Meritora Academy

Call Directions Website Contact the school

Meritora Academy Follow us for- HSC & University Admission Tests

Instructor:
MD Tuhin Hossain
RU A Unit:35th (2021-22)
B.S.S. (Hons.) Dept. Unpublished Diary

Of Political Science
University of Rajshahi

17/09/2026

আপনার মাথা যদি গার্বেজ দিয়ে ভরা থাকে, তাহলে পড়া মাথায় ঢুকবে কীভাবে?

আপনি সকালের শুরুতেই মাথার মধ্যে গার্বেজ দিয়ে বোঝাই করেন। রাতে গার্বেজ দিয়ে বোঝাই করে ঘুমান। সারাদিন মাথার মধ্যে শুধু গার্বেজ বোঝাই করেন।

পড়াশোনা কোথায় ঢুকবে? কোথায় থাকবে? কীভাবে থাকবে?

আপনি সকালে উঠেই আগে ফোন দেখেন। না না। ফোন না, রিলস দেখেন, নোটিফিকেশন দেখেন, নিউজফিড দেখেন, ভিডিও দেখেন। আপনার মাথায় সকালে ঘুম থেকে উঠেই আগে এসব গার্বেজ দিয়ে বোঝাই করে ফেলেন। পরে পড়তে বসেন।

আপনি যেখানে পড়াশোনাটা রাখবেন, সেখানে আগেই গার্বেজ দিয়ে ভরে ফেলেছেন। তাহলে পড়াশোনা কোথায় রাখবেন বলেন?

পড়াশোনা ভালোভাবে করতে হলে মাথায় গার্বেজ ঢোকানো যাবে না ভাই। সকালে উঠেই আগে ৬ ঘন্টা পড়ে ফেলেন। ফোনের ডাটা অন করবেন না। ফ্রেশ মাইন্ডে, ফ্রেশ ব্রেইন নিয়ে আগে ৬ ঘন্টা পড়া শেষ করেন। এরপরে দুপুরের দিকে একটু ফোনের ডাটা অন করতে পারেন, যদি জরুরি প্রয়োজন থাকে। প্রয়োজন না থাকলে অন করার দরকার নেই।

আপনি যখন পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত থাকবেন, তখন দেখবেন ফোনের প্রতি আগ্রহ কমে যাবে। আসক্তি কমে যাবে। পড়াশোনা ভালো লেগে গেলে, মজা পেয়ে গেলে দেখবেন পড়াশোনা ছাড়া ফোন ভালো লাগছে না। পড়াশোনা করতেই ভালো লাগবে।

যখন পড়াশোনা ভালো লাগবে, তখন দেখবেন অন্য কিছু ভালো লাগবে না। তখন মনে হবে, সারাক্ষণ পড়াশোনা করি।

আপনি যদি সত্যিই ভালো কিছু করতে চান, পড়াশোনা করে ভালো জায়গায় যেতে চান, তাহলে মাথার মধ্যে গার্বেজ ঢোকানো বন্ধ করেন।

পড়াশোনাটা এনজয় করার চেষ্টা করেন। ভালো লাগবে। পড়তে অবশ্যই মন চাইবে।

চেষ্টা করেন, পারবেন। টেবিলে বসে থাকেন। প্রথমে পড়া না হলেও ২/৩ দিন ৮/১০ ঘন্টা করে টেবিলে বসে থাকেন। পড়ার চেষ্টা করেন। দেখবেন, একসময় পড়াশোনা হবে।

যারা বাসায় থেকে এডমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছো, তারা আমাদের এক্সাম ব্যাচে যুক্ত হতে পারো। বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ দাও। বাসায় থেকে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য পারফেক্ট ব্যাচ হতে পারে এটা। ছাড়ে ভর্তি হওয়ার লাস্ট চান্স আজকেই। ধন্যবাদ।

শুভকামনা!

Follow : Meritora Academy

Tuhin Hossain
University of Rajshahi

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া আসলেই কী সহজ??হ্যাঁ, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া...
16/09/2026

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া আসলেই কী সহজ??

হ্যাঁ, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া তুলনামূলক সহজ। কেন?

কারণসমূহ:

1. আলাদাভাবে পাশ নেই! তিনটা সাবজেক্ট মিলিয়ে ৪০ পেলেই পাশ। অর্থাৎ যে কোনো ১ টি বিষয় এ ৫-৬ পেলেও সমস্যা নেই। ইংরেজিতে দূর্বল হলেও, বাংলা আর জিকেতে ভালো মার্কস উঠাতে পারলে চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক।

2. মোট ৮০ টা MCQ। সময় ১ ঘন্টা! যেখানে অন্যান্য জায়গায় ১০০ MCQ, সময় ১ ঘন্টা।

3. সেকেন্ড টাইমারদের মার্কস কাটা হয় না, যেখানে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকেন্ড টাইমারদের মার্কস কাটে।

4. ৫০-৫৫ টা MCQ সঠিক হলেই সে ৯৫% ধরে নিতে পারে তার মোটামুটি চান্স নিশ্চিত।

5. রিটেন নেই! তবে কেও আইন এবং ইংরেজি বিষয়ে পড়তে চাইলে পরবর্তীতে রিটেনে বসতে হবে,তাছাড়া নয়। মানে, ইংরেজি আর আইন বাদে বাকি সাবজেক্টে চান্স পাওয়া সহজ।

