07/12/2020
প্রাতিষ্ঠানিক
কম্পিউটার
প্রশিক্ষণে মূল্যবোধ:
যখন আমরা কাউকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের গুরুত্ব বুঝায় তখন সে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটা বুঝে যে, তার নিজেস্ব একটা উচ্চমানের কম্পিউটার না থাকলে বুঝি কম্পিউটারে ভালো দক্ষতা আনা সম্ভব না। কিন্তু যখন সাঁতার প্রশিক্ষণ নেয়ার কথা ভাবে তখন কি সে ভাবে যে, তার নিজেস্ব একটা নদী, পুকুর বা সুইমিং পুল থাকা প্রয়োজন? নিজের একটা ফুটবল থাকলেই কি মেসি হওয়া যায়? নিজের এক সেট ব্যাট-বল থাকলেই কি শচীন হওয়া যায়? তবে নিজের ফুটবল না থাকলেও যদি মেসির চেয়েও ভালো প্রশিক্ষণ থাকে তো মেসির চেয়েও ভালো করা সম্ভব।
আবার কম্পিউটারে স্বাভাবিক বিষয়গুলো বা বেসিক জিনিসগুলো শেখার প্রতি আমাদের অনীহা আছে। যেমন কাউকে যদি বলি অফিস এপ্লিকেশনস্ এর উপর প্রশিক্ষণ নিতে, তো সে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যাক্ত করে যে তার এটা শেখার দরকার নাই বা সে এগুলো পারে। কিন্তু একটা কাজ করতে দিলে আর পারে না। সে মনে করে যে, এগুলোতো সবাই জানে বরং আমি ভিন্ন কিছু ট্রাই করি। দেখুন বিজয়ীরা ভিন্ন কিছু করে না, বরং একই কাজ ভিন্নভাবে করে। যেমন আমরাও হাত-পা নাড়াই আর শাহরুখ খান ও হাত-পা নড়ান। পার্থক্য হচ্ছে, শাহরুখ খান কোন স্টেজে উঠে হাত-পা নাড়ালে তাকে কোটি টাকা দেয়া হয় আর আমরা নাড়ালে কেউ এক পয়সাও দেয় না। এখানে শাহরুখ খানের প্রশিক্ষণ আছে আমাদের নাই। আপনার যদি হাত-পা নাড়ানোর উপর শাহরুখ খানের চেয়ে বেশি প্রশিক্ষণ থাকে তবে কেন আপনি শাহরুখ খানের চেয়ে বেশি আয় করবেন এ ব্যপারে আমি নিশ্চিত ।
আবার অনেকে আমাদের অফিসে এসেই জিজ্ঞেস করে একটা সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য। তার ভাবখানা এমন যে, সে সবই জানে কিন্ত, এখন শুধু তাঁর একটা সার্টিফিকেট প্রয়োজন। তখানই যদি একটা কাজ দি তো আর করে দেখাতে পারে না। তাহলে আর কিভাবে সার্টিফিকেট দেন।
রুয়েট, বুয়েট বা বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা কম্পিউটার সাব্জেক্ট নিয়ে পড়েন তারা মনে করেন যে, রুয়েট, বুয়েট বা বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ই তাদের সকল কিছু শিখিয়ে দিবে। কিন্তু এটা ভুল ধারণা। আপনি পুরা চার বছরে কোর্সের টপিকগুলো পড়ে দেখেন। আমরা যে বিষয়গুলোর উপরে প্রশিক্ষণ দিই, তা নিতে হলে শুধুমাত্র আমাদের কাছেই আসতে হবে।
আবার অনেকে মনে করেন যে, ইউটিউব বা গুগল করে সবকিছু শিখে নিবো। কিন্তু ইউটিউব বা গুগলে সব টিউটরিয়ালগুলো ইনকম্পিলিট। মানে একটা কোর্সের সম্পূর্ণ ক্লাশ কখনই দেয়া থাকে না বরং কয়েকটা ক্লাস দেয়া থাকে। ফলে ইউটিউটব বা গুগল থেকে শিখলে লিটিল লার্নিং হবে। যা আসলে ডেঞ্জারাস থিংস্। তাছাড়া বেশিরভাগ টিউটরিয়ালগুলো ইংরেজিতে থাকায় দূর্বলরা তা ভালোভাবে বুঝতেও পারে না। এছাড়া প্রশ্ন করা যায় না। বা একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে অনেক ঘাঁটাঘাটি করতে হয় বা সময় নষ্ট হয়। নামাজ বাড়িতেও পড়া যায়, কিন্তু মসজিদের চেয়ে ভালো নয়। প্রশিক্ষণ ঘরে বসেও নেয়া যায় কিন্তু কোন প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের চেয়ে ভালো নয়।
আবার অনেকে মূল্যবোধের অভাবে প্রশিক্ষণের মূল্য কত দিতে হবে সেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারে না। ইংরেজি-অংক শিখতে গিয়ে তিনমাসে ১০-১২ হাজার দিলেও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে ৬ মাসে ৫-৬ হাজার টাকা খরচ করতে চায় না। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে কি করে, যে ইংরেজি-অংকের চেয়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শতগুন বেশি ব্যয়বহুল। তাই তারা যেখানে কমপায় সেখানে দৌড় দেয়। দিনশেষে সঠিকভাবে কাজ শিখে উঠতে পারে না। তাই সফলতা অধরাই থেকে যায়। সফলভাবে উন্নত কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিতে পারলে পুরা কোর্স ফি টা হবে তার একমাসের ইনকাম। এই এ ক্ষেত্রে কোন কৃপণতা করাটা মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষের কাজ হবে না।
আবার অনেকে প্রতিষ্ঠানের বিশাল অবকাঠামো দেখে না ডেকোরেশন দেখে আকৃষ্ট হয়ে ভর্তি হয়। কিন্তু আসলে ভর্তি হতে হবে, প্রশিক্ষক এর অভিজ্ঞতা দেখে। তাহলে সেখানে ভালো কিছু পাওয়া সম্ভব। প্রশিক্ষকের অভিজ্ঞতা মানে প্রশিক্ষকের প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট নয় বরং বিষয়টার উপর প্রশিক্ষক মশাই কতদিন থেকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
উপরের সবগুলো বিষয় মাথায় রেখে তুহিন ইন্সটিটিউট অব ট্রেনিংকে সাজানো হয়েছে আপনাকে সুদক্ষতা করে তোলার জন্য। আমাদের এখানে আছে কম্পিউটার অফিস এপ্লিকেশনস্, গ্রাফিক ডিজাইনিং, ওয়েভসাইট ডিজাইনিং, অটোক্যাড ২ডি ও ৩ডি, ইংরেজি ভোকাবুলারি প্রভৃতি প্রশিক্ষণ কোর্স। উন্নতমানের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিয়ে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধির নিমিত্তে আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। আপনাকে সফল করতে পারলেই আমরা সফল।
আমাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
অলোকার মোড়, সাহেব বাজার
রাজশাহী-৬১০০;
হট লাইন:
০১৭১১১৪১৭১৮