04/11/2020
ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কি কি জানতে হবেঃ
পর্ব - ০২
----------------------------------------
তোমার ভর্তি পরীক্ষার হল এর পরিবেশ এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেকেই ভাবে বোর্ড পরীক্ষার হল বা কোচিং এর পরীক্ষার হলের মতই পরিবেশ হবে ভর্তি পরীক্ষার হল। কিন্তু পরীক্ষার হলে ঢুকে সে একটা ভ্যাবাচেকার মধ্যে পরে যায়, অনেকে আবার অতি উত্তেজিত হয়ে পরে, কেউবা আবার একটু বেশিই ভয় পেয়ে যায়। যার ফলাফল হয় ভয়ানক। অনেক জনা প্রশ্নের উত্তরও সে ভুল করে ফেলে।
যেমন বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার সময় আমি দেখেছি ১০/১২ হাজার পরীক্ষার্থীর বিপরীতে গার্জিয়ান চলে আসে ৫০ হাজার বা তারো বেশি। বেপারটা এমন যেন দুই চার জন আত্মীয় থাকলে চান্স পাওয়া সহজ হবে। আসলে এটা স্টুডেন্টদেরকে আরো বেশি বিচলিত করে ফেলে।। আমার বুয়েটে যে রুমে পরীক্ষা হয়েছিলো সেখানে ৫/৬ জন টিচার গার্ড দিচ্ছিলো। ওইদিন কেন যেন মনে হচ্ছিলো, আমি কোন জেলখানার কনডেমন্ড সেলে এসে আটকা পরেছি। হার্টবিট বেড়ে যাচ্ছিলো। কেমন যেন গরম গরম লাগছিলো। কিচ্ছু মনে করতে পারছিলাম না। বারবার মনে হচ্ছিলো, চান্স না পেলে আমার জীবন শেষ হয়ে যাবে। সবকিছু মিলিয়ে যা হলো, অনেক গুলো জানা প্রশ্ন ভুল করলাম। যে গুলো সলভ করে ফেলতে পারছিলাম, সে গুলোতেও সন্দেহ হচ্ছিল আসলে কি ঠিক নাকি ভুল করলাম। কোচিং-এ যেখানে আমি ৩ ঘন্টায় ৯০% প্রশ্ন উত্তর করতাম সেখানে ভর্তি পরীক্ষার দিন ৭০% উত্তর করতে করতে টাইম শেষ।
তোমাকে মনে রাখতে হবে, ভর্তি পরীক্ষার ৩ ঘন্টা সময় সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারে না দেখেই অনেক মেধাবীরা চান্স পায় না। যেটাকে পরে তারা ভাগ্যের দোহাই দিয়ে গা বাচায়।
তাহলে তোমাকে কি করতে হবে?
প্রথমত পরীক্ষার হলকে সহজে নিতে হবে। আর এটার জন্য তোমাকে পরীক্ষার হল যদি হয় বুয়েট বা অন্য কোথায়ো তবে আগে ২/১ বার সেই জাইগাতে ঘুরে আসা ভালো।
২য়ত, পরিবারের কাউকে না নিয়ে নিজে নিজে যাওয়া ভালো। এবং বিগত বছরে যে বড়ভাই বা আপু পরীক্ষা দিয়েছে তাদের কাছ থেকে পরীক্ষার হলের গল্প শুনে নেওয়া ভালো।
সর্ব পরি যদি এটা মনে করতে পারো আজকেও তুমি একটা মডেলটেস্ট দিতে এসেছো তাহলে তোমার পরীক্ষা তুমি খেলার ছলে দিয়ে দিতে পারবা।
পরীক্ষা একটা মানুষিক গেইম। তাই তোমার ব্রেনকে রিলাক্সে রাখতে হবে।
বিঃদ্রঃ পর্ব আকারে পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা গুলো পেতে গ্রুপে তোমার কলেজের ২০ জন বন্ধুকে ইনভাইট করো।