Rajshahi teaching academy

Rajshahi teaching academy

Share

It is an educational page. This page is for students of Bangladesh who are studying in class-1 to class-12.

27/10/2024

নতুন বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থা নতুন ভাবে ঢেলে সাজাতে হবে। যেন ১৮-২০ বছর বয়সের মধ্যে পড়াশোনা শেষ করে সবাই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। এরপর যারা উচ্চতর শিক্ষা অর্জন করতে চায় বা গবেষণা করতে চায় তারা সেই সুযোগ পাবে ও সরকার থেকে যথেষ্ট সহযোগিতা পাবে। আর যারা চায় না তারা যেন কর্মজীবনে পদারপন করতে পারে। উচ্চতর শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতামূলক নয়।

Send a message to learn more

31/07/2024
23/08/2023
14/08/2023

How wave works

24/07/2023

Sodium metal

01/07/2023

বিসিএস প্রশ্ন...
ঘরে বিদ্যুৎ নাই,,বাহিরে বৃষ্টি পড়ছে,,কাল তার পরীক্ষা,, এখন বলতে হবে পরিক্ষাটা কার।।

30/06/2023

সুবিধাবাদী চাচা🫠

ভাতিজা : চাচা, এইবার বাড়িতে লাউ গাছ লাগাইছিলাম।
চাচা : ভালো করছোস। বইসা না থাইকা কিছু করা ভালো।
ভাতিজা : তো গাছে একটা বড় লাউ ধরেছিল।
চাচা : বড় লাউ ধরবো না তো ছোট লাউ ধরবো? তুই আমার ভাতিজা না।
ভাতিজা : লাউডারে বিক্রির জন্য বাজারে নিয়া গেলাম।
চাচা : ভালো করছোস, অত বড় লাউ খাওয়া সম্ভব না।
ভাতিজা : বাজারে এক পুলিশ লাউ এর দাম জিজ্ঞেস করলো।
চাচা : পুলিশ হইলেও তো তার বাজার-সদাই করা লাগে, দাম জিজ্ঞেস করবো নাতো কি করবো।
ভাতিজা : আমি ৫০০ টাকা চাইলাম।
চাচা : বড় লাউ, ৫০০ টাকা চাইবি নাতো কি ৫০ টাকা চাইবি?
ভাতিজা : পুলিশ বললো ১০ টাকায় দিবেন।
চাচা : ঠিকইতো বলেছে একটা লাউ কি পুলিশে ৫০০ টাকায় নিবো?
ভাতিজা : আমি বললাম, বাপের জনমে লাউ খাইছেন?
চাচা : ভালো করছোস, তুই আমার ভাতিজা না। তুই কি পুলিশরে ভয় পাইয়া কথা বলবি? ৫০০ টাকার লাউরে সে ১০ টাকা কয়।
ভাতিজা : এরপরে পুলিশে আমার কান ধইরা মইলা দিছে।
চাচা : ভালো করছে, তুই পুলিশের সাথে বেয়াদবি করবি আর সে কি তোরে আদর করব?
ভাতিজা : পরে পুলিশ আমারে থানায় নিয়া গেল।
চাচা : পুলিশতো থানায়ই নিব, সে কি তরে তার শ্বশুর বাড়ী নিব?
ভাতিজা : তারপর বড় দারোগা এসে আমাকে ছেড়ে দিলো।
চাচা : বড় দারোগা তোরে ছাড়বো সেটাই স্বাভাবিক, দেখতে হইবোনা তুই কার ভাতিজা😇🫢।
COLLECTED

30/06/2023

জানা-অজানা
গন্ধ কোথায় হারিয়ে যায়?
লেখা:আব্দুল্লাহ আল মাকসুদ
ময়লার স্তুপের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় নাক চেপে ধরি। ফুল বা সুগন্ধির আশপাশে থাকলে নিজেদের অজান্তেই মন ভালো হয়ে যায়। বদ্ধ ঘর উৎকট গন্ধে ভরে গেছে? জানালা-দরজা খুলে ঘরের মধ্যে বায়ুপ্রবাহ বাড়িয়ে নিলেই হয়, সমস্যার সমাধান। কিছু সময়ের মধ্যেই গন্ধ ভ্যানিশ। আবার ধরুন, তীব্র গরমে ঘামের গন্ধ থেকে বাঁচতে শরীরে সুগন্ধি ব্যবহার করেছেন। কিন্তু সারাদিনের চলাচলে সেটাও রাতে এসে আর খুঁজে পাবেন না।

