Tahmid ICT Yard # HSC ICT

Tahmid ICT Yard # HSC ICT Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tahmid ICT Yard # HSC ICT, Education, Chitosi Road, Purba Laksam.

বিনামূল্যে পিএইচডি থিসিস ডাউনলোডের শীর্ষ ১০ ওয়েবসাইট 1. Open Access Theses and Dissertations (OATD)এটি বিশ্বের সবচেয়ে জন...
26/10/2025

বিনামূল্যে পিএইচডি থিসিস ডাউনলোডের শীর্ষ ১০ ওয়েবসাইট

1. Open Access Theses and Dissertations (OATD)

এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওপেন অ্যাকসেস থিসিস সার্চ ইঞ্জিনগুলোর একটি। এখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১১০০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭৪ লক্ষেরও বেশি থিসিস ও ডিসার্টেশন সংরক্ষিত রয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন বিষয়ের মাস্টার্স ও পিএইচডি থিসিস বিনামূল্যে পড়া ও ডাউনলোড করা যায়।

🔗 https://oatd.org/

2. Networked Digital Library of Theses and Dissertations (NDLTD)

এখানে ইউরোপ, আমেরিকা সহ বিশ্বের প্রায় ৪৮টি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের থিসিস রয়েছে। এই আন্তর্জাতিক ডিজিটাল লাইব্রেরিতে বিভিন্ন বিষয়ের মাস্টার্স ও পিএইচডি থিসিস বিনামূল্যে পড়া ও ডাউনলোড করা যায়।

🔗 https://lnkd.in/gNAPYvgt

3. MIT Theses

এখানে MIT-এর সব বিভাগের প্রায় ৫৮,০০০টিরও বেশি থিসিস ও ডিসার্টেশন সংরক্ষিত আছে, যা সরাসরি বিনামূল্যে পড়া ও ডাউনলোড করা যায়।

🔗 https://lnkd.in/g9NewCpg

4. Digital Access to Scholarship at Harvard (DASH)

এটি বিশ্ববিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপেন রিসার্চ প্ল্যাটফর্ম। এখানে বিভিন্ন বিষয়ের মাস্টার্স ও ডক্টরাল থিসিস বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

🔗 https://dash.harvard.edu/home

5. Clarivate ProQuest Dissertations & Theses

গত ৮০ বছরে ProQuest বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সমৃদ্ধ থিসিস ডেটাবেস তৈরি করেছে। ProQuest Dissertations & Theses Global (PQDT Global)-এ বর্তমানে ৫ মিলিয়নেরও বেশি গ্র্যাজুয়েট থিসিস ও ডিসার্টেশন সংরক্ষিত রয়েছে।

🔗 https://lnkd.in/gPAnxFeQ

6. EBSCO Open Dissertations

এই প্ল্যাটফর্মে বিশ্বের ৩২০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ লক্ষাধিক (1,500,000+) ইলেকট্রনিক থিসিস ও ডিসার্টেশন রয়েছে।

🔗 https://lnkd.in/gzxX2sMW

7. Cybertesis

এই রেপোজিটরিতে ল্যাটিন আমেরিকা, ইউরোপ এবং আফ্রিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিসিস পাওয়া যায়।

🔗 https://cybertesis.unmsm.edu.pe/

8. Electronic Theses & Dissertation Centre (OhioLINK)

এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সুসংগঠিত ডিজিটাল থিসিস রেপোজিটরি।

🔗 https://etd.ohiolink.edu/

9. University of California eScholarship Repository

University of California-তে প্রকাশিত সকল থিসিস ও ডিসার্টেশন এখানে বিনামূল্যে পড়া ও ডাউনলোড করা যায়।

🔗 https://lnkd.in/gHyt5__R

10. RERO DOC Digital Library

এটি ইউরোপের থিসিসের একটি ওপেন অ্যাকসেস একাডেমিক রিসোর্স।

🔗 https://doc.rero.ch/

October 3, 2022. OATD is dealing with a number of misbehaved crawlers and robots, and is currently taking some steps to minimize their impact on the system. This may require you to click through some security screen. Our apologies for any inconvenience.

সমস্যা: আমি ভিডিও বানাতে পছন্দ করি নাসমাধান: Vheer.comসমস্যা: আমি ছবি এডিট করতে জানি নাসমাধান: Gemini.google.comসমস্যা: ...
23/10/2025

সমস্যা: আমি ভিডিও বানাতে পছন্দ করি না
সমাধান: Vheer.com

সমস্যা: আমি ছবি এডিট করতে জানি না
সমাধান: Gemini.google.com

সমস্যা: ভাইরাল পোস্ট আইডিয়া মাথায় আসে না
সমাধান: Threadmaster.ai

সমস্যা: আমার ওয়েবসাইট গুগলে র‍্যাঙ্ক করতে পারছে না
সমাধান: Ranked.ai

সমস্যা: আমি Cold ইমেইল লিখতে পছন্দ করি না
সমাধান: Instantly.ai

সমস্যা: আমার কোনো প্রফেশনাল হেডশট নেই
সমাধান: FastPhoto.io

সমস্যা: প্রেজেন্টেশন বানাতে ফরম্যাটিংয়ে অনেক সময় নষ্ট হয়
সমাধান: SlidesAI.io

সমস্যা: আমি আমার ব্র্যান্ডের জন্য AI Avatar বানাতে চাই
সমাধান: Heygen.com

সমস্যা: ছোট ভিডিও এডিট করতে অনেক সময় চলে যায়
সমাধান: Submagic.co

সমস্যা: আমি কোড করতে জানি না
সমাধান: Manus.im

Create stunning AI images and videos instantly with Vheer. Use free AI text-to-image, image-to-video, Flux Kontext editor, background remover, and photo editing tools. Unlimited generations, no signup required. Perfect for personal and commercial use.

1. ChatGPT.com – যে কোনো সমস্যার সমাধান করে।2. Syllaby.io – ভিডিও বানাও আর সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ করো।3. MidJourney.com – সে...
28/08/2025

