কর্মজীবনে হালাল হারামের হিসাবঃ
(১) কর্মস্থলে ফাঁকি দেওয়া, কর্মচারী বা কর্মদাতাকে চুক্তির চেয়ে কম কর্ম প্রদান করাও এ শ্রেণীর হারাম উপার্জন।
সকল সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষক, ডাক্তার সবাই নিজ নিজ কর্মচুক্তি অনুসারে পূর্ণ কর্ম প্রদান করতে ইসলামী শরীয়ত মতে বাধ্য।
যদি কারো অসুবিধা হয় তাহলে কর্ম ত্যাগ করতে পারেন। কিন্তু কর্মরত অবস্থায় কর্মে অবহেলা হারাম ও এভাবে উপার্জিত বেতন হারাম।
(২) যিকর, ওয়ায, দাওয়াত, দীন প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি অযুহাতে কর্মে অবহেলা করলেও একইরূপ হারাম হবে।
(৩) চিকিৎসা ছুটি নিয়ে হজ্ব, উমরা করাও হারাম উপার্জনের মধ্যে। হয় সুস্পষ্ট ও সঠিক কারণ দেখিয়ে ছুটি নিতে হবে, না হলে চাকরি ছেড়ে দিতে হবে।
কিন্তু কোনো অবস্থাতেই মিথ্যা বলে বা নিজেকে উপস্থিত দেখিয়ে কর্মের বেতন গ্রহণ করা এবং সে সময়ে অন্য কর্ম করা জায়েয নয়। এভাবে উপার্জিত বেতন সন্দেহাতীতভাবে হারাম উপার্জন।
(৪) স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা ইত্যাদির শিক্ষকগণ, ডাক্তারগণ নির্ধারিত সময় চাকুরিস্থলে অবস্থান করতে ও নির্ধারিত সেবা প্রদান করতে বাধ্য।
যদি চাকুরির চুক্তি ও সুবিধাদি অপছন্দ হয় তাহলে বাদ দিতে পারেন। পরিবর্তনের চেষ্টা করতে পারেন। কিন্তু চাকুরিরত অবস্থায় দায়িত্বে অবহেলা, কম পড়ানো, কম চিকিৎসা করা, ছাত্র বা রোগীকে অতিরিক্ত সেবা গ্রহণের জন্য নিজস্ব কোচিং বা ক্লিনিকে যেতে উৎসাহিত করা- সবই হারাম এবং এভাবে উপার্জিত অর্থ হারাম।"
[ রাহে বেলায়াত, লেখকঃ খন্দকার আব্দুল্লাহ্ জাহাঙ্গীর (রাহিঃ) পৃ: ১১৭-১৮,
আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, মার্চ ২০১৩ ঈ.]
হাদীস নং ০১
কিয়ামতের ময়দানে কোনো বান্দা তার এক পাও নড়াতে পারবে না, যতক্ষণ না তাকে পাঁচটি প্রশ্ন করা হবে—
১. সে তার জীবন কোন পথে শেষ করেছে,
২. যতটুকু দ্বীনি (ইসলামী) জ্ঞান অর্জন করেছে তার ওপর কতটুকু আমল করেছে,
***৩. সম্পদ কোন পথে আয় করেছে,
***৪. কোন পথে ব্যয় করেছে,
৫. নিজের যৌবনকে কোন পথে শেষ করেছে।
(জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৪১৭)
হাদীস নং ০২
জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, যে দেহের মাংস হারাম উপার্জনে গঠিত, তা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। হারাম ধন-সম্পদে গঠিত ও লালিত পালিত দেহের জন্য জাহান্নামই উপযোগী। (আহমাদ, দারিমী, বায়হাক্বী- শু’আবুল ঈমান)[1]
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ لَحْمٌ نبَتَ منَ السُّحْتِ وكلُّ لحمٍ نبَتَ منَ السُّحْتِ كَانَتِ النَّارُ أَوْلَى بِهِ» . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالدَّارِمِيُّ وَالْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَانِ
(আহমাদ ১৪৪১, শু‘আবুল ঈমান ৮৯৭২, দারিমী ২৭৭৯)
© ইমরান শাহ্ ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে।
আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমিন।
BCS & Bank preparation
Problems solving your assignments? No worries. We are here to help you regarding any subject and academic area. Feel free to collaborate with us.
