11/02/2026
Kajal'S Science Lab..Abdur Rahman Kajal
Kajal'S Science Lab
11/02/2026
22/02/2025
সুন্দর মুহূর্ত গুলো
27/04/2024
23/12/2021
মাথার খুলির ভিতরে মস্তিষ্কের প্রকৃত ওজন ১২০০-১৪০০ গ্রাম!
কেন এত বিশাল ওজন আমরা মাথার ভিতরে অনুভব করি না আমাদের মাথায় আমাদের তো মাথায় অনেক ভার ভার অনুভব হওয়ার কথা ছিলো তাইনা?
আমরা বুঝতে না পারার কারণ হলো, এটা মাথার ভিতরে সেরেব্রোস্পাইনাল নামের এক প্রকার তরলে ভাসে।
সাধারণত আমরা জানি, কোনো জিনিস পানিতে ডুবে থাকলে তার ভর কমে যায় এবং তা তখন খুবই কম অনুভূত হয়, সেরেব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডে ব্রেইন ভাসতে থাকে ফলে ব্রেইনের ভর ১২০০ গ্রামের জায়গায় আমরা অনুভব করি মাত্র ৫০ গ্রাম।
সবচেয়ে মজার জিনিসটা হচ্ছে- সেজদাতে গেলে আমরা কেনো একটা স্বস্তি অনুভূব করি, কারণ তখন আমরা হাটুগেড়ে সামনে যাই আমাদের সেরেব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড তখন একটু সামনে যায়, ব্রেইনের উপর মাসাজ প্রদান করে এবং ব্রেইনে তখন রক্ত চলাচল খুব ভালো হয় সেজন্য একটা ভালো লাগা কাজ করে।
আমরা আমাদের সৃষ্টির গঠন দেখে এর পিছনের বিজ্ঞান বুঝে আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালাকে আরো ভালোবাসতে পারি, আরো অনুভব করতে পারি। নামাযের সবচেয়ে বড় উপকারিতা হলো আল্লাহর সান্নিধ্য এবং আমরা এই সান্নিধ্যের জন্যই ইবাদাত করি, শারিরীক ব্যায়াম বা এটায় মানসিক প্রশান্তি রয়েছে এজন্য নয়।
আল্লাহ তায়ালা কুরআন মাজীদে বলেন -
ٱلَّذِىٓ أَحْسَنَ كُلَّ شَىْءٍ خَلَقَهُۥۖ وَبَدَأَ خَلْقَ ٱلْإِنسَٰنِ مِن طِينٍ
যিনি তাঁর প্রত্যেকটি সৃষ্টিকে সৃজন করেছেন উত্তমরূপে (১)এবং কাদা হতে মানব সৃষ্টির সূচনা করেছেন। (সূরা সিজদাহ ,আয়াত ৭)
(১)অর্থাৎ তিনি যেভাবে সৃষ্টি করেছেন সেটাই উত্তম ও সুন্দর। (তাবারী)মুজাহিদ বলেন, তিনি প্রতিটি বস্তুর সৃষ্টি অত্যন্ত মজবুত ও নৈপুণ্য সহকারে সম্পন্ন করেছেন।
(আত-তাফসীরুস সহীহ)
.
এস.এস.সি-২০২১ পরীক্ষার্থীদের এ্যাসাইনসেন্ট লেখার কিছু দিকনির্দেশনা
কিভাবে একটা এ্যাসাইনমেন্ট শুরু করবে?