1. ChatGPT.com – যে কোনো সমস্যার সমাধান করে।
2. Syllaby.io – ভিডিও বানাও আর সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ করো।
3. MidJourney.com – সেকেন্ডে আর্ট বা ছবি তৈরি করে।
4. Hellowarrant.com – মার্কেটিং কমপ্লায়েন্সের জন্য এআই সহায়তা
5. Heygen.com – এআই অবতার তৈরি করে।
6. Soundraw.io – কয়েক সেকেন্ডে গান বানায়
7. Ranked.ai – গুগলে র‌্যাঙ্ক বাড়াতে সাহায্য করে।
8. Submagic.co – লম্বা ভিডিওকে ছোট ক্লিপে পরিণত করে।
9. SlidesAI.io – স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
10. PicWish.com – দ্রুত ছবি এডিট করে
11. Fastread.io – ইবুক তৈরি করো সহজেই।
12. Bibley.io – বাইবেল স্টাডির জন্য এআই টুল।
13. Manus.im – যেকোনো অ্যাপ কোড করে দেয়।
14. Capsho.com – পডকাস্টকে কনটেন্টে রূপান্তর করে।
15. Webinarkit.com – ওয়েবিনারের জন্য এআই টুল।
16. Creatorunlock.com – ইউটিউব ক্রিয়েটরদের সহায়তা করে।
17. Grok.com – সব সমাধান দেয়, তবে একটু রসিক ভঙ্গিতে।18. Adcreative.ai – বিজ্ঞাপনের জন্য দুর্দান্ত এআই টুল।
19. Canva.com – ডিজাইন করো যেকোনো কিছু।
20. Fastphoto.io – এআই হেডশট ছবি তৈরি করে।
21. askcoachken.com – এআই সম্পর্ক বিষয়ক কোচ।
22. threadmaster.ai – ভাইরাল ফেসবুক থ্রেড তৈরি করে।
23. V0.dev – ফ্রন্টএন্ড মকআপ তৈরি করো সহজে।
24. suno.com – এআই দিয়ে গান তৈরি করো।
25. keywordsearch.com – বিজ্ঞাপনের কনভার্সন বাড়ায়।
26. labs.google – গুগলের এআই ভিডিও মেকার।
27. Beautiful.ai – ঝকঝকে এআই প্রেজেন্টেশন বানায়।
28. Remove.bg – সেকেন্ডে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মুছে দেয়।
29. Uizard.io – স্কেচকে UI মকআপে রূপান্তর করে।
30. Aiva.ai – এআই দিয়ে সুর তৈরি করে।
31. AnimaApp.com – ডিজাইনকে কোডে রূপান্তর করে।
32. Replika.ai – এআই সম্পর্ক সঙ্গী।
33. notebooklm.google.com – যেকোনো লেখা থেকে পডকাস্ট বানায়।
34. Photes.io – ছবিকে টেক্সট নোটে পরিণত করে।
35. Magai.ai – সব এআই মডেল এক জায়গায়
37. fastpedia.io – এআই টুলের ডিরেক্টরি।
38. kuse.ai – ChatGPT কে হোয়াইটবোর্ডে নিয়ে আসে
39. createanything.com – অ্যাপ আর ওয়েবসাইট তৈরি করো।
40. snowglobe.so – ইউজার টেস্টিং সিমুলেট করে।
41. sintra.ai – এআই এজেন্টদের টিম তৈরি করে।
42. livex.ai – কাস্টমার ধরে রাখতে এআই এজেন্ট।
43. Revatto.com – গ্রাহক হারানো কমাতে সাহায্য করে।
44. clueso.io – মিনিটে প্রোডাক্ট ভিডিও বানায়।
45. skala.io – স্টার্টআপের জন্য লিগ্যাল প্ল্যাটফর্ম।
46. n8n.io – অটোমেশন করো যেকোনো কাজ।
47. beehiiv.com – ক্রিয়েটরদের জন্য সেরা নিউজলেটার টুল।48. blur-it.app – সংবেদনশীল তথ্য ব্লার করে।
49. perplexity.ai – সেরা এআই সার্চ ইঞ্জিন।
50. CopyOwl.ai – আর্টিকেল নিয়ে গভীর গবেষণা করে।

জেনে নিন!১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।  যে কোন শ্রেণীর অধ্যায় এর শিখন ফল জানতে ২. gemini.google...
26/05/2025

জেনে নিন!
১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। যে কোন শ্রেণীর অধ্যায় এর শিখন ফল জানতে
২. gemini.google.com প্রশ্ন তৈরি করতে পারে
৩. school.ai , school ai.com
Math solve bar
৪. Claude.ai
৫. typing.com , typingtest.com , typingtestbangla.com লেখার স্পীড দেখার জন্য
৬.deepseek apps , photomath apps গণিত সমাধান করার জন্য
৭. gamma app power point presentation
৮. Screen stream মোবাইল লেপটপে কানেকশন দেওয়ার জন্য
৯. Geogebra.ai স্থানাংক সমস্যা সমাধান
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. mathway.com ত্রিকোণমিতি সমস্যা সমাধান
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. light shot install লেপটপে screenshot নেওয়ার জন্য
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।
৫১. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৫২. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৫৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৫৬. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৫৭. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
৫৮.Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৫৯. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
৬০. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।

Gemini is your personal, proactive, and powerful Al assistant from Google. Try it for free to help with work, school, and at home.

18/04/2025

নিচে ৫০টি ফ্রি AI টুলের তালিকা বাংলা সিরিয়াল নাম্বারসহ দেওয়া হলো, যেগুলো আপনার কাজকে ১০ গুণ দ্রুত করতে সাহায্য করবে —

১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।

এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।

আজ সোমবার ১লা পৌষ ১৪৩১বঙ্গাব্দ ; ১৬ই ডিসেম্বর, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ; ১৪ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৬ হিজরি।শৃঙ্খল মুক্ত গৌরবের ৫৩বছর...
16/12/2024

আজ সোমবার ১লা পৌষ ১৪৩১বঙ্গাব্দ ; ১৬ই ডিসেম্বর, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ; ১৪ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৬ হিজরি।শৃঙ্খল মুক্ত গৌরবের ৫৩বছর। সবাইকে জানাই মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

১৪ ডিসেম্বর রাতের আকাশে থাকবে চমকপ্রদ দৃশ্য!জ্যোতির্বিজ্ঞানে আগ্রহীদের জন্য ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, একটি বিশেষ দিন। এই রাতে আ...
13/12/2024

১৪ ডিসেম্বর রাতের আকাশে থাকবে চমকপ্রদ দৃশ্য!

জ্যোতির্বিজ্ঞানে আগ্রহীদের জন্য ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, একটি বিশেষ দিন। এই রাতে আপনি দেখতে পাবেন দুটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা:

🌌 গেমিনিড উল্কাবৃষ্টি (Geminid Meteor Shower):
প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১৫০টি উজ্জ্বল উল্কা আকাশে ঝরে পড়তে দেখা যাবে। উল্কার উৎস হবে জেমিনি নক্ষত্রমণ্ডল, তবে পুরো আকাশ জুড়েই উল্কাগুলোর ঝলক উপভোগ করা যাবে। চাঁদের আলো কিছুটা প্রভাব ফেললেও উজ্জ্বল উল্কাগুলো দেখার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না!

🌕 পূর্ণচন্দ্র বা কোল্ড মুন (Cold Moon):
এই পূর্ণচন্দ্র শীতের আগমনকে চিহ্নিত করে। এটি বছরের শেষ পূর্ণচন্দ্র এবং অত্যন্ত উজ্জ্বল ও সুন্দর।

🎯 উপভোগের টিপস:
1️⃣ অন্ধকার এবং দূষণমুক্ত জায়গায় যান।
2️⃣ঠাণ্ডার জন্য যথাযথ পোশাক পরুন।

আকাশে এই মহাজাগতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রস্তুত থাকুন!
আকাশের দিকে চোখ রাখুন। 🌠

🌌🌌❄️❄️গ্রাফিনের আশ্চর্য জগৎ❄️❄️🌌🌌আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সবকিছুতেই এখন ইলেকট্রনিকসের প্রভাব অনস্বীকার্য। আমরা দেখছি, ইলেক...
02/12/2024

