Daily Translation Pactice for Job Exams

Daily Translation Pactice for Job Exams

Share

This page is created to help people preparing for job exam especially for bank job and BCS.

11/12/2022

Exam ofOfficer(g) of BANGLADESH BANK will be held on December 23.
Preparation for the exam starts Today

07/11/2022

তারল্য সৃষ্টিতে ব্যাংকের ভূমিকা সম্ভাবনা ও বাস্তবতা
২০২২ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার উঠেছে বেন এস বার্নানকে, ডগলাস ডায়মন্ড এবং ফিলিপ ডিবভিগের হাতে। বেন বার্নানকে দুই মেয়াদে সফলতার সঙ্গে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ডগলাস ডায়মন্ড শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি অর্জন করেন। ফিলিপ ডিবভিগ বর্তমানে ওয়াশিংটন (সেন্ট লুইস) বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। এর আগে তিনি ইয়েল এবং প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন।
একটি দেশের আর্থিক কাঠামোর প্রধান হলো ব্যাংক খাত। ব্যাংক কী, কীভাবে কাজ করে, অর্থনীতিতে ব্যাংকের অবদান, ব্যাংক খাতে কীভাবে সংকট সৃষ্টি হয় এবং অর্থনীতির ওপর তার প্রভাব কী ইত্যাদি বিষয়ে বিশ্লেষণমূলক তত্ত্বের জন্য তাদের এ পুরস্কারে ভূষিত করেছে নোবেল কমিটি। এ তিনজন অর্থনীতিবিদের মৌলিক কাজ প্রকাশ পায় মূলত ১৯৮৩-৮৪ সালে। এর আগে সমাজে ব্যাংকগুলোর ভূমিকা কী সে সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ কোনো সাধারণ থিওরি ছিল না। ডায়মন্ড এবং ডিবভিগ একটি গাণিতিক মডেল উপস্থাপন করে দেখা যে ব্যাংকগুলো সঞ্চয়কারী এবং ঋণগ্রহীতার মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। তবে এ কাজটি আপাতদৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও এটিই অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি।
ব্যাপারটা একটু সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা যাক। ধরা যাক একটি গ্রাম, যেই গ্রামের মানুষের ব্যাংক সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। গ্রামের লোকজন স্বাভাবিক কাজকর্ম করে যা আয় হয় তা থেকে সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ বহন করার পর কিছুটা উদ্বৃত্ত থাকে। সঞ্চয়কারীরা এ উদ্বৃত্ত সম্পদ (অর্থ) কোনো লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। কিন্তু একটি পরিবারের উদ্বৃত্ত আয়ের পরিমাণ এত বেশি নয় যে বড় কোনো প্রকল্পে বিনিয়োগ করা যায়। তবে গ্রামের সবার উদ্বৃত্ত একত্র করলে লাভজনক একটি প্রকল্পে বিনিয়োগ সম্ভব। এখানে প্রথম প্রশ্ন হলো, উদ্বৃত্ত আয় একত্র করবে কে? ধরা যাক, সে গ্রামে একজন উদ্যোক্তা আছেন যে উদ্বৃত্ত আয় একত্র করার কাজটা করবেন এবং একটি প্রকল্পে বিনিয়োগ করবেন। প্রকল্প থেকে উদ্যোক্তার আয় হবে সবার একত্রিত বিনিয়োগের টাকার (আসল এবং মুনাফা) থেকে কিছু বেশি। এ অতিরিক্ত আয়ই হবে উদ্যোক্তার পাওনা, যা তাকে তহবিল সংগ্রহ করতে উদ্বুদ্ধ করবে।
তবে এখানে অনেক সমস্যা তৈরি হবে। প্রথমত, গ্রামের কার কার কাছে উদ্বৃত্ত আয় আছে তা জানা জরুরি। এ তথ্য সংগ্রহ খুবই সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল যদি একটা গ্রামকে আমরা গোটা একটা দেশের সঙ্গে তুলনা করি। দ্বিতীয়ত, উদ্যোক্তাকে সবাই বিশ্বাস করবেন বাস্তবে এমন মনে করার কোনো কারণ নেই। অর্থনীতির এসব সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন অনেক অর্থনীতিবিদ। তাদের মধ্যে অন্যতম হল নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ রোনাল্ড কোয়াস (১৯৯১), অলিভার উইলিয়ামসন (২০০৯) এবং জোসেফ স্টিগিলজ (২০০১)। তবে ডায়মন্ড এবং ডিবভিগ অন্য একটি সমস্যার কথা বিশদ বর্ণনা করেছেন যা তাদের পূর্ববর্তী কেউ এমনভাবে আলোচনা করেনি। যেমন প্রকল্পের ঝুঁকি কতটুকু এটা সাধারণ জনগণের অজানা। তবে ঝুঁকি কম হলেও অনেক সঞ্চয়কারী সে ঝুঁকি নিতে রাজি হবে না, কারণ পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষই ঝুঁকিবিমুখ। যদি তাই হয়, উদ্যোক্তা সে লাভজনক প্রকল্পটি গ্রহণ করতে পারবে না এবং অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ধরা যাক, গ্রামের সবাই উদ্যোক্তার প্রকল্পের ঝুঁকি ভাগাভাগি করে নিয়ে বিনিয়োগ করতে সম্মত হলো। এক্ষেত্রে ডায়মন্ড এবং ডিবভিগ আরো একটি বড় সমস্যা চিহ্নিত করেছেন। বাস্তবে অধিকাংশ প্রকল্পই দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। ধরা যাক, উদ্যোক্তার প্রকল্পের মেয়াদও দীর্ঘ। পূর্ণ মেয়াদের আগে যদি প্রকল্পটি গুটিয়ে ফেলতে হয়, তবে মোটের ওপর আর্থিক ক্ষতি হয়ে যাবে। অর্থাৎ প্রকল্পটি একটি অতরল সম্পদ (যেই সম্পদকে সহজেই অর্থে রূপান্তর করা যায় না)। যেহেতু ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভবিষ্যতে এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে যা প্রকল্প থেকে তাদের বিনিয়োগকে উত্তোলন করতে বাধ্য করবে। এ অবস্থায় যদি বিনিয়োগকারী চাহিবামাত্র বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত না পান, অথবা ফেরত পেলেও প্রাপ্ত অর্থ যদি আসলের চেয়ে কম হয়, তবে সঞ্চয়কারীরা প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে না। আর যেহেতু উদ্যোক্তার প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি (বাস্তবে তাই হয়), সেহেতু চাহিবামাত্র উদ্যোক্তা সঞ্চয়কারীদের তহবিল ফেরত দিতে পারবে এমন নিশ্চয়তা নেই। এ অবস্থায় সঞ্চয়কারী এবং উদ্যোক্তার মধ্যে সরাসরি অর্থ আদান-প্রদান হবে না। কারণ, আমানতকারীর দরকার তারল্যের নিশ্চয়তা, অন্যদিকে প্রকল্পে বিনিয়োগ স্বল্পমেয়াদে একটি অতরল সম্পদ। তারল্যের এ হেরফেরের জন্য লাভজনক প্রকল্পে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে।
