H M ABDUR ROUF

H M ABDUR ROUF

Share

for peaceful intertainment

29/03/2026

الوقت ليس عدوك… بل هو القاضي الذي يحكم عليك بصمت; كل ثانيةٍ تمرّ إمّا شهادة لك… أو دليل ضدك، والحكم يُكتب دون أن يمنحك فرصة الاستئناف.
সময় আপনার শত্রু নয়… সে এক নীরব বিচারক; প্রতিটি মুহূর্ত হয় আপনার পক্ষে সাক্ষ্য… অথবা আপনার বিপক্ষে প্রমাণ, এবং এই রায় এমনভাবে লেখা হয় যার বিরুদ্ধে কোনো আপিল চলে না।

22/12/2025
21/03/2025

اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি মহানুভব ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে পছন্দ করেন, অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।’ (তিরমিজি: ৩৫১৩)

৬. তাওবা করা
মহান আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফ করিয়ে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার মাস রমজান। প্রিয়নবী (স.) নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন ৭০ থেকে ১০০ বার তাওবা ও ইস্তেগফার করতেন। রমজান ছাড়াও এই আমল নবীজির নিয়মিত ছিল। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (স.)-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহর শপথ! আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে ৭০ বারেরও বেশি ইস্তিগফার ও তাওবা করে থাকি।’ (বুখারি: ৬৩০৭)

কোনো ব্যক্তি যদি রমজানে তার গুনাহ ক্ষমা করাতে ব্যর্থ হয়, তবে তার প্রতি রাসুলুল্লাহ (স.)-এর হুঁশিয়ারি আছে। তিনি বলেছেন, ‘ওই ব্যক্তির নাক ধুলাধূসরিত হোক, যে রমজান পেল এবং তার গুনাহ মাফ করার আগেই তা বিদায় নিল।’ (তিরমিজি: ৩৫৪৫)

৭. সদকাতুল ফিতর আদায় করা
পবিত্র রমজানের শেষ দশকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল সদকাতুল ফিতর আদায়। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর যুগে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ঈদের নামাজের আগেই সদকাতুল ফিতর আদায় করতেন। (বুখারি: ১৫০৩)

নবীজির উম্মত হিসেবে আমাদের উচিত- নবীজি (স.)-এর শেখানো উল্লেখিত আমলগুলো শেষ দশকে যথাযথ সম্পন্ন করা। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দান করুন। আমিন।

21/03/2025

পবিত্র রমজানের শেষ দশক খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শেষ দশকে লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। রাসুলুল্লাহ (স.) এই দিনগুলোতে আমলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতেন। আমাদের উচিত, পবিত্র রমজানের এই দশককে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া। ইবাদত-বন্দেগি বাড়িয়ে দেওয়া। শেষ দশকে নবীজি (স.)-এর বিশেষ কিছু আমল নিচে তুলে ধরা হলো।

১. ইবাদতের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া
পুরো রমজান জুড়েই নবীজি আমলের ওপর থাকতেন। শেষ দশক এলে তা আরো বেড়ে যেত। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) শেষ দশকে ইবাদতের মাত্রা এত বেশি বাড়িয়ে দিতেন, যেমনটি অন্য সময় করতেন না। (আস সুনানুল কুবরা: ৮৩৫১; মুসলিম: ১১৭৫)

২. পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দেওয়া
রমজানের শেষ দশকে রাসুলুল্লাহ (স.) রাত জাগতেন। শেষরাতে পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, রমজানের শেষ দশক এলে রাসুল (স.) কোমর শক্ত করে বেঁধে নিতেন এবং রাত জেগে থাকতেন ও পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন। (বুখারি: ২০২৪)

৩. ইতেকাফ করা
রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি সুন্নত আমল। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘ইন্তেকাল পর্যন্ত রাসুলুল্লাহ (স.) রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করেছেন। এরপর তাঁর স্ত্রীরাও ইতেকাফ করেছেন।’ (বুখারি: ১৮৬৮; মুসলিম: ২০০৬)