Simply message us on the page or
mail to: [email protected]
Hello : +88-01755-149502
১ম বিসিএসেই যেভাবে প্রিলিতে উত্তীর্ণ হলাম:
Marks: 132.5 (According to live MCQ)
বাংলা: (৩৫ নম্বর)
১। অগদূত বাংলা
২। নবম-দশম ব্যাকরণ + জিজ্ঞাসা থেকে চর্চা!
৩। ATM একটানা মুখস্থ
(প্রিলির জন্য বেসিক বই যেমন: লাল নীল দীপাবলি, কতো নদী সরোবর…এগুলো পড়ার দরকার নেই। গাইড বইয়ে সব আছে। আপনারা জানেন এবার বাংলা খুবই হার্ড ছিল। তারপরও বাংলায় নম্বর পেলাম: 21.5)
ইংরেজি: (৩৫ নম্বর)
১। Master English
২। মিরাকল ইংলিশ লিটারেচার
৩। পিসি দাসের বই
(এছাড়া আর কোন বই প্রয়োজন নেই! অযথা বই কিনে টাকা নষ্ট করবেন না। ভোকাবুলারির জন্য Word Smart, S@ifur's competitive Vocabulary পড়েছিলাম।)
সাধারণ জ্ঞান: (৫০ নম্বর)
১। জর্জ MP3 (বাংলাদেশ + আন্তর্জাতিক)
২। বেসিক ভিউ
৩। প্রিসেপটর্স সাম্প্রতিক হাইলাইটস
(প্রিলির জন্য পত্রিকা পড়ার কোন প্রয়োজন নেই। এমনকি সাম্প্রতিকের জন্য মাসিক কারেণ্ট অ্যাফেয়ার্স পড়ারও কোন প্রয়োজন নেই। প্রিলির পূর্বে বাজারে সাম্প্রতিকের জন্য অনেক বই বের হয়। এগুলো ১ টা কিনলেই হয়। আমি প্রিসেপটর্স + রিসেন্ট ভিউ টা ভালোভাবে পড়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ লাইভ এমসিকিউ অনুযায়ী এ বিষয়ে নম্বর: 43)
ভূগোল: ১০
১। বেসিক ভিউ
(ভূগোলের জন্য এক্সট্রা কোন গাইড পড়ি নি। বোর্ড বই পড়ারও প্রয়োজন নেই। অযথা সময় নষ্ট। বেসিক ভিউ যথেষ্ট। এ বিষয়ে আমার নম্বর: ৮.৫)
নৈতিকতা ও সুশাসন: ১০
(ভূগোল এর অনুরূপ)***
কম্পিউটার: ১৫ নম্বর
১। Self Suggestion Computer বই।
(আমি মনে করি এই বইটা ভালোভাবে পড়লেই উতরে যাবেন। শর্টকাট পড়বেন না। তবে আলাল'স কম্পিউটার আওয়ার পড়লেও ভালো নম্বর তুলতে পারবেন।)
গণিত: ১৫ নম্বর
১। নবম-দশম গণিত (উদাহরণ সহ চর্চা করবেন)***
২। Math Hour বই
(গণিতে আমার নম্বর লাইভ এমসিকিউ মতে, ১৩.৫)
মানসিক দক্ষতা: ১৫ নম্বর
১। খাইরুল'স মানসিক দক্ষতা।
অথবা, IQ Doctor
বিজ্ঞান: ১৫ নম্বর
১। ওরাকল প্রিলি বিজ্ঞান
(যেহেতু আমি বিজ্ঞান আর গনিত লিখিত+প্রিলি একসাথে গুছিয়েছিলাম তাই ৮ম, ৯ম-১০ম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন পড়েছি, সিলেবাস অনুযায়ী)
দোয়াপ্রার্থী–
আশিক, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
03/06/2023
বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য হলেও এমন একজন সকলের প্রয়োজন!