এ সমস্যা সমাধানে ব্যাংকের ভূমিকাই ডায়মন্ড এবং ডিবভিগ বিশদভাবে পর্যালোচনা করেছেন। তারা দেখিয়েছেন, ব্যাংক আর্থিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রধান দুটি সমস্যার সমাধান করে। এক, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মাঝে ঝুঁকির সামাজিকীকরণ (যেহেতু ব্যাংকে আমানতকারীর সংখ্যা অনেক), দুই, অতরল সম্পদকে তরল সম্পদে রূপান্তর। ব্যাংকের এ দ্বিতীয় কাজটির প্রতি ডায়মন্ড এবং ডিবভিগ বিশেষ জোর দিয়েছেন।
ব্যাংক বিভিন্ন শ্রেণীর আমানতকারীদের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে বিভিন্ন মেয়াদে। যেমন চলতি, স্থায়ী এবং মেয়াদি আমানত। চলতি আমানতের বিশেষত্ব হলো আমানতকারী চাহিবামাত্র ব্যাংক দিতে বাধ্য থাকে। তাই যেসব সঞ্চয়কারী যেকোনো সময় আমানতের অর্থ ফেরত পেতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য ব্যাংকের চলতি আমানত উপযুক্ত। এসব আমানত এক করে ব্যাংক উদ্যোক্তাকে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের জন্য তহবিল প্রদান করে। যেহেতু ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ একটি চলমান প্রক্রিয়া, সেহেতু কিছুসংখ্যক আমানতকারী ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন করলে ব্যাংকের তারল্যের সংকট হয় না। তাই ব্যাংক উদ্যোক্তাকে প্রকল্পের নির্দিষ্ট মেয়াদের আগে প্রকল্প গুটিয়ে ফেলার তাগাদা দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। যদি কোনো বিশেষ কারণে উদ্বুদ্ধ হয়ে, যেমন আর্থিক খাতের প্রতি চরম অনাস্থা, দেশজুড়ে আর্থিক সংকট, বিশ্ববাজারে ধস, যুদ্ধবিগ্রহ বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আমানতকারীদের একটা বড় অংশ একই সময়ে ব্যাংকের কাউন্টারে অর্থ উত্তোলনের জন্য ভিড় করে, তবে ব্যাংকের তারল্য সংকট দেখা দেবে।
এ সমস্যা সমাধানের কিছু টেকসই ব্যবস্থা আছে ব্যাংক খাতের। প্রথমত, দেশের আন্তঃব্যাংকিং বাজার (কল মানি মার্কেট) প্রাথমিক ধাক্কাটা সামাল দিতে চেষ্টা করে। তবে আন্তঃব্যাংকিং বাজার কার্যকর হবে তখনই যখন আমানত উত্তোলনের হিড়িক গুটিকতক ব্যাংক বা শাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কিন্তু সমস্যাটা যদি হয় সামগ্রিক ব্যাংক খাতে, আমানতকারীরা দলে দলে ব্যাংকের কাউন্টারে ভিড় করবে আমানতের অর্থ উত্তোলনের জন্য। ব্যাংক আমানতকারীদের চাহিদা মেটাতে বিনিয়োগকৃত দীর্ঘমেয়াদি সম্পদকে নগদ অর্থে রূপান্তরের চেষ্টা করবে। এতে সম্পদ থেকে প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ হবে বিনিয়োগকৃত মূল্যের অনেক কম। তাই ব্যাংকগুলো সব আমানতকারীর অর্থ ফেরত দিতে অপারগ হবে, যার পরিণতি হবে দেউলিয়াত্ব। যেসব ব্যাংক টিকে থাকবে, তারা বিনিয়োগে অতিরক্ষণশীল নীতি অনুসরণ করবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তারল্য সংকটে পড়বে এবং তাদের চুক্তিবদ্ধ দায় পরিশোধ করতে অসমর্থ হবে। এ অবস্থাকে ডায়মন্ড এবং ডিবভিগ ‘ব্যাংক রান’ বলে অভিহিত করেছেন।
ডায়মন্ড এবং ডিবভিগ সমস্যা চিহ্নিতকরণের পাশাপাশি তা থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছেন। আর তা হচ্ছে তারল্য সংকটের সময় অর্থবাজারে সরাসরি সরকারি হস্তক্ষেপ। সরকার এটা করে থাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে। এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বলা হয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রম আমানতকারীদের মনে আশ্বাসের জন্ম দেয় যে আপত্কালে সরকার পাশে থাকবে। সরকারি হস্তক্ষেপ দুই রকমের হতে পারে। এক. জনগণের করের টাকায় মৃতপ্রায় ব্যাংককে দেউলিয়াত্ব থেকে উদ্ধার করা। দুই. ব্যাংকে জামানতের ওপর বীমা। দ্বিতীয় বিকল্পটিই শ্রেয় বলে মনে করেন এই দুই নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ। তাদের মতে, ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল আমানত বীমার মতো বিশ্বাসযোগ্য এবং কার্যকর নয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবসময় যদি সংকটাপন্ন ব্যাংককে উদ্ধার করতে থাকে, তবে ব্যাংক পরিচালকদের মধ্যে এক ধরনের নৈতিক অবক্ষয়ের সৃষ্টি হবে। অধিক মুনাফার আশায় ব্যাংকগুলোর মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত ঝুঁকি নেয়ার প্রবণতা বাড়বে। যদি সফল হয় তবে ব্যাংকের অধিক মুনাফা হবে। যদি ব্যর্থ হয়, তবে সরকার উদ্ধার করবে। তাই সংকটাপন্ন ব্যাংককে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিঃশর্ত উদ্ধার সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য সুখকর নয়। এজন্য আমানতের বীমার ওপর আস্থা রেখেছেন ডায়মন্ড এবং ডিবভিগ। তাদের মতে, আমানত বীমা একটি বাধ্যতামূলক প্রতিশ্রুতি। ব্যর্থতার জন্য ব্যাংকের মালিক, পরিচালনা পর্ষদ এবং অফিসারদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে শাস্তির বিধান রাখা যেতে পারে।
বলাবাহুল্য, তাদের অনুসৃত এ নীতির আলোকে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স বা আমানত বীমা চালু রয়েছে। যদিও আমানত বীমার অনেক সমালোচনা আছে, তবে বর্তমান বিশ্বের আর্থিক প্রেক্ষাপটে ‘ব্যাংক রান’ থেকে পরিত্রাণের জন্য এর চেয়ে বেশি জুতসই কোনো ব্যবস্থা নেই। এই তত্ত্বের সমর্থন নিয়ে কভিড-১৯ মহামারীতে আর্থিক খাতের তারল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সরকারের সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতিসহ অন্যান্য হস্তক্ষেপ বজায় রেখেছিল। যার কারণে কভিডকালে পৃথিবীর কোনো দেশেই তারল্যের সংকট দেখা যায়নি।
ড. এম কবির হাসান: অধ্যাপক, নিউ অরলিন্স বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র
ড. মোহাম্মদ দুলাল মিয়া: সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ফাইন্যান্স ও অর্থনীতি বিভাগ, নিজওয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ওমান

