেশের মানচিত্র রেখে পড়বেন।
৩। হাতের কাছে পানির বোতল রাখবেন। ক্লান্ত হলেই পানি খাবেন। এটা পড়ায় মনোযোগ ধরে রাখতে খুব কাজে দেয়।
৪। আপনি নিজের কাছে একটা পুরস্কার ঘোষণা করুন ৩/৪ ঘন্টা পড়ার পর নিজেকে একটা চকলেট / প্রিয় কুকিজ খেতে দিবেন। কিছু না কিছু একটা ২/৩ ঘন্টা পর খাবেন হোক সেটা সেন্টারফ্রুট!
এটা আপনাকে রিফ্রেশ করে দিবে।
৫। আপনি নিজেকে কথা দিন ৩ ঘন্টার আগে মোবাইল হাতে নিবেন না। আপনি এমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাননি ৩ ঘন্টা ফোন হাতে না নিলে বাংলাদেশ দখল হয়ে যাবে না। এটা আপনার জন্য কঠিন যুদ্ধ।
৬। পাঁচ নাম্বার আবার পড়ুন।
৭। একটানা এক সাব্জেক্ট পড়বেন না। কঠিন সাব্জেক্ট পড়ার পর সহজ সাব্জেক্ট পড়ুন। যেমন ইংরেজি / গণিত পড়ার পর বাংলা সাহিত্য পড়ুন।
পড়ায় বিরক্ত লাগলে পেপার পড়ুন।
৮। পড়ায় ব্রেক দিন। জানেন তো?
❝বিশ্রাম কাজের অঙ্গ একসাথে গাঁথা
নয়নের অংশ যেমন নয়নের পাতা❞
যদি মাথা ধরে ১০/১৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে টেবিলে মাথা রেখে বা রুমে হলে শুয়ে ধ্যান করুন। তবে পড়ার টেবিলে, লাইব্রেরি কিংবা রিডিং রুমে পড়া বেশি হয় বাসায় বসে পড়ার চেয়ে। এটা প্রমাণিত!
৯। আমার মতে রাত জেগে পড়ে সারাদিন ঝিমিয়ে পড়ায় আপনার লোকশান। এমন ভাবে পড়ুন আপনার ঘুম যেন ঠিক থাকে। পড়াও ক্ষতি হয়না। ধরুন ২ টায় ঘুমিয়ে ৮ টায় উঠেন। এটা এমন হতে পারে ১২ টায় ঘুমিয়ে ৬ টায় উঠলেন। সকালে পর্যাপ্ত ঘুমে মানুষের মাথা ঠান্ডা থাকে পড়া ক্যাচ করে
বেশি। মুসলিমরা ফজরের নামাজ পড়ে শুরু করতে পারেন। সকাল সকাল উঠা মানেই দিনটা লম্বা হয়ে যাবে।
ব্যক্তিগত মতামত।।
১০। ১০ ঘন্টা মোবাইল টিপে পড়ার চেয়ে ২ ঘন্টা মনযোগ দিয়ে পড়া উত্তম। জানেন তো যে যতো বেশি মনযোগী সে তত বেশি মেধাবী।।
Shakil Al-Amin
BCS Aspirants
Tuhin Hossain
University of Rajshahi
কিছু মানুষকে দেখবেন এদের কোনো ফ্রেন্ড সার্কেল থাকেনা, পরিচিতি থাকেনা। বাসার মানুষজনের কাছেও এরা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। ঘরে আছে নাকি নেই সেইটাও টের পাওয়া যায় না। বাপ-মায়ের কোনো হম্বিতম্বি কিংবা গালগল্প নেই এদের নিয়ে।
এদের পারসোনাল লাইফ, একাডেমিক লাইফ, প্রফেশনাল লাইফ সবই কেমন টিপটিপ করে চলে। কখনো কোনো বিরাট কিছু এচিভ করলে শুভেচ্ছা জানানোর কেউ থাকেনা। আবার জীবনে খুব খারাপ কিছু ঘটে গেলে দুঃখ প্রকাশ করারও কেউ থাকেনা। নিজের এচিভমেন্টে এরা নিজেরাই খুশি হয়, দুঃসংবাদে নিজে নিজেই দুঃখ পায়।
