Searching Talent

Searching Talent "এসো করি জ্ঞানের অন্বেষণ;
উদ্ভাসিত হোক রহস্যময় ভূবন"

https://www.youtube.com/

💠 সার্চিং ট্যালেন্ট বর্ষবরণ উপলক্ষে 💠🔰 কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২৬ 🔰📝 নিয়মাবলীঃ🔹 সঠিক উত্তরটি কমেন্টে দিতে হবে।🔹 কমপক্ষে ৫ জন ...
13/05/2026

💠 সার্চিং ট্যালেন্ট বর্ষবরণ উপলক্ষে 💠
🔰 কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২৬ 🔰

📝 নিয়মাবলীঃ
🔹 সঠিক উত্তরটি কমেন্টে দিতে হবে।
🔹 কমপক্ষে ৫ জন বন্ধু মেনশন করতে হবে।
🔹 রাত ১২টার মধ্যে উত্তর দিতে হবে।

🏆 সর্বোচ্চ সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে এবং ম্যাগাজিনে ফিচার করা হবে!

📚 খেলতে খেলতেই বাড়ুক জ্ঞান ✨
🤝 Sponsored by: শখের কুটির - Shokher Kutir

🎁কুইজ প্রতিযোগিতা🎁দেখিয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা 💪 এবং হয়ে যান জ্ঞানের রাজা। 👑সর্বোচ্চ সঠিক উত্তরদাতাদের নাম বিজয়ী হিসে...
11/05/2026

🎁কুইজ প্রতিযোগিতা🎁

দেখিয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা 💪
এবং হয়ে যান জ্ঞানের রাজা। 👑

সর্বোচ্চ সঠিক উত্তরদাতাদের নাম বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হবে 🔥

Supported by:
https://www.facebook.com/ShokherKutirbd

📌 উপলব্ধি গল্প সিরিজ | পর্ব: ০২“১৬ হাজার টাকার জীবন”একটা ছেলে আছে। মাস্টার্স শেষ করেছে।সকাল ৮টায় অফিসে ঢোকে, সন্ধ্যা ৬টা...
10/05/2026

📌 উপলব্ধি গল্প সিরিজ | পর্ব: ০২
“১৬ হাজার টাকার জীবন”

একটা ছেলে আছে। মাস্টার্স শেষ করেছে।
সকাল ৮টায় অফিসে ঢোকে, সন্ধ্যা ৬টায় বের হয়। মাস শেষে হাতে আসে ১৫–১৬ হাজার টাকা। ঢাকার মতো শহরে এই টাকায় জীবন চালানো মানে প্রতিদিন নিজের সাথে একটা নীরব যুদ্ধ।

মাসের শুরুতে সে একটা হিসাব করে—ভাড়া, খাওয়া, যাতায়াত। মাঝপথে এসে হিসাবটা ভেঙে যায়। হঠাৎ কোনো খরচ এসে সবকিছু এলোমেলো করে দেয়। তখন নিজের কোনো চাওয়াটা চুপচাপ বাদ পড়ে যায়।

জব খোঁজার জন্য সে নিয়মিত পোস্ট দেখে। কোথাও লেখা থাকে—৮ ঘন্টা ডিউটি, ১৬ হাজার টাকা বেতন। কিন্তু বাস্তবতা আরও কঠিন। যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা সব ঠিক থাকলেও অনেক সময় একটা পরিচয় বা ফোন কলেই চাকরিটা চলে যায় অন্য কারো হাতে। তবুও সে হাল ছাড়ে না। অনেক সময় বলতে শোনা যায়—
“স্যার, একটু কম দিলেও হবে… চাকরিটা শুধু আমাকে দেন…”

আমরা বাইরে থেকে অনেক কিছু দেখি, কিন্তু ভেতরের গল্পটা দেখি না। সবাই ভাবে ছেলেরা রাতে আড্ডা দেয়, সময় নষ্ট করে। কিন্তু কেউ দেখে না—কেউ কেউ রাত জাগে ওভারটাইম করার জন্য, কেউ জাগে অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে।

সব ছেলের গল্প এক না। কারো বোনের বিয়ে দিতে হবে, কারো ছোট ভাইয়ের পড়াশোনা চালাতে হয়। নিজের ইচ্ছে-স্বপ্ন থামিয়ে রেখে অন্যদের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় তারা। ঈদের সময় নিজের জন্য নতুন কিছু না কিনে পরিবারের জন্য কিনে দেওয়ার মাঝেই তারা খুশি খোঁজে।