04/11/2022

: 66

( #যারা নিয়মিত কষ্ট করে ট্রান্সলেশন করবেন, #তারা যেকোন পরীক্ষায় দিনশেষে এগিয়ে থাকবেন)

👉 ঢাকা শহর মেগাসিটি কিন্তু পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা খুবই নড়বড়ে।
Despite being a megacity, water drainage system of Dhaka city is very vulnerable.
বেশ আগে থেকেই সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
waterlogging is a common phenomenon in a little rain from long since

কারণ ঢাকা শহরের যে বিস্তৃতি সে অনুযায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা খুবই দুর্বল।
Because the water drainage system is weak according to the extent of dhaka city

পলিথিনসহ প্লাস্টিক জাতীয় পণ্যের ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে।

The usage of the plastic product, in tandem with polythene, is increasing gradually

বিশেষত প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফাস্টফুড, জাঙ্কফুড, জামাকাপড়ের প্যাকেট সবই প্লাস্টিক জাতীয় প্যাকেটে মোড়া।

Specially packets use wrapping processed foods, junk Foods, clothes are all made of plastic.

এগুলো ডাস্টবিন থেকে চলে যায় পানি নিষ্কাশন পাইপের কাছে।
These go from the dustbins to the water drainage pipe.

সব ময়লা জমাট বেঁধে থাকে।

All the dirt gets stuck
এসব পলিথিন পচনশীল নয়।

This polythene is not perishable

19/10/2022

: 55

ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা রক্ষায় আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসার সুপারিশ করেছে।

IMF and World Bank have suggested to step back from the special policy of discount regarding loan default to save the order in banking sector

একই সঙ্গে ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে শিথিলতা থেকেও সরে আসার প্রস্তাব দিয়েছে।

এসব খাতে অব্যাহত ছাড় দিলে একটি পর্যায়ে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা হারাবে উদ্যোক্তারা।

আর ব্যাংকে তারল্য কমে যাবে। এতে ব্যাংকগুলো ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়বে। আর্থিক সংকটে পড়ে কোনো কোনো দুর্বল ব্যাংক আমানতকারীদের টাকা পরিশোধেও ব্যর্থ হতে পারে।

11/10/2022

At present, a huge portion of people uses social media worldwide. Social media especially Facebook has become all the rage among youths.
People are now a days connected with each other through social media, resulting in expedite communication with a single click. Exparts say that this is the era of information technology (IT) and it is being used in curbing communication time. People can anytime talk to each other from anywhere by using these sicial media platforms, which was unimaginable before. Anyone can contact with his friends within a second though social media. Social media also have an immense socioeconomic impact. Small or medium scale businesses have gained pace owing to the increasing use of social media as these media are helping to circulate the advertisements of the products. Many peole get engage in social media based online business considering the growing prospects of profit.
Social media have brought some fundamental changes in people life. They, this time, prefer virtual life to real one. People are now spent lots of time on social media, as a result the relationship among people becomes fragile. Consequently, human society in in the verge of destruction.