প্রয়োজনীয় সামগ্রী
১।একটি স্কেল
২। একটি পেন্সিল
৩। একটি কালো বলপয়েন্ট কলম
৪। A4 সাইজের কিছু কাগজ নাও
লেখার নিয়মঃ
১। A4 সাইজের কাগজের একপাশে লিখবে (কোনো ক্রমেই উভয় পাশে লিখবে না)
২। স্পষ্ট করে লেখার চেষ্টা করবে
৩। লেখার ভিতরে কাটা-কাটি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে
৪। প্রশ্নের সিরিয়াল (১,২,৩...../ক,খ,গ.....) ঠিকরেখে লিখবে
** কাভার পেইজ কিভাবে পুরণ করবেঃ
* * কাভার পেইজে তিনটা অংশ আছে
১। প্রথম অংশ শিক্ষার্থী পূরণ করবে
২। দ্বিতীয় অংশ মূল্যায়নকারী শিক্ষক পূরণ করবে
৩। তৃতীয় অংশ প্রতিষ্ঠান পূরণ করবে
** মনে রাখতে হবে কাভার পেইজ এর তিনটা অংশই ইংরেজীতে পূরণ করতে হবে।
এ্যাসাইনমেন্টের যে অংশ শিক্ষার্থীগন পূরণ করবে তার প্রথমেই আছে এ্যাসাইনমেন্টের ক্রমিক নম্বর
** এ্যাসাইনমেন্টের ক্রমিক নম্বরঃ তুমি যে এ্যাসাইনমেন্টেটি তৈরি করবে, সেই বিষয়ের প্রথম ঘরেই ক্রমিক নম্বর দেওয়া আছে। "বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা" প্রশ্নে দেখো এর প্রথম ঘরেই এ্যাসাইনমেন্ট নম্বর ১ লেখা আছে । তাহলে তুমি ক্রমিক নম্বরে লিখবে, ১। কারণ তুমি ১ নম্বর শুরু করছো। যদি ২ হয়,তাহলে লিখবে ২। (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)
** শিরোনামঃ তুমি যদি "বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা" শুরু করো, তাহলে শিরোনাম পয়েন্টে লেখা আছে, ' ইতিহাস পরিচিতি '। কাজেই তোমার শিরোনামে এই লেখাটি লিখতে হবে।
** বিষয় কোড ও বিষয়ের নামঃ এটা তোমার এ্যাসাএনমেন্টে এবং তোমার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে লেখা আছে।" বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা" হলে লিখবে বিষয় কোড "153"। (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)
বিষয়ের নামঃ "বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা"
** শিক্ষাবোর্ডের নাম ঃ এখানে শুধু জেলার নাম লিখবে না । যেমন (ঢাকা / যশোর / রাজশাহী)। বরং তুমি লিখবে (Dhaka Board/ Jashore Board / Rajsahi Board)। (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)
** রেজিষ্ট্রেশন নম্বরঃ এটা তোমার এস.এস.সি এর রেজিষ্ট্রেশন কার্ড থেকে দেখে খুব সতর্কতার সহিত লিখবে যেনো কোনো প্রকার ভুল না হয়। তোমার জে.এস.সি রেজিষ্ট্রেশন দেখে লিখলেও হবে কারণ জে.এস.সি এবং এস.এস.সি একই রেজিষ্ট্রেশন নম্বর। (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)
** শিক্ষার্থীর নামঃ তোমার রেজিষ্ট্রেশন কার্ড দেখে তোমার নাম লিখবে রেজিষ্ট্রেশন কার্ডে যেভাবে তোমার নামের বানান লেখা আছে ঠিক সে ভাবে লিখবে । (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)
** পিতার নামঃ তোমার রেজিষ্ট্রেশন কার্ড দেখে তোমার পিতার নাম লিখবে রেজিষ্ট্রেশন কার্ডে যেভাবে নামের বানান লেখা আছে ঠিক সে ভাবে লিখবে । (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)
** মাতার নামঃ তোমার রেজিষ্ট্রেশন কার্ড দেখে তোমার মাতার নাম লিখবে রেজিষ্ট্রেশন কার্ডে যেভাবে নামের বানান লেখা আছে ঠিক সে ভাবে লিখবে । (এটা ইংরেজীতেই লিখবে)