মাস শেষে হিসাব মেলাতে গিয়ে বুঝে—সবকিছু ম্যানেজ করার পর হাতে খুব বেশি কিছু থাকে না। কখনো হাজার দুয়েক, কখনো তারও কম। তবুও সে কাউকে বুঝতে দেয় না, মুখে হালকা একটা হাসি রেখেই বলে—“আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি।”

এই জীবনে প্রেম করার সাহস হয় না। কারণ এখানে ভালোবাসাও অনেক সময় বিলাসিতা হয়ে দাঁড়ায়। তাই তাদের জীবনে প্রিয়া থাকে না, কিন্তু একটা না বলা হাহাকার ঠিকই থাকে—কাউকে নিজের মতো করে পাশে পাওয়ার।

তবুও একটা জিনিস তারা ছাড়ে না—স্বপ্ন।
রাত জেগে বই খুলে বসে, ভাবে—বিসিএসটা যদি হয়ে যায়… না হলে একটা ব্যাংক জব… না হলেও অন্তত একটু ভালো বেতন। স্বপ্নগুলো ধীরে ধীরে ছোট হতে হতে একসময় এসে দাঁড়ায়—
“২৫ হাজার হলেই চলবে…”

এই ছেলেগুলো হার মানে না। তারা চুপচাপ লড়াই করে—পরিবারের জন্য, দায়িত্বের জন্য, একটু ভালো থাকার জন্য।

গল্পটা কোনো মোটিভেশনের না।
গল্পটা—চাপা কষ্ট নিয়েও দাঁড়িয়ে থাকার গল্প,
নিজেরটা কমিয়ে অন্যকে ভালো রাখার গল্প।

🤍 সৃষ্টিকর্তা তাদের সহায় হোন।

👉 আপনার আশেপাশে কি এমন কাউকে দেখেছেন?

✍️ লেখক: মু. ইমরুল কায়েস তন্ময় | Imrul Kayes Tonmoy

#উপলব্ধি_গল্প



Searching Talent Presents-📌 উপলব্ধি গল্প সিরিজ | পর্ব: ০১“আমরা যারা মাঝামাঝি মানুষ”আমরা যারা মাঝামাঝি মানুষ—আমাদের গল্পট...
19/04/2026

Searching Talent Presents-

📌 উপলব্ধি গল্প সিরিজ | পর্ব: ০১
“আমরা যারা মাঝামাঝি মানুষ”

আমরা যারা মাঝামাঝি মানুষ—
আমাদের গল্পটা কেউ আলাদা করে শুনতে চায় না।
না আমরা খুব সুন্দর, না খুব মেধাবী, না খুব ধনী।
আমরা সবসময় মাঝামাঝি কোথাও আটকে থাকা মানুষ।

আমাদের দিকে কেউ তাকিয়ে থাকে না।
আমরা ভিড়ের মধ্যে হেঁটে যাই, কিন্তু কেউ আলাদা করে মনে রাখে না। সাজলেও খুব বেশি পরিবর্তন হয় না, আর না সাজলেও কারো কিছু যায় আসে না।

পড়াশোনায় আমরা খারাপ না, আবার সেরা ও না।
সবসময় ভালোদের একটু নিচে, খারাপদের একটু উপরে— এই জায়গাটাতেই আমাদের অবস্থান।

এমন একটা জায়গা, যেখান থেকে কাউকে খুব গর্ব করে বলার মতো কিছু থাকে না, আবার পুরো হতাশ হওয়ার মতোও কিছু না।
আমাদের স্বপ্নগুলোও অদ্ভুতভাবে অসম্পূর্ণ...