07/10/2022

সামনের বছর বৈশ্বিক মন্দা দেখা দিলে যেসব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশ
…………………………………………………………………

আগামী বছর বৈশ্বিক মন্দার আশংকা থেকে আগাম প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
আগামী বছর বৈশ্বিক মন্দার আশংকা থেকে আগাম প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং সে কারণে তার সরকার ইতোমধ্যেই আগাম প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।
এর আগে গত মাসেই বিশ্বব্যাংকও তাদের একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছিলো যে বিশ্ব অর্থনীতি ২০২৩ সালের দিকে মন্দার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।
মূলত দু বছরের করোনা মহামারির পর ইউক্রেন যুদ্ধের জের ধরেই বিশ্বে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা, যা মোকাবেলায় দেশে দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার হিমশিম খাচ্ছে।
তবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক অর্থনীতির এ হালের জন্য এর আগে ইউক্রেন যুদ্ধ আর পরাশক্তি গুলোর নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞাকেই কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের মানুষকে প্রতি ইঞ্চি জমিতে শস্য আবাদের পরামর্শ দিয়েছেন যাতে করে উৎপাদন বাড়িয়ে মানুষ সঞ্চয় করতে পারে।
প্রসঙ্গত, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে আমেরিকা ও রাশিয়ার নানা পদক্ষেপের কারণে ইতোমধ্যেই অর্থনীতিতে নানা প্রভাব পড়েছে এবং দ্রব্যমূল্য বেড়েছে অনেকখানি। সামনে সংকট আরও বেশি হলে অর্থনীতির অবস্থা কেমন দাঁড়ায় তা নিয়ে তাই বেশ উদ্বেগ আছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
যেসব দেশকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ হবে ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতি।
শেখ হাসিনা বলেছেন মন্দার আশঙ্কা থেকে এখনি চিন্তা করা হচ্ছে আগামী বছরের বাজেট নিয়ে।
বৈশ্বিক মন্দা ও বাংলাদেশ নিয়ে যা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফর থেকে ঢাকায় ফিরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ব্রিটেনের রানীর শেষকৃত্যানুষ্ঠান ও জাতিসংঘের অধিবেশনের সময় বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করে জানান যে, তারা বিশ্বময় একটি দুর্ভিক্ষের আশংকা করছেন এবং ২০২৩ সালে দুর্যোগময় সময় ঘনিয়ে আসছে বলে মনে করেন।

তবে তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন যে বাংলাদেশের এ মূহুর্তে উদ্বিগ্ন হবার কিছু নেই। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও ভালো যা দিয়ে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।

"কিন্তু বিশ্ব যদি সমস্যায় থাকে সেক্ষেত্রে আমরা কি ভালো থাকব? এ জন্য মানুষের কষ্ট লাঘবে যা করা দরকার তার সব উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আগামী বাজেট নিয়েও এখনি চিন্তা করা হচ্ছে," সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই বিলাসদ্রব্য আমদানি সীমিত করেছে ও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি আমদানিয় ব্যয় কমিয়ে এনেছে।

বিশ্বব্যাংক যা বলেছিলো
ওয়াশিংটন থেকে গত মাসেই বিশ্বব্যাংক তার 'বিশ্বে কি মন্দা আসন্ন' শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বিশ্ব অর্থনীতির তিন মূল চালিকাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ইউরোপের অর্থনীতি দ্রুত গতি হারাচ্ছে। ফলে আগামী বছরে সামান্য আঘাতেও মন্দা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

বিশ্বব্যাংক এ বিষয়ে যে আশংকা করেছে সেটি বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ বৈশ্বিক এ সংস্থাটি বলছেন সম্ভাব্য এই মন্দায় মারাত্মক পরিণতি ভোগ করবে মূলত উঠতি বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতি।

দেশে দেশ জিনিসপত্রের দাম লাগাম ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
দেশে দেশ জিনিসপত্রের দাম লাগাম ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু কী ধরণের চ্যালেঞ্জ আসতে পারে বাংলাদেশের জন্য
বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলন ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক সময়ে তার একাধিক বক্তব্যে ২০২৩ সালের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দার কথা বলে মূলত খাদ্য সংকটের দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশীদের কয়েকটি অনুষ্ঠানে তিনি দেশবাসীকে তাদের অব্যবহৃত জায়গা জমিতে শস্য আবাদের পরামর্শ দিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির শিক্ষক সায়মা হক বিদিশা বলছেন বাংলাদেশের সামনে কয়েকটি বিষয় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আসবে।

এগুলো হলো :

১. রপ্তানি আয় কমে যেতে পারে

২. আমদানি করা খাদ্য পণ্যের দাম বাড়বে

৩. মন্দায় বিশ্ববাজারে জ্বালানী তেলের দাম কমলে তার সাথে দেশের বাজারের সমন্বয় সাধন করা

