Rongin Sir

Rongin Sir

Share

✍️নোটিশ, ছুটি, অনুষ্ঠান, বিজ্ঞাপন ও প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পাশে থাকুন।
সাথে থাকুন। শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।।

Photos from Rongin Sir's post 29/04/2026

২০২৬ সালের ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অনলাইন (eSIF পূরণের মাধ্যমে) রেজিস্ট্রেশন সম্পন্নকরণ প্রসঙ্গে।

29/04/2026

সংযুক্ত ব্যঞ্জনটি‌ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বর্ণপরিচয়-এ রেখেছিলেন। কিন্তু এর ব্যবহার এখন বিলুপ্ত।
সংযুক্ত এই ব্যঞ্জনটি কোন কোন বর্ণে তৈরি এবং এর উচ্চারণ কী হবে?
Rongin Sir

27/04/2026

গুরু শিষ্যকে যদি একটি অক্ষরও শিক্ষা দেন, তবে পৃথিবীতে এমন কোনও জিনিস নেই, যা দিয়ে সেই শিষ্য গুরুর ঋণ শোধ করতে পারে।

- চাণক্য

Photos from Rongin Sir's post 22/04/2026

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি...

22/04/2026

আমি একজন শ্রেণি শিক্ষক। বর্তমান শ্রেণি কক্ষ ও শিক্ষা ব্যবস্হাপনা আমাকে ভীষন ভাবায়। আমি সমসায়িক যাব ভাবছি......

#আমি হাসিমুখে ক্লাস নিতে ভালোবাসি। ভালোবেসে নিয়েছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। পারি না।
শিক্ষকতা জীবনে আমি সবসময় বিশ্বাস করেছি—ভালোবাসা দিয়েই শেখানো যায়।
গল্প করতে করতে, হাসতে হাসতে, ভ্রমন এবং ছোট ছোট আনন্দের ভেতর দিয়ে বাচ্চাদের নতুন কিছু শেখানো—এটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। কিন্তু আজকাল শ্রেণি নিজেকে বড্ড অপরিচিত মনে হয়।

#একটা অদ্ভুত পরিবর্তন চোখের সামনে ঘটছে। তা একদিনে হয়নি। এমনি এমনি হয়নি। বিশৃংখলা যখন চারদিকে সয়লাব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারি এর বাহিরে নয়।

একটা ক্লাস শেষ করে আরেকটা ক্লাসে যেতে মাত্র ২–৩ মিনিট সময় লাগে। এই সামান্য সময়ের মধ্যেই পুরো বারান্দা ভরে যায় অস্থিরতা, চিৎকার, হৈহাল্লা ও দৌড়াদৌড়িতে।
ধাক্কাধাক্কি, মারামারি, আচার-বিচার—কেউ কাউকে শুনছে না, শুনতে চায় না।

এক সময় যে বাচ্চারা চুপচাপ বসে থাকত, ক্লাস ক্যাপ্টেন/ ক্লাশটিচার সবাইকে সামলে রাখত—এখন তারা চোখের দিকে তাকায় না, ডাকে সাড়া দেয় না।অদ্ভুত প্রশ্ন ছুড়ে দেয়-আমি কি করেছি?

#সবচেয়ে কষ্টের জায়গা হচ্ছে-ওদের মধ্যে যেন “সংযোগ” নেই। না চোখের ভাষা বোঝে, না আদর বোঝে, না ধমক বোঝে, না ধমকে কাজ করে।
মোবাইলের গেম, স্ক্রিনের জগৎ—ওদের মনটাকে এমনভাবে দখল করে আছে যেন বাস্তব মানুষ, বাস্তবতার সম্পর্ক—সব যেন দূরের কিছু।

#শাসন করবো? সেটাও আজ আর সহজ না। ভীষন কঠিন। শাসন করলে ভয়ে আমাকেই তটস্থ থাকতে হয়। কখন জানি অভিযোগ আসে।

আমরা ছোটবেলায় শুনতাম—
“শিক্ষক যা ঠিক মনে করেন, সেটাই করবেন।”

আর এখন?
সামান্য কিছু বললেই অভিভাবকরা প্রশ্ন তোলেন, বিচার করেন, চাপ তৈরি করেন। কাঠগড়ায় দাঁড় করান। শিক্ষক যেন পড়ানোর আগে হাজারবার ভাবেন—“এটা বলা ঠিক হবে তো?”

