15/05/2023
নিজের বড় ভাই ও মেঝো ভাবীকে দেখতে পেলাম নিজেদের চাহিদা মেটাচ্ছে একই
বিছানার ফ্লোরে ।
সব জামা কাপড় খুলেই ।
কি করবো আমি নিজেই কিছু বুঝতে পারছি না ।
আর হটাৎ করেই আমার মোবাইলে কল চলে এলো ।
তারা তাদের চাহিদা মেটানো বাদ দিয়ে জানালার দিকে তাকালো । আর তাতেই আমাকে দেখতে পেল ।
আমাকে দেখতে পেয়ে বড় ভাই জামা কাপড় পড়তে লাগলো৷।
মেঝো ভাবী তো এক দৌড়ে বাথরুমে চলে গেল ।
আমি ভাইয়ার দিকে এক পৃথিবী ঘৃণা নিয়ে সড়ে পড়লাম জানালার কাছ থেকে ।
মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলো বাথরুমের কারণে ।
আর সেই জন্য আমি রুম থেকে বেড়িয়ে বাথরুমের দিকে রওয়ানা হই । (আমার রুমে কোন বাথরুম নেই তাই) কিন্তু মেঝো ভাবীর রুমের ভিতর থেকে আলো জ্বলছে বলে উকি মারি জানালার পর্দা সড়িয়ে ।
বিছানার উপরে কেউ নেই । কিন্তু বিছানার উপরে
ভাবী আর পুরুষ লোকের কাপড় দেখে সন্দেহ হলো আমার ।
তাই ভালো করে জানালার পর্দাটা সড়িয়ে ভালো করে যতোটুকু দেখা যায় দেখতে থাকি ।
কিন্তু কাউকেও দেখতে পাই না । তাই নিরাশ হয়ে জানালার নিচের দিকে তাকাতেই দেখতে পাই বড় ভাই ও মেঝো ভাবীর কুকর্মের দৃশ্য ।
আর সাথে সাথে আমার বাথরুমের চাপটাও বন্ধ হয়ে গেছে । মোবাইলে কল আসলে আমি তাড়াতাড়ি চলে আসি নিজের রুমে । রুমে এসে দরজা বন্ধ করে দিই ।
পড়াশোনার টেবিলের চেয়ারে বসে মোবাইল অন করতেই দেখি রাত ২ টারও বেশি বাজে । আর স্টকিনের পেপারে দেখি আসিফের মিস কল ভেসে আসে ।
কিন্তু আমি কোন কল ব্যাক না করে মোবাইল রেখে দিলাম বিছানায় ।
আর চেয়ারে ঝুলে বসে ভাবতে লাগলাম,,
যে ভাবী কিনা পর্দা করে । সেই ভাবীকে আজকে নিজের বড় ভায়ের সংগে একই বিছানায় দেখলাম । আমার নিজের ভিতরটাই ছিঃ ছিঃ করছে তাদের পাপ কাজের কুকর্ম দেখে । যাকে বলে (জ্বিনা)
আমি মেঝো ভাবীকে অনেকবার বলেছি , আমি তাকে দেখতে একবার । সে আমায় বলতো
চৌদ্দ বছরের উপরে হলে দেখা যাবে না । কিন্তু আজকে যেটা দেখলাম চৌদ্দ বছর কেন , সারাজীবন অপেক্ষা করলেও দেখতে পারতাম
না । যদি সে আদর্শবান নারী হতো ।
আবার ভাবীর আব্বুর কাছ থেকে শুনেছি সে নাকি কুরআনের হাফেজ,, এবার বুঝতে পারলাম এটাই তার হাফেজ হওয়ার নমুনা ।
ভাবীর সাথে দেখা করতে পারি না এটা ঠিক,, কিন্তু কথা হয় পর্দার আড়াল থেকে হাল্কা পাতলা।
(মেঝো ভাই থাকেন সিংগাপুর)
আর বড় ভাই এর কথাই বা কি বলবো ।
পিতা মাতার আদর্শ সন্তান তিনি । বউয়ের আদর্শ হাজবেন্ড । মায়ার ঠি..
03/05/2023
#অচেনা অতিথি
#নাফিসা_মুনতাহা_পরী
পব=১
সব পর্বের লিংক একসাথেঃ
01 Part
https://www.facebook.com/107994534417384/posts/116887860194718/
09/04/2023
সাকিব আল হাসানকে একবার এক টিভি সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হলো- "প্লেয়ারদের ভালো খেলার পেছনে একটা মোটিভেশন থাকে। আপনার অনুপ্রেরণার উৎস কী? জবাবে সাকিব তার চমৎকার একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন।
সাকিবের জবানীতেই শুনুনঃ
"আমি একবার ঢাকার জ্যামে বসে কুলকুল করে ঘামছি। এমন সময় এক পথশিশু আমার গাড়ির কাছে এসে বললো- "স্যার, একটা ফুল নিবেন?"