৪. রেমিটেন্স কমতে পারে

"বিশ্ব অর্থনীতি মন্দায় পড়লে বাংলাদেশের রপ্তানিতে এর প্রভাব পড়বে কারণ তৈরি পোশাকের চাহিদা কমবে। তবে সঠিক ভাবে এগুতে পারলে এখানে কিছুটা ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে। কারণ বাংলাদেশ যেসব পোশাক রপ্তানি করে সেগুলো খুব উচ্চ মূল্যের নয়," বলছিলেন সায়মা হক বিদিশা।

তার মতে বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের বড় অংশ তেল সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকলেও বৈশ্বিক মন্দায় তাতেও প্রভাব পড়তে পারে। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের কোম্পানিগুলো পশ্চিমাদের কাছে যে রপ্তানি করে তাতে প্রবৃদ্ধি কম হলে এসব কোম্পানিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা তৈরি হবে।

এছাড়া বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে খাদ্য পণ্যের দাম। কারণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য পণ্য বাংলাদেশকে আমদানি করতে হয়।

"বৈশ্বিক মন্দা দেখা গিলে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে সেটি প্রভাব ফেলবে। আমদানি করা পণ্যগুলোর দাম বাড়বে। তবে জ্বালানি তেলের দাম বৈশ্বিক মন্দায় কমে আসলে সেটি কিছু স্বস্তিরও কারণ হতে পারে," বলছিলেন সায়মা হক বিদিশা।

তবে সম্ভাব্য বৈশ্বিক মন্দার প্রভাবে যদি দেশের সার্বিক রপ্তানি আয় কমে আর আমদানি আয় বেড়ে যায় তাহলে চলতি বছরের মতো আবারো ডলার সংকট তৈরি হতে পারে।

সায়মা হক বিদিশার মতে জ্বালানি তেলের দাম মন্দায় কমে আসলে বাংলাদেশের বাজারে তার সমন্বয়টা বুদ্ধিমত্তার সাথে করতে পারলে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পাবে।

তবে কৃষি আর রেমিটেন্সে প্রণোদনাসহ আনুষঙ্গিক পদক্ষেপ ঠিক মতো নিতে পারলে মন্দার চাপ মোকাবেলা করা কিছুটা সহজ বলে বলে মনে করেন তিনি।

একই সাথে চলতি বছর ডলার সংকট মোকাবেলায় যেভাবে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে সে ধরণের পদক্ষেপ নেয়ারও প্রয়োজন হতে পারে।
সোর্স : BBC

06/10/2022

ক্ষমতায়ন হচ্ছে মানুষের বস্তুগত, দৈহিক, মানবিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ওপর স্বনিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা- যার সঙ্গে দক্ষতার প্রশ্নটি জড়িত।
empowerment is the establishment of self control in man's materialistic, physical, humanly and intellectual assets with which the skills connected with.
কাজেই নারীর ক্ষমতায়ন বলতে এমন একধরনের অবস্থাকে বোঝায়, যে অবস্থায় নারী তার জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বাধীন ও মর্যাদাকর অবস্থায় উন্নীত হতে পারে।
thus, women empowerment means one kind of situation where women could achieve an independent and dignified position in every sector related to there life

01/10/2022

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হচ্ছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ।

One of the main objectives of Central Bank is to regulate inflation.

গ্লোবাল টাইমস-এর এক সংবাদে বলা হয়েছে, এবারের বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ডলারবাহিত মূল্যস্ফীতি। ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই এর সূত্রপাত।

According to the Global Time's report, the ongoing inflation is a dollar driven inflation which has been started since the the middle of 2021.

এর আগে ১৯৮০-এর দশকে সর্বশেষ ডলারের এমন উল্লম্ফন দেখা গিয়েছিল।

Such mounting of the dollar's value was seen in 1980s for the last time.

তখন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য সমন্বিতভাবে মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করে, যাকে বলে প্লাজা অ্যাকর্ড।

USA, Japan, Germany, France and UK unitedly intervened the capital market which is known as Plaza Accord.

ডলারের এ তাণ্ডব নৃত্যের পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই মনে করছেন, এখন আরও একটি এমন চুক্তির সময় এসেছে।

In this backdrop of dollar-value's skyrocketing, many stakeholders thinks that it is time for formulating another such type of accord.

01/10/2022

Share Option Available >> Engineer's BCS Care
৪৪তম বিসিএস লিখিত

★★ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি

©আসাদুজ্জামান বুলবুল,
শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড সুবিধা আশীর্বাদস্বরূপ। আর বর্তমানে বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

সহজ কথায়, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড (Demographic Dividend) বলতে বোঝায়, কোনো একটি দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি যখন শ্রমশক্তিতে পরিণত হয়। অর্থাৎ পরনির্র্র্ভরশীল জনসংখ্যার চেয়ে কর্মক্ষম জনসংখ্যার হার বেশি হয়।

জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপি) মতে, ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সি মানুষের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ বয়সি মানুষ তাদের শ্রম ও মেধা দিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। আর বাংলাদেশের এখন বেশিরভাগ মানুষ (৬৮ শতাংশ) কর্মক্ষম। জনমিতির হিসেবে বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের মতো সুবর্ণ সময় পার করছে, যা ২০৪০ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে।

এখন জানার বিষয় হচ্ছে- ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কীভাবে কাজ করে বা এর সুবিধা কি?