#তাই এখন ক্লাসে কী কী করি জানেন?-
হাসিমুখে ঢুকি! আর কিছুক্ষণ পর নিজেকে দেখি কপাল কুঁচকে, দাঁতে দাঁত চেপে কথা বলছি…
এটা আমি না।
এটা আমি হতে চাইনি। অসহায়ের মতন ভাবি -যদি বিকল্প করতে পারতাম!

#একটা কথা বলতে চাই—অভিভাবকদের কাছে -আপনার সন্তান শুধু বইয়ের পড়া শিখলেই মানুষ হবে না।
শিখতে হবে—
• শ্রদ্ধা
• শোনার অভ্যাস
• নিয়ম মেনে চলা
• অন্যকে বুঝতে পারা
• পরমতসহিষ্ণুতা
এই জিনিসগুলো বাড়ি থেকে শুরু হয়। স্কুল শুধু সেটাকে গড়ে তোলে।

#আর আমার প্রিয় ছাত্রদের বলি-
তোমরা খারাপ না…
কিন্তু তোমাদের মনটা খুব অস্থির হয়ে গেছে।
একটু থামো,
একটু শুনতে শিখো,
একটু চোখে চোখ রেখে কথা বলতে শিখো।

#শিক্ষকতা শুধু পেশা না—এটা একটা অনুভূতি, একটি ব্রত। কিন্তু সেই অনুভূতিটা যদি প্রতিদিন ভেঙে যায় তাহলে একসময় জাতি থেমে যাবে। হয়তো এখন সময় এসেছে আমরা সবাই একটু থামি—শিক্ষক, অভিভাবক, আর ছাত্রছাত্রী- নতুন করে ভাবি—
আমরা আসলে কোথায় যাচ্ছি…গন্তব্য ঠিক আছে তো?

আমার কথাগুলো যদি প্রয়োজনীয় মনে হয় তাহলে একটু ভাবুন। মনে একটু হলেও নাড়া দিলে আসুন পরবর্তী প্রজন্মের জন্যে নতুন পৃথিবী গড়ি।

20/04/2026

পরবর্তী এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে: --শিক্ষা মন্ত্রী

আপনি কি মনে করেন --
ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব ?

19/04/2026

যে সকল কারণে বহিষ্কার বা এক্স-ফেল
হতে পারে পরীক্ষায়!!!

Photos from Rongin Sir's post 19/04/2026

📚সীট প্ল্যান-এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬
🏠এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র- নবাবগঞ্জ-এ
📌কেন্দ্র কোডঃ ১৭১
🟧ভেন্যুঃ হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
🟢ভেন্যুঃ গ্রীন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ

18/04/2026

গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ:
আগামীকাল ১৯.০৪.২০২৬ তারিখে তিন পিরিয়ড পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম চলবে এবং পরবর্তী দিন ২০/৪/২০২৬ তারিখে এসএসসি পরীক্ষার জন্য বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

নোটঃ রুটিন অনুযায়ী প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা চলবে।

নির্দেশক্রমে
প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত )
নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

17/04/2026

পরীক্ষায় শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি: দুশ্চিন্তা নয়, চাই আত্মবিশ্বাস...

​কথায় বলে—‘শেষ ভালো যার, সব ভালো তার’। তাই আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি হওয়া উচিত খুব ধীরস্থির ও শান্ত মেজাজে। ভয় ও টেনশন তো দূরের কথা, কোনো বিষয়েই বিন্দুমাত্র অস্থির হওয়া যাবে না। এ লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীদের জন্য আমার কিছু পরামর্শ:

​১. এখন নতুন কোনো বিষয় নিয়ে পড়াশোনা শুরুর মানে হয় না। যা পড়া হয়েছে, সেগুলোই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে হবে এবং বারবার লিখতে হবে। মনে রাখা প্রয়োজন—পরীক্ষায় খাতায় লিখতে হয়, মুখে বলতে হয় না। বিগত বিভিন্ন সালের বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্ন সামনে রেখে ‘পরীক্ষার রিহার্সাল’ দেওয়াটা হতে পারে তোমাদের চূড়ান্ত প্রস্তুতির দুর্দান্ত অংশ।

