পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের রাত বা চাঁদ রাত মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত বরকতময় একটি সময়। ইসলামিক পরিভাষায় পবিত্র শাওয়াল মাসের সূচনার এই রাতটিকে বলা হয় 'লাইলাতুল জাইজা' বা পুরস্কার পাওয়ার রাত। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা ও ইবাদতের পর মহান আল্লাহ এই রাতে তাঁর নেককার বান্দাদের বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন।
এই রাতটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এই রাতে মন থেকে করা কোনো দোয়াই ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ এমন পাঁচটি বিশেষ রাতের কথা উল্লেখ করেছেন, যেগুলোতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র ঈদুল ফিতর বা শাওয়াল মাসের প্রথম রাতটি সেই পাঁচটি বরকতময় রাতের একটি।
বিশেষ নফল নামাজ ও আমল:
চাঁদ রাত বা ঈদের দিনে বিশেষ কিছু নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। একটি বিশেষ আমলের কথা এখানে তুলে ধরা হলো, যা নিয়ম মেনে পালন করলে ইনশাআল্লাহ জীবনের সব জায়েজ বা বৈধ চাওয়া পূরণ হবে।
নামাজের নিয়মাবলী:
সময়: ঈদের আগের রাত (চাঁদ রাত) অথবা ঈদের দিন।
রাকাত সংখ্যা: মোট ৮ রাকাত নফল নামাজ।
পড়ার নিয়ম: প্রতিটি রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর ২৫ বার সূরা ইখলাস (কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ) পড়তে হবে।
নামাজ শেষের আমল: ৮ রাকাত নামাজ শেষ করার পর জায়নামাজে বসেই ৭০ বার তৃতীয় কালিমা বা কালিমা তামজীদ পড়তে হবে। কালিমাটি হলো: "সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম"।
ইস্তিগফার: তৃতীয় কালিমা পড়ার পর নিজের যাবতীয় ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করতে হবে।
যাঁরা বিশুদ্ধ নিয়্যতে এই ৮ রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন, মহান আল্লাহ তাঁদের সব সৎ উদ্দেশ্য ও মনের নেক আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ করবেন। এই বরকতময় রাতে ইবাদতের মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করা সম্ভব।
MR.Mathematics
সবাই like, comment follow and share দিয়ে পাশে থাকবেন...। সবার জন্য দোয়া রইলো
20/03/2026
ঈদ মোবারক..... 🌙
تَقَبَّلَ اللّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।"
রমজানের শেষ দশকের ১০টি ‘গোল্ডেন আইডিয়া’
রমজানের শেষ দশকের প্রতিটি রাত আমাদের জন্য রহমতের এক বিশাল সুযোগ। যদি আপনার কোনো আমল 'লাইলাতুল কদর'-এর সাথে মিলে যায়, তবে তার সওয়াব হবে দীর্ঘ ৮৩ বছর ৪ মাসের ইবাদতের সমান। ইনশাআল্লাহ।
১. প্রতি রাতে অন্তত ৩ বার সূরা ইখলাস পাঠ করা
যদি কদরের রাতে এটি মিলে যায়, তবে আপনি টানা ৮৪ বছর প্রতিদিন পূর্ণ কুরআন খতমের সওয়াব পাবেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
أَيَعْجِزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَقْرَأَ فِي لَيْلَةٍ ثُلُثَ الْقُرْآنِ؟... قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ
"তোমাদের কেউ কি এক রাতে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পড়তে অক্ষম? ... সূরা ইখলাস হলো কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ।" (সহীহ মুসলিম)
২. প্রতি রাতে ১০০ আয়াত দিয়ে অন্তত ২ রাকাত কিয়ামুল লাইল (তাহাজ্জুদ) আদায় করা
যদি এই আমলটি কদরের রাতে হয়, তবে আপনি টানা ৮৪ বছর আল্লাহর অনুগত ইবাদতকারী হিসেবে গণ্য হবেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ قَامَ بِمِائَةِ آيَةٍ كُتِبَ مِنَ الْقَانِتِينَ
"যে ব্যক্তি ১০০ আয়াত দিয়ে কিয়াম (সালাত) আদায় করবে, সে ইবাদতকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" (সুনানে আবু দাউদ)
৩. সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করা
آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ
কদরের রাতে এটি পাঠ করলে আপনার আমলনামায় দীর্ঘ ৩০,০০০ রাতের ইবাদতের সওয়াব লেখা হতে পারে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ قَرَأَ بِالْآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ
"যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়বে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।" (সহীহ বুখারী)
৪. প্রতিদিন সামান্য কিছু হলেও দান করা
যদি আপনার এই দান কদরের রাতে মিলে যায়, তবে আল্লাহর কাছে তা টানা ৮৪ বছর প্রতিদিন দান করার সমান মর্যাদা পাবে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ تَصَدَّقَ بِعَدْلِ تَمْرَةٍ مِنْ كَسْبٍ طَيِّبٍ... فَيُرَبِّيهَا لِصَاحِبِهِ حَتَّى تَكُونَ مِثْلَ الْجَبَلِ
"যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন থেকে একটি খেজুর পরিমাণও দান করে... আল্লাহ সেটি দাতার জন্য পাহাড়ের মতো বিশাল করে দেন।" (সহীহ বুখারী)
৫. প্রতিদিন ১০০ বার তওহীদের যিকির করা
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
কদরের রাতে এটি পড়ার উছিলায় আপনি ৩ লক্ষ মানুষ মুক্ত করার সমপরিমাণ সওয়াব পেতে পারেন।
হাদিস: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি এটি ১০০ বার পড়বে সে ১০টি গোলাম আজাদ করার সওয়াব পাবে। (সহীহ বুখারী)
৬. সকল মুমিন নর-নারীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা
اللهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ
কদরের রাতে এই দোয়ার মাধ্যমে আপনি প্রায় ৬০ বিলিয়ন (৬ হাজার কোটি) নেকি পেতে পারেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنِ اسْتَغْفَرَ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ كَتَبَ اللهُ لَهُ بِكُلِّ مُؤْمِنٍ وَمُؤْمِنَةٍ حَسَنَةً