6. এক্সাম হবে জানুয়ারির মাঝের দিকে। হিউজ সময়৷ এখন থেকে কেও শূন্য হাতে শুরু করলেও পসিবল। শুধু, ডেডিকেটেডলি পড়াশোনা করতে হবে। ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে। সঠিক গাইডলাইন থাকতে হবে।

বাসায় থেকে সেকেন্ড টাইমাররা শুধু এক্সাম ব্যাচে ভর্তি হয়েও টপ করে থাকে প্রতিবছর। অসংখ্য উদাহরণ আছে।
তুমিও চাইলে, সেকেন্ড টাইমে বাসায় বসে পড়ে টপ পজিশন করতে পারবে। এজন্য দরকার:
* সঠিক গাইডলাইন
* রুটিন মেইনটেইন করে পড়াশোনা করা
* ধারাবাহিকতা বজায় রাখা
* হাল না ছাড়া
* সর্বোচ্চ চেষ্টা করা

সেকেন্ড টাইম বাসায় বসে প্রস্তুতি নিতে চাইলে, আমাদের এক্সাম ব্যাচে যুক্ত হতে পারো। দেরি করলে পিছিয়ে পড়বে। ভর্তি হতে চাইলে দ্রুতই ভর্তি হয়ে যাও। ইনবক্সে মেসেজ দাও। কয়েকদিন পরেই ভর্তি নেওয়া অফ করে দেব। পরে আফসোস হতে পারে।


সকলের জন্য শুভকামনা রইলো।
এডমিশন বিষয়ক যেকোনো প্রশ্নের উত্তর পেতে কমেন্ট কর। ধন্যবাদ।

Follow : Meritora Academy

Tuhin Hossain
A Unit :35th
2021-2022
University of Rajshahi

15/09/2026

স্টাডি রুটিন কীভাবে রুটিন বানাবে, আমার রুটিন কেমন ছিল- বিস্তারিত জেনে নাও!

রুটিন বানাতে হলে তোমাকে পুরো সপ্তাহ ধরে বানাতে হবে। মানে, এক সপ্তাহের মধ্যে সবগুলো বিষয় ব্যালান্সড করে পড়তে হবে।

এক সপ্তাহে তুমি সাতদিন সময় পাবে। তোমাদের কেউ কেউ প্রতিদিন একটা বিষয় পড়তে পছন্দ কর। আবার কেউ প্রতিদিন ২/৩ টা বিষয় অল্প করে পড়তে পছন্দ কর।

বিশেষ করে, যারা সেকেন্ড টাইমার, বাসায় থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছো, তাদের জন্য এই রুটিনটা বেশি হেল্পফুল হবে।

এক সপ্তাহে কীভাবে প্রত্যেকটা বিষয় ভাগ করে পড়বে-

প্রতিদিন সকালে ইংরেজি, দুপুরে জিকে, রাতে বাংলা পড়তে পারো।
অথবা, শনি+ রবি = বাংলা
সোম+মঙ্গল = জিকে
বুধ+বৃহস্পতি= ইংরেজি
শুক্রবার = রিভিশন

এভাবে নিজের সুবিধা মতো বিষয় ভাগ করে নিও।

অথবা,

প্রতিদিন সকাল ৬-৯টা- ইংরেজি
৯.৩০টা থেকে ১২.৩০ টা- বাংলা
২-৪.৩০ টা জিকে
৫টা - রাত ১০টা সারাদিনের পড়া রিভিশন।

অথবা, আজকে সারাদিন বাংলা, কালকে সারাদিন ইংরেজি, পরশু সারাদিন জিকে তারপরের দিন সারাদিন এই তিনদিনের পড়া রিভিশন।

আমি কিভাবে পড়তাম-

সকাল/ভোর থেকে ৯ টা পর্যন্ত যেকোনো একটা বিষয়।
৯:৩০ টা থেকে ১২:৩০ টা পর্যন্ত একটা বিষয়।
২:০০ টা ৪:৩০ টা পর্যন্ত একটা বিষয়।
এরপরে আসর থেকে মাগরিব, মাগরিব থেকে এশা, এশা থেকে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত একটা বিষয় পড়তাম।
যখন যেটা পড়তে ভালো লাগত, তখন সেটা পড়তাম।
তবে, প্রতিদিন তিনটা বিষয়ই একটু হলেও পড়ার চেষ্টা করতাম।

তোমরা প্রতিদিন তিনটা বিষয়েরই একটা করে টপিক মিনিমাম পড়ার চেষ্টা করবা।

মনে কর, আগামীকাল কী কী পড়বে, কোন টপিকগুলো পড়বে সেটার রুটিন কীভাবে বানাবে-

বাংলা ১ম- সোনার তরী ( যেকোনো ১টা কবিতা)
বাংলা ২য়- কারক(যেকোনো ১টা টপিক)
ইংরেজি - Narrations( যেকোনো 1 topic)
GK - পাকিস্তান আমল( যেকোনো একটা অধ্যায়/ ২০/২৫/৩০ পেজ)