বিয়ে ক্যারিয়ারের বাধা নয়,বিয়ে তে বরকত হয়।
মহামারীর প্রভাব: সরকারি চাকরির এক-চতুর্থাংশ পদ ফাঁকা
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে -
📢 সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ১৯ লাখ ১৫১টি অনুমোদিত পদ রয়েছে।
📢 এসব পদের বিপরীতে ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮১৮ জন কর্মরত আছেন।
📢 ফাঁকা আছে ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৭৬টি পদ।
================
সৌজন্যে: বিডি-নিউজ২৪.কম।
31/05/2023
অন্যের দেখাদেখি কেউ অরিজিনাল সার্টিফিকেট পোড়ায়েন না। নীলক্ষেতে কয়েক শো টাকায় অরিজিনালের মতো দেখতে হুবহু ওরকম সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। এরকম বানায়ে পোড়াইতে পারেন।
28/05/2023
যে করেছে তাকে অনেক ধন্যবাদ।
©©©©
27/05/2023
👉👉👉👉 ব্রেকিং নিউজ 👈👈👈👈
১৮ তম_বেসরকারি_শিক্ষক_নিবন্ধন (NTRCA) ২০২৩ এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস।
☞ স্কুল পর্যায় সিলেবাস।
☞ স্কুল পর্যায়-২ সিলেবাস।
যাঁরা ১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষা দিবেন তাঁরা আপাতত এই সিলেবাস দেখে পড়া শুরু করুন।
26/05/2023
আজকে অনুষ্ঠিত #সমবায়_অধিদপ্তর এর #সহকারী_পরিদর্শক পদে আসা প্রশ্নের সমাধান।
#সংশোধনী: ৪৩.ক
25/05/2023
নতুনদের জন্য
আসসালামু আলাইকুম চাকরিপ্রার্থী শিক্ষার্থীবৃন্দ।আশা করি ভালো আছেন।চাকরির বাজারে বড় কোন নিয়োগ আসছে না এটা সত্যিই হতাশার। আর দু একটা আসলেও লুফিয়ে নিতে পারছেন না।এমন পরিস্থিতিতে আপনার করণীয় নিয়ে লিখছি।
#প্রথম কথা আপনি নিবন্ধন প্রিলি, রিটেনের জন্য পড়েন।নিবন্ধন এখন যেন বিসিএসের থেকেও কঠিন। নিবন্ধন রিটেনে কত পেলে আপনি টিকবেন তার কোন গ্যারান্টি নাই।তবে ভালো রিটন দিলে টিকবেন।নিবন্ধনেই শুধু বড় বড় সার্কুলার আর নিয়োগ হচ্ছে। নির্বাচনের আগে আবার একটা বড় নিয়োগ আসবে।
আপনি নিবন্ধন রিটেন পাশ করতে করণীয়ঃ
বাজারের গাইড অন্ধের মতো ফলো না করে বাজারের গাইড এর সাথে মূল বইয়ের মিশ্রণ ঘটিয়ে হ্যান্ডনোট করবেন। বাজারের দিক দর্শন গাইডটা ভালো রিটেনের জন্য। শুধু গাইড মূখস্ত করলে পাশ করা কঠিন। বিগত রিটেনের প্রশ্ন গুলো পড়বেন খুবই ভালো করে।আর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, বারবার আাসা প্রশ্নের নোট করে ফেলুন।
নিবন্ধন প্রিলি/প্রাইমারি/নন ক্যাডারঃ জব সলুশান অন্ধের মতো পড়বেন।টানা পড়বেন প্রিভিয়াস কোশ্চেন।তবে ইন্টারনেট থেকে প্রাইমারি নিবন্ধন সিলেবাস ডাউনলোড করে নিবেন।অক্টোবর-নভেম্বর মাস পুরোটা শুধু জব সলুশান পড়েন।।আমার প্রথম চাকরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল জব সলুশান দিয়ে।আপনি পড়ে দেখেন দুই মাস দেখবেন আপনি কতটা এগিয়ে গেছেন কল্পনা করতে পারবেন না।
#আপনি সব সময় ৬ মাস বা তিন মাস মেয়াদী পরিকল্পনা করে এগোবেন। জব সলুশানে ভরসা রাখার পর আপনি কী পড়বেন পড়েন।জব সলুশান আপনার কনফিডেন্স, আপনার ভরসা।বিশ্বাস করেন এই বইটা আপনাকে সামনে এগিয়ে দিতে অনেক সাহায্য করবে।