🌌🌌❄️❄️গ্রাফিনের আশ্চর্য জগৎ❄️❄️🌌🌌
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সবকিছুতেই এখন ইলেকট্রনিকসের প্রভাব অনস্বীকার্য। আমরা দেখছি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর কার্যক্ষমতা যেমন বাড়ছে, তেমনি ওজনে হালকা হচ্ছে। এখন প্লাস্টিকের চেয়েও পাতলা অথচ ইস্পাতের চেয়েও শক্ত, তামার চেয়েও বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন। এই পদার্থগুলো এত পাতলা যে এগুলোর পুরুত্ব নেই বললেই চলে। তাই এগুলোকে দ্বিমাত্রিক পদার্থ বলা হয়। এই দ্বিমাত্রিক পদার্থের জগৎ—গ্রাফিনের জগৎ। এই জগতের সন্ধান আমরা পেয়েছি মাত্র ২০ বছর আগে, ২০০৪ সালে দুজন সাদামাটা হাসিখুশি পদার্থবিজ্ঞানীর মাধ্যমে। এই দুজন বিজ্ঞানী হলেন আন্দ্রে গাইম ও কনস্টান্টিন নভোসেলভ। আবিষ্কারের মাত্র ছয় বছরের মাথায় ২০১০ সালে তাঁরা পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
পদার্থবিজ্ঞানের জগতে একেবারে অজ্ঞাতকুলশীল হয়তো নন, কিন্তু ততটা বিখ্যাতও ছিলেন না ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আন্দ্রে গাইম ও কনস্টান্টিন নভোসেলভ। বড় কোনো রিসার্চ গ্রান্টও তাঁরা পাননি কোনো দিন। তা ছাড়া কোনো সিরিয়াস গবেষণা থেকে নয়, আক্ষরিক অর্থেই ডাস্টবিন থেকে উঠে এসেছে তাঁদের আবিষ্কার।১৯৫৮ সালে রাশিয়ায় জন্ম আন্দ্রে গাইমের। মস্কো ফিজিক্যাল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, পরে চেরনোগোলোভার ইনস্টিটিউট অব সলিড স্টেট ফিজিকস থেকে পোস্টগ্র্যাজুয়েট। তারপর চলে যান নেদারল্যান্ডসে। সেখানে নাইমিগান ইউনিভার্সিটিতে পড়িয়েছেন অনেক বছর। নেদারল্যান্ডসের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন তিনি। ১৬ বছর পর নিজের অজান্তেই গাইমকে অনুসরণ করলেন নভোসেলভ। কনস্টান্টিন নভোসেলভেরও জন্ম রাশিয়ায়, ১৯৭৪ সালে। পড়াশোনাও প্রথমে মস্কো ফিজিক্যাল টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি, পরে চেরনোগোলোভার ইনস্টিটিউট অব সলিড স্টেট ফিজিকসে। সেখান থেকে পিএইচডি করার জন্য পাড়ি জমান নেদারল্যান্ডসের নাইমেগেন ইউনিভার্সিটিতে। সেখানেই তাঁর পরিচয় হয় প্রফেসর গাইমের সঙ্গে। নভোসেলভ যদিও গাইমের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পিএইচডি করেননি, কিন্তু গাইমের বহুমুখী গবেষণার প্রতি আকৃষ্ট হলেন।গাইমও নভোসেলভের উৎসাহ ও উদ্দীপনায় খুশি। বেশির ভাগ বিজ্ঞানী সাধারণত একটা বিষয় নিয়েই গবেষণা করেন বছরের পর বছর। কিন্তু বিজ্ঞানীদের মধ্যে ক্ষুদ্র একটা অংশ আছেন, যাঁরা কয়েক বছর পরপর গবেষণার ক্ষেত্র বদল করেন।আন্দ্রে গাইম তাঁদের দলে। ১৯৯৭ সালে প্রফেসর গাইম ডায়াম্যাগনেটিজম নিয়ে কাজ করতে করতে আবিষ্কার করেন শক্তিশালী চুম্বকক্ষেত্রে ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থ বিকর্ষিত হয়। পানি ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থ। তাঁর মাথায় এল শক্তিশালী চুম্বকক্ষেত্রে পানি রাখলে পানির কণা বিকর্ষিত হয়ে শূন্যে ভাসতে থাকবে। এটাকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য পানির বদলে তিনি একটা জীবন্ত ব্যাঙ ব্যবহার করলেন। ব্যাঙের শরীরের জলীয় অংশ ডায়াম্যাগনেটিক। উপযুক্ত শক্তির চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করে গাইম দেখালেন যে সেই চৌম্বকক্ষেত্রে একটা ব্যাঙ বিকর্ষণ বলের ক্রিয়ায় শূন্যে ভেসে থাকে। এ রকম বিজ্ঞান মজার, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু এটা কোনো মৌলিক আবিষ্কার নয়। এ রকম মজার আবিষ্কার যেগুলো দেখে মানুষ শুরুতে হাসে, পরে ভাবতে বসে—তাদের জন্য হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ইগ-নোবেল কমিটি ইগ-নোবেল পুরস্কার চালু করেছে বেশ কয়েক বছর আগে থেকে। ২০০০ সালে চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে শূন্যে ভাসমান ব্যাঙের জন্য ইগ-নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় প্রফেসর আন্দ্রে গাইমকে। একটা ধারণা ছিল যে যাঁরা ইগ-নোবেল পুরস্কার পান, তাঁদের পক্ষে সত্যিকারের নোবেল পুরস্কার পাওয়া সম্ভব নয়। তাই ইগ-নোবেল পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে একজন সত্যিকারের নোবেল বিজয়ীকে অতিথি হিসেবে আনা হয়। ইগ-নোবেলের সেই প্রচলিত ধারণা ভেঙে গেছে ২০১০ সালে। প্রফেসর আন্দ্রে গাইম হলেন প্রথম বিজ্ঞানী, যিনি ইগ-নোবেল ও নোবেল পুরস্কার দুই-ই পেয়েছেন।২০০১ সালে ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেন প্রফেসর গাইম। পরপরই কনস্টান্টিন নভোসেলভকে পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো হিসেবে তাঁর ডিপার্টমেন্টে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করলেন। কনস্টান্টিন নভোসেলভের পিএইচডি শেষ হয়নি তখনো। থিসিস জমা দিয়েই ম্যানচেস্টারে চলে এলেন নভোসেলভ। কাজ শুরু করলেন গ্রাফিন নিয়ে। প্রতি শুক্রবার বিকেলে সবাই যখন নানা রকম সামাজিক আনন্দে মেতে ওঠে, তখন গাইম আর নভোসেলভের গ্রুপ মেতে ওঠে—ফ্রাইডে ইভনিং এক্সপেরিমেন্টে। বড় কোনো যন্ত্রপাতি নেই। প্রায় খালি হাতে ল্যাবে যা আছে, তা কাজে লাগিয়েই নানা রকম পরীক্ষা। এ রকম একটা ‘ফ্রাইডে ইভনিং এক্সপেরিমেন্ট’-এর ফসল গ্রাফিন—যা থেকে ২০১০ সালের নোবেল পুরস্কার।