** কাভার পেইজে তোমার কাজ শেষ। আর কোথাও তোমার হাত দেওয়ার প্রয়োজন নাই!
** কিভাবে এ্যাসাইনমেন্ট লেখা শুরু করবোঃ এবার এসো A4 সাইজ পেইজ নিয়ে পেন্সিল দিয়ে সুন্দর করে মার্জিন করে ফেলি। কালো বলপয়েন্ট কলম দিয়ে লেখা শুরু করি। "এ্যাসাইনসেন্ট -০১" লিখে নিচে প্রথমে "ক" শেষ করে তারপর "খ" তারপর "গ" ধারাবাহিকভাবে আমরা পেইজের একপাশেই লিখি। অন্য পাশে খালি রাখি। একটা দাগ বা পেইজের পাশে কোনো ফুল বা পাপড়ি আঁকার প্রয়োজন নাই ।
** অ্যাসাইনমেন্টে উত্তর লেখার ক্ষেত্রে কালো বলপয়েন্ট ছাড়া অন্য কোনো কালারিং পেন ব্যবহার না করাই ভালো।
লেখা শেষ হলে পূরণ করা কাভার পেইজের সাথে এই লেখাগুলো পিনআপ করে নাও। তোমার একটা অ্যাসাইনমেন্টের হয়ে গেলো।
এভাবে এ্যাসাইনমেন্টগুলো তৈরী কর।
21/03/2021
Physics and Chemistry ব্যাচে স্টুডেন্ট ভর্তি চলছে
Kajal'S Science Lab...
{ আঃরহমান কাজল}
1) পৃথিবী ঘূর্ণায়নের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না ➯ মধ্যাকর্ষণের জন্য ।
2) প্রেসার কুকারে রান্না তারাতারি হওয়ার কারন ➯ উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় ।
3) চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয় ➯ কালো রংয়ের কাপে (কাল রংয়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি)।
4) চা দেরীতে ঠান্ডা হয় ➯ সাদা রংয়ের কাপে (সাদা রংয়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম)।
5) শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি ➯ কঠিন মাধ্যমে ।
6) শব্দের গতি সবচেয়ে কম ➯ বায়বীয় মাধ্যমে ।
7) তিনটি মূখ্য বর্ণ ➯ লাল, সবুজ ও নীল ।
8)৪০ সে: তাপমাত্রায় জলের ঘনত্ব ➯ সর্বোচ্চ ।
9) ইউরেনিয়াম, নেপচুনিয়াম প্লুটোনিয়াম হল ➯ তেজস্ক্রিয় পদার্থ ।
10) রাবারের স্থিতিস্থাপকতা কম এবং লোহা বা ইস্পাতের স্থিতিস্থাপকতা বেশি ।
11) উন্নত ধরণের বিস্ফোরোক আবিষ্কার করে ধনী হয়েছিলেন ➯ আলফ্রেড নোবেল ।
12) লোহার উপর দস্তার প্রলেপ দেয়াকে বলে ➯ গ্যালভানাইজিং ।
13) আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে ➯ মরিচিকায় ।
14) জল বরফে পরিণত হলে ➯ আয়তনে বাড়ে ।
15) জল কঠিন, তরল ও বায়বীয় অবস্থায় থাকতে পারে ।
16) বৈদুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরী ➯ টাংস্টেন দিয়ে ।
17) CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ধ্বংস করে ➯ ওজন স্তর ।
18) ডুবোজাহাজ থেকে জলের উপরে দেখার জন্য ব্যবহৃত হয় ➯ পেরিস্কোপ ।
19) ব্যাটারি হতে পাওয়া যায় ➯ ডিসি কারেন্ট ।
20) সর্বোত্তম তড়িৎ পরিবাহক ➯ তামা ।
21) ডিনামাইট আবিস্কার করেন ➯ আলফ্রেড নোবেল ।
22) পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয় ➯ গ্রাফাইট ।
23) শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে চলে ➯ সুপারসনিক বিমান ।
24) বায়ুতে বা শুণ্য স্থানে শব্দের গতি ➯ ৩X১০১০ সে. মি. ।
25) কাঁচা লোহা, ইস্পাত ও কোবাল্ট ➯ চুম্বক পদার্থ ।
26) আলোর নিয়মিত প্রতিফলণ ঘটে ➯ দর্পনে ।
27) স্টিফেন হকিন্স একজন ➯ পদার্থবিদ ।
28) পদার্থের ক্ষুদ্রতমা কণা ➯ অণু ।