যখন একটি দেশ এমন পরিবর্তনশীল বয়স কাঠামোর মধ্য দিয়ে যায়, তখন চারটি ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে সুবিধা ভোগ করা যায়।

১. শ্রম সরবরাহ সহজলভ্য : ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের ফলে একটি দেশ যেকোনো উৎপাদনশীল সেক্টরে সহজে শ্রমশক্তি নিয়োগ করতে পারে এবং কম উৎপাদন খরচে পণ্য সরবরাহ করতে পারে, যা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক রপ্তানি বাজারে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখে।

২. সঞ্চয় বৃদ্ধি : কর্মক্ষম জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটে এবং পারিবারিক কল্যাণের জন্য একটি উইন্ডো তৈরি হয়ে যায়। তাত্ত্বিকভাবে, মাইক্রো স্তরে, এ পরিবর্তনের ফলে পরিবারের জন্য উন্নত জীবনযাত্রার মান এবং ব্যক্তি পর্যায়ে উচ্চ আয়ের পথ তৈরি হয়, যা ম্যাক্রো স্তরে, একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

৩. হিউম্যান ক্যাপিটাল : হিউম্যান ক্যাপিটাল হলো এমন একটি ধারণা, যা অর্থনীতিবিদ এবং সমাজবিজ্ঞানীরা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় উপযোগী বলে বিবেচিত ব্যক্তিগত গুণাবলি নির্ধারণ করতে ব্যবহার করেন। এটি কর্মচারীর জ্ঞান, দক্ষতা, ভালো স্বাস্থ্য এবং শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করে। পিতামাতারা সন্তানের জন্য আরও বেশি সম্পদ বিনিয়োগ করতে সক্ষম হয়, যার ফলে স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার উন্নতি ঘটে।

৪. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি : নির্ভরতা অনুপাত হ্রাসের কারণে মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধি। অর্থাৎ প্রত্যেক ব্যক্তি যখন নিজে উপার্জন করতে সক্ষম হয়, তখন মাথাপিছু আয় বেড়ে যায়। উপরিউক্ত সুবিধাগুলো অর্জনের জন্য উপযুক্ত সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক নীতিমালার দরকার রয়েছে। কারণ যে দেশগুলো এরই মধ্যে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগিয়ে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, তাহলো- জাপান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া এবং চীন। এসব দেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে পলিসি গ্রহণ করে বিশাল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করছে। তারা পরিবার-পরিকল্পনা এবং প্রজনন স্বাস্থ্য, মানসম্পন্ন শিক্ষা, চাকরি এবং কাজের সুযোগ সৃষ্টি, মহিলাদের এবং বিনিয়োগের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এবং সুশাসন নিশ্চিত করেছিল যার কারণে তারা দ্রুত সময়ে এ সুবিধা কাজে লাগাতে পেরেছিল।

অর্থাৎ বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারের নীতিনির্ধারকদের উচিত আমাদের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

আমাদের মাঝে একটি প্রচলিত ধারণা হচ্ছে, অধিক জনসংখ্যা একটি বোঝা; কিন্তু অর্থনীতি বিশ্লেষক ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্যাট্রিক বুকানোনের মতে, ভবিষ্যতে যেসব দেশ বিশ্বকে Dominate করবে, তারা তিনটি বিষয়ে সমৃদ্ধ হবে। যথা : ১. খনিজ সম্পদ, ২. সুপেয় পানি, ৩. জনসংখ্যা।

আবার, জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি যদি শ্রমশক্তিতে পরিণত হয়, তবে সেটি নিশ্চয়ই বোঝা হতে পারে না। এখানে মূলত দরকার সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তার আলোকে ওই শ্রমশক্তিকে কাজে লাগিয়ে ওই জনসংখ্যা থেকে সর্বোচ্চ Output অর্জন, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে উন্নতি সাধন, সর্বোপরি ওই শ্রমশক্তিকে সর্বোচ্চ ব্যবহার করে দেশকে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে দেওয়া।

চীনে, ১৯৮০ সালের দিকে এ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ঘটে এবং শ্রমশক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশটি উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে গেছে। স্মরণ রাখতে হবে আমাদের হাতে; কিন্তু সময় খুবেই কম। কারণ আমরা যে Golden Timeব অতিবাহিত করছি, তা ২০৪০-৫০ সালের দিক শেষ হয়ে যাবে। আর সঠিক সময় এই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে। যখন কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে গিয়ে নির্ভরশীল জনসংখ্যা বেড়ে যাবে, তখন জনসম্পদ, জন দুর্ভোগে পরিণত হবে। তাই বাংলাদেশ সরকারের এখন বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা। কারণ আমাদের প্রাকৃতিক রিসোর্সের পরিমাণ খুবেই কম তাই দেশকে এগিয়ে নিতে হলে জনসংখ্যার মানোন্নয়ন করতে হবে। আর বাংলাদেশের এখন বড় সমস্যা হচ্ছে বেকারত্ব বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের হার সবচেয়ে বেশি। প্রতি ১০০ জন স্নাতক ডিগ্রিধারীর মধ্যে ৪৭ জনই বেকার। অর্থাৎ প্রতি দু’জনে একজনের নাম বেকারের খাতায় অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা ৩ কোটি। প্রতিষ্ঠানটি আভাস দিয়েছে, কয়েক বছরে তা দ্বিগুণ হয়ে ৬ কোটিতে দাঁড়াবে, যা মোট জনসংখ্যার ৩৯ দশমিক ৪০ শতাংশ হবে।