​২. কোনো একটি বিষয়ের পাঠ শেষ করার পর যখন অন্য বিষয় অনুশীলন করতে যাবে, তখন মাঝখানে অবশ্যই কিছুটা বিরতি রাখবে। এতে মগজ ক্লান্ত হবে না। বিষয়টি একটি কচুরিপানায় ভরা পুকুরের মতো। ওপর থেকে পানি দেখা না গেলেও একটি ঢিল ছুড়লে যেমন সাময়িক ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়, পড়াশোনার মাঝে বিরতিও তেমনি মগজে নতুন তথ্য ধারণের জায়গা করে দেয়। একনাগাড়ে পড়লে মগজ নিঃশক্তি হয়ে পড়ে এবং জানা বিষয়ও অনেকে মনে করতে পারে না। তাই নতুন কিছু পড়ার চাপ না নিয়ে আগের পড়া রিভিশন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

​৩. জিপিএ-৫ পেতে হলে কোনো বিষয়কেই অবহেলা করা যাবে না; সব বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিয়ে অনুশীলন করতে হবে। প্রশ্নে যা চাওয়া হয়েছে, উত্তর ঠিক ততটুকুই হওয়া চাই; অযথা পাতা ভরিয়ে সময় নষ্ট করা যাবে না। লেখার সময় ভুল হলে ঘষামাজা না করে একটানে কেটে দিতে হবে। হাতের লেখা যেমনই হোক, খাতার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পারলে তা পরীক্ষকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেই। সময়ের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে এবং কোনো উত্তর ছেড়ে আসা যাবে না। কমন না পড়লে পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে প্রাসঙ্গিক কিছু লিখে আসতে হবে।

​৪. রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর, খাতার মার্জিন, প্রশ্নের নম্বর ও বৃত্ত ভরাটের মতো সাধারণ বিষয়গুলোতে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। প্রশ্ন ভালোভাবে বুঝে লেখা শুরু করতে হবে। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও এমসিকিউ-তে অতিরিক্ত সময় নষ্ট করা চলবে না। লেখার সময় অবশ্যই বানানের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

​৫. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাই ঘড়ি ধরে প্রতিটি প্রশ্নের মান অনুযায়ী সময় ভাগ করে নিতে হবে। পরীক্ষা শেষের ঘণ্টা পড়ার অন্তত পাঁচ মিনিট আগে লেখা শেষ করার চেষ্টা করবে, যেন উত্তরপত্রটি একবার ভালোভাবে মিলিয়ে দেখার সুযোগ পাও।

​৬. সৃজনশীল প্রশ্নের ‘ক’ ও ‘খ’ অংশের উত্তর সাধারণত সুনির্দিষ্ট হয়, তাই এখানে অহেতুক তথ্য দিয়ে সময় নষ্ট করবে না। ‘গ’ ও ‘ঘ’ অংশের উত্তর প্রস্তুত করতে হয় উদ্দীপকের সঙ্গে পাঠ্যবইয়ের উপযুক্ত সমন্বয়ে। এই উত্তরগুলো ঢালাওভাবে না লিখে অনুচ্ছেদ বা প্যারা করে লেখা উত্তম।

​৭. মনে রাখবে—‘ভয়’ একটি ভয়াবহ দুর্বলতা। ভয় মানুষকে শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে। পরীক্ষাভীতি দূর করতে শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকা জরুরি। এজন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার, হালকা শরীরচর্চা ও নিয়মিত প্রার্থনা করা প্রয়োজন। মনকে কখনো দুর্বল হতে দেবে না, কারণ দুর্বল মনেই নেতিবাচক চিন্তা বাসা বাঁধে।

​৮. সবশেষে পাঁচটি কথা মনে রাখবে:

​ক) বিশৃঙ্খল জীবনযাপন কখনো সুফল বয়ে আনে না। তাই নিয়ম ও শৃঙ্খলাকে অভ্যাসে পরিণত করো।

​খ) সুস্থ থাকার মতো সুখ আর নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলো, কারণ রুগ্ণ শরীর নিয়ে ভালো ফলাফল সম্ভব নয়।

​গ) যেকোনো পরিস্থিতিতে শান্ত ও ধৈর্যশীল থাকার অভ্যাস করো। মুহূর্তের অস্থিরতা তোমার সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করে দিতে পারে।

​ঘ) সময়ের কাজ সময়ে করো। সময়ের সঠিক ব্যবহারই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

​ঙ) নিয়মিত প্রার্থনা করো; এটি তোমাকে ভেতর থেকে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।

​পরিশেষে তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি—তোমরা জয়ী হও, মহৎ হও এবং নিজ নিজ কর্মে হও অমর...