29) পদার্থের স্থায়ী মূল কণিকা ➯ ইলেকট্রোন, প্রোটন ও নিউট্রন ।
30) তেজস্ক্রিয় রশ্মিতে থাকে ➯ আলফা, বিটা ও গামা কনিকা ।
31) পদার্থের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যা ➯ পরস্পর সমান ।
32) পৃথিবী ও উহার নিকটস্থ মধ্যকার বস্তুর আকর্ষণ বলকে বলে ➯ অভিকর্ষ বল ।
33) বরফ গলনের সুপ্ত তাপ ➯ ৮০ ক্যালরি ।
34) ০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় শব্দের গতি ➯ ৩৩২ মিটার/সেকেন্ড ।
35) সুর্যোদয় ও সুর্যাস্তের সময় আকাশ লাল দেখায় ➯ লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে ।
36) সূর্য থেকে পৃথিবীতে আগত রশ্মি ➯ সৌর রশ্মি ।
37) পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি ➯ জীবাস্ম জালানি ।
38) জীব-জগতের সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি ➯ অতি বেগুণী রশ্মি ।
39) এক্সরে এর একক ➯ রনজেন ।
40) তেজস্ক্রীয়তার একক কুরি ও এর আবিস্কারক ➯ হেনরী বেকুইরেল ।
41) রেডিয়াম আবিস্কার করেন ➯ মাদাম কুরি ।
42) পারমাণবিক বোমা উৎপন্ন হয় ➯ ফিশন পদ্ধতিতে ।
43) হাইড্রোজেন বোমা উৎপন্ন হয় ➯ ফিউশন পদ্ধতিতে ।
44) পারমানবিক ওজন = প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন ।
45) প্লবতা সূত্র আবিস্কার করেন ➯ আর্কিমিডিস ।
46) দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিস্কার করেন ➯ গ্যালিলিও ।
47) গতির সূত্র আবিস্কার করেন ➯ নিউটন ।
48) ডিজিটাল ফোনের প্রধান বৈশিষ্ঠ ➯ ডিজিটাল সিগনাল ডেটাবেজ ।
49) পীট কয়লা ➯ ভিজা ও নরম ।
50) তাপ আটকা পড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে বলে ➯ গ্রীনহাউজ ইফেক্ট।
51) পরমাণু ভেঙ্গে প্রচন্ড শক্তি সৃস্টি করাকে বলে ➯ ফিউশন বিক্রিয়া ।
52) বায়ু এক প্রকার ➯ মিশ্র পদার্থ ।
53) আপেক্ষিকতার সূত্র আবিস্কার করেন ➯ আলবার্ট আইনস্টাইন ।
54) মৌলিক রাশিগুলো হলো ➯ দৈর্ঘ, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন ক্ষমতা ও পদার্থের পরিমাণ।
55) লব্ধ রাশি ➯ বল, ত্বরণ, কাজ, তাপ, বেগ প্রভৃতি ।
56) ভেক্টর রাশি ➯ সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল, তড়িৎ প্রাবল্য, মন্দন, ভেদাঙ্ক ইত্যাদি ।
57) স্কেলার রাশি ➯ দৈর্ঘ, ভর, দ্রূতি, কাজ, তড়িৎ বিভব, সময়, তাপমাত্রা ইত্যাদি।
58) পরিমাপের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি হল ➯ এস. 58) পরিমাপের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি হল ➯ এস. আই. I. ।
1) পৃথিবী ঘূর্ণায়নের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না ➯ মধ্যাকর্ষণের জন্য ।
2) প্রেসার কুকারে রান্না তারাতারি হওয়ার কারন ➯ উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় ।
3) চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয় ➯ কালো রংয়ের কাপে (কাল রংয়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি)।
4) চা দেরীতে ঠান্ডা হয় ➯ সাদা রংয়ের কাপে (সাদা রংয়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম)।
5) শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি ➯ কঠিন মাধ্যমে ।
6) শব্দের গতি সবচেয়ে কম ➯ বায়বীয় মাধ্যমে ।
