27/08/2024
#আন্দোলন_ও_আমার_প্রস্তাবনা:
মানুষের বৈষম্য ও বঞ্চনার প্রেক্ষিতে আন্দোলন করার অধিকার আছে। এটি আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। মানুষের ক্ষোভ প্রকাশের সুযোগ না দিলে তারা তখন বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে। আবার এই মূহুর্তে ১৭ বছরের বৈষম্য ও বঞ্চনা ১৭ দিনে সমাধান করাও সম্ভব নয়। একই সাথে বন্যাজনিত করণে দেশে চলছে মানবিক সংকট। দেশে পুলিশ বাহিনী এখনো স্বাভাবিক ভাবে কাজ শুরু করতে পারেনি। বিপ্লবী সরকারও এখন পর্যন্ত কাজ বুঝে উঠতে পারেনি। তাই এই সব কিছুকে মাথায় রেখে জনগণের কাছে এবং বিপ্লবী সরকারের কাছে আমার কিছু প্রস্তাবনা।
• আগামী এক বছর ঘেরাও, মানব বন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল বন্ধ রাখতে হবে।
• প্রেশক্লাবে একটি লিখিত দাবী গ্রহণের কাউন্টার স্থাপন করতে হবে।
• কাউন্টারে মণত্রীপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তার অধীনে কিছু কর্মচারী থাকবে।
• প্রতিদিনের দাবী সমূহ গ্রহণ করবেন এবং ডকেট নম্বর দিয়ে রিসিভ কপি প্রদান করতে হবে।
• কাউন্টার থেকে দাবীর কাগজসমূহ সংশ্লিষ্ঠ মণত্রণালয়ে/ বিভাগে পাঠাতে হবে।
• স্বচ্ছতার জন্য মণত্রণালয়/বিভাগ প্রতিদিনের দাবীসমূহ ওয়েবসাইটে প্রদর্শণ করতে হবে।
• মণত্রণালয়/বিভাগ সেগুলো সংশ্লিষ্ঠ উইং/শাখায় প্রেরণ করতে হবে।
• উইং/শাখা অগ্রাধিকার ভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করে সচিব (ক্ষেত্রে বিশেষে উপদেষ্টা) এর নিকট উপস্থাপন করতে হবে।
• যথাযথ কর্তৃপক্ষ সমাধান করবেন (প্রয়োজনে দাবীকারীদের সাথে বসা যেতে পারে)।
• সরকারি অফিস সমূহের পদোন্নতি প্রাপ্যতার ভিত্তিতে দ্রুততার সাথে প্রদান করতে হবে। যে সমস্ত ক্ষেত্রে মামলা আছে সে সমস্ত ক্ষেত্রে নিয়মিতদের পদোন্নতি জারী রাখতে হবে এবং মামলার নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বাকিদের পরবর্তিতে বিবেচনা করতে হবে।
• কোনো অবস্থাতেই (নতুন করে) বিসিএস ছাড়া ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগ/পদন্নতি দেয়া যাবেনা।
• বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়োগের শর্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে।
• আন্তক্যাডার বৈষম্য দূর করতে হবে।
• ৫% ইনক্রিমেন্ট অব্যহত রাখতে হবে।
• শিক্ষা বিভাগকে নন-ভ্যাকেশণ করতে হতে।
• বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের পূর্ণ উতসব বোনাস দিতে হবে।।
• টাইম স্কেল/সিলেকশন গ্রেড ফিরিয়ে আনতে হবে।
• সরকারি প্রতিটি বিভাগকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। জেলা-উপজেলায় সকল বিভাগের সভাপতি ডিসি/ইউএনও এই প্রথা বাতিল করত সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের প্রধান তিনিই হবেই সভাপতি।