এভাবে রুটিন বানিয়ে পড়তে পারো৷ সপ্তাহ শেষে সেগুলো রিভিশন দিও। পরিক্ষা দিও। তাহলে সবচেয়ে ভালো কাজটা হবে। রিভিশন+পরিক্ষা - এই দুইটা বিষয় মনে চলতেই হবে।
এই দুইটা বিষয় না মানলে প্রস্তুতি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

আর, শেষ সময়ে মডেল টেস্ট দিতে হবে। বেশি বেশি মডেল টেস্ট দিতে হবে। এর জন্য কোনো মডেল টেস্ট ব্যাচ বা এক্সাম ব্যাচে ভর্তি হতে পারো।

সবচেয়ে ভালো হয়, যদি এমন কোথাও থেকে রেগুলার রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনা+ পরিক্ষা+মডেল টেস্ট দেওশা যায়। এমন কোনো ব্যাচ থাকলে সেটা হয়ত সবচেয়ে ভালো অপশন তোমার জন্য।

যদি কোথাও এমন অপশন না পাও যেখানে, এক ব্যাচেই রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনা+টপিক শেষে পরিক্ষা+ মডেল টেস্ট নেওয়া হয়, তাহলে আমাদের ব্যাচে ভর্তি হতে পারো। আমরা সবই এক কোর্সে প্রদান করছি। যেখানে, ৯০+ টপিক ভিত্তিক পরিক্ষা, ৫০টারও বেশি ১০০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট থাকবে। ভর্তি হতে ইনবক্সে মেসেজ দাও। খুব দ্রুতই ভর্তি নেওয়া অফ করে দিব।

সকলের জন্য শুভকামনা।
যেকোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাও। ধন্যবাদ।

অবশ্যই ফলো কর- Meritora Academy

Tuhin Hossain
RU A Unit:35th
2021-2022
University of Rajshahi

২০৪০ সালের পর মানুষকে আর যেসব কাজ করতে হবে না!১. ম্যানুয়ালি গাড়ি চালানো (Drive Cars Manually)- কী পরিবর্তন আসছে: অটোনোমা...
14/09/2026

২০৪০ সালের পর মানুষকে আর যেসব কাজ করতে হবে না!

১. ম্যানুয়ালি গাড়ি চালানো (Drive Cars Manually)
- কী পরিবর্তন আসছে: অটোনোমাস বা চালকবিহীন গাড়ি দৈনন্দিন যাতায়াতের বেশিরভাগ ড্রাইভ নিজেই হ্যান্ডেল করবে। মানুষকে শুধু গাড়িতে উঠে গন্তব্য সিলেক্ট করে রিল্যাক্স করতে হবে।

২. পাসওয়ার্ড মনে রাখা (Remember Passwords)
- কী পরিবর্তন আসছে: বায়োমেট্রিক্স, পাস-কি (Passkeys) এবং ফেস বা আইরিস স্ক্যানের মতো অবিরাম পরিচয় শনাক্তকরণ পদ্ধতির কারণে প্রচলিত টেক্সট পাসওয়ার্ডের দিন চিরতরে শেষ হয়ে যাবে।

৩. সুপারশপে লাইনে দাঁড়িয়ে বিল দেওয়া (Wait in Checkout Lines)
- কী পরিবর্তন আসছে: কম্পিউটার ভিশন, সেন্সর এবং স্বয়ংক্রিয় পেমেন্ট সিস্টেমের ফলে আপনি শেলফ থেকে পণ্য ব্যাগে নিয়ে সোজা হেঁটে বেরিয়ে যাবেন, বিল একা একাই একাউন্ট থেকে কেটে নেবে।

৪. নিজের মুখে ভাষা অনুবাদ করা (Translate Languages Yourself)
- কী পরিবর্তন আসছে: রিয়েল-টাইম স্মার্ট অডিও ও এআই ট্রানস্লেশনের কারণে অন্য ভাষার মানুষের সাথে সামনাসামনি কথা বলার সময় কানে কানেই তাৎক্ষণিক অনুবাদ শোনা যাবে। ভাষা কোনো বাঁধাই থাকবে না।

৫. সারাদিনের রুটিন নিজে সাজানো (Schedule Your Own Day)
- কী পরিবর্তন আসছে: পার্সোনাল এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার মিটিং, ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, টিকিট বুকিং ও প্রতিদিনের কাজের গুরুত্ব বুঝে রুটিন অপটিমাইজ করে দেবে।

৬. ঘরের কাজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা (Clean Your Own Home)
- কী পরিবর্তন আসছে: অ্যাডভান্সড হাউসহোল্ড রোবট ঘরের ভ্যাকুয়াম করা, মোছা, থালাবাসন ধোয়া থেকে শুরু করে কাপড় ভাজ করার মতো সব ক্লান্তিকর কাজ একা হাতেই সামলে নেবে।