গন্ধ যে শুধু আমাদের ভালো বা খারাপ লাগার অনুভূতি তৈরি করে, তা কিন্তু নয়। ভয়ংকর বিপদ থেকেও বাঁচিয়ে দেয় অনেক সময়। তবে সে যাই হোক না কেন, গন্ধের ব্যাপারে একটা জিনিস নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন—এটা বেশিক্ষণ এক জায়গায় থাকে না। ওপরের উদাহরণগুলোর মতো, উৎস খুব বড় বা তীব্র না হলে একই জায়গায় গন্ধের বেশি সময় থাকার সুযোগ নেই। হারিয়ে যায়। কিন্তু হারিয়ে যায় কোথায়?

দ্বিতীয়ত, গন্ধের কণাগুলো বাতাসের বিভিন্ন কণার সঙ্গে বিক্রিয়া করে নতুন কণা তৈরি করতে পারে। এসব নতুন কণা যদি আমাদের ঘ্রাণ রিসেপ্টরে ধরা না পড়ে, তাহলে গন্ধও পাব না
গন্ধ মূলত বিশেষ ধরনের রাসায়নিক মৌল বা যৌগের কণা। বিশেষ ধরনের বলতে, যেসব কণা আমাদের নাকে থাকা ঘ্রাণ শনাক্তকরণ কোষের (Smell Receptor) সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ায় জড়ায়, সেসবকে বোঝানো হচ্ছে। এই বিশেষ ধরনের কণাকে বলা হয় ঘ্রাণের অণু (Odor Molecules) ।

বাতাসে ভেসে বেড়ানো এসব কণা শ্বাসের মাধ্যমে নাকে ঢোকে। ঘ্রাণ শনাক্তকরণ কোষকে উদ্দীপ্ত করে। আমরা গন্ধ পাই। গন্ধের সঙ্গে ঘনত্বের একটা বড় সম্পর্ক আছে। ঘ্রাণ শনাক্তকরণ কোষ বাতাসের সব কণাকে ধরতে পারে না। অর্থাৎ সেগুলোর সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করতে পারে না। আবার যেসব কণার ঘ্রাণ পাওয়া যায়, সেগুলোর ঘনত্ব কমে গেলে আমরা আর ঘ্রাণ পাই না। এই ঘনত্বের পরিমাণ অবশ্য সব ক্ষেত্রে সমান নয়। নির্দিষ্ট গন্ধের জন্য বাতাসে ঘ্রাণ-কণার ঘনত্ব নির্দিষ্ট। অর্থাৎ এর কম হলে আমরা গন্ধ পাব না। এর মানে, কোনোটার ঘনত্ব কম হলেও গন্ধ পাওয়া যায়, আর কোনোটার ঘনত্ব হতে হয় অনেক বেশি।

উদাহরণ দিই। বাতাসের প্রতি ১০০ কোটি অণুতে দুটি হাইড্রোজেন সালফাইড অণু উপস্থিত থাকলেই আমরা পচা ডিমের গন্ধ টের পাই। অন্যদিকে নেইল পলিশের (অ্যাসিটন) গন্ধ টের পাওয়ার জন্য এর চেয়ে প্রায় ৫০ হাজার গুণ বেশি ঘনত্বের প্রয়োজন।

এবারে আসল প্রশ্নে আসি। গন্ধ কোথায় মিলিয়ে যায়? ঘটনাটি মূলত দুভাবে ঘটে। প্রথমত, বাতাস প্রবাহমান। গন্ধের অণুগুলো বাতাসের অণুর মাঝে ক্রমাগত ছোটাছুটি করছে। অণুর ধাক্কায় ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। ফলে, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাতাসে ওই ঘ্রাণ-কণার ঘনত্ব কমছে। তাই আমাদের নাক আর গন্ধটি শনাক্ত করতে পারছে না। এ সময় আমরা আর গন্ধ পাই না। মনে হয় যেন হারিয়ে গেল গন্ধটা।