#আপনি যদি১১,১২,১৩ গ্রেডের চাকরিতে আবেদন করেব আপনার রাতারাতি বেকারত্ব দূর হবে।বিশ্বাস রাখেন আমার উপর।আমি চাকরির বাজারে আজ ছয় বছর।
এরপরে
বাংলার জন্য ওরাকল
ইংরেজি মাস্টার
গণিত শাহিনস ম্যাথ
বাংলাদেশ বিষয়াবলি এমপিথ্রি/ কনফিডেন্স রিসার্চ ওয়ার্ক
আন্তর্জাতিকও কনফিডেন্সের বইটা ভালো
বিজ্ঞান Mp3 যাস্ট পড়বেন।
ইনশাআল্লাহ এগিয়ে যাবেন।একই বই বারবার পড়বেন।
BCS পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন করা হচ্ছে, এটা অবশ্যই পরিবর্তন করা উচিত বলে মনে করি। তবে যে উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে সেটা খুব একটা ফলপ্রসূ হবে না। কারণ বলা হচ্ছে বিজ্ঞান ও গণিত থেকে সুবিধা নিয়ে সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড তথা ইঞ্জিনিয়ারিং, চিকিৎসাবিদ্যা এবং পিউর সায়েন্স এর ভালো ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীরা চাকরি পাচ্ছে।
কিন্তু উনাদের ঠেকাতে সিলেবাস চেঞ্জ করে কী দেয়া হবে! আপনারা সিলেবাসে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান কেন, হিসাববিজ্ঞান দিলেও সায়েন্স এর শিক্ষার্থীরা এগিয়ে থাকবে। আমি সবার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি শিক্ষক সংকট, আর্থিক সমস্যা, অবকাঠামোগত সমস্যা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান, সামাজিক ও পারিবারিক চাপ ইত্যাদি চাপসমূহ মিলিয়ে প্রথম সারির শিক্ষার্থীরাই বেশিরভাগ সায়েন্স নেয়। আর্টস কমার্সেও প্রথম সারির শিক্ষার্থীর অভাব নাই, তবে সায়েন্সে বেশি। আর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সায়েন্স নেয়া শিক্ষার্থীরা S.S.C. to M.S. দীর্ঘ ২+২+৫ বছর ধরে গাণিতিক যুক্তি, বিজ্ঞানের কঠিন বিষয় পড়তে পড়তে বিশ্লেষণ দক্ষতা ও অন্যান্য সক্ষমতায় একটু হলেও এগিয়ে থাকে৷ কাজেই আপনারা তাদের ঠেকাতে যেই সাবজেক্টই আনেন না কেন তারা চাকরি পাবার সংখ্যায় বেশি হবেই।
তবে আমাদের সিলেবাসে মৌলিক যে পরিবর্তন আনা দরকার তা হলো টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্য বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষায় ২০০ এর পরিবর্তে ৪০০/৫০০ রাখা আর সাধারণ ক্যাটাগরির বিষয় (সকলের জন্য আবশ্যিক) ৯০০ তাদের জন্য কমিয়ে ৪০০/৫০০ করা উচিত। কারণ একজন মানুষ তার নিজের সাবজেক্টে ২০০ তে ৬০/৭০ পেয়ে বা ফেল করেও শুধুমাত্র BANGLA, ENGLISH, BA, IA তে ভালো করে কীভাবে শিক্ষা ক্যাডার হয়, কীভাবে স্বাস্থ্য ক্যাডার হয়, কীভাবে অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট এর ক্যাডার হয় তা আমার বোধগম্য নয়! এই জায়গাতে পরিবর্তন জরুরি, নিজ সাবজেক্ট এর ক্যাডার হতে হলে নিজের বিষয়ের পরীক্ষায় বেশি নম্বর রাখা উচিত।
সাথে আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো ভাইভাতে ২০০ এর পরিবর্তে ১০০ এমনকি ৫০ করে ফেলা, ব্যাংকের ভাইভা যেমন ২৫। কারণ যেখানে আপনজন চিনতেই আমাদের কয়েকযুগ চলে যায় সেখানে ১০ মিনিটে কয়েকটি প্রশ্নে কীভাবে ২০০ নাম্বারের মেধা, পরিপক্কতা আর মানসিকতা যাচাই হয়!