গ্রাফিন নতুন কোনো পদার্থ নয়। গ্রাফিনের অস্তিত্বের কথা বিজ্ঞানীদের জানা ছিল অনেক দিন আগে থেকেই। কার্বনের একটা রূপ গ্রাফাইট। ষড়ভুজাকৃতির পারমাণবিক বন্ধনযুক্ত গ্রাফাইটের গঠন সম্পর্কেও সম্যক ধারণা আছে বিজ্ঞানীদের। আমরা যে পেনসিল দিয়ে লিখি—সেই পেনসিলের শিস মূলত গ্রাফাইট। পেনসিলের লেখাগুলো গ্রাফাইটের অনেকগুলো আস্তরণের সমষ্টি। গ্রাফাইটের এই আস্তরণগুলোর প্রতিটি একেকটা গ্রাফিন। গ্রাফিনের একেকটা আস্তরণ এতটাই পাতলা যে এর পুরুত্ব একটা পরমাণুর ব্যাসের সমান, অর্থাৎ ১ মিলিমিটারের ১ কোটি ভাগের ১ ভাগ। আরও পরিষ্কারভাবে বলা যায়, ১০ পাতা কাগজের পুরুত্ব যদি ১ মিলিমিটার হয়, তাহলে ১০ লাখ গ্রাফিনের আস্তরণের পুরুত্ব হবে ১ পাতা কাগজের পুরুত্বের সমান। এর আগে গ্রাফিনের আরও সব গঠন আবিষ্কৃত হয়েছে। কার্বন ন্যানোটিউবের কথা আমরা জানি। ৬০টি কার্বন পরমাণু মিলে ফুটবল আকৃতির ফুলারিন আবিষ্কারের জন্য রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ১৯৯৬ সালে। গ্রাফিনের অস্তিত্ব জানা থাকা সত্ত্বেও তাকে আলাদা করা যাচ্ছিল না এত দিন। ফলে তার অনেক ধর্মও পরীক্ষা করে দেখা সম্ভব হচ্ছিল না। আন্দ্রে গাইম ও কনস্টান্টিন নভোসেলভ শুরু করলেন নানা রকম পরীক্ষা। কিন্তু কিছুতেই সফল হচ্ছিলেন না। সিনিয়র গবেষকদের একজন গ্রাফিনের পুরু আস্তরণ তৈরি করেন আর সবাই মিলে চেষ্টা করেন কীভাবে তার একটা আস্তরণ আলাদা করা যায়। যে গ্রাফিনগুলো টেবিলে লেগে থাকত, তা পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা হতো স্কচটেপ। গ্রাফিনের ওপর টেপ লাগিয়ে টান দিয়ে টেপটা তুলে ফেললে টেপের সঙ্গে গ্রাফিনও উঠে আসে। ওই ব্যবহৃত টেপগুলো স্বাভাবিকভাবেই ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া হয়। একদিন কী মনে করে ও রকম একটা ফেলে দেওয়া টেপ ময়লার ঝুড়ি থেকে তুলে নিলেন নভোসেলভ। কনফোকাল মাইক্রোস্কোপের নিচে টেপটাকে রেখে দেখলেন তাতে যে গ্রাফিন লেগে আছে, তার পুরুত্ব অবিশ্বাস্য রকমের কম। একটা পথ পেয়ে গেলেন তাঁরা। ধরতে গেলে এভাবেই আলাদা হয়ে গেল অবিশ্বাস্য রকমের পাতলা পদার্থ গ্রাফিন। এর পুরুত্ব এতই কম (১ মিলিমিটারের ১ কোটি ভাগের ১ ভাগ) যে নেই বললেই চলে। তাই গ্রাফিনকে বলা হচ্ছে দ্বিমাত্রিক পদার্থ, যার শুধু দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আছে, কিন্তু কোনো পুরুত্ব নেই। গ্রাফিনের একটা ষড়ভুজ আকৃতির কোষে দুটো কার্বন পরমাণু থাকে, যার ক্ষেত্রফল মাত্র ০.০৫২ বর্গ ন্যানোমিটার। ঘনত্ব ০.৭৭ মিলিগ্রাম/বর্গমিটার, অর্থাৎ ১ মিটার বাই ১ মিটার আকৃতির এক খণ্ড গ্রাফিনের ভর হবে ১ মিলিগ্রামেরও কম। গ্রাফিন এত পাতলা যে এটা মাত্র ২.৩ শতাংশ আলো শোষণ করে, অর্থাৎ এর মধ্য দিয়ে প্রায় সব আলোই বিনা বাধায় চলে যেতে পারে। মানে গ্রাফিন কাচের মতো স্বচ্ছ। এত পাতলা, এত স্বচ্ছ, অথচ গ্রাফিন ইস্পাতের চেয়েও কমপক্ষে ১০০ গুণ শক্ত। গ্রাফিনের ভার সইবার ক্ষমতা ৪২.০ নিউটন/মিটার, অথচ ইস্পাতের ভার সইবার ক্ষমতা মাত্র ০.৪০ নিউটন/মিটার। ১ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১ মিটার প্রস্থের এক খণ্ড গ্রাফিন দুটি খুঁটির মধ্যে বেঁধে দিলে তার ওপর ৪ কিলোগ্রাম ভর রাখলেও গ্রাফিন খণ্ডটি ছিঁড়বে না। এটা এতই পাতলা যে খালি চোখে একে দেখাই যাবে না। এর ওপর একটা বিড়াল শুয়ে থাকলে মনে হবে বিড়ালটি শূন্যের ওপর শুয়ে আছে। এই গ্রাফিন খণ্ডের ওজন হবে ১ মিলিগ্রামেরও কম, অথচ বিড়ালের একটা গোঁফের ওজনও ১ মিলিগ্রামের বেশি হবে। গ্রাফিন বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তামার চেয়েও বেশি। গ্রাফিনের তাপ পরিবাহিতাও তামার চেয়ে ১০ গুণ বেশি। ২০০৪ সালে গ্রাফিনের এসব গুণ প্রকাশ করেন গাইম ও নভোসেলভ সায়েন্স জার্নালে। পরের বছর আরেকটি পেপার প্রকাশ করেন বিখ্যাত নেচার সাময়িকীতে। দ্রুত সাড়া পড়ে যায় বিজ্ঞানজগতে। গ্রাফিনের ভবিষ্যৎ ব্যবহার নিশ্চিত হয়ে পড়ে অনেকগুলো ক্ষেত্রে। প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটানোর ক্ষমতা রাখে গ্রাফিন। এর অবিশ্বাস্য রকমের কম ভর, স্বচ্ছতা, বিদ্যুৎ সুপরিবাহিতার কারণে কম্পিউটার টাচ-স্ক্রিন, কম্পিউটার চিপস ইত্যাদির ক্ষেত্রে গ্রাফিন অচিরেই সিলিকনের জায়গা দখল করে নেবে। সোলার সেল, মোবাইল, ইলেকট্রনিকস, গাড়ির পার্টস, আকাশযানের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ থেকে শুরু করে স্যাটেলাইটেও জায়গা করে নেবে গ্রাফিন। প্রযুক্তির আগামী বিশ্ব হবে গ্রাফিন–বিশ্ব—এ রকমই আশা করেন বিজ্ঞানের ভবিষ্যৎ–দ্রষ্টারা। ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটিতে প্রফেসর গাইম ও নভোসেলভের তত্ত্বাবধানে ইতিমধ্যেই গড়ে উঠেছে ন্যাশনাল গ্রাফিন ইনস্টিটিউট, গ্রাফিন ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার (জিইআইসি)। বাংলাদেশের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ড. নাজমুল করিম ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করে নলেজ এক্সচেঞ্জ ফেলো হিসেবে গবেষণা করছেন ন্যাশনাল গ্রাফিন ইনস্টিটিউটে। গ্রাফিন ব্যবহার করে ই-টেক্সটাইল প্রস্তুত করার প্রজেক্টে কাজ করছেন তিনি। হাসপাতালে অপারেশনের রোগীদের অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অনেক রোগীর ঠান্ডা লেগে যায়। খুবই পাতলা ই-টেক্সটাইলের মাধ্যমে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায় সহজেই। এই প্রজেক্টের জন্য ডক্টর নাজমুল করিমকে যুক্তরাজ্যের আইসিইউআরই ৩৫ হাজার পাউন্ড পুরস্কার দিয়েছে। "বিজ্ঞান সাময়িকী: বিজ্ঞান চিন্তা" থেকে সংগৃহিত।