এদের জীবন নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। সৃষ্টিকর্তার প্রতি এরা এতোটাই অবনত যেন এদের জীবনে কিচ্ছুটির অভাব নেই। যা পায়, যতটুকু পায় তাতেই খুশি।
অনেক ভীড়ের মধ্যে এমন মানুষগুলো সহজে চোখে পড়েনা, কথার জাদুতে অন্যকে মুগ্ধও করতে পারেনা।এদের সামনে অন্য কেউ কথা বললে এরা তাল মিলিয়ে হাসে, কেউ কাঁদলে মুখে দুঃখ ফুটিয়ে তোলে। বাড়তি কথা বলেনা, কারোর সাথে ঝগড়া-বিবাদ করেনা।
আপনার আশেপাশে এমন কেউ থাকলে তাকে হারিয়ে যেতে দিয়েন না, নিজের সাথে সাথে রাখুন। কারণ খুব পিওর একটা মন নিয়ে দুনিয়ায় না থাকার মতোন বেঁচে থাকে এইরকম মানুষগুলো। এরা একেকটা হাসনাহেনার ফুল🤍
~ইসরাত জাহান আশরাফি
BCS Aspirants
Tuhin Hossain
বর্তমানে কিছু অভ্যাস চুপচাপ মানুষের জীবন নষ্ট করে দিচ্ছে _
১| সবকিছু নিয়ে overthinking করা।
২| ঘুম থেকে উঠেই ফোন ইউজ করা।
৩| নিজের সাথে অন্যের comparison করা।
৪| কাজ ফেলে রাখা।
৫| সবাইকে খুশি রাখার চেস্টা করা।
৬| Toxic মানুষকে বারবার সুযোগ দেওয়া।
৭| ছোট ছোট বিষয়ে হতাশ হয়ে যাওয়া।
৮| নিজের future নিয়ে careless থাকা।
৯| লাইফে skill develop না করা।
১০| Negative content বেশি Consume করা।
১১| Health ignore করা।
১২| অযথা মানুষের validation খুঁজা।
১৩| Emotionally weak হয়ে পড়া।
১৪| Savings না রাখা।
১৫| নিজের talent কে গুরুত্ব না দেওয়া।
১৬| সবকিছু ভাগ্যের উপর ছেড়ে দেওয়া।
১৭| Comfort zone থেকে বের না হওয়া।
১৮| নিজের রাগ control করতে না পারা।
১৯| রাত জেগে ফোন ইউজ করা।
২০| সময়ের মূল্য না বোঝা।
২১| social media _ তে বেশি time নষ্ট করা।
২২| ব্যর্থতাকে শেখার সুযোগ না ভাবা।
এই bad habits গুলোর সাথে আপনার কয়টা মিল আছে?©
Tuhin Hossain
বই পড়া একটা স্কিল, এটা দীর্ঘদিন ধরে রপ্ত করতে হয়।
অক্ষরজ্ঞান থাকলেই বই পড়া যায় না, বই পড়া মানে কালো অক্ষরদের দেখে দেখে মাথায় একটা আইডিয়া, ভাবনা এমনকি নতুন একটা জগৎ তৈরি করা, এটি খুব বেসিক একটা পর্যায় পর্যন্ত প্রায় সব মানুষেরই থাকে, কিন্তু যারা দীর্ঘদিন নিয়মিত বই পড়ে তাদের এ দক্ষতা ভিন্ন মাত্রায় থাকে, বেসিকের অনেক উঁচুতে। তারা একটা ফিকশন যতটা উপভোগ করতে পারে বা একটা কমপ্লেক্স আইডিয়া শুধুমাত্র পড়ে যতটা বুঝতে পারে সেটা অন্যদের জন্য বেশ কঠিন।
©
HSC & Admission Preparation
Tuhin Hossain
11/05/2026
কী? কোন দেশ? কোথায় এটা?🙁
গত ২৪ ঘন্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু। হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৭০৮ জন।
- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
সরকারের উদ্যোগ কী?