দ্বিতীয়ত, গন্ধের কণাগুলো বাতাসের বিভিন্ন কণার সঙ্গে বিক্রিয়া করে নতুন কণা তৈরি করতে পারে। এসব নতুন কণা যদি আমাদের ঘ্রাণ রিসেপ্টরে ধরা না পড়ে, তাহলে গন্ধও পাব না। হঠাৎ মনে হবে গন্ধটা হারিয়ে গেল। আসলে তো হারায়নি। হয় বদলে গেছে, নয়তো ছড়িয়ে গেছে। ঘটনা এতটুকুই।

আমাদের নাকে প্রায় ৪০০ ধরনের ভিন্ন ভিন্ন ঘ্রাণ শনাক্তকারী কোষ আছে। এগুলোর সাহায্যে আমরা প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ভিন্ন ভিন্ন গন্ধ শনাক্ত করতে পারি। ভাগ্যিস পারি, তা না হলে সুগন্ধ-দুর্গন্ধ নিয়ে পৃথিবীতে চলা বিপুল কর্মযজ্ঞ ঘটতই না কখনো। খাবার হতো ভীষণ বিস্বাদ।

লেখক: শিক্ষার্থী, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, তেজগাঁও কলেজ, ঢাকা

সূত্র: সায়েন্স ফোকাস

30/06/2023

জানা-অজানা
চুম্বকের মেরু দুটো কেন?
উচ্ছ্বাস তৌসিফ
প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৩, ১১: ০০
চুম্বকের মেরু দুটো কেন?
চুম্বকের সঙ্গে আমাদের প্রায় সবারই পরিচয় ছোটবেলায়। খেলনা গাড়ি খুলে-টুলে চুম্বকটা বের করে নিতে দারুণ মজা লাগত। আর আলাদা করে যেসব চুম্বক কিনতে পাওয়া যেত, সেগুলো হাতে নিলে রাখতেই ইচ্ছে করত না। একটু বড় হয়ে আমরা বুঝলাম, চুম্বক জিনিসটা বড় অদ্ভুত!

আমরা জানি, চুম্বকের দুটো মেরু থাকে। উত্তর ও দক্ষিণ মেরু। লোহা ও অন্যান্য জিনিসকে আকর্ষণ করে তো বটেই। তবে একটা দণ্ড চুম্বকের উত্তর মেরু আরেকটি দণ্ড চুম্বকের দক্ষিণ মেরুকে আকর্ষণ করে। কিন্তু উত্তর মেরুর কাছে উত্তর মেরু আনলে দুটো চুম্বকই ছিটকে যায় দুদিকে। অদ্ভুত বিষয়টা হলো, একটা দণ্ড চুম্বককে মাঝখান থেকে কেটে বা ভেঙে ফেললে ওটার কোনো একটা মেরু চলে যায় না। বরং নতুন দুটো চুম্বক হয়, প্রতিটারই আবার দুটো করে মেরু থাকে!

আরেকটু বড় হয়ে আমরা জানলাম, চুম্বক শুধু উত্তর-দক্ষিণে ফিরে থাকে। পূর্ব-পশ্চিমে ফেরানোই যায় না। এর কারণ, পৃথিবীর কেন্দ্রটাই আস্ত একটা চুম্বক! সেজন্য পৃথিবীর ভূচুম্বকের উত্তর মেরু আমাদের খেলনা চুম্বকগুলোর দক্ষিণ মেরুকে আকর্ষণ করে। আর আমাদের চুম্বকের উত্তর মেরুকে আকর্ষণ করে ভূচুম্বকের দক্ষিণ মেরু। এই বৈশিষ্ট্যের জন্য চুম্বক দারুণ কাজের জিনিস। আমরা এখন জানি, শুধু খেলনা গাড়িতেই নয়, বাস্তবের বড় গাড়ি কিংবা ফ্রিজেও চুম্বক থাকে। এমনকি এই চৌম্বক বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমআরআই-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ন্যাশনাল হাই ম্যাগনেটিক ফিল্ড ল্যাবরেটরি। এ গবেষণাগারের পরিচালক গ্রেগ বোয়েবিঙ্গার। তিনি বলছেন, ‘চুম্বক পদার্থবিজ্ঞানের গূঢ় রহস্যগুলোর একটি। মানুষ এই চুম্বক ব্যবহার করছে হাজার বছর ধরে। তবে বিজ্ঞানীরা আজও এর ব্যাপারে নতুন নতুন তথ্য জানছেন।’