অর্থাৎ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড সুবিধা ভোগ করার বড় বাধা হচ্ছে বেকারত্ব সমস্যা এবং নতুন কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা তৈরি করতে না পারা। তাই সরকারি ও বেসরকারিভাবে সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে যুবদের শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করলেই সারা দেশে বেকারত্ব কমে যাবে। পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ পারে এই সমস্যা সমাধান করতে। তাহলো :

১. সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাযুক্ত করতে হবে।

২. পলিটেকনিক থেকে পাসকৃত শিক্ষার্থীদের উচ্চতর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

৩. কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বাজেটে বরাদ্দ করতে হবে।

৪. যুবসমাজকে উদ্যোক্তা হতে অনুপ্রাণিত করতে হবে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালিত করার প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করতে হবে।

৫. অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

৬. রেমিট্যান্স বৃদ্ধির জন্য যুবকদের প্রশিক্ষিত করে জনসম্পদ রপ্তানি করতে হবে।

৭. দেশের তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সরকারের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে।

৮. দেশে রাজনৈতিক, সামাজিক স্থিতিশীল অবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

৯. মাদকের থাবা থেকে কর্মক্ষম মানুষকে রক্ষা করতে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

১০. নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মনোযোগ ও কৃষি খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

আমাদের দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে হলে বাংলাদেশ সরকারকে যুগোপযোগী নীতি গ্রহণ করতে হবে এবং ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগাতে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। কারণ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের মতো সুবিধা খুব কম দেশের হাতে রয়েছে। তাই সম্পদ ও সুযোগের সঠিক ব্যবহার করা এখন সময়ের দাবি।
Courtesy : Engineer's BCS Care

30/09/2022

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্রপরিচালনা দক্ষতার অন্যতম সেরা সাফল্য তেরো বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ।
One of the great achievements of PM sheikh Hasina's excellence in running the state is the establishment of digital Bangladesh in 13 years.
উদ্ভাবন ও গবেষণা ছাড়া ডিজিটাল অর্থনীতি বিকশিত হতে পারে না-এমন উপলব্ধি থেকে প্রধানমন্ত্রী তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন।
She emphasizes on applying the youth's innovative power realizing the fact that digital economy can not be flourished without innovations and researchs.

কিন্তু কঠিন বাস্তবতা হলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ যখন করোনা মহামারির ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে, ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৮২৪ মার্কিন ডলারে এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৫ শতাংশে দাঁড়ায়, তখনই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকে চরম জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

Unfortunately the harsh truth is that Bangladesh like other countries has to face with dire fuel crisis owing to the Russia-Ukraine war when it starts to overcome the fallout from covid-19 pandemic by the leadership of honourable prime minister and when its par capita income stands at 2824 dollars and gdp growth rate becomes 7.25 percent in FY 2021-22.

Daily Translation Pactice for Job Exams This page is created to help people preparing for job exam especially for bank job and BCS.

30/09/2022

বৈশ্বিক চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিকে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
Bangladesh's overall economy have to face with multidimensional challenges on the global ongoing situation.
আগামীতে এই চ্যালেঞ্জের মাত্রা আরো বাড়বে।
The degree of these challenges will further increase in future.
বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় সকল দেশকেই এই ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
Almost every country of the world along with/including Bangladesh have to tackle these sort of challenges.
দেশে মার্কিন ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা তথা টাকা অবমূল্যায়নের চাপ অারো বাড়বে।
The pressure of devaluation of local currency as like Taka against US dollar will further mounting.
এর প্রভাবে বাড়বে মুদ্রাস্ফীতির চাপও।
Consequently, the pressure of inflation will also increase.
টাকার অবমূল্যায়নের কারণে সরকারের খরচের মাত্রা বেড়ে যাবে।
The degree of government's expenditure will increase owing to the devaluation of taka.
এর ফলে অর্থনীতিতে সরকারের খরচের ধাক্কা জোরালো হবে এবং এর কারনে সৃষ্ট সংকটকে আরো প্রকট করে তুলতে পারে।
As a result, the shock of government's expenditure in the economy will be stronger and the resultant crisis will be obvious.

1/10/2022

30/09/2022

✅বাজেট ২২-২৩, ✅অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২২, 🟢বিবিএস রিপোর্ট, জনশুমারি -২২

🟢✪ বাজেট ২০২২-২৩ ✪✅
☞ ৫১তম (অন্তবর্তীকালীনসহ_৫২তম)
☞ বাজেট পেশ: অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল (৪বার)
☞ বাজেটের আকার: ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা
☞ ঘাটতি বাজেট: ২ লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকি
☞ জিডিপি প্রবৃদ্ধি: ৭.৫% ( Asian Development Bank'র মতে চলতি অর্থবছরে GDP এর প্রবৃদ্ধি ৬.৬% হতে পারে।)
☞ মূল্যস্ফীতি: ৫.৬%
☞ মাথাপিছু আয়: ৩০০৭ ম.ড ( প্রস্তাবিত), বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২৮২৪ ম.ড ( UN মানব উন্নয়ন রিপোর্ট ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়-৫,৪৭২ মা.ড.(রিজার্ভ ৩৭.০৬ বিলিয়ন. ম.ড,সেপ্টেম্বর ২০২২ এবং ৩৯ বিলিয়ন ম.ড ৮/৮/২২)