​খোন্দকার কাওসার আহমেদ
সহকারী শিক্ষক
পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পাবনা।

17/04/2026

মাসবুকের নামায আদায় পদ্ধতি

নামাজের জামাতে যে ব্যক্তির শুরুতে এক বা তার অধিক রাকাত ছুটে যায়, তাকে 'মাসবুক' বলা হয়। মাসবুক ব্যক্তি ইমামকে যে অবস্থায় পাবে, ওই অবস্থায়ই ইমামের সঙ্গে নামাজে শরিক হয়ে যাবে এবং যথারীতি নামাজ আদায় করবে। যদি সে প্রথম রাকাতের রুকুতে শরিক হতে না পারে, তবে ইমামের সঙ্গে বাকি নামাজ আদায় করে শেষ বৈঠকে শুধু আত্তাহিয়াতু পড়ে চুপ করে বসে থাকবে। এরপর ইমামের উভয় দিকে সালাম ফেরানোর পর সে তার ছুটে যাওয়া রাকাতগুলো আদায় করে নেবে- (বাদায়েউস্ সানায়ে ১/৩১৪)।

মাসবুকের ছুটে যাওয়া রাকাত পূর্ণ করার নিয়ম
মাসবুকের ছুটে যাওয়া নামাজ আদায়ের পদ্ধতি হলো, কেরাত পড়ার ক্ষেত্রে তার ছুটে যাওয়া রাকাতকে প্রথম ও শুরু রাকাত ধরা হবে অর্থাৎ ফাতেহা পড়ার পর সুরা মেলাবে, আর বৈঠক ও তাশাহ্হুদ পড়ার ক্ষেত্রে ইমামের সঙ্গে পঠিতগুলোকে প্রথম ধরে বাকিগুলোকে পরবর্তী রাকাত গণ্য করে নামাজ আদায় করবে- (আল মাবসূত, সারাখসী ১/১৯০, আল বাহরুর রায়েক্ব ১/৩৭৯)।

ওই নিয়মানুসারে কোনো ব্যক্তির এক রাকাত ছুটে গেলে সে ওই রাকাতে কেরাত সুরা মিলিয়ে পড়ে শেষ বৈঠক করে সালাম ফেরাবে।

আর চার রাকাতবিশিষ্ট নামাজের জামাতে দুই রাকাত ছুটে গেলে যথারীতি উভয় রাকাতে কেরাত-সুরা মিলিয়ে পড়বে এবং এর প্রথম রাকাতে না বসে শেষ রাকাতে বসে আত্তাহিয়াতু, দরুদ ও দোয়া পড়ে সালাম ফেরাবে- (খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/১৬৫)।
আর তিন রাকাতবিশিষ্ট নামাজের জামাতে দুই রাকাত ছুটে গেলে ইমামের সালামের পর যথারীতি উভয় রাকাতেই কেরাত-সুরা মিলিয়ে পড়বে এবং প্রথম রাকাতে বসে আত্তাহিয়াতু পড়ে উঠে যাবে, কেননা এ রাকাত বৈঠকের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় রাকাত হিসেবে ধর্তব্য হবে, অতঃপর শেষ রাকাতে বসে সালাম ফেরাবে- (রদ্দুল মুহতার ১/৫৯৬)।

যদি চার রাকাতবিশিষ্ট নামাজের জামাতে তিন রাকাত ইমামের পেছনে না পায়, তাহলে সালাম ফেরানোর পর ছুটে যাওয়া রাকাতের মধ্যে প্রথম দুই রাকাতে ফাতেহার সঙ্গে সুরা মিলিয়ে পড়বে এবং শেষ রাকাতে সুরা না মিলিয়ে শুধু ফাতেহা পড়বে। আর প্রথম রাকাতে বসে আত্তাহিয়াতু পড়ে উঠে যাবে। এরপর দ্বিতীয় রাকাতে না বসে শেষ রাকাত পড়ে বৈঠক করবে- (রদ্দুল মুহতার ১/৫৯৬) ।

الفتاوى الهنديةمیں ہے:

’’(منها) أنه إذا أدرك الإمام في القراءة في الركعة التي يجهر فيها لايأتي بالثناء. كذا في الخلاصة. هو الصحيح، كذا في التجنيس. وهو الأصح، هكذا في الوجيز للكردري. سواء كان قريباً أو بعيداً أو لايسمع لصممه

15/04/2026

এবারের চমক 😁

সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ চেক করে
অসদুপায় অবলম্বনের জন্য হতে পারে
সাইলেন্ট এক্স ফেল 😎

পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের বাঁদরামি বন্ধ করতে হবে, তা না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Rajshahi
৬৩০০