ছোটবেলায় যা চাই, তার থেকে একটু কম পাই।
বড় হয়ে যা চাই, তার কাছাকাছি গিয়েও পুরোটা পাওয়া হয় না।
জীবনের প্রতিটা চাওয়ার সাথে যেন একটা ছোট ফাঁক লেগেই থাকে।

এই ছোট ছোট ফাঁকগুলোই একসময় বড় হয়ে যায়।
আর সেই ফাঁক গলেই হারিয়ে যায় অনেক ইচ্ছে, অনেক স্বপ্ন।

আমরা অনেক কিছু পারি না। গান, আবৃত্তি, ছবি আঁকা, মঞ্চ কাঁপানো কথা বলা—কিছুই না। একসময় মনে হয়, আমাদের ভেতরে আলাদা করে দেখানোর মতো কিছুই নেই।

তখন একটা সত্যি ধীরে ধীরে মাথায় বসে,
আমরা হয়তো আলো হওয়ার জন্য আসিনি,
আমরা এসেছি সেই আলো দেখে হাততালি দেওয়ার জন্য।

আমরা ভিড়ের অংশ হই,
কিন্তু কখনো ভিড়ের কারণ হতে পারি না।
আমরা অন্যদের স্বপ্নে বিশ্বাস করি,
কিন্তু খুব কম মানুষই আমাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে।

আমরা সবার ভালো চাই, সবার পাশে থাকি,
কিন্তু দিন শেষে নিজের জন্য কেউ থাকে না তেমন।

যাকে ইমপ্রেস করতে চাই,
তার চোখে মুগ্ধতা না, করুণা দেখি।
যার কাছে একটু গুরুত্ব চাই,
তার কাছেই সবচেয়ে বেশি অবহেলা পাই।

তারপর একসময় বুঝতে শিখি,
সবাই “স্পেশাল” হয়ে জন্মায় না।

কিন্তু…
এই সাধারণ মানুষগুলোর মাঝেই লুকিয়ে থাকে
সবচেয়ে বেশি সহনশীলতা, সবচেয়ে বেশি ধৈর্য,
আর চুপচাপ লড়াই করে যাওয়ার শক্তি।

হয়তো আমরা স্পটলাইটে আসি না, কিন্তু আমরা থেমেও যাই না। চুপচাপ এগিয়ে যাই। একদিন নিজের আলো নিজেরাই জ্বালাবো। ইনশাআল্লাহ...

আপনার জীবনে কি এমন অনুভূতি কখনো এসেছে?

✍️ লেখক: মু. ইমরুল কায়েস তন্ময় | Imrul Kayes Tonmoy

#উপলব্ধি_গল্প



 #সার্চিং_ট্যালেন্টের_সাথে_কথোপকথন 🔰প্রশ্ন: আপনি সার্চিং ট্যালেন্টে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নিজেকে কেমন মনে করেন?📛উত্তর: আলহ...
04/04/2026

#সার্চিং_ট্যালেন্টের_সাথে_কথোপকথন

🔰প্রশ্ন: আপনি সার্চিং ট্যালেন্টে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নিজেকে কেমন মনে করেন?
📛উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ, আমি অনেক খুশি যে সার্চিং ট্যালেন্টে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি😊

🔰প্রশ্ন: আপনি সার্চিং ট্যালেন্টের দায়িত্ববান হিসেবে কাজ করতে চান কেন?
📛উত্তর: আমি সার্চিং ট্যালেন্টের একজন দায়িত্ববান হিসেবে মানুষের পাশে থাকতে চাই এবং মানুষের সেবা করতে চাই সব সময়😊

🔰প্রশ্ন: ভবিষ্যতে সার্চিং ট্যালেন্টকে কেমন দেখতে চান? আর সেই ক্ষেত্রে আপনি কি অবদান রাখতে চান?
📛উত্তর: ভবিষ্যতে আমি এই সংগঠনকে দেশের নামকরা একটা সংগঠন করতে চাই এবং এই সংগঠনের সকল মেম্বার সব সময় মানুষের সেবা নিয়ে কাজ করবে যেহেতু প্রতিটা মানুষের মুখে মুখে শুনতে পায় যে সার্চিং ট্যালেন্টের জন্য আমি নিজেকে ভালো একটা অবস্থানে নিতে পেরেছি। আমার মতামত থাকবে এটাই যে প্রত্যেকটা মেম্বার যেন সব সময় মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকে😊