7) তিনটি মূখ্য বর্ণ ➯ লাল, সবুজ ও নীল ।
8)৪০ সে: তাপমাত্রায় জলের ঘনত্ব ➯ সর্বোচ্চ ।
9) ইউরেনিয়াম, নেপচুনিয়াম প্লুটোনিয়াম হল ➯ তেজস্ক্রিয় পদার্থ ।
10) রাবারের স্থিতিস্থাপকতা কম এবং লোহা বা ইস্পাতের স্থিতিস্থাপকতা বেশি ।
11) উন্নত ধরণের বিস্ফোরোক আবিষ্কার করে ধনী হয়েছিলেন ➯ আলফ্রেড নোবেল ।
12) লোহার উপর দস্তার প্রলেপ দেয়াকে বলে ➯ গ্যালভানাইজিং ।
13) আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে ➯ মরিচিকায় ।
14) জল বরফে পরিণত হলে ➯ আয়তনে বাড়ে ।
15) জল কঠিন, তরল ও বায়বীয় অবস্থায় থাকতে পারে ।
16) বৈদুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরী ➯ টাংস্টেন দিয়ে ।
17) CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ধ্বংস করে ➯ ওজন স্তর ।
18) ডুবোজাহাজ থেকে জলের উপরে দেখার জন্য ব্যবহৃত হয় ➯ পেরিস্কোপ ।
19) ব্যাটারি হতে পাওয়া যায় ➯ ডিসি কারেন্ট ।
20) সর্বোত্তম তড়িৎ পরিবাহক ➯ তামা ।
21) ডিনামাইট আবিস্কার করেন ➯ আলফ্রেড নোবেল ।
22) পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয় ➯ গ্রাফাইট ।
23) শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে চলে ➯ সুপারসনিক বিমান ।
24) বায়ুতে বা শুণ্য স্থানে শব্দের গতি ➯ ৩X১০১০ সে. মি. ।
25) কাঁচা লোহা, ইস্পাত ও কোবাল্ট ➯ চুম্বক পদার্থ ।
26) আলোর নিয়মিত প্রতিফলণ ঘটে ➯ দর্পনে ।
27) স্টিফেন হকিন্স একজন ➯ পদার্থবিদ ।
28) পদার্থের ক্ষুদ্রতমা কণা ➯ অণু ।
29) পদার্থের স্থায়ী মূল কণিকা ➯ ইলেকট্রোন, প্রোটন ও নিউট্রন ।
30) তেজস্ক্রিয় রশ্মিতে থাকে ➯ আলফা, বিটা ও গামা কনিকা ।
31) পদার্থের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যা ➯ পরস্পর সমান ।
32) পৃথিবী ও উহার নিকটস্থ মধ্যকার বস্তুর আকর্ষণ বলকে বলে ➯ অভিকর্ষ বল ।
33) বরফ গলনের সুপ্ত তাপ ➯ ৮০ ক্যালরি ।
34) ০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় শব্দের গতি ➯ ৩৩২ মিটার/সেকেন্ড ।
35) সুর্যোদয় ও সুর্যাস্তের সময় আকাশ লাল দেখায় ➯ লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে ।
36) সূর্য থেকে পৃথিবীতে আগত রশ্মি ➯ সৌর রশ্মি ।
37) পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি ➯ জীবাস্ম জালানি ।
38) জীব-জগতের সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি ➯ অতি বেগুণী রশ্মি ।
39) এক্সরে এর একক ➯ রনজেন ।
40) তেজস্ক্রীয়তার একক কুরি ও এর আবিস্কারক ➯ হেনরী বেকুইরেল ।
41) রেডিয়াম আবিস্কার করেন ➯ মাদাম কুরি ।
42) পারমাণবিক বোমা উৎপন্ন হয় ➯ ফিশন পদ্ধতিতে ।
43) হাইড্রোজেন বোমা উৎপন্ন হয় ➯ ফিউশন পদ্ধতিতে ।
44) পারমানবিক ওজন = প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন ।
45) প্লবতা সূত্র আবিস্কার করেন ➯ আর্কিমিডিস ।
46) দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিস্কার করেন ➯ গ্যালিলিও ।
47) গতির সূত্র আবিস্কার করেন ➯ নিউটন ।
48) ডিজিটাল ফোনের প্রধান বৈশিষ্ঠ ➯ ডিজিটাল সিগনাল ডেটাবেজ ।
49) পীট কয়লা ➯ ভিজা ও নরম ।
50) তাপ আটকা পড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে বলে ➯ গ্রীনহাউজ ইফেক্ট।