এই যে চুম্বকের এত গুণ, যার মূলে আছে তার ওই দুই মেরু—এই মেরু তৈরি হয় কীভাবে? আমরা জানি, লোহায় বিদ্যুৎ পরিচালনা করলে তার চুম্বকধর্ম দেখা যায়। আবার আমাদের চুম্বকের দক্ষিণ মেরুকে ভূচুম্বকের উত্তর মেরু আকর্ষণ করে। কিন্তু এই চুম্বক জিনিসটা কী? মেরুগুলো তৈরি হচ্ছে কীভাবে?

এই প্রশ্নটির সবচেয়ে মৌলিক জবাব হলো, যে পদার্থ দিয়ে চুম্বকটি তৈরি, তার ভেতরে রয়েছে ওই পদার্থের পরমাণু। আর পরমাণুর ভেতরে আছে ইলেকট্রন। আসল কেরামতি এই ইলেকট্রনদের।

পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস। আর একে ঘিরে থাকে এক বা একাধিক ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন। প্রতিটি ইলেকট্রন তার চার্জের জন্য একটা অতিক্ষুদ্র চুম্বকক্ষেত্র তৈরি করে। বিজ্ঞানীরা ইলেকট্রনের এই বৈশিষ্ট্যকেই বলেন স্পিন। এই অতিক্ষুদ্র চুম্বকক্ষেত্রগুলোর বেশ কয়েকটির মেরু যদি একইদিকে থাকে, তাহলে সেই বস্তুটা চুম্বক পদার্থে পরিণত হয়।

এমনিতে ইলেকট্রনের স্পিন ধর্মটি একটি বিমূর্ত ধারণা। নামটি ‘স্পিন’, যার বাংলা হয় ঘূর্ণন—তাই অনেকে মনে করেন, ইলেকট্রন স্পিন করে মানে বুঝি ঘোরে। আসলে তা নয়। আসলে চার্জযুক্ত কোনো বস্তু ঘুরতে থাকলে এর চারপাশে একধরনের চুম্বকক্ষেত্র তৈরি হয়। বিজ্ঞানীরা ইলেকট্রনের চারপাশে এ ধরনের চুম্বকক্ষেত্র পরিমাপ করেছেন। এই চুম্বকক্ষেত্র তৈরি করার বৈশিষ্ট্যটিকেই তাঁরা বলেন ‘স্পিন’। কারণ, স্পিনের দিক উল্টে দিলে চুম্বকক্ষেত্রের মেরুও উল্টে যায়।

ইলেকট্রন সাধারণত জোড় বেঁধে থাকে। ফলে একটির স্পিন অন্যটির বিপরীতমুখী স্পিনকে বাতিল করে দেয়। ফলে যেকোনো পরমাণুর মোট চুম্বকত্বের মান শূন্য হয়ে যায়। কিন্তু লোহার মতো কিছু পদার্থে এমনটা ঘটে না। লোহার কথাই বলি। লোহার পরমাণুতে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের চারপাশে এমনভাবে থাকে যে প্রতিটি পরমাণুতে একটি বিজোড় ইলেকট্রন দেখা যায়। ফলে প্রতিটি লোহার পরমাণুতে অতিক্ষুদ্র চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি হয়। এজন্যই লোহার চুম্বক ধর্ম আছে।

যেসব পদার্থের এমনিতে চুম্বক ধর্ম নেই, সেগুলোর প্রতিটি পরমাণুর চৌম্বকক্ষেত্র নানা দিকমুখী হয়। কোনো নির্দিষ্ট দিকে থাকে না। ফলে একে অন্যকে বাতিল করে দেয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, তাই শেষ পর্যন্ত পদার্থটিতে আর চুম্বকত্ব দেখা যায় না। তবে বিদ্যুৎ পরিচালনা করে বা চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে এদেরকে একই দিকে ফেরানো যায়। তখন এদের মধ্যেও দেখা যায় চুম্বকত্ব।