🔰প্রশ্ন: সার্চিং ট্যালেন্টের আয়োজিত কোন কাজগুলো আপনার ভালো লাগে?
📛উত্তর: সার্চিং ট্যালেন্ট একটা মানব কল্যাণ সংগঠন, যা সবসময় গরীব-দুঃখী মানুষের পাশে দাড়াতে চায়। বাংলাদেশ এমন অনেক মানুষ আছে যারা অর্থনৈতিকের জন্য ভালো একটা শিক্ষা ব্যবস্থা নিজেকে দিতে পারতাছে না ঐ মানুষদেরকে ভালো একটা শিক্ষা ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্যই এই সংগঠনটি তৈরি হয়েছে। এই কাজ গুলোর জন্য সার্চিং ট্যালেন্ট আমার ভালো লাগে☺️

🔰প্রশ্ন: সার্চিং ট্যালেন্টের বার্তা আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলের সবাইকে জানিয়েছেন কি?
📛উত্তর: জ্বী আমার অনেক ফ্রেন্ড সার্কেল সার্চিং ট্যালেন্টের সাথে যুক্ত আছে এবং তাদের কাজ দেখে আরও অনেক মেম্বার সার্চিং ট্যালেন্টে যুক্ত হতে চাচ্ছে🙂

________________________________________
নামঃ মোঃ তাওসান হামিদ নিরব
প্রতিষ্ঠানঃ দৌলতগঞ্জ গাজীমুড়া কামিল মাদরাসা
শ্রেনীঃ দশম
বিভাগঃ চট্টগ্রাম
ঠিকানাঃ লাকসাম

Ambassador: Laksam Unity Team

✨ উপলব্ধি গল্প সিরিজ | Searching Talent ✨অনেকদিন পর আবারও শুরু…জীবনের ব্যস্ততা, দায়িত্ব আর বাস্তবতার ভিড়ে আমরা অনেক সময় ...
03/04/2026

✨ উপলব্ধি গল্প সিরিজ | Searching Talent ✨

অনেকদিন পর আবারও শুরু…

জীবনের ব্যস্ততা, দায়িত্ব আর বাস্তবতার ভিড়ে আমরা অনেক সময় নিজের ভেতরের কথাগুলো হারিয়ে ফেলি। তবুও কিছু অনুভূতি থাকে, যা চুপ করে রাখা যায় না—কিছু গল্প থাকে, যা বলতেই হয়।

📖 Searching Talent নিয়ে আসছে—
“উপলব্ধি গল্প সিরিজ”
যেখানে থাকবে মানুষ, অনুভূতি ও বাস্তবতার গল্প।

প্রতিটি লেখায় থাকবে জীবনের ছোট ছোট সত্য, অদেখা দিক, আর অনুভব করার মতো কিছু মুহূর্ত—যা হয়তো আপনাকে ভাবাবে, ছুঁয়ে যাবে, কিংবা নিজের গল্পটাই খুঁজে পাবেন সেখানে।

🖊️ নতুনভাবে শুরু… নতুন উপলব্ধির পথে।

আপনি সঙ্গে থাকলে এই যাত্রাটা আরও অর্থপূর্ণ হবে ❤️

৩ বছর পর আবারও নতুন উদ্যমে শুরু হলো পথচলা ⭐পবিত্র ২৭ রমজানের শবে কদরের রাতে ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো Searching...
16/03/2026

৩ বছর পর আবারও নতুন উদ্যমে শুরু হলো পথচলা ⭐

পবিত্র ২৭ রমজানের শবে কদরের রাতে ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো Searching Talent টিম মিটআপ। লাকসামের তরুণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আজকের এই ছোট্ট আয়োজন হয়ে উঠেছিল এক ভিন্ন রকম অনুপ্রেরণার মুহূর্ত।

এতে উপস্থিত ছিলেন নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ, গাজীমুড়া কামিল মাদ্রাসা এবং আল আমিন ইনস্টিটিউট –এর শিক্ষার্থীরা। আয়োজনটি সঞ্চালনা করেন Searching Talent–এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মু. ইমরুল কায়েস তন্ময় ( Imrul Kayes Tonmoy )। সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হয় Searching Talent–এর লক্ষ্য ও পথচলার কথা, আর টিম মেম্বাররাও নিজেদের পরিচয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা শেয়ার করেন আগ্রহের সাথে।

দীর্ঘ সময় পর এমন একটি মিলনমেলা যেন টিমের মাঝে আবারও নতুন প্রাণ সঞ্চার করল।

খুব শিগগিরই আসছে Searching Talent–এর নতুন কিছু আয়োজন। ইনশাআল্লাহ... 🤗❤️🔥





শুভ জন্মদিন ভাইয়া৷ খারাপ সময়কে পেছনে ফেলে দুরন্ত ভাবে ফিরে আসুন নিজ আঙ্গিনায়। আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু পাওয়ার বাকি আছে। ...
03/10/2025