৭. চাবি ও মানিব্যাগ পকেটে বয়ে বেড়ানো (Carry Keys or Wallets)
- কী পরিবর্তন আসছে: স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ এবং বায়োমেট্রিক ডিজিটাল আইডির মাধ্যমে বাড়ির তালা খোলা থেকে শুরু করে ক্যাশ টাকা ও কার্ডের যাবতীয় কাজ এক ক্লিকেই সেরে ফেলা যাবে।

৮. ইন্টারনেটে ম্যানুয়ালি ব্রাউজ ও রিসার্চ করা (Search The Internet Manually)
- কী পরিবর্তন আসছে: ডজন ডজন ওয়েবসাইট নিজে ঘেঁটে পড়ার বদলে এআই এজেন্টরাই আপনার জন্য গভীর গবেষণা করবে, সেরা অপশন তুলনা করবে এবং প্রয়োজনীয় টাস্ক একাই সম্পন্ন করে দেবে।

৯. অচেনা রাস্তার দিক মনে রাখা (Memorize Routes)
- কী পরিবর্তন আসছে: অগমেন্টেড রিয়্যালিটি (AR) গ্লাস ও ইন্টেলিজেন্ট নেভিগেশন আপনার চোখের সামনে রিয়েল-টাইমে দিকনির্দেশনা দেবে। রাস্তাঘাট, জটিল এয়ারপোর্ট বা অপরিচিত শহরে দিক হারানোর কোনো সুযোগই থাকবে না।

Save & Share

©Nasir Uddin Shamim

Follow: Meritora Academy

ভালো কিছু অর্জন করতে হলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় পরিত্যাগ করতেই হবে -আপনি হয়ত জানেন, ভালো জিনিসের মূল্য একটু বেশি। বাজারে গ...
13/09/2026

ভালো কিছু অর্জন করতে হলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় পরিত্যাগ করতেই হবে -

আপনি হয়ত জানেন, ভালো জিনিসের মূল্য একটু বেশি। বাজারে গেলে দেখবেন, অন্যান্য মাছের চেয়ে ইলিশের মূল্য বেশি। এক কেজি তেলাপিয়া/পাঙ্গাশ মাছ কিনতে আপনার ২০০/৩০০ টাকা লাগলেও, এক কেজি ইলিশ মাছ কিনতে হলে আপনাকে ১০০০/১২০০/১৫০০ টাকা লাগে।

একইভাবে, আপনি ভালো কোনো জায়গায় যেতে চান, ভালো কোনো কিছু পেতে চান, ভালো কোনো কিছু অর্জন করতে চান, সেজন্য আপনাকে একটু বেশি মূল্য দিতে হবে।

কেমন?

মনে করেন, আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চান।

অথবা, মনে করেন, আপনি বিসিএস ক্যাডার হতে চান, সরকারি যেকোনো চাকরি পেতে চান, তাহলে আপনাকে একটু বেশি মূল্য দিতে হবে।

সহজে এগুলো পাবেন না। কারণ, এগুলো দামি, মূল্যবান
এগুলো পাওয়ার জন্য লাখ লাখ মানুষ চেষ্টা করে। সহজে পাওয়া যায় না।
আচ্ছা বুঝলাম। কিন্তু, এগুলোর জন্য আবার বেশি মূল্য দিতে হয় কিভাবে?

এটা বুঝলেন না?
না।

আচ্ছা -
আপনি বিসিএস ক্যাডার হতে চান। আপনার সাথে আরও চার লাখ ক্যাডার হতে চায়। কিন্তু, হতে পারবেন মাত্র ২০০০ মানুষ।

মানে, চার লাখের মধ্যে যারা সবচেয়ে বেশি মূল্য দিতে পারবে, তারাই ক্যাডার হতে পারবে। বাকিরা পারবে না।
এখন, আপনাকে ক্যাডার হতে হলে অবশ্যই বেশি মূল্য দেওয়া ২০০০ এর মধ্যে থাকতে হবে। রাইট?
ইয়েস!

বুঝতে পেরেছেন?
জ্বি। কিন্তু...?

হ্যাঁ, বুঝেছি। বলছি। ওয়েট...

মূল্য দেওয়ার মানে বুঝলেন না, তাই তো?
জ্বি।

মূল্য দেওয়ার মানে হলো- আপনার পড়াশোনা, এফোর্ট দেওয়া, কতটা চেষ্টা করছেন ওটার জন্য- এগুলোই আপনার দেওয়া মূল্য।

বুঝছেন এবার?
জ্বি।

সর্বোচ্চ মূল্য দিতে হলে, আপনাকে অবশ্যই অনেক কিছু পরিত্যাগ করতে হবে। যেমন?

আপনি সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসটা অর্জন করতে চান, যেখানে চার লাখ পরিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। মানে, আপনার পুরো মূল্যটা ওখানেই দিতে হবে।

বুঝছেন?

মানে, আপনি শুধু বিসিএসের পিছনেই আপনার সময়টা কাজে লাগাবেন। অন্য কোথাও যদি একটুও সময় নষ্ট করেন, তাহলে মূল্য কমে যাবে, অন্য কেউ আপনার বিসিএসটা বেশি মূল্য দিয়ে কিনে নিবে।

তাহলে?

