12/01/2021
@চিন্তাশীল ব্যক্তিদের জন্য-
মানুষ সৃষ্টির শুরু থেকেই বিতাড়িত শয়তান মানুষকে নগ্নতার দিকে চালিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সময়ে শয়তান মানুষকে বিশেষ করে মুসলিম চিন্তাধারার সমাজকে পশ্চিমা সভ্যতা ও সংস্কৃতির নামে নগ্নতার দিকে চালিত করতে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে।
আমরা যদি সাম্প্রতিক কয়েক দশকের দিকে খেয়াল করি তাহলে দেখতে পাব একশ্রেণীর মানুষ (অধিকাংশের মুসলিম নাম) বা স্বার্থান্বেষী মহল আমাদের বাংলাদেশটাকে উন্মুক্ত বেশ্যালয়ে পরিণত করার জন্য যাবতীয় প্রয়াস ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা আমাদের সমাজে তাদের ও পশ্চিমাদের নগ্নতার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে জনসমাজে নগ্নতার বিভিন্ন উপকরণ, কৌশল এবং নগ্নতা ছড়িয়ে দেয়ার যাবতীয় পথ ও পদ্ধতি উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে মুখে, কলমে ও মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার ও প্রচারণা চালিয়ে আসছে। এমনকি বর্তমান সময়ে তার কিছু কিছু নমুনা বাচ্চাদের পাঠ্যপুস্তকেও পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া অনলাইনে তো নগ্নতার পথ ও উপকরণের কোন অভাব নেই।
এই প্রচার-প্রচারণার ফলাফল হিসেবে বর্তমান সময়ে সংঘটিত একটি জঘন্য, ন্যাক্কারজনক ঘটনার দিকে যদি আমরা লক্ষ্য করি- যেখানে জানা যাচ্ছে দিহান ও আনুশকার সম্মতিতেই তাদের যৌন সম্পর্ক(!) স্থাপিত হয়েছিল। যদি সঙ্গমের পথ ও পদ্ধতি সম্পর্কে আনুশকার সম্মতি থেকে থাকে তাহলে পশ্চিমা সমাজের রীতি-নীতি অনুযায়ী এখানে দিহান ধর্ষক হওয়া তো দূরের কথা যারা তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন বা আনছেন তাদের বিরুদ্ধে দিহান ও তার পরিবারের মানহানির মামলা করা উচিত।
কারণ দুজনের সম্মতিতে সঙ্গম বা যৌন সম্পর্ক হওয়া পশ্চিমা অসভ্য নীতিতে পুরোপুরি সমর্থন করা হয়, এটাকে কখনোই ধর্ষণ হিসাবে অভিহিত করার কোনো সুযোগ নেই। তাহলে এখন এই বিষয়কে ধর্ষণ হিসেবে প্রচার করে অবশ্যই দিহান ও তার পরিবারের সম্মানহানি করা হচ্ছে।
এখন চিন্তাশীল ব্যক্তি নিজেই চিন্তা করুন আপনি আপনার ছেলে-মেয়েদেরকে তাদের পছন্দ বা ইচ্ছানুযায়ী যে কোনো সময়, যে কারো সাথে, যে কোন পথ ও পদ্ধতিতে সঙ্গম করতে উৎসাহিত করবেন কি না।