বিসিএসে পরীক্ষা–পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনছে পিএসসি!
৩/৯/২২
দৈনিক প্রথম আলো
বিসিএসের পরীক্ষাপদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। গত কয়েকটি বিসিএসের ফল মূল্যায়ন করার পর দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বেশি প্রশ্ন করা হচ্ছে। এ কারণে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করা চাকরিপ্রার্থীরা পরীক্ষায় বেশি সুবিধা পাচ্ছেন।
ভবিষ্যতে পিএসসির অধীনে যত প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা হবে, সেসব পরীক্ষায় প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে ‘ভারসাম্য’ রাখা হবে। চাকরিপ্রার্থীদের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করা হবে। এর ফলে কোনো একটি বিভাগ থেকে পাস করা চাকরিপ্রার্থীরা বেশি সুবিধা পাবেন না। শিগগির এ পরিবর্তন প্রয়োগ করা হবে। পিএসসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ৪০তম বিসিএসের ফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করা চাকরিপ্রার্থীরা বেশি সুবিধা পেয়েছেন। কারণ, প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় বিজ্ঞানের নানা বিষয় থেকে প্রশ্ন হয়। এতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে আসা চাকরিপ্রার্থীরা যতটা ভালো করেছেন, সে তুলনায় মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে আসা চাকরিপ্রার্থীরা ততটা ভালো করতে পারেননি।
৪০তম বিসিএসের পর দেখা গেছে, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীরাই ভালো ক্যাডার পাওয়ার দিক থেকে এগিয়ে। তাঁরা ১৫টি ক্যাডারে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। শুধু বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকেই প্রশাসন ক্যাডারে ৫০ জন চাকরি পেয়েছেন। এভাবে একচেটিয়াভাবে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করা চাকরিপ্রার্থীরা যেন বেশি সুবিধা করতে না পারেন, সে জন্য পরীক্ষাপদ্ধতিতে ওই পরিবর্তন আনছে পিএসসি। এটি করার আগে একটি তদন্ত কমিটি হয়।
মৌখিক পরীক্ষায় প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিএসসি। এখানে ২০০ নম্বর বরাদ্দ আছে। যাঁরা লিখিত পরীক্ষায় পাস করেন, তাঁরা এ পরীক্ষায় অংশ নেন।
বর্তমান পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার পর পরীক্ষার্থীদের ঢালাওভাবে নম্বর দেওয়ার বিধান আছে। এখানেই পরিবর্তনটা আসছে।
মৌখিক পরীক্ষা কমিটিতে আছেন, এমন একজন পিএসসি সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, ৪১তম বিসিএস থেকে মৌখিক পরীক্ষায় চাকরিপ্রার্থীর জন্য বিভিন্ন বিষয়ে নম্বর ভাগ করে দেওয়া থাকবে। সঠিক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার হার কত, পোশাক পরিচ্ছদে কেমন, মানসিক দক্ষতা কেমন, আত্মবিশ্বাস কতটা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা কতটা—এসব বিষয়ে আলাদা নম্বরের ঘর থাকবে। সেখানে প্রত্যেক পরীক্ষক আলাদা করে প্রার্থীকে নম্বর দেবেন। শেষে সবার নম্বর যোগ করে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর নির্ধারণ করা হবে। আগের মতো ঢালাওভাবে নম্বর দেওয়া হবে না।
জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, বিসিএসকে আরও যুগোপযোগী করার অংশ হিসেবে পরীক্ষাপদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সব পরীক্ষায় সবাই সমানভাবে সুযোগ পাক, সেটি নিশ্চিত করার চেষ্টা হচ্ছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Greater Road Mosjid, Kadirganj
Rajshahi
6000