51) পরমাণু ভেঙ্গে প্রচন্ড শক্তি সৃস্টি করাকে বলে ➯ ফিউশন বিক্রিয়া ।
52) বায়ু এক প্রকার ➯ মিশ্র পদার্থ ।
53) আপেক্ষিকতার সূত্র আবিস্কার করেন ➯ আলবার্ট আইনস্টাইন ।
54) মৌলিক রাশিগুলো হলো ➯ দৈর্ঘ, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন ক্ষমতা ও পদার্থের পরিমাণ।
55) লব্ধ রাশি ➯ বল, ত্বরণ, কাজ, তাপ, বেগ প্রভৃতি ।
56) ভেক্টর রাশি ➯ সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল, তড়িৎ প্রাবল্য, মন্দন, ভেদাঙ্ক ইত্যাদি ।
57) স্কেলার রাশি ➯ দৈর্ঘ, ভর, দ্রূতি, কাজ, তড়িৎ বিভব, সময়, তাপমাত্রা ইত্যাদি।
58) পরিমাপের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি হল ➯ এস. 58) পরিমাপের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি হল ➯ এস. আই. I. ।
59) ভর হচ্ছে পদার্থের ➯ জড়তার পরিমাণ।
60) এই মহাবিশ্বে পরম স্থিতিশীল এবং পরম গতিশীল বলে কিছু নেই ।
61) নিউটনের গতি সূত্র ➯ তিনটি ।
62) নিউটনের বিখ্যাত বই ➯ “ন্যচারাল ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা” ।
63) বিদ্যুৎ শক্তির হিসাব করা হয় ➯ কিলোওয়াট / ঘন্টা KW/H ।
64) ১ অশ্ব শক্তি (P.) = ৭৪৬ ওয়াট বা ৫৫০ ফুট-পাউন্ডাল শক্তি ।
65) মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পারিক আকর্ষণ বল হল ➯ মহাকর্ষ বল ।
66) পৃথিবী ও বিশ্বের যে কোন বস্তুর মধ্যকার পারস্পারিক আকর্ষণ বল হল ➯ অভিকর্ষ বল ।
67) অভিকর্ষজ ত্বরণ G এর মান ➯ পৃথিবীর কেন্দ্রে শূন্য, বিষুবীয় অঞ্চলে সবচেয়ে কম, মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশী।
68) চন্দ্র পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ G এর মান পৃথিবীর মানের ১/৬ ভাগ ।
69) পৃথিবীর মুক্তিবেগ ➯ ১১.২ কি.মি./সে. ।
70) মঙ্গল গ্রহের মুক্তি বেগ ➯ ৫.১ কি.মি./সে. ।
71) গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র কয়টি ➯ তিনটি ।
72) ইস্পাত ও রাবারের মধ্যে বেশী স্থিতিস্থাপক ➯ ইস্পাত ।
73) বস্তুর কম্পনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় ➯ শব্দ ।
74) জলের তরঙ্গ, আলোক তরঙ্গ, তাপ তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ ইত্যাদি হলো ➯ অনুপ্রস্থ বা আড় তরঙ্গ ।
75) শব্দ তর তরঙ্গ হলো ➯ অনুদৈর্ঘ বা লাম্বিক তরঙ্গ ।
76) জলে ঢিল ছুড়লে চলমান যে তরঙ্গের সৃষ্ঠি হয় ➯ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ।
77) টানা তারের সূত্র কয়টি ➯ তিনটি ।
78) শব্দ সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজন ➯ জড় মাধ্যমের ।
79) শুন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ ➯ শুন্য ।
80) স্বাভাবিক অবস্থায় বাতাসে শব্দের দ্রুতি ➯ ৩৩২ মি./সে. ।
81) স্বাভাবিক অবস্থায় জলে শব্দের দ্রুতি ➯ ১৪৫০ মি./সে. ।
82) স্বাভাবিক অবস্থায় লোহায় শব্দের দ্রুতি ➯ ৫২২১ মি./সে. ।
83) শব্দের বেগের উপর প্রভাব আছে ➯ তাপ, আদ্রতা ও বায়ু প্রবাহ ।
84) শ্রাব্যতার সীমা ➯ ২০-২০০০০ HZ ।
85) ইনফ্রাসোনিক বা শব্দোত্তর বা অশ্রুতি শব্দ ➯ ২০ HZ
86।পৃথিবী তৈরির প্রধান উপাদান কী?