★ যেখানে জরুরি প্রয়োজন নেই,সেখানে যাওয়া যাবে না।
★ প্রয়োজন ছাড়া একটুও সময় নষ্ট করা যাবে না।
★ ফেইসবুক, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন, টেলিগ্রামসহ যত সোশ্যাল মিডিয়া আছে, জরুরি প্রয়োজন না হলে সব ডিলিট/আনইনস্টল করে ফেলতে হবে। তাহলে এখানে সময় নষ্ট হওয়ার সুযোগ থাকবে না। এটাই সবচেয়ে বড় শত্রু আপনার। এখানে সবচেয়ে বেশি সময় নষ্ট হয়। এটা আমি জানি। শিওর।
★ সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠার চেষ্টা করবেন।
★ ঘুম থেকে উঠে আগে ছয় ঘন্টা পড়বেন। তারপরে ফোনের ডেটা অন করবেন, স্বল্প সময়ের জন্য। যদি জরুরি না থাকে, তাহলে অন করার দরকার নেই।
★ পড়ার সময় সব কিছুর বাইরে থাকুন। শুধু পড়বেনই।
★ মোবাইল পাশে রেখে পড়বেন না, যদি জরুরি প্রয়োজন না হয়।
★ যতটুকু পড়ছেন, মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।
★ ঘুম আসলে দাড়িয়ে দাড়িয়ে পড়বেন।
★ যেহেতু, প্রতিযোগিতায় নেমেছেন, অযথা সময় নষ্ট না করে, জরুরি প্রয়োজন ব্যতিরেকে সবসময়ই পড়ার চেষ্টা করবেন।
★ পড়াশোনার মধ্যেও এক প্রকার আনন্দ আছে।সেটা উপভোগ করার চেষ্টা করুন।
★ পড়তে ভালো না লাগলেও পড়ার টেবিলে থাকুন।
★ মনোযোগ না আসলে, শুধু ২ মিনিট মনোযোগ দিয়ে পড়ার নিয়ত করেন। দুই মিনিট মনোযোগ দিয়ে পড়ার পরে হয়ত মনোযোগ ফিরে পেতে পারেন।

সর্বোপরি, আপনার ভালো-মন্দ আপনাকেই বুঝতে হবে। আপনি না বুঝলে কেউ আপনাকে বুঝাতে পারবে না।

ঠিক আছে। বুঝেছি। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি একাই জানবেন এগুলো? অন্যদের জানতে হেল্প করবেন না? শেয়ার দিলে তো অন্যরাও জানতে পারবে এগুলো, তাই না?
হ্যাঁ। ঠিক আছে।
ঠিক আছে, শুভকামনা।

Follow: Meritora Academy

শুভকামনায়-
Tuhin Hossain
A Unit :35th
2021-2022
University of Rajshahi

13/09/2026

কোচিং না করে বাসায় বসে নিজে নিজে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া সম্ভব?
কোচিং বা প্রাইভেট ছাড়াও বাসায় থেকে নিজে নিজে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। যদি -

* তোমার সঠিক দিকনির্দেশনা থাকে
* প্রয়োজনীয় বইগুলো থাকে
* কীভাবে পড়বে সেটা জানা থাকে
* পড়ার প্রতি আগ্রহ থাকে
* ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারো
* আত্মবিশ্বাস রাখতে পারো

বাসায় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি নিতে হলে তোমাকে আগে ঠিক করতে হবে, তুমি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে, কোন ইউনিটে ভর্তি পরিক্ষা দিতে চাও বা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেতে চাও।

এরপরে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের, সেই ইউনিটের প্রশ্নব্যাংক কিনতে হবে। এরপরে তোমাকে ওই ইউনিটে পরিক্ষা দিতে কোন কোন বিষয় পড়া লাগবে সেটা জানতে হবে। প্রশ্নব্যাংক দেখলেই সেটা বুঝতে পারবে।

এরপরে সেই বিষয়গুলোর জন্য বই সংগ্রহ করতে হবে। বোর্ড বইয়ের পাশাপাশি গাইড বই কিনতে হবে। অনুশীলন করার জন্য।

বই সংগ্রহ করার পরে প্রশ্নব্যাংক বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে, কোন টপিকগুলো তোমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বা কোনগুলো পড়তে হবে। যেগুলো প্রায় প্রতিবছরই পরিক্ষায় আসে।

পুরো সিলেবাস একটা খাতায় নোট ডাউন করে ফেলতে হবে। মানে, পরিক্ষার প্রস্তুতির জন্য কী কী পড়তে হবে -এ তু জেড- মোটামুটি খাতায় নোট ডাউন করে ফেলতে হবে।

এরপরে প্রতিদিন কী কী পড়বে, কতটুকু পড়বে, সেটা আগেরদিন রাতে লিখে ফেলবে। প্রতিদিনের রুটিন।

সেই রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনা করতে হবে। এভাবে পড়াশোনা করলে প্রস্তুতি গুছিয়ে নেওয়া সম্ভব।

যদি কোনো টপিকে সমস হয়, কী করবে?

মনে কর, তুমি Right form of Verbs পড়ে বুঝতে পারছো না, কী করবে?