শীতে বায়ুদূষণ বেশি কেন হয়?শীতে বায়ুদূষণ বেশি হওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:  1. বায়ুর নিম্ন তাপমাত্রা ও তাপমাত্রা...
30/11/2024

শীতে বায়ুদূষণ বেশি কেন হয়?

শীতে বায়ুদূষণ বেশি হওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:

1. বায়ুর নিম্ন তাপমাত্রা ও তাপমাত্রার উল্টো প্রবণতা (Temperature Inversion):
শীতকালে মাটির কাছাকাছি স্তরে ঠান্ডা বাতাস আটকে যায়, এবং তার ওপরে উষ্ণ বাতাস থাকে। ফলে বায়ুর চলাচল কম হয়, এবং দূষিত গ্যাস ও কণাগুলো উপরের দিকে ছড়িয়ে যেতে পারে না। এগুলো মাটির কাছাকাছি স্তরে জমে থাকে, যার ফলে দূষণের মাত্রা বেড়ে যায়।

2. কুয়াশা:
শীতকালে কুয়াশা বেশি হয়, যা বায়ুর আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ায়। আর্দ্র বায়ুতে দূষিত কণা ও গ্যাস সহজে মিশে থাকে এবং দীর্ঘ সময় ধরে বাতাসে ভাসমান থাকে। ফলে বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পায়।

3. জ্বালানি পোড়ানোর বৃদ্ধি:
শীতে মানুষ ঠান্ডা এড়ানোর জন্য বেশি পরিমাণে কাঠ, কয়লা, এবং অন্যান্য জ্বালানি পোড়ায়। এর ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড, এবং সূক্ষ্ম কণিকা (PM 2.5 এবং PM 10) বায়ুতে বাড়ে।

4. গাড়ি এবং কলকারখানার দূষণ:
শীতকালে যানবাহন ও শিল্পকারখানার কার্যক্রম অব্যাহত থাকে, কিন্তু তাপমাত্রার কারণে বায়ুদূষণের উপাদানগুলো বাতাসে ছড়িয়ে না গিয়ে কাছাকাছি জমা হয়ে থাকে।

5. কৃষি বর্জ্য পোড়ানো:
কিছু অঞ্চলে শীতকালে ফসল কাটার পর কৃষি বর্জ্য পোড়ানোর প্রবণতা বেশি থাকে। এ থেকে প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া ও দূষিত কণা বায়ুতে মেশে।

এ কারণে শীতকালে বায়ুদূষণ অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে দেখা যায়। এটি স্বাস্থ্যঝুঁকি যেমন শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, এবং হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

সংগৃহিত: কিশোর বিজ্ঞান সাময়িকী ব্যাপন থেকে।

তোমরা কি জানো তোমাদের হাতের ঘড়ির মতোই তোমাদের দেহের ভেতরেও একটি ঘড়ি আছে?হ্যা! ঠিকি শুনোছো। তোমাদের দেহের ভেতরের সেই ঘড়িট...
30/11/2024

তোমরা কি জানো তোমাদের হাতের ঘড়ির মতোই তোমাদের দেহের ভেতরেও একটি ঘড়ি আছে?

হ্যা! ঠিকি শুনোছো। তোমাদের দেহের ভেতরের সেই ঘড়িটির নাম হল Circadian Rhythm ।
সার্কাডিয়ান রিদম হলো শরীরের প্রাকৃতিক জৈবিক ঘড়ি যা ২৪ ঘণ্টার চক্রে কাজ করে এবং দিন ও রাতের আলোর পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শরীরের বিভিন্ন শারীরিক, মানসিক এবং আচরণগত পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ করে। এটি শরীরের ঘুম ও জেগে থাকার সময়, হরমোন নিঃসরণ, শরীরের তাপমাত্রা এবং খাবারের চাহিদার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলো পরিচালনা করে।

কীভাবে কাজ করে?
সার্কাডিয়ান রিদম মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে অবস্থিত "সুপ্রাকায়াজম্যাটিক নিউক্লিয়াস" (SCN) দ্বারা পরিচালিত হয়। SCN চোখের রেটিনার মাধ্যমে আলোর সংকেত পায় এবং শরীরের বিভিন্ন সিস্টেমকে সেই অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ করে।

দিনে আলো পাওয়ার সময়:
মস্তিষ্ক মেলাটোনিন (ঘুমের হরমোন) উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।
আপনি সজাগ ও কর্মক্ষম অনুভব করেন।

রাতে অন্ধকারের সময়:
SCN মেলাটোনিন উৎপাদন বাড়ায়, যা ঘুমের প্রস্তুতি নেয়। শরীরের তাপমাত্রা কমে যায় এবং শক্তি সংরক্ষণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সার্কাডিয়ান রিদমের প্রভাব
১. ঘুমের ওপর প্রভাব:
সার্কাডিয়ান রিদম আপনার ঘুমানোর এবং জেগে থাকার সময় নির্ধারণ করে। যদি এটি বিঘ্নিত হয় (যেমন জেট ল্যাগ বা শিফট ওয়ার্কের কারণে), ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।

২. হরমোন নিঃসরণ:
এটি কোর্টিসল, ইনসুলিন, এবং মেলাটোনিনসহ বিভিন্ন হরমোনের নিঃসরণে প্রভাব ফেলে।

শারীরিক কার্যক্রম:
সার্কাডিয়ান রিদম শারীরিক শক্তি এবং মনোযোগের সময়কাল নির্ধারণ করে।

হজম ও বিপাক:
এটি খাবার হজম এবং মেটাবলিজমের গতিকে প্রভাবিত করে, যা ওজন ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত।

সার্কাডিয়ান রিদমের ব্যাঘাতের কারণ
রাত জেগে কাজ করা বা অনিয়মিত ঘুমের সময়সূচি।
অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, বিশেষত রাতে।
জেট ল্যাগ (টাইম জোন পরিবর্তন)।
দীর্ঘস্থায়ী ঘুমের ব্যাধি বা ইনসমনিয়া।
স্থায়ী অন্ধকারে বসবাস করা বা আলোবিহীন পরিবেশ।

সার্কাডিয়ান রিদম ঠিক রাখার উপায়
১. একই সময়ে ঘুমানো এবং ওঠার অভ্যাস করুন।
২. দিনের আলোতে বেশি সময় কাটান।
৩. রাতে স্ক্রিনের নীল আলো কমান।
৪. ক্যাফেইন বা ভারী খাবার রাতে এড়িয়ে চলুন।
৫. ঘুমানোর পরিবেশ আরামদায়ক ও অন্ধকার রাখুন।
৬. নিয়মিত ব্যায়াম করুন, তবে ঘুমের খুব কাছাকাছি সময়ে নয়।

সংগৃহীত: কিশোর বিজ্ঞান সাময়িকী "ব্যাপন" থেকে।

মানব সভ্যতায় আলোর দ্যুতি ছড়ানো শিক্ষক আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসুস্যার জগদীশ চন্দ্র বসু বিশ্বের প্রথম জীব-পদার্থবিদ। ১৮৫৮ খ্...
30/11/2024

মানব সভ্যতায় আলোর দ্যুতি ছড়ানো শিক্ষক আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু

স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু বিশ্বের প্রথম জীব-পদার্থবিদ। ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের আজকের এই দিনে মহান হৃদয়ের এই বাঙালি বিজ্ঞানী ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। জগৎ বিখ্যাত এই বিজ্ঞানী ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করলেও পরিবারের সাথে বেড়ে উঠেন ঢাকার মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে। বাংলা মায়ের পলল ভূমির সবুজ ছায়ায় বেড়ে ওঠায় গাছের প্রতি টান তার আশৈশব। প্রকৃতিঘেরা পরিবেশে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে পিতার কর্মস্থলের সুবাদে ফরিদপুরে বাংলা মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি হন নিজ ভাষার প্রতি মমত্ববোধ ও দায়বদ্ধতা থেকে । পরবর্তীতে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন। সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ফাদার লাফোর সান্নিধ্যে এসে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি প্রবল আগ্রহী হয়ে উঠেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর চিকিৎসা শাস্ত্রে পড়ালেখার উদ্দেশ্যে বিলেতে পাড়ি জমান। হঠাৎ ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হওয়ায় শরীর ভেঙে যায় ফলে চিকিৎসা বিদ্যায় ভর্তি হতে পারেননি। এরপর জগদীশ চন্দ্র বসু ভর্তি হন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে পদার্থ বিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করে দেশে ফিরে প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপনায় নিযুক্ত হন। একটানা ত্রিশ বছর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। চাকরি জীবনের শুরুটা সুখকর ছিল না জগদীশ চন্দ্র বসুর। ওই কলেজের প্রায় সব শিক্ষকই ছিল ইউরোপিয়ান। ব্রিটিশ সরকার মনে করত, ভারতীয়দের তুলনায় ইউরোপিয়ানদের মর্যাদা অনেক বেশি। তাই ইউরোপীয় শিক্ষকদের যে বেতন দেয়া হত, বসুকে দেয়া হলো তার তিন ভাগের এক ভাগ। এই অন্যায় জগদীশ বসু মানতে পারলেন না। বেতন না নিয়েই শিক্ষকতা শুরু করলেন। এরপর শুরু হলো জীবনের নতুন অধ্যায়। অধ্যাপনার পাশাপাশি মানব সভ্যতার অগ্রগতির জন্য গবেষণায় নিযুক্ত হন। বিজ্ঞান শিক্ষক হিসেবে ভারতীয়রা যে ইউরোপীয়দের সমান দক্ষ হতে পারে, তা জগদীশ বসু প্রমাণ করেছিলেন। তাঁর হাত ধরেই বেরিয়ে আসে সত্যেন বোস আর মেঘনাদ সাহার মতো বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীরা। জগদীশ চন্দ্র বসু সর্বপ্রথম গবেষণা শুরু করেন মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তি নিয়ে। এতে তিনি সফলতাও লাভ করেন। এ বিষয়ে তিনি ১৩ টি গবেষণাপত্র লিখেন এবং গবেষণাপত্র গুলোর গুরুত্ব বিবেচনায় ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশন, রয়েল ইনস্টিটিউশন, ফ্রান্স এবং জার্মানিতে বক্তৃতার নিমন্ত্রণ পান। রয়েল ইনস্টিটিউশনে বক্তৃতা শুনে সেখানকার বিচক্ষণ বিজ্ঞানী মহল যেমন মুগ্ধ হন ঠিক তেমনি জগদীশ চন্দ্র বসু নিজেও চমৎকৃত হন লন্ডনের রয়েল ইনস্টিটিউশন প্রদর্শন করে। এখান থেকেই মূলত তার মনে বিজ্ঞান মন্দিরের ভাবনার উদয় হয়। সেখানে রয়েল ইন্সটিটিউট দেখে তিনি এতটাই অভিভূত হন যে সেটার আদলে নিজের সারা জীবনের অর্জিত সম্পদ দিয়ে ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে বসু বিজ্ঞান মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। বিজ্ঞানী মার্কোনি বেতার তরঙ্গ আবিষ্কার করেন ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে অপরদিকে জগদীশচন্দ্র বসু মাইক্রোওয়েভ সঞ্চালন প্রমাণ করেন ১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দে কিন্তু বিজ্ঞানকে ব্যবসায়িক না করার মানসিকতায় তিনি সেটার পেটেন্ট গ্রহণ ও বিক্রি করেননি। এই বিষয়ে জগদীশচন্দ্র বসুর উক্তি ছিল: "বিজ্ঞান হলো সাধনা, ব্যবসার বস্তু নয়"। জগদীশ চন্দ্র বসুর মাইক্রোওয়েভ এবং প্রবন্ধ গুলো নিয়ে ইংল্যান্ডের "ইলেকট্রিশিয়ান" পত্রিকায় ছাপানো ফিচারে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল এ পর্যন্ত যতগুলো বেতার যন্ত্র আবিষ্কার হয়েছে সবকটাকে হারিয়ে দিয়েছে জগদীশ চন্দ্র বসুর বেতার যন্ত্র। বিংশ শতাব্দীর শুরুতেই পদার্থ বিজ্ঞান গবেষণায় আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব এবং ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব যখন বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তুলে ঠিক সেই সময় নিভৃতচারী হয়ে জগদীশ চন্দ্র বসু উদ্ভিদ বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণায় শুরু করেন। নিজের আবিষ্কৃত ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ ব্যবহার করেন জৈব-অজৈব বিকিরণ শোষণ প্রক্রিয়ার উপর। এখান থেকেই তিনি আবিষ্কার করেন উদ্ভিদেরও মানুষের মতো সাড়া প্রদানের ক্ষমতা আছে। দীর্ঘ গবেষণায় তিনি লক্ষ্য করেন উদ্ভিদেরও আছে মানুষের মত সুখ-দুঃখের অনুভূতি। এই গবেষণার ভিত্তিতে ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে রচনা করেন "Responses in the living and nonliving" এই উপমহাদেশে তিনিই মূলত পরীক্ষামূলক বিজ্ঞান চর্চা শুরু করেছিলেন। উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহ কলার মধ্যে তুলনামূলক গবেষণায় তিনি উদ্ভাবন করেন বিখ্যাত যন্ত্র ক্রেস্কোগ্রাফ। সেই সাথে "উদ্ভিদের সাড়া" এবং "তুলনামূলক বৈদ্যুতিক শরীরবৃত্ত" নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। নতুন নতুন আবিষ্কারের নেশায় দিন-রাত কাজ করে গেছেন জগদীশচন্দ্র বসু। ক্রেস্কোগ্রাফ পরবর্তী জগদীশ চন্দ্র বসুর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হল মাইক্রোওয়েভ রিসিভার ও ট্রান্সমিটারের উন্নয়ন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে আহত সৈনিকদের শরীরে এক্স-রে প্রয়োগ করে বিশ্বে প্রথম চিকিৎসা-পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন মেরি কুরি। কিন্তু মেরি কুরিরও অনেক আগে জগদীশ চন্দ্র বসু এক্স-রে দিয়ে রোগীর শরীরের ছবি তোলা শুরু করেছিলেন। এক্স-রে আবিষ্কারের পরপরই জগদীশচন্দ্র বসু নিজের পরীক্ষাগারে এক্স-রে উৎপাদন শুরু করেন। পাশাপাশি এক্স-রে এর সাহায্যে শরীরের রোগ নির্ণয়ের সফল প্রয়োগ ঘটান। এছাড়াও শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য অক্সিজেনের মধ্যে বিদ্যুৎ চালনা করে আয়নিত অক্সিজেন তৈরির জন্য আবেশ-কুন্ডলীর উদ্ভাবন করেছিলেন জগদীশ চন্দ্র বসু। বিজ্ঞান-চর্চা ও গবেষণার দ্বারা উদ্ভাবনের পথ খুলে দিতে যে বিজ্ঞান মন্দির তিনি স্থাপন করে গেছেন তার মাধ্যমে জগদীশ চন্দ্র বসুর গবেষণা কর্ম আজো চলমান। জগদীশ চন্দ্র বসু সারাজীবন মানব সভ্যতার অগ্রযাত্রার জন্য কাজ করে গেছেন। তার আবিষ্কার, গবেষণা সভ্যতাকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। আজও তার সুফল ভোগ করছি আমরা সবাই। বাঙালির অহংকার ক্ষণজন্মা রহস্যময় মহান এই বিজ্ঞানীর ১৬৬তম জন্মবার্ষিকীতে রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