৪. লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান
মহান আল্লাহ লাইলাতুল কদর সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমি একে নাজিল করেছি মহিমান্বিত রাতে (লাইলাতুল কদর)। আপনি কি জানেন মহিমান্বিত রাত কী? মহিমান্বিত রাত হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। সেই রাতে প্রতিটি কাজের জন্য ফেরেশতারা এবং রুহ তাদের প্রতিপালকের আদেশক্রমে অবতীর্ণ হয়। সেই রাতে শান্তিই শান্তি, ফজর হওয়া পর্যন্ত।’ (সুরা কদর: ১-৫)

লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান বলতে মূলত বিশেষ ফজিলত লাভের আশায় গুনাহ বর্জন এবং ইখলাসের সঙ্গে দোয়া-দরুদ, জিকির-আজকারের মাধ্যমে সময় অতিবাহিত করাকে বোঝানো হয়। যেহেতু রাতটি কখন তা নিশ্চিত নয়, তাই শেষ দশকে বিশেষ করে বিজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করতে বলা হয়। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, তোমরা শেষ দশকের বিজোড় রাতে লাইলাতুল কদরের অনুসন্ধান করো। (বুখারি: ২০১৭)

৫. বেশি বেশি দোয়া করা
নবীজি (স.) রমজানের শেষ দশকে বেশি বেশি দোয়া করতেন। উম্মতকে শেষ দশকে বেশি বেশি দোয়া করার পরামর্শ দিতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, যদি আমি লাইলাতুল কদর জানতে পারি, তাহলে সে রাতে কী বলব? তিনি বলেন, তুমি বলো-

16/09/2024

১২ ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৬ হিজরী।

রাসূল (সাঃ) এর জীবনী ঘিরে দুটি বিষয় আমরা পালন করে থাকি, ঈদে মিলাদুন্নবী ও সিরাতুন্নবী। মিলাদ ও সিরাত দুটি আরবি শব্দ। মিলাদ অর্থ জন্ম আর সিরাত শব্দের অর্থ জীবনচরিত। সুতরাং মিলাদুন্নবী (সা.) অর্থ নবীজির জন্ম আর সিরাতুন্নবী (সা.) এর অর্থ নবীজির জীবনচরিত। মূলত নবীজির শুভ বেলাদাত বা জন্মকে স্মরণ করে যে অনুষ্ঠান হয় তাকে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল বলা হয়। আর নবীজির জীবনচরিত আলোচনার জন্য যে অনুষ্ঠান তাকে সিরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল বলা হয়।

সিরাতুন্নবী (সা.) শিরোনামে যে মাহফিল হয় সেখানে রাসূলে পাক (সা.) এর জন্মবৃত্তান্তকে বাদ দিয়ে জীবনচরিত আলোচিত হয় না বরং জন্ম থেকে শুরু করে পুরো জীবনীই আলোচনা করা হয়। যার গুরুত্ব ও শিক্ষা প্রতি মুসলামানের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

রাসূল (সাঃ) এমন একজন আদর্শিক মানুষ ছিলেন, যিনি শুধু মুসলমানদের নিকটই নয়, একজন বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে ভিন্ন ধর্মাবলম্বিরাও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকতো। কাফির, মুশরিক এমনকি জানের দুশমনরাও যার সত্যবাদির জন্য তাকে ‘আল আমিন’(বিশ্বস্ত) বলে ডাকতো।

পৃথিবীর এই মহামানবের আগমনে কিসরা ও কাইজার গণচুম্বি প্রাসাদ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তখন পারস্যের অগ্নিপূজারীদের হাজার বছরের প্রজ্জ্বলিত অগ্নিকুণ্ড, যার তারা পূজা করত, তা নিভে যায়। অন্ধকার দূর হয়ে আলোর পথে আসে তৎকালীন জাহেলি সমাজ। পৃথিবী ধ্বংসের আগ পর্যন্ত তাকে বিশ্ববিবেক কখনো ভুলে যাবে না।