শুভ জন্মদিন ভাইয়া৷ খারাপ সময়কে পেছনে ফেলে দুরন্ত ভাবে ফিরে আসুন নিজ আঙ্গিনায়। আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু পাওয়ার বাকি আছে।

শুভ জন্মদিন Imrul Kayes Tonmoy
Imrul Kayes Tonmoy স্যার/ভাইয়া...❤️

কত পেলে পাস জেনে নিন সহজেই। আমরা অনেকেই সঠিক তথ্য জানি না। এটা ২০১৭ সালের পরীক্ষা থেকে কার্যকর এবং nctb কর্তৃক দেয়া হয়েছ...
27/06/2025

কত পেলে পাস জেনে নিন সহজেই। আমরা অনেকেই সঠিক তথ্য জানি না। এটা ২০১৭ সালের পরীক্ষা থেকে কার্যকর এবং nctb কর্তৃক দেয়া হয়েছে। ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় CQ = 23 & MCQ = 10 পেতে হবে।

একটা জিনিস খেয়াল করেছেন, আজকাল আমরা অধিকাংশ মানুষই যে প্রতিদিন সোশাল মিডিয়ায় ঢুকে মোহাচ্ছন্নের মত 'মোটিভেশন' খুঁজতে থাকি...
27/06/2025

একটা জিনিস খেয়াল করেছেন, আজকাল আমরা অধিকাংশ মানুষই যে প্রতিদিন সোশাল মিডিয়ায় ঢুকে মোহাচ্ছন্নের মত 'মোটিভেশন' খুঁজতে থাকি?

কোন একটা মোটিভেশনাল উক্তি বা
একটা “তুমি পারবে” টাইপের ভিডিও বা
তেজোদ্দীপক কতগুলো শব্দ/বাক্য … সামনে এলো তো ক্ষণিকের জন্যে হলেও স্ক্রলিং থামিয়ে আমরা মোটিভেশন নেয়ার চেষ্টা করি!

কিন্তু সত্যিকার অর্থে, আমাদের কতজনের জীবনে এসব ক্ষণিকের 'মোটিভেশন' দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন আনছে সেটা আমরা মিলিয়ে দেখছি কি?

ব্যাপারটা যদি এমন হয়, মোটিভেশন নিতে নিতে আমরা কানায় কানায় পূর্ণ কিন্তু আমাদের বিশ্বাসে, আচরণে, অস্তিত্বে এর কোন প্রভাব ই পড়ছে না তাহলে আসলেই আমরা সবাই কিছু একটা মিস করে যাচ্ছি কি?

আজকের লেখাটা এটা নিয়েই।

আমি নিজে 'মোটিভেশন' এর বিরোধী নই।

বিশ্বাস করি, সমাজে ইতিবাচক মানসিকতার দরকার আছে - যদি আমরা আসলেই এই মোটিভেশনগুলো জীবনে কাজে লাগাই!

কিন্তু সেটার কোন প্রয়োগ না থাকলে, মোটিভেশন আদতে এক কাপ গরম চায়ের মতো— যা একটু পরেই ঠান্ডা হয়ে যায়।

মোটিভেশন আসে, আবার চলে যায়।

আসলেই যারা জীবনে ভাল কিছু করে, লড়ে, হারে - আবার উঠে দাঁড়ায় এদের জীবন দর্শন কখনোই Motivation Driven নয়।

মোটিভেশন কে বড়জোর হাল্কা একটা ধাক্কা বলতে পারি আমি, চেঞ্জিং ফ্যাক্টর বলতে পারি না বা বলি না।

জীবনে যে কোন পরিবর্তন আনতে কিছু যদি আসলেই উপকারী হয় সেটা হল, ডিসিপ্লিন!

আমি দেখিনি, ডিসিপ্লিন/নিয়মানুবর্তিতা ছাড়া কেউ নিজের জীবনে বা আশেপাশে কোন চেঞ্জ এনেছে শুধু মোটিভেশন দিয়ে!