09/05/2026
In shaa Allah! 💜
একটু বড় হতে চাইলে, একটু বড় রিস্ক নিতেই হবে।
আপনি যদি মনে করেন যে, আপনি যেখানে আছেন সেখানেই ভালো আছেন বা সেখানেই থাকতে চান। এরচেয়ে বড় হতে চান না বা ভালো কিছু করতে চান না তাহলে আপনার তেমন কোনো রিস্ক নেই।
আর যদি মনে করেন যে, একটু বড় হতে চান বা একটু ভালো কিছু করতে চান, তাহলে আপনাকে একটু বড় রিস্ক নিতেই হবে। রিস্ক ছাড়া ভালো করা সম্ভব নয়।
সো, একটু রিস্ক নেন। একটু ভালো কিছু করেন। একটু বড় হোন। চেষ্টা করেন। পারবেন। ইন শা আল্লাহ।
BCS Aspirants
HSC & Admission Preparation
Tuhin Hossain
University of Rajshahi
জীবনে বড় হতে হলে কী প্রয়োজন হয় জানেন?
জীবনে "বড়" হওয়া বা সফল হওয়া একেকজনের কাছে একেক রকম। কারো কাছে এটা অনেক অর্থসম্পদ, কারো কাছে সম্মান, আবার কারো কাছে কেবল মানসিক শান্তি। তবে যে পথেই আপনি বড় হতে চান না কেন, কিছু মৌলিক গুণাগুণ থাকা অপরিহার্য:
#সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি
কোথায় যেতে চান তা না জানলে পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন। বড় হওয়ার প্রথম ধাপ হলো নিজের জন্য একটি """সুস্পষ্ট লক্ষ্য""" নির্ধারণ করা। আপনার স্বপ্ন যত বড় হবে, আপনার যাত্রার পরিধিও তত বাড়বে।
#ধৈর্য এবং জেদ
সাফল্য কখনো রাতারাতি আসে না। অনেক সময় পরিশ্রমের ফল পেতে দেরি হয়, বারবার ব্যর্থ হতে হয়। সেই কঠিন সময়ে হাল না ছেড়ে টিকে থাকার """ধৈর্য""" এবং লক্ষ্য ছোঁয়ার """জেদ""" থাকলে বড় হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
#ধারাবাহিকতা (Consistency)
এক দিন অনেক পরিশ্রম করার চেয়ে প্রতিদিন অল্প অল্প করে এগিয়ে যাওয়া বেশি কার্যকর। জীবনের ছোট ছোট অভ্যাসগুলোই দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে। প্রতিদিন নিজেকে গতকালের চেয়ে ১% উন্নত করার চেষ্টা করা উচিত।
#শেখার মানসিকতা
বড় হতে হলে নিজেকে সবসময় একজন 'ছাত্র' মনে করতে হয়। নতুন প্রযুক্তি, নতুন পরিবেশ বা নতুন কোনো দক্ষতা—সবকিছুর সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং জানার আগ্রহ আপনাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখবে।
#সততা ও মানবিকতা
কেবল জাগতিক উন্নতিই বড় হওয়া নয়। মানুষের ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা ছাড়া সেই উন্নতির কোনো ভিত্তি থাকে না। নিজের কাজের প্রতি ""'সততা""" এবং অন্য মানুষের প্রতি "''"সহমর্মিতা""" আপনাকে প্রকৃত অর্থে বড় মানুষ করে তুলবে।
"সাফল্য মানেই শেষ নয়, আর ব্যর্থতা মানেই মৃত্যু নয়; আসল হলো এগিয়ে যাওয়ার সাহস ধরে রাখা।"
©cltd
BCS Aspirants
Tuhin Hossain
University of Rajshahi
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Rajshahi