এবারে একটা মজার বিষয় নিয়ে বলা যাক। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই ‘ম্যাগনেটিক মনোপোল’ বা শুধু একমেরু বিশিষ্ট চুম্বক খুঁজে ফিরছেন। পদার্থবিজ্ঞানের পরশ পাথর বলা যায় একে। কিন্তু এর কোনো খোঁজ আজও পাওয়া যায়নি। অদ্ভুত বিষয় হলো, ইলেকট্রন ও প্রোটন কিন্তু বৈদ্যুতিকভাবে মনোপোল—অর্থাৎ একভাবে চার্জিত। হয় ঋণাত্মক, না হয় ধনাত্মক। যেমন ইলেকট্রন শুধুই ঋণাত্মক। কিন্তু ইলেকট্রন ও অন্যান্য মৌলিক কণায় সৃষ্ট চুম্বকত্বে আবার দুটো মেরুই দেখা যায়। আর এগুলো যেহেতু মৌলিক কণা, তাই এদের আর ভাঙাও যায় না। এখানে এসে পদার্থবিজ্ঞানীরা তাই থমকে গেছেন। তাঁরা আর জানেন না, একমেরু বিশিষ্ট চুম্বকের অস্তিত্ব আসলেই সম্ভব কি না। চুম্বকত্ব তাই আজও রহস্য। যে রহস্যের সমাধানের উপায় আমাদের এখনো জানা নেই।

লেখক: সহসম্পাদক, বিজ্ঞানচিন্তা

সূত্র: লাইভ সায়েন্স, উইকিপিডিয়া, নাসা

30/06/2023

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩

30/06/2023

সতেরো থেকে ৪ বাদ দিলে ১৩ হয়।
সতেরো থেকে আর কি বাদ দিলে ১৩ হবে ?

বুদ্ধির পরীক্ষা 😊

30/06/2023

বুদ্ধির ব্যায়াম

প্রশ্ন: হরিণ পোষেন কোন দেশের মানুষ?
এ ধাঁধায় রয়েছে পরপর পাঁচটি বাড়ি। প্রতিটি বাড়ির রং আলাদা। প্রত্যেক বাড়ির মানুষগুলো ভিন্ন জাতির এবং তাঁরা সবাই আলাদা আলাদা পেশার মানুষ। তাঁদের পোষা প্রাণীগুলোও আলাদা। এ সম্পর্কিত ১৫টি তথ্য দেওয়া হয়েছিল আপনাকে সমস্যাটি সমাধানের জন্য। এই তথ্যগুলো পড়ে আপনাকে একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বলা হয়। চলুন, তথ্যগুলো দেখে নিই।

১. ইংরেজ ভদ্রলোক লাল বাড়িতে বাস করেন।

২. স্পেনের ভদ্রলোকের পোষা প্রাণী কুকুর।

৩. সবুজ বাড়ির ভদ্রলোকটি কফি খেতে পছন্দ করেন।

৪. ইউক্রেনের ভদ্রলোকের পছন্দ চা।

৫. সবুজ বাড়িটির ঠিক ডান পাশের বাড়িটি সাদা রঙের।

৬. কাঠমিস্ত্রির পোষা প্রাণী বিড়াল।

৭. শিক্ষক বাস করেন হলুদ বাড়িতে।

৮. ঠিক মাঝের বাড়ির মালিক দুধ খেতে পছন্দ করেন।

৯. প্রথম বাড়িতে বাস করেন নরওয়েজিয়ান ভদ্রলোক।

১০. যে বাড়ির মালিক শেয়াল পোষেন, তাঁর পাশের বাড়িতে থাকেন একজন মালি।

১১. যে বাড়ির মালিক ঘোড়া পোষেন, তাঁর আগের বাসায় থাকেন শিক্ষক।

১২. ডাক্তারের পছন্দ জুস।

১৩. রুটিওয়ালা জাপানি।

১৪. নীল রঙের বাড়ির আগের বাড়িতে বাস করেন নরওয়েজিয়ান ভদ্রলোক।

১৫. যাঁর পানি পছন্দ, তাঁর পাশের বাড়ির মালিক একজন মালি।

প্রশ্ন হলো, কোন বাড়ির মালিক হরিণ পোষেন?

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Zero Point
Rajshahi
6000