27/11/2024

দেশের জাতীয় অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় লেখা পাঠানোর ঠিকানা সমূহ।

নিবন্ধ/কলামের জন্য ব্যবহার করুন:
দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ: [email protected]
দৈনিক ইত্তেফাক: [email protected]
দৈনিক ভোরের কাগজ: [email protected]
দৈনিক সমকাল: [email protected]
দৈনিক যুগান্তর: [email protected]
দৈনিক কালেরকণ্ঠ: [email protected]
দৈনিক বণিকবার্তা: [email protected]
দৈনিক ইনকিলাব: [email protected]
দৈনিক যায়যায়দিন: [email protected]
দৈনিক সংবাদ: [email protected]
দৈনিক নয়াদিগন্ত: [email protected]
দৈনিক প্রথম আলো: [email protected]
দৈনিক জনকণ্ঠ: [email protected]
দৈনিক আমাদের সময়: [email protected]
দৈনিক সংগ্রাম: [email protected]
দৈনিক জনতা: [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর: [email protected]
দৈনিক বাংলাদেশের খবর: [email protected]
দৈনিক খোলাকাগজ: [email protected]
দৈনিক বর্তমান: [email protected]
দৈনিক মানবকণ্ঠ: [email protected]
দৈনিক সময়ের আলো: [email protected]
দৈনিক পূর্বকোণ: [email protected]
দৈনিক সুপ্রভাত: [email protected]
দৈনিক দিনকাল: [email protected]
দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ: [email protected]
দৈনিক দেশরূপান্তর: [email protected]
দৈনিক দেশের কথা: [email protected]
দৈনিক দেশের কণ্ঠ: [email protected]
দৈনিক অধিকার: [email protected]
দৈনিক দেশকাল: [email protected]
দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন: [email protected]
দৈনিক শেয়ার বীজ:[email protected]
দৈনিক বাংলা: [email protected]
দৈনিক সকালের সময়: [email protected]
দৈনিক আমার বার্তা: [email protected]
দৈনিক স্বাধীন বাংলা: [email protected]
দৈনিক আজাদী: [email protected]
দৈনিক করতোয়া: [email protected]
দৈনিক ডেল্টাটাইমস: [email protected]
দৈনিক বাংলাদেশের আলো: [email protected]
দৈনিক প্রথম সূর্যদয়: [email protected]
দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ: [email protected]
দৈনিক জবাবদিহি: [email protected]
দৈনিক লাখোকণ্ঠ: [email protected]
দৈনিক এশিয়া বাণী[email protected]
স্বদেশ প্রতিদিন: [email protected]
দৈনিক জনবাণী: [email protected], [email protected]
দৈনিক পরিবর্তন সংবাদ: [email protected], [email protected]
দৈনিক আমার সংবাদ: [email protected]
দৈনিক সরেজমিন: [email protected]

ইংরেজি পত্রিকা
The Daily Star: [email protected]
The Daily Sun: [email protected]
The Daily ObserverBD: [email protected]
The Daily Asian Age: [email protected]
The Bangladesh Today: [email protected]
The Bangladesh Post: [email protected]
The Business Standard: [email protected]
The New Nation: [email protected]
The Financial Express: [email protected]
The Independent: [email protected]
The Muslim Times: [email protected]
The Perspective: [email protected] (Monthly)
চিঠি পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:
দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ: [email protected]
দৈনিক ইত্তেফাক: [email protected]
দৈনিক ভোরের কাগজ: [email protected]
দৈনিক সমকাল: [email protected]
দৈনিক যুগান্তর: [email protected]
দৈনিক যুগান্তর: [email protected] (শুধু বুধবার)
দৈনিক কালেরকণ্ঠ: [email protected]
দৈনিক ইনকিলাব: [email protected]
দৈনিক যায়যায়দিন: [email protected]
দৈনিক সংবাদ: [email protected]
দৈনিক নয়াদিগন্ত: [email protected]
দৈনিক প্রথম আলো[email protected]
দৈনিক জনকণ্ঠ: [email protected]
দৈনিক জনকণ্ঠ: [email protected] (শুধু বৃহস্পতিবার)
দৈনিক সংগ্রাম: [email protected]
দৈনিক জনতা: [email protected] দৈনিক আজকালের খবর: [email protected]
দৈনিক বাংলাদেশের খবর: [email protected]
দৈনিক খোলাতাগজ: [email protected]
দৈনিক বর্তমান: [email protected]
দৈনিক মানবকণ্ঠ: [email protected]
দৈনিক সময়ের আলো: [email protected]
দৈনিক পূর্বকোণ: [email protected]
দৈনিক সুপ্রভাত: [email protected]
দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ: [email protected]
দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন: [email protected],[email protected]
দৈনিক শেয়ার বীজ: [email protected]
দৈনিক বাংলা: [email protected]
দৈনিক স্বাধীন বাংলা: [email protected]
দৈনিক আজাদী: [email protected]

ইংরেজি পত্রিকা
The Daily Star: [email protected]
The Daily Sun: [email protected]
The Daily Observer: [email protected]
The Daily Asian Age: [email protected]
The Bangadesh Today: [email protected]
The New Nation: [email protected]
The Bangladesh Post: [email protected]
The Business Standard: [email protected]
The Financial Express: [email protected]
The Independent: [email protected]
The Muslim Times: [email protected]

ইসলাম পাতায় লেখা পাঠানোর ঠিকানা:-
[email protected]
যুগান্তর (শুক্রবার)
[email protected]
ইত্তেফাক (শুক্রবার)
[email protected]
সময়ের আলো (প্রতিদিন)
[email protected]
নয়া দিগন্ত (প্রতিদিন)
[email protected]
আলোকিত বাংলাদেশ (প্রতিদিন)
[email protected]
ইনকিলাব (শুক্রবার)
[email protected]
আমার সংবাদ (প্রতিদিন)
[email protected]
মানবকণ্ঠ (রবিবার)
[email protected]
জবাবদিহি
[email protected]
বাংলাদেশ খবর (শুক্রবার)
[email protected]
দেশ রূপান্তর (প্রতিদিন)

ক্যাম্পাস পাতায় লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:
দৈনিক যায়যায়দিন: (শনিবার) [email protected]
দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ: (রবিবার) [email protected]
দৈনিক খোলাকাগজ: (বৃহস্পতিবার) [email protected] [email protected]
দৈনিক জনকণ্ঠ: (রবিবার, ৮) [email protected]
আমাদের সময়: (শনিবার) [email protected]
দৈনিক সমকাল: (সোমবার) [email protected]
দৈনিক বাংলাদেশের খবর: (সোমবার) [email protected]
দৈনিক ইত্তেফাক: (সোমবার, ১৭) [email protected] [email protected]