ইউটিউবে চলে যাবে। Right form of Verbs লিখে সার্চ দিবে। দেখবে অনেক ক্লাস আছে। যেটা বেশি ভিউস সেটা দেখা শুরু কর।দুই মিনিট দেখে যদি ভালো লাগে, তাহলে সেটা শেষ কর। ক্লাস দেখার সময় খাতা আর কলম নিয়ে বসবে।

ক্লাসে যা যা শেখাবে, নোট ডাউন করে ফেলতে হবে। রুলসগুলো অবশ্যই নোট ডাউন করতে হবে।

ক্লাস শেষে তোমার বই বের করবে। বিগত বছরের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো দেখবে। উত্তর না দেখে অপশন দেখে সঠিক উত্তর অনুমান করবে। পরে উত্তর মিলিয়ে দেখবে, তোমার অনুমানকৃত উত্তরের সাথে মেলে কী না। মিললে, সেটা পেরে গেছো। না মিললে ব্যাখ্যা দেখো।

এভাবে বারবার অনুশীলন কর। একটা টপিকের বিগত বছরের ১০০/১৫০ এমসিকিউ অনুশীলন কর৷ ব্যাখ্যা পড়। এভাবে পড়তে থাকলে বুঝে যাবে।

এভাবেই পড়তে পড়তে তুমি নিজেই বুঝে যাবে, কীভাবে গ্রামার আয়ত্ত করা যায়। কীভাবে প্রস্তুতি গোছানো যায়।

এর জন্য তোমাকে অবশ্যই শেখার আগ্রহ থাকতে হবে। অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নষ্ট করা যাবে না। লক্ষ্যের প্রতি অটুট থাকতে হবে। সবসমসয় শেখার আগ্রহ থাকতে হবে।

ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে হবে। হাল ছাড়া যাবে না। প্রতিদিন টার্গেট কমপ্লিট করতে হবে। সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

এমন অনেক স্টুডেন্ট আছে, যারা নিজে নিজে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। খারাপ রেজাল্ট নিয়েও অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে।

তাদের চেষ্টা, অক্লান্ত পরিশ্রম, ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, নিজের লক্ষ্যের প্রতি অটুট থাকা, আত্মবিশ্বাস রাখা এবং সর্বোচ্চ চেষ্টার ফলেই সম্ভব হয়েছে।

তুমি চাইলে তুমিও পারবা। চেষ্টা করে যাও। তোমার মধ্যে যথেষ্ট যোগ্যতা আছে। বিশ্বাস কর, নিজেকে বলো তুমিও পারবা। ইন শা আল্লাহ্, তুমিও পারবা।

যারা সেকেন্ড টাইমার(মানবিক+বিভাগ পরিবর্তন), যারা বাসায় থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছো, তাদের জন্য এক্সাম ব্যাচে ভর্তি চলছে। বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ দাও। এটাই হয়ত তোমার সেকেন্ড টাইমে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন পূরণ করতে যথেষ্ট হবে। ইনবক্সে মেসেজ দাও।

এডমিশন প্রস্তুতি বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাও। পোস্ট হেল্পফুল মনে হলে শেয়ার দিয়ে রাখতে পারেন, অন্যরাও উপকৃত হবে। ধন্যবাদ।

ফলো- Meritora Academy

Tuhin Hossain
A Unit :35th
2021-22
University of Rajshahi

কী লক্ষ্য করছেন? পড়েন তো, কী লেখা আছে?
13/09/2026

কী লক্ষ্য করছেন? পড়েন তো, কী লেখা আছে?

এক অস্থির জেনারেশন আমরা। বিলিভ অর নট, এই জেনারেশনের স্পেসিফিক কোনো লক্ষ্য নাই। এদের আদর্শিক কোনো এমবিশান নাই। পবিত্র কোন...
13/09/2026

এক অস্থির জেনারেশন আমরা। বিলিভ অর নট, এই জেনারেশনের স্পেসিফিক কোনো লক্ষ্য নাই। এদের আদর্শিক কোনো এমবিশান নাই। পবিত্র কোনো মিশন নাই।

এরা বই পড়ে না, নিউজপেপার পড়ে না। আউটডোর খেলাধুলায়ও এদের অনীহা। Exercise করে না!

এরা রৌদ্রে হাঁটতে পছন্দ করে না। বৃষ্টিতে ভিজতে চায় না। কাঁদামাটি, ঘাস, লতাপাতায় এদের এলার্জি। এরা আধা কিলোমিটার গন্তব্যে যেতে আধা ঘন্টা রিক্সার জন্য অপেক্ষা করে।
এরা অস্থির। প্রচণ্ডরকম অস্থির এক জেনারেশন।

এরা অপরিচিত সিনিয়রদের সালাম দেবে না। পাশ কাটিয়ে হনহন করে চলে যাবে। অথবা গা ঘেষে পা পাড়া দিয়ে চলে যাবে। সরি বলার টেণ্ডেন্সি এদের মধ্যে নাই। এরা অনর্থক তর্ক জুড়ে দেবে। না পাবেন বিনয়ী ভঙ্গি, না পাবেন কৃতজ্ঞতাবোধ। এদের উদ্ধত আচরণ, সদম্ভ চলাফেরায় আপনি ভয়ে কুকড়ে যাবেন। সংযত হওয়ার উপদেশ দিতে চাইলেই বিপদ, নাজেহাল হওয়ার সম্ভাবনা অধিক।

