29/03/2022
***জীববিজ্ঞান ভীতি থেকে জীববিজ্ঞান আসক্তি***
***BiologyPhobic To BiologyPhilic***
-ড.সুশান্ত কুমার কুন্ডু
ধারাবাহিক------HSC Biology (দ্বিতীয় পত্র একাদশ অধ্যায়-বংশগতি ও বিবর্তন)
অলিন্দঃ আচ্ছা নিলয় তুমি সেদিন জীববিজ্ঞান স্যারের ক্লাস করেছিলে?
নিলয়ঃ হ্যাঁ! স্যার সেদিন লিঙ্গ নির্ধারণ বা সন্তান ছেলে হওয়া এবং মেয়ে হওয়া সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন।
অলিন্দঃ খুব মজার বিষয় তাই না? স্যার তাঁর একটা স্বরচিত কবিতার মাধ্যমে বিষয়টি বুঝিয়ে দিলেন।
নিলয়ঃ হ্যাঁ! আমি স্যার এর কাছে তাঁর স্বরচিত কবিতার একটা কপি নিয়েছিলাম। অলিন্দ আমি তোমাকে স্যার এর স্বরচিত কবিতাটি একটু আবৃতি করে শুনাই!
অলিন্দঃ তাহলে তো ভালোই হয়। তোমার আবৃতি কিন্তু হৃদয়স্পর্শী!
নিলয়ঃ কি যে বলো! তা যে দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই বলো না কেন, তোমার প্রশংসা আমার কর্মোদ্দীপনা বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। তুমি আমার একজন ভালো বন্ধুও বটে!
অলিন্দঃ হ্যাঁ ভালো বন্ধু! কিন্তু নিকটতম বন্ধু কি হতে পারবো?
নিলয়ঃ নিকটতম মানে! থাক সে সব কথা! স্যার এর স্বরচিত কবিতাটি এবার মনোযোগ সহকারে শুনার চেষ্টা করো--
***লিঙ্গ নির্ধারণ***
-ড.সুশান্ত কুমার কুন্ডু
বাইশ জোড়া অটোজোম,
আর এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম,
এগুলোতেই নিহিত থাকে
সকল জীবের জীবন ক্রম।
দৃশ্যমান আর অদৃশ্যমান
বৈশিষ্ট্যগুলো আছে যত,
সেইগুলা সব নিয়ন্ত্রণ,
অটোজোমেরই দায়িত্ব।
বংশধর পুরুষ হবে,
নাকি স্ত্রী জাতির হবে?
সেক্স ক্রোমোজোম
নির্ধারণ করবে।
সেক্স ক্রোমোজোম
হতে পারে X কিংবা Y,
স্ত্রী জাতির X ক্রোমোজোম
হয়ে থাকে দুটোই।
পুরুষ জাতি বহন করে,
X এবং Y।
স্পার্ম-ওভামের মিলনে
সৃষ্টি হয় জাইগোট,
দুটো X এর মিলনে
স্ত্রী জাতির রূপ হয় প্রকট।
X এর সাথে Y
মিলে যায় যখন,
পুরুষ রূপে বংশেধরের
আগমন হয় তখন।
(ধারাবাহিক---চলবে)