অথচ মোটিভেশনের পুরো আলোচনা থেকে আমরা কিভাবে কিভাবে যেন এই ডিসিপ্লিন কেই সরিয়ে ফেললাম!

মোটিভেশন যদি আতশবাজির মত হয়, ডিসিপ্লিন খুব নিভু নিভু করে জ্বলতে থাকা প্রদীপের আলো!

বলেন, কোনটা সেলিব্রেটেড হবে?

আপনার চোখের সামনে একজন ২৫ বছরের টগবগে যুবক যার দিন রাত ২৪ ঘন্টার কাজ হল, মোটিভেশন গেলা এবং বিলানো কিন্তু there is no real work - how far it will take him?

প্রোফাইলে নিজের নামের আগে দেখবেন এরা অমুক জায়গার/ক্লাবের আমি অমুক/তমুক - হাবিজাবি গাদা খানেক কিছু লেখে - কিন্তু He knows it well, his in a bubble! Not into genuine work!

এরই বিপরীতে একজন Disciplined ছেলেকে যদি রাখি, আপনি দেখবেন - Its hell lot of work!

❤️ চলুন আগে মিলাই, কেন আমরা বেশিরভাগ মানুষ ডিসিপ্লিনে টিকতে পারি না? বা চাইলেও সহজে ডিসিপ্লিন্ড থাকতে পারিনা?

প্রধান কারণ তো এটাই যে, আমরা মানুষ!
স্বভাবগত ভাবেই নিয়ম আমাদের অস্বস্তি দেয়।

এবং ডিসিপ্লিন কখনো মোটিভেশন এর মত চমকপ্রদ নয়।

ওটা সুন্দর কোটেশনের মতো শোনায় না!

ওটা সোশ্যাল মিডিয়ার হাইপের মতো উচ্ছ্বাস আনেনা!

ডিসিপ্লিন মানে অনেক সময় একঘেয়ে কাজ করা, একলা চলা, আনন্দকে বিলম্বিত করা।

ডিসিপ্লিন অধিকাংশ সময় ই খুবই খুবই বোরিং!

অনেকে নিজেদের ভীষণ ক্রিয়েটিভ প্রমাণ করতে ও এটা বলেন যে, ছন্নছাড়া না হলে আবার কিসের সৃষ্টি!

কিন্তু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল, যারা জেনুইনলি ক্রিয়েটিভ, তার অগোছালো জিনিসগুলো ক্লোজলি খেয়াল করলেও দেখবেন সেসবের মধ্যেও একটা কন্সিস্টেন্সির প্যাটার্ণ আছে।

যারা অনেক এক্সপেরিমেন্ট করেন লাইফে তাদের ও একটা প্যাটার্ণ আছে।

মোটা দাগে যেটাকে বলা যায়, কিছু না কিছু কাজ হচ্ছে সেখানে!

ফাঁপা বা ফাপড়বাজি না ব্যাপারটা।

🎯 ডিসিপ্লিন কি 'Giant' কিছু? উত্তর হল, একেবারেই না। বরং বলা যায়, কতগুলো micro steps এর consistent repetition যেটা সময়ের পরিক্রমায় একটা শেইপ নেয়।

একজন এথলিট এর কথা ভাবুন বা একটি বিজনেস স্টার্ট আপের কথা ধরুন। How they grow? Surely there remains a genuine purpose! কিন্তু রোজ সেই একই কাজ করে করে সাফল্য ধরা দেয়!

অনেক স্টার্ট আপ দেখবেন মুখ থুবড়ে পড়ে যাদের ইনোভেশনের কোন অভাব ই ছিল না! ফেইল করে জাস্ট, কন্সিস্টেন্সির অভাবে, বোর হতে ভয় পাবার জন্যে, একটু ব্যর্থ হলেই হাল ছেড়ে দেয়ার জন্যে।

সেজন্যেই বলছি, ডিসিপ্লিন মানে হলো পিচ্চি পিচ্চি কতগুলো কাজ দিয়ে নিজেকে ট্রেইন করা।

ডিসিপ্লিন মানে নিজেকে সেই কাজগুলো করতে বাধ্য করা, যেগুলো আমরা করতে “মনে চায় না”—কিন্তু জানি, এই কাজগুলোই আমাদের ভবিষ্যৎ বদলে দেবে।

