Samiul's Classroom

Samiul's Classroom

Share

সহজ ভাবে নাও,দেখবে বিষয়টা সহজ,
হোক সেটা জ্ঞান অর্জন অথবা জীবন।

30/12/2025

The Unbeatable 23-0
আপোসহীন অপরাজেয় কিংবদন্তি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

তাঁর রাজনৈতিক পথচলার শুরু থেকেই তিনি ছিলেন আপোসহীন। আপোস না করার কারণে যুগে যুগে তিনি ও তাঁর দল নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, শত নির্যাতনের মাঝেও তিনি ন্যায়কে গ্রহণ করেছিলেন।

জেনারেল এরশাদের সাথে তিনি কখনও আপোস করেননি, অংশগ্রহণ করেননি ৮৬ ও ৮৮-এর নির্বাচনে। সেখান থেকেই তৎকালীন স্বৈরাচারবিরোধী নেতাকর্মী ও জনতার দ্বারা প্রথম তিনি আপোসহীন নেত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন।

তাঁর সেই আপোসহীন নেতৃত্ব তিনি আমৃত্যু বজায় রেখেছিলেন।

প্রথম ৯১-এর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন ৫টি আসন থেকে। ছিলেন ৫-০ তে অপরাজেয়।

২য় বারে ৯৬-এর ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও তিনি ৫টি আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন।
ছিলেন ৫-০ তে অপরাজেয়।

৩য় বারে ৯৬-এর জুনের নির্বাচনেও ৫টি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
সেবারেও ছিলেন ৫-০ তে অপরাজেয়।

৪র্থ বারে ২০০১ সালের নির্বাচনেরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ৫টি আসন থেকে।
সেই নির্বাচনেও ছিলেন ৫-০ তে অপরাজেয়।

২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে একজন প্রার্থীর সর্বোচ্চ তিন আসন থেকে নির্বাচন করার বৈধতা সংশ্লিষ্ট আইন করলে, বেগম জিয়া ৩ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সে নির্বাচনে বিএনপি মাত্র ৩০ আসনে জয়ী হলেও অপরাজেয় ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

তাঁর রাজনৈতিক জীবনে তিনি মোট ২৩টি আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ছিলেন ২৩টি আসনেই অপরাজেয়।

বাংলাদেশে ফ্যাসিজম প্রতিষ্ঠা না হলে আমরা আজকে ২৩-০ ইতিহাসের জায়গাতে ৩২-০ ইতিহাস পেতাম।
ইতিহাস যত ভালোই হোক, ইতিহাসের প্রতি আক্ষেপ থেকে যাওয়া আমাদের সহজাত বৈশিষ্ট্য। তাই আমাদেরও থেকে গেল....

আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন,
"ওদের হাতে গোলামির জিঞ্জির, আর আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা।"

তিনি বলেছিলেন,
"দেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই। এটাই হলো আমার ঠিকানা। এই দেশ, এই দেশের মাটি-মানুষই আমার সবকিছু।"

তিনি বলেছিলেন,
"আমি দেশ ছেড়ে, দেশের মানুষকে ছেড়ে আমি কোথাও যাবো না। এ দেশই আমার একমাত্র ঠিকানা। দেশের বাইরে আমার কোনো কিছু নেই, আমার কোনো ঠিকানা নেই।"

তিনি বলেছিলেন,
"আমরা সকলকেই বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই। কিন্তু কেউ যদি আমাদের বন্ধুর বেশে প্রভু হতে চায়, সেটা আমরা কখনো মেনে নিবো না, মানতে দিবো না। কারো প্রভুত্ব বাংলাদেশের জনগণ স্বীকার করবে না।"

10/12/2025

নাইজার দেশের তরুণীর মতো অবস্থা আসিফ, মাহফুজের না হোক, সফলভাবে জনতার কাতারে প্রত্যাবর্তন করুক—এই প্রত্যাশা।

স্মরণ করছি সংস্কার নিয়ে খুবই প্রাসঙ্গিক লিমারিক—
"There was a young lady of Niger
Who smiled as she rode on a tiger;
They returned from the ride
With the lady inside,
And the smile on the face of the tiger."

রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর সংস্কারকে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান স্যার বাঘের পিঠে চড়ে শিকারের সাথে তুলনা করেছেন। যে শিকার অভিযান অনেক ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রাণঘাতী, তবুও অধিকাংশ সংস্কারকই শুরুতে অনেক হাস্যোজ্জ্বল ও অহংকারের সাথে সংস্কার শুরু করে। এ ধরনের সংস্কার রাষ্ট্রের কোনো বড় পরিবর্তন (গণ-অভ্যুত্থান/সামরিক অভ্যুত্থান) উত্‍স হিসেবে শুরু হয়। ইতিহাস বলে, এ ধরনের অভিযান পরিচালনা খুব কম সংখ্যক রাষ্ট্রনায়কই করতে পেরেছেন; অধিকাংশই পারেননি। যারা পারেননি তারা রাষ্ট্রের পূর্বের কাঠামো কর্তৃক অথবা নিজেদের দ্বারাই নিজেরা গ্রাস হয়ে গেছেন—ঠিক যেমন বাঘের পিঠে চড়ে শিকারের অভিযানে গিয়ে সেই বাঘ দ্বারাই শিকারি শিকার হয়ে গেছেন।

আমাদের ছাত্র উপদেষ্টারা কি আংশিক সংস্কার শেষে সফলভাবে জনতার কাতারে ফিরতে পারবেন, নাকি নাইজার দেশের সেই ‘ইয়াং লেডি’-র মতো নিজেরাই শিকারে পরিণত হবেন? আশা করছি নাহিদ ইসলামের ন্যায় আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম বাঘের পিঠে থেকে অক্ষত অবস্থাতেই প্রত্যাবর্তন করবেন। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম নাহিদ ইসলামের ন্যায় অর্থনৈতিক ক্লিয়ারেন্স জনগণের সামনে উপস্থাপন করবেন—এই প্রত্যাশা করি।

19/10/2025

আসসালামু আলাইকুম।

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Rajshahi