আপনি পাব্লিক বাসে চড়ছেন, দেখবেন খালি সীটটায় জায়গা পেতে সবচেয়ে জুনিয়র ছেলেটা বেশি প্রতিযোগিতা করবে। আপনাকে ধাক্কাটাক্কা দিয়ে সটান বসে পড়বে। তার বয়সের দ্বিগুন এই আপনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া তেমন কিছু করার থাকে না।

বলছিলাম এই জেনারেশনের কথা। সবচেয়ে ভয়াবহ ফিতনার কথা যে মজলিসে এই জেনারেশন দাঁড়িয়ে থাকার কথা, সেই মজলিসে তারা নিজের জন্য চেয়ার খোঁজ করে। যেখানে চুপ থাকার কথা, সেখানে জ্ঞান দিতে চেষ্টা করে।

সারা রাত ধরে অনলাইনে থাকে, সারা সকাল ঘুমায়। এরা সূর্যোদয় দেখে না, সূর্যাস্ত দেখে না। সূর্যোদয়ে বিছানায় থাকে, সূর্যাস্তে মোবাইলে থাকে।

এরা ফার্স্টফুডে আসক্ত।
এরা আউটডোর খেলা অপছন্দ করে। এরা ইনডোরে স্বস্তি পায়। নির্দিষ্ট করে বললে মূলত অনলাইন গেম, ফেইসবুক স্ক্রলিং, ইউটিউব দেখা, মুভি, নাটক দেখা তাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি।

এরা ইতিহাস পড়ে না। সাহিত্য বুঝে না। এরা নজরুল চিনে না, রবীন্দ্রনাথ চিনে না, ফররুখ চিনে না। সাদী, রুমি, হাফিজ ত বহু অচেনা প্রসঙ্গ। এরা বই বুঝে না, বই পড়ে না, বই কিনে না৷

এরা নন-স্কিলড। এরা হাঁটতে পারে না, দৌড়াতে পারে না, গাছে চড়তে জানে না, সাতার কাটতে পারে না। সাগর পাড়ি দেওয়ার সেই দু:সাহসিকতা নাই, পাহাড় কেটে পথ তৈরি করার সেই অদম্য মনোবল নাই। এদের উচ্ছ্বাস নাই। আবেগ নাই। সৎ সাহস নাই। এদের একটাই স্কিল- স্মার্ট ফোন দ্রুত স্ক্রল করতে পারা৷

এদের না আছে মূল্যবোধ, না আছে শ্রদ্ধাবোধ, না আছে শৃঙ্খলাবোধ।
কখন চলতে হবে, কখন থামতে হবে, কখন বলতে হবে, কখন শুনতে হবে এরা জানে না। এরা কি যে জানেনা সেইটাও জানেনা।

পোস্ট টা ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।
ধন্যবাদ!

#সংগৃহীত

Follow: Meritora Academy

Tuhin Hossain
University of Rajshahi

বাসায় বসে একা কিভাবে স্পোকেন ইংলিশ শিখবেন? বাংলাদেশে ইংরেজি বলা এখন আর শুধু শিক্ষার অংশ নয়।এটি আত্মবিশ্বাস, ক্যারিয়ার, উ...
13/09/2026

বাসায় বসে একা কিভাবে স্পোকেন ইংলিশ শিখবেন?

বাংলাদেশে ইংরেজি বলা এখন আর শুধু শিক্ষার অংশ নয়।এটি আত্মবিশ্বাস, ক্যারিয়ার, উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
প্রশ্ন হলো, বাসায় বসে, একা একাই, ইংরেজিতে কথা বলা শেখা কি সম্ভব?উত্তর: ১০০% সম্ভব।

আপনাকে আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে তা হচ্ছে,
1.স্পোকেন ইংলিশ কী?
2.কোথা থেকে শুরু করবেন?
3.কীভাবে প্রতিদিন অনুশীলন করবেন?
4.কোন টুলস ও কৌশল ব্যবহার করবেন?
5.কীভাবে এক্সপার্ট লেভেল পর্যন্ত যাবেন?

স্পোকেন ইংলিশ কী?

স্পোকেন ইংলিশ মানে হলো ইংরেজি ভাষায় দৈনন্দিন ভাব প্রকাশ করতে পারা। যেমন: প্রশ্ন করা, উত্তর দেওয়া, আলোচনা করা, আত্মপ্রকাশ করা ইত্যাদি।
এটি কেবল ব্যাকরণ জানার বিষয় নয়, বরং চর্চা, আত্মবিশ্বাস এবং অভ্যাসের বিষয়।

প্রথমে আপনার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন:

আপনি কেন Spoken English শিখতে চান? আপনার লক্ষ্যটি পরিষ্কার করুন:

1.চাকরির প্রস্তুতি?
2.IELTS/TOEFL?
3. বিদেশ ভ্রমণ বা পড়াশোনা?
4.নিজের আত্মউন্নয়ন?
লক্ষ্য স্পষ্ট থাকলে শেখার গতি দ্বিগুণ হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে,কোথা থেকে শুরু করবেন? (Beginner Guide)

ক. শব্দভান্ডার (Vocabulary):প্রতিদিন ৫-১০টি নতুন শব্দ শিখুন, অর্থ, উচ্চারণ ও ব্যবহারসহ।
শেখার টপিক:
Greetings (Hello, Good morning),Daily activities (eat, sleep, go),Weather, shopping, family, office.