শুধুমাত্র ছড়া ও ছোটদের লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:
দৈনিক নয়াদিগন্ত (আগডুম বাগডুম) শুক্রবার
[email protected]
দৈনিক জনকণ্ঠ (ঝিলিমিলি) শনিবার
[email protected]
প্রতিদিনের সংবাদ (খেয়াল খুশি) শনিবার
[email protected]
দৈনিক করতোয়া (সবুজ আসর) শনিবার
[email protected]
আলোকিত বাংলাদেশ (আলোকিত শিশু) শনিবার
[email protected]
আলোকিত বাংলাদেশ (কলরব) শনিবার
[email protected]
ভোরের কাগজ (পাঠক ফোরাম) সোমবার
[email protected]
দৈনিক বিজয়ের কন্ঠ (শিশু কন্ঠ- সিলেট) শনিবার
[email protected]
সংবাদ খেলাঘর (পাক্ষিক পাতা) রবিবার
[email protected]
দৈনিক সংগ্রাম (নীল সবুজের হাট) শুক্রবার
[email protected]
[email protected]
দৈনিক সমকাল (ঘাসফড়িং) শুক্রবার
[email protected]
দৈনিক সমকাল (সুহৃদ সমাবেশ) মঙ্গলবার
[email protected]
কালেরকণ্ঠ (ঘোড়ার ডিম ফান ম্যাগাজিন, রম্য ছড়া) মঙ্গলবার
[email protected]
প্রথম আলো (আধুনা, মনের বাক্স) বুধবার
[email protected]
দৈনিক ভোরের কাগজ (ইষ্টিকুটুম) বুধবার
[email protected]
দৈনিক যায়যায়দিন (হাট্টিমাটিমটিম) রবিবার
[email protected]
দৈনিক যুগান্তর (স্বজন সমাবেশ) বুধবার
[email protected]

শিশুতোষ
১. দৈনিক আমাদের সময় (ঘটাংঘট) বৃহস্পতিবার
[email protected]
২. নয়াদিগন্ত (থেরাপি) বৃহস্পতিবার
[email protected]
১. দৈনিক প্রথম আলো (গোল্লাছুট) শুক্রবার
[email protected]
২. দৈনিক কালেরকণ্ঠ (টুনটুনটিনটিন) শুক্রবার
[email protected]
৩. দৈনিক ইত্তেফাক (কচিকাঁচার আসর) শুক্রবার
[email protected]
৪. দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (ডাংগুলি) শুক্রবার
[email protected] (বড়দের)
[email protected] (শিশুতোষ)

বড়দের লেখা এবং সাহিত্য পাতার জন্য
শনিবার
১।আলোকিত বাংলাদেশ - কবিতা [email protected] [email protected]
২।বাংলাদেশের খরব - সাহিত্য [email protected]
৩।দৈনিক সংবাদ - [email protected]
৪।আলোকিত প্রতিদিন-শনিবার [email protected]
৫।দৈনিক বিজয়ের কন্ঠ-সিলেট [email protected]
৬।ভোরের কাগজ-পাঠক ফোরাম [email protected]
৭।দৈনিক রূপসী বাংলা [email protected]
৮। দৈনিক বিজয়ের কন্ঠ- সিলেট shishukantho.bk@gmail.চম
৯। দৈনিক শুভ প্রতিদিন [email protected] [email protected]
১০। দৈনিক যুগান্তর (রঙ্গ) [email protected]

★★ রবিবার
১।প্রথম আলো-বন্ধুসভা [email protected]
২।দৈনিক জালালাবাদ-সাহিত্য পাতা [email protected]
৩।দৈনিক বিবৃতি-সাহিত্যপাতা [email protected]
৪।দৈনিক ইত্তেফাক (ঠাট্টা- ফান ম্যাগাজিন ও রম্য ছড়া) epaper.ittefaq.com.bd [email protected]
৫।দৈনিক যুগান্তর (বিচ্ছু- ফান ম্যাগাজিন রম্য ছড়া) ejugantor.com [email protected]
৬। প্রথম আলো (বন্ধুসভা) epaper.prothom-alo.com [email protected] [email protected]

★★ রবি সোম বৃহঃবার
১। দৈনিক যুগের আলো, রবি সোম বৃহস্পতি [email protected]

★★ মঙ্গলবার
১।সুহৃদ সমাবেশ, সমকাল- মঙ্গলবার [email protected]
২।যায়যায় দিন-কবিতা মঙ্গলবার [email protected]
৩।দৈনিক আজাদী [email protected]
৪।দৈনিক পূর্বকোণ-কলরোল [email protected]
৫. কালেরকণ্ঠ (ঘোড়ার ডিম ফান ম্যাগাজিন, রম্য ছড়া) ekalerkantho.com [email protected]
৬. প্রথম আলো (আধুনা, মনের বাক্স) epaper.prothom-alo.com [email protected]

সাহিত্য সাময়িকী ★★শুক্রবার
দৈনিক আমাদের সময় -অদ্বৈত মারুত [email protected] [email protected] [email protected]
দৈনিক যুগান্তর -কবিতা [email protected]
বাংলাদেশ প্রতিদিন - কবিতা [email protected] কবিতা
দৈনিক প্রথম আলো-কবিতা [email protected]
দৈনিক জনকন্ঠ - [email protected]
দৈনিক সমকাল - কবিতা [email protected] সমকাল - শুক্রবার কবিতা [email protected]
দৈনিক ইত্তেফাক - কবিতা [email protected] [email protected]
যায়যায়দিন- কবিতা [email protected] [email protected]
কালের কন্ঠ-গল্প- [email protected] [email protected] কালের কণ্ঠ [email protected] কবিতা [email protected] মাসুদ হাসান
নয়াদিগন্ত-শুক্রবার [email protected]
দৈনিক ভোরের কাগজ- [email protected] [email protected] ভোরের কাগজ -কবিতা
১৪।দৈনিক মানবকন্ঠ-কবিতা [email protected]

রম্য লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:
ইত্তেফাক: [email protected] (রবিবার)
যুগান্তর: [email protected] (রবিবার)
নয়াদিগন্ত: [email protected] (বৃহস্পতিবার)
খোলাকাগজ: [email protected] (মঙ্গলবার)

শিক্ষা বিষয়ক লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:
যায়যায়দিন: [email protected]

ফিচারের জন্য
দৈনিক বাংলা: [email protected]
সমকাল [email protected] শৈল পাতা (বুধবার) ‌
সমকাল [email protected] কালের খেয়া(শুক্রবার) কালেরকণ্ঠ [email protected] এ টু জেড পাতায় (রবিবার)
নতুন একমাত্রা [email protected] (প্রতিমাসে)
কিশোর কণ্ঠ [email protected] (প্রতিমাসে)
নব ভাবনা [email protected] (প্রতিমাসে)
যায়যায়দিন (ক্যাম্পাস পাতায়) উপরে ইমেইল দেওয়া আছে
প্রতিদিনের সংবাদ (ক্যাম্পাস পাতায়) উপরে ইমেইল দেওয়া আছে
খোলা কাগজ ( [email protected] ক্যাম্পাস পাতায়)............

(সংকলনে: বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সদস্যবৃন্দ)

Address

Chitosi Road
Purba Laksam
3623

Opening Hours

Monday 08:00 - 16:00
Tuesday 08:00 - 16:00
Wednesday 08:00 - 16:00
Thursday 08:00 - 16:00
Sunday 08:00 - 16:00

Telephone

+8801572554602

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tahmid ICT Yard # HSC ICT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Tahmid ICT Yard # HSC ICT:

Shortcuts

Share

Category