১২ রবিউল আউয়াল রাসূল (সাঃ) পৃথিবীতে আসেন ও একই দিনে আল্লাহর ডাকে সাড়া দেন। তিনি আজ পৃথিবীতে নেই, সেটিই ভাববার বিষয়। তবে তাঁর আগমন ও প্রস্থান নিয়ে শোক পালন বড় কথা নয়, তার জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে তাঁকে অনুসরণ করাই একজন প্রকৃত মুসলামানের কাজ।

কোরআন ও সুন্নাহকে আকড়ে ধরে ইসলামকেই ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তির পথ হিসেবে মানতে হবে। ঠিক যেভাবে তিনি করেছেন।

আজ আমাদের মাঝে তিনি নেই। তাতে কি হয়েছে? নবীর সিরাত (৬৩ বছরের জীবনী) তো আছে? নবীর সিরাত সম্পর্কে আল্লাহপাক কুরআনে ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহর জীবনে রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ। (সূরা-আহযাব: ২১)

সূরা নূরের ৫৪ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘যদি তোমরা রাসূলকে অনুসরণ কর, তবেই তোমরা সত্যপথের সন্ধান পাবে’।
এছাড়াও তিনি বলেন,
আর জেনে রাখ, আমি তোমাদের মাঝে ছেড়ে যাচ্ছি এমন এক বস্ত্ত, যা মযবূতভাবে ধারণ করলে তোমরা কখনোই পথভ্রষ্ট হবে না। সেটি হ’ল আল্লাহর কিতাব’। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ও তাঁর নবীর সুন্নাহ’ (মুওয়াত্ত্বা হা/৩৩৩৮)।

জেনে রাখা দরকার যে, রাসূলের অনুসরণ ব্যতীত ইহ-পরকালে নাযাত পাওয়া নিতান্তই দূরূহ ব্যাপার। রাসূল্লাহর অনুসরণের মাঝেই সকল প্রকার সাফল্য নিহিত রয়েছে।

এ সর্ম্পকে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘যে কেউ আল্লাহর আনুগত্য করে এবং রাসূলের অনুসরণ করে, সে অবশ্যই মহাসাফল্য লাভ করবে’। (সূরা আহযাব : ৭১)

নবিজী বলেন, ‘আমার উম্মতের সকল লোকই জান্নাতী হবে, অস্বীকারকারী ব্যতীত। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! অস্বীকারকারী কে? উত্তরে তিনি বললেন, যে আমার অনুসরণ করবে সে বেহেশতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার নাফরমানী করবে সে অস্বীকারকারী’। (বুখারি :৭২৮০)

রাসূল অনুসরণের অর্থ হলো, তার আদর্শ গ্রহণ করা, ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় জীবন থেকে নিয়ে সর্বক্ষেত্রে রাসূলের আদর্শ মেনে চলা। আমাদের সমাজ আজ রাসূলের আদর্শ থেকে সরে এসেছে। আজ রবিউল আওয়াল মাস এলেই আমরা দিবস পালনের নামে বর্ণাঢ্য র‌্যালি-মিছিল নিয়ে ব্যস্ত থাকি! রবিউল আওয়ালের পর্যালোচনার ফুরসত কোথায়?
শুধু রবিউল আউয়াল মাসে নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সারা বছর আমাদের রাসূল (সা:) এর আদর্শ সামনে রেখে চলতে হবে । তবেই আমরা প্রকৃত অর্থে আশেকে রাসূল (সা:) হতে পারবো।

শেষ কথা, সিরাতুন্নবীর মাঝেই রয়েছে মিলাদুন্নবী। অতএব মিলাদুন্নবীর (সা:)প্রতি আমাদের সম্মান থাকবে,আর সিরাতুন্নবীই (সা:) হবে উম্মতের জন্য অনুসরণীয়।

আল্লাহপাক আমদেরকে মনগড়া আমল, বিদআতি কার্যক্রম থেকে হেফাজত করুন এবং ব্যক্তি জীবন থেকে নিয়ে রাষ্ট্রীয় জীবনসহ সর্বক্ষেত্রে রাসুল (সাঃ) এর আদর্শ অনুসরণের তাওফিক দান করুন। আমিন

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Rajshahi