"যে ব্যক্তি মুমিন নর-নারীদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তাকে প্রত্যেক মুমিনের বিনিময়ে একটি করে নেকি দেবেন।" (তাবারানী)
৭. প্রতিদিন ১০০ বার 'সুবহানাল্লাহ' পাঠ করা سُبْحَانَ اللهِ
কদরের রাতে এটি পাঠ করলে আপনার আমলনামায় ৩০ লক্ষ নেকি যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
أَيَعْجِزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَكْسِبَ، كُلَّ يَوْم أَلْفَ حَسَنَةٍ؟... يُسَبِّحُ مِائَةَ تَسْبِيحَةٍ، فَيُكْتَبُ لَهُ أَلْفُ حَسَنَةٍ
"তোমাদের কেউ কি প্রতিদিন ১০০০ নেকি অর্জন করতে অক্ষম? তোমরা ১০০ বার সুবহানাল্লাহ পড়ো..." (সহীহ মুসলিম)
৮. প্রতিদিন ১০০ বার বিশেষ এই তাসবীহটি পাঠ করা
سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ
কদরের রাতে এটি পড়লে জান্নাতে আপনার জন্য ৩ লক্ষ খেজুর গাছ রোপণ করা হতে পারে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ غُرِسَتْ لَهُ نَخْلَةٌ فِي الْجَنَّةِ
"যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহিল আজীম ওয়া বিহামদিহি' বলবে, জান্নাতে তার জন্য একটি খেজুর গাছ রোপণ করা হবে।" (তিরমিযী)
৯. প্রতিদিন ১০০ বার দরুদ শরীফ পাঠ করা
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ
লাইলাতুল কদরে এটি পাঠ করলে আপনি কয়েক লক্ষ বার আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভ করবেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ صَلَّى عَلَيَّ وَاحِدَةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ عَشْرًا
"যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ওপর ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন।" (সহীহ মুসলিম)
১০. অন্যকে কল্যাণের পথে আহ্বান করা
এই বার্তাটি প্রিয়জনদের মাঝে ছড়িয়ে দিন। আপনার মাধ্যমে কেউ আমল করলে আপনিও সমপরিমাণ সওয়াব পাবেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ دَلَّ عَلَى خَيْرٍ فَلَهُ مِثْلُ أَجْرِ فَاعِلِهِ
"যে ব্যক্তি কোনো ভালো কাজের পথ দেখায়, সে ওই কাজ সম্পাদনকারীর সমান সওয়াব পাবে।" (সহীহ মুসলিম)
আল্লাহ আমাদের এই দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তৌফিক দান করুন। আমীন।
উল্লেখ্য যে, যেসব নির্দিষ্ট সংখ্যা (৮৪ বছর, ৩০,০০০ রাত, ৩ লক্ষ ইত্যাদি) উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো হাদীছে এভাবে সরাসরি বলা হয়নি। এগুলো মূলত লাইলাতুল কদর = “হাজার মাসের চেয়ে উত্তম” এই আয়াত থেকে আনুমানিক হিসাব করে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট ভাবে নয়।
সুতরাং এটি যদি লাইলাতুল কদরের রাতে হয়, তবে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম ইবাদতের ছওয়াব পাওয়ার আশা করা যায়- এভাবে ধরে নিতে হবে।
বাংলালিংকে ১০ জিবি ফ্রি পেতে ডায়াল করুন *121*555 #
22/02/2026
সময় সীমিত আবেদন করতে পারেন
❤️অভিনন্দন ♥️
নতুন বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ
........................................….....
রাষ্ট্রপতি – ড. খন্দকার মোশাররফ
জাতীয় সংসদের স্পিকার – অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী
প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী – তারেক রহমান
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী – মির্জা ফখরুল
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী – সালাহউদ্দিন আহমেদ
(প্রতিমন্ত্রী: শাহিদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি)
পররাষ্ট্রমন্ত্রী – আমীর খসরু
(প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির)
অর্থমন্ত্রী – ড. রেজা কিবরিয়া
শিক্ষামন্ত্রী – আনাম এহসানুল হক মিলন
(প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান)
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী – মো. আসাদুজ্জামান
তথ্যমন্ত্রী – ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ
(প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন)
পরিকল্পনামন্ত্রী – ড. আবদুল মঈন খান
বাণিজ্যমন্ত্রী – আব্দুল মুখতাদির
শিল্পমন্ত্রী – আব্দুল আউয়াল মিন্টু
নৌপরিবহন মন্ত্রী – মেজর হাফিজ
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী – নজরুল ইসলাম খান
পানি সম্পদ মন্ত্রী – আসাদুল হাবিব দুলু
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী – ফজলুর রহমান
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী – আমানউল্লাহ আমান
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী – জোনায়েদ সাকি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী – ড. এ. জেড. এম. জাহিদ
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী – আলী আজগর লবি
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী – শামীম কায়সার লিংকন
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী – আলতাফ হোসেন চৌধুরী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী – ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
কৃষিমন্ত্রী – শামসুজ্জামান দুদু
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী – মির্জা আব্বাস
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী – নুরুল হক নুর
রেলপথমন্ত্রী – গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
জনপ্রশাসন মন্ত্রী – ড. ইসমাইল জবিহুল্লাহ
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী – রুহুল কবির রিজভী
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী – দীপেন দেওয়ান
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Sadhurmor, Ghoramara, Boalia
Rajshahi
6100