উত্তর :অ্যালুমিনিয়াম।
87.উড পেন্সিলের সিস তৈরি হয় কী দিয়ে?
উত্তর : গ্রাফাইট।
59) ভর হচ্ছে পদার্থের ➯ জড়তার পরিমাণ।
60) এই মহাবিশ্বে পরম স্থিতিশীল এবং পরম গতিশীল বলে কিছু নেই ।
61) নিউটনের গতি সূত্র ➯ তিনটি ।
62) নিউটনের বিখ্যাত বই ➯ “ন্যচারাল ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা” ।
63) বিদ্যুৎ শক্তির হিসাব করা হয় ➯ কিলোওয়াট / ঘন্টা KW/H ।
64) ১ অশ্ব শক্তি (P.) = ৭৪৬ ওয়াট বা ৫৫০ ফুট-পাউন্ডাল শক্তি ।
65) মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পারিক আকর্ষণ বল হল ➯ মহাকর্ষ বল ।
66) পৃথিবী ও বিশ্বের যে কোন বস্তুর মধ্যকার পারস্পারিক আকর্ষণ বল হল ➯ অভিকর্ষ বল ।
67) অভিকর্ষজ ত্বরণ G এর মান ➯ পৃথিবীর কেন্দ্রে শূন্য, বিষুবীয় অঞ্চলে সবচেয়ে কম, মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশী।
68) চন্দ্র পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ G এর মান পৃথিবীর মানের ১/৬ ভাগ ।
69) পৃথিবীর মুক্তিবেগ ➯ ১১.২ কি.মি./সে. ।
70) মঙ্গল গ্রহের মুক্তি বেগ ➯ ৫.১ কি.মি./সে. ।
71) গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র কয়টি ➯ তিনটি ।
72) ইস্পাত ও রাবারের মধ্যে বেশী স্থিতিস্থাপক ➯ ইস্পাত ।
73) বস্তুর কম্পনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় ➯ শব্দ ।
74) জলের তরঙ্গ, আলোক তরঙ্গ, তাপ তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ ইত্যাদি হলো ➯ অনুপ্রস্থ বা আড় তরঙ্গ ।
75) শব্দ তর তরঙ্গ হলো ➯ অনুদৈর্ঘ বা লাম্বিক তরঙ্গ ।
76) জলে ঢিল ছুড়লে চলমান যে তরঙ্গের সৃষ্ঠি হয় ➯ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ।
77) টানা তারের সূত্র কয়টি ➯ তিনটি ।
78) শব্দ সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজন ➯ জড় মাধ্যমের ।
79) শুন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ ➯ শুন্য ।
80) স্বাভাবিক অবস্থায় বাতাসে শব্দের দ্রুতি ➯ ৩৩২ মি./সে. ।
81) স্বাভাবিক অবস্থায় জলে শব্দের দ্রুতি ➯ ১৪৫০ মি./সে. ।
82) স্বাভাবিক অবস্থায় লোহায় শব্দের দ্রুতি ➯ ৫২২১ মি./সে. ।
83) শব্দের বেগের উপর প্রভাব আছে ➯ তাপ, আদ্রতা ও বায়ু প্রবাহ ।
84) শ্রাব্যতার সীমা ➯ ২০-২০০০০ HZ ।
85) ইনফ্রাসোনিক বা শব্দোত্তর বা অশ্রুতি শব্দ ➯ ২০ HZ
86।পৃথিবী তৈরির প্রধান উপাদান কী?
উত্তর :অ্যালুমিনিয়াম।
87.উড পেন্সিলের সিস তৈরি হয় কী দিয়ে?
উত্তর : গ্রাফাইট।
=========
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Puran Bogra