টুলস:
Google Translate
Oxford Learner's Dictionary

খ. প্রাথমিক বাক্যগঠন (Basic Sentence Patterns)

উদাহরণ বাক্য:
I am going to the market.
She is reading a book.
What is your name?
Can you help me?

চর্চা করুন:
Affirmative Sentences
Negative Sentences
Interrogative Sentences
WH- Questions

গ. ব্যাকরণের দরকারি অংশ (Essential Grammar)

আপনার দরকার শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় Grammar,
★Tense (Present, Past, Future)
★Subject-Verb Agreement
★Modal Verbs (Can, Should, Must)
★Prepositions (in, on, at)
★Question Formation Rules
পুরো Grammar মুখস্থ না করে, প্রয়োজনমতো ব্যবহার শেখাই মুখ্য।

৪. প্রতিদিন অনুশীলনের কার্যকর রুটিন:

১. একা একা বলুন (Self Practice),
★আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলুন।দিনের শেষে নিজে নিজে বলুন।"What did I do today?"
যেকোনো কাজ করার সময় ইংরেজিতে ভাবুন ও বলুন।

২. শুনুন ও অনুকরণ করুন (Listen & Repeat)

★BBC Learning English
★EnglishClass101 / Speak English with Mr. Duncan (YouTube)
★Netflix সিরিজ – সাবটাইটেল সহ দেখে অনুকরণ করুন।

৩. অ্যাপ ব্যবহার করুন
★Hello English
★Duolingo
★Cake App
★Tandem (স্পোকেন পার্টনার খুঁজতে)।
সময়: প্রতিদিন ৩০ মিনিট যথেষ্ট, তবে নিয়মিত হতে হবে।

৫. স্পোকেন পার্টনার/গ্রুপ তৈরি করুন:

প্রতিদিন ১০ মিনিট ইংরেজিতে কথা বলার বন্ধুর সাথে চ্যালেঞ্জ নিন।WhatsApp/Facebook-এ English conversation group তৈরি করুন।Online English Club-এ যোগ দিন (Facebook Group, Reddit, Discord)।

৬. Intermediate Advanced যাত্রাপথ
★ Think in English
★ বাংলা না ভেবে সরাসরি ইংরেজিতে ভাবার অভ্যাস গড়ুন।যেমন: “আমি পানি খাব” “I will drink water”
Storytelling Practice
প্রতিদিন একটি গল্প পড়ে নিজের ভাষায় ইংরেজিতে বলুন।

Video Record & Playback:
নিজের কথা বলার ভিডিও রেকর্ড করে শুনুন।উচ্চারণ, ভঙ্গিমা ও ভুল যাচাই করুন।

Writing Practice:
দৈনিক ৫-৬ লাইনের ইংরেজি ডায়েরি লিখুন।Facebook Caption/Post ইংরেজিতে লেখার অভ্যাস করুন।

৭. ভয় ও ভুলের ভয় কাটিয়ে উঠুন:
ভুল করাটাই শেখার প্রথম ধাপ।মানুষ আগে ভুল করে, পরে শিখে।Perfect English নয়, Communicative English শেখাই মূল উদ্দেশ্য।

৮. এক্সপার্ট হওয়ার জন্য চূড়ান্ত কৌশল
করণীয়:
Beginner -Vocabulary, Basic Grammar, Self-Practice.
Intermediate- Think in English, Partner Conversation.
Advanced- Fluent Communication, Accent Tuning, Formal Speech.

৬ মাসের পরিকল্পনা নিন। প্রতিদিন ৩০-৬০ মিনিট ব্যয় করুন। রিভিউ নিন, ফিডব্যাক নিন, ভুল থেকে শিখুন

বাসায় বসেই আপনি স্পোকেন ইংলিশে দক্ষ হতে পারেন, যদি একটি নির্দিষ্ট রুটিন অনুসরণ করেন। প্রতিদিন অনুশীলন করেন।সঠিক রিসোর্স ব্যবহার করেন।আত্মবিশ্বাস নিয়ে শেখা চালিয়ে যান।

স্পোকেন ইংলিশ শেখা কোনো জাদু নয়, এটি একটি অভ্যাস। আপনি যদি প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট মনোযোগ দিয়ে প্র্যাকটিস করেন, তাহলে ৩–৬ মাসের মধ্যে ফলাফল চোখে পড়বে।

শুরু করুন আজ থেকেই Speak to Learn, Learn to Speak.

তথ্য সংগ্রহ : Aayan Rahman
#সংগৃহীত

Follow: Meritora Academy

13/09/2026

Stay with this page to get more about BCS & other jobs updates.

Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Meritora Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Meritora Academy:

Shortcuts

Share