"আমি তার সঙ্গে থাকা সবগুলো ফুল নিয়ে নিলাম। তারপর গাড়ির জানালার কাচ খুলে দাম দিতে যাবো- ঠিক এমন সময় ওই ছেলে আমাকে দেখে চিনে ফেললো !
ফুলওয়ালা ছেলেটা বললো- " আপনে ছক্কা সাকিব না !? "
হাসতে হাসতে বললাম- " হ্যাঁ ! "
তখন ছেলেটা দাম নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললো- " দাম লাগবো না, স্যার ! আপনে প্রত্যেক ম্যাচে কমসে কম একটা করে ছক্কা মাইরেন- তাইলেই হইবো !"
প্রতিবার মাঠে নামার আগে আমার মাথায় থাকে- "ওই ছেলের কাছ থেকে নেওয়া ফুলের দাম"
© সংগৃহীত.......
04/04/2023
লুঙ্গি পরে ঘুমানোর কি মজা সেটা শুধু প্লাজা পড়া মেয়েরাই জানে। 🤣🤣🤣😜
17/02/2023
চাকরি পাওয়ার পরের দিনই গার্লফ্রেন্ডকে দেখতে গিয়েছিলাম তার বাসায় বাবা মা কে নিয়ে,তাকে না জানিয়ে...
আমাদের রিলেশনের কথা ওর মা জানতো।ওর আম্মুকে বলেছিলাম, আমরা যে ওকে দেখতে আসছি এটা ওরে বলবেন না।
প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বসে আছি ও সামনে আসছে না।ওর মা কে বললাম পাত্রী কই..! মা বলল ও সামনে আসবে না রুমে কান্নাকাটি করছে। ও তোমাকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করবে না।
ওরে জানিয়ে দিই তুমি আসছো?
আমি বললাম নাহ এখন কিছু বলার দরকার নেই, জোর করে ধরে নিয়ে আসেন। রুম থেকে বের হয়ে আমাকে দেখার সাথে সাথে ওর আম্মুর সামনে আমারে জড়িয়ে ধরে হাউ!মাউ করে কান্না শুরু করে দিয়েছিলো।
ঐ দিনই ওর হাতে রিং পরিয়ে দিয়ে আসছিলাম। পরশু আমাদের বিয়ে।সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন...
©: Sajib Bin Saif...,....
04/01/2023
"এত বড় মাছ কিনি নাই জীবনে ! তাই বারবার দেখি।
বাসায় নিয়া খাওনের লোভ নাই। খাইলে তো শেষ হইয়া যাইবো। বরঞ্চ দেখেই চোখ জুড়াই..."
সামান্য মাছে যতটা খুশী হয়েছেন চাচা, সেটা আমরা অনেকে দামী কিছুতেও পাই না।
সহজ অর্থ, আকাশ ছোয়া চাহিদা আমাদের ক্ষুদ্র অনুভূতিগুলোকে মেরে ফেলেছে।
সবাই যদি মাঝে মাঝে গরীব হইতো, তবে মানুস আরো বেশি শুকরিয়া আদায় করতো সবকিছুর জন্য।......
24/12/2022
গায়ে হাত তুলতে আসে নিজের ছেলে। চোখে জল আসে অপমানে। তুই-তুমি বলতেও মুখে বাধে না।
পেটের দায়ে রিক্সা চালাবে, সে শক্তিও নেই এখন। স্ত্রীর হাত ধরে ভিক্ষা করে বেড়ান সৈকতে আসা পর্যটকদের দ্বারে দ্বারে। "পেটের দায়ে ভিক্ষা করি, কাউকে ঠকানো বা চুরি-ডাকাতি তো করি না। "
দেশের নানা জায়গা থেকে মানুষ আসে সৈকত দেখতে। তবুও ডাল ভাতের পয়সা জুটাতে পারেননা ভিক্ষার অর্থে।
সেদিন আমাদের আয়োজনে খাওয়ার সময় রাতের জন্যও কিছু খাবার আলাদা করে রাখছিলেন বৃদ্ধ। ফলটা খেয়ে অন্তত রাতের বেলা কাটিয়ে দেবেন বুড়া-বুড়ি। রাত শেষে দিন আসবে। শুরু হবে আরও একটি নতুন দিনের সংগ্রাম।