সেটা হতে পারে-
✔ প্রতিদিন এক সময়ে ঘুম থেকে উঠা
✔ সালাতের সময় ঠিক রেখে ইবাদত করা
✔ নিজের ইগো গুঁড়িয়ে কাছের মানুষদের জন্যে রোজ কিছু করা
✔ পড়াশোনা বা কাজের জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক রাখা
✔ স্বাস্থ্য ও আত্মার যত্নে প্রতিদিন ছোট ছোট পদক্ষেপ নেওয়া
✔ সোশ্যাল মিডিয়াকে ক্যালকুলেটেড ওয়েতে ব্যবহার করে একাগ্র হয়ে কাজ শেষ করা
✔ নিজের চাওয়া-পাওয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা

👑 এখানে পরের প্রশ্নই হবার কথা, এরকম ডিসিপ্লিন কীভাবে গড়ে তুলবো? ডিসিপ্লিন থাকবার ব্যাপারে কি কোন মোটিভেশন আছে? 🙂

উত্তর টা হল, যেই ভুলটা আগে ঠিক করা উচিত বলে আমি মনে করি সেটা হল, মোটিভেশন একক লক্ষ্য কেন্দ্রিক বানানোই যাবে না!

ওভার ওল প্রত্যেকের জীবনের একটা উদ্দেশ্য থাকা উচিত। জীবনের সব কিছু কে আলাদা আলাদা বক্স ভাবা যাবেনা। জীবন কমপ্লেক্স।এবং প্রতিটা বক্স এখানে ইন্টারকানেক্টেড।

ধরুন, বড় ব্যবসায়ী হবেন এটাকে মোটিভেশনে বানায় ছুটতে ছুটতে দেখলেন - পরিবার হারিয়েছেন।

কি করবেন সেই সাফল্য দিয়ে?

টাকা,খ্যাতি এবং ক্ষমতাকে নিজের ব্যাপারে আধিপত্য করতে দেয়া থেকে বাঁচানো টা ও যে শিখতে হবে!

সবার আগে দরকার, নিজের Purpose of Life বোঝা। এবং নিজের জন্যে সেটা ডিফাইন করা।

সোসাইটি তে একেকজন একেকভাবে জীবন কাটায়।সে গল্প থেকে শিক্ষা নেয়া যাবে, অনুপ্রেরণাও। কিন্তু অন্ধ অনুসরণ নয়। কারন আপনার গল্প আলাদা। আপনার স্ট্রেংথ/উইকনেস আলাদা।

মোট কথা, আপনার জীবনের উদ্দেশ্য আলাদা।

ট্রাস্ট মি, কৃত্রিম মোটিভেশনের হামবড়ামি "তুমি পারবে” টাইপ কথাগুলোর চেয়ে অনেক শক্তিশালী হল, Clarity about vision and mission of life. Surely এখানে অনেক পরীক্ষা আছে, ভাগ্য আছে - কিন্তু যে একবার 'জীবন আসকে কি' বুঝে ফেলে তার আর পিছন থেকে ধাক্কা দেবার জন্যে কোন শব্দ বা বাক্য লাগে না!

যখন আমরা জানি, কেন বাঁচছি, কোথায় যাচ্ছি, কার জন্য কষ্ট করছি— তখন আমাদের ভিতরের শক্তি জাগে, যেটা বাইরের মোটিভেশন ছাড়াই কাজ করায়।

আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য নানা কিছু হতে পারে- আল্লাহকে খুশি করা
মানবতার কল্যাণে কিছু গড়ে তোলা
পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কিছু রেখে যাওয়া

Purpose যত bigger and focused, নিজেকে সেভাবে পরিবর্তন করা তত সোজা।

প্রতিদিনের কষ্ট, ঘাম, আত্মসংযম—সব তত অর্থবহ হয়ে ওঠে।

নিশ্চয় ভাগ্য সত্যি। কিন্তু আপনার ধর্ম তো কখনোই আপনাকে Passive Role Playing এ থাকার অনুমতি দেয় ই না।এটা ভুলে গেলে চলবে না।

একদিন মরে যাব আমরা।

জীবনে মোটিভেটেড থাকতে এটুক জানাই যথেষ্ট।

~ Dr Shusama Reza

Address

Purba Laksam

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Searching Talent posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Searching Talent:

Shortcuts

Share

Category