✅☑ খাত অনুযায়ী -✅
☞ জনপ্রশাসন খাত- ১৯.৯% (সবচেয়ে বেশি)
☞ শিক্ষা প্রযুক্তি খাত- ১৪.৭%
☞ পরিবহন ও যোগাযোগ খাত- ১২%
☞ কৃষি খাত- ৬.২%
☞ প্রতিরক্ষা খাত- ৫.৯%
☞ স্বাস্থ্য খাত- ৫.৪%

🟢অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ প্রকাশিতঃ✅

➡মোট জনসংখ্যা ১৬৯.১১ মিলিয়ন (জানুয়ারি ,২০২১);
➡ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭%;
➡ জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতি বর্গকিলোমিটার) ১১৪০জন;
➡ নারী-পুরুষের অনুপাত ১০০ঃ১০০.২;
➡ স্থুল জন্মহার (প্রতি১০০০ জনে) ১৮.১ জন;
➡স্থুল মৃত্যুহার (প্রতি১০০০ জনে) ৫.১ জন;
➡ প্রতিহাজারে শিশু মৃত্যুর হার (১ বছরের নীচে জীবিত জনে)২১জন;
➡ গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৮ বছর (এর মধ্যে পুরুষ ৭১.১বছর এবং মহিলা ৭৪.৫বছর);
➡ ১৭২৪ জন মানুষের জন্য ১ জন চিকিৎসক;
➡সাক্ষরতার হার (৭+ বয়স) ৭৫.২% (এর মধ্যে পুরুষ ৭৭.৪শতাংশ এবং মহিলা ৭২.৯ শতাংশ);
➡ দারিদ্রের হার ২০.৫% এবং চরম দারিদ্র্যের হার ১০.৫%;
➡জিডিপি ‘র প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৫%;
➡ মাথাপিছু আয় ২৮২৪ মার্কিন ডলার,
➡পার ক্যাপিটাল জিডিপি ২৭২৩ ডলার,
➡মোট ব্যাংক ৬১ টি;
➡ রাষ্ট্রীয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি;
➡ বিশেষায়িত ব্যাংক ৩ টি;
➡ বেসরকারি ব্যাংক ৪৩ টি;
➡বৈদেশিক ব্যাংক ৯ টি;
➡ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৩৫টি;(বর্তমানে ৩৬ টি, সর্বশেষ- নগদ)
➡ মুদ্রাস্ফীতি ৫.৮৩%;
➡ বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি তে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র;
➡বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে চীন থেকে;
➡বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পায় সৌদি আরব থেকে;
➡রেমিট্যান্স ১৫.২৯৯ বিলিয়ন ডলার।(জুলাই-মার্চ) ➡জীবিকাতে নিয়োজিত- (কৃষি খাতে ৪০.৬%,শিল্প খাত ২০.৪%,সেবা খাতে ৩৯%);
➡সুপেয় পানি ব্যবহারকারী৯৮.৩;
➡পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা উন্নতি ৮১.৫%;
➡বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৪.০৮৯ বিলিয়ন ডলার;
➡রপ্তানি আয় ৩২.০৭১ বিলিয়ন ডলার;
➡আমদানি ব্যয় ৫৪.৩৭ বিলিয়ন ডলার;
✅🟢🟢
GDP'র সাময়িক হিসাব (১০ মে ২০২২, BBS রিপোর্ট ২০২১-২২ অর্থবছর)
১। জনসংখ্যা- ১৭০.৭৯ মিলিয়ন
২। মাথাপিছু আয় (GDP)- ২৭২৩ ম.ড (২,৩২,৮২৮ টাকা)
৩। GDP প্রবৃদ্ধি হার- ৭.২৫%
৪। মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNP) - ২৮২৪ ম.ড (২,৪১,৪৭০ টাকা)
খাত ভিত্তিক অবদান এবং প্রবৃদ্ধির হার
৫। কৃষি- অবদান-১১.৫০% এবং প্রবৃদ্ধি হার- ২.২০%
৬। শিল্প -অবদান- ৩৭.০৭% এবং প্রবৃদ্ধি হার- ১০.৪৪%
৭। সেবা- অবদান- ৫১.৪৪% এবং প্রবৃদ্ধি হার- ৬.৩১%
নোট- ২০২১-২২ অর্থবছর অনুযায়ী সেবা খাতের অবদান হার বেশি (৫১.৪৪%) এবং শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি হার বেশি (১০.৪৪%)। কৃষি খাতের অবদান এবং প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে কম।

৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহ গণনা ২০২২ (১৫-২১ জুন)
১) জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন
২) প্রতি বর্গ কি.মি. জনসংখ্যা ঘনত্বের হার ১ হাজার ১১৯ জন ।
৩) পুরুষ: নারী ৯৮: ১০০ জন।
৪) ৯১.০৪% মুসলিম
৫) সাক্ষরতার হার ৭৪. ৬৬%
৬) মোবাইল ব্যবহারকারীর হার ৫৫.৮৯%
৭) ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৩০. ৬৮%
৮) জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%
৯) নারীঃ ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন।
১০) পুরুষঃ ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন।
১১) তৃতীয় লিঙ্গঃ ১২ হাজার ৬২৯ জন।
১২) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী -৫০ টি ( বৃহত্তম - চাকমা, ক্ষুদ্রতম-ভিল)
১৩। প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়- ২৭ জুলাই ২০২২
১৪। জনসংখ্যায় বৃহত্তম বিভাগ,জেলা/ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার,ঘনত্ব /সাক্ষরতার হার সর্বাধিক/নারী পুরুষের অনুপাত সর্বাধিক= ঢাকা
✍️✍️
